Pages

Tuesday, September 11, 2012

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি মোবাইল কোর্টের আওতায় নেয়ার দাবি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি মোবাইল কোর্টের আওতায় নেয়ার দাবি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি উদ্রেককারী  শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা’কে মোবাইল কোর্টের আওতাধীন করার দাবি জানিয়েছে দুইটি বেসরকারি সংস্থা।

সোমবার  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার অনুষদের সামনে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এবং ইউনাইটেড পীস ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

ইউনাইটেড পীসের মহাসচিব ইফমা হোসাইনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুস সোবহান, পবার সম্পাদক আসলাম খান, কো-অর্ডিনেটর আতিক মোর্শেদ, সাবিনা নাঈম, ইউনাইটেড পীস ফাউন্ডেশন নেত্রকোনা জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম জনি, সদস্য মো. সুমন মিয়া, সাবেক সাংসদ হুমায়ুন কবীর হিরম্ন, নাসফের সাধারণ সম্পাদক ইশরাত জাহান বেবী, উইমেন এনভয় এর সভাপতি শিখা ভূঁইয়া, অধ্যাপক কামাল আতাউর রহমান ও পরিবেশ কর্মী রওশন আলী।

বক্তারা বলেন, ‘‘শব্দ দূষণে উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, শ্রবণশক্তি  হ্রাস, মনসংযোগ কমে যাওয়া, মাথা ব্যাথা ও মাথা ধরা, খিটখিটে মেজাজ, বিরক্তিবোধ এমনকি অস্বাভাবিক আচরণ করার মত মনোদৈহিক নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। শব্দ দূষণের প্রধান উৎস যানবাহনের শব্দ বা হর্ণ। রাস্তায় অস্বাভাবিক যানজটের কারণে ব্যস্ত হয়ে আগে যাবার প্রবণতায় চালকরা উচ্চ হর্ণ বাজায়। এছাড়া শিল্প এলাকায় কল-কারখানার শব্দ, আবাসিক এলাকায় বিল্ডিং তৈরির সময় ইট ভাংগার মেশিনের শব্দ, বাণিজ্যিক এলাকায় গ্রীলের দোকানে হাতুড়ি পেটানোর শব্দ, ক্যাসেটের দোকানে উচ্চ শব্দে গান বাজানো, মাইকে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নানাভাবে শব্দ দূষণ হচ্ছে।’’

তারা আরো বলেন, ‘‘শব্দ দূষন নিয়ন্ত্রণে ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে  শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রন বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এ বিধিমালার আওতায় হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতকে নীরব এলাকা ঘোষনা করা হয়।

বিধিমালায় বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের চতুর্দিকে ১০০ মিটার বিস্তৃত এলাকায় চলাচলকালে যানবাহনে কোনো প্রকার হর্ণ বাজানো যাবে না। আবাসিক এলাকার সীমানা  থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে নিমার্ণ কাজের ইট বা পাথর ভাঙার যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। যানবাহনে অপ্রয়োজনে উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানো যাবে না। কোনো উৎসব, সামাজিক বা রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে লাউড স্পিকার, এমপ্লিফায়ার  বা কোনো যান্ত্রিক কৌশল ব্যবহার  করতে হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। অথচ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রেক্ষিতে প্রণীত এসব বিধি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি নেই।

মানববন্ধন থেকে সাতটি দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলো হলো- শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালাকে মোবাইল কোর্টের আওতাভুক্ত করা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়ন, পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতা প্রদান, শব্দ দূষণ বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে প্রত্যেকটি সড়কে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, উচ্চ শব্দের হর্ণযুক্ত যানবাহনকে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ ক্যারিকুলামে শব্দদূষণ এর ক্ষতিকর দিক ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা সম্পৃক্ত করা।
তাছাড়া প্রাইভেট কারসহ যে কোনো যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের সময়ে হর্ণ এর শব্দ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে উচ্চশব্দের হর্ণযুক্ত যানবাহনের লাইসেন্স বাতিল করা ও বিজ্ঞাপন ও প্রচার মাধ্যমে শব্দ দূষণের ক্ষতিসমূহ তুলে ধরা।

মুক্তির অপেক্ষায় আইফোন ফাইভ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মুক্তির অপেক্ষায় আইফোন ফাইভ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

চলতি মাসের ১২ তারিখেই সম্ভবত আত্মপ্রকাশ করবে আইফোন ফাইভ। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই এই ফোনের বিক্রি ১০ মিলিয়ন ছুঁয়ে ফেলবে বলে মনে করছেন ওয়াল স্ট্রিট বিশেষজ্ঞরা। তবে ১২ তারিখে প্রথম দর্শন হলেও, কোনো কোনো সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখের আগে শোরুমে আসছে না এই ফোন।

গত বছরের রিপোর্ট বলছে অ্যাপেলের ঠিক আগের সংষ্করণের মোবাইল মডেল, আইফোন ফোর-এস, মুক্তি পাওয়ার প্রথম তিনদিনের বিক্রিই প্রায় চার মিলিয়ন ছুঁয়েছিল। সেই কারণেই, চাহিদা অনুযায়ী যোগান থাকলে, এ বছর একসপ্তাহের মধ্যেই ১০ মিলিয়ন মডেল বিক্রি হতে পারে বলে অনুমান বিশ্লেষকদের। তাদের এই ধারণা সত্যি হলে সেপ্টেম্বর কোয়ার্টারে আইফোনের বিক্রি ২৬ মিলিয়নে পৌঁছবে যা ওয়াল স্ট্রিটের অন্যান্য বছরের গড় বিক্রি ২২ থেকে ২৩ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরের ৪ তারিখ আত্মপ্রকাশ করে ফোর এস। ঠিক তার পরের দিন, অক্টোবরের ৫-এ আধ খাওয়া আপেল ফেলে চিরতরে চলে যান ম্যাক-এর স্রষ্টা স্টিভ জোব্স। সুত্র: জিনিউজ।
 

আল জাজিরা’র এসএমএস সার্ভিস হ্যাক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আল জাজিরা’র এসএমএস সার্ভিস হ্যাক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

তৃতীয় দফা হ্যাকারদের কবলে পড়লো কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এবার হ্যাক হয়েছে সংবাদমাধ্যটির এসএমস নিউজ সার্ভিস। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এই অনলাইন হামলার ঘটনা ঘটে।

সিরিয়ার সরকারপন্থি হ্যাকার গ্রুপ সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি (SEA) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

হ্যাক করে আল জাজিরার এসএমএস সার্ভিসের মাধ্যমে এই গ্রুপটি তিনটি মিথ্যা সংবাদ পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা কর্তৃপক্ষ।

প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক টুইট বার্তায় হ্যাকারদের পাঠানো ফেক বার্তার সাথে নিজেদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, এসএমএস সার্ভিসের ওই ফেক বার্তার একটিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী হামলার শিকার হয়েছেন বলে অপপ্রচার করা হয়েছে।

অপর বার্তায় বলা হয়েছে, ‘কাতারের আমির শেখ মোজা বিনতে নাসের আল মিসনিদ আহত হয়েছে।’

ফেসবুকে শচীন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফেসবুকে শচীন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

শচীন ভক্তদের জন্য সুখবর! কেননা ভারতের ব্যাটিং মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার এবার সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুকে যোগ দিলেন। তবে আশ্চর্যের খবর হলো সোমবার ফেসবুকে যোগ দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ফ্যান পেজের লাইকে চার লাখ ১০ হাজার ভক্ত ক্লিক দিয়েছে।

মাস্টার ব্লাস্টার এই ব্যাটসম্যানের প্রথম ফেসবুকের ওয়াল পোস্টে লিখেছেন, “হ্যালো ফ্রেন্ডস, আপনাদের সবাইকে আমার ফেসবুক পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। ছোটবেলা থেকেই ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলাটা আমার স্বপ্ন ছিলো। তাছাড়া দীর্ঘ ২২ বছর পর আমার আরেকটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা। এটা কখনোই সম্ভব হতো না আপনাদের সমর্থন না পেলে।”

“আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ সবসময় আমার পাশে থাকার জন্য। আমি আমার অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে শেয়ার করবো।”- লিখেছেন ৩৯ বছর বয়সী শচীন।

শচীনের অফিসিয়াল ফেসবুকের এই পেজটি ম্যানেজের দায়িত্বে রয়েছে সেভেনথ্রিরকার্স।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে (https://www.facebook.com/SachinTendulkar) নামে শচীন ফেসবুকে যোগ দিয়েছেন। তাছাড়া এখানে শচীনের সব এক্সক্লুসিভ ছবিও পাওয়া যাবে।

ফেসবুক ছাড়াও টুইটারেও শচীনের একটি আইডি রয়েছে। ২০১০ সাল থেকে Twitter (@sachin_rt) নিয়মিত টুইট করেন ভারতের এই লিটল মাস্টার। ইতিমধ্যে শচীনের টুইট অনুসরণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ২৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৯০ জন।
 

আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ নভেম্বরে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ নভেম্বরে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটিয়ে ক্যারিয়ার গঠনের প্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং তথা মুক্ত পেশাজীবীদের অনলাইনে ক্যারিয়ার বিষয়ক সম্মেলন ‘আউটসোর্সিং সামিট ২০১২’। আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে দিনব্যাপী এ সম্মেলন।
 
ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেড এর তত্ত্বাবধানে সকালে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সম্মেলনে দেশী বিদেশী শীর্ষ আউটসোর্সিং এক্সপারটরা বেশ কয়েকটি সেশনে কর্মশালা ও সেমিনার পরিচালনা করবেন। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এতে ৮৫০ জন অংশ নিতে পারবেন।
 
সেমিনারে বাংলাদেশে আউটসোর্সিংয়ের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ, অফশোর আউটসোর্সিংয়ের কৌশল, বিজনেস চ্যালেঞ্জ, আর্নিং উইদাউট ইনভেস্ট, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের বিস্তারিত এবং একজন ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।
 
আলোকপাত করা হবে আউটসোর্সিং ব্যবসার ভূমিকা, অনলাইন কর্মক্ষেত্রের প্রকারভেদ, আউটসোর্সিং প্রতারণা, আউটসোর্সিং ও এমএলএম, ফ্রিল্যান্স মার্কেট পেস্নস, মাইক্রো জব, জব উইদাউট বিড, ওডেস্ক প্রোফাইল, বিডিং টেকনিকস, কভার লেটার রাইটিং টেকনিকস্, পেইড টু ক্লিক, গুগল এডসেন্স, ই-কমার্স, এসইও ও ইন্টারনেট মার্কেটিং, অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়া, ফরেক্স ট্রেডিং, এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অন্দর-বাহির নিয়ে।
 
আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, সম্মেলনে আলোচনার পাশাপাশি থাকবে কুইজ ও র‌্যাফেল ড্রতে আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে বিনামূল্যে দেয়া হবে-দুপুরের লাঞ্চ সহ আউটসোর্সিং লার্নিং সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ ভিডিও সিডি, ডিভিডিসহ নানা টুলস্ ও উপহার।
 
সম্মেলন সম্পর্কে আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ এর আহ্বায়ক ও ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনির হোসেন বলেন, আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশ অত্যামত্ম সম্ভাবনাময়। আমাদের রয়েছে মেধাবী তারুণ। তাদের দরকার শুধু সঠিক দিক নির্দেশনা। আমরা এই সামিটের মাধ্যমে এই সম্ভাবনার বিষয়টাকে সারা দেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেবার পাশাপাশি আগ্রহীদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে চাই।
 
প্রসঙ্গত, আইটি ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে আধুনিক সৃজনশীল পেশা হিসেবে বিবেচিত। জনবহুল তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তিতে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের ক্ষেত্র বাড়ছে। ভারত, ফিলিপাইন, পাকিস্থান দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের কাজের প্রতি আগ্রহ অনেক বেড়েছে। এই খাতে কাজ বিস্তারের যেমন বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে প্রতিবন্ধকতাও।
 
এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আগামী ১৭ নভেম্বরের সম্মেলনটি তরুণ বেকারদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তিবিদরা।

বিটিসিএল’র কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিটিসিএল’র কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিটিসিএল’র সাবেক পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতিমধ্যেই রোববার বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিটিসিএল ও দুদক সূত্রে প্রকাশ, জাপানি দাতাসংস্থা জাইকার অর্থায়নে টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (টিএনডি) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে বিটিসিএল’র তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রকল্প প্রস্তাব (পিপি) তৈরিতে ১০০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে এমন অভিযোগে সেগুনবাগিচায় দুদক’র প্রধান কার্যালয়ে টানা পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন ওই তিন কর্মকর্তা।

দুদকের উপপরিচালক মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সূত্রটি। তবে দুর্নীতির অভিযোগের পর জাইকা অর্থায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিটিসিএল’র একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

সূত্র মতে, ‘এনডি প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে’ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তার এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট দুদক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিটিসিএলের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) কাজী মঞ্জুরুল করিম, টেকনিক্যাল ইভালুয়েশন কমিটির সদস্য মো. কলিমুল্লাহ ও মো. বাহাদুর আলীকে নোটিশ পাঠায় দুদক।

বিটিসিএল’র পরিচালক (ক্রয়) শাহাব উদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক অশোক কুমার মল, জাইকা’র পরিচালক মশিউর রহমান, একেএম হাবিবুর রহমান, বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাওয়াবাতার সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম, সাব্বির আহম্মদ, তৎকালীন বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আবু সাইদ প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) তৈরির সময় প্রায় ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন বলে দুদক’র অভিযোগনামায় দাখিল করা হয়েছে। জাইকার উচ্চপর্যায় থেকে প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর এ দুর্নীতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

প্রসঙ্গত, প্রতি মিটার ফাইবারের দাম সর্বোচ্চ ৪০০-৫০০ টাকা হলেও দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন ঢাকা-কক্সবাজার ট্রান্সমিশন লিঙ্কসহ বিটিসিএলের অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক স্থাপনে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের জন্য প্রতি মিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনে দাম ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ মূল্য ধরার এ বিষয়টি জাইকা’র উচ্চ পর্যায়ের নিরীক্ষা দলের চোখে ধরা পড়লে তারা এ প্রকল্পে আর বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টুইটারে প্রথম বিয়ে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

টুইটারে প্রথম বিয়ে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঘটা করেই সাঙ্গ হলো মাইক্রোব্লগ টুইটারের মাধ্যমে প্রথম বিয়ে। নিজেদের আইপ্যাডে টুইট বার্তার মাধ্যমে তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীর কনে জনদাল সেলিককে স্ত্রী হিসেবে কবুল করে নেন একই নগরীরর উসকুদার এলাকার ছেলে কানদাল জেনিক।

ধর্মগুরুর পরিবর্তে টুইটারেই বিয়ে পরিচালনা করেছেন উসকুদারের মেয়র মুস্তফা কারা। টুইট করে তিনি আইপ্যাড হাতে বিয়ের সাজে পাশাপাশি বসে থাকা বর-কনেকে প্রশ্ন করেন ‘তোমরা কি নিজেদের আইনগতভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে চাও? প্রশ্নে উত্তরে ‘আমি রাজি’ এই বলে পাল্টা টুইট করে জেনিক ও চেলিক। এ সময় বর-কনের পাশাপাশি তাদের উকিল, স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীরাও উপস্থিত ছিলেন।

টুইট বার্তায় কবুল কারার পর দু’জনেই বিয়ের কাবিননামায় সই করেন। এরপর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতির হাতে বিয়ের সনদ তুলে দেয়া হয়।

সোমবার অনুষ্ঠেয় এই ‘টুইটার বিয়ে’র আনুষ্ঠানিকতা এলসিডি মনিটরে উপভোগ করেন উপস্থিত কয়েক’শ অতিথি। বিয়ের  আনুষ্ঠানিকতা শেষে টুইটারে শুভেচ্ছা টুইটের মধ্যেমে নবদম্পতিকে আশির্বাদ করেন তারা।

জানা গেছে, বর কানদাল জেনিক এনসনহবার ডটকম (ensonhaber.com) নামক এটি অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্কের সম্পাদক। বিয়ের পর টেক নিউজ ওয়েব পোর্টাল টেক্কায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কানদাল জেনিক বলেন, সবাইকে একটু বাড়তি আনন্দ দিতেই একটু ভিন্নভাবে বিয়ে করলাম। আমি ধর্ম মানি তবে প্রথাবদ্ধতায় বিশ্বাসী নই। তাই টুইট বার্তায় বিয়ে করলেও ধর্মীয় আইনগত বিষয়ে কোনো ত্রুটি রাখিনি। অবশ্য বিয়ের জন্য এটা একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এক অপরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস আর ভালোবাসাই আসলে বিয়ের মূল উপাদান।
 

ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে শেষের দিকে ।

সু্ইজারল্যান্ড ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশন ৬০টিরও বেশি দেশের মানুষের মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার, এবং সমাজ ও রাজনীতিতে এর প্রভাব সম্পর্কে চালানো এক জরিপের পরে এ কথা বলেছে ।

বাংলাদেশের বর্তমানে সরকারের অন্যতম বড় একটি প্রতিশ্রুতি ছিল দেশকে তথ্যপ্রযুক্তি সেবার আধুনিকায়নের মাধ্যমে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’ রূপান্তর করা।

কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’র উদ্ভাবক স্যার টিম বার্নারের ফাউন্ডেশনের ওয়েব ইন্ডেক্সে ৬১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৫তম, অর্থাৎ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা দেশ। আর বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারত ৩৩তম, পাকিস্তান ৪৪তম এবং নেপাল ৫২ তম অবস্থানে রয়েছে।

ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, ওয়েব ইনডেক্স হচ্ছে প্রথম বহুমাত্রিক একটি মাপকাঠি যা দিয়ে বিশ্বের ৬১টি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে সমন্বিত বিভিন্ন সূচকের মাধ্যমে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রভাব যাচাই করা হয়। একইসঙ্গে ইন্টারনেটের সংযোগ ও পরিকাঠামোও দেখা হয়েছে।

তবে এই সূচককে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের ইন্টারনেট সংশ্লিষ্টরা? বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাসিম মাহমুদ - যিনি সোশ্যাল কম্পিউটিং বিষয়ে গবেষণা করেছেন - তিনি মনে করছেন এটি একটি সতর্কসংকেত।

নাসিম মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশকে সামনে এগুতে হলে কার্যকরভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। মূলত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সর্বস্তরে ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েই এই সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ তাতে মাত্র সূচনা পর্যায়ে আছে। বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার কারণগুলো মূলত বেশি দামে কম সুবিধা পাওয়া, অদক্ষ লোকদের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান, ব্যবসায়িদের এলাকাভিত্তিক মনোপলি বাজার, এবং সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব।”

সূচকে যে বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে একটি দেশের মানুষ ও পুরো জাতির মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার, উপযোগিতা এবং প্রভাব কতটা।

তালিকার শীর্ষে থাকা প্রথম তিনটি দেশ হচ্ছে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য। সবচেয়ে নিচে আছে ইয়েমেন।

বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিযোগ: ব্যবসায়ীদের এলাকাভিত্তিক মনোপলি বাজারের কারণে তারা যথেষ্ট ভালো সুবিধা না পেলেও এলাকার একমাত্র সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে লাইন নিতে বাধ্য হন।

তবে বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিবির সভাপতি আখতারুজজ্জামান মঞ্জু বিবিসিকে বলেন উল্টো কথা।

তার বক্তব্য হলো - “ব্যবহারকারীরা যে পরিমাণ টাকায় চব্বিশ ঘন্টা ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চান তাতে এর চেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”

বিশ্ষেজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেটের গতিকে আরো দ্রততর করতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরকারের নজরদারি অরো বাড়ানো দরকার।

বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। তিনি সরকারের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দাবি করেন, বিভিন্ন পর্যায়ে ভর্তি কার্যক্রম থেকে ফলাফল প্রকাশে এখন ইন্টারনেটকে বেছে নেয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার সাথে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে এবং ভবিষতে এ সংখ্যা আরো বাড়বে। সেইসাথে বিভিন্ন দফতরে এই সুবিধা পৌঁছাতে অবকাঠামো সুবিধা বাড়ানোর দিকেও মনোযোগ দেয়ার কথা বলছে সরকার। সূত্র: বিবিসি।
 

সিনেমার চেয়ে ফুটবলেই রনবীরের ভালোবাসাটা বেশি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সিনেমার চেয়ে ফুটবলেই রনবীরের ভালোবাসাটা বেশি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 অভিনয় নয়। ভারতীয় বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম আধুনিক আইকনের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে ফুটবল। মাঠে বসে কোনো ফুটবল ম্যাচ দেখা, তার কাছে এখন অভিনয়েরও আগে! রনবীর কাপূরের অকপট স্বীকারোক্তি, “আসলে ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসাটা সিনেমার চেয়েও বেশি।”

নিজের পরবর্তী ফিল্ম ‘বরফি’-র প্রচারে কলকাতা এসেছেন রনবীর। যিনি কিনা বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। শুধু তাই নয়, নভেম্বর থেকে অন্যান্য অভিনেতার সঙ্গে তাকেও সেলিব্রিটি ফুটবল লিগে খেলতে দেখা যাবে।

আর রনবীর সহ বাকি অভিনেতাদের কোচিং কে করাচ্ছেন?
কেউ নন, ভাইচুং ভুটিয়া।

“মানুষ হিসেবে ভাইচুং খুব ভালো। ও-ই আমাদের কোচিং করাচ্ছে। প্রত্যেক রোববার আমরা প্র্যাক্টিস করি। আর ও এত ভালো যে, সব সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যায়। এমনকি যখন আমার কোনো সিনেমা বেরোয়, ও সেগুলো মন দিয়ে দেখে আমাকে নিজের মতামত জানায়। ওর কাছে কোচিং পাওয়াটা দুর্দান্ত একটা ব্যাপার,” বলেছেন রাজ কাপূরের নাতি।

সিকিমের ভূমিকম্পে আক্রান্তদের জন্য টাকা তুলতে যে ম্যাচের আয়োজন করেছিলেন ভাইচুং, তাতে অংশ না নিতে পেরে রণবীরের বেশ দুঃখই হচ্ছে। “শ্যুটিংয়ের জন্য এত ব্যস্ত ছিলাম যে, ওখানে আর অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু আমি ভাইচুংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতীয় ফুটবলের জন্য কিছু করতে চাই। তা ছাড়া সিকিমে ও যে টিমটা তৈরি করছে সেটা নিয়ে আমার সাহায্য চেয়েছে। ওটা নিয়েও কাজ চলছে,” রণবীরের খোলামেলা মন্তব্য।

এখানেই শেষ নয়, বার্সেলোনা ফুটবল টিমের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে বলিউড তারকার। এ দেশের বার্সেলোনা সমর্থকদের জন্য মেসির ক্লাব কী কী করতে চায়, তা-ও শোনা গেল রণবীরের মুখে। “ভারতে কিছু ট্রেনিং ক্যাম্প শুরু করছে বার্সেলোনা। এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মারফত বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারকে এই ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে। মনে হয় আমাদের জীবদ্দশায় ভারত থেকেও মেসি বা রোনাল্ডোর মতো ফুটবলারকে উঠে আসতে দেখব।”

আর লিওনেল মেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ কেমন ছিল?

আবেগঘন গলায় রনবীর বললেন, “জানেন, বার্সেলোনার ন্যু কাম্পে মেসির সঙ্গে দেখা করে, ওর অটোগ্রাফ নিয়ে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলাম। আমার অটোগ্রাফ নেয়ার সময় তা হলে আমার ভক্তদেরও এই অনুভূতিটাই হয়!” সূত্র: ওয়েবসাইট।

বচ্চনের কেবিসি’তে সৌরভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বচ্চনের কেবিসি’তে সৌরভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

অমিতাভ বচ্চন ও সিদ্ধার্থ বসুর আমন্ত্রণে শুক্রবার চলতি কেবিসি’র সেটে বসবেন কলকাতার মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলী। এই প্রথম কেবিসি’র কোনো শোতে আসছেন সৌরভ।

তবে মজার বিষয় হলো সৌরভের জন্য কিন্তু হট সিট নির্ধারিত হয়নি। গত বছর থেকে চালু হওয়া কেবিসি’র নতুন ফর্মেট অনুযায়ী এক জন স্টার থাকেন প্রতিযোগীদের সাহায্য করার জন্য ছয় রাউন্ড খেলা হওয়ার পর প্রতিযোগীরা এই ‘স্টার হেল্পলাইন’ নিতে পারেন। আর সৌরভ আসছেন সেই সব স্টারদের একজন হয়েই।

গত বছর আমন্ত্রিত তারকা হিসেবে এভাবে প্রতিযোগীদের সাহায্য করেছেন আমির খান ও অক্ষয় কুমার। আর এবার শুরুতেই সৌরভকে ডাকা হলো।

মুম্বইয়ে শো-য়ের প্রযোজক ও পরিচালক সিদ্ধার্থ বসু জানান, আরো আগেই আমরা সৌরভের ডেট চেয়েছিলাম। কোনো একটা খেলা পড়ে যাওয়ায় সময় বের করতে পারেননি। এবার আসতে পারছেন, আমরা তাই খুব খুশি। সূত্র: ওয়েবসাইট।

অকুতোভয় শাকিরা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

অকুতোভয় শাকিরা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রায় ১১ বছর ধরে তার সঙ্গে কাজ করছেন, এমন দু’জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করলেন শাকিরা! শোনা যায়, এই দু’জন নাকি শাকিরার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য এবং কাছের লোক ছিলেন।

শাকিরার বক্তব্য, এই দুই কর্মচারী তার অনেক সিক্রেট জেনে ফেলেছিলেন। শাকিরা তাদের বিশ্বাস করে, মনের কথা খুলে বলতেন। এর সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি এই দু’জন শাকিরাকে হুমকি দেন, যদি তিনি ৫০০ ইউএস ডলার তাদের না দেন, তা হলে তারা শাকিরার সমস্ত সিক্রেট ফাঁস করে দেবেন। তবে শাকিরাও ভয় পাওয়ার পাত্রী নন। তিনি এই দুই কর্মচারীকে তৎক্ষণাৎ চাকরি থেকে বের করে দেন এবং তাদের নামে পুলিশের কাছে গিয়ে মেন্টাল হ্যারাসমেন্টের ডায়েরিও করে আসেন! শাকিরা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন, তার যদি কেউ ক্ষতি করার চেষ্টা করেন, তা হলে তিনি তার শেষ দেখে ছাড়বেন! সূত্র: ওয়েবসাইট।
 

রিহানার ফ্যান ফলোয়িং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

রিহানার ফ্যান ফলোয়িং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

  প্রত্যেক সেলেব্রিটিই বলে থাকেন, তারা তাদের ফ্যানদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। রিহানা এবার সেই কৃতজ্ঞতা বাস্তবে প্রকাশ করে দেখালেন। সম্প্রতি, তার সেরা পাঁচজন ফ্যানকে সিলেক্ট করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, এরা সকলেই প্রচুর টাকা খরচ করে, দেশে-বিদেশে রিহানার প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন। রিহানা এই পাঁচজনকে নিজের খরচায়, তার জন্মস্থান বার্বাডোজে নিয়ে যান। সেখানে এক বিলাসবহুল হোটেলে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। বিকেলে চা পানের জন্য আবার সেই পাঁচজন ভাগ্যবান ফ্যানকে নিজের বাড়িতেও আমন্ত্রণ জানান! এখানেই থেমে না থেকে রিহানা জানিয়েছেন, এবার থেকে নাকি তিনি নিয়মিত নিজের ফ্যানদের এরকম সারপ্রাইজ দিতেই থাকবেন। সূত্র: ওয়েবসাইট।

‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঠিকই বলেছিলেন অভিনেত্রী নেতা ধুপিয়া, ‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ যদিও নেহার এই আবেগের বশে বলা কথাটিতে তথ্যের কোনো অবকাশ ছিল না।

কিন্তু সত্যিই ইন্ডাস্ট্রিতে এই মুহূর্তে শাহরুখ খান এমন একটি ‘মানি মেশিন’-এর নাম, যিনি ক্রিকেট বা সিনেমা, যার সঙ্গেই নাম জড়ান, লাভের গুড় পিঁপড়াতে চেটেও শেষ করতে পারবে না! সেই ১৯৯৩ থেকে (‘ডর’, ‘বাজিগর’ রিলিজের সময় থেকে) প্রতি বছর প্রথম তিনজন ‘বিক্রয়যোগ্য’ নায়কের তালিকায় তিনি থাকেনই!

১৯৯৪, ‘৯৫, ‘৯৬ থেকে এখনও পর্যন্ত, তা সে ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ই হোক বা ‘বীর জারা’, কিংবা ‘ডন’ হয়ে হালে ‘মাই নেম ইজ খান’ বা ‘ডন ২’, বলিউডের মোস্ট ব্যাঙ্কেবল অভিনেতাটির নাম এসআরকে! জনপ্রিয়তার তুল্যমূল্য বিচার না করে শুধু যদি নীরস সংখ্যাও দেখা যায়, তা হলে দেখা যাবে, শুধু ছবি থেকে আয়ের ক্ষেত্রে (বলিউডের সর্বকালীন ইতিহাসে) ‘ডন ২’ রয়েছে চার নম্বরে (২০৬ কোটি), ‘রা ওয়ান’ পাঁচ নম্বরে (২০২ কোটি) এবং ‘মাই নেম ইজ খান’ ছ’ নম্বরে ((২০০ কোটি)।

এমনকি, লাভের ব্যাপারেও ‘কিং’ তিনিই। কারণ, নিন্দুকের মতে ‘রা-ওয়ান’ যতই অ্যাভারেজ ছবি হোক না কেন, শাহরুখের এই ড্রিম প্রোজেক্টের লাভের অঙ্কডিট মোটেও অ্যভোরেজ নয়। তার পরিমাণ ১১৪.৬৭ কোটি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বলিউডের এই মধ্যে শাহরুখই একমাত্র স্টার, যিনি বিদেশের মাটিতেও মারাত্মক জনপ্রিয়। জার্মানি বা ফ্রান্সের মতো দেশে অনেকে ‘বলিউড’ বলতে শুধু শাহরুখকেই চেনন! কথাটা শুনলে চমকে উঠতে পারেন, বিদেশের মাটিতে ‘টপ ওপেনিং ডে’ আয়ের তালিকায় প্রথম তিনটি ছবির নাম যথাক্রমে ‘মাই নেম ইজ খান’ (৫৩ লক্ষ ডলার), ‘কভি অলবিদা না কহনা’ (৪৪ লক্ষ ডলার) এবং ‘ওম শান্তি ওম’ (৪৩ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার)।

কাছেপিঠে অন্য ‘খান’ বলতে, চার নম্বরে আমিরের ‘ত্রি ইডিয়টস’ (৪০ লক্ষ ডলার)। কিন্তু পাঁচে আবার ‘রব নে বনা দি জোড়ি’ (৩৪ লক্ষ ডলার)।

আসলে দেশ হোক বা বিদেশ, শাহরুখকে নিয়ে মানুষের উৎসাহ সব সময়ই বেশি। আর এর জন্য দায়ী তার ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ ইমেজ ও অফুরন্ত এনঅর্জি। এই জিনিসটি ভগবান তার মধ্যে দিতে কার্পণ্য করেননি বলেই বোধ হয় এতটা সফল তিনি। ‘রা ওয়ান’-এর প্রোমোশনের সময়ই তো এক মাসে ১৯টি শহরে নিরন্তর ঘুরেছিলেন শাহরূখ! এমন ‘অতিমানবীয়’ ক্ষমতা ইদানীয়ংকালে আর কোনো তরুণ তুর্কির মধ্যে আছে কি?

রনবীর সিংহ নাকি একটি অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে শাহরুখের সঙ্গে নেচেই বুঝেছিলেন, তার এনার্জি লেভেল কত কম! বলিউডের যে কোনো বয়সের অভিনেত্রীর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়া বলিউডের এই সুপারস্টারের ইউএসপি আসলে তিনি নিজেই। কোনও ছবিতে তিনি থাকলে, প্রমোশন নিয়ে আর আলাদা করে কিছু ভাবতে হয় না। অনেক ছবিতে (‘হে বেবি”) তাকে শুধু একটি দৃশ্যে দেখানো হয়, ছবির বাজারদর বাড়ানোর জন্য! আসলে বডিলউডে এই মুহূর্তে শাহরুখ খানকে টক্কর দেওয়ার মতো এখনও নতুন কেউ আসেনি। যত নবীন ‘জেয়ার’ই আসুক, ‘স্তম্ভ’ একণও তিনিই, যেখানে ধাক্কা লেগে সমস্ত ঢেউই ফিরে যায়। সূত্র: ওয়েবসাইট।
 

ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে সচেতন করা হবে: বিএসটিআই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে সচেতন করা হবে: বিএসটিআই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফরমালিনসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সহজলভ্যতা বন্ধ করতে এসবের আমদানি, বিক্রয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে নিবিড় তদারকি ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার সুপারিশ করেছে জাতীয় মান নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই।

একই সাথে মাঠ পর্যায়ে এসব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের মাত্রা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের আলোকে খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদারকরণ সম্পর্কিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক এ কে ফজলুল আহাদ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ বি এম খোরশেদ আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবুল হোসেন, ক্যাবের মহাসচিব কাজী ফারুকসহ স্থানীয় সরকার, কৃষি, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিএসটিআই, ঢাকা ওয়াসা, এফবিসিসিআই, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (দক্ষিণ), ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ সংশিস্নষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শিল্পমন্ত্রী পণ্যের গুণ ও মান নিশ্চিত করতে বিএসটিআই‘র বাধ্যতামূলক মানসনদের আওতাভুক্ত ১শ‘ ৫৫টি পণ্যের মানের বিষয়ে কঠোর তদারকির নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, এটি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে, দেশে ভেজালের পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি বিএসটিআই‘র পাশাপাশি মাননিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে নিজেদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দেন।

সভায় খাদ্যপণ্য, ফলমূল, মাছ, পোল্ট্রি ফার্মের মুরগী, ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবারে ফরমালিন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, সোডিয়াম, সাইক্লামেট, ইথোফেন ও হাইড্রোজের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের অস্বাভাবিক উপস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্যের জন্য এসবের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বিএসটিআই‘র যৌথ উদ্যোগে সমন্বিত ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করা হয়।

সভায় ভেজালের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে বেতার, টেলিভিশনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে নিয়মিত প্রচার প্রচারণা জোরদারের সুপারিশ করা হয়। একই সাথে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন ন্যাশনাল ফুড সেফ্টি অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলকে আরো সক্রিয় করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

সভায় ভেজাল বিরোধী অভিযানে অহেতুক হয়রাণি বন্ধে বাংলাদেশ পিউর ফুড রুলস-১৯৬৭ এর আধুনিকায়ণ করার সুপারিশ করা হয়। এসময় ভেজাল বিরোধী কার্যক্রমের সাফল্য মনিটর করতে নিয়মিত আন্তমন্ত্রণালয় সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
 

দৌড়ের চেয়ে ব্যায়াম উত্তম :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

দৌড়ের চেয়ে ব্যায়াম উত্তম :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

সম্প্রতি পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় নিয়মিত দৌড়ানোর চেয়ে স্বল্প সময় শারীরিক কসরত বা ব্যায়াম করা বেশি উপকারী।
 
গবেষকরা বলছেন, ৯০ মিনিট দৌড়ে আমাদের যে উপকার হয়, একই উপকার হবে মাত্র দুই মিনিটের শারীরিক কসরত বা ব্যায়ামে। এ কারণে দৌড়ের চেয়ে বিশেষজ্ঞরা ব্যায়ামের ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
 
গবেষকরা বলছেন, হৃৎপিণ্ডের জন্য দৌড়ের চেয়ে ব্যায়াম বেশি উপকারী। তারা ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী মানুষের ওপর গবেষণা চালান। তাদের মধ্যে একটি দলকে ব্যায়ামাগারের ব্যবহৃত এক্সারসাইজ সাইকেল চালাতে দেয়া হয়, আরেকটি দলকে এক ঘণ্টার মতো দৌড়াতে দেয়া হয়। যারা ব্যায়ামাগারের বাইকে কসরত করছেন তাদের ৩০ সেকেন্ড পর চার মিনিট বিশ্রাম করতে দেয়া হয়। এ রকম করে চারবারে দুই মিনিট ব্যায়াম করেন তারা।
 
অন্যদিকে সরকারি স্বাস্থ্য নির্দেশনা অনুযায়ী আরকেটি দল এক ঘণ্টা দৌড়ায়। পরের দিন সকালে তাদের পাউরুটি, মেয়নেজ এবং পনির দিয়ে নাস্তা দেয়া হয়। পরে তাদের রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায়, যারা এক ঘণ্টা দৌড়েছেন তাদের চর্বি কমার হার মাত্র ১১ শতাংশ আর যারা ব্যায়ামাগারে সাইকেল চালিয়েছেন তাদের চর্বি হ্রাস পাওয়ার হার প্রায় ৩৩ শতাংশ।

গবেষক দলের নেতা আবেরদিন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. স্টুয়ার্ট বলেন, 'শারীরিক কসরতে আমাদের যকৃৎ রক্ত থেকে বেশি পরিমাণ চর্বি সংগ্রহ করে।' সূত্র: ডেইলি মেইল

এক সপ্তাহের মধ্যে দাবি না মানলে মোবাইল রিচার্জ বন্ধ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

এক সপ্তাহের মধ্যে দাবি না মানলে মোবাইল রিচার্জ বন্ধ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রতি হাজারে ২৭ টাকা কমিশনের পরিবর্তে ১০০ টাকা কমিশন, ভুল নম্বারে টাকা চলে গেলে ফেরতের ব্যবস্থা করা সহ মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর কাছে এগারোটি দাবি তুলেছেন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। এক সপ্তাহের মধ্যে যদি মোবাইল কোম্পানিগুলো এই দাবি মেনে না নেয় তাহলে মোবাইল রিচার্জ বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধন থেকে এ ঘোষণা দেন সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু।

তিনি বলেন, প্রতিদিন নিত্য নতুন বিজ্ঞাপন দিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে মোবাইল কোম্পানিগুলো, অথচ রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ন্যায্য পাওনা দিচ্ছে  না।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম বদরুদ্দোজা, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও শফিকুর রহমান সহ অন্য নেতারা।

দুদকের কর্মকর্তা পরিচয়ে আত্মসাত, ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

দুদকের কর্মকর্তা পরিচয়ে আত্মসাত, ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দুদকের কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে সংঘবন্ধ একটি চক্র বিভিন্ন ব্যক্তিকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রেহায় দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত করে আসছিল। এ ঘটনায় সোমবার রাজধানীর দুটি থানায় ও গাজীপুরের একটি থানায় মামলা করেছে দুদক।

মামলার মূল আসামি সাতজন ও মোট নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিন ব্যাংক কর্মকর্তা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের একজন সাবেক কাউন্সিলর এই অর্থআত্মসাতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

রাজধানীর পল্টন থানায় দুটি ও গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করা হয়। পল্টন থানার মামলা নম্বর ২০ও ১৯। জয়দেবপুর থানায় মামলা নাম্বর ৪১। এই মামলাগুলো দায়ের করেছেন দুদকের উপপরিচালক এস এম এম আখতার হামিদ ভূইয়া।

প্রতিটি মামলারই মূল আসামি জিয়াউর রহমান। তিনি বিভিন্ন সময় ছদ্মবেশে মানুষের কাছ থেকে ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের গাজীপুরের জয়দেবপুর শাখায়, বিজয়রনগর শাখা ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ভুয়া  অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মতাত করে আসছেন।
 
যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তারা হলেন, মো. জিয়াউর রহমান, মো. আবু হানিফ বিজনেস এক্সিকিউটিভ ব্র্যাক ব্যাংক, মো. আবুল হামিদ পাটোয়ারী সেলস অফিসার ব্র্যাক ব্যাংক, মো. ওমর ফারুক মিল্লাত, সাবেক সেলস এক্সিকিউটিভ ব্র্যাক ব্যাংক, মো. ইস্রাফিল, মো. এনামুল হক এবং ডিসিসি’র সাবেক ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহম্মেদ কাজল।
  
অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একে অপরের সহযোগিতায় মিথ্যার আশ্রয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয় তাদের নামে।

কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদামের নিরাপত্তা হুমকির মুখে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদামের নিরাপত্তা হুমকির মুখে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 রাজধানীর কাওরান বাজারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণ এবং সরবরাহ (সিএসডি) গোডাউনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে। গোডাউনের প্রধান ফটক ও তার আশপাশের এলাকায় সড়ক দখল করে ট্রাক স্ট্যান্ড গড়ে তোলা এবং গড়ে ওঠা বস্তির কারণে সিএসডি গোডাউনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে বলে অভিযোগ করেছেন গোডাউনের একাধিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা।

সরকারি তথ্যমতে, এ অঞ্চলটি সরকারের সংরক্ষিত এলাকা। আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত এলাকার কমপক্ষে ১৪ ফুট দূরে স্থাপনা থাকতে হবে। কিন্তু এ অঞ্চলে সিএসডি গোডাউন, জরিপ অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন অফিস থাকা সত্বেও এ অঞ্চলটির নিরাপত্তা নেই।

এছাড়াও, সিএসডি গোডাউনের চারপাশের ফুটপাথ (ওয়াক ওয়ে) দখল করে বস্তিবাসী ও দোকানসহ গড়ে ওঠা বিভিন্ন কারখানার বর্জ্য সিএসডি গোডাউনের আশেপাশের পরিবেশ নষ্ট করছে বলেও জানান তারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কাওরান বাজার থেকে সাতরাস্তা যাওয়ার পথে রেল ক্রসিংয়ের পাশেই ট্রাক স্ট্যান্ড অবস্থিত। ট্রাক স্ট্যান্ডের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় রেল ক্রসিং এলাকা থেকে সিএসডি গোডাউনের প্রধান ফটক পর্যন্ত রাখা হয়েছে সারি সারি ট্রাক, পিক-আপসহ কাভার্ড ভ্যান। এসব ট্রাক, পিক-আপ ও কাভার্ড ভ্যানগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ও ব্যক্তি মালিকানাধীন। সিএসডি গোডাউনের প্রধান ফটক তথা পুরো এলাকা জুড়ে এসব ট্রাক, পিক-আপ ও কাভার্ড ভ্যানগুলো রাখার কারণে সিএসডি গোডাউনের নিজস্ব পরিবহন তথা সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলোর গোডাউনের ভেতরে প্রবেশ এবং বের হতে প্রতিবদ্ধকতার সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও, সিএসডি গোডাউনের নিরাপত্তা দেয়ালকে পেছনের দেয়াল হিসেবে ব্যবহার করে, দুই পাশে দুইটি দেয়াল তৈরি করে, সামনে একটি সাটার দিয়ে গড়ে ওঠেছে দোকান-পাট, কারখানা, ট্রাক মেরামত ও গাড়ি মেরামতের বিভিন্ন ওয়ার্কসপ। এসব দোকান-পাট, কারখানা, ওয়ার্কসপগুলোকে কেন্দ্র করে এ এলাকায় কর্মরত মানুষগুলো সিএসডি গোডাউনের আশেপাশের এলাকায় গড়ে তুলেছে বস্তি।

তাছাড়া সিএসডি গোডাউনের আশেপাশে গড়ে ওঠা দোকান-পাট, কারখানা ও ওয়ার্কসপগুলোর পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ফেলে রাখার কারণে নষ্ট হয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ গোডাউনের নিজস্ব পরিবেশ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিএসডি গোডাউনের আশেপাশে গড়ে ওঠা বস্তিবাসীদের রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ চক্রটি কোনো একটি শক্তিশালী মহলের মদদেই এ অঞ্চলে নিজস্ব কর্তৃত্ব বজায় রেখেছে। যে কারণে সিএসডি গোডাউনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারি তাদের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারেন না। বরঞ্চ কোনো কিছু বলতে গেলেই পড়তে হয় বিপদে, হতে হয় অপদস্ত।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, ১/১১ এর সময়ে এ অঞ্চলটি একবার পরিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এ অঞ্চলে সুবিধাভোগী একটি চক্র আবার দখল করে বস্তি দোকান-পাট, কারখানা ও ওয়ার্কসপ গড়ে তুলে। এ চক্রটি এ অঞ্চলে প্রতিটি ট্রাক, পিক-আপ, কাভার্ড ভ্যান তথা গাড়ি রাখার জন্য প্রতি রাতে ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকে। বস্তিবাসী এ চক্রের অধিকাংশ বাসিন্দারই দেশের বাড়ি ভোলায়।

এ ব্যাপারে তেঁজগাও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘এ ব্যাপারে লিখিত বা মৌখিক কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। যদি কোনো অভিযোগ আসে তাহলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।’’

এ ব্যাপারে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের (ডিসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক কমান্ডার এনামুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘আপনার কাছ থেকে বিষয়টি জেনে রাখলাম। ব্যবস্থা নিব। এ ব্যাপারে কোনো আবেদন আমাদের কাছে আসেনি। কেউ আবেদন করলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম।’’  

এ ব্যাপারে ট্রাক ওনার্স অ্যাসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম মন্টু বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘সারা বাংলাদেশ থেকে এখানে ট্রাক আসে। জেলখানা, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মামলামাল এখান থেকেই নিয়ে যাওয়া হয়। এ ট্রাকগুলো আসে এবং মালামাল বোঝাই করে চলে যায়। হয়তো মালামাল লোড-আনলোড করার জন্য কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয় তাদের।’’

এ ব্যাপারে সিএসডি গোডাউনের প্রধান ব্যবস্থাপক মো. আজিমুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘ সিএসডি গোডাউনে ১০০ থেকে ১৫০ জন স্টাফ রয়েছেন। এছাড়াও, ৫০০ থেকে ৬০০ শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করেন। রাস্তাটার বেহাল দশা। ময়লা-বর্জ্য পড়ে থাকে যত্রতত্র। বৃষ্টির দিনে চলাফেরার ভীষণ সমস্যা হয়।’’ 

হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার বিচার শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার বিচার শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও লেখক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় ১ জন পলাতক আসামি সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সোমবার অভিযোগ গঠন করেছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূইয়া জিন্নাহ এ অভিযোগ গঠন করে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ঠিক করেছেন আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর।

মামলায় অভিযুক্ত  আসামিরা হলেন মো. মিজানুর রহমান মিনহাজ ওরফে শফিক ওরফে শাওন ওরফে হামিম ওরফে হাসিম, আনোয়ারুল আলম ওরফে ভাগ্নে শহীদ, নূর মোহাম্মদ শামীম ওরফে জে এম মবিন ওরফে সাবু, সালেহীন ওরফে সালাউদ্দিন ওরফে সজীব ওরফে তাওহিদ এবং হাফেজ মাহমুদ ওরফে রাকিব ওরফে রাসেল। এরা সবাই নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ মামলায় নূর মোহাম্মদ শামীম পলাতক। বাকি চারজন এদিন আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে নিজেদের পক্ষে শুনানি করেন।

তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় আসামির তালিকা থেকে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে বাদ দিয়ে গত ১৪ মে এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।

বিগত ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে বাংলা একাডেমীর উল্টো দিকের রাস্তায় হুমায়ুন আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।

কয়েক মাসের চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ২০০৪ সালের আগস্টে পেন ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি লেখক সংগঠনের বৃত্তি নিয়ে জার্মানিতে যান এই লেখক। ১২ অগাস্ট মিউনিখে নিজের ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দিতে সময় পেলেন সাজেদা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দিতে সময় পেলেন সাজেদা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করায় সরকারি দলের সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার দিন পিছিয়ে ১ অক্টোবর ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সাজেদা চৌধুরীর আইনজীবী বাসেত মজুমদার সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল এ দিন ধার্য করেন।

সকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার সাজেদা চৌধুরীর পক্ষে এ সময় আবেদন করেন। ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আমলে আমলে নিয়ে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের আদেশে সাজেদা চৌধুরীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনজীবীর মাধ্যমেও তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ব্যাখ্যা পাওয়ার পর উভয় পক্ষের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করবে ট্রাইব্যুনাল।

শুনানিতে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর বলেন, “আমরা আদালত অবমাননার বিষয়ে তার বক্তব্য শুনবো। এখানে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার বক্তব্য শোনা উচিত।”
তখন ডিফেন্স কাউন্সেল অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, “সাজেদা চৌধুরীর বক্তব্যে আদালত অবমাননা হয়েছে। তিনি আদালতকে ডিক্টেড করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সরকারি দলের শীর্ষ নেতা ও সংসদ উপনেতা। তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য কাম্য নয়।”

৫ আগস্ট আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বিচারাধীন বিষয় নিয়ে সংসদ উপনেতার বক্তব্যের বিষয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে শুনানি করতে চাইলে আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দেন।

২৮ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিষয়ে ‘দু-একটাকে ঝুলিয়ে দিলে আইন নিয়ে ওদের কপ-কপচানি বন্ধ হবে’ শিরোনামে সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর একটি বক্তব্য দৈনিক আমার দেশসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত করার আহবান জানিয়ে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, আগেই দু-একটাকে ঝুলিয়ে দিলে আইন নিয়ে ওদের কপ-কপচানি বন্ধ হবে। বসে বসে আইন কপচালে হবে না। এত আইন দেখলে হবে না।

তিনি বলেন, “ওরা যখন একাত্তর সালে আমার ভাইকে হত্যা করেছিল, মেয়েদের ঘর থেকে বের করে নিয়ে গেছে তখন কোথাও আইন ছিল না।”

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।