Pages

Monday, September 10, 2012

মানুষের কারণে উত্তপ্ত হচ্ছে পৃথিবী :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মানুষের কারণে উত্তপ্ত হচ্ছে পৃথিবী :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হিসেবে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়নের কথা আমরা জানি৷ সম্প্রতি সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা প্রায় একমত হয়েছেন যে, বিগত দুই শতাব্দীতে বিশ্বের উষ্ণতা বেড়েছে এবং এর মূল কারণ হচ্ছে মানুষ৷
 
গোটা বিশ্বের জলবায়ুর যে পরিবর্তন হচ্ছে তা আমরা টের পাচ্ছি গত কয়েক বছর ধরে৷ গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরম এবং শীতকালে খুব বেশি ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে ইদানীং৷ এ বছর উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপে এত বেশি শীত পড়েছে যা গত কয়েক দশকে দেখা যায়নি৷ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এভাবেই পরিবেশ ক্রমেই চরম আকার ধারণ করছে৷
 
সম্প্রতি সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা একটি সমীক্ষার মধ্য দিয়ে একমত হয়েছেন যে বিগত দুই শতকে বিশ্বের উষ্ণতা বেড়েছে৷ এবং এই উষ্ণতা বৃদ্ধির মূল কারণ হচ্ছে মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন কর্মকাণ্ড৷
 
এই সমীক্ষা চালিয়েছেন বিভিন্ন দেশের তিন হাজার একশ ৪৬ জন বিজ্ঞানী৷ এর উদ্যোক্তা ছিলেন শিকাগোর ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পিটার ডোরান এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক গ্রাজুয়েট ম্যাগি কেনডেল জিমারম্যান৷
 
এর আগেও বিশ্ব উষ্ণায়নের বিষয়ে নানা সমীক্ষা চালানো হয়েছে৷ তবে সেসব নিয়ে সমালোচকদের প্রশ্ন যে ছিল না তা নয়৷ তাই এবারের সমীক্ষায় প্রফেসর পিটার ডোরান এবং ম্যাগি কেনডেল জিমারম্যান যত সম্ভব বেশি সংখ্যক বিজ্ঞানীর মতামত নেয়ার চেষ্টা করেছেন৷ এজন্য তারা আমেরিকান জিওলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের তালিকায় থাকা ১০ হাজার ২শ বিশেষজ্ঞের নাম ঠিকানা জোগাড় করেছেন এবং তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন৷
 
সারা বিশ্বের পরিবেশ বিজ্ঞানী, আবহাওয়াবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের এ জরিপে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছেন প্রফেসর পিটার ডোরান এবং ম্যাগি কেনডেল জিমারমেন৷ এসব বিজ্ঞানী ও গবেষকদের প্রত্যেকের কাছে আলাদাভাবে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে৷ সমীক্ষার প্রশ্নের ধরনও ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট, সরাসরি - যাতে উত্তর দিতে গিয়ে কোনো রকম বাড়তি ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণের প্রয়োজন না পড়ে৷
 
জরিপের মূল দুইটি প্রশ্ন ছিল এমন, ১৮ শতকের তুলনায় বর্তমানে বিশ্বের উষ্ণতা কি বেড়েছে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের পেছনে মানুষের কর্মকাণ্ডের কোনো বিশেষ ভূমিকা রয়েছে কিনা৷
 
প্রথম প্রশ্নের বেলায় প্রায় ৯০ ভাগ বিজ্ঞানী হ্যা উত্তর দিয়েছেন, এবং পরের প্রশ্নের জবাবে হ্যা বলেছেন প্রায় ৮২ ভাগ উত্তরদাতা৷ জরিপে অংশ নেয়া ৯৭ ভাগ পরিবেশ বিজ্ঞানীই বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য মানুষের কর্মকাণ্ডকে দায়ী করেছেন, তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মাত্র ৪৭ ভাগ এবং আবহাওয়াবিদের মাত্র ৬৪ ভাগ এক্ষেত্রে মানুষের কর্মকাণ্ডকে দায়ী করার পক্ষে৷
 
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক জনমত সমীক্ষায় দেখা গেছে ৫৮ ভাগ লোকজন মনে করে বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য মানুষ দায়ী৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

দ্রুতগতিতে গলছে উত্তর মেরুর বরফ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

দ্রুতগতিতে গলছে উত্তর মেরুর বরফ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
দ্রুতগতিতে গলে যাচ্ছে উত্তর মেরুর বরফ। নরওয়ের পোলার ইনস্টিটিউটের (এনপিআই) উত্তর মেরুবিষয়ক গবেষক ও এর আন্তর্জাতিক পরিচালক কিম হোলম্যান এই দাবি করেন। শুক্রবার বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এনপিআইয়ের গবেষকদের মতে, উত্তর মেরুর বরফ অনুমিত গতির চেয়ে দ্রুত গলছে। চলতি বছরের গ্রীষ্মে রেকর্ড পরিমাণ বরফ গলেছে বলে বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন। উত্তর মেরুর জমে থাকা বরফের গলে যাওয়ার গতি বেড়ে যাওয়ায় সাগরের বড় বড় বরফখণ্ডের আকার ক্রমেই সরু হয়ে আসছে। এতে বরফ সাগরে পানির পরিমাণও ভয়াবহ রকম বাড়ছে বলে জানান তারা।

গত মাসে কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) থেকে রেকর্ড করা তথ্য থেকে জানা গেছে, তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এ বছর উত্তর মেরুর সাগরে সবচেয়ে কম পরিমাণ বরফ লক্ষ করা গেছে, যা ইউরোপের আবহাওয়ায় ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এক সপ্তাহ একই হারে বরফ গলবে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন। এ সময় ওই মেরুর তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ওপরে থাকবে বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে হোলমেন বলেন, “এটি বড় ধরনের পরিবর্তন। ২০ বছর, এমনকি ১০ বছর আগেও এটা ছিল অচিন্তনীয়।”

স্যাটেলাইটে ধারণ করা তথ্যে আরো দেখা যায়, চলতি বছরের এ সময়ে উত্তর মেরুর সাগরে বরফের আয়তন ৪১ লাখ বর্গ কিলোমিটার। এর আগে ২০০৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে কম পরিমাণ বরফের আয়তন রেকর্ড করা হয়েছিল ৪১ লাখ ৭০ হাজার বর্গ কিলোমিটার।

শীতকালে উত্তর মেরুর সাগরগুলোতে বরফ জমে উঁচু পাহাড়ের মতো হয়ে যায়। তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে বরফের উচ্চতা কমে যায়। কিন্তু স্যাটেলাইটে ধারণ করা তথ্য অনুযায়ী, গরমকালে গত তিন দশকের প্রতি দশকে প্রায় ১৩ শতাংশ করে বরফ কমেছে। একই সঙ্গে সাগরে জমে থাকা বরফের পুরুত্বও কমেছে।

বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যানসেন বলেন, “চলতি বছর বরফ গলার গতি আর আয়তন দেখে আমি বিস্মিত। একজন বিজ্ঞানী হিসেবে আমি জানি, বিগত দেড় হাজার বছরে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। বিষয়টি সত্যিই বিস্ময়কর। এটি সামগ্রিক ব্যবস্থায় একটি নাটকীয় পরিবর্তন এনেছে।”
 

রবি’র গ্রাহক ছাড়িয়ে গেছে দুই কোটির অংক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

রবি’র গ্রাহক ছাড়িয়ে গেছে দুই কোটির অংক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
  গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক’র পর তৃতীয় টেলকো অপারেটর হিসেবে দুই কোটি গ্রাহকের ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করেছে রবি। কোটির ঘর পেরুনোর পর দুই দফা হোঁচট খেয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর দুই কোটি গ্রাহকের এই ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করতে সক্ষম হয় ভারতীয় এই টেলিকম অপারেটর।

কোটির ঘর ডিঙিয়ে দুইকোটির এই ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করতে প্রতিষ্ঠানটির অপেক্ষা করতে হয়েছে টানা তিন বছর।

পূর্বতন কোম্পানি একটেল এর কাছ থেকে মালিকানা কিনে নিয়ে প্রথমবার ২০০৯ সালের আগষ্টে এক কোটি গ্রাহককে নিজেদের কাছে টানতে সক্ষম হয় রবি। কিন্তু মাত্র তিন মাসের মধ্যেই গ্রাহক সংখ্যা কমে গিয়ে ৮৮ লাখে নেমে যায়। পরে সেখান থেকে ফিরে এসে ২০১০ সালে নতুনভাবে যাত্রা করে অপারেটরটি।

রবি’র এ অর্জনের পেছেনে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে অপারেটরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইকেল ক্যুনার বলেন, এটি তাদের জন্য একটি স্মরণীয় মূহুর্ত। রবি পরিবারের সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে এ দেশের গ্রাহকরা সবচেয়ে পছন্দনীয় মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে আমাদের মনে করছে।

রবি জানিয়েছে, এ দেশে এপর্যন্ত ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছেন তারা।

এর আগে ২০০৮ সালের জুনে গ্রামীণফোন প্রথম দুই কোটি গ্রাহকের ল্যন্ডমার্ক অতিক্রম করে। তার প্রায় আড়াই বছর পর ২০১০ সালের নভেম্বরে এই সাফল্য অর্জন করে বাংলালিংক। বর্তমানে গ্রামীণফোনের গ্রাহক চার কোটি পেরিয়ে গেছে। আর বাংলালিংক আছে ২ কোটি ৫৬ লাখ গ্রাহক নিয়ে।

বর্তমানে রবিতে ৮ হাজার ৩৯২টি বিটিএস এবং ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করেছে। কোম্পানিটির ৪০ লাখেরও বেশি ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে যারা এজের (EDGE) মাধ্যমে হাই স্টিক্সড ডাটা কানেকশন সেবা উপভোগ করছেন।

১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ইন্টারনেট উৎসব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ইন্টারনেট উৎসব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
‘এসো পৃথিবীর পাঠশালায়’ স্লোগানে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে গ্রামীণফোন-প্রথম আলো ইন্টারনেট উৎসব ২০১২। গ্রামীণ ও উপশহরের নতুন প্রজন্মকে ইন্টারনেটের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত এ উৎসব চলবে আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত। দ্বিতীয়বারের মতো যৌথভাবে এ উৎসবের আয়োজন করছে অপারেটর গ্রামীণফোন ও জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো। আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, উৎসব উপলক্ষে চলতি বছর দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম এবং উপশহরের স্কুল-কলেজগুলোকে ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করে দেশব্যাপী ১২০টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মাধ্যমে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং উপকারিতা সম্পর্কে ধারণা দেয়া হবে। জানা গেছে, গত বছরের মতো এবারও আই-জিনিয়াস ও মোবাইল ব্রাউজিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আই-জিনিয়াস প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে প্রাথমিকভাবে ১২০ নতুন আই-জিনিয়াস নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত আই-জিনিয়াসদের ঢাকায় এনে গ্রান্ড ফিনালের মাধ্যমে একজন ‘আই-জিনিয়াস গ্রান্ড মাস্টার ২০১২’ নির্বাচন করা হবে। এ বছর উৎসবটির সহযোগী সংগঠন হিসেবে রয়েছে নকিয়া, ফেসবুক, গুগল, অপেরা, উইকিপিডিয়া, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। মিডিয়া সহযোগী হিসেবে থাকবে চ্যানেল আই ও রেডিও ফুর্তি। গত বছর দেশব্যাপী ১০১টি অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয় গ্রামীণফোন-প্রথম আলো ইন্টারনেট উত্সব। এ প্রতিযোগিতায় দেশের স্কুল-কলেজের প্রায় তিনি লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন বলে শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এ বছরের উৎসব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

নতুন মূল্যে ফুজিৎসু এলএইচ ৫৩১ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

নতুন মূল্যে ফুজিৎসু এলএইচ ৫৩১ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাপানি অরিজিন ফুজিৎসু এলএইচ ৫৩১ মডেলের লাইফবুকে নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে দেশের বাজারে এর একমাত্র পরিবেশক কম্পিউটার সোর্স।
 
এলএইচ সিরিজের ৫৩১ মডেলের লাইফবুকটির রয়েছে দুইটি সংস্করণ। এর একটিতে রয়েছে কোরআই থ্রি (২.৩ গিগাহার্জ) এবং অন্যটিতে ডুয়াল কোর (২.২ গিগাহার্জ) প্রসেসর।
 
এক বছরের বিক্রয়ত্তর সেবা সহ ১৪ ইঞ্চি প্রশস্ত পর্দার লাইফবুক দুটিতে দুইজিবি র‌্যাম, ৫০০জিবি হার্ডডিস্ক ও ইন্টেল এইচডি তিন হাজার গ্রাফিক্স কার্ড ছাড়াও রয়েছে পোর্টেবল পিসির সব ধরনের সুবিধা।
 
এগুলোর মধ্যে কোরআই থ্রি প্রসেসরের লাইফবুকের দাম ৪৬ হাজার ৮০০ এবং ডুয়াল কোরের মূল্য ৩৭ হাজার ৯০০ টাকা। 

সাবধান! মোবাইল ফোনের সিম ‘ক্লোন’ হচ্ছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাবধান! মোবাইল ফোনের সিম ‘ক্লোন’ হচ্ছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের সিম ক্লোন করা হচ্ছে৷ আর এ নিয়ে চিন্তিত গোয়েন্দারা৷ তাদের আশঙ্কা জঙ্গিসহ সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ক্লোন করা এই সিম ব্যবহার করতে পারে৷

তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা দাবি করছেন, তারা এখনো এরকম কোনো অভিযোগ পাননি৷

বাংলাদেশে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরের এখন গ্রাহক সংখ্যা নয় কোটি ৩০ লাখ৷ আর গ্রাহক দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু অসচেতনার কারণে ঝুঁকিও বাড়ছে৷

টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ জাকারিয়া স্বপন জানান, পরিমাণে কম হলেও বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের সিম ক্লোন করা হচ্ছে৷ আর সচেতন না হলে তা আরো বেড়ে যেতে পারে৷

তিনি বলেন, প্রচারণার অভাবে গ্রাহকরা ক্লোন করা সিম সম্পর্কে তেমন সচেতন নন৷ তার মতে মোবাইল ফোনের ব্যালেন্স হঠাৎ করে অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া অথবা একই ফোন নম্বর দু'জন ব্যবহার করলে বুঝতে হবে সিম ক্লোন হয়েছে৷ আর এখন মূল সিম ছাড়াই কম্পিউটারের মাধ্যমে মিসড কল দিয়ে সিম ক্লোন করা সম্ভব৷ কোনো গ্রাহক যদি অপরিচিত ফোন থেকে পাওয়া মিসড কলে কল ব্যাক করেন তাহলে তার সিম ক্লোন হয়ে যেতে পারে বলে জানান জাকারিয়া স্বপন৷

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম জানান, তারা এই ক্লোন্ড সিম সম্পর্কে সচেতন আছেন। ক্লোন্ড সিম ব্যবহার করে নানা অপরাধমূলক কাজ করা সম্ভব।

তিনি জানান, এ ব্যাপারে গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে বিটিআরসি এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে কথা বলবেন৷

ফোনের সিমের সঙ্গে ফোন সেটটিও ক্লোন হতে পারে৷ আর সেট ক্লোন হলে মেমোরিতে থাকা সব তথ্য চলে যেতে পারে অন্যের হাতে৷ তাই অপরিচিত মোবাইল ফোন থেকে আসা মিসড কলের জবাব দেয়ায় বিরত থাকার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ৷

তবে মোবাইল ফোন অপারেটরদের দাবি তারা সিম ক্লোন হওয়ার কোনো অভিযোগ এখেনা পাননি৷ পেলে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেবেন৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

‘ব্রাউনি’ বলে খোঁটা শুনেছিলেন প্রিয়াঙ্কাও :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ব্রাউনি’ বলে খোঁটা শুনেছিলেন প্রিয়াঙ্কাও :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 বিশ্ব সুন্দরীর খেতাব থেকে বলিউডের জনপ্রিয়া অভিনেত্রী। তার মুকুটে জুড়েছে একের পর এক সাফল্যের পালক। সেই প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকেই এক দিন খোঁটা শুনতে হয়েছিল ‘ব্রাউনি’ বলে।

এই অবশ্য প্রথম নয়। বর্ণ-বিদ্বেষের শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টিও। ২০০৭ সালে জনপ্রিয় এক ব্রিটিশ রিয়্যালিটি শো’তে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরাসরি আক্রমণের মুখে পড়েন তিনি। এমনকি, সেখানে ‘ভারতীয় হাতের রান্না’ ছুঁয়ে দেখতেও অস্বীকার করেছিলেন শিল্পার প্রতিদ্বন্দ্বী এক মডেল। ক্রমাগত আক্রমণের মুখে এক দিন ভেঙে পড়েন শিল্পা। ক্যামেরার সামনে তার কাঁদার ছবি সম্প্রচারিত হওয়া মাত্র দেশে-বিদেশে শুরু হয় প্রতিবাদ। তাদের আচরণের জন্য পরে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন অনেকে।

শিল্পার ওই অভিজ্ঞতার প্রায় পাঁচ বছর পর এবার মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা।

ছোট্ট মেয়েটা বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত বরেলিতে। পড়াশুনো আর দস্যিপনা এই নিয়েই কেটেছিল স্কুলজীবন। হঠাৎই এক দিন দাঁড়ি পড়ল ছেলেবেলায়। দু’চোখে স্বপ্ন নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ছোট শহরের মেয়েটা পাড়ি দিল বিদেশে। বরেলি থেকে সোজা বস্টন।

নতুন দেশ। অচেনা সব কিছুই। মায়ের আঁচল ছেড়ে আসা মেয়েটা অন্য পরিবেশে হয়তো কিছুটা জবুথবুই। বন্ধুদের ডাকে আরও সিঁটিয়ে গেল সে। সাদা চামড়ার সহপাঠীদের মধ্যে কেবল তার গায়ের রংই একটু চাপা। ‘ব্রাউনি’ বলে কি তাকেই ডাকছে? ঘোর কাটল পিছনে ফিরতেই। সত্যিই যে আঙুলটা তার দিকে তাক করা।

ভারতীয় বলে গঞ্জনা সহ্য করতে হবে! সেটাও আমেরিকার মতো প্রথম বিশ্বে! ভয়ে কুঁকড়ে যাওয়া মেয়েটাই রুখে দাঁড়াল এবার। প্রথমে তর্কাতর্কি। দু’পক্ষই দমবে না। শেষে শুরু হলো হাতাহাতি। খবর পেয়ে তিন দিনের জন্য তাকে সাসপেন্ড করে দিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

জীবনে খামতি তো থাকতেই পারে। কিন্তু আত্মবিশ্বাস যেন চিড় না খায় এক মুহূর্তের জন্যও। বরেলি- বস্টন হয়ে বলিউড, নিজের তিরিশ বছরের জীবনের এই অভিজ্ঞতাই শুক্রবার প্রায় শ’খানেক ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে ভাগ করে নিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
বর্ণ-বিদ্বেষের শিকার হয়েও পড়া ছেড়ে চলে আসেননি। বরং এই ঘটনাই আরও প্রত্যয়ী করেছে তাকে, জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

এ-ও বললেন, ঐশ্বরিয়া রাইয়ের মতো অসামান্য রূপসী নন। প্রচুর খুঁত রয়েছে তার মধ্যে। সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতায় কিভাবে হাঁটবেন, বা ক্যামেরার সামনে কতটা অভিনয় করলে তা সত্যি মনে হবে, জানতেন না কোনো কিছুই। করতে করতেই শিখে গিয়েছেন। খালি শেখার ইচ্ছেটা বজায় রেখেছিলেন আগাগোড়া। হাল না ছাড়ার সেই মন্ত্রই পরের প্রজন্মকে শিখিয়ে গেলেন প্রিয়াঙ্কা। সূত্র: ওয়েবসাইট।

নিলামে এলভিসের বাইবেল :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিলামে এলভিসের বাইবেল :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নিলামে উঠেছে ‘কিং অব রক’ খ্যাত আমেরিকান আইকন সিঙ্গার এলভিস প্রেসলির ব্যবহৃত পবিত্র বাইবেলটি। ইতিমধ্যে এর দাম উঠেছে ৫৯ হাজার পাউন্ড।

জানা যায়, এক হাজার ৬০০ পৃষ্ঠার ব্ইটি এলভিস পেয়েছিলেন ১৯৫৭ সালে গ্রেসল্যান্ডে তার প্রথম বড়দিন পালনের সময় তার আঙ্কেল ভেস্টার ও আন্টি ক্লিটি’র কাছ থেকে। এরপর ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত এলভিস আজীবন এই বাইবেলটি ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে এলভিসের নিজ হাতে লেখা ছোট ছোট হ্যান্ডনোটও রয়েছে।

নিলামের আয়োজকরা বাইবেলটির দাম মাত্র ২৫ হাজার পাউন্ড ধারণা করলেও এখন এটি আশাতীত দামে বিক্রি হচ্ছে। এ সম্পর্কে বাইবেলটি নিলামকারী প্রতিষ্ঠান লন্ডনের ওমেগা অকশনের সেলস রুম ম্যানেজার কারেন ফেয়ারওয়েদার বলেন, এটি সত্যিই এই রুমে খুব উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত। এখানে আমরা মোট ৩০০ জন মানুষ ছিলাম এবং নিলাম হচ্ছিলো সারা পৃথিবী থেকেই অনলাইন ও টেলিফোনে। যখন এটি এই অবিশ্বাস্য মূল্যে বিক্রি হলো রুমে আপনি একটা পিন পতনের শব্দও শুনতে পেতেন।”

টেলিফোনে একজন ক্রেতা এই বাইবেলটি কিনেছেন বলে জানা গেছে। তবে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি বৃটেনে বসবাসরত কোনো আমেরিকান।

বাইবেলটির আগে এলভিসের না ধোয়া এবং খানিকটা মাটি লাগানো এক জোড়া আন্ডারপ্যান্ট নিলামে তোলা হয়। এই আন্ডারপ্যান্ট পড়েই এলভিস ১৯৭৭ সালে তার শেষ কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, সেগুলো কিন্তু অবিক্রিত থেকে যায়। এক পর্যায়ে খুব চেষ্টা করে সেগুলোর দাম পাঁচ হাজার পাউন্ডে পৌঁছালেও নিলামের রিজার্ভ মূল্য সাত হাজারে দাম পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় সেগুলো।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালের ১৬ আগস্ট মাত্র ৪২ বছর বয়সে কিং অব রক খ্যাত এলভিস প্রেসলি মারা যান। সূত্র: গার্ডিয়ান

ওষুধের অপব্যবহারে মানব জীবন হুমকিতে: ঢাবি ভিসি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ওষুধের অপব্যবহারে মানব জীবন হুমকিতে: ঢাবি ভিসি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, “দেশে ৫০ ভাগ ওষুধের অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ ঘটছে। ওষুধের অপব্যবহারের কারণে মানব জীবন হুমকির দিকে যাচ্ছে। প্রেসক্রিপশন দেয়ার ক্ষেত্রে আরো সাবধানতা অবলম্বন এবং চিকিৎসা শিক্ষাকে একমাত্র মানবকল্যাণে ব্যবহারের জন্য চিকিৎসকদের কাজ করতে হবে। এছাড়াও ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষ ও রোগীদের সচেতন হতে হবে।”

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বৃটিশ কাউন্সিল, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও ব্র্যাকের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে “ Promoting rational use of medicines through strengthening stakeholders’s relationship and engaging community with the process” শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক, বৃটিশ কাউন্সিলের পরিচালক রবিন ডেভিস ও ব্র্যাক হেল্থ-এর পরিচালক ড. কাওছার আফসানা সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার। ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের প্রভাষক হারুন-অর-রশিদ ব্র্যাক হেলথ সেন্টারে স্বাস্থ্য সেবা পদ্ধতি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “এ ব্যাপারে ব্যাপক গণসচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।” তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

কলেরা রোধে টিকা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

কলেরা রোধে টিকা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এ বছরের গোড়ার দিকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনি’তে কলেরা মহামারি আকারে দেখা দেয়৷ কলেরা দমনে ‘ডক্টর্স উইদাউট বডার্স’র কয়েকটি টিম টিকা অভিযান শুরু করে বেশ সফল হয়েছে৷

‘ডক্টর্স উইদাউট বডার্স' এর সদস্যরা গিনির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় এই টিকা অভিযানটি চালিয়েছেন৷ প্রকল্পের পরিচালক শার্ল গোদ্রি জানান, “আমাদের ৩০টি টিমের সদস্যরা গড়ে প্রতিদিন ১০০০ মানুষকে টিকা দিয়েছেন৷”

কলেরা এখন পর্যন্ত একটি ভয়ানক সংক্রামক ব্যাধি৷ এটি ‘ভিব্রিও কলেরা’ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়৷ এর একটি লক্ষণ হলো,অতিরিক্ত পেটের অসুখ বা উদরাময়৷ বার্লিনের রবার্ট কখ ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ক্লাউস স্টার্ক এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কলেরা রোগটি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে৷

তার ভাষায়, ‘‘বিশেষ করে যেসব মানুষ কিছুটা দুর্বল এবং যাদের খাওয়া দাওয়া ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সন্তোষজনক নয়, তাদেরই কোনো সংক্রমণ হলে কলেরার মত কঠিন অসুখ বিসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি৷ ঠিকমত চিকিৎসা দেয়া না হলে অল্প সময়ের মধ্যে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে৷”

কলেরায় পান করাটা জরুরি
কলেরায় আক্রান্ত হলে প্রচুর পরিমাণে পানি বা তরল পদার্থ পান করা উচিত৷ রোগীর শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ করা দরকার৷ কেননা কলেরায় আক্রান্তদের দেহ থেকে প্রতি দিন ১০ থেকে ২০ লিটার তরল পদার্থ বের হয়ে যায়৷


বার্লিনের ‘ডক্টর্স উইদাউট বডার্স’র জেবাস্টিয়ান ডিটরিশ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘সংক্রমণের পর থেকে রোগের লক্ষণগুলি দেখা দেয়া পর্যন্ত, সময়টা খুব কম৷ এটা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত হতে পারে৷ এর ফলে দেখা দেয় অতিরিক্ত মাত্রায় ডায়রিয়া সেই সাথে বমি৷ এরপর ডায়রিয়ার সাথে শুধু পানিই বের হয়৷”

কলেরা অত্যন্ত সংক্রামক এক রোগ৷ বিশেষ করে দূষিত পানির মাধ্যমেই সংক্রমিত হয় রোগটি৷ যে সব দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত নয়, সেসব দেশেই এই রোগ দেখা দেয়ার ঝুঁকি বেশি৷ এসব জায়গায় নদী, পুকুর, খাল বিল বা খোলা কুয়ার পানি পান করে অনেক মানুষ৷ এছাড়া অন্যান্যভাবেও সংক্রমণ দেখা দেয়৷ ডা. ডিটরিশ’র ভাষায়, ‘‘কলেরায় আক্রান্ত কোনো মানুষ যদি কারো সঙ্গে হাত মেলায় এবং সেই ব্যক্তি যদি খাবার তৈরি করে, তাহলে সেই খাবার খেয়েও কলেরার সংক্রমণ হতে পারে৷”

এশিয়া, আফ্রিকার অনেক দেশে কিংবা যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়া অঞ্চলগুলিতে স্বাস্থ্যকাঠামো ভাল নয়৷ তাই কোনো জায়গায় ভূমিকম্পের পর বা শরণার্থী শিবিরগুলিতে কলেরা মহামারির আকারে দেখা দেয়৷ উদাহরণ স্বরূপ হাইতির নাম করা যায়৷

টিকায় সুফল
এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যে গিনিতে কলেরার ঝুঁকিপূর্ণ দুই অঞ্চলে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে৷ এই টিকা প্রচুর পানির সাথে গিলে খেতে হয়৷ এতে মানুষের শরীরে তা ভালোভাবে কাজ করে৷ দ্বিতীয়বার টিকা দিতে আসাটাও খুব জরুরি৷ কেননা ভালোভাবে রোগ প্রতিরোধের জন্য কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আবার টিকা দিতে হয়৷ সমীক্ষায় দেখা গেছে, এই টিকা ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে কার্যকরী হয়৷ গণটিকা অভিযান কলেরা মহামারির আকারে দেখা দেয়ার সাথে সাথেই শুরু করা প্রয়োজন, যাতে রোগটি আর বিস্তৃত হতে না পারে৷

চিকিৎসকদের টিমটি অন্যান্য বিষয়ের দিকেও নজর দিয়েছেন৷ যেমন গৃহস্থালীর কাজকর্মে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও প্রতিরোধক ব্যবস্থা নেয়া, দূষণমুক্ত পানির ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা, স্বাস্থ্যরক্ষার সামগ্রী বিলি করা ইত্যাদি কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন তারা৷

তবে সবচেয়ে বেশি জরুরি গিনিবাসীদের টিকা দেয়ার স্থানে আসার জন্য উদ্দীপ্ত করা৷ এজন্য চিকিৎসক টিমটির সদস্যরা গ্রামে গ্রামে ঘুরে মাইকের মাধ্যমে জানিয়ে দেন, কবে কোথায় টিকা দেয়া হবে৷ সাধারণত সহজেই সেই সব জায়গায় যাওয়া যায়৷ ডা. শার্ল গোদ্রি জানান, ‘‘যে সব অঞ্চলের মহামারি প্রতিরোধ কেন্দ্রে আমরা টিকা দিয়েছি, সেই সব জায়গায় সংক্রমণের হার একেবারে রোধ হয়েছে৷”

বাংলাদেশেও একই সমস্যা
বাংলাদেশেও দূষিত পানির মাধ্যমে কলেরার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়৷ বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে যখন বিদ্যুতের অপ্রতুলতা থাকে তখন অনেককেই নোংরা পানি দিয়ে গৃহস্থালীর কাজকর্ম সারতে হয়, বাধ্য হলে পানও করতে হয়৷ ফলে বেড়ে যায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা৷ ডায়রিয়ার রোগীদের মধ্যে আবার ২৫ শতাংশ কলেরার জীবাণু বহন করেন৷

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান- আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, বিশেষ করে দূষিত পানির কারণেই ডায়রিয়া ও কলেরার প্রকোপ দেখা দেয়৷ এ ছাড়া টাইফয়েড, জন্ডিস ও চর্ম রোগসহ আরো কিছু রোগ দেখা দেয় এ কারণে৷ তাই মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হলে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপও কমে যাবে৷ উল্লেখ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হক জানিয়েছেন, টিকাদানের আন্তর্জাতিক সংগঠন, ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইডেশন’ বা ‘গাভি; বাংলাদেশকে ২০১৩ সাল থেকে কলেরা ও নিউমোনিয়ার দুটি টিকা দেবে৷ এর ফলে রোগ দুটিকে আয়ত্তে আনার ব্যাপারে এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ৷ সূত্র: ডিডব্লিউ।

ফখরুলের অভিযোগ মিথ্যা, দাবি অর্থমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফখরুলের অভিযোগ মিথ্যা, দাবি অর্থমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নিজের বিরুদ্ধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উত্থাপিত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মহিত।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ দাবি করেন।

প্রসঙ্গত, শনিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক অনুষ্ঠানে হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে অর্থমন্ত্রী জড়িত দাবি করে মন্ত্রীসহ সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সব সময় মিথ্যা কথা বলেন।”

অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ওঠে এমন প্রশ্নের অর্থমন্ত্রী বলেন, “অনেক দিন থেকে আমি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, ইচ্ছা করলে হয় না। তবে পদত্যাগের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নিইনি।”

মন্ত্রী বলেন, “আজ কৃষি ব্যাংকের দুর্নীতি ধরা পড়েছে তা বেরিয়ে এসেছে। এ ব্যাংকের দুর্নীতি পরিমাণ সামান্য টাকা। এ সেক্টরে রাজনীতিক আছে এবং থাকভে।”

তিনি বলেন, “আমরা এমন জাতি একটু সুযোগ পেলে অনেক কিছু করার চেষ্টা করি। যেমন গ্রামীণ ব্যাংকের ড. ইউনূস করেছে। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংকে ভালো করা। এজন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ করার কাজ চলছে।”

মন্ত্রী বলেন, “৯৬ সালে শেয়ার বাজারের কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এগুলো দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে, তারপরও প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।”

ঘন্টা আগে টিকিট, বিমানযাত্রায় প্রতারণার নতুন কৌশল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঘন্টা আগে টিকিট, বিমানযাত্রায় প্রতারণার নতুন কৌশল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিমানযাত্রায় প্রতারণার নতুন কৌশলের দেখা মিলছে দেশে। এ বিষয়ে একাধিক ভুক্তভুগি ঢাকার একটি ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বিদেশগামিদের কাছে ফ্লাইটের নির্ধারিত সময়ের ঘন্টা খানেক আগে টিকিট দেয়ার কথা বলে প্রতারণা করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনের ক’দিন পর পর গিয়ে ঝামেলা মিটালেও অজ্ঞাত কারণে প্রতারকদের আইনের আওতায় আনছেন না।

রোববার বিকেল চারটায় দেখা গেল রাজধানীর  কারওয়ান বাজারে এলাকায় বিটিএমসি ভবনের নীচতলায় এসে এমনি এক ভুক্তভোগী হৈ চৈ করে লোকজন জড়ো করেছেন। ভবনটির নীচতলায়ই হাসনে ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস এর অফিস।

লুঙ্গী পড়া ভুক্তভোগী তারা মিয়াকে ঘিরেই জটলার কারণ। কথা হয় তারা মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, দুবাইতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন তিনি। ছুটি কাটিয়ে দুবাইয়ে ফেরার জন্য টিকেট ক্রয়ের জন্য দুই সেপ্টেম্বর ২৮ হাজার টাকা দেন তিনি। তাকে টিকেট বুকিংয়ের একটি কাগজ দেয়া হয়। এতে শনিবার দুপুর ১২টায় তার ফ্ল্যাইট সিডিউইল দেখানো হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ওই প্রতিষ্ঠানটির একজন ফোন আরো টাকা দাবি করলে তিনি ২৫০০ টাকা পরিশোধ করেন। শনিবার সকাল সাতটায় ওই প্রতিষ্ঠানের মোবাইল থেকে একটি ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে জানানো হয় তার ফ্লাইট সিডিউইল সকাল ৮টায়। এবং বিমান বন্দরে গিয়ে মোবাইলের মেসেজ দেখালেই তাকে বিমানে তুলে নিবে। মেসেজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গাজিপুর থেকে ছুটে আসেন শাহজালাল ( রা.) বিমান বন্দরে। কিন্তু বিমানবন্দর কতৃপক্ষকে মেসেজের কথা বললে তারা তাকে ঢুকতেই দেননি।

রাত পর্যন্ত বিমান বন্দরে অপেক্ষা করে দফায় দফায় ওই প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বাসায় ফিরে যান তিনি। রোববার সকালে ওই প্রতিষ্ঠানের অফিসে গেলে মালিক বেলাল আহমেদ জানান তার ভুলের কারণে তিনি ফ্লাইট মিস করেছেন। এতে তাদের কোন দায় নাই। তার পা জাড়িয়ে কান্না করলে তিনি লাথি দিয়ে বের করে দেন।

রোববার বিকেল চারটার দিকে একুশে টেলিভিশনের অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক হাকিমের নজরে আসলে তিনি, এ প্রতিবেদক ও ভুক্তভুগি ওই প্রতিষ্ঠানে গেলে মালিক বেলাল প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন।এমনকি কাগজও তাদের প্রতিষ্ঠানের না বলে জানান। খবর পেয়ে তেজগাও থানার এসআই শামিম এসে লিখিত অভিযোগ নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন। কিছুক্ষনের মধ্যেই সিভিল ড্রেসে সিভিল টিমের এসআই শরীফ ঘটনাস্থলে উপসস্থিত হন। তিনি প্রতিষ্ঠানের মালিক বেলালের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে কোনো অভিযোগ গ্রহণ না করে দুইদিন সময় দেন।

এর কিছুক্ষণের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও কর্মচারীরা পালিয়ে যান। এর কিছু সময় পরই সবুজ নামের একজন আসেন ঘটনাস্থলে। তিনি জানান, তার আত্মীয় আশরাফুল নামের একজন অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য বিমান টিকেট ক্রয়েরে জন্য ৪৮ হাজার টাকা দেন। তাদের সিডিইল ছিল চলতি মাসের ৭ তারিখ। মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে তাদের এ সিডিউলের কথা জানানো হয়। কিন্তু তারা বিমান বন্দর থেকে ফিরে আসেন। রোববার দুপুরের মধ্যে তাদের নতুন সিডিউইল জানানোর কথা ছিল। কিন্তু দুপুরের পর থেকে ফোন করলে এই হচ্ছে, আধাঘন্টা পরে ফোন করেন এসব কথা বলা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির মালিক তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে জানান, টুকটাক তো সমস্যা হতেই পারে। রশীদ ছাড়া টাকা নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টিকেট বাবদ কোনো রশীদ দেয়া হয় না। এর আগেও একই অভিযোগে তিনবার আপনাদের অফিসে পুলিশ আসছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ পুলিশ ভাইরা তো আমাদের প্রতিবেশী- তারা তো আসতেই পারে।”

স্থানিয় সূত্র জানায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক বেলাল স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী। কারওয়ান বাজারে তাদের ২/৩টি নিজস্ব ভবন রয়েছে।

পরীক্ষার মাধ্যমেই মেডিকেলে ভর্তি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পরীক্ষার মাধ্যমেই মেডিকেলে ভর্তি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আগের নিয়মে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে ২০১২-২০১৩ সেশনের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
 
আগের নিয়মে ভর্তি পরীক্ষ শুরুর নির্দেশনা চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে তৃতীয় বেঞ্চের শুনানিতে রোববার তিনি এ কথা বলেন।
 
এরপর তৃতীয় বেঞ্চের বিচারক শেখ হাসান আরিফ হলফনামা আকারে সোমবার এ সিদ্ধান্তের কথা আদালতকে জানাতে বলেছেন। এছাড়াও আগামীকাল পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
 
পরে মোতাহার হোসেন সাজু সাংবাদিকদের  জানান, সরকার এবছর ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপর আদালত এ বিষয়টি হলফনামা আকারে উপস্থাপন করতে বলেছেন।
 
তিনি বলেন, “আদালত সোমবার বাদীপক্ষের আইনজীবীকে খবর দিতে বলেছেন।” সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হবে বলে তিনি জানান।
 
এর আগে ২৭ আগস্ট এ নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা আবেদনে বিভক্ত আদেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।
 
হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী আবেদনটি গ্রহণ করে আগের নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশ দিলেও কনিষ্ঠ বিচারক মো. আশরাফুল কামাল আবেদনটি খারিজ করে দেন।
 
পরে গত বৃহস্পতিবার নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বিচারক শেখ হাসান আরিফের (তৃতীয় বেঞ্চ) একক বেঞ্চে পাঠান।
 
এর মধ্যে সরকার মেডিকেল পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শিক্ষার্থীদের রিট তুলে নিতে বলেছেন। তারপর সরকার ভর্তি পরীক্ষা নিবে।
 
এদিকে ২৭ আগস্ট জিপিএর ভিত্তিতে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রুল জারি করেছিল হাই কোর্টের একই বেঞ্চ।
 
এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
 
১৩ আগস্ট আবেদনটি করেন ডা.মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি।
 
এর আগে ১৩ আগস্ট বিকেলে জিপিএর ভিত্তিতে ভর্তির সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে হাই কোর্টে একটি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. ইউনুস আলী আকন্দ।
 
এ রিটের শুনানি শেষে ১৪ আগস্ট ভর্তি পরীক্ষা ছাড়া জিপিএর ভিত্তিতে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাই কোর্ট।
 
বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, শিক্ষা সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে (ডিজি) রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
 
তবে ওই সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা স্থগিত করার আরজি জানানো হলেও আদালত সেদিন তা গ্রহণ করেননি।
 
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ভর্তি-প্রক্রিয়া নীতিমালা প্রণয়ন-সম্পর্কিত সভায় সরকার মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে জিপিএর ভিত্তিতে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয়। এ ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য ওই দুই পরীক্ষা মিলিয়ে কমপক্ষে জিপিএ-৮ থাকতে হবে। জিপিএ-৭ পাওয়া বিদেশী শিক্ষার্থীরাও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
 
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ও পূর্বের ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি বহাল রাখার দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আন্দোলনে নামেন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।

গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চায় আমেরিকা: মজিনা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চায় আমেরিকা: মজিনা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 আমেরিকা আর বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের আওতায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ সবগুলোই একটি শান্তিময়, নিরাপদ, সমৃদ্ধ, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রসারের প্রতি সচেষ্ট। এমন একটি বাংলাদেশ আমেরিকার জনগণ, দক্ষিণ এশিয়ার ও সর্বোপরি স্বয়ং বাংলাদেশের স্বার্থসংশি¬ষ্ট বলে আমার বিশ্বাস।

আমেরিকার সরকার কর্তৃক সে দেশের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ম্যাকগভার্ন -ডোল ইন্টারন্যাশনাল ফুড ফর এডুকেশন অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন প্রোগ্রাম (ম্যাকগভার্ন-ডোল প্রোগ্রাম)-এর মাধ্যমে সাড়ে দশ হাজার মেট্রিক টন গম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা এসব কথা বলেন।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গাস্থ সাইলো প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের স্কুল ফিডিং ও পুষ্টি কর্মসূচির সহায়তায় প্রদত্ত ১০,৪৪০ মেট্রিক টন গমের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন এমপি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশ কান্ট্রি পরিচালক ক্রিস্টা রাডের বক্তৃতা করেন।

বক্তৃতায় ড্যান মজিনা বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার অংশীদারিত্ব ইউএসডিএ ম্যাকগোভার্ন-ডোল স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, প্রেসিডেন্ট ওবামার ফিড দ্য ফিউচার উদ্যোগ, ও আমাদের অন্যান্য অনেক অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি যেগুলো উন্নত শাসনব্যবস্থার প্রসার, প্রাথমিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রসার, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সামর্থ্য বৃদ্ধি ও দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে।”

তিনি বলেন, “এ সবগুলোই একটি শান্তিময়, নিরাপদ, সমৃদ্ধ, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রসারের প্রতি সচেষ্ট। এমন একটি বাংলাদেশ, আমেরিকার জনগণ, দক্ষিণ এশিয়ার ও সর্বোপরি স্বয়ং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লি¬ষ্ট বলে আমার বিশ্বাস।”

মজিনা বলেন, “এই গম বাংলাদেশের শিশুদের জন্য আমেরিকার জনগণের উপহার। আর বাংলাদেশে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হিসেবে এই অনুদান প্রদান করে আমি খুশি।  তবে আমাদের আজকের এই উদযাপন উপলক্ষ্য আমেরিকা থেকে আনা গমের এই পাহাড় প্রমাণ অনুদান অপেক্ষা অনেক বড়।”

সিনেটর জর্জ ম্যাকগভার্ন এবং সিনেটর রবার্ট ডোল- এর সম্মানে ম্যাকগভার্ন-ডোল প্রোগ্রাম নামকরণ করা হয়।

আমেরিকার এই দু’জন নেতা বিশ্বব্যাপী বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের খাবার ও শিশুদের পুষ্টির বিষয়ে আমেরিকার অঙ্গীকারকে উৎসাহিত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা, উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তায় সহায়তা করা হয়। ইউএসডিএ শিক্ষার বিশ্বজনীনতায় বিশ্বাসী স্বল্প আয়ের এবং খাদ্য ঘাটতির দেশগুলোতে বিদ্যালয়ে শিশুদের খাবার এবং মাতৃত্ব ও শিশু পুষ্টি প্রকল্পের জন্য আমেরিকা কৃষি পণ্যের অনুদানের পাশাপাশি আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে।

ম্যাকগভার্ন-ডোল কর্মসূচি গত দুই অর্থ বছরে (২০১১-২০১২) বিশ্বব্যাপী ৪০ কোটি ডলারের বেশি বরাদ্দ দিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে তিন অর্থ বছরে (২০১১-২০১৩) তিন কোটি ডলারের অঙ্গীকার করা হয়েছে যা একক কোনো একটি দেশে সর্বাধিক বরাদ্দের অঙ্গীকার।

গত এক দশকে এ দেশের শিশুদের পুষ্টির উন্নতিতে ও শিশুদেরকে বিদ্যালয়ে পাঠাতে আভিবাবকদেকে উৎসাহিত করতে ইউএসডিএ ম্যাকগভার্ন-ডোল কর্মসূচি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করছে।

সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছি: মুহিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছি: মুহিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 গত নয় মাস ধরে সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সভাকক্ষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
‘বিভিন্ন মহল থেকে আপনার পদত্যাগের দাবি উঠেছে’ এমন প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, “অনেক দিন থেকে আমি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, ইচ্ছা করলে হয় না।”
 
অর্থমন্ত্রী জানান, হলমার্কের দুনীতির সঙ্গে অনেকেই জড়িত আছে। তারা দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছে। তারা যাতে পালাতে না পারে সে ব্যাপারে মামলা করা হবে।
 
তিনি বলেন, “পদ্মা ও ইউনূস পুরানো ইস্যু। এখন নতুন ইস্যু হচ্ছে হলমার্ক।” এ বিষয়ে তিনি বলেন, “শুধু এক হাতে তালি বাজে না। হলমার্কের সঙ্গে বড় বড় লোক জড়িত। সবার দোষ রয়েছে, বিষয়টি আমাদের সাবধান হওয়া উচিত।”
 
তিনি বলেন, “এরা আমাদের ব্যাংকিং খাতে ধস নামিয়েছে, দেশের ভয়াবহ ক্ষতি করেছে।”
 
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, যেই ধরনের অভ্যন্তরীণ বিল জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক সহ অন্যান্য ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে হলমার্ক গ্রুপের ভুয়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে- সেই অভ্যন্তরীণ বিল জালিয়াতি ঠেকাতে জারি করা একটি পরিপত্র নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের একটি মহলের চাপের মুখে আছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
 
এ ব্যাপারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে দেয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশকে নিজেদের ‘স্বাভাবিক ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা’র পথে সমস্যা হিসেবে দেখছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলো। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নয়, এ নির্দেশ বাতিলের দাবি নিয়ে তারা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে শনিবার দেখা করেছেন। বিষয়টিতে পরবর্তী কর্মযদিবসের মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস অর্থমন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
 
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, শাখা পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকায় জুনের আগে গত দুই বছরে ভুয়া লেনদেনের বিপরীতে বিল দেখিয়ে প্রধানত রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার আলামত টের পাচ্ছিলেন তারা।
 
তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর অর্থমন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের দেখভালের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নিয়ে নেয়ায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছিলেন না। অন্যদিকে এক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন সৃষ্ট বিভাগ- ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে’র কোনো তৎপরতা ছিল না।

শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের সেবায় পুলিশ সদস্যদের আরো সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অন্যায় করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।”

পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা বাড়াতে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে নবীনদের দক্ষতার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

রোববার রাজশাহীতে সারদা পুলিশ একাডেমীতে শিক্ষানবীস সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ন্যাশনাল ব্যুরো অব পুলিশ গঠনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এরই মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ গঠন করেছি। টুরিস্ট পুলিশ, মেরিন পুলিশ গঠনেরও কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ন্যাশনাল ব্যুরো অফ পুলিশ গঠনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।”

তিনি বলেন, “আজ তোমরা যে শপথ নিলে কর্মক্ষেত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে সেই শপথের মর্যাদা রক্ষা করবে।”

দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সরকারের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে উদ্যোগ ও অর্জনগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুলিশ বাহিনীতে পদমর্যাদাগত বিভিন্ন বৈষম্য দূর করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, জনবল, ভাতা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। জনগণকে দেয়া পুলিশের সেবার মান বাড়ানোর ওপর জোর দেন শেখ হাসিনা।

২৯ তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২০১১ ব্যাচের এক বছর মেয়াদী প্রশিক্ষনের সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দিতে রাজশাহীতে সারদা পুলিশ একাডেমীতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অভিবাদন গ্রহণ, কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের পদক প্রদান করেন তিনি। ২০১১ ব্যাচের ৩৭ জন শিক্ষানবীশ সহকারী পুলিশ কমিশনার পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। শিক্ষানবীশ সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ বিন কালাম সর্বোচ্চ সম্মাননা বেস্ট ম্যান কাপ অর্জন করেন।

Sunday, September 9, 2012

মেডিকেলে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি ‘দুই দিনের মধ্যে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মেডিকেলে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি ‘দুই দিনের মধ্যে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা নিতে দুই দিনের মধ্যে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খন্দকার মো. সিফায়েতউল্লাহ।

সরকার এ বছর আগের নিয়মে পরীক্ষার মাধ্যমে মেডিকেলে ভর্তির সিদ্ধান্ত হাই কোর্টকে জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই  মহাপরিচালক জানন, “আমরা আবেদন চেয়ে দুই দিনের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করব। এর আগেই পরীক্ষার তারিখ ও অন্যান্য নিয়ম চূড়ান্ত করা হবে।”

আদালতে শুনানি শেষে রোববার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন হাই কোর্টকে জানান, সরকার এ বছর ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আগামী বছর থেকে জিপিএ এর ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

আদালত রাষ্ট্রপক্ষকে এ বিষয়টি ‘হলফনামা’ আকারে সোমবার আদালতে উপস্থাপন করতে বলেন।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রী রুহুল হক সাংবাদিকদের জানান, আদালত থেকে মামলাটি তুলে নেওয়া হলে সরকার এবার আগের পদ্ধতিতেই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করবে। তা না হলে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী।

কাজ এগিয়ে রাখার লক্ষ্যে শিগগিরই ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

বাংলাদেশের সবগুলো মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ মিলিয়ে মোট ৮ হাজার ৪৯৩টি আসন রয়েছে।

এর মধ্যে ২২টি সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা ২ হাজার ৮১১টি। আর ৫৩টি বেসরকারি মেডিকেলে ৪ হাজার ২৪৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

এছাড়া ৯টি ‘পাবলিক’ ডেন্টাল কলেজ ও মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটে ৫৬৭টি আসন রয়েছে।

বেক্সিমকো কারখানার গ্যাসে শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থী অসুস্থ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেক্সিমকো কারখানার গ্যাসে শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থী অসুস্থ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ওষুধ ‍নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকোর গাজীপুরের একটি কারাখানা থেকে  নির্গত বিষাক্ত গ্যাসে অজ্ঞান হয়ে যায় পাশের হাজী কছিম উদ্দিন পাবলিক স্কুলের সাতজন শিক্ষার্থী। আরো শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রোববার সকাল নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া সাতজন শিক্ষার্থীর মধ্যে তিনজনকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলো: এস এইচ নুর (৭), তাবিব হাসান (৯) ও ফাহিম হোসেন (১০)।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক এম এম হেলাল উদ্দিন জানান, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস থেকে নির্গত গ্যাসে শিক্ষার্থীরা বারবার বমি করতে থাকে। তাদের মধ্যে সাতজন অজ্ঞান হয়ে যায়। এ ঘটনায় তাড়াহুড়ো করে স্কুল থেকে বের হতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়।

এর আগেও বেক্সিমকোর কারখানা থেকে নির্গত গ্যাসে কয়েকবার স্কুলের শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে অভিযোগ করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ২০০৬ সালে ১০ জন অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে চিকিত্সা নিয়েছে। তখন এ ব্যাপারে টঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কারখানার কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ব্যবস্থা নেবে বলেও কোনো প্রতিকার করেনি। উপরন্তু তারা স্কুলে আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখায় বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষক।

এলাকাবাসী জানান, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস থেকে প্রায়ই গ্যাস নির্গত হয়। এতে আশপাশের এলাকার লোকজন প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারা কারখানা অন্যত্র সরানোর দাবি জানান। হাজী কছিম উদ্দিন পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরাও এ ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুর আলম জানান, ওষুধ কারখানার ফিউম ডেলিভারেশন পাইপ (ধোঁয়া নির্গমন পথ) কমপক্ষে ৬০ ফুট উঁচু থাকা দরকার। বেক্সিমকো ফার্মা কারখানায় কেন গ্যাস নির্গমন হচ্ছে তা তিনি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানান।

টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

রেলে নিয়োগ দুর্নীতি: মৃধাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা কাল

রেলে নিয়োগ দুর্নীতি: মৃধাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা কাল
 নিয়োগে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের বরখাস্ত জিএম ইউসুফ আলী মৃধা, নিয়োগ কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমান এবং সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  মামলা দায়ের করতে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা এসএম রাশেদুর রহমান রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন। রাশেদুর রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন, সোমবার বন্দরনগরীর কোতয়ালী থানায় এ মামলা দায়ের করা হবে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত সমাপ্ত প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এই তিনজনের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও পরবর্তীতে আরো তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের তালিকায় পূর্বাঞ্চল রেলের ২৫ কর্মকর্তাসহ পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।


দুদক সূত্রে জানা গেছে মামলায় অভিযোগ করা হবে, পূর্বাঞ্চল রেলের ৬টি ক্যাটাগরির ১০৬৯টির বেশিরভাগ পদেই মোটা অর্থের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়া হয়।


দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানের সময় ৩৯ জনের বক্তব্য শেষে গত সপ্তাহে ছয়টি ক্যাটাগরিতে নিয়োগের বিপরীতে ছয়টি মামলা সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেন অনুসন্ধান কর্মকর্তারা। কমিশন নিয়মিত বৈঠকে মামলার অনুমোদন দেয়া হয়।


চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রাতে পদত্যাগী রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বরখাস্তকৃত এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে ৭০ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এসময় ফারুকের সঙ্গে ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের এই সাবেক জিএম ইউসুফ আলী মৃধা ও রেল পুলিশের কমান্ড্যান্ট (ঢাকা) এনামুল হক।


অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনার পর রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন ঘটনা তদন্তে উপ-পরিচালক মো. আবু সাঈদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।


তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে যান রেলের পূর্বাঞ্চল অফিসে। সেখান থেকে জব্দ করা নথিপত্রে দেখা যায়, ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস পদে ১২১৬ কোড নাম্বারধারী লিখিত পরীক্ষায় পেয়েছেন মাত্র ২ নাম্বার। তা পরিবর্তন করে ২৫ নাম্বার দেখিয়ে এ কোড নাম্বারধারীকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে।


৩৫টির বেশি কোড নাম্বারের খাতায় কাটাছেড়া করে নাম্বার দেয়া হয়েছে। টেবুলেশন শিটে ভয়াবহ জালিয়াতির মাধ্যমে এরকম অসংখ্য অকৃতকার্যকে দেখানো হয়েছে কৃতকার্য।


সুইপার থেকে রেলের লোক মাস্টার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোটা অংকের অর্থ নিয়েছেন। ওই টাকা পার্সেন্টিজের ভিত্তিতে ভাগবাটোয়রা করে  নিয়েছেন বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।


সবচেয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে ১১২ জন চৌকিদার, ৩৬৯ জন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস, ২৪৮ জন সুইপার, ১৪৩ জন ট্রলি ম্যান, ১৫ জন সহকারি সাব ইন্সপেক্টর ও ১৮২ জন লোকো মাস্টার পদে নিয়োগে।


সহকারি সাব-ইন্সপেক্টর পদে লিখিত পরীক্ষায় ৯৫ জনের মধ্যে ৭ জন মাত্র মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১১ জনকে। এর মধ্যে ৬ জনই মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১০, ময়মনসিংহের-১, কিশোরগঞ্জের-২৫, পটুয়াখালির-১৮, রংপুর-৩৩, মাদারীপুরের-২৬ রোলনম্বরধারী প্রার্থীরা পরীক্ষা উত্তীর্ণ না হয়েও নিয়োগ পেয়েছেন। অথচ নিয়োগের জন্য উপযুক্ত থাকার পরও টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অন্যায়ভাবে বাদ পড়েছেন চট্টগ্রাম-৬০ ও কুমিল্লার-৫০ রোল নাম্বারধারী। একই রকম পরিস্থিতির শিকার আরও অনেক প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া রেলওয়ের কর্মচারীদের জন্য সংরক্ষিত, মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের সন্তান সন্ততি, মহিলা, অনগ্রসর জেলা, আনসার-ভিডিপি, উপজাতীয়, এতিম প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন ধরনের কোটার ক্ষেত্রে কোনো ধরণের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করার প্রমাণ পেয়েছে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তার।


রেলে নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গে রেলের কর্মকর্তারা ছাড়াও পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন থেকে শুরু করে মৌখিক পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল, চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ৪৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।


স্বাক্ষীদের বক্তব্য এবং অনুসন্ধানের বের হয়ে আসা তথ্যপ্রমাণের আলোকে ছয়টি মামলার অভিযোগ তৈরি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর দুদক কর্মকর্তারা মামলাগুলো তদন্ত করবেন।

লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার সামিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার সামিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার-২০১২ হয়েছেন সামিয়া সাইদ। সর্বশেষ গ্রান্ড ফাইনালে পাঁচ প্রতিযোগীর মধ্যে সামিয়ার মাথায় উঠে সেরা সুন্দরীর মুকুট।

কয়েক হাজার প্রতিযোগীর মধ্য থেকে লড়াই করে চূড়ান্ত পর্বে টিকে ছিলেন এই পাঁচ জন। তারা হলেন সাদিয়া আনজুমান্দ বানু সোমা, সামিয়া হোসেন খান, প্রসূণ আজাদ, সামিয়া সাইদ ও ফাতিমাতু যোহরা ঈশিতা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জমকালো অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে চ্যানেল আই’র পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর টিভি ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নুর সহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট থেকে চ্যানেল আই অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে।