ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন,
“দেশে ৫০ ভাগ ওষুধের অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ ঘটছে। ওষুধের অপব্যবহারের কারণে
মানব জীবন হুমকির দিকে যাচ্ছে। প্রেসক্রিপশন দেয়ার ক্ষেত্রে আরো সাবধানতা
অবলম্বন এবং চিকিৎসা শিক্ষাকে একমাত্র মানবকল্যাণে ব্যবহারের জন্য
চিকিৎসকদের কাজ করতে হবে। এছাড়াও ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ
মানুষ ও রোগীদের সচেতন হতে হবে।”
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বৃটিশ কাউন্সিল, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও ব্র্যাকের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে “ Promoting rational use of medicines through strengthening stakeholders’s relationship and engaging community with the process” শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক, বৃটিশ কাউন্সিলের পরিচালক রবিন ডেভিস ও ব্র্যাক হেল্থ-এর পরিচালক ড. কাওছার আফসানা সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার। ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের প্রভাষক হারুন-অর-রশিদ ব্র্যাক হেলথ সেন্টারে স্বাস্থ্য সেবা পদ্ধতি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “এ ব্যাপারে ব্যাপক গণসচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।” তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বৃটিশ কাউন্সিল, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও ব্র্যাকের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে “ Promoting rational use of medicines through strengthening stakeholders’s relationship and engaging community with the process” শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক, বৃটিশ কাউন্সিলের পরিচালক রবিন ডেভিস ও ব্র্যাক হেল্থ-এর পরিচালক ড. কাওছার আফসানা সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার। ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের প্রভাষক হারুন-অর-রশিদ ব্র্যাক হেলথ সেন্টারে স্বাস্থ্য সেবা পদ্ধতি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “এ ব্যাপারে ব্যাপক গণসচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।” তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

No comments:
Post a Comment