জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় দাতাদের অর্থায়নে গঠিত ‘বাংলাদেশ
ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ড (বিসিসিআরএফ)’-এর অর্থ বরাদ্দে অনিয়মের
অভিযোগ অস্বীকার করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি
অ্যালেন গোল্ডস্টেইন।
সোমবার পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সচিবালয়ে তার দপ্তরের দেখা ও বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গোল্ডস্টেইন বলেন, “বিসিসিআরএফ-এ দুর্নীতি বা অনিয়মের বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত একটি গভর্নিং কাউন্সিল এটি পরিচালনা করে। কাউন্সিলের দায়িত্ব এ তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে এ তহবিলের ৯০ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া এ তহবিলের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়াও আরো নতুন দাতারা এ তহবিলে অর্থায়ন করতে চায়। তাদের অর্থ কিভাবে নেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।”
এছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প এবং আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কপ-১৮ সম্মেলনের বিষয়েও এ সময় আলোচনা করা হয়েছে।
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, “এ তহবিলে ইতোমধ্যে ১৭০ মিলিয়ন ডলার মঞ্জুরি সহায়তা পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে দাতাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে আরো ১০০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।
স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এ তহবিল পরিচালনা করা হচ্ছে। বিসিসিআরএফ গভর্নিং কাউন্সিল অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে এ তহবিল পরিচালনা করছে। যা বিশ্বব্যাপি সমাদৃত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্য দাতাদের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে বিসিসিআরএফ তহবিলের আর্থিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বিশ্বব্যাংক।
এরআগে বিকেলে সচিবালয়ে ডেনমার্কের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনার্জি বিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির চেয়ারম্যান স্টিন স্টিনস্গার্ড গেড’র নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা ও বৈঠক করেন।
সোমবার পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সচিবালয়ে তার দপ্তরের দেখা ও বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গোল্ডস্টেইন বলেন, “বিসিসিআরএফ-এ দুর্নীতি বা অনিয়মের বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত একটি গভর্নিং কাউন্সিল এটি পরিচালনা করে। কাউন্সিলের দায়িত্ব এ তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে এ তহবিলের ৯০ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া এ তহবিলের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়াও আরো নতুন দাতারা এ তহবিলে অর্থায়ন করতে চায়। তাদের অর্থ কিভাবে নেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।”
এছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প এবং আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কপ-১৮ সম্মেলনের বিষয়েও এ সময় আলোচনা করা হয়েছে।
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, “এ তহবিলে ইতোমধ্যে ১৭০ মিলিয়ন ডলার মঞ্জুরি সহায়তা পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে দাতাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে আরো ১০০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।
স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এ তহবিল পরিচালনা করা হচ্ছে। বিসিসিআরএফ গভর্নিং কাউন্সিল অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে এ তহবিল পরিচালনা করছে। যা বিশ্বব্যাপি সমাদৃত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্য দাতাদের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে বিসিসিআরএফ তহবিলের আর্থিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বিশ্বব্যাংক।
এরআগে বিকেলে সচিবালয়ে ডেনমার্কের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনার্জি বিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির চেয়ারম্যান স্টিন স্টিনস্গার্ড গেড’র নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা ও বৈঠক করেন।
No comments:
Post a Comment