রামু, উখিয়া ও পটিয়ায় বৌদ্ধ বসতি ও মন্দিরে হামলার মতো গুরুতর বিষয়টিকে
সরকার রাজনৈতিক রঙে রঞ্জিত করে ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ
করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, ‘‘সরকারের এই অপচেষ্টা আগুন নিয়ে খেলার শামিল । তাই এটা বন্ধ করে অবিলম্বে একটি বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’’
শনিবার খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পরও বাংলাদেশের জনগণ এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে জানতে পারেনি। এ অবস্থায় আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।’’
তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে একটি বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘‘আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই সংখ্যালঘুদের জান, মাল ও উপাসনালয়ের ওপর কোনো প্রকার হুমকি বা ক্ষতিসাধন বরদাশত করতে পারি না। সকল প্রকার ধর্মীয় ও নৃ-গোষ্ঠীগত উগ্রতার আমরা তীব্র নিন্দা করি এবং ধর্ম, নৃ-গোষ্ঠী বা জাতিগত ভিন্নতাকে হীন সাম্প্রদায়িক স্বার্থে ব্যবহার করার অপপ্রয়াস আমাদের প্রতিহত করতেই হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমাদের বুঝতে হবে যে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষার মধ্য দিয়েই কেবল আমরা আমাদের ঐক্য ও শক্তি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হবো। বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার ক্ষেত্রেও যা অত্যন্ত জরুরি।’’
তিনি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যাতে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে না ঘটে। কেউ এ ধরণের ঘটনা ঘটাবার দুঃসাহস না করে সে জন্য দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহবান তিনি।
তিনি বলেন, ‘‘ আমাদের প্রমাণ করতে হবে জাতি-ধর্ম-গোষ্ঠী নির্বিশেষে আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশী এবং এই দেশের নাগরিক।’’
খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘‘দেশে-বিদেশে বাংলাদেশীরা এই ঘটনায় যেমন উদ্বিগ্ন, তেমনি এই জঘন্য হামলার ঘটনা বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের মাথা হেট করে দিয়েছে। এই ঘটনার ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় বন্ধুদেশগুলো বিব্রত এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে।’’
এইভাবে অপরাধ ও অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয়ার কারণে বাংলাদেশের সমাজ ও জনগণের প্রতি প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়ে চলেছে তা উপমহাদেশে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে জবাবদিহি করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, ‘‘সরকারের এই অপচেষ্টা আগুন নিয়ে খেলার শামিল । তাই এটা বন্ধ করে অবিলম্বে একটি বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’’
শনিবার খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পরও বাংলাদেশের জনগণ এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে জানতে পারেনি। এ অবস্থায় আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।’’
তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে একটি বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘‘আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই সংখ্যালঘুদের জান, মাল ও উপাসনালয়ের ওপর কোনো প্রকার হুমকি বা ক্ষতিসাধন বরদাশত করতে পারি না। সকল প্রকার ধর্মীয় ও নৃ-গোষ্ঠীগত উগ্রতার আমরা তীব্র নিন্দা করি এবং ধর্ম, নৃ-গোষ্ঠী বা জাতিগত ভিন্নতাকে হীন সাম্প্রদায়িক স্বার্থে ব্যবহার করার অপপ্রয়াস আমাদের প্রতিহত করতেই হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমাদের বুঝতে হবে যে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষার মধ্য দিয়েই কেবল আমরা আমাদের ঐক্য ও শক্তি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হবো। বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার ক্ষেত্রেও যা অত্যন্ত জরুরি।’’
তিনি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যাতে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে না ঘটে। কেউ এ ধরণের ঘটনা ঘটাবার দুঃসাহস না করে সে জন্য দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহবান তিনি।
তিনি বলেন, ‘‘ আমাদের প্রমাণ করতে হবে জাতি-ধর্ম-গোষ্ঠী নির্বিশেষে আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশী এবং এই দেশের নাগরিক।’’
খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘‘দেশে-বিদেশে বাংলাদেশীরা এই ঘটনায় যেমন উদ্বিগ্ন, তেমনি এই জঘন্য হামলার ঘটনা বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের মাথা হেট করে দিয়েছে। এই ঘটনার ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় বন্ধুদেশগুলো বিব্রত এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে।’’
এইভাবে অপরাধ ও অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয়ার কারণে বাংলাদেশের সমাজ ও জনগণের প্রতি প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়ে চলেছে তা উপমহাদেশে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে জবাবদিহি করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খালেদা জিয়া।
No comments:
Post a Comment