বেডরুম না হোক শহরেতো নিরাপত্তা দেয়া যায়: মকসুদ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ইঙ্গিত করে লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ
বলেছেন, “বেডরুমে নিরাপত্তা দেয়া না যেতে পারে কিন্তু শহর বা জনপদেতো
নিরাপত্তা দেয়া যায়। রামু’তে বৌদ্ধবিহারে সহিংসতার আশঙ্কার কথা আগেই
প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবুও প্রশাসন নির্লিপ্ত ছিল। বর্তমান সরকারের জন্য
এর চেয়ে লজ্জার কিছু আর হতে পারে না।”
শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। বৌদ্ধবিহারে হামলার প্রতিবাদে বিকেলে নাগরিক সংহতি ও প্রতিবাদ সমাবেশে সূচনা বক্তব্য রাখেন মকসুদ। ‘অসাম্প্রদায়িক ও জাতিগত বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ চাই’ নামক একটি সংগঠন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের বাসার শয়নকক্ষ থেকে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও তার স্ত্রী এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি’র লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “দুই সাংবাদিককে নিজেদের ঘরে মারা হয়েছে। সরকারের পক্ষে কারো বেডরুম পাহারা দেয়া সম্ভব নয়।” ২৩ ফেব্রুয়ারি গণভবনে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা সদরে দুষ্কৃতিকারীদের একাধিক দল বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের শত বছরের পুরানো ১২টি বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরে আগুন লাগায়। পুড়িয়ে দেয় বৌদ্ধপল্লীর ৪০টির মতো বসতবাড়ি। শতাধিক ঘরবাড়িও ভাঙচুর করে তারা। বৌদ্ধধর্মাবলম্বী এক তরুণের ফেসবুকে পবিত্র কোরআন শরিফের অবমাননাকর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে- এমন অভিযোগে গভীর রাতে ওই হামলা চালানো হয়। রামুর ঘটনার পর টেকনাফ, উখিয়া, পটিয়ায় বেশ কয়েকটি বৌদ্ধবিহার ও বাড়ি এবং একটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট চালায় দুষ্কৃতকারীরা।
শুক্রবার প্রতিবাদ সমাবেশে সৈয়দ মকসুদ বলেন, “রামুর ঘটনা তদন্ত করতে ১৮ দিন লাগে না। এক দিনেই এটি সম্ভব।”
রামুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা ‘সন্তোষজনক নয়’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের লোকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন আবুল মকসুদ।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শামসুজ্জামান সেলিম, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা, আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং প্রমুখ।
শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। বৌদ্ধবিহারে হামলার প্রতিবাদে বিকেলে নাগরিক সংহতি ও প্রতিবাদ সমাবেশে সূচনা বক্তব্য রাখেন মকসুদ। ‘অসাম্প্রদায়িক ও জাতিগত বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ চাই’ নামক একটি সংগঠন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের বাসার শয়নকক্ষ থেকে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও তার স্ত্রী এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি’র লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “দুই সাংবাদিককে নিজেদের ঘরে মারা হয়েছে। সরকারের পক্ষে কারো বেডরুম পাহারা দেয়া সম্ভব নয়।” ২৩ ফেব্রুয়ারি গণভবনে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা সদরে দুষ্কৃতিকারীদের একাধিক দল বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের শত বছরের পুরানো ১২টি বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরে আগুন লাগায়। পুড়িয়ে দেয় বৌদ্ধপল্লীর ৪০টির মতো বসতবাড়ি। শতাধিক ঘরবাড়িও ভাঙচুর করে তারা। বৌদ্ধধর্মাবলম্বী এক তরুণের ফেসবুকে পবিত্র কোরআন শরিফের অবমাননাকর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে- এমন অভিযোগে গভীর রাতে ওই হামলা চালানো হয়। রামুর ঘটনার পর টেকনাফ, উখিয়া, পটিয়ায় বেশ কয়েকটি বৌদ্ধবিহার ও বাড়ি এবং একটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট চালায় দুষ্কৃতকারীরা।
শুক্রবার প্রতিবাদ সমাবেশে সৈয়দ মকসুদ বলেন, “রামুর ঘটনা তদন্ত করতে ১৮ দিন লাগে না। এক দিনেই এটি সম্ভব।”
রামুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা ‘সন্তোষজনক নয়’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের লোকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন আবুল মকসুদ।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শামসুজ্জামান সেলিম, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা, আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং প্রমুখ।
