Pages

Showing posts with label BERC. Show all posts
Showing posts with label BERC. Show all posts

Saturday, January 5, 2013

‘জীবনযাত্রায় ব্যয় বাড়বে’

‘জীবনযাত্রায় ব্যয় বাড়বে’


সরকারের হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে প্রায় সব ক্ষেত্রে। এ মূল্যবৃদ্ধি দেশে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে। বেড়ে যাবে পরিবহন ব্যয়। যানবাহনের ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টিরও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া বোরো মওসুমে কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে দেখছেন না দেশের অর্থনীতিবিদেরা। তাদের প্রশ্ন, তেলের দাম বাড়ানোর ফলে যে অর্থের সাশ্রয় হবে, সেটা কোন খাতে ব্যয় হবে? এদিকে সরকারের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার ১৮ দলীয় জোট সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে। তবে সরকার ও বিরোধী দলীয় জোটের এ সিদ্ধান্তকে ভালভাবে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে চাল, ভোজ্য তেল, কাঁচা-তরকারিসহ যাবতীয় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। দূরপাল্লার পরিবহন ছাড়াও অভ্যন্তরীণ রুটে এবং রপ্তানি পরিবহনের জন্যও বাড়তি টাকা গুণতে হবে সবাইকে।
যোগাযোগ করা হলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মানবজমিনকে বলেন, জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য, সরকারের বর্তমান রাজস্ব-পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক বিবেচনায় দাম বাড়ানোর দরকার ছিল না। এই মূল্যবৃদ্ধি দেশে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে। তিনি বলেন, আশা করেছিলাম বোরো চাষের জন্য সরকার ডিজেলের দাম না বাড়িয়ে কৃষককে রক্ষা করবে। কিন্তু সেটা আর হলো না। তবে এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, তেলের দাম বাড়ানোর ফলে যে অর্থের সাশ্রয় হবে, সেটা কোন খাতে ব্যয় হবে। এ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকলে জনগণের জন্য মূল্যবৃদ্ধি মেনে নেয়া সহজ হতে পারে বলে তিনি জানান।
অর্থনীতিবিদ ও তেল-বিদ্যুৎ-গ্যাস-বন্দর ও খনিজসম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ড. আনু মুহাম্মদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে চাল, ডাল, তেল, তরিতরকারি এবং পরিবহন ভাড়া বাড়বে। যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেবে। তিনি বলেন, তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার কারণেই তেলের ওপর চাপ বাড়ছে। যেখানে সরকার কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। যার জন্য সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তবে এতে সরকারের কিছু লোক লাভবান হবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত মেনেই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত একটি কিস্তির অর্থ পেয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পেতেই সরকারের এ সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে, তাদেরই মাথায় আবার বাড়ি দিচ্ছে সরকার। আর এতে করে দুর্যোগটা পড়বে দেশের অর্থনীতির ওপরই। বিশেষ করে যারা সিএনজি (সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস) ব্যবহার করছে তারাও ভাড়া বাড়িয়ে দেবে এ অজুহাতে। পূর্বের মতো সরকার এই খাতে সৃষ্ট অস্থিরতাকেও সামাল দিতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১১ সালের ৩০শে ডিসেম্বর সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। এই সরকারের আমলে এ নিয়ে ৫ বার জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো। এর মধ্যে প্রতি লিটার অকটেন ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ৯৯ টাকা। পেট্রলের দর বেড়েছে লিটারপ্রতি ৫ টাকা। এখন প্রতি লিটার পেট্রল কিনতে হবে ৯৬ টাকায়। আর ডিজেল ও কেরোসিন লিটারে ৭ টাকা করে বেড়ে হয়েছে ৬৮ টাকা। ফার্নেস তেল ও জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানো হয়নি। তবে এ দুটিতে সরকারের কোন ভর্তুকি লাগে না। অকটেন ও পেট্রলেও ভর্তুকি লাগে না। এর পরও এই দুটির দাম বাড়ানো হলো। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত মেনেই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। ১০০ কোটি ডলারের বর্ধিত ঋণসুবিধার আওতায় (ইএসএফ) বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একটি কিস্তির অর্থ পেয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির ১৪ কোটি ১০ লাখ ডলার চলতি জানুয়ারি মাসেই পাওয়ার কথা। এই অর্থ পেতেই বাড়ানো হলো জ্বালানি তেলের দাম।

Friday, January 4, 2013

হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট নিয়ে দিশাহারা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট নিয়ে দিশাহারা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড


হাজার কোটি টাকার গ্যাসভিত্তিক ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট প্রজেক্ট নিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালীদের চাপে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে । পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ কোন প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে এ নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দু’টি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার চাপে রয়েছেন তারা। আর ওই দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতা। যদিও দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে টেন্ডার শর্ত পূরণে ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে লিখিত অভিযোগও দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ঘোড়াশাল ৩০০-৪৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট প্রজেক্ট নিয়ে চলছে রশি টানাটানি। গত বছরের ২৬শে ডিসেম্বর ওই প্রজেক্টের টেন্ডার আহ্বান করা হয়। চলতি বছরের ২১শে জুন পর্যন্ত ৬টি কোম্পানি টেন্ডার জমা দেয়। এগুলো হচ্ছে শাংহাই ইলেকট্রিক গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড, পি আর চায়না, চায়না ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন (সিএনটিআইসি), চায়না অ্যান্ড সিএমসি চায়না কনসোর্টিয়াম, সেপকো থ্রি ইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন, চায়না, আলস্টম (সুইজারল্যান্ড) লিমিটেড অ্যান্ড আলস্টোম ইন্ডিয়া লিমিটেড কনসোর্টিয়াম, মারুবেনি কর্পোরেশন অ্যান্ড হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড কনসোর্টিয়াম ও সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন চায়না। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিকল্পনা ও উন্নয়নের সদস্য আবদুহু রুহু্‌ল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত ৭ সদস্যর টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটি সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সিএনটিআইসিকে কাজ দেয়ার সুপারিশ করে। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৪৪ কোটি ৯৩ লাখ ৭৯৯৪ টাকা দর ডাকে। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন প্রতিষ্ঠান হচ্ছে শাংহাই ইলেকট্রিক গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এসইসি)। তাদের দর ১৯৯১ কোটি ৪৮ লাখ ২৭ হাজার ১৩১ টাকা। সংসদীয় কমিটিকে দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যায়ন কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পর এসইসি বেশকিছু শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ আনে সিএনটিআইসির বিরুদ্ধে। এর মধ্যে কিছু কারিগরি ও কিছু বাণিজ্যিক শর্ত ভঙ্গের কথা উল্লেখ করা হয়। প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, টেন্ডার শর্তে রয়েছে, প্রজেক্টের অন্তত ৮৫ ভাগ অর্থায়ন করবে কাজ পাওয়া কোম্পানি। এর বিপরীতে ব্যাংকের কনফার্মেশন চিঠি থাকতে হবে। বাকি ১৫ ভাগ ব্যয় করবে সরকার। টেন্ডার জমা দেয়ার সময় ব্যাংকের কাগজ জমা দেয়া হলেও তাতে ৮৫ ভাগ অর্থায়নের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। এটা বড় ধরনের শর্ত ভঙ্গ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, চায়না ভিত্তিক ক্রেডিট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি সাইনোসরের কাছ থেকে ঋণ নিশ্চয়তা সার্টিফিকেট দেয়ার শর্ত থাকলেও টেন্ডার ডকুমেন্টে তা দেয়া হয়নি। এছাড়া অভিযোগে টেন্ডার শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য নয় এমন বেশ কয়েকটি কারিগরি ত্রুটির কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- শর্তে আছে, নেট হিটের আউটপুট হবে ১৫০ ভাগ। অথচ টেন্ডার ডকুমেন্ট সিএনটিআইসি দিয়েছে ১৪১ দশমিক ১২ ভাগ। এটা স্পষ্ট শর্ত লঙ্ঘন। এদিকে সিএনটিআইসির বিরুদ্ধে এসইসির এসব অভিযোগ আমলে নেয় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ প্রেক্ষিতে গত ৩০শে অক্টোবর অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে চিঠি দেয় মন্ত্রণালয়। পরে বোর্ড এ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেও তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি মন্ত্রণালয়। তারা চলতি মাসের ১১ই ডিসেম্বর আবারও বোর্ডের ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠায়। এখন পর্যন্ত ওই চিঠির কোন উত্তর দেয়নি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে টেন্ডারে অংশ নেয়া দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা এসইসির বিরুদ্ধেও শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। টেন্ডার শর্তে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কস্ট্রাকশনে (ইপিসি) বলা আছে টেন্ডারে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানকে ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্লান্টের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অথচ এসইসির সে অভিজ্ঞতা নেই। ইপিসির শর্ত পূরণ করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এটা বড় ধরনের শর্ত ভঙ্গ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ইপিসি নিয়ে তারা যে সার্টিফিকেট দিয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। সর্বনিম্ন এ দুই দরদাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ ওঠার পর সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। সংসদীয় কমিটিকে দেয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, দু’টি কোম্পানির সঙ্গে জড়িত আছেন সরকার দলীয় প্রভাবশালী তিন নেতা। তারা বোর্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন কাজ পাইয়ে দেয়ার। এতে বলা হয়েছে, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও যদি কাজ দেয়া হয় তাহলে বিদ্যুৎ প্লান্টের প্রজেক্ট হয়তো মুখ থুবড়ে পড়বে। এদিকে সংসদীয় কমিটি জানিয়েছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। প্রয়োজনে সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

Sunday, December 23, 2012

ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বাংলাদেশে তেলের দাম কম হওয়ায় এ খাতে সরকারের ভর্তুকি কমাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বিদ্যুৎ ভবনে তিনি
সাংবাদিকদের বলেন, তেলের দাম বাড়ানো হলে বাজেটে ভর্তুকির অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় করা যাবে। চলতি মাসেই তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, এখনও প্রতি লিটার ডিজেলে আমরা ১৮ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছি। বিদ্যুতের দামও আবার বাড়ানো হচ্ছে কি না জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এটা বিইআরসির বিষয়। তবে সর্বশেষ দাম বাড়ানোর বিষয়ে বিতরণ কোম্পানিগুলো তাদের অভিযোগ বিইআরসিকে জানিয়েছে। তারা এ বিষয়ে গণশুনানি করবে।
এদিকে বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সেমিনারে তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, ফুলবাড়ীতে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা কিভাবে হবে- সে বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে কোন কোম্পানিকে কয়লা উত্তোলনের কাজ দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করতে গেলে ভূগর্স্থ পানির ব্যবস্থাপনা কিভাবে হবে সেটা আমরা এখনও জানি না। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আইডব্লিউ এম কে (ইনস্টিটিউট অব ওয়ারটার ম্যানেজমেন্ট) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পানি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আগে নিজে নিশ্চিত হতে হবে, পরে কাজ দেয়ার সিদ্ধান্ত।
ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জি কাজ পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়কে কোন চিঠি দিয়েছে কি না জানতে চাইলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক বলেন, কোন কোম্পানি কাজ করতে চাইবে- এজন্য তারা ব্যক্তিগতভাবে চিঠি দিতে পারে, তাদের সরকারের মাধ্যমেও চিঠি দিতে পারে। কিন্তু কি করা হবে সেটা আমরা বিবেচনা করব। দেশের জন্য যেটা ভাল হবে সেটাই আমরা করব।