Pages

Monday, September 10, 2012

সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছি: মুহিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছি: মুহিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 গত নয় মাস ধরে সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সভাকক্ষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
‘বিভিন্ন মহল থেকে আপনার পদত্যাগের দাবি উঠেছে’ এমন প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, “অনেক দিন থেকে আমি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, ইচ্ছা করলে হয় না।”
 
অর্থমন্ত্রী জানান, হলমার্কের দুনীতির সঙ্গে অনেকেই জড়িত আছে। তারা দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছে। তারা যাতে পালাতে না পারে সে ব্যাপারে মামলা করা হবে।
 
তিনি বলেন, “পদ্মা ও ইউনূস পুরানো ইস্যু। এখন নতুন ইস্যু হচ্ছে হলমার্ক।” এ বিষয়ে তিনি বলেন, “শুধু এক হাতে তালি বাজে না। হলমার্কের সঙ্গে বড় বড় লোক জড়িত। সবার দোষ রয়েছে, বিষয়টি আমাদের সাবধান হওয়া উচিত।”
 
তিনি বলেন, “এরা আমাদের ব্যাংকিং খাতে ধস নামিয়েছে, দেশের ভয়াবহ ক্ষতি করেছে।”
 
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, যেই ধরনের অভ্যন্তরীণ বিল জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক সহ অন্যান্য ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে হলমার্ক গ্রুপের ভুয়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে- সেই অভ্যন্তরীণ বিল জালিয়াতি ঠেকাতে জারি করা একটি পরিপত্র নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের একটি মহলের চাপের মুখে আছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
 
এ ব্যাপারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে দেয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশকে নিজেদের ‘স্বাভাবিক ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা’র পথে সমস্যা হিসেবে দেখছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলো। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নয়, এ নির্দেশ বাতিলের দাবি নিয়ে তারা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে শনিবার দেখা করেছেন। বিষয়টিতে পরবর্তী কর্মযদিবসের মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস অর্থমন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
 
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, শাখা পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকায় জুনের আগে গত দুই বছরে ভুয়া লেনদেনের বিপরীতে বিল দেখিয়ে প্রধানত রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার আলামত টের পাচ্ছিলেন তারা।
 
তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর অর্থমন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের দেখভালের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নিয়ে নেয়ায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছিলেন না। অন্যদিকে এক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন সৃষ্ট বিভাগ- ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে’র কোনো তৎপরতা ছিল না।

No comments:

Post a Comment