Pages

Showing posts with label T20. Show all posts
Showing posts with label T20. Show all posts

Friday, March 1, 2013

সিরিজ জিততে প্রত্যয়ী মাহমুদুল্লাহ

সিরিজ জিততে প্রত্যয়ী মাহমুদুল্লাহ


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২ টেস্টে বাংলাদেশের সমান ১২ হার। আর তাদের বিপক্ষেই সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। গতকাল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দেশ ছাড়ার আগে এমই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ অলরাউন্ডার। তবে প্রত্যাশার পেছনে যুক্তিও দেখাচ্ছেন মাহমুদুল্লাহ। প্রতিপক্ষ দলে লঙ্কান তারকা ব্যাটসম্যানদের অনুপস্থিতি দেখে বাড়তি আশাবাদ বাংলাদেশ দলের সেকেন্ড চিফ-এর। বলেন, ‘লঙ্কান দলের কয়েক জন তারকা ব্যাটসম্যান এবার দলে নেই। দলটিতে অনেক নতুন ক্রিকেটার। তাই সিরিজ জয়ের আশা করতে পারি।’ তবে বাস্তবতা ভিন্ন এখানেও। বাংলাদেশ দলেও বয়ে চলেছে ইনজুরি ঝড়। এতে এরই মধ্যে ঝরে পড়েছেন চার সেরা ক্রিকেটার সাকিব, নাইম, এনামুল ও নাফীস। এছাড়াও ইনজুরির ভোগান্তিতে আছেন দলের সেরা ওপেনার তামিম ইকবালও। মাহমুদুল্লাহর স্বপ্ন পূরণ আপাতত দেখার বিষয়। গতকাল দুপুর ১২টায় হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মিহিন লঙ্কান এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশ দল সরাসরি কলম্বো পৌঁছে বিকাল ৪টায়। ইনজুরি নিয়ে কোচ ও অধিনায়ক চিন্তিত হলেও আশা করছেন শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ খেলা উপহার দেবে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এ সফরে একটি অনুশীলন ম্যাচ, ২টি টেস্ট, ৩টি ওয়ানডে ও এক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। ৩রা মার্চ অনুশীলন ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা মিশন। এরপর ৮ই মার্চ শুরু হবে টেস্ট সিরিজ। এই মিশনে দলের প্রধান কোচ হিসেবে বড় চ্যালেঞ্জ শেন জার্গেনসনের। তবে ইনজুরি সমস্যা থাকলেও দল নিয়ে আশাবাদী কোচ বিমানে ওড়ার আগে শিষ্যদের শুনিয়েছেন আলাদা মন্ত্র। এর আগে শিষ্যদের জার্গেনসন বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে বিমানে চড়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের মধ্যে একটি দল হিসেবে পারফরম করার মানসিকতা সৃষ্টি করতে হবে।’ শাহরিয়ার নাফিসের দুর্ঘটনায় দলে সুযোগ হয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুলের। আর অধিনায়াক মুশফিকের নেতৃত্বে অভিজ্ঞদের সঙ্গে আছেন তরুণ ক্রিকেটার, সোহাগ গাজী ও আনামুল হক বিজয়। এছাড়াও আছেন টেস্ট দলে একেবারে নতুন মুখ তরুণ ক্রিকেটার মমিনুল হক সৌরভ ও মার্শাল আইউব। তবে দলের সহ-অধিনায়কও তরুণদের ওপর ভীষণ আস্থা রাখেন। তার বিশ্বাস তাদের অভিজ্ঞতা আর তরুণদের চেষ্টায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কঠিন লড়াই দেখাবে বাংলাদেশ দল। সহ-অধিনায়কের মতো আত্মবিশ্বাসী দলের তরুণরাও। দেশ ছাড়ার আগে আনামুল হক বিজয় বলেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন সবার থাকে। এখন সুযোগ হয়েছে। আর এই সুযোগে নিজের সেরা খেলাটাই খেলতে চাই।’ আর মার্শাল আইউব বলেন, ‘দলে অপ্রত্যাশিতভাবে সুযোগ এসেছে আমার। তবে প্রাথমিক স্বপ্ন পূরণ হয়েছে আমার। যদি মাঠে নামার সুযোগ পাই তাহলে নিজের সেরাটা দিয়েই পূরণ করতে চাইবো বাকিটা। গতকাল এয়ারপোর্টে যথারীতি ছেলেকে বিদায় দিতে এসেছিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহীমের বাবা। তিনি শুধু বিদায় বেলা ছেলেকেই আশীর্বাদ দেননি, তিনি আদরে জড়িয়ে ধরে বিদায় দেন দলের বাকিদেরও। আর রওনার আগে অধিনায়ক মুশফিকুর রহীমও বললেন, শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটই খেলবে।

Thursday, January 31, 2013

রংপুরের প্রতিশোধ

রংপুরের প্রতিশোধ




মাত্র ১২২ রান করেও ৩৩ রানের বড় জয় তুলে নিলো রংপুর রাইডার্স। গতকাল চট্টগ্রামে দিনের দ্বিতীয় খেলায় রংপুর ১২২ রানে গুটিয়ে গেলেও খুলনাকে অলআউট করে দেয় মাত্র ৮৯ রানে। চলতি আসরে এটি সর্বনিম্ন দলীয় রান। অথচ এর আগে এক ম্যাচে খুলনা বিনা উইকেটে ১৯৭ রান তুলে রেকর্ড গড়েছিল। খুলনাকে ধসিয়ে দেয়ার পেছনে রংপুরের ক্যারিবীয় পেসার ফিডের এডওয়ার্ডস মূল ভূমিকা রাখেন। তিনি নেন ১১ রানে চার উইকেট। আর তাকে যোগ্য সহায়তা দেন অধিনায়ক দেশের অন্যতম সেরা স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। তিনি ৩ উইকেট নেন ২১ রানে। খুলনার শেষ ৬ উইকেট পড়ে ৭৯ থেকে ৮৯ রানে। সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন আসিফ। ১৫ রান করেন ডেভ হ্যারিস ও মিজান। এর আগে রংপুরের পক্ষে কেভিন ও’ব্রায়েন সর্বোচ্চ ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৩ রান করেন ডেভ হায়াত, ২১ রান করে করেন নাসির ও বরগাস। গত শুক্রবার খুলনায় রংপুর রাইডার্স খুলনার ১৫০ রানের জবাবে ১৪১ রান করে হেরে গিয়েছিল। কাল যেন সেই হারের প্রতিশোধ নিলো তারা। পাঁচ খেলায় রংপুরের এটি তৃতীয় জয় আর ৬ খেলায় খুলনার চতুর্থ হার। ম্যাচসেরা হন চার উইকেট নেয়া এডওয়ার্ডস। পুরো ম্যাচে চক্কা হয় দুটি। একটি মারেন রংপুরের বরগাস আর অপরটি খুলনার ওয়েসেলস।

Friday, January 25, 2013

বিপিএলে হারের স্বাদ পেল ঢাকা

বিপিএলে হারের স্বাদ পেল ঢাকা


ঘড়িতে সময় তখন পাঁচটা চার মিনিট। সিলেটের ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন মিলন ঢাকার অলরাউন্ডার সাকিবের বলে ছক্কা মারলে ঢাকার হার নিশ্চিত হয়ে যায়।

খুলনা স্টেডিয়ামের দক্ষিণ দিকে মুল ভবনের দিকে মাঠে বসা সিলেটের অন্য ক্রিকেটাররা মুহূর্তেই মাঠে দৌঁড়ে প্রবেশ করল। তাদের শারিরীক ভঙ্গি বলে দিচ্ছিল ঢাকাকে হারানোটা সিলেটের জন্য কত বড় প্রাপ্তি। ১৫৩ রানের টার্গেট স্পর্শ করতে আট বল হাতে রেখে সাত উইকেটে জয়! তারও আবার ঢাকার মতো দলের বিপক্ষে! আনন্দতো হবে।

প্রথম তিন ম্যাচে টানা টস জিতেছে ঢাকার মাশরাফি। তিন ম্যাচে জিতে আজ ৪র্থ ম্যাচে মুশফিকের সিলেটের বিপক্ষে খুলনার উইকেটে জয়ের দেখা পেল না ঢাকা।
বিপিএলে এই প্রথম ঢাকা হারের স্বাদ গ্রহণ করেছে।

আর জয়টা অভ্যাসে পরিণত করল মুশফিকের সিলেট রয়েলস। যৌথভাবে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকার পর্ব শেষ হল আজ। বোলার-ব্যাটিং কোনো বিভাগেই তারকা সমৃদ্ধ কাগজে কলমে শক্তিশালী দল
ঢাকাকে পাত্তা দেয়নি সিলেট রয়েলস।

পয়েন্ট টেবিলের কথা চিন্তা করলে আর পারফরমেন্স আমলে আনলে, প্রশ্ন উঠতে বাধ্য শক্তির বিচারে আসলে কোন দল এগিয়ে আছে? মাশারাফির ঢাকা নাকি মুশফিকুরের সিলেট? সেই প্রশ্নের উত্তর পাবার জন্য অবশ্য খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলো না ক্রিকেটপ্রেমিদের। বিপিএলের দ্বিতীয় আসরের ১৩তম ম্যাচেই দেখা হয়ে গেল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দলের।

যতোটা কঠিন লড়াই হবে মনে হয়েছে ততোটা হল না। টস জিতে ঢাকা গ্লাডিয়েটরস আগেই ব্যাট হাতে তুলে নিলেও সিলেটের বোলারদের বিপক্ষে আহামরি কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। যে কারণে ২০ ওভারে তারকা সমৃদ্ধ ঢাকার নামের পাশে জমা হয়েছে আট উইকেটে ১৫২ রান! সাকিব, মাশরাফি, মোশারফ রুবেল, আশরাফুল, সাকলাইন সজিব কেউ সিলেটের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। বিশেষ করে সাকিব ৩.৪ ওভারে দেন ৪৩ রান!

নিজেদের সেরা প্রমাণের মিশনে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নিয়ে ঢাকারঅধিনায়ক মাশরাফি খুব একটা সুবিধা করতে পারলেন না। টস-এর সাফল্যটা ঢাকার ভাগ্যে জুটলেও বল হাতে উইকেট শিকারের আনন্দটা খুব দ্রুতই আদায় করেছে সিলেট। ইংল্যান্ডের ওপেনার লুক রাইটকে দ্রুত সাঁজঘরের পথ দেখিয়ে সিলেটের সাফল্যের পর্বটা শুরু করেন আরেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার ডার্ক ন্যানেস। আগের
ম্যাচে ৫১ রান করা রাইট এই ম্যাচে যোগ করলেন মাত্র পাঁচ রান।

শুরুতে উইকেট হারানোর ক্ষতিটা পুষিয়ে নিতে দ্বিতীয় উইকেটে মারমুখি স্টাইলে ব্যাটিং শুরু করেন মোহাম্মদ আশরাফুল ও এনামুল হক বিজয়। খুব বেশি মারমুখী না হলেও স্কোর বোর্ডে ঠিকই রান জমা করতে থাকেন দুই জনেই। কিন্তু রান তোলার গতিটা বাড়াতে গিয়ে এই জুটির অপমৃত্যু ডেকে আনলেন এনামুল। ক্যাচ তুলে বিদায় নেবার আগে করলেন ২৩ বলে ৩০ রান।

এনামুল ফিরে গেলেও অন্যপ্রান্তে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন আশরাফুল। সঙ্গী হিসেবে পেলেন ইংল্যান্ডের ওয়াইজ শাহকে। তবে শাহ’র সঙ্গে জুটি জমাতে পারলেন না আশরাফুল। বাঁহাতি স্পিনার মমিনুল হককে ছক্কার হাঁকানোর পরের বলেই বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে জায়গা করে নেন অ্যাশ।

আশরাফুলকে হারানোর পর পরই ঢাকা হারিয়েছে ওয়াউজ শাহকে। এবার মাত্র ১০ রান করে আউট হন তিনি। দুই সেরা ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে যখন ঘুড়ে দাঁড়ানোর টার্গেট নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল ঢাকা ঠিক তখনই প্রতিপক্ষের পথে বাধা হয়ে দাড়ান আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী। ইংল্যান্ডের জোসুয়া কব ও বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে পরপর দুই ওভারে ফিরিয়ে দেন নবী। আর তাতেই ঢাকার বড় সংগ্রহের পথ বন্ধ হয়ে যায়।

ঢাকার তখন স্কোর ছয় উইকেটে ১১৩ রান। তবে শেষদিকে ইংল্যান্ডের ড্যারেন স্টিভেন মাঝারি আকারের বিধ্বংসী ইনিংসে আট উইকেটে ১৫৩ রান করতে সমর্থ হয় ঢাকা। কটি চার ও দুটিটি ছক্কায় ১৩ বলে ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন স্টিভেনস। সিলেটের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ডার্ক ন্যানেস ও মোহাম্মদ নবী।

১৫৩ রানের টার্গেট নিয়ে যে সিলেট খুব একটা চিন্তা করেনি তা তো সিলেটের ব্যাটিং দেখেই বোঝা গেছে। তবে ওপেনার মাসাকাদজা দলের দুই রানে থমাসের বলে ক্যাচ দিলে শুরুতে একটা ধাক্কা খায় সিলেট। আর দ্বিতীয় উইকেটে দলীয় ১২৩ রানে আরন নিজের ১৮ রানে ওয়ান ডাউনে নামা স্টির্লিং সেই থমাসের বলে বোল্ড হলে মনে হয়েছিল আজ বুঝি ঢাকা টানা ৪র্থ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে।

কিন্তু তৃতীয় উইকেটে জুটিতে মমিনুল আর মুশফিক জুটি দলের স্কোর ১০২ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যোগ করলেন ৭৯ রান। তাতেই মূলত ঢাকার জয়ের প্রদীপ নিভে গেল। সাকলাইন সজিবের বলে ৩৫ বলে ৩৭ রানে মমিনুল ক্যাচ দিয়ে বিদায় নিলেন। তখন সিলেটের টানা ৪র্থ জয় পেতে ৪৩ বলে সাত উইকেটে দরকার ৫১ রান। টি-২০ ম্যাচে যা কিনা ডাল-ভাতের মতোই বিষয়।

অন্য কোনো পরিস্থিতি হতে দেননি মুশফিক আর নাজমুল হোসেন মিলন। মুশফিক যখন ফিফটি পূরন করার পর সিলেট ১৭ ওভার শেষে ১৩১ রানে পা রেখেছে। ৭ উইকেটে ১৮ বলে ২২ রান দরকার। মামুলি একটি হিসাব যাকে বলে। ১৮.৪ ওভারে তিন উইকেটই জমা হয় ১৫৭ রান।

Monday, January 7, 2013

তামিমের ফিফটিতে জিতল ওয়েলিংটন

তামিমের ফিফটিতে জিতল ওয়েলিংটন দলের হারে এইচআরভি কাপে তাঁর প্রথম ফিফটিটা বিফলেই গিয়েছিল। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরে টানা দ্বিতীয় ফিফটি করা তামিম ইকবাল এবার শেষ হাসি হাসতে পারলেন। নিজের পঞ্চম ম্যাচে খেললেন ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। তাঁর ৪৭ বলে ৭৪ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে বড় সংগ্রহ দাঁড় করানো ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডসও এক ম্যাচ পর আবার জয়ের মুখ দেখেছে। তারা ৫৭ রানে হারিয়েছে ক্যান্টারবারিকে।
আট ম্যাচে পঞ্চম জয়ে ২০ পয়েন্ট পাওয়া ওয়েলিংটন এখন আছে দুই নম্বরে। সমানসংখ্যক ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে নর্দান ডিস্ট্রিক্টের তৃতীয় স্থানে থাকার কারণ তারা রান গড়ে ওয়েলিংটনের চেয়ে পিছিয়ে। তবে এ দুটো দলের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে ছয় জয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ওটাগো। যাদের সঙ্গে ওয়েলিংটনের দেখা হচ্ছে ১১ জানুয়ারি। কালকের ম্যাচে জেসি রাইডারকে (২৪ বলে ৩৭) নিয়ে ৭১ রানের সূচনা এনে দেওয়ার পর তামিম আট বাউন্ডারি আর তিন ছক্কায় সাজিয়েছেন তাঁর ইনিংসটি। এ ছাড়া বেন অরটন (৩২ বলে ৩৭*) ও মাইকেল পাপসদের (১৭ বলে ৩২*) অবদানে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান তোলে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েলিংটন। এরপর পেসার ইলি টুগাগা (৪/১৮) ও বাঁহাতি স্পিনার লুক উডককের (৩/৩৬) বোলিংয়ে ক্যান্টারবারি শেষ হয়ে যায় ১৩৩ রানেই।