‘ভেজাল খাদ্যর কারণে দেশে প্রতিবন্ধিতা ও বন্ধ্যত্ব বাড়ছে’
ভেজাল ও রাসায়নিক বিষযুক্ত খাবার গ্রহণ করার কারণে দেশে প্রতিবন্ধিতা,
বন্ধ্যত্বসহ ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও নানা ধরনের অসুখের প্রকোপ বেড়ে
চলছে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিশ্ব খাদ্য দিবস
উপলক্ষে বাপা, বি-সেফ ফাউন্ডেশন, হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড এবং প্রত্যাশা ২০২১
ফোরামের যৌথ আয়োজনে ‘নিরাপদ খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে কৃষি সমবায়’ শীর্ষক
আলোচনা সভায় বক্তারা এ তথ্য দেন।
আলোচনা সভায় তারা বলেন, ভেজাল ও রাসায়নিক খাবার খাওয়ার কারণে দেশের প্রায়
১০ শতাংশ মানুষ প্রতিবন্ধী হচ্ছে, বন্ধ্যা হচ্ছে ৬ শতাংশ দম্পতি। মানুষের
মধ্যে ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগ অত্যধিকভাবে লক্ষ করা
যাচ্ছে।
এছাড়া ইতোমধ্যেই দেশ থেকে ৫৪ প্রজাতির মাছ ও ২০৩ প্রজাতির পাখি বিলুপ্ত হয়েছে।
তারা আরো বলেন, সংবিধানের ১৫ (ক) ধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের মৌলিক
দায়িত্ব হচ্ছে সকল নাগরিকের খাদ্যের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। আবার জাতীয়
খাদ্যনীতি ২০০৬-এ বলা হয়েছে, নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যাপ্ত নিরাপদ ও পুষ্টিকর
খাদ্য সরবরাহ করা, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ খাদ্য প্রাপ্তির ক্ষমতা ও
সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং নারী ও শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টির বিধান করা।
প্রকৃতপক্ষে আমরা কি এগুলো পাচ্ছি? না পেলে আমরা কী খাচ্ছি?
আলোচকরা নির্ভেজাল ও ঝুঁকিমুক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে
সরকারের কাছে ১০টি দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি সমবায় গঠন,
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা প্রদান এবং বিএসটিআইর নীতিমালা
যুগোপযোগী করা।
বি-সেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. জয়নুল আবেদিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য
রাখেন বাপার সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুল মতিন, ভোক্তা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক
জাহিদুর রহমান জাহিদ এবং হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ডর কান্ট্রি ডিরেক্টর আতাউর
রহমান মিটন।
No comments:
Post a Comment