অনলাইনে জমজমাট কোরবানির হাট :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় জীবন আজ হয়ে উঠেছে আরো বর্ণিল। সেই পথেই ইন্টারনেট সংযোগ
আমাদের আটপৌঢ়ে জীবনে দিয়েছে নতুন প্রাণ। জন্ম থেকে মৃত্যু জীবনের প্রতিটি
পরতে যুক্ত এই অন্তর্জালের অন্তরঙ্গতা এখন জুড়ে গেছে মুসলমানদের আত্মোৎসর্গ
আনন্দ আয়োজনেও।
তাই ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এবার ভার্চুয়াল দুনিয়াতেও বসে গেছে কোরবানির (গরু-ছাগলের) হাট। মর্তোলোকে জমে না উঠলেও ভার্চুয়াল দুনিয়ায় জমাজমাট হয়ে উঠেছে অনলাইন কোরবানির হাট।
দেশের ইতিহাসে প্রথম এই অনলাইন কোরবানির হাট বসেছে http://amardesheshop.com/index.php/qurbani/ ঠিকানায়। এখানে রয়েছে কোরবানি উপলক্ষে বিক্রির অপেক্ষায় থাকা গরু ও ছাগলের ছবি, কোড নম্বর, দাম এবং কোনো কোনে ক্ষেত্রে এর ভিডিও। অনলাইনে বুকিং দেয়ার পাশাপাশি ব্রাকব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের ই ক্যাশ, বি-ক্যাশ কিংবা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পছন্দের পশু কিনতে পারছেন ক্রেতারা।
অর্থাৎ কোরবানির গরু কিনতে এখন আর প্রয়োজন নেই এ হাটে, ও হাটে ঘোরাঘুরি কিংবা কোরবানির পশু কিনে রশি টানাতে টানতে বাসায় আনার গলদঘর্ম কসরৎ। অনলাইন এই কোরবানির হাট থেকে এখন চাইলেই ঘরে বসে পছন্দের গরু নির্বাচন করতে পারছেন ক্রেতারা। একইভাবে গোয়াল থেকেই ঈপ্সিত মূল্যে পালিত কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারছেন চাষী বা খামারীরা।
আর কোরবানির পশু ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে এই সেতুবন্ধন তৈরি করেছে অনলাইনে কেনা-বেঁচার হাট আমারদেশ-ই-শপ। আমার দেশে আমার গ্রাম প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই ই-কমার্স সাইটটিতে কোরবানি উপলক্ষে আয়োজিত গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয় আয়োজন শুরু হয়েছে চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে। অবশ্য শুরুর দিকে প্রথম দশ দিন অন লাইনের এই কোরবানির হাট ছিল ক্রেতাশূন্য। তবে দর্শনার্থী ছিল উল্লেখ কারার মতো। প্রতি দিনই একই সময়ে অনলাইনে এই কোরবানির হাটে ঘোরাঘুরি করছেন দেড়শ’ থেকে দুইশ’ দর্শণার্থী।
গত ১৫ অক্টোবর প্রথম বুকিং দেন নেদারল্যান্ড প্রবাসী মোমেন আহমেদ। ঈদের এক দিন আগে আগামী ২৬ অক্টোবর দেশে ফিরবেন মোমেন। তাই এবার ঈদ করবেন ঢাকার মহাখালীতে। কোরবানিও দেবেন এমহাখালী রেলগেট সংলগ্ন বাসার সামনের এক চিলতে খোলা জায়গায়। তাই আগে ভাগেই অনলাইন থেকে তিনটি গরু কিনেছেন তিনি। গরু তিনটির দাম পড়েছে এক লাখ ২৬ হাজার টাকা। দেশের বাইরে থেকেও সহজেই কোরবানির পশুর বন্দোবস্ত করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মোমেন।
তিনি বলেন, “অনলাইনেই কোরবানির পশু কিনতে পেরে সত্যি খুবই খুশি। এখন নিজেকে খুবই নির্ভার মনে হচ্ছে। গরুর হাটের বিড়ম্বনা ছাড়াই প্রথম পর্ব শেষ করলাম। এবার বাকি থাকলো কষাই পর্ব। এটাও যদি অনলাইনে কন্টাক্ট করতে পারতাম দারুণ হতো!”
অনলাইন এই কোরবানির হাট সম্পর্কে হাটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদিকা হাসান সেঁজুতি বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে বুকিং নেয়া অব্যাহত থাকবে। ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হবে হোম ডেলিভারির কাজ। ডেলিভারির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা চার্জ ধরা হচ্ছে। কোরবানির গরু হওয়ায় ছয় শতাংশ সার্ভিস চার্জ বাদে বিক্রির পুরো টাকাই চাষী বা খামারীকে দেয়া হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এবার ছোট পরিসরে শুরু করা হলেও আগামীতে এর আকার আরো বাড়ানো হবে। ঢাকার বাইরেও এই সেবা চালু করা হবে। প্রাথমিকভাবে এবার মোট ২০০টির মতো গরু-ছাগল বিক্রি করা হবে। ইতিমধ্যেই ২০টির মতো বিক্রি হয়েছে বলে তিনি জানান।
সেঁজুতি বলেন, “কোরবানির পশু সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে সাতটি ই-সেন্টার করা হয়েছে। সেন্টরগুলো রয়েছে মংলা, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, রংপুর এবং সিলেট। ফলে মধ্যসত্বভোগীদের বেড়াজাল এড়িয়ে ক্রেতা এবং বিক্রেতারা নির্ঝঞ্চাটভাবে কোরবানির পশু পেয়ে যাচ্ছেন ঘরে। এ জন্য সময়, শ্রম এবং অর্থ তিনই বাঁচছে। আমরা শুধু পরিবহ এবং ব্যাংক চার্জ ও অনন্য ব্যয়গুলোর জন্য নামমাত্র সার্ভিস চার্জ নিচ্ছি।”
অনলাইন কোরবানির হাটটি ঘুরে এবং ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে মিল পাওয়া গেলো সেঁজুতির কথার। প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত অনলাইনে কোরবানির এই হাটে বিক্রির অপেক্ষায় থাকা গুরুর দাম ছিল ৩২ হাজার ৫০০টাকা থেকে ৮২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। তবে প্রথম পেজে প্রদর্শিত মোট নয়টি গরুর মধ্যে সাতটিই বিক্রি হয়ে যেতে দেখা গেছে। ছাগলের কোনো ছবি দেখা যায়নি। তবে সেঁজুতি জানিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যে কোরবানির ছাগলও অনলাইনে (হাটে) চলে আসবে।
তাই ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এবার ভার্চুয়াল দুনিয়াতেও বসে গেছে কোরবানির (গরু-ছাগলের) হাট। মর্তোলোকে জমে না উঠলেও ভার্চুয়াল দুনিয়ায় জমাজমাট হয়ে উঠেছে অনলাইন কোরবানির হাট।
দেশের ইতিহাসে প্রথম এই অনলাইন কোরবানির হাট বসেছে http://amardesheshop.com/index.php/qurbani/ ঠিকানায়। এখানে রয়েছে কোরবানি উপলক্ষে বিক্রির অপেক্ষায় থাকা গরু ও ছাগলের ছবি, কোড নম্বর, দাম এবং কোনো কোনে ক্ষেত্রে এর ভিডিও। অনলাইনে বুকিং দেয়ার পাশাপাশি ব্রাকব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের ই ক্যাশ, বি-ক্যাশ কিংবা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পছন্দের পশু কিনতে পারছেন ক্রেতারা।
অর্থাৎ কোরবানির গরু কিনতে এখন আর প্রয়োজন নেই এ হাটে, ও হাটে ঘোরাঘুরি কিংবা কোরবানির পশু কিনে রশি টানাতে টানতে বাসায় আনার গলদঘর্ম কসরৎ। অনলাইন এই কোরবানির হাট থেকে এখন চাইলেই ঘরে বসে পছন্দের গরু নির্বাচন করতে পারছেন ক্রেতারা। একইভাবে গোয়াল থেকেই ঈপ্সিত মূল্যে পালিত কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারছেন চাষী বা খামারীরা।
আর কোরবানির পশু ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে এই সেতুবন্ধন তৈরি করেছে অনলাইনে কেনা-বেঁচার হাট আমারদেশ-ই-শপ। আমার দেশে আমার গ্রাম প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই ই-কমার্স সাইটটিতে কোরবানি উপলক্ষে আয়োজিত গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয় আয়োজন শুরু হয়েছে চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে। অবশ্য শুরুর দিকে প্রথম দশ দিন অন লাইনের এই কোরবানির হাট ছিল ক্রেতাশূন্য। তবে দর্শনার্থী ছিল উল্লেখ কারার মতো। প্রতি দিনই একই সময়ে অনলাইনে এই কোরবানির হাটে ঘোরাঘুরি করছেন দেড়শ’ থেকে দুইশ’ দর্শণার্থী।
গত ১৫ অক্টোবর প্রথম বুকিং দেন নেদারল্যান্ড প্রবাসী মোমেন আহমেদ। ঈদের এক দিন আগে আগামী ২৬ অক্টোবর দেশে ফিরবেন মোমেন। তাই এবার ঈদ করবেন ঢাকার মহাখালীতে। কোরবানিও দেবেন এমহাখালী রেলগেট সংলগ্ন বাসার সামনের এক চিলতে খোলা জায়গায়। তাই আগে ভাগেই অনলাইন থেকে তিনটি গরু কিনেছেন তিনি। গরু তিনটির দাম পড়েছে এক লাখ ২৬ হাজার টাকা। দেশের বাইরে থেকেও সহজেই কোরবানির পশুর বন্দোবস্ত করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মোমেন।
তিনি বলেন, “অনলাইনেই কোরবানির পশু কিনতে পেরে সত্যি খুবই খুশি। এখন নিজেকে খুবই নির্ভার মনে হচ্ছে। গরুর হাটের বিড়ম্বনা ছাড়াই প্রথম পর্ব শেষ করলাম। এবার বাকি থাকলো কষাই পর্ব। এটাও যদি অনলাইনে কন্টাক্ট করতে পারতাম দারুণ হতো!”
অনলাইন এই কোরবানির হাট সম্পর্কে হাটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদিকা হাসান সেঁজুতি বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে বুকিং নেয়া অব্যাহত থাকবে। ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হবে হোম ডেলিভারির কাজ। ডেলিভারির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা চার্জ ধরা হচ্ছে। কোরবানির গরু হওয়ায় ছয় শতাংশ সার্ভিস চার্জ বাদে বিক্রির পুরো টাকাই চাষী বা খামারীকে দেয়া হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এবার ছোট পরিসরে শুরু করা হলেও আগামীতে এর আকার আরো বাড়ানো হবে। ঢাকার বাইরেও এই সেবা চালু করা হবে। প্রাথমিকভাবে এবার মোট ২০০টির মতো গরু-ছাগল বিক্রি করা হবে। ইতিমধ্যেই ২০টির মতো বিক্রি হয়েছে বলে তিনি জানান।
সেঁজুতি বলেন, “কোরবানির পশু সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে সাতটি ই-সেন্টার করা হয়েছে। সেন্টরগুলো রয়েছে মংলা, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, রংপুর এবং সিলেট। ফলে মধ্যসত্বভোগীদের বেড়াজাল এড়িয়ে ক্রেতা এবং বিক্রেতারা নির্ঝঞ্চাটভাবে কোরবানির পশু পেয়ে যাচ্ছেন ঘরে। এ জন্য সময়, শ্রম এবং অর্থ তিনই বাঁচছে। আমরা শুধু পরিবহ এবং ব্যাংক চার্জ ও অনন্য ব্যয়গুলোর জন্য নামমাত্র সার্ভিস চার্জ নিচ্ছি।”
অনলাইন কোরবানির হাটটি ঘুরে এবং ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে মিল পাওয়া গেলো সেঁজুতির কথার। প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত অনলাইনে কোরবানির এই হাটে বিক্রির অপেক্ষায় থাকা গুরুর দাম ছিল ৩২ হাজার ৫০০টাকা থেকে ৮২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। তবে প্রথম পেজে প্রদর্শিত মোট নয়টি গরুর মধ্যে সাতটিই বিক্রি হয়ে যেতে দেখা গেছে। ছাগলের কোনো ছবি দেখা যায়নি। তবে সেঁজুতি জানিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যে কোরবানির ছাগলও অনলাইনে (হাটে) চলে আসবে।
