শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিটিসিএল’র সাবেক পরিচালক ও
ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিষয়টি তদন্ত শুরু
করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতিমধ্যেই রোববার বাংলাদেশ
টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) তিন কর্মকর্তাকে
জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিটিসিএল ও দুদক সূত্রে প্রকাশ, জাপানি দাতাসংস্থা জাইকার অর্থায়নে টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (টিএনডি) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে বিটিসিএল’র তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রকল্প প্রস্তাব (পিপি) তৈরিতে ১০০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে এমন অভিযোগে সেগুনবাগিচায় দুদক’র প্রধান কার্যালয়ে টানা পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন ওই তিন কর্মকর্তা।
দুদকের উপপরিচালক মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সূত্রটি। তবে দুর্নীতির অভিযোগের পর জাইকা অর্থায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিটিসিএল’র একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।
সূত্র মতে, ‘এনডি প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে’ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তার এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট দুদক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিটিসিএলের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) কাজী মঞ্জুরুল করিম, টেকনিক্যাল ইভালুয়েশন কমিটির সদস্য মো. কলিমুল্লাহ ও মো. বাহাদুর আলীকে নোটিশ পাঠায় দুদক।
বিটিসিএল’র পরিচালক (ক্রয়) শাহাব উদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক অশোক কুমার মল, জাইকা’র পরিচালক মশিউর রহমান, একেএম হাবিবুর রহমান, বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাওয়াবাতার সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম, সাব্বির আহম্মদ, তৎকালীন বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আবু সাইদ প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) তৈরির সময় প্রায় ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন বলে দুদক’র অভিযোগনামায় দাখিল করা হয়েছে। জাইকার উচ্চপর্যায় থেকে প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর এ দুর্নীতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
প্রসঙ্গত, প্রতি মিটার ফাইবারের দাম সর্বোচ্চ ৪০০-৫০০ টাকা হলেও দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন ঢাকা-কক্সবাজার ট্রান্সমিশন লিঙ্কসহ বিটিসিএলের অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক স্থাপনে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের জন্য প্রতি মিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনে দাম ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ মূল্য ধরার এ বিষয়টি জাইকা’র উচ্চ পর্যায়ের নিরীক্ষা দলের চোখে ধরা পড়লে তারা এ প্রকল্পে আর বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিটিসিএল ও দুদক সূত্রে প্রকাশ, জাপানি দাতাসংস্থা জাইকার অর্থায়নে টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (টিএনডি) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে বিটিসিএল’র তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রকল্প প্রস্তাব (পিপি) তৈরিতে ১০০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে এমন অভিযোগে সেগুনবাগিচায় দুদক’র প্রধান কার্যালয়ে টানা পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন ওই তিন কর্মকর্তা।
দুদকের উপপরিচালক মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সূত্রটি। তবে দুর্নীতির অভিযোগের পর জাইকা অর্থায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিটিসিএল’র একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।
সূত্র মতে, ‘এনডি প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে’ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তার এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট দুদক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিটিসিএলের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) কাজী মঞ্জুরুল করিম, টেকনিক্যাল ইভালুয়েশন কমিটির সদস্য মো. কলিমুল্লাহ ও মো. বাহাদুর আলীকে নোটিশ পাঠায় দুদক।
বিটিসিএল’র পরিচালক (ক্রয়) শাহাব উদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক অশোক কুমার মল, জাইকা’র পরিচালক মশিউর রহমান, একেএম হাবিবুর রহমান, বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাওয়াবাতার সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম, সাব্বির আহম্মদ, তৎকালীন বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আবু সাইদ প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) তৈরির সময় প্রায় ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন বলে দুদক’র অভিযোগনামায় দাখিল করা হয়েছে। জাইকার উচ্চপর্যায় থেকে প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর এ দুর্নীতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
প্রসঙ্গত, প্রতি মিটার ফাইবারের দাম সর্বোচ্চ ৪০০-৫০০ টাকা হলেও দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন ঢাকা-কক্সবাজার ট্রান্সমিশন লিঙ্কসহ বিটিসিএলের অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক স্থাপনে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের জন্য প্রতি মিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনে দাম ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ মূল্য ধরার এ বিষয়টি জাইকা’র উচ্চ পর্যায়ের নিরীক্ষা দলের চোখে ধরা পড়লে তারা এ প্রকল্পে আর বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

No comments:
Post a Comment