রেলওয়ে কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রচারিত সংবাদের ব্যাপারে দফতরবিহীন মন্ত্রী
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি
ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে আজমের বক্তব্য সংগ্রহকারী
আরটিভির সাংবাদিক বায়েজিদ আহমেদের নিরাপত্তা দেয়ারও দাবি জানিয়েছে
সংস্থাটি।
শনিবার এক বিবৃতির মাধ্যমে টিআইবি এ দাবি জানায়।
বিবৃতিতে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “গত ১০ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের দেয়া হুমকি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে। এ ধরনের অবস্থান এক দিকে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে ও অন্যদিকে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের পরিপন্থী।”
তিনি বলেন, “গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে কারোরই আইনগত প্রতিকার চাওয়ার অধিকার রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার পরিবর্তে রেলওয়ে ঘুষ কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশে ক্ষুব্ধ হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যে বিষোদগার করেছেন তা গণতন্ত্রের অপরিহার্য অনুষঙ্গ অবাধ তথ্য প্রবাহের বিরুদ্ধে উপহাসমূলক অবস্থানের শামিল।”
স্বাধীন গণমাধ্যম তথা গণতান্ত্রিক আচরণের পরিপন্থি অবস্থান না নেয়ার জন্য সুরঞ্জিত সেনের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।
আরটিভির সিনিয়র প্রতিবেদক বায়েজিদ আহমেদ হুমকির শিকার হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে সহায়ক তথ্য প্রকাশ করার কারণে এ ধরনের হুমকির সম্মুখীন হওয়ার ফলে সরকারের প্রতি সংবাদমাধ্যম তথা জনগণের আস্থাহীনতা বাড়বে।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি বায়েজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভিতে এক সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য ফাঁস করেন সাবেক রেলমন্ত্রীর এপিএস ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খান। এর প্রতিক্রিয়া জানাতে গত বুধবার সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি এ ঘটনাকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন। এছাড়া তিনি মিডিয়া মালিকদের সমালোচনাও করেন।
প্রসঙ্গত, গত ৯ এপ্রিল রাতে এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়ার ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তৎকালীন রেলমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ১৬ এপ্রিল ব্যক্তিগত সহকারীর ‘অর্থ কেলেঙ্কারির’ দায় নিজের কাঁধে নিয়ে রেলমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে দুদক তদন্তে সুরঞ্জিতকে নির্দোষ প্রমাণ করে।
শনিবার এক বিবৃতির মাধ্যমে টিআইবি এ দাবি জানায়।
বিবৃতিতে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “গত ১০ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের দেয়া হুমকি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে। এ ধরনের অবস্থান এক দিকে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে ও অন্যদিকে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের পরিপন্থী।”
তিনি বলেন, “গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে কারোরই আইনগত প্রতিকার চাওয়ার অধিকার রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার পরিবর্তে রেলওয়ে ঘুষ কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশে ক্ষুব্ধ হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যে বিষোদগার করেছেন তা গণতন্ত্রের অপরিহার্য অনুষঙ্গ অবাধ তথ্য প্রবাহের বিরুদ্ধে উপহাসমূলক অবস্থানের শামিল।”
স্বাধীন গণমাধ্যম তথা গণতান্ত্রিক আচরণের পরিপন্থি অবস্থান না নেয়ার জন্য সুরঞ্জিত সেনের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।
আরটিভির সিনিয়র প্রতিবেদক বায়েজিদ আহমেদ হুমকির শিকার হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে সহায়ক তথ্য প্রকাশ করার কারণে এ ধরনের হুমকির সম্মুখীন হওয়ার ফলে সরকারের প্রতি সংবাদমাধ্যম তথা জনগণের আস্থাহীনতা বাড়বে।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি বায়েজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভিতে এক সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য ফাঁস করেন সাবেক রেলমন্ত্রীর এপিএস ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খান। এর প্রতিক্রিয়া জানাতে গত বুধবার সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি এ ঘটনাকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন। এছাড়া তিনি মিডিয়া মালিকদের সমালোচনাও করেন।
প্রসঙ্গত, গত ৯ এপ্রিল রাতে এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়ার ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তৎকালীন রেলমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ১৬ এপ্রিল ব্যক্তিগত সহকারীর ‘অর্থ কেলেঙ্কারির’ দায় নিজের কাঁধে নিয়ে রেলমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে দুদক তদন্তে সুরঞ্জিতকে নির্দোষ প্রমাণ করে।