Pages

Tuesday, September 18, 2012

হলমার্কের টাকা আদায়ের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট

হলমার্কের টাকা আদায়ের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট
 হলমার্ক কেলেঙ্কারির টাকা অবিলম্বে আদায়ের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ রিট আবেদনটি করেন।

হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশনা চেয়েও আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা (সাবেক শেরাটন) থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ২০১০-১২ সময়ে দুই হাজার ৬৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাত্ করেছে হলমার্ক গ্রুপ। আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই শাখা থেকে অর্থ আত্মসাত্ করেছে। এর মোট পরিমাণ তিন হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় গত ৩০ আগস্ট সোনালী ব্যাংক লিমিটেড বিভিন্ন পর্যায়ের ১৭ জন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২৬ আগস্ট সোনালী ব্যাংককে হলমার্ক কেলেঙ্কারির জন্য চিহ্নিত ৩২ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে তা ৩০ আগস্টের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ অনুযায়ী কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করে ব্যাংকটি।

ছোটো মন্ত্রিসভা কিংবা এমপিদের তত্ত্বাবধায়ক-আপিল বিভাগের রায়ে নির্বাচনী সরকারের রূপরেখা

আপিল বিভাগের রায়ে নির্বাচনী সরকারের রূপরেখা
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে রোববার রাতে সই করেছেন বিভাগের ছয় বিচারক। এর আগে রায় চূড়ান্ত করার জন্য কয়েক দফায় আলোচনায় বসেন বিচারকরা। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ আলোচনা চলে। পরে রাতে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রায়ে দেখা যায়; ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের দেয়া রায়ের সঙ্গে একমত হয়েছেন অপর তিন বিচারক, ফলে চার বনাম তিন সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত হলো বহুল আলোচিত এ রায়টি।

রায়ের ৪৩তম অংশে ‌'জনগণের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রের প্রজাতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক চরিত্র, এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা'কে ‌'সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার ও রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি' সাব্যস্ত করে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ঘোষণা করেন যে (৪৪ এর ১০ অনুচ্ছেদ), ‘‘সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচারকে খর্ব করিয়াছে বিধায় উক্ত তর্কিত আইন অসাংবিধানিক ও অবৈধ, সুতরাং বাতিল হইবে।’’

পাশাপাশি রায়ে নির্বাচনকালীন সরকার নয়, বরং সুষ্ঠু নির্বাচনই মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে সেই লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) স্বাধীন করে একে জাতীয় নির্বাচনকালে বিশেষ বাড়তি ক্ষমতা দিতে হবে।

একইসঙ্গে নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিবেচনার জন্য দুটি বিকল্প হাজির করা হয়েছে রায়ে। দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে আগামী দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন করা যেতে পারে বলে বলা হয়েছে।

বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সাংবিধানিক ও বৈধ সাব্যস্ত করে তত্ত্বাবধায়ক বহাল রাখার পক্ষে রায় দিয়েছেন ‍দুই বিচারক, আর ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সাংবিধানিক ও বৈধ বললেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখা বা না রাখার বিষয়টি জাতীয় সংসদের ওপর ছেড়ে দেয়ার রায় দিয়েছেন এক বিচারক।

গত বছরে মৌখিকভাবে সংক্ষিপ্ত রায় দেয়া বেঞ্চের নেতৃত্বে থাকা তখনকার প্রধান বিচারপতি খায়রুল সম্প্রতি পূর্ণাঙ্গ রায় লিখে তাতে সইয়ের পরে রোববার রাতে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট ছয় বিচারক বর্তমান প্রধান বিচারপতির কামরায় বৈঠক করে রায়ে সই করেন। গত বছর মৌখিক রায় দেয়ার সময় যারা বেঞ্চে ছিলেন- বর্তমান প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন, রায় ঘোষণা কালের প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, আপিল বিভাগের অন্য বিচারকরা- এসকে সিনহা, মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা, নাজমুন আরা সুলতানা, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও মো. ইমান আলী রায়টিতে নিজেদের অংশ যোগ করে পূর্ণাঙ্গ এ রায়ে স্বাক্ষর করেন।

মোট ৭৪৭ পৃষ্ঠার রায়ে বিচারপতি খায়রুলের বাংলা ও ইংরেজি মিশিয়ে ৩৪২ পৃষ্ঠার অংশে নিজেদের সম্মতির কথা জানিয়েছে ছোটো অংশ যোগ করেছেন তিন বিচারক। তারা হলেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি, এস কে সিনহা, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

অন্যদিকে এই সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তের বিপক্ষে রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন বিচারক মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা ও নাজমুন আরা সুলতানা। মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার ১৭৬ পৃষ্ঠা লেখা মতামতের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন নাজমুন আরা সুলতানা। তারা বলেন, বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানসম্মত, গণতান্ত্রিক ও সুষ্ঠু নির্বাচনে দরকারি।

বিচারক মো. ইমান আলী’ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযোজনে আনা ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সাংবিধানিক ও বৈধ বলেছেন। তবে আগামী নির্বাচনগুলোতে কেমন সরকার ব্যবস্থা থাকবে সে বিষয়ে তিনি জনগণের মতামত, কাজেই জাতীয় সংসদের ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি একশ ৫০ পৃষ্ঠা রায় লিখেছেন।

গত বছর ১০ মে সেই সময়কার প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। সেদিন সংক্ষিপ্ত মৌখিক রায় ঘোষণা করা হয়।

ওই সংক্ষিপ্ত রায়ে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থ ও জনগণের নিরাপত্তার প্রয়োজনে আগামী দুটি (দশম ও একাদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিদ্যমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারকদের বাদ দিয়ে নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠনের জন্য সংসদ প্রয়োজনে এ পদ্ধতি সংশোধন করতে পারে।

এ রায় মানার কথা বলে ইতিমধ্যেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে সংবিধান সংশোধন (পঞ্চদশ সংশোধনী) করেছে বর্তমান সরকার। তবে দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক রাখার কথা বলা হয়েছে পূর্ণাঙ্গ রায়েও।

নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি
আগামী দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকতে পারে বললেও রায়ে নির্বাচনকালীন সরকারের চেয়ে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার ওপর। রায়ে বলা হয়, ‘‘প্রথমত, প্রকৃতপক্ষে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়, যাহা প্রয়োজন তাহা হইল কারচুপিহীন একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। সেই জন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নহে। কারণ, দ্বিতীয়ত, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রত্যেকটি নির্বাচনের পূর্বে ও পরবর্তীতে নানা ধরণের চরম সঙ্কট দেখা দিয়াছে যাহা বহুল প্রচারিত ও বহুল প্রশংসিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কৃতিত্বের সাক্ষ্য বহন করে না।''

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলাটির শুনানি চলাকালে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে এতে নিজেদের মত-অমত দেন দেশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ আইনজ্ঞ।

সে বিষয়ে উল্লেখ করে আদালত বলেন, ‌‌''নির্বাচনে কারচুপি সম্বন্ধে বিজ্ঞ অ্যামিকাস কিউরি গণের উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বলিতে চাই যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইহার সমাধান নহে। কারচুপিমুক্ত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন সত্যকার স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সকল জ্ঞানী ও গুণী ব্যক্তিগণের একান্ত ও নির্ভেজাল প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনকে আর্থিকভাবে স্বাধীন করিতে হইবে। ইহাকে সম্পূর্ন প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করিতে হইবে। লোকবল নিয়োগে কোন প্রকার বাঁধা সৃষ্টি করা যাইবে না। নির্বাচন অনুষ্ঠান করিতে সর্বপ্রকার প্রয়োজন নিরসনকল্পে সরকার তাৎক্ষনিকভাবে পদক্ষেপ লইবেন। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত সকল প্রকার সহায়তা সরকারের নির্বাহী বিভাগ তড়িৎ প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবেন, অন্যথায় তাহারা  সংবিধান ভঙ্গ করিবার দায়ে দায়ী হইবেন। এই ব্যাপারে কোন তরফে কোন গাফিলতি দেখা দিলে নির্বাচন কমিশন প্রকাশ্যে অভিযোগ উত্থাপন করিবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তড়িৎ গ্রহণ করিবেন, অন্যথায় তাহারাও সংবিধান ভঙ্গের দায়ে দায়ী হইবেন।''

এছাড়া নির্বাচনকালে কমিশনকে বিশেষ বাড়তি ক্ষমতা দিতে রায়ের ৪৪ (১৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‌‌''সাধারণ নির্বাচনের তপসীল ঘোষণার তারিখ হইতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত নির্বাচনের সহিত প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত এবং নির্বাচন কমিশনের বিবেচনা অনুসারে যাহারা এমনকি পরোক্ষ ভাবে জড়িত, রাষ্ট্রের সেই সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকিবে।''

সংসদ ভেঙে দিয়ে সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিসভা
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে এমন সব ব্যবস্থার পরও আদালত একটি দৃষ্টান্ত ব্যবহার করে বলেছেন, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশেও নির্বাচনে অনিয়ম হয়। আদালত বলছেন যে এক্ষেত্রে ‌'প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা জাতীয় সংসদের বিবেচনা অনুসারে লওয়া যাইতে পারে', কিন্তু তার জন্য ‌'গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে কোন অজুহাতেই, এমনকি স্বল্পতম সময়ের জন্যও পরিহার করা যাইবে না।'

গণতান্ত্রিক শাসনের ধারাবাহিকভাবে চালু রাখতে আদালত এ অবস্থায় সংসদ ভেঙে দিয়ে ও মন্ত্রিসভা সংক্ষিপ্ত করে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের পথ বাতলেছেন। রায়ের ৪৪ (১২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ''সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবার ক্ষেত্রে, জাতীয় সংসদের বিবেচনা অনুসারে, যুক্তিসঙ্গত কাল পূর্বে, যথা, ৪২ (বেয়াল্লিশ) দিন পূর্বে, সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া বাঞ্ছনীয় হইবে, তবে, নির্বাচন পরবর্তী নূতন মন্ত্রিসভা কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত পূর্ববর্তী মন্ত্রিসভা সংক্ষিপ্ত আকার গ্রহণ করতঃ উক্ত সময়ের জন্য রাষ্ট্রের স্বাভাবিক ও সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন।''

বিচারক নয়, জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার
একইসঙ্গে পরের অংশেই (৪৪ এর ১৩ অনুচ্ছেদ) বলা হয়েছে, ‘‘সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, অসাংবিধানিক ও অবৈধ হইলেও জাতীয় সংসদ ইহার বিবেচনা ও সিদ্ধান্ত অনুসারে উপরে বর্ণিত নির্দেশাবলী সাপেক্ষে দশম ও একাদশ সাধারণ নির্বাচনকালীন সময়ে প্রয়োজনমত নূতনভাবে ও আঙ্গিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।’’

পাশাপাশি রায়ে বলা হয়েছে, এ সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে উচ্চ আদালতের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকরা থাকুন- এমনটি আশা করেননা আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, ‘‘জাতীয় সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিগণকে বাদ দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়ন করিতে পারে, কারণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার স্বার্থে তাহাদিগকে সম্পৃক্ত করা বাঞ্ছনীয় নয়।’’

বরং রায়ে বলা হয়েছে, ‘‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার শুধুমাত্র জনগণের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যগণ দ্বারা গঠিত হইতে পারে, কারন, জনগণের সার্বভৌমত্ব ও ক্ষমতায়ন, গণতন্ত্র, প্রজাতান্ত্রিকতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার এই রায়ে উক্ত বিষয়গুলির উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হইয়াছে।’’

তবে লক্ষনীয় হচ্ছে, সংসদ ভেঙে দিয়ে সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিসভা বা এমপিদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার; দুটি বিকল্পই জাতীয় সংসদের 'বিবেচনা'র ওপর ছেড়ে দিয়েছে আপিল বিভাগ। তবে 'একটি শক্তিশালী, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন' গড়তে ও নির্বাচনকালে কমিশনকে বিশেষ ক্ষমতা দেয়ার বিষয়ে রায়ের অংশে 'জাতীয় সংসদের বিবেচনার অনুসারে' উল্লেখ করা হয়নি।

পদ্মা সেতু: বিশ্বব্যাংকের সব শর্ত পূরণের চেষ্টায় সরকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা সেতু: বিশ্বব্যাংকের সব শর্ত পূরণের চেষ্টায় সরকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে তাদের দেয়া চারটি শর্তের সবগুলোই একে একে পূরণ করছে সরকার। আবুল হোসেনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ ও পদত্যাগ করার পর বিশ্বব্যাংকের শর্তপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়ায়  অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দু-এক দিনের মধ্যে মসিউরকে তিন থেকে ছয় মাসের ছুটিতে পাঠানো হবে। এছাড়া দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে চলতি সপ্তাহে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
 
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও অর্থমন্ত্রণায় সূত্রে এ কথা জানা যায়। শিগগিরই এ বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে বলেও সূত্র জানায়।
 
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সোমবার রাত ৪টায় ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা করেছেন।
 
মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত পূরণ হবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সরকারি দায়িত্ব থেকে বিরত থাকছে চিহ্নিত আমলারা।
 
ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোশারফ হোসেন ভূঁইয়াকে তদন্ত চলাকালীন ছুটিতে রাখা হয়েছে। আবুল হোসেন পদত্যাগ করার পর তাকে দুদকে তদন্তের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন করা হয়েছে।
 
পদ্মা সেতু প্রকল্পে অনিয়মের ব্যাপারে বিশ্ব ব্যাংকের দেয়া তালিকায় নাম থাকা সব ব্যক্তিকেই জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক। সে তালিকা থেকে কাউকে বাদ রেখে তদন্ত করলে তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে-এমন আশঙ্কায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
 
বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত অনুযায়ী  পদ্মা সেতু প্রকল্পে যে ক’জন সরকারি কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেয়ার শর্ত দিয়েছে এর মধ্যে মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, তখনকার সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের নাম উল্লেখ রয়েছে।
 
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অভিযোগ যেহেতু বিশ্বব্যাংক দিয়েছে সে কারণে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই হবে। বিশ্বব্যাংকের শর্তানুযায়ী দুদকের তদন্ত না হলে বিশ্বব্যাংক এ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে।
 
বিশ্বব্যাংকের দেয়া আরো দুইটি শর্তপূরণের প্রস্তুতি চলছে সরকারের। প্রথমত দুর্নীতি দমন কমিশনকে একটি বিশেষ যৌথ তদন্ত ও বিচারিক টিম গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল যাতে দুদক সম্মতি দিয়েছিল। দ্বিতীয়ত দুদককে বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একটি বাইরের প্যানেলের কাছে তথ্য দেয়ার এবং প্যানেলকে তদন্ত প্রক্রিয়ার পর্যাপ্ততা মূল্যায়নের সুযোগ দেয়ার প্রসত্মাব দেয়া হয়েছিল। প্রথমে এ বিষয়ে অমত প্রকাশ করলেও দুদক বাইরের প্যানেলের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিয়েছে।
 
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চলতি মাসে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে দুদকের পুরানো অনুসন্ধান দলে এ পরিবর্তন আনা হয়। এ কমিটি পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ ও পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখবে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তদন্ত কমিটির সঙ্গে।
 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের  একজন কর্মকর্তা বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের বাইরের প্যানেলের সঙ্গে কাজ করার জন্য তদন্ত টিম পুনর্গঠন করা হয়েছে।  সেপ্টেম্বরে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া হয়, পদ্মা সেতু প্রকল্পের অনিয়মে উচ্চপর্যায়ের কেউ জড়িত থাকলেও ব্যবস্তা নেয়া হবে।
 
চার সদস্যের নতুন টিম রয়েছে দুদকের চার উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ-আল জাহিদ, মীর মো. জয়নাল আবেদীন শিবলি, গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও মীর্জা জাহিদুল আলম নতুন তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন। আগামী ১৫ কার্যদিবস শেষে পদ্মা সেতুর বিষয়ে একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
পদ্মা সেতুর প্রাক যোগ্যতা ও ঠিকাদার নিয়োগের বিষয়ে এরই মধ্যে ৩১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কানাডা থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাছায়ের পর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।

Tuesday, September 11, 2012

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

জনগণের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের মধ্যে থাকা অঘোষিত দেয়াল ভাঙতে ও জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ওয়েব পোর্টাল (www.ncc.org.bd) উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের সভা কক্ষে এক অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ওয়েব পোর্টালের উদ্বোধন করেন।

এই অনুষ্ঠানে মেয়র আইভী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে গঠনমূলক সমালোচনা করার আহবান জানিয়ে বলেন, “আপনারা গঠনমূলক সমালোচনা করলে কাজ করতে সুবিধা হবে। কারণ, সমালোচনার মাধ্যমে আমাদের অনেক কিছু সংশোধন করার সুযোগ থাকে।”

তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে খাপ খাউয়ে চলার জন্যই এ ওয়েব চালু করা হলো। এর মাধ্যমে জনগণ আরো বেশি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে ওয়েব পোর্টালটি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন উল্লাহ নূরী।

সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানান, এই ওয়েব পোর্টাল থেকে নিয়মিত পোর্টাল আপডেট করা হবে। সাধারণ মানুষ এখন সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ অন্যদের ই-মেইল করে তাদের সমস্যা জানাতে পারবেন। প্রত্যেক দিন সকাল ১০টায় প্রাপ্ত ই-মেইলগুলো মেয়রকে দেয়া হবে।

সাধারণ মানুষ মেয়রকে ফোন করতে সংকোচ বোধ করেন। এসব কারণেই জনগণকে আরো কাছে পেতে ও তাদের সুবিধা প্রদানের জন্যই পোর্টালটি চালু থাকবে। এতে সিটি করপোরেশনের সকল সভার সিদ্ধান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য থাকবে।

এছাড়া সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে আলাদা আলাদা পাতা রয়েছে। এখানে ওই সব ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সংরিক্ষত নারী কাউন্সিলরদের ছবি সম্বলিত তাদের তথ্য, ওয়ার্ডের ম্যাপ, ফোন নাম্বারসহ অন্যান্য তথ্য রয়েছে।

 ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এবি সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শঙ্কর রায় উপস্থিত ছিলেন।

ফ্রেমে বন্দি প্রাণ ও প্রকৃতি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফ্রেমে বন্দি প্রাণ ও প্রকৃতি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

সবুজ বনানীর গহিনে, নীল সমুদ্রের অতলে আর দিগন্ত জোড়া আকাশের বাসিন্দাদের কর্মমুখর দিনগুলোকে ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করেছেন আলোকচিত্রীরা।
 
একেবারে জীবন্ত যেন ছবিগুলো। শিকারি ব্যাঙ, পেঁচার সজাগ দৃষ্টি, যূথবদ্ধ মৌমাছি, অনিন্দ সুন্দর জেলিফিশ, সাগরের নিভৃত গুহার সিল মাছ; আর তাদের অভয়ারণ্যের সবই আছে এসব ছবিতে। এগুলোর মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া যায় প্রকৃতির কোলে।
 
পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ঘুরে ছবিগুলো তুলে এনেছেন বৃটিশ আলোকচিত্রীরা। প্রকৃতি ও প্রাণের স্পন্দন তুলে আনাই এদের নেশা। নেশাটাকে তারা পেশায় পরিবর্তন করেন অর্থ উপার্জনের মধ্য দিয়ে। তাদের তোলা এসব ছবি নিয়ে বৃটেনে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় ‘বন্যপ্রাণী আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা।’
 
এসব ছবির মধ্য থেকে নির্বাচন করা হয় সেরা ১২টি ছবিকে। এই ১২ বিভাগে পুরস্কৃত করা হয় প্রতিযোগীদের। বিজয়ীরা এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার পাউন্ড পান। এ ছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পুরস্কৃত ছবিগুলো নিজেদের কাজে ব্যবহারের জন্যও আলোকচিত্রীদের বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে থাকে। সূত্র: ডেইলি মেইল

বাংলাদেশ জলবায়ু তহবিলে অনিয়ম নেই: বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ জলবায়ু তহবিলে অনিয়ম নেই: বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় দাতাদের অর্থায়নে গঠিত ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ড (বিসিসিআরএফ)’-এর অর্থ বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন।

সোমবার পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সচিবালয়ে তার দপ্তরের দেখা ও বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গোল্ডস্টেইন বলেন, “বিসিসিআরএফ-এ দুর্নীতি বা অনিয়মের বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত একটি গভর্নিং কাউন্সিল এটি পরিচালনা করে। কাউন্সিলের দায়িত্ব এ তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে এ তহবিলের ৯০ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া এ তহবিলের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়াও আরো নতুন দাতারা এ তহবিলে অর্থায়ন করতে চায়। তাদের অর্থ কিভাবে নেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।”

এছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প এবং আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কপ-১৮ সম্মেলনের বিষয়েও এ সময় আলোচনা করা হয়েছে।

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, “এ তহবিলে ইতোমধ্যে ১৭০ মিলিয়ন ডলার মঞ্জুরি সহায়তা পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে দাতাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে আরো ১০০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।

স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এ তহবিল পরিচালনা করা হচ্ছে। বিসিসিআরএফ গভর্নিং কাউন্সিল অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে এ তহবিল পরিচালনা করছে। যা বিশ্বব্যাপি সমাদৃত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অন্য দাতাদের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে বিসিসিআরএফ তহবিলের আর্থিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এরআগে বিকেলে সচিবালয়ে ডেনমার্কের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনার্জি  বিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির চেয়ারম্যান স্টিন স্টিনস্গার্ড গেড’র নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা ও বৈঠক করেন।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি মোবাইল কোর্টের আওতায় নেয়ার দাবি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি মোবাইল কোর্টের আওতায় নেয়ার দাবি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি উদ্রেককারী  শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা’কে মোবাইল কোর্টের আওতাধীন করার দাবি জানিয়েছে দুইটি বেসরকারি সংস্থা।

সোমবার  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার অনুষদের সামনে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এবং ইউনাইটেড পীস ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

ইউনাইটেড পীসের মহাসচিব ইফমা হোসাইনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুস সোবহান, পবার সম্পাদক আসলাম খান, কো-অর্ডিনেটর আতিক মোর্শেদ, সাবিনা নাঈম, ইউনাইটেড পীস ফাউন্ডেশন নেত্রকোনা জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম জনি, সদস্য মো. সুমন মিয়া, সাবেক সাংসদ হুমায়ুন কবীর হিরম্ন, নাসফের সাধারণ সম্পাদক ইশরাত জাহান বেবী, উইমেন এনভয় এর সভাপতি শিখা ভূঁইয়া, অধ্যাপক কামাল আতাউর রহমান ও পরিবেশ কর্মী রওশন আলী।

বক্তারা বলেন, ‘‘শব্দ দূষণে উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, শ্রবণশক্তি  হ্রাস, মনসংযোগ কমে যাওয়া, মাথা ব্যাথা ও মাথা ধরা, খিটখিটে মেজাজ, বিরক্তিবোধ এমনকি অস্বাভাবিক আচরণ করার মত মনোদৈহিক নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। শব্দ দূষণের প্রধান উৎস যানবাহনের শব্দ বা হর্ণ। রাস্তায় অস্বাভাবিক যানজটের কারণে ব্যস্ত হয়ে আগে যাবার প্রবণতায় চালকরা উচ্চ হর্ণ বাজায়। এছাড়া শিল্প এলাকায় কল-কারখানার শব্দ, আবাসিক এলাকায় বিল্ডিং তৈরির সময় ইট ভাংগার মেশিনের শব্দ, বাণিজ্যিক এলাকায় গ্রীলের দোকানে হাতুড়ি পেটানোর শব্দ, ক্যাসেটের দোকানে উচ্চ শব্দে গান বাজানো, মাইকে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নানাভাবে শব্দ দূষণ হচ্ছে।’’

তারা আরো বলেন, ‘‘শব্দ দূষন নিয়ন্ত্রণে ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে  শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রন বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এ বিধিমালার আওতায় হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতকে নীরব এলাকা ঘোষনা করা হয়।

বিধিমালায় বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের চতুর্দিকে ১০০ মিটার বিস্তৃত এলাকায় চলাচলকালে যানবাহনে কোনো প্রকার হর্ণ বাজানো যাবে না। আবাসিক এলাকার সীমানা  থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে নিমার্ণ কাজের ইট বা পাথর ভাঙার যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। যানবাহনে অপ্রয়োজনে উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানো যাবে না। কোনো উৎসব, সামাজিক বা রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে লাউড স্পিকার, এমপ্লিফায়ার  বা কোনো যান্ত্রিক কৌশল ব্যবহার  করতে হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। অথচ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রেক্ষিতে প্রণীত এসব বিধি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি নেই।

মানববন্ধন থেকে সাতটি দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলো হলো- শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালাকে মোবাইল কোর্টের আওতাভুক্ত করা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়ন, পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতা প্রদান, শব্দ দূষণ বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে প্রত্যেকটি সড়কে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, উচ্চ শব্দের হর্ণযুক্ত যানবাহনকে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ ক্যারিকুলামে শব্দদূষণ এর ক্ষতিকর দিক ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা সম্পৃক্ত করা।
তাছাড়া প্রাইভেট কারসহ যে কোনো যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের সময়ে হর্ণ এর শব্দ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে উচ্চশব্দের হর্ণযুক্ত যানবাহনের লাইসেন্স বাতিল করা ও বিজ্ঞাপন ও প্রচার মাধ্যমে শব্দ দূষণের ক্ষতিসমূহ তুলে ধরা।

মুক্তির অপেক্ষায় আইফোন ফাইভ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মুক্তির অপেক্ষায় আইফোন ফাইভ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

চলতি মাসের ১২ তারিখেই সম্ভবত আত্মপ্রকাশ করবে আইফোন ফাইভ। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই এই ফোনের বিক্রি ১০ মিলিয়ন ছুঁয়ে ফেলবে বলে মনে করছেন ওয়াল স্ট্রিট বিশেষজ্ঞরা। তবে ১২ তারিখে প্রথম দর্শন হলেও, কোনো কোনো সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখের আগে শোরুমে আসছে না এই ফোন।

গত বছরের রিপোর্ট বলছে অ্যাপেলের ঠিক আগের সংষ্করণের মোবাইল মডেল, আইফোন ফোর-এস, মুক্তি পাওয়ার প্রথম তিনদিনের বিক্রিই প্রায় চার মিলিয়ন ছুঁয়েছিল। সেই কারণেই, চাহিদা অনুযায়ী যোগান থাকলে, এ বছর একসপ্তাহের মধ্যেই ১০ মিলিয়ন মডেল বিক্রি হতে পারে বলে অনুমান বিশ্লেষকদের। তাদের এই ধারণা সত্যি হলে সেপ্টেম্বর কোয়ার্টারে আইফোনের বিক্রি ২৬ মিলিয়নে পৌঁছবে যা ওয়াল স্ট্রিটের অন্যান্য বছরের গড় বিক্রি ২২ থেকে ২৩ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরের ৪ তারিখ আত্মপ্রকাশ করে ফোর এস। ঠিক তার পরের দিন, অক্টোবরের ৫-এ আধ খাওয়া আপেল ফেলে চিরতরে চলে যান ম্যাক-এর স্রষ্টা স্টিভ জোব্স। সুত্র: জিনিউজ।
 

আল জাজিরা’র এসএমএস সার্ভিস হ্যাক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আল জাজিরা’র এসএমএস সার্ভিস হ্যাক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

তৃতীয় দফা হ্যাকারদের কবলে পড়লো কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এবার হ্যাক হয়েছে সংবাদমাধ্যটির এসএমস নিউজ সার্ভিস। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এই অনলাইন হামলার ঘটনা ঘটে।

সিরিয়ার সরকারপন্থি হ্যাকার গ্রুপ সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি (SEA) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

হ্যাক করে আল জাজিরার এসএমএস সার্ভিসের মাধ্যমে এই গ্রুপটি তিনটি মিথ্যা সংবাদ পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা কর্তৃপক্ষ।

প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক টুইট বার্তায় হ্যাকারদের পাঠানো ফেক বার্তার সাথে নিজেদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, এসএমএস সার্ভিসের ওই ফেক বার্তার একটিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী হামলার শিকার হয়েছেন বলে অপপ্রচার করা হয়েছে।

অপর বার্তায় বলা হয়েছে, ‘কাতারের আমির শেখ মোজা বিনতে নাসের আল মিসনিদ আহত হয়েছে।’

ফেসবুকে শচীন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফেসবুকে শচীন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

শচীন ভক্তদের জন্য সুখবর! কেননা ভারতের ব্যাটিং মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার এবার সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুকে যোগ দিলেন। তবে আশ্চর্যের খবর হলো সোমবার ফেসবুকে যোগ দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ফ্যান পেজের লাইকে চার লাখ ১০ হাজার ভক্ত ক্লিক দিয়েছে।

মাস্টার ব্লাস্টার এই ব্যাটসম্যানের প্রথম ফেসবুকের ওয়াল পোস্টে লিখেছেন, “হ্যালো ফ্রেন্ডস, আপনাদের সবাইকে আমার ফেসবুক পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। ছোটবেলা থেকেই ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলাটা আমার স্বপ্ন ছিলো। তাছাড়া দীর্ঘ ২২ বছর পর আমার আরেকটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা। এটা কখনোই সম্ভব হতো না আপনাদের সমর্থন না পেলে।”

“আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ সবসময় আমার পাশে থাকার জন্য। আমি আমার অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে শেয়ার করবো।”- লিখেছেন ৩৯ বছর বয়সী শচীন।

শচীনের অফিসিয়াল ফেসবুকের এই পেজটি ম্যানেজের দায়িত্বে রয়েছে সেভেনথ্রিরকার্স।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে (https://www.facebook.com/SachinTendulkar) নামে শচীন ফেসবুকে যোগ দিয়েছেন। তাছাড়া এখানে শচীনের সব এক্সক্লুসিভ ছবিও পাওয়া যাবে।

ফেসবুক ছাড়াও টুইটারেও শচীনের একটি আইডি রয়েছে। ২০১০ সাল থেকে Twitter (@sachin_rt) নিয়মিত টুইট করেন ভারতের এই লিটল মাস্টার। ইতিমধ্যে শচীনের টুইট অনুসরণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ২৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৯০ জন।
 

আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ নভেম্বরে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ নভেম্বরে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটিয়ে ক্যারিয়ার গঠনের প্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং তথা মুক্ত পেশাজীবীদের অনলাইনে ক্যারিয়ার বিষয়ক সম্মেলন ‘আউটসোর্সিং সামিট ২০১২’। আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে দিনব্যাপী এ সম্মেলন।
 
ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেড এর তত্ত্বাবধানে সকালে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সম্মেলনে দেশী বিদেশী শীর্ষ আউটসোর্সিং এক্সপারটরা বেশ কয়েকটি সেশনে কর্মশালা ও সেমিনার পরিচালনা করবেন। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এতে ৮৫০ জন অংশ নিতে পারবেন।
 
সেমিনারে বাংলাদেশে আউটসোর্সিংয়ের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ, অফশোর আউটসোর্সিংয়ের কৌশল, বিজনেস চ্যালেঞ্জ, আর্নিং উইদাউট ইনভেস্ট, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের বিস্তারিত এবং একজন ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।
 
আলোকপাত করা হবে আউটসোর্সিং ব্যবসার ভূমিকা, অনলাইন কর্মক্ষেত্রের প্রকারভেদ, আউটসোর্সিং প্রতারণা, আউটসোর্সিং ও এমএলএম, ফ্রিল্যান্স মার্কেট পেস্নস, মাইক্রো জব, জব উইদাউট বিড, ওডেস্ক প্রোফাইল, বিডিং টেকনিকস, কভার লেটার রাইটিং টেকনিকস্, পেইড টু ক্লিক, গুগল এডসেন্স, ই-কমার্স, এসইও ও ইন্টারনেট মার্কেটিং, অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়া, ফরেক্স ট্রেডিং, এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অন্দর-বাহির নিয়ে।
 
আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, সম্মেলনে আলোচনার পাশাপাশি থাকবে কুইজ ও র‌্যাফেল ড্রতে আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে বিনামূল্যে দেয়া হবে-দুপুরের লাঞ্চ সহ আউটসোর্সিং লার্নিং সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ ভিডিও সিডি, ডিভিডিসহ নানা টুলস্ ও উপহার।
 
সম্মেলন সম্পর্কে আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ এর আহ্বায়ক ও ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনির হোসেন বলেন, আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশ অত্যামত্ম সম্ভাবনাময়। আমাদের রয়েছে মেধাবী তারুণ। তাদের দরকার শুধু সঠিক দিক নির্দেশনা। আমরা এই সামিটের মাধ্যমে এই সম্ভাবনার বিষয়টাকে সারা দেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেবার পাশাপাশি আগ্রহীদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে চাই।
 
প্রসঙ্গত, আইটি ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে আধুনিক সৃজনশীল পেশা হিসেবে বিবেচিত। জনবহুল তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তিতে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের ক্ষেত্র বাড়ছে। ভারত, ফিলিপাইন, পাকিস্থান দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের কাজের প্রতি আগ্রহ অনেক বেড়েছে। এই খাতে কাজ বিস্তারের যেমন বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে প্রতিবন্ধকতাও।
 
এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আগামী ১৭ নভেম্বরের সম্মেলনটি তরুণ বেকারদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তিবিদরা।

বিটিসিএল’র কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিটিসিএল’র কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিটিসিএল’র সাবেক পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতিমধ্যেই রোববার বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিটিসিএল ও দুদক সূত্রে প্রকাশ, জাপানি দাতাসংস্থা জাইকার অর্থায়নে টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (টিএনডি) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে বিটিসিএল’র তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রকল্প প্রস্তাব (পিপি) তৈরিতে ১০০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে এমন অভিযোগে সেগুনবাগিচায় দুদক’র প্রধান কার্যালয়ে টানা পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন ওই তিন কর্মকর্তা।

দুদকের উপপরিচালক মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সূত্রটি। তবে দুর্নীতির অভিযোগের পর জাইকা অর্থায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিটিসিএল’র একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

সূত্র মতে, ‘এনডি প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে’ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তার এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট দুদক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিটিসিএলের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) কাজী মঞ্জুরুল করিম, টেকনিক্যাল ইভালুয়েশন কমিটির সদস্য মো. কলিমুল্লাহ ও মো. বাহাদুর আলীকে নোটিশ পাঠায় দুদক।

বিটিসিএল’র পরিচালক (ক্রয়) শাহাব উদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক অশোক কুমার মল, জাইকা’র পরিচালক মশিউর রহমান, একেএম হাবিবুর রহমান, বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাওয়াবাতার সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম, সাব্বির আহম্মদ, তৎকালীন বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আবু সাইদ প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) তৈরির সময় প্রায় ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন বলে দুদক’র অভিযোগনামায় দাখিল করা হয়েছে। জাইকার উচ্চপর্যায় থেকে প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর এ দুর্নীতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

প্রসঙ্গত, প্রতি মিটার ফাইবারের দাম সর্বোচ্চ ৪০০-৫০০ টাকা হলেও দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন ঢাকা-কক্সবাজার ট্রান্সমিশন লিঙ্কসহ বিটিসিএলের অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক স্থাপনে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের জন্য প্রতি মিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনে দাম ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ মূল্য ধরার এ বিষয়টি জাইকা’র উচ্চ পর্যায়ের নিরীক্ষা দলের চোখে ধরা পড়লে তারা এ প্রকল্পে আর বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টুইটারে প্রথম বিয়ে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

টুইটারে প্রথম বিয়ে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঘটা করেই সাঙ্গ হলো মাইক্রোব্লগ টুইটারের মাধ্যমে প্রথম বিয়ে। নিজেদের আইপ্যাডে টুইট বার্তার মাধ্যমে তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীর কনে জনদাল সেলিককে স্ত্রী হিসেবে কবুল করে নেন একই নগরীরর উসকুদার এলাকার ছেলে কানদাল জেনিক।

ধর্মগুরুর পরিবর্তে টুইটারেই বিয়ে পরিচালনা করেছেন উসকুদারের মেয়র মুস্তফা কারা। টুইট করে তিনি আইপ্যাড হাতে বিয়ের সাজে পাশাপাশি বসে থাকা বর-কনেকে প্রশ্ন করেন ‘তোমরা কি নিজেদের আইনগতভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে চাও? প্রশ্নে উত্তরে ‘আমি রাজি’ এই বলে পাল্টা টুইট করে জেনিক ও চেলিক। এ সময় বর-কনের পাশাপাশি তাদের উকিল, স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীরাও উপস্থিত ছিলেন।

টুইট বার্তায় কবুল কারার পর দু’জনেই বিয়ের কাবিননামায় সই করেন। এরপর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতির হাতে বিয়ের সনদ তুলে দেয়া হয়।

সোমবার অনুষ্ঠেয় এই ‘টুইটার বিয়ে’র আনুষ্ঠানিকতা এলসিডি মনিটরে উপভোগ করেন উপস্থিত কয়েক’শ অতিথি। বিয়ের  আনুষ্ঠানিকতা শেষে টুইটারে শুভেচ্ছা টুইটের মধ্যেমে নবদম্পতিকে আশির্বাদ করেন তারা।

জানা গেছে, বর কানদাল জেনিক এনসনহবার ডটকম (ensonhaber.com) নামক এটি অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্কের সম্পাদক। বিয়ের পর টেক নিউজ ওয়েব পোর্টাল টেক্কায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কানদাল জেনিক বলেন, সবাইকে একটু বাড়তি আনন্দ দিতেই একটু ভিন্নভাবে বিয়ে করলাম। আমি ধর্ম মানি তবে প্রথাবদ্ধতায় বিশ্বাসী নই। তাই টুইট বার্তায় বিয়ে করলেও ধর্মীয় আইনগত বিষয়ে কোনো ত্রুটি রাখিনি। অবশ্য বিয়ের জন্য এটা একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এক অপরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস আর ভালোবাসাই আসলে বিয়ের মূল উপাদান।
 

ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে শেষের দিকে ।

সু্ইজারল্যান্ড ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশন ৬০টিরও বেশি দেশের মানুষের মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার, এবং সমাজ ও রাজনীতিতে এর প্রভাব সম্পর্কে চালানো এক জরিপের পরে এ কথা বলেছে ।

বাংলাদেশের বর্তমানে সরকারের অন্যতম বড় একটি প্রতিশ্রুতি ছিল দেশকে তথ্যপ্রযুক্তি সেবার আধুনিকায়নের মাধ্যমে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’ রূপান্তর করা।

কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’র উদ্ভাবক স্যার টিম বার্নারের ফাউন্ডেশনের ওয়েব ইন্ডেক্সে ৬১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৫তম, অর্থাৎ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা দেশ। আর বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারত ৩৩তম, পাকিস্তান ৪৪তম এবং নেপাল ৫২ তম অবস্থানে রয়েছে।

ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, ওয়েব ইনডেক্স হচ্ছে প্রথম বহুমাত্রিক একটি মাপকাঠি যা দিয়ে বিশ্বের ৬১টি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে সমন্বিত বিভিন্ন সূচকের মাধ্যমে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রভাব যাচাই করা হয়। একইসঙ্গে ইন্টারনেটের সংযোগ ও পরিকাঠামোও দেখা হয়েছে।

তবে এই সূচককে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের ইন্টারনেট সংশ্লিষ্টরা? বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাসিম মাহমুদ - যিনি সোশ্যাল কম্পিউটিং বিষয়ে গবেষণা করেছেন - তিনি মনে করছেন এটি একটি সতর্কসংকেত।

নাসিম মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশকে সামনে এগুতে হলে কার্যকরভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। মূলত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সর্বস্তরে ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েই এই সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ তাতে মাত্র সূচনা পর্যায়ে আছে। বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার কারণগুলো মূলত বেশি দামে কম সুবিধা পাওয়া, অদক্ষ লোকদের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান, ব্যবসায়িদের এলাকাভিত্তিক মনোপলি বাজার, এবং সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব।”

সূচকে যে বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে একটি দেশের মানুষ ও পুরো জাতির মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার, উপযোগিতা এবং প্রভাব কতটা।

তালিকার শীর্ষে থাকা প্রথম তিনটি দেশ হচ্ছে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য। সবচেয়ে নিচে আছে ইয়েমেন।

বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিযোগ: ব্যবসায়ীদের এলাকাভিত্তিক মনোপলি বাজারের কারণে তারা যথেষ্ট ভালো সুবিধা না পেলেও এলাকার একমাত্র সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে লাইন নিতে বাধ্য হন।

তবে বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিবির সভাপতি আখতারুজজ্জামান মঞ্জু বিবিসিকে বলেন উল্টো কথা।

তার বক্তব্য হলো - “ব্যবহারকারীরা যে পরিমাণ টাকায় চব্বিশ ঘন্টা ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চান তাতে এর চেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”

বিশ্ষেজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেটের গতিকে আরো দ্রততর করতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরকারের নজরদারি অরো বাড়ানো দরকার।

বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। তিনি সরকারের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দাবি করেন, বিভিন্ন পর্যায়ে ভর্তি কার্যক্রম থেকে ফলাফল প্রকাশে এখন ইন্টারনেটকে বেছে নেয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার সাথে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে এবং ভবিষতে এ সংখ্যা আরো বাড়বে। সেইসাথে বিভিন্ন দফতরে এই সুবিধা পৌঁছাতে অবকাঠামো সুবিধা বাড়ানোর দিকেও মনোযোগ দেয়ার কথা বলছে সরকার। সূত্র: বিবিসি।
 

সিনেমার চেয়ে ফুটবলেই রনবীরের ভালোবাসাটা বেশি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সিনেমার চেয়ে ফুটবলেই রনবীরের ভালোবাসাটা বেশি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 অভিনয় নয়। ভারতীয় বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম আধুনিক আইকনের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে ফুটবল। মাঠে বসে কোনো ফুটবল ম্যাচ দেখা, তার কাছে এখন অভিনয়েরও আগে! রনবীর কাপূরের অকপট স্বীকারোক্তি, “আসলে ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসাটা সিনেমার চেয়েও বেশি।”

নিজের পরবর্তী ফিল্ম ‘বরফি’-র প্রচারে কলকাতা এসেছেন রনবীর। যিনি কিনা বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। শুধু তাই নয়, নভেম্বর থেকে অন্যান্য অভিনেতার সঙ্গে তাকেও সেলিব্রিটি ফুটবল লিগে খেলতে দেখা যাবে।

আর রনবীর সহ বাকি অভিনেতাদের কোচিং কে করাচ্ছেন?
কেউ নন, ভাইচুং ভুটিয়া।

“মানুষ হিসেবে ভাইচুং খুব ভালো। ও-ই আমাদের কোচিং করাচ্ছে। প্রত্যেক রোববার আমরা প্র্যাক্টিস করি। আর ও এত ভালো যে, সব সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যায়। এমনকি যখন আমার কোনো সিনেমা বেরোয়, ও সেগুলো মন দিয়ে দেখে আমাকে নিজের মতামত জানায়। ওর কাছে কোচিং পাওয়াটা দুর্দান্ত একটা ব্যাপার,” বলেছেন রাজ কাপূরের নাতি।

সিকিমের ভূমিকম্পে আক্রান্তদের জন্য টাকা তুলতে যে ম্যাচের আয়োজন করেছিলেন ভাইচুং, তাতে অংশ না নিতে পেরে রণবীরের বেশ দুঃখই হচ্ছে। “শ্যুটিংয়ের জন্য এত ব্যস্ত ছিলাম যে, ওখানে আর অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু আমি ভাইচুংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতীয় ফুটবলের জন্য কিছু করতে চাই। তা ছাড়া সিকিমে ও যে টিমটা তৈরি করছে সেটা নিয়ে আমার সাহায্য চেয়েছে। ওটা নিয়েও কাজ চলছে,” রণবীরের খোলামেলা মন্তব্য।

এখানেই শেষ নয়, বার্সেলোনা ফুটবল টিমের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে বলিউড তারকার। এ দেশের বার্সেলোনা সমর্থকদের জন্য মেসির ক্লাব কী কী করতে চায়, তা-ও শোনা গেল রণবীরের মুখে। “ভারতে কিছু ট্রেনিং ক্যাম্প শুরু করছে বার্সেলোনা। এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মারফত বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারকে এই ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে। মনে হয় আমাদের জীবদ্দশায় ভারত থেকেও মেসি বা রোনাল্ডোর মতো ফুটবলারকে উঠে আসতে দেখব।”

আর লিওনেল মেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ কেমন ছিল?

আবেগঘন গলায় রনবীর বললেন, “জানেন, বার্সেলোনার ন্যু কাম্পে মেসির সঙ্গে দেখা করে, ওর অটোগ্রাফ নিয়ে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলাম। আমার অটোগ্রাফ নেয়ার সময় তা হলে আমার ভক্তদেরও এই অনুভূতিটাই হয়!” সূত্র: ওয়েবসাইট।

বচ্চনের কেবিসি’তে সৌরভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বচ্চনের কেবিসি’তে সৌরভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

অমিতাভ বচ্চন ও সিদ্ধার্থ বসুর আমন্ত্রণে শুক্রবার চলতি কেবিসি’র সেটে বসবেন কলকাতার মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলী। এই প্রথম কেবিসি’র কোনো শোতে আসছেন সৌরভ।

তবে মজার বিষয় হলো সৌরভের জন্য কিন্তু হট সিট নির্ধারিত হয়নি। গত বছর থেকে চালু হওয়া কেবিসি’র নতুন ফর্মেট অনুযায়ী এক জন স্টার থাকেন প্রতিযোগীদের সাহায্য করার জন্য ছয় রাউন্ড খেলা হওয়ার পর প্রতিযোগীরা এই ‘স্টার হেল্পলাইন’ নিতে পারেন। আর সৌরভ আসছেন সেই সব স্টারদের একজন হয়েই।

গত বছর আমন্ত্রিত তারকা হিসেবে এভাবে প্রতিযোগীদের সাহায্য করেছেন আমির খান ও অক্ষয় কুমার। আর এবার শুরুতেই সৌরভকে ডাকা হলো।

মুম্বইয়ে শো-য়ের প্রযোজক ও পরিচালক সিদ্ধার্থ বসু জানান, আরো আগেই আমরা সৌরভের ডেট চেয়েছিলাম। কোনো একটা খেলা পড়ে যাওয়ায় সময় বের করতে পারেননি। এবার আসতে পারছেন, আমরা তাই খুব খুশি। সূত্র: ওয়েবসাইট।

অকুতোভয় শাকিরা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

অকুতোভয় শাকিরা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রায় ১১ বছর ধরে তার সঙ্গে কাজ করছেন, এমন দু’জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করলেন শাকিরা! শোনা যায়, এই দু’জন নাকি শাকিরার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য এবং কাছের লোক ছিলেন।

শাকিরার বক্তব্য, এই দুই কর্মচারী তার অনেক সিক্রেট জেনে ফেলেছিলেন। শাকিরা তাদের বিশ্বাস করে, মনের কথা খুলে বলতেন। এর সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি এই দু’জন শাকিরাকে হুমকি দেন, যদি তিনি ৫০০ ইউএস ডলার তাদের না দেন, তা হলে তারা শাকিরার সমস্ত সিক্রেট ফাঁস করে দেবেন। তবে শাকিরাও ভয় পাওয়ার পাত্রী নন। তিনি এই দুই কর্মচারীকে তৎক্ষণাৎ চাকরি থেকে বের করে দেন এবং তাদের নামে পুলিশের কাছে গিয়ে মেন্টাল হ্যারাসমেন্টের ডায়েরিও করে আসেন! শাকিরা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন, তার যদি কেউ ক্ষতি করার চেষ্টা করেন, তা হলে তিনি তার শেষ দেখে ছাড়বেন! সূত্র: ওয়েবসাইট।
 

রিহানার ফ্যান ফলোয়িং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

রিহানার ফ্যান ফলোয়িং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

  প্রত্যেক সেলেব্রিটিই বলে থাকেন, তারা তাদের ফ্যানদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। রিহানা এবার সেই কৃতজ্ঞতা বাস্তবে প্রকাশ করে দেখালেন। সম্প্রতি, তার সেরা পাঁচজন ফ্যানকে সিলেক্ট করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, এরা সকলেই প্রচুর টাকা খরচ করে, দেশে-বিদেশে রিহানার প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন। রিহানা এই পাঁচজনকে নিজের খরচায়, তার জন্মস্থান বার্বাডোজে নিয়ে যান। সেখানে এক বিলাসবহুল হোটেলে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। বিকেলে চা পানের জন্য আবার সেই পাঁচজন ভাগ্যবান ফ্যানকে নিজের বাড়িতেও আমন্ত্রণ জানান! এখানেই থেমে না থেকে রিহানা জানিয়েছেন, এবার থেকে নাকি তিনি নিয়মিত নিজের ফ্যানদের এরকম সারপ্রাইজ দিতেই থাকবেন। সূত্র: ওয়েবসাইট।

‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঠিকই বলেছিলেন অভিনেত্রী নেতা ধুপিয়া, ‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ যদিও নেহার এই আবেগের বশে বলা কথাটিতে তথ্যের কোনো অবকাশ ছিল না।

কিন্তু সত্যিই ইন্ডাস্ট্রিতে এই মুহূর্তে শাহরুখ খান এমন একটি ‘মানি মেশিন’-এর নাম, যিনি ক্রিকেট বা সিনেমা, যার সঙ্গেই নাম জড়ান, লাভের গুড় পিঁপড়াতে চেটেও শেষ করতে পারবে না! সেই ১৯৯৩ থেকে (‘ডর’, ‘বাজিগর’ রিলিজের সময় থেকে) প্রতি বছর প্রথম তিনজন ‘বিক্রয়যোগ্য’ নায়কের তালিকায় তিনি থাকেনই!

১৯৯৪, ‘৯৫, ‘৯৬ থেকে এখনও পর্যন্ত, তা সে ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ই হোক বা ‘বীর জারা’, কিংবা ‘ডন’ হয়ে হালে ‘মাই নেম ইজ খান’ বা ‘ডন ২’, বলিউডের মোস্ট ব্যাঙ্কেবল অভিনেতাটির নাম এসআরকে! জনপ্রিয়তার তুল্যমূল্য বিচার না করে শুধু যদি নীরস সংখ্যাও দেখা যায়, তা হলে দেখা যাবে, শুধু ছবি থেকে আয়ের ক্ষেত্রে (বলিউডের সর্বকালীন ইতিহাসে) ‘ডন ২’ রয়েছে চার নম্বরে (২০৬ কোটি), ‘রা ওয়ান’ পাঁচ নম্বরে (২০২ কোটি) এবং ‘মাই নেম ইজ খান’ ছ’ নম্বরে ((২০০ কোটি)।

এমনকি, লাভের ব্যাপারেও ‘কিং’ তিনিই। কারণ, নিন্দুকের মতে ‘রা-ওয়ান’ যতই অ্যাভারেজ ছবি হোক না কেন, শাহরুখের এই ড্রিম প্রোজেক্টের লাভের অঙ্কডিট মোটেও অ্যভোরেজ নয়। তার পরিমাণ ১১৪.৬৭ কোটি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বলিউডের এই মধ্যে শাহরুখই একমাত্র স্টার, যিনি বিদেশের মাটিতেও মারাত্মক জনপ্রিয়। জার্মানি বা ফ্রান্সের মতো দেশে অনেকে ‘বলিউড’ বলতে শুধু শাহরুখকেই চেনন! কথাটা শুনলে চমকে উঠতে পারেন, বিদেশের মাটিতে ‘টপ ওপেনিং ডে’ আয়ের তালিকায় প্রথম তিনটি ছবির নাম যথাক্রমে ‘মাই নেম ইজ খান’ (৫৩ লক্ষ ডলার), ‘কভি অলবিদা না কহনা’ (৪৪ লক্ষ ডলার) এবং ‘ওম শান্তি ওম’ (৪৩ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার)।

কাছেপিঠে অন্য ‘খান’ বলতে, চার নম্বরে আমিরের ‘ত্রি ইডিয়টস’ (৪০ লক্ষ ডলার)। কিন্তু পাঁচে আবার ‘রব নে বনা দি জোড়ি’ (৩৪ লক্ষ ডলার)।

আসলে দেশ হোক বা বিদেশ, শাহরুখকে নিয়ে মানুষের উৎসাহ সব সময়ই বেশি। আর এর জন্য দায়ী তার ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ ইমেজ ও অফুরন্ত এনঅর্জি। এই জিনিসটি ভগবান তার মধ্যে দিতে কার্পণ্য করেননি বলেই বোধ হয় এতটা সফল তিনি। ‘রা ওয়ান’-এর প্রোমোশনের সময়ই তো এক মাসে ১৯টি শহরে নিরন্তর ঘুরেছিলেন শাহরূখ! এমন ‘অতিমানবীয়’ ক্ষমতা ইদানীয়ংকালে আর কোনো তরুণ তুর্কির মধ্যে আছে কি?

রনবীর সিংহ নাকি একটি অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে শাহরুখের সঙ্গে নেচেই বুঝেছিলেন, তার এনার্জি লেভেল কত কম! বলিউডের যে কোনো বয়সের অভিনেত্রীর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়া বলিউডের এই সুপারস্টারের ইউএসপি আসলে তিনি নিজেই। কোনও ছবিতে তিনি থাকলে, প্রমোশন নিয়ে আর আলাদা করে কিছু ভাবতে হয় না। অনেক ছবিতে (‘হে বেবি”) তাকে শুধু একটি দৃশ্যে দেখানো হয়, ছবির বাজারদর বাড়ানোর জন্য! আসলে বডিলউডে এই মুহূর্তে শাহরুখ খানকে টক্কর দেওয়ার মতো এখনও নতুন কেউ আসেনি। যত নবীন ‘জেয়ার’ই আসুক, ‘স্তম্ভ’ একণও তিনিই, যেখানে ধাক্কা লেগে সমস্ত ঢেউই ফিরে যায়। সূত্র: ওয়েবসাইট।
 

ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে সচেতন করা হবে: বিএসটিআই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে সচেতন করা হবে: বিএসটিআই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফরমালিনসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সহজলভ্যতা বন্ধ করতে এসবের আমদানি, বিক্রয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে নিবিড় তদারকি ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার সুপারিশ করেছে জাতীয় মান নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই।

একই সাথে মাঠ পর্যায়ে এসব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের মাত্রা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের আলোকে খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদারকরণ সম্পর্কিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক এ কে ফজলুল আহাদ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ বি এম খোরশেদ আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবুল হোসেন, ক্যাবের মহাসচিব কাজী ফারুকসহ স্থানীয় সরকার, কৃষি, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিএসটিআই, ঢাকা ওয়াসা, এফবিসিসিআই, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (দক্ষিণ), ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ সংশিস্নষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শিল্পমন্ত্রী পণ্যের গুণ ও মান নিশ্চিত করতে বিএসটিআই‘র বাধ্যতামূলক মানসনদের আওতাভুক্ত ১শ‘ ৫৫টি পণ্যের মানের বিষয়ে কঠোর তদারকির নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, এটি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে, দেশে ভেজালের পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি বিএসটিআই‘র পাশাপাশি মাননিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে নিজেদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দেন।

সভায় খাদ্যপণ্য, ফলমূল, মাছ, পোল্ট্রি ফার্মের মুরগী, ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবারে ফরমালিন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, সোডিয়াম, সাইক্লামেট, ইথোফেন ও হাইড্রোজের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের অস্বাভাবিক উপস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্যের জন্য এসবের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বিএসটিআই‘র যৌথ উদ্যোগে সমন্বিত ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করা হয়।

সভায় ভেজালের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে বেতার, টেলিভিশনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে নিয়মিত প্রচার প্রচারণা জোরদারের সুপারিশ করা হয়। একই সাথে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন ন্যাশনাল ফুড সেফ্টি অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলকে আরো সক্রিয় করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

সভায় ভেজাল বিরোধী অভিযানে অহেতুক হয়রাণি বন্ধে বাংলাদেশ পিউর ফুড রুলস-১৯৬৭ এর আধুনিকায়ণ করার সুপারিশ করা হয়। এসময় ভেজাল বিরোধী কার্যক্রমের সাফল্য মনিটর করতে নিয়মিত আন্তমন্ত্রণালয় সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।