বর্তমান সরকারের দুই বছরে ঢাকা শহরে সাতটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের
অনুমোদন দেয়ার যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি।
একই সাথে বেসরকারিভাবে স্থাপিত এসব হাসপাতালের জায়গা ও রোগীদের সেবা প্রদানের সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে আগামী বৈঠকে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
তবে এসব মেডিকেল কলেজের অনুমোদন ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৯তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির, মোহাম্মদ আমানউল্লাহ, আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ এম. এ. মান্নান, নাজমুল হাসান, মোঃ মুরাদ হাসানও জেড.আই.এম. মোসত্মফা আলী। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মুহম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বর্তমান সরকারের আমলে কতগুলো নতুন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি অনুমোদন দেয়া হয়েছে তার তালিকা উপস্থাপন ও আলোচনা হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য নাজমুল হাসানকে আহবায়ক করে গঠিত ৩নং সাব-কমিটির সুপারিশকৃত ৬২টি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি বাতিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং হালনাগাদ অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়। ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি বাতিল সম্পর্কে সংসদীয় সাব-কমিটির সুপারিশ যথাযথ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
সাব-কমিটি’র সুপারিশ উপেক্ষা করে যে কয়েকটি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানিকে সুযোগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে সেগুলোকে কিসের ভিত্তিতে সুযোগ দেয়া হলো তা উল্লেখপূর্বক আগামী বৈঠকে কমিটিতে প্রতিবেদন দাখিলের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে ইডিসিএল (Essential Drugs Company Ltd.) এর বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জনবল নিয়োগ, ঔষধ তৈরীর কাচাঁমাল ও আনুষঙ্গিক ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রণালয় কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর আলোচনা হয়।
একই সাথে বেসরকারিভাবে স্থাপিত এসব হাসপাতালের জায়গা ও রোগীদের সেবা প্রদানের সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে আগামী বৈঠকে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
তবে এসব মেডিকেল কলেজের অনুমোদন ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৯তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির, মোহাম্মদ আমানউল্লাহ, আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ এম. এ. মান্নান, নাজমুল হাসান, মোঃ মুরাদ হাসানও জেড.আই.এম. মোসত্মফা আলী। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মুহম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বর্তমান সরকারের আমলে কতগুলো নতুন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি অনুমোদন দেয়া হয়েছে তার তালিকা উপস্থাপন ও আলোচনা হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য নাজমুল হাসানকে আহবায়ক করে গঠিত ৩নং সাব-কমিটির সুপারিশকৃত ৬২টি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি বাতিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং হালনাগাদ অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়। ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি বাতিল সম্পর্কে সংসদীয় সাব-কমিটির সুপারিশ যথাযথ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
সাব-কমিটি’র সুপারিশ উপেক্ষা করে যে কয়েকটি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানিকে সুযোগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে সেগুলোকে কিসের ভিত্তিতে সুযোগ দেয়া হলো তা উল্লেখপূর্বক আগামী বৈঠকে কমিটিতে প্রতিবেদন দাখিলের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে ইডিসিএল (Essential Drugs Company Ltd.) এর বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জনবল নিয়োগ, ঔষধ তৈরীর কাচাঁমাল ও আনুষঙ্গিক ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রণালয় কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর আলোচনা হয়।
No comments:
Post a Comment