বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, “পুরো সরকার
যখন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত তখন প্রধানমন্ত্রীর মুখে অন্যের বিরুদ্ধে
দুর্নীতির অভিযোগ শোভা পায় না।”
শনিবার দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘প্রবীণ সাংবাদিক আতাউস সামাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই মরহুম মেজর অব. সাঈদ এস্কান্দারের স্মরণে’ জিয়া পরিষদ আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ কথা বলেন।
শুক্রবার সকালে বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওইদিন বিকেলে এক অনুষ্ঠানে মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে প্রতিবেদনের গ্রহযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তার এ বক্তব্যের জবাবে শনিবার মওদুদ এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মওদুদ আহমদ বলেন, “ভুলে যাবেন না, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আপনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ১৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আপনিও দীর্ঘ ১১ মাস জেলে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এখন আপনি নিজের মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।”
তিনি বলেন, “এসব মামলায় আপনার বিচার ও সাজা হলে ১০৮ বছরের জেল হতো।”
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাকে প্রতারক বললেও আমি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যাবাদী ও প্রতারক বলে অপমান করতে চাই না। তবে তার ভাষা ব্যবহারে সংযত হওয়া উচিত। আমরা একজন আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন প্রধানমন্ত্রী চাই।”
মওদুদ আরো বলেন, “বিশ্বব্যাংক আপনার সরকারকে বিশ্বচোর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। আপনারা পদ্মা সেতু, ডেসটিনি, হলমার্ক, রেলসহ কোনো দুর্নীতি থেকেই ছাড় পাবে না। আপনারা বিচার না করলেও আমরা বিচার ভবিষ্যতে বিচার করব।”
রামুর ঘটনায় বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও সমালোচনা করে তিনি বলেন, “রামুর ঘটনায় আমরা একটা নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করে সত্য ঘটনা তুলে ধরতে চেয়েছি, প্রতিবেদনেও সত্য কথা বলেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাতে মনে হয় আমরা সত্যি কথাই বলেছি।”
মওদুদ আরো বলেন, “প্রতিবেদনের কোনো বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আক্রমণ করেছেন। এটা আওয়ামী লীগের চরিত্র।”
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জিয়া পরিষদের সভাপতি কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান, এ কে এম মনসুর, অ্যাডভোকেট দেওয়ান মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, আবদুল্লাহিল মাসুদ ও ডা. মাজহারুল আল।
শনিবার দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘প্রবীণ সাংবাদিক আতাউস সামাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই মরহুম মেজর অব. সাঈদ এস্কান্দারের স্মরণে’ জিয়া পরিষদ আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ কথা বলেন।
শুক্রবার সকালে বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওইদিন বিকেলে এক অনুষ্ঠানে মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে প্রতিবেদনের গ্রহযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তার এ বক্তব্যের জবাবে শনিবার মওদুদ এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মওদুদ আহমদ বলেন, “ভুলে যাবেন না, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আপনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ১৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আপনিও দীর্ঘ ১১ মাস জেলে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এখন আপনি নিজের মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।”
তিনি বলেন, “এসব মামলায় আপনার বিচার ও সাজা হলে ১০৮ বছরের জেল হতো।”
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাকে প্রতারক বললেও আমি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যাবাদী ও প্রতারক বলে অপমান করতে চাই না। তবে তার ভাষা ব্যবহারে সংযত হওয়া উচিত। আমরা একজন আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন প্রধানমন্ত্রী চাই।”
মওদুদ আরো বলেন, “বিশ্বব্যাংক আপনার সরকারকে বিশ্বচোর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। আপনারা পদ্মা সেতু, ডেসটিনি, হলমার্ক, রেলসহ কোনো দুর্নীতি থেকেই ছাড় পাবে না। আপনারা বিচার না করলেও আমরা বিচার ভবিষ্যতে বিচার করব।”
রামুর ঘটনায় বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও সমালোচনা করে তিনি বলেন, “রামুর ঘটনায় আমরা একটা নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করে সত্য ঘটনা তুলে ধরতে চেয়েছি, প্রতিবেদনেও সত্য কথা বলেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাতে মনে হয় আমরা সত্যি কথাই বলেছি।”
মওদুদ আরো বলেন, “প্রতিবেদনের কোনো বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আক্রমণ করেছেন। এটা আওয়ামী লীগের চরিত্র।”
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জিয়া পরিষদের সভাপতি কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান, এ কে এম মনসুর, অ্যাডভোকেট দেওয়ান মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, আবদুল্লাহিল মাসুদ ও ডা. মাজহারুল আল।
No comments:
Post a Comment