Pages

Wednesday, October 17, 2012

মুসলমানদের বাদ দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মুসলমানদের বাদ দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ১৫০ কোটি মুসলমান বাদ দিয়ে স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ২৬ তম সমাবর্তনে তিনি এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, “পৃথিবীতে স্থায়ী শান্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ১৫০ কোটি মুসলমানের জীবনপ্রণালী এবং তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে কোনো স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।”

মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে উন্নত বিশ্বের ন্যায় বিচারের সম্পর্ক স্থাপনে ওআইসিভুক্ত ৫৭টি দেশের ভাতৃত্বের বন্ধন বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলেও তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের ফলে গোটা বিশ্ব, বিশেষ করে উন্নত বিশ্ব বুঝতে পেরেছে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন অত্যন্ত জরুরি।”

এছাড়া ওআইসিভুক্ত দেশগুলো এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে গভীর ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার বন্ধনে আবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, “বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য আমাদের অন্যতম কর্তব্য হচ্ছে অন্যের প্রয়োজনের প্রতি দৃষ্টি দেয়া এবং ন্যায় বিচার এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমঝোতা ও স্বার্থতার মানসিকতা গড়ে তোলা। তবে আমরা আমাদের প্রজন্মের জন্য এবটি সুন্দর, শান্তিময়, উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলতে পারবো।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সবশেষে এ বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি। সেইসঙ্গে সনদপ্রাপ্ত গ্রেজুয়েটদের কর্ম জীবন উজ্জ্বল হোক, সফল হোক সেই দোয়া করি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে।”

স্নাতক ডিগ্রিপ্রাপ্তির শিক্ষা পেশাগত জীবনে একাগ্রতার সঙ্গে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে সকাল ১০টায় গাজীপুরের আইইউটি ক্যম্পাসে পৌঁছান তিনি। সেখানে ১৫টি দেশের ৩০০ জন শিক্ষার্থীর যোগ দেয়া এ সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী সমাবর্তনে কৃতি শিক্ষার্থীদের পদক পরিয়ে দেন।

তবে বেসরকারি কোনো গণমাধ্যমকে প্রবেশ করতে না দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করতে পারেননি গনমাধ্যমকর্মীরা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বেসরকারি গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হয় শুধু সরকারি গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ ধারণ করবে। বেসরকারি গণমাধ্যম চাইলে তাদের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে।
আর প্রেস উইং এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও অনির্দিষ্টকালের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

কুরবানির ঈদ ২৭ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কুরবানির ঈদ ২৭ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দেশের কোথাও মঙ্গলবার হিজরি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী ২৭ অক্টোবর ঈদুল আজহা (কুরবানির ঈদ) উদযাপিত হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
 
১৪৩৩ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা শেষে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুখপাত্র বিল্লাল বিন কাশেম, কোনো স্থান থেকে জিলহজের চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, কাজেই বৃহস্পতিবার থেকে জিলহজ মাস শুরু হবে।
 
সে অনুযায়ী ১০ জিলহজ অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর দেশে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পালন করবেন মুসলমানরা।  এই ঈদে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভই ইসলামের শিক্ষা।
 
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম সচিব কাজী হাবিবুল আওয়াল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিবসহ কমিটির সদস্যরা বৈঠকে ছিলেন বলে জানিয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল।
 
এদিকে এবার সৌদি আরবে ঈদুল আজহা ২৬ অক্টোবর (শুক্রবার) হবে বলে দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের হাজিরা ওই দিন মক্কায় ঈদুল আজহা উদযাপনের মাধ্যমে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন। হাজিরা বৃহস্পতিবার আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন।

টিআইবি প্রতিবেদনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন স্পিকারের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

টিআইবি প্রতিবেদনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন স্পিকারের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় সংসদের তিনশ নির্বাচিত সংসদ সদস্যের মধ্যে মাত্র নয়জন ভালো। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক এ প্রতিবেদন কতটা যৌক্তিক তা জানতে চেয়েছেন সংসদের স্পিকার আব্দুল হামিদ।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের মন্ত্রী হোস্টেলের সামনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি টিআইবির কাছে এ প্রশ্ন ছুড়ে দেন।

তিনি বলেন, ‘‘পুরো প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে সংসদ সদস্যদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ৪২ জেলার ৬০০ লোকের সঙ্গে কথা বলে টিআইবির করা প্রতিবেদন যৌক্তিক নয়। ১৬ কোটি মানুষের দেশে ৬০০ লোকের লোকের সাক্ষাৎকার নিয়ে করা একটি প্রতিবেদন কখনো যৌক্তিক হতে পারে না।’’

এ ৬০০ লোক টিআইবির কিনা প্রতিষ্ঠানটির কাছে তাও জানতে চেয়েছেন তিনি।

দেশের সব সমস্যার জন্য সংসদ সদস্যরাই দায়ী বলে টিআইবি তার প্রতিবেদনে যে বক্তব্য দিয়েছে, তা সত্যি হলে দেশের মানুষ অবশ্যই তাদের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করত বলেও মত দেন স্পিকার।

জানা গেছে, সংসদ ভবন এলাকায় মোট ২৯ প্রজাতির ঔষধি, বনজ, ফলজ, বিরল ও দেশীয় ১২০০ প্রজাতির গাছ লাগানো হবে।

পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে এবং জাতীয় সংসদের স্থাপত্যশৈলীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে এ বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। রোপণকৃত গাছগুলো বড় হওয়ার সাথে সাথে সংসদ ভবন এলাকা আরো বেশি পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে  বলেও মত দেন স্পিকার।

এ সময় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ মাহ্ফুজুর রহমান ও স্পিকারের একান্ত সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীনসহ  সংসদের সংশ্লিষ্ট  কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tuesday, October 16, 2012

মালালাকে বৃটেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, অবস্থা সংকটাপন্ন

মালালাকে বৃটেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, অবস্থা সংকটাপন্ন
পাকিস্তানে তালেবানের গুলিতে আহত নারীশিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফজাইকে (১৪) চিকিত্সার জন্য বৃটেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দেশটির সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও বিবিসি উর্দু এ খবর দিয়েছে।
 
বিবিসি উর্দু জানিয়েছে, সোমবার সকালে আরব-আমিরাতের একটি বিশেষ বিমান মালালাকে নিয়ে বৃটেনের উদ্দেশে রওয়ানা করে। তার চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করছে পাকিস্তান সরকার। চিকিৎসক বোর্ডের পরামর্শে এবং মালালা মা-বাবার সম্মতিতেই তাকে বৃটেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন পিটিভি।

এদিকে, মালালার অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল ও সেনাবাহিনী পরস্পরবিরোধী তথ্য দিয়েছে। মালালার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে রাওয়ালপিন্ডি সামরিক হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে। অপরদিকে তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে দাবি করেছে সেনাবাহিনী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, পরবর্তী ১২ ঘণ্টা মালালার জন্য সংকটপূর্ণ। তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তিনি বলেন, “মালালার মুখ ও মাথা অনেক ফুলে গেছে। তার মুখের বর্ণ কালচে হয়ে গেছে। পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র সরিয়ে নেয়া হতে পারে।”

৯ অক্টোবর রাজধানী ইসলামাবাদের উত্তর-পশ্চিমে সোয়াত উপত্যকার মিংগোরা শহরে স্কুলবাসে উঠে মালালাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। একটি গুলি তার মাথায় বিদ্ধ হয়। তালেবান এ হামলার দায়দায়িত্ব স্বীকার করেছে।

সোয়াত উপত্যকায় নিজের জীবন যাপন নিয়ে ২০০৯ সালে বিবিসি উর্দুতে লেখালেখির সুবাদে সবার নজরে আসে মালালা। জঙ্গিরা ২০০৭ সালে ওই উপত্যকা দখলে নেয়ার পর মেয়েদের বিদ্যালয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। মালালা এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ায়।

সূর্য থেকে পানি পেয়ে টইটুম্বুর চাঁদ

সূর্য থেকে পানি পেয়ে টইটুম্বুর চাঁদ
  সূর্য থেকে পানি পেয়ে রীতিমতো টইটুম্বুর চাঁদ। পৃথিবীর পড়শিকে সৃষ্টির আদি থেকে পানি যুগিয়ে যাচ্ছে সোলার উইন্ড। চাঞ্চল্যকর এই দাবি মার্কিন মুলুকের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের। তাদের আরও দাবি, পানির পরিমাণ এতটাই যে, তাতে নাকি প্রয়োজন মিটবে ভবিষ্যতে চাঁদে উঁকিঝুঁকি দেয়া অভিযাত্রীদের।

গবেষকরা বলছেন, চাঁদের মাটির একটা অংশ রীতিমতো জলসিক্ত। গত পাঁচ বছর ধরে মহাকাশযান পর্যবেক্ষণ এবং অ্যাপোলোর পরীক্ষাগারে নিরন্তর গবেষণা এ বিষয়ে তথ্য যুগিয়েছিল আগেই। এবার এলো আরও চমকপ্রদ ফল।

গবেষকরা বলছেন, চাঁদের মাটির এই জলসিক্ততার জন্য দায়ী নাকি সূর্য! চাঁদের মাটি পর্যন্ত পৌঁছে যায় যে সোলার উইন্ড, তার ভিতরে থাকা আয়নিত হাইড্রোজেন চাঁদের মাটির উপরে থাকা অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে তৈরি করছে এই রসসিক্ততা।
চাঁদের মাটি জুড়ে জলীয় পদার্থের আধিক্য। শুধু তাই নয়, চাঁদ জুড়ে বেশ কয়েক মিটার গভীর পর্যন্ত গেছে এই সিক্ত মাটি। এতটা ব্যাপক তার আয়তন যে, বিজ্ঞানীরা এখন ভাবছেন, ভবিষ্যতে চাঁদে মানুষ পাঠালে তাদের প্রয়োজনও মেটাতে পারে চন্দ্রপৃষ্ঠের এই সিক্ততা।

এই গবেষণা চাঁদে পানির উত্স নিয়ে বেশ কয়েক বছর আগের মীমাংসা না হওয়া প্রশ্নের উত্তর দিল বলে মনে করছেন বিজ্ঞানী মহল। সেসব হিসাব ছেড়ে আপাতত মার্কিন মুলুকের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়, টেনেসে বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা তাদের নবলব্ধ গবেষণার ফল নিয়ে রীতিমতো উত্তেজিত। সূত্র: ওয়েবসাইট।

রকিং বাপ্পিদা, শকিং ডিস্কো

রকিং বাপ্পিদা, শকিং ডিস্কো
 সেই সময় থেকে এই সময়, বাপ্পি লাহিড়ির গানের ঝিঙ্কু মেলোডিতে আবালবৃদ্ধবনিতাই কোমর নাচিয়েছেন, কিম্বা ভিড়ের মাঝেই লুকিয়ে পায়ে পায়ে তাল মিলিয়ে শরীরটাকে যে একটু দুলিয়েছেন- এই ব্যাপারটায় নিঃসন্দেহ হওয়াই যায়। বাপ্পিদার গান যে শ্রোতাদের প্রাণ- তা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না! আর হবে নাই বা কেন! ‘টাম্মা টাম্মা লোগে’, ‘বোম্বাই’ ‘ নগরিয়া’-র মতো পুরনো গানের পাশাপাশিই দা ডার্টি পিকচারের ‘উলালা উ লা লা’ গান দিয়ে সমানভাবে ক্রাউড পুল করতে পারেন যিনি, তাকে উপেক্ষা করা যায়?

তো, সেই বাপ্পি লাহিড়ি এবারে দর্শক ও শ্রোতাদের আরও কাছ থেকে ধরা দেবেন। মানে? মানে- এবার আর শুধুই গানে গানে থেমে থাকছেন না বাপ্পিদা। সময় আর যুগের চাহিদা মেনে একেবারে রুপোলি পর্দায় খুব শীঘ্রই দেখা যাবে ডিস্কো কিং মুম্বই সেনসেশন বাপ্পি লাহিড়িকে। হ্যাঁ, খবরটা ১০০% সত্যিই! তবে আর বলছি কী... সদ্য সিনেমা জগতের সঙ্গে পরিচিত হওয়া প্রযোজক ধূমকেতু পুনাতারের প্রযোজনায় তৈরি হচ্ছে ‘ইটস্ রকিং দর্দে ডিস্কো’। পুনাতারের কথায় জানা যায়- ডিস্কো গানের প্রতি ভালোবাসা ও বাপ্পিদার জন্য শ্রদ্ধাই তাকে ছবিটি করতে উৎসাহিত করেছে।

সত্যি কথা কী, মিউজিক ইন্ড্রাস্ট্রিতে প্রায় ৪০ বছর কাটিয়ে ফেললেও এই প্রথম তিনি আসছেন দর্শকদের একেবারে সামনে। অথচ গায়ক-গায়িকা-বাজিয়ে ছবিতে অভিনয় করছেন- এরকম দৃষ্টান্ত বিরল নয়। আশা ভোঁসলে ইতিমধ্যেই একটি মরাঠি ছবিতে অভিনয় করে ফেলেছেন; ছবির নাম ‘আঈ’। আবার ‘সাজ’ ছবিতে আরডি বর্মণের ছায়া অবলম্বনে তৈরি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন উস্তাদ জাকির হুসেন। কিছু দেরি হলেও শেষমেশ বাপ্পিদা চলেই এলেন অভিনয়ে। এর আগে অবশ্য হাল্কা করে অভিনয়ের একটা প্রোমো আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন বাপ্পিদা; তার ‘বোকা চোর’ মিউজিক ভিডিওয়। যাই হোক, ছবিটিতে ডিস্কো কিং হিসেবে বাপ্পিদাকে দেখতে পাওয়ার পাশাপাশি উপরি বোনাস স্বরূপ দর্শক পাবেন টলিউড হার্টথ্রব ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকেও। এছাড়াও ছবিতে অভিনয় করছেন ‘লাকি’ ছবিতে সলমন খান-এর নায়িকা চরিত্রে বিখ্যাত স্নেহা উল্লাল, শরদ সাক্সেনা, শক্তি কাপূর, উপাসনা সিংহ, আসরানি, অরুন বক্সি, আর্যমান রামসে এবং অক্ষয় কাপূরের মতো বিখ্যাত অভিনেতারাও।

তা, ছবির গল্পটা এবার বলে দেয়া যাক ছোট্ট করে! বাবার ফুলের ব্যবসার দেখাশোনা করে জীবনে একটা দারুণ একঘেয়েমি চলে এলেও দুই ভাই র্যাম্বো আর রকি নিজেদের স্বপ্নের নাইট ক্লাব ‘দরদে ডিস্কো’ বানানোর বিলাসিতা করে যেতেই থাকে। এরপরেই চেনা বলিউডি ড্রামা স্টাইলে তাদের প্রিয় আইডল ডি কে (ডিস্কো কিং) বাপ্পি লাহিড়িকে কিডন্যাপ করে নেয় এক ভিলেন এবং প্রেমিকা ঋতুপর্ণা ও স্নেহার সাহায্যে তারা ফিরিয়ে আনে অবশেষে বাপ্পিদাকে। চেনা কথার মাঝেই অচেনা ধাঁচের মিউজিক কমেডির ছবি বলিউডে খুব একটা নেই- ফলে প্রযোজক ধূমকেতু আশা করতেই পারেন দর্শকদের কাছ থেকে প্রবল সাপোর্ট ও শুভেচ্ছা পাওয়ার! সূত্র: ওয়েবসাইট।

আজ থেকে চার দিনব্যাপী ‘লালন উৎসব’

আজ থেকে চার দিনব্যাপী ‘লালন উৎসব’
 লালন সাঁইয়ের ১২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী 'লালন উৎসব-২০১২’। উৎসব চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।
 
উৎসবের প্রথম তিন দিন থাকছে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা। প্রতিটি প্রদর্শনী শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। সোমবার থাকছে ‘অচিন পাখি’, মঙ্গলবার ‘মনের মানুষ’ ও বুধবার ‘লালন’।
 
উৎসবের শেষ দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

গেট সেট গো...

গেট সেট গো...
 শুরু হয়ে গেল কাউন্টডাউন। ১৬ অক্টোবর মহাবিয়ের জন্য তৈরি বলিউড। তারই প্রথম রাউন্ড অর্থাৎ সাইফ-কারিনার মহাসঙ্গীতে একফালি বলিউড জড়ো হলো এক ছাদের উপরে।
কমলা-হলুদ ঘাগরার সঙ্গে সোনালি জমকালো চোলি। হাতভর্তি গাঢ় সবুজ চুড়ি। গলায় ভারী নেকলেস। মাথায় গজরা। একেবারে খাঁটি ভারতীয় দুলহনের সাজে কারিনা। সঙ্গে একেবারে কারুকাজহীন দুধসাদা বন্ধগলায় সাইফ। বলিউডি ব্রাঞ্জেলিনার প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠানে করিনার বান্দ্রার বাড়ির ছাদে চাঁদের হাট নেমেছিল। বিগ ফ্যাট ওয়েডিংয়ের জমানায় এই প্রথম বোধহয় বলিউড দেখল সত্যিই পারিবারিক পরিসরে সঙ্গীত। কারিশমা কাপুর, রিমা কাপুর, নিতু সিং, সোহা আলি খান, কূণাল খেমু, মণীশ মালহোত্রা, সাইফ কন্যা সারা, সস্ত্রীক সঞ্জয় কাপুর, অমৃতা অরোরা, মালাইকা অরোরার মরতা একদমই ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলো বিয়ের ওয়ার্ম আপ সেশনে।
আগামিকালই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন সাইফিনা।

কুষ্টিয়ায় আগামীকাল থেকে পাঁচ দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব শুরু

কুষ্টিয়ায় আগামীকাল থেকে পাঁচ দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব শুরু
 নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়া কুমারখালীর ছেউড়িয়ায় মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে মরমী সাধক ফকির লালন শাহের ১২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পাঁচদিন ব্যাপী স্মরণোৎসব ও মেলা।
 
ইতিমধ্যেই এখানে সমাগত হয়েছেন অসংখ্য লালন অনুসারী ও ভক্ত। গান, বাউল মেলা, আলোচনা সভা ও সাধুসংঘের মধ্য দিয়ে চলবে এ উৎসব। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফের এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
 
সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও লালন একাডেমির আয়োজনে বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১২২তম মহাপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে নানা আয়োজনে মুখরিত কুষ্টিয়া শহরতলীর কুমারখালীর কোল ঘেষে বয়ে যাওয়া কালীগঙ্গা নদীর তীর। এ নদীর তীরেই ছেউড়িয়ার লালন সমাধি।
 
বাংলা ১২৯৭ সনের ১ কার্তিক ও ইংরেজি ১৭ অক্টোবর ১৮৯০ সালে এখানেই মরমী সাধক লালন শাহ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। দেশের প্রত্যন্ত এলাকা ছাড়াও বিদেশ থেকেও লালন অনুসারীরা এখানে আসেন আত্মীক প্রশান্তি লাভের আশায়।
 
সাঁইজীর ধামে জায়গা করে নিতে এ স্মরণোৎসবকে পুরোপুরি উপভোগ করতে আগে থেকেই এখানে এসেছেন ভক্ত অনুসারীরা। তারা মরমী সাধক লালন শাহ’এর আধ্যাত্মিক দর্শনের কথাও তুলে ধরছেন। এমনটিই উল্লেখ করেন লালন অনুসারী ফকির হৃদয় শাহ।
 
মরমী সাধক বাউল সম্রাট লালন সাঁই বাঙালি চেতনায় এক অবিস্মরণীয় কালপুরুষ। তার গানের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সৃষ্টি রহস্য। সাঁইজীর আধ্যাত্মিকতা, যে সাধনা, তার যে গান সত্য বানী তা পুরোটাই সাধনা নির্ভর।
মঙ্গলবার সকালে লালনের নতুন ম্যুরালে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্য দিয়ে উৎসবের সুচনা হবে। মূল আনুষ্ঠান  শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। অনুষ্ঠানটি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিয়ের উদ্বোধনের কথা রয়েছে।
 
এই পাঁচ দিনের স্মরণোৎসবকে ঘিরে দেশ বিদেশের ভক্ত অনুসারী ও বাউলদের ১২ দিনব্যাপী খাদ্য পরিবেশন, চিকিৎসার পাশাপাশি নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক বনমালী ভৌমিক।
 
বাউল সাধক লালন শাহের অসাম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনার আর্দশিক বিষয় নিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী চলবে আলোচনার পাশাপাশি লালন সঙ্গীত পরিবেশন। আর এ উৎসবকে ঘিরে কালী নদীর তীরে বসানো হয়েছে বাউল মেলা। যেখানে মিলিত হবে দেশ বিদেশের অসংখ্য ভক্ত অনুসারী ও নতুন প্রজন্মের দর্শনার্থীরা।

ঘাড়ের ব্যথায় মালিশ নয়

ঘাড়ের ব্যথায় মালিশ নয়
 ঘাড় এবং মেরুদণ্ডের নিচের অংশে ব্যথায় ভোগেন অনেকেই। ঘাড়ের ব্যথা কমাতে একটি সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে মেরুদণ্ডজুড়ে ধীরে ধীরে চাপ প্রয়োগ করে মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসার চেষ্টা।
 
এ পদ্ধতিতে (স্পাইনাল ম্যানিপুলেশন) মেরুদণ্ডজুড়ে চাপ প্রয়োগ এবং সংলগ্ন মাংসপেশিগুলোক জোরে চাপ দিয়ে দিয়ে মালিশ করা হয়। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, এ পদ্ধতি ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ঘাড়ের ধমনিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।
 
বৃটিশ মেডিকেল জার্নালে এক নিবন্ধে গবেষক নেল ও'কনেল এবং তার সহকর্মীরা লিখেছেন, এ পদ্ধতিতে মালিশ করলে কিছু সময়ের জন্য আরাম পাওয়া যায়, সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না। লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি। এতে স্নায়ুবিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
 
এর চেয়ে বরং নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়ামসহ অন্যান্য পদ্ধতি বেশি কার্যকর। তাদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন অন্য অনেক বিশেষজ্ঞ। সূত্র: বিবিসি

‘ভেজাল খাদ্যর কারণে দেশে প্রতিবন্ধিতা ও বন্ধ্যত্ব বাড়ছে’

‘ভেজাল খাদ্যর কারণে দেশে প্রতিবন্ধিতা ও বন্ধ্যত্ব বাড়ছে’
ভেজাল ও রাসায়নিক বিষযুক্ত খাবার গ্রহণ করার কারণে দেশে প্রতিবন্ধিতা, বন্ধ্যত্বসহ ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও নানা ধরনের অসুখের প্রকোপ বেড়ে চলছে।
 
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বাপা, বি-সেফ ফাউন্ডেশন, হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড এবং প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের যৌথ আয়োজনে ‘নিরাপদ খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে কৃষি  সমবায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এ তথ্য দেন।
 
আলোচনা সভায় তারা বলেন, ভেজাল ও রাসায়নিক খাবার খাওয়ার কারণে দেশের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ প্রতিবন্ধী হচ্ছে, বন্ধ্যা হচ্ছে ৬ শতাংশ দম্পতি। মানুষের মধ্যে ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগ অত্যধিকভাবে লক্ষ করা যাচ্ছে।
 
এছাড়া ইতোমধ্যেই দেশ থেকে ৫৪ প্রজাতির মাছ ও ২০৩ প্রজাতির পাখি বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
তারা আরো বলেন, সংবিধানের ১৫ (ক) ধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হচ্ছে সকল নাগরিকের খাদ্যের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। আবার জাতীয় খাদ্যনীতি ২০০৬-এ বলা হয়েছে, নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যাপ্ত নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করা, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ খাদ্য প্রাপ্তির ক্ষমতা ও সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং নারী ও শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টির বিধান করা। প্রকৃতপক্ষে আমরা কি এগুলো পাচ্ছি? না পেলে আমরা কী খাচ্ছি?
 
আলোচকরা নির্ভেজাল ও ঝুঁকিমুক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের কাছে ১০টি দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি সমবায় গঠন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা প্রদান এবং বিএসটিআইর নীতিমালা যুগোপযোগী করা।
 
বি-সেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. জয়নুল আবেদিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বাপার সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুল মতিন, ভোক্তা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক জাহিদুর রহমান জাহিদ এবং হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ডর কান্ট্রি ডিরেক্টর আতাউর রহমান মিটন।

ফেসবুকে শাওনকে হুমকির অভিযোগে চিকিৎসক আটক

ফেসবুকে শাওনকে হুমকির অভিযোগে চিকিৎসক আটক
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের জন্মদিনে ফেসবুকের মাধ্যমে হুমকি দেয়ার অভিযোগে এক চিকিৎসককে আটক করেছে র‌্যাব।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক এম সোহায়েল জানান, রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকা থেকে এহসানুজ্জামান নামের ওই চিকিৎসককে আটক করা হয়।

তিনি জানান, ১২ জনের একটি ফেসবুক গ্রুপ করে হাসানুজ্জামান ও তার সহযোগীরা শাওনকে হুমকি দেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালান। শাওনের অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে আটক করা হয়েছে।
 
র‌্যাব জানায়, দুপুরে র‌্যাব সদর দফতরে ডাক্তার এহসানুজ্জামানকে হাজির করা হবে। এখানে শাওনও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

বংশালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত

বংশালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত
রাজধানীর বংশালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বংশালের আরমানি টোলার গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের পাশে বিকেল পৌনে ছয়টায় এ ঘটনা ঘটে।


নিহতের নাম রাসেল (৩০। তার পুরো পরিচয় জানা যায়নি।

বংশাল থানার ওসি (তদন্ত) মো. হাসান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, রাসেল পায়ে হেঁটে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় মুখোশ পড়া দুই/তিনজন সন্ত্রাসী তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সে নিহত হয়।

কেন বা কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।

আমলাদের পরিচালনায় শিক্ষার উন্নতি সম্ভব নয়: গয়েশ্বর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আমলাদের পরিচালনায় শিক্ষার উন্নতি সম্ভব নয়: গয়েশ্বর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সরকারের আমলাদের দ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা হলে শিক্ষার উন্নতি কখনো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, ‘‘যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে একজন দক্ষ ও যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা আমলা যদি শিক্ষার দায়িত্ব নেয়, সে ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার মান কোন দিনও বদলাবে না এবং শিক্ষার উন্নতিও সম্ভব নয় ।’’

সোমবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত ‘শিক্ষায় সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য দূরীকরণে চাকুরী জাতীয় করণ অপরিহার্য ’ শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নূর আফরোজ বেগম  জ্যোতির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নির্বাহী চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. ইউনুস হোসেন মোল্লা, ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, মহাসচিব মো. জাহাঙ্গীর খান ও অধ্যক্ষ রফিক আফরোজ প্রমুখ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘‘আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে মেধাবীদের কোন স্থান স্থান হয় না। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ১ম স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে জাতীয়করণ করা হলে তাদের অনেক সুবিধা হবে।’’

এসময় শিক্ষাঙ্গনে নগ্ন রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন,‘ ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রাজনীতির যে নগ্ন অবস্থা এটা জাতীর জন্য কল্যাণকর নয়।’’

আলোচনা সভায় শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে শিক্ষক নেতারা  বলেন, ‘‘স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি সরকারি ৮২৭ প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অপর দিকে ২৮ হাজার বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে দেড় কোটি শিক্ষার্থী পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৮ ভাগ দায়িত্ব নেয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অচন বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সব চেয়ে বেশী বৈষম্যের শিকার হয়।’’

তারা আরো বলেন, ‘‘ শিক্ষকদের বেতন বাবদ সরকারের ব্যায় হয় ৫২১৭ কোটি টাকা, আর ২৭১০ কোটি টাকা হলে চাকুরী জাতীয় করণ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারের সময়পোযুগী সাহসী উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন বক্তরা।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ নূর আফরোজ বেগম জ্যোতি চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে নতুন করে কর্মসূচী ঘোষণা করেন। নতুন কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে- ১৮ অক্টোবর বগুড়া আলতাফুন্নেছা মাঠে শিক্ষক প্রতিনিধিদের প্রতিক অনশন, ১৬ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর বিভাগীয় শহরে সমাবেশ।

এ সময়ের মধ্যে জাতীয়করণের ঘোষণা না আসলে ৭ জানুয়ারী হতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটেরও ঘোষণা দেন তিনি।

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেনকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান করা  হয়েছে। একই সঙ্গে  চার সচিবের দফতর বদল করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন আহমেদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম হোসেনকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়।  একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিবের দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।

গোলাম হোসেনকে এনবিআর চেয়ারম্যান নিয়োগের পর নতুন বাণিজ্য সচিব হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব আহমেদকে রদবদল করা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারীকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ ও বন সচিব মেজবাহ উল আলমকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব আসলাম আলমকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব পদে বদলি করা হয়।

কোনো দলের প্রতি আমাদের বাড়তি টান নেই: সিইসি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কোনো দলের প্রতি আমাদের বাড়তি টান নেই: সিইসি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমাদের কাছে সব দলই সমান। কাজের মধ্য দিয়ে আমরা তা প্রমাণ করব। কোনো দলের প্রতি আমাদের বাড়তি কোনো টান  নেই। আবার কোনো দলের সঙ্গে দূরত্বও নেই। আমরা সবার আস্থা অর্জনে সচেষ্ট রয়েছি।

সোমবার ইসি সচিবালয়ে কমিশনের নির্ধারিত সভা শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কমিশনের সভায় জাতীয় নির্বাচনের আসন সীমানা পুনঃনির্ধারণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, টাঙ্গাইল-৩ আসনের উপনির্বাচন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পর্কে আলোচনা হয়।

বিএনপির সঙ্গে ইসি সংলাপে বসবে কিনা জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘‘আমাদের নজরে সবাই সমান। আমরা অত্যন্ত নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করছি। স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না।’’

জাতীয় সংসদের আসন সীমানা পুনঃর্নিধারণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার ইসির পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে আমরা সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে বসেছি। আমরা সবার পরামর্শ নেব।’’

শর্তপূরণ সাপেক্ষে যে কোনো দল নিবন্ধিত হতে পারে। তবে আগামী নির্বাচনের আগে নিবন্ধনের আবেদন সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নবগঠিত রংপুর সিটি করপোশেন নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে এখানকার ভোটার তালিকা ও আসন সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।’’

বর্তমানে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কার্যক্রম ঠিকমতো পরিচালনা করছে কিনা কমিশন তা খতিয়ে দেখবে বলেও জানান তিনি।

বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে আইনের খসড়া অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে আইনের খসড়া অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তালিকাভুক্তিতে বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে নতুন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।
 
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১২ এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।
 
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, “সংশোধিত আইন কার্যকর হলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জজ পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তাকে বার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে। বিদ্যমান আইনে এ বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। তাই নতুন করে এ আইনে সংশোধন করা হচ্ছে।”
 
সচিব বলেন, “এছাড়া আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি এনরোলমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে, যার চেয়ারম্যান হবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক।”
 
এছাড়া হাই কোর্টের দুইজন বিচারক, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের একজন সদস্য এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
 
তিনি বলেন, “এরমধ্যে হাই কোর্টের দুই বিচারককেও প্রধান বিচারপতি মনোনীত করবেন। বার কাউন্সিলের সভাপতি হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে এই কমিটিতে আসবেন। এছাড়া বার কাউন্সিল অন্য একজন সদস্যকে এনরোলমেন্ট কমিটির জন্য মনোনীত করবেন।”
 
তিনি বলেন,বার কাউন্সিলে এনরোলমেন্ট কমিটিতে ছিলেন মাত্র তিনজন সদস্য। এদের মধ্যে একজন বিচারক এবং বাকিরা বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে মনোনীত।
 
এনরোলমেন্ট কমিটিকে আরো শক্তিশালী করতেই সরকার এ সংশোধন করেছে বলে জানান সচিব। আইনে বার কাউন্সিলকে নিজস্ব প্রয়োজনে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে। তবে এজন্য তাদের আগেই সরকারের অনুমোদন নিতে হবে। আইন পেশার গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকার এ আইনের সংশোধন করছে।
 
সচিব বলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২’-এর খসড়া উপস্থাপন হলেও তা আরো সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজন সংশোধন করে ধর্ম মন্ত্রণালয় এটিকে আবারো মন্ত্রিসভায় তুলবে।”
 
তিনি জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতি বছর ২৬ এপ্রিল বিশ্বে মেধা সম্পদ দিবস পালনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ব মেধা সম্পদ দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কোনো ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হয়নি। এখন এটিকে ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হলো। এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবেই দিবসটি পালন করা হবে।
 
তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভা নাবিকদের সনদ দেয়াসংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অনুসমর্থন দেয়ার প্রস্তাবেও অনুমোদন দেয়া হয়। ১৯৭৮ সালে নেয়া এবং ৮৪ সাল থেকে কার্যকর এ কনভেনশনটি গত ২০১০ সালে সংশোধন হালনাগাদ (রেটিফাই) করা হয়। এ কারণে এ কনভেনশনটিতে আবারো বাংলাদেশের অনুসমর্থনের প্রয়োজন দেখা দেয়।”
 
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “এ কনভেনশনটি অনুসমর্থন নাবিক প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন দেশের জাহাজে বাংলাদেশী নাবিকদের কর্মসংস্থানে সহায়ক হবে।”

নির্বাচনে হেরে কাউন্সিলকে পঙ্গু করা হচ্ছে: বার কাউন্সিল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নির্বাচনে হেরে কাউন্সিলকে পঙ্গু করা হচ্ছে: বার কাউন্সিল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আইনজীবী তালিকাভুক্তিতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের এখতিয়ার খর্ব করে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১২ এর খসড়া অনুমোদন বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন কাউন্সিলের নব নির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এর তালিকাভুক্তকরণ (এনরোলমেন্ট) কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, বার কাউন্সিলকে পঙ্গু করতেই সরকার এই সংশোধনী আনছে। সারা বাংলাদেশে এ জন্য প্রতিবাদের ঝড় উঠবে।

তিনি বলেন, বার কাউন্সিল যদি পঙ্গু করার এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবীদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এটা সরকারের একটা ষড়যন্ত্রের ফসল। সরকার বার কাউন্সিলের নির্বাচনে হেরে গিয়ে এখন ভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১২ এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রস্তাবিত আইনে আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির জন্য কার্যরত এই এনরোলমেন্ট কমিটির গঠনে পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। এই আইনটি জারি হলে সদস্য হিসেবে হাই কোর্ট বিভাগে এখনকার মতো একজন নয়- দুইজন বিচারক থাকবেন, এবং বার কাউন্সিলের দুইজন নয়- একজন সদস্য থাকবেন, যাকে আবার বাছাই করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এতে করে নির্বাচিত বার কাউন্সিলের কোনো এখতিয়ার থাকছে না আইনজীবী তালিকাভুক্তকরণে।

এছাড়া বার কাউন্সিলের সচিব নিয়োগে কাউন্সিলের ক্ষমতাও রদ করা হয়েছে। সংশোধনী প্রস্তাব অনুসারে, একজন জেলা জজ পদমর্যাদার বিচারককে সরকার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

স্বার্থের কিছু নেই, পরীক্ষা কঠিন করা হচ্ছে: অ্যাটর্নি জেনারেল

তবে আইনে এই সংশোধনীর অনুমোদনের বিষয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এর জন্য সরকারকে দোষারোপ করে যারা কথা বলছেন তারা নেহাত অনর্থক বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করছেন।

বার কাউন্সিলের সর্বশেষ নির্বাচনে সরকারপন্থি আইনজীবীরা শোচনীয়ভাবে হারায় আইনজীবী তালিকাভুক্তকরণে কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে; বার কাউন্সিল সদস্যদের এমন  অভিযোগের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, এখানে স্বার্থের কিছু না। পেশাগত মান ঠিক রাখার জন্য এটা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে এখন অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়েছে। অনেকেই এলএলবি (ব্যাচেলর অব ল’) সাটিফিকেট নিয়ে আসছেন। ফলে পরীক্ষা কঠিন করা হচ্ছে যাতে শুধু পয়সা অর্জনের জন্য কেউ এ পেশায় আসতে না পারে।

Monday, October 15, 2012

দুই লাখ ইয়াবার কাঁচামালসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

দুই লাখ ইয়াবার কাঁচামালসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামে ইয়াবা তৈরির  বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল, তৈরী ইয়াবা, ইয়াবা তৈরীর মেশিন, বিপুল পরিমান বিদেশি মুদ্রা, গুলি সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর বাকলিয়া থানার রসুলবাগ আবাসিক এলাকায় শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে  এসব আটক করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী শ্যামল মজুমদার নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার তারেক আহমেদ জানান  অভিযানে উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে  ৫ হাজার ভারতীয় রুপি, এক লাখ ৪০ হাজার টাকার মিয়ানমারের মুদ্রা, ৫টি নাইন এম এম পিস্তলের বুলেট,  প্রায় ৫ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ছাড়াও বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল, ইয়াবা তৈরির মেশিন রয়েছে।

তিনি জানান আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জানান কারখানায় যে পরিমাণ কাচঁমাল  পাওয়া গেছে তা দিয়ে কমপক্ষে  দুই লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরি করা যেত। দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় ইয়াবা তৈরি করে তা চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছিল বলে আটক মাদক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন।

মোবাইল টাওয়ার-বিকিরণে বিপন্ন মৌমাছি ও চড়াই :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মোবাইল টাওয়ার-বিকিরণে বিপন্ন মৌমাছি ও চড়াই :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাড়ির ঘুলঘুলিতে চড়াই আর বাসা বাঁধে না। বাগানে-বাগানে মৌমাছির চাক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ভরা বর্ষায় ব্যাঙের গ্যাঙরগ্যাং ডাক তো প্রায় স্মৃতিকথা। আর সন্ধের মুখে যাদের আনাগোনা দেখতে চোখ অভ্যস্ত ছিল, সেই বাদুড়-চামচিকেরাই বা গেল কোথায়?

এত কাল দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকা এই দৃশ্য ও শব্দগুলো হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা চিহ্নিত করেছেন মোবাইল ফোনের টাওয়ার থেকে বিচ্ছুরিত তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণকে। যার প্রভাবে জীবজগৎ জেরবার হয়ে উঠছে বলে ওদের অভিযোগ। বিশেষত পাখি-পতঙ্গের প্রাণ ওষ্ঠাগত।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, ওই বিকিরণের জেরে পশু-পাখি-পতঙ্গকূলের আচরণ যেমন বদলে যাচ্ছে, তেমন প্রভাব পড়ছে প্রজননে। জীবনশৈলীর সঙ্গে দ্রুত কমছে তাদের সংখ্যা।

সম্প্রতি ভারতে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়, মনুষ্যসৃষ্ট (ম্যানমেড) তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণকে নবতম দূষণ বলা যেতে পারে। স্বল্প মেয়াদে এর তেমন কুপ্রভাব না-থাকলেও দীর্ঘ দিন এর সংস্পর্শে থাকলে খারাপ প্রভাব পড়তে বাধ্য। শুধু মোবাইল ফোনের টাওয়ার নয়, যেকোনো যোগাযোগ (কমিউনিকেশন্স) টাওয়ার থেকে নির্গত রেডিও-তরঙ্গ ও মাইক্রোওয়েভ একত্রিত হয়ে বায়ুমণ্ডলে একটি তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্র (ফিল্ড) তৈরি করে। শীতের সন্ধ্যায় শহরাঞ্চলে কুয়াশার সঙ্গে ধোঁয়া-ধুলো মিশে যে চোখ জ্বালানো দূষণ-চাদরের সৃষ্টি হয়, সেই ধোঁয়াশা বা স্মগের মতো এই ‘ইলেকট্রো-স্মগ’ও এক ধরণের দূষণ বিকিরণের দূষণ। পশু-পাখি-পতঙ্গের জীবনধারণের পক্ষে যা ক্রমশই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে রিপোর্টের দাবি।

পরিস্থিতির আদর্শ উদাহরণ হিসেবে গবেষকেরা বলেছেন চড়াই পাখির কথা। দেশের বিভিন্ন শহর-মফস্বল-গ্রাম-বনাঞ্চলে পক্ষীকূলের উপরে তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের প্রভাব যাচাই করতে গৃহস্থের এই অতি পরিচিত পাখিটি নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিলেন তারা। দেখা যাচ্ছে, মোবাইল টাওয়ার যত বেড়েছে, তত কমেছে চড়াইয়ের সংখ্যা।

উন্নত পশ্চিমী দুনিয়াতেও তা-ই। ইউরোপের অনেক তাবড় শহরে ইদানীং চড়াইয়ের দেখা মেলা ভার। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমীক্ষা উদ্ধৃত করে রহমানি-রিপোর্ট জানাচ্ছে, ১৯৯৪-এ খাস লন্ডন শহরে যত চড়াই ছিল, সেলফোন টাওয়ারের দাপটে এখন তার ৭৫% উধাও! কেন?

রিপোর্টের ব্যাখ্যা, মোবাইল টাওয়ার নির্গত বিকিরণের কবলে পড়ে চড়াই প্রজনন ক্ষমতা হারাচ্ছে। অনেক সময়ে তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে চড়াইয়ের ডিমও ফুটছে না। গবেষকেরা ৫০টি চড়াইয়ের ডিম পরীক্ষামূলক ভাবে ৩০ মিনিট ধরে তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের মধ্যে রেখে দেখেছেন, সব ক’টাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে!

শুধু চড়াই নয়। রিপোর্ট বলছে, যে সব জায়গায় জিএসএম মোবাইল টাওয়ারের সংখ্যা প্রভূত, সেখানে চোখে পড়ার মতো কমছে শালিক, টুনটুনি, বুলবুলি, ময়না, টিয়াও। যেমন স্পেনের ভালাডোলিড শহরে মোবাইল ফোন বেস স্টেশনের কাছাকাছি তললাটে একটা সময়ে অগুন্তি সারস পাখি দেখা যেত। পরবর্তীকালে গবেষকেরা দেখেছেন, বিকিরণের প্রভাবে তাদের প্রজনন বাধা পাচ্ছে। ফলে এখন সারসেও টান।

মোবাইল টাওয়ার বেড়ে যাওয়ায় পতঙ্গকুলের অবস্থাও শোচনীয়। গবেষকরা মৌমাছির উপরে সমীক্ষা চালিয়ে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। বিকিরণের প্রভাবে মৌমাছির মধ্যে একটা অদ্ভুত আচরণ ধরা পড়েছে, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘কলোনি কোল্পাস ডিসঅর্ডার (সিসিসি)।’ সেটা কী?

গবেষকেরা জানিয়েছেন, টাওয়ারের আশপাশের মৌচাক থেকে হঠাৎ কোনো এক দিন কর্মী মৌমাছির দল উধাও হয়ে যাচ্ছে। কারণ, খাবার জোগাড় করতে গিয়ে তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়ছে, মৌচাকে ফেরার পথ চিনতে পারছে না। এবং মাঝপথেই মারা যাচ্ছে।

রিপোর্ট মোতাবেক, গত বছর আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে মৌমাছি প্রতিপালকদের ৬০ শতাংশ মৌচাকে এবং পূর্ব উপকূলের ৭০ শতাংশে এমন ঘটনা ঘটেছে। ভারতেও একইঅবস্থা বলে কমিটির দাবি। তাদের হিসেবে, আগে যেখানে একটি রানি মৌমাছি দিনে গড়ে সাড়ে তিনশো ডিম পাড়ত, এখন তা কমে একশোয় দাঁড়িয়েছে। পরিণামে দ্রুত কমছে মৌমাছির সংখ্যা।

মৌমাছি একটা দৃষ্টান্ত মাত্র। কমিটির মতে, মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের মুখে অন্যান্য পতঙ্গও অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। যার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ, পতঙ্গের সংখ্যা কমলে ফুলের পরাগমিলন ব্যাহত হবে, যার জেরে ফসলের উৎপাদনশীলতা কমতে বাধ্য।

কিন্তু মোবাইল টাওয়ার বাড়লেও মশা-মাছির দাপট তো কমছে না!

ডেঙ্গি-রাজের শিকার নগরবাসীর মনে এই মুহূর্তে প্রশ্নটি জাগা স্বাভাবিক। যার ব্যাখ্যা হিসেবে বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, যোগাযোগ টাওয়ারের বিকিরণের জেরে তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্র যে উচ্চতা তৈরি হয়, মশা বা মাছি সেই উচ্চতায় উড়তে পারে না। সুতরাং বিকিরণের আঁচ তাদের গায়ে লাগছে না। তবে পাখি-পতঙ্গের মতো ইঁদুর, বাদুড়, চামচিকে, বাঙের জীবনযাপনেও যে এই বিকিরণ-দূষণের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সূত্র: ওয়েবসাইট