কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, ‘‘সরকার সত্যকে ভয় পায়। রামুর
ঘটনায় সত্যকে ধামাচাপা দেয়া হতে পারে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সরকারকেই
আমাদের এই আশঙ্কা ভুল প্রমাণ করতে হবে। অতীতের সরকারগুলোও সত্যকে ভয়
পেয়েছে। তাই এই ঘটনা বর্তমান সরকারের জন্য চরম পরীক্ষা।’’
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে রামু, উখিয়া এবং পটিয়ার ঘটনায় নাগরিক প্রতিনিধি দলের সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
সৈয়দ মকসুদ বলেন, ‘‘সরকার রামুর ঘটনাকে ধামচাপা অথবা ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করলে আমরা কিন্তু বসে থাকব না। সংখ্যালঘুরা সংখ্যায় কম হতে পারে, কিন্তু তাদের ১০-১২ জনের পেছনে আমরা ১০-১২ কোটি মানুষ আছি। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে দ্বিতীয়বারও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।’’
গত ২৯-৩১ সেপ্টেম্বর রামু, উখিয়া এবং পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার, হিন্দু মন্দির ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বসতবাড়িতে হামলা হয়। ঘটনা সরজমিনে দেখতে গত ৬ ও ৭ অক্টোবর সেখানে ১৫ সদস্যের নাগরিক প্রতিনিধি দল যায়। সফর শেষে তাদের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘‘রামু, উখিয়া এবং পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার, হিন্দু মন্দির ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বসতবাড়িতে যে হামলা চালানো হয়েছে তা ছিল পরিকল্পিত। এই সহিংসতার জন্য দায়ী উগ্র মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি। তারা সুকৌশলে ধমার্ন্ধতাকে উস্কে দিয়েছে আর জামায়াত, রোহিঙ্গা, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ধর্মান্ধ জনতা এই কাজ করেছে।’’
হামলার ঘটনায় সরকার ও প্রশাসনের সমালোচনা করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এই হামলা আতর্কিত ছিল না। ট্রাক ভর্তি দুর্বৃত্তরা এসে আগে থেকেই এর পরিকল্পনা করেছিল। তারা মটিং মিছিল ও মাইকিং করে সেখানে লোক জমায়েত করেছিল। কিন্তু তারপরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন ছিল নিরব। এখন আবার রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি দোষারোপের ফলে আসল ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়া হচ্ছে।’’
এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকাররে প্রতি দাবি জানায় নাগরিক কমিটি ।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিত ছিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্ট্রি তারিক আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যনালয়ের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৈস, আইইডি’র নির্বাহী পরিচালক নুমান আহমেদ, প্রকৌশলী সরদার আমিন ও আদিবাসি অধিকার আন্দোলনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নীলুফার বানু ।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে রামু, উখিয়া এবং পটিয়ার ঘটনায় নাগরিক প্রতিনিধি দলের সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
সৈয়দ মকসুদ বলেন, ‘‘সরকার রামুর ঘটনাকে ধামচাপা অথবা ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করলে আমরা কিন্তু বসে থাকব না। সংখ্যালঘুরা সংখ্যায় কম হতে পারে, কিন্তু তাদের ১০-১২ জনের পেছনে আমরা ১০-১২ কোটি মানুষ আছি। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে দ্বিতীয়বারও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।’’
গত ২৯-৩১ সেপ্টেম্বর রামু, উখিয়া এবং পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার, হিন্দু মন্দির ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বসতবাড়িতে হামলা হয়। ঘটনা সরজমিনে দেখতে গত ৬ ও ৭ অক্টোবর সেখানে ১৫ সদস্যের নাগরিক প্রতিনিধি দল যায়। সফর শেষে তাদের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘‘রামু, উখিয়া এবং পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার, হিন্দু মন্দির ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বসতবাড়িতে যে হামলা চালানো হয়েছে তা ছিল পরিকল্পিত। এই সহিংসতার জন্য দায়ী উগ্র মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি। তারা সুকৌশলে ধমার্ন্ধতাকে উস্কে দিয়েছে আর জামায়াত, রোহিঙ্গা, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ধর্মান্ধ জনতা এই কাজ করেছে।’’
হামলার ঘটনায় সরকার ও প্রশাসনের সমালোচনা করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এই হামলা আতর্কিত ছিল না। ট্রাক ভর্তি দুর্বৃত্তরা এসে আগে থেকেই এর পরিকল্পনা করেছিল। তারা মটিং মিছিল ও মাইকিং করে সেখানে লোক জমায়েত করেছিল। কিন্তু তারপরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন ছিল নিরব। এখন আবার রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি দোষারোপের ফলে আসল ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়া হচ্ছে।’’
এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকাররে প্রতি দাবি জানায় নাগরিক কমিটি ।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিত ছিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্ট্রি তারিক আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যনালয়ের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৈস, আইইডি’র নির্বাহী পরিচালক নুমান আহমেদ, প্রকৌশলী সরদার আমিন ও আদিবাসি অধিকার আন্দোলনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নীলুফার বানু ।
No comments:
Post a Comment