Pages

Tuesday, October 16, 2012

বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে আইনের খসড়া অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে আইনের খসড়া অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তালিকাভুক্তিতে বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে নতুন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।
 
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১২ এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।
 
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, “সংশোধিত আইন কার্যকর হলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জজ পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তাকে বার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে। বিদ্যমান আইনে এ বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। তাই নতুন করে এ আইনে সংশোধন করা হচ্ছে।”
 
সচিব বলেন, “এছাড়া আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি এনরোলমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে, যার চেয়ারম্যান হবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক।”
 
এছাড়া হাই কোর্টের দুইজন বিচারক, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের একজন সদস্য এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
 
তিনি বলেন, “এরমধ্যে হাই কোর্টের দুই বিচারককেও প্রধান বিচারপতি মনোনীত করবেন। বার কাউন্সিলের সভাপতি হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে এই কমিটিতে আসবেন। এছাড়া বার কাউন্সিল অন্য একজন সদস্যকে এনরোলমেন্ট কমিটির জন্য মনোনীত করবেন।”
 
তিনি বলেন,বার কাউন্সিলে এনরোলমেন্ট কমিটিতে ছিলেন মাত্র তিনজন সদস্য। এদের মধ্যে একজন বিচারক এবং বাকিরা বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে মনোনীত।
 
এনরোলমেন্ট কমিটিকে আরো শক্তিশালী করতেই সরকার এ সংশোধন করেছে বলে জানান সচিব। আইনে বার কাউন্সিলকে নিজস্ব প্রয়োজনে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে। তবে এজন্য তাদের আগেই সরকারের অনুমোদন নিতে হবে। আইন পেশার গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকার এ আইনের সংশোধন করছে।
 
সচিব বলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২’-এর খসড়া উপস্থাপন হলেও তা আরো সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজন সংশোধন করে ধর্ম মন্ত্রণালয় এটিকে আবারো মন্ত্রিসভায় তুলবে।”
 
তিনি জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতি বছর ২৬ এপ্রিল বিশ্বে মেধা সম্পদ দিবস পালনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ব মেধা সম্পদ দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কোনো ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হয়নি। এখন এটিকে ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হলো। এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবেই দিবসটি পালন করা হবে।
 
তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভা নাবিকদের সনদ দেয়াসংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অনুসমর্থন দেয়ার প্রস্তাবেও অনুমোদন দেয়া হয়। ১৯৭৮ সালে নেয়া এবং ৮৪ সাল থেকে কার্যকর এ কনভেনশনটি গত ২০১০ সালে সংশোধন হালনাগাদ (রেটিফাই) করা হয়। এ কারণে এ কনভেনশনটিতে আবারো বাংলাদেশের অনুসমর্থনের প্রয়োজন দেখা দেয়।”
 
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “এ কনভেনশনটি অনুসমর্থন নাবিক প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন দেশের জাহাজে বাংলাদেশী নাবিকদের কর্মসংস্থানে সহায়ক হবে।”

No comments:

Post a Comment