সরকারের আমলাদের দ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা হলে শিক্ষার উন্নতি
কখনো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর
চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, ‘‘যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে একজন দক্ষ ও যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা আমলা যদি শিক্ষার দায়িত্ব নেয়, সে ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার মান কোন দিনও বদলাবে না এবং শিক্ষার উন্নতিও সম্ভব নয় ।’’
সোমবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত ‘শিক্ষায় সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য দূরীকরণে চাকুরী জাতীয় করণ অপরিহার্য ’ শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নূর আফরোজ বেগম জ্যোতির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নির্বাহী চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. ইউনুস হোসেন মোল্লা, ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, মহাসচিব মো. জাহাঙ্গীর খান ও অধ্যক্ষ রফিক আফরোজ প্রমুখ।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘‘আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে মেধাবীদের কোন স্থান স্থান হয় না। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ১ম স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে জাতীয়করণ করা হলে তাদের অনেক সুবিধা হবে।’’
এসময় শিক্ষাঙ্গনে নগ্ন রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন,‘ ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রাজনীতির যে নগ্ন অবস্থা এটা জাতীর জন্য কল্যাণকর নয়।’’
আলোচনা সভায় শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে শিক্ষক নেতারা বলেন, ‘‘স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি সরকারি ৮২৭ প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অপর দিকে ২৮ হাজার বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে দেড় কোটি শিক্ষার্থী পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৮ ভাগ দায়িত্ব নেয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অচন বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সব চেয়ে বেশী বৈষম্যের শিকার হয়।’’
তারা আরো বলেন, ‘‘ শিক্ষকদের বেতন বাবদ সরকারের ব্যায় হয় ৫২১৭ কোটি টাকা, আর ২৭১০ কোটি টাকা হলে চাকুরী জাতীয় করণ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারের সময়পোযুগী সাহসী উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন বক্তরা।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ নূর আফরোজ বেগম জ্যোতি চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে নতুন করে কর্মসূচী ঘোষণা করেন। নতুন কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে- ১৮ অক্টোবর বগুড়া আলতাফুন্নেছা মাঠে শিক্ষক প্রতিনিধিদের প্রতিক অনশন, ১৬ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর বিভাগীয় শহরে সমাবেশ।
এ সময়ের মধ্যে জাতীয়করণের ঘোষণা না আসলে ৭ জানুয়ারী হতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটেরও ঘোষণা দেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘‘যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে একজন দক্ষ ও যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা আমলা যদি শিক্ষার দায়িত্ব নেয়, সে ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার মান কোন দিনও বদলাবে না এবং শিক্ষার উন্নতিও সম্ভব নয় ।’’
সোমবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত ‘শিক্ষায় সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য দূরীকরণে চাকুরী জাতীয় করণ অপরিহার্য ’ শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নূর আফরোজ বেগম জ্যোতির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নির্বাহী চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. ইউনুস হোসেন মোল্লা, ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, মহাসচিব মো. জাহাঙ্গীর খান ও অধ্যক্ষ রফিক আফরোজ প্রমুখ।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘‘আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে মেধাবীদের কোন স্থান স্থান হয় না। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ১ম স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে জাতীয়করণ করা হলে তাদের অনেক সুবিধা হবে।’’
এসময় শিক্ষাঙ্গনে নগ্ন রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন,‘ ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রাজনীতির যে নগ্ন অবস্থা এটা জাতীর জন্য কল্যাণকর নয়।’’
আলোচনা সভায় শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে শিক্ষক নেতারা বলেন, ‘‘স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি সরকারি ৮২৭ প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অপর দিকে ২৮ হাজার বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে দেড় কোটি শিক্ষার্থী পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৮ ভাগ দায়িত্ব নেয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অচন বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সব চেয়ে বেশী বৈষম্যের শিকার হয়।’’
তারা আরো বলেন, ‘‘ শিক্ষকদের বেতন বাবদ সরকারের ব্যায় হয় ৫২১৭ কোটি টাকা, আর ২৭১০ কোটি টাকা হলে চাকুরী জাতীয় করণ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারের সময়পোযুগী সাহসী উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন বক্তরা।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ নূর আফরোজ বেগম জ্যোতি চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে নতুন করে কর্মসূচী ঘোষণা করেন। নতুন কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে- ১৮ অক্টোবর বগুড়া আলতাফুন্নেছা মাঠে শিক্ষক প্রতিনিধিদের প্রতিক অনশন, ১৬ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর বিভাগীয় শহরে সমাবেশ।
এ সময়ের মধ্যে জাতীয়করণের ঘোষণা না আসলে ৭ জানুয়ারী হতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটেরও ঘোষণা দেন তিনি।
No comments:
Post a Comment