Pages

Wednesday, September 26, 2012

প্রেমে মজেছেন হিনা-বিলওয়াল :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রেমে মজেছেন হিনা-বিলওয়াল :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সুচতুর পররাষ্ট্রনীতি কিংবা অভ্যন্তরীণ সুক্ষ রাজনীতি নয়। শুনা যাচ্ছে ঝামেটা শুধুই প্রেম ঘটিত। স্থানটা প্রতিদিন নিত্য নতুন ঘটনার জন্ম দেয়া দেশ পাকিস্তান। প্রেমের কাহিনীতে নতুন চরিত্র হয়ে অবির্ভুত হয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার এবং ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রধান বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো।

শুনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে মন দেওয়া-নেওয়া হয়ে গেছে। এখন তাঁরা ঘর বাঁধতে চান। অসম এই প্রেমে যথারীতি বাধাও আসছে। কিন্তু প্রেমিক বিলওয়াল একাট্টা হয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তার এই মিশনে। তারা নাকি এখন সুদূর সুইজারল্যান্ডে গিয়ে ঘর বাধতে চান।

তাক লাগানো এই খবরটি প্রথম প্রকাশ করে বাংলাদেশি ট্যাবলয়েট উইকলি ব্লিটজ। ব্লিটজ এর বরাত দিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি পত্রিকা খবরটি ছাপিয়েছে।

সূত্রগুলোর খবরে বলা হয়, হিনা-বিলওয়ালের প্রেমে বাদ সেধেছেন বিলাওয়ালের বাবা পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। তবে সাহসী প্রেমিক বিলাওয়াল বাবাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে পিপিপির প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়ে দেবেন তিনি।

প্রেমের ক্ষেত্রে বয়সকে হার মানিয়েছেন হিনা-বিলাওয়াল। বিলাওয়ালের চেয়ে ১১ বছরের বড় হিনা। তবুও বয়সের এই ব্যবধান সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়নি।

হিনার অনন্যা ও দিনা নামের দুটি সন্তান আছে। এই প্রেমের জন্য কোটিপতি ব্যবসায়ী স্বামী ফিরোজ গুলজারকে তালাক দেওয়ারও চিন্তা করছেন হিনা। বিয়ের পর দুই সন্তানকে নিয়ে সুইজারল্যান্ডেই থাকতে চান বিলাওয়াল।

জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ভবনে হিনা ও বিলাওয়ালকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। এর পরই প্রেমের ব্যাপারটি জানাজানি হয়ে যায়। আসিফ আলী জারদারি নানাভাবে এ দু’জনকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি।

অরেকটি খবর। কিছু দিন আগে বিলাওয়ালের জন্মদিনে হিনা একটি বার্তাসহ কার্ড পাঠিয়েছেন। কার্ডে হিনা নিজ হাতে লেখেন ‘আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং শিগগিরই আমরা এক হতে যাচ্ছি।’ সূত্র: ওয়েবসাইট।

মাহফুজুরকে র‌্যাব সদর দফতরে ৩ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাহফুজুরকে র‌্যাব সদর দফতরে ৩ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের সদর দফতরে ডেকে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
 
র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম সোহায়েল জানিয়েছেন, ‘‘আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মাহফুজুর রহমানকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডেকে আনেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।’’
 
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন বৃটেনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাগর-রুনির খুন হওয়াকে ‘পরকীয়ার বলি’ আখ্যা করে মন্তব্য করেন মাহফুজুর রহমান। এরপর থেকে সাংবাদিক সংগঠনগুলো তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়ে আসছে।
 
এদিকে এ হত্যা রহস্য রহস্য আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে মঙ্গলবার আশা প্রকাশ করছেন নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

এ বছর সর্বোচ্চ বরফ গলেছে উত্তর মেরুতে :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

এ বছর সর্বোচ্চ বরফ গলেছে উত্তর মেরুতে :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বৈশ্বিক উষ্ণতা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে চলতি বছর উত্তর মেরুর বরফ গলার হার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, আগামী ২০ বছরের মধ্যেই আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

চলতি মাসের মাঝামাঝিতেও আর্কটিক রেঞ্জে ৩৪ লাখ বর্গকিলোমিটার অংশে বরফ দেখা গেছে। ১৯৭৯ সাল থেকে রাখা রেকর্ড অনুযায়ী এটাই আর্কটিকের বরফ আচ্ছাদিত স্থানের আয়তনের মধ্যে সর্বনিম্ন।

স্যাটেলাইট ইমেজের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্ন্যো অ্যান্ড আইস ডাটা সেন্টার (এনএসআইডিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছরই উত্তর মহাসাগরের বরফ ঋতুভেদে সঙ্কুচিত বা প্রসারিত হয়ে থাকে। বরফ গলে উত্তর মেরুর আয়তন সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে কমে যায়।

তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী শেষ দুই সপ্তাহেই আর্কটিকের পাঁচ লাখ ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরফ গলে গেছে।

তথ্য হতে জানা গেছে, গ্রীষ্ণের শেষে এটিই সর্বোচ্চ বরফ গলার হার। আর উত্তর মেরুর বরফ গলার হারকে বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা মাপার সূচক হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। তবে এবারের বরফ গলাকে বিজ্ঞানীরা পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন।

বিজ্ঞানীরা আরো জানান, অবস্থা এ রকম থাকলে এখন থেকে ২০ বছরের মধ্যে আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনাতেও অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশনস ইউনিয়ন তাদের এক প্রতিবেদনে বলছে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ২০ শতাংশের বেশি পরিবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের আওতায় থাকলেও বাংলাদেশে এ সংখ্যা মাত্র তিন শতাংশের কিছুটা বেশি।

বাংলাদেশে বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হবার পর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ম্লোগান দিয়ে ইন্টারনেট সহজলভ্য করার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দিক থেকে বাংলাদেশ এত পিছিয়ে কেন?

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপিগুলোর দেয়া হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৯৪ লাখ। কিন্তু এদের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ১২ লাখের কিছুটা বেশি। মোট জনসংখ্যার তুলনায় যেটি খুবই নগণ্য।

টেলিযোগাযোগ খাতের একজন বিশেষজ্ঞ আবু সাইদ খান বলছিলেন গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়লেও সেটি প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি।

তিনি বলেন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের প্রসার না হবার পেছনে সরকারের নীতি অনেকটা দায়ী।

তিনি বলেন, “ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এখনও বেশ ব্যয়বহুল এবং শহরের যারা আর্থিকভাবে স্চ্ছল তাদের মধ্যেই সেটি সীমাবদ্ধ। টেলিযোগাযোগখাতে যারা সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী অর্থাৎ মোবাইল টেলিফোন কোম্পানিগুলো এখাতে বিনিয়োগ করতে পারছে না সরকারি নীতির কারণে।”

গত কয়েকবছরে দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে সরকারের উদ্যোগে ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন সেখানে মানুষের আগ্রহ দেখে বোঝা যায় ইন্টারনেট ব্যবহারের আগ্রহ শুধু শহরাঞ্চলে নয়, গ্রামঞ্চলেও বেড়েছে। কিন্তু ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যয়বহুল হওয়ায় বিষয়টি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠনের সভাপতি আখতারুজ্জমান মঞ্জু বলেন, প্রতি মেগাবাইট ব্রডব্যান্ড সংযোগ নিতে ঢাকায় যেখানে খরচ হয় দশ হাজার টাকা সেখানে ঢাকার বাইরে তার দ্বিগুণ খরচ হয়। তিনি বলেন, সরকার যদি ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের অবকাঠামো উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যায় তাহলে বেসরকারি উদ্যোগে গ্রামাঞ্চলে সেটি পৌঁছানো সম্ভব হবে।

মঞ্জু বলেন, ইন্টারনেটের ব্যবহার ছড়িয়ে দেবার জন্য তারা শহরাঞ্চলের বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে দুই কোটি ৯৪ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে দুই কোটি ৭৭ লাখই মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। বিশ্লেষকদের মতে সংখ্যার বিচারে এটি উল্লেখযোগ্য হলেও গুনগত মানের বিচারে সেটি মোটেও যথেষ্ঠ নয়।

বিশ্লেষক আবু সাইদ খান বলছিলেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ যে ধরনের সেবা পেতে চায় সেটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের উদ্যোক্তা এবং বিশ্লেষকদের মতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বাংলাদেশে কতটা বিস্তৃত হবে তার অনেকটাই নির্ভর করছে এ খাতে খরচ কতটা কমে আসবে তার ওপর। সূত্র: বিবিসি।

১০ সেকেন্ড পালস চালু করলো গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

১০ সেকেন্ড পালস চালু করলো গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অবশেষে সব প্যাকেজে ১০ সেকেন্ড পালস ও ফ্ল্যাট ট্যারিফ চালু করেছে মোবাইলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। গ্রাহক সংখ্যার কারণে বেধে দেয়া সময়ের চেয়ে এক সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন অপারেটরটির রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক তাইমুর রহমান। তিনি বলেন, “সময় একটু বেশি লাগলেও রোববার থেকে পুরোপুরিভাবে ১০ সেকেন্ড পালস ও ফ্লাট রেট কার্যকর করা হয়েছে। ইচ্ছে থাকা সত্বেও বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে বিটিআরসির নির্দেশনা পুরোপুরি কার্যকর সম্ভব হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে দুই দফা সময় নিয়েও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র আল্টিমেটাম অনুযায়ী গত ১৫ সেপ্টেম্বারের মধ্যে ১০ সেকেন্ড পালস চালু করতে পারেনি গ্রামীণফোন। ফলে নির্ধারিত সময়ে ১০ সেকেন্ড পালস পুরোপুরিভাবে চালু না করতে পারায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ সময়ে গ্রামীণফোনকে গ্রাহকদের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকাও ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি। বিটিআরসির নোটিশে গ্রামীণফোনকে অবশিষ্ট সব প্যাকেজে সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ড পালস এবং ফ্ল্যাট রেট ট্যারিফের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছিল। অপারেটরটি যেসব প্যাকেজে ১০ সেকেন্ড পালস চালু করেনি সেসব প্যাকেজ থেকে অর্জিত অতিরিক্ত টাকা আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে গ্রাহকদের ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। এদিকে আরেক অপারেটর বাংলালিংকও সব প্যাকেজে নির্ধারিত সময়ের পরে ১০ সেকেন্ড পালস চালু করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটিকেও নোটিশ দিয়েছে বিটিআরসি। বাংলালিংকেও ২৩ অক্টোবরের মধ্যে গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

অ্যাপাসারের একটেরাইট বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

অ্যাপাসারের একটেরাইট বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পিসি ব্যাবহারকারীদের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট নিরাপদে সংরক্ষণ ও স্বাধীনভাবে ব্যবহারের জন্য দ্রুতগতিতে তথ্য স্থানান্তরে সক্ষম আকর্ষণীয় ডিজাইনের বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক দেশের বাজারে এনেছে শীর্ষ প্রযুক্তি পণ্য ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার সোর্স।

এক টেরাবাইট ধারণক্ষমতার অ্যাপাসার এসি২৩৩ মডেলের এই হার্ডডিস্কটির রয়েছে পাঁচটি বিশেষ ফিচার।

ইউএসবি ২ ও ৩ পোর্ট সমর্থিত এই বহনযোগ্য হার্ডডিস্কে প্রতি সেকেন্ডে ২.৫ জিবি ডাটা স্থানান্তরিত হয়। কারিগরি দৃঢ়তার পাশাপাশি ইএসবি চার্জে চালিত অ্যাপাসারের হাঙরের পিঠের প্রবাহ রেখার মতো নান্দনিক ডিজাইনের হার্ডডিস্কটিতে কখনোই স্ক্রাচ পড়বে না।

তিন বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাযুক্ত বহনযোগ্য এই হার্ডডিস্কটির দাম সাড়ে নয় হাজার টাকা।

মেয়ের বাপ অক্ষয় :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

মেয়ের বাপ অক্ষয় :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দ্বিতীয়বারের মতো বাবা-মা হলেন বলিউড স্টার অক্ষয় কুমার ও অভিনেত্রী টুইঙ্কেল খান্না দম্পতি। মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে টুইঙ্কেল খান্না একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

অক্ষয়-টুইঙ্কেল দম্পতির সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া কন্যাটি নিয়ে এই তারকা দম্পতির আনন্দ-উচ্ছ্বাসের কমতি নেই। শিশুটি দেখতে নাকি ঠিক তার মায়ের মতো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আক্কি।

এদিকে সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া নাতনিকে পেয়ে অক্ষয়-টুইঙ্কেলের চেয়েও মনে হয় বেশি খুশি নানি ডিম্পল কাপাডিয়া। এক প্রতিক্রিয়ায় এই অভিনেত্রী বলেন, “আমরা আশীর্বাদপ্রাপ্ত বলেই সুন্দর মেয়েশিশুটি পেয়েছি, যে দেখতে একদম তার মা এবং নানির মতো।”

অক্ষয়-টুইঙ্কেল দম্পতির ১০ বছর বয়সি আরাভ নামে একটি ছেলে রয়েছে।

এদিকে অক্ষয় তার আপকামিং মুভি ‘ওহ মাই গড’-এর প্রচারণায় অংশ নিতে সোমবার মুম্বাইয়ের বাইরে থাকলেও টুইঙ্কেলের অসুস্থতার কথা শুনে সব ফেলে চলে আসেন স্ত্রীর কাছে। দ্বিতীয়বার বাবা হাবার পর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার আনন্দ প্রকাশের কোনো ভাষা নেই।” সূত্র: এনডিটিভি

শাহরুখ ও আমিরের মধ্যে তুলনা করবেন না: জুহি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

শাহরুখ ও আমিরের মধ্যে তুলনা করবেন না: জুহি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 একজনের সঙ্গে জীবনের প্রথম ছবি আর অন্যজনের সঙ্গে বর্তমানের গভীর বন্ধুত্ব। তাই ৪৪ বছর বয়স্ক সাবেক এই মিস ইন্ডিয়া ও দর্শকপ্রিয় নায়িকা জুহি চাওলার কাছে বারবারই উঠে আসে একটি প্রশ্ন, কে সেরা- আমির খান, নাকি শাহরুখ?

সেই নব্বই দশকের শুরুর দিক থেকেই শাহরুখ আর আমিরের সঙ্গে রুপালি পর্দায় চুটিয়ে অভিনয় করেছেন জুহি। জীবনের প্রথম ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তাক’ থেকে শুরু করে ‘দৌলত কি জং’, ‘ইশক’-এর মত মেগাহিট ছবিগুলোতে আমিরের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি।

অন্যদিকে বন্ধু শাহরুখের সঙ্গেও জুহির সাফল্য কম নেই। দার, ইয়েস বস, ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি ছবিগুলোই তার প্রমাণ।

কিন্তু কে সেরা, শাহরুখ নাকি আমির- এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খানিকটা কৌশলীই হলেন জুহি। এ বিষয়ে জুহি বলেন, “আমি আমির আর শাহরুখের মধ্যে তুলনা করি না। তারা উভয়েই তাদের নিজস্ব পথে দারুণ। তাদের সম্পর্কে আমি শুধু একটি কথাই বলতে পারি যে, সেটে শাহরুখ খুব মজা করতে ভালোবাসে আর আমির সবসময়ই সিরিয়াস।”

সোমবার মুম্বাইয়ে একটি ই-লার্নিং ওয়েবসাইটের প্রচার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের দুই মেগাস্টার সহশিল্পী সম্পর্কে জুহি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সদ্য মুক্তি পাওয়া রণবীর কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা অভিনীত ‘বরফি’ ছবিটি ভারত থেকে অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সূত্র: বি.বি।

হতাশা ধমনীর রোগের ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

হতাশা ধমনীর রোগের ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মারাত্মকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত অনেকের ফুসফুসে তরল পদার্থ জমে। এসব মানুষ মাঝে মাঝে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যাচ্ছেন। এ ধরনের অনুভূতির সম্মুখীন হন। বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের গবেষক ড. মাইক ন্যাপটন বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত অনেক লোক বিভিন্ন ওষুধের কারণে হার্টস্ট্রোক থেকে বেঁচে যান কিন্তু এটা তাদের বিভিন্ন সমস্যায় ফেলে দেয়, যা তারা জানেন না। এর ফলে মানুষের
ফুসফুসে তরল পদার্থ জমতে পারে-যা মানুষকে মাঝে মাঝে শ্বাসরুদ্ধ করে দেয়, এমনকি ওই সময় চেয়ার কিংবা বিছানায় শুয়ে থাকলে ওঠার শক্তিও পান না তারা।

মানুষের হৃদযন্ত্রের কোষগুলো পুনরুৎপাদন করা যায় না। স্টেমসেল গবেষণার মাধ্যমে এ বিষয়ে গবেষণা করলে উল্লেখযোগ্য আগ্রগতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মাইক ন্যাপটন।

গবেষণায় দেখা যায়, ৮০ শতাংশ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর এর প্রভাব সম্পর্কে অসচেতন। বৃটেনে হৃদরোগে আক্রান্ত মোট সাড়ে সাত লাখ মানুষ রয়েছেন। এসব মানুষের হৃদযন্ত্র ও শরীরের সবস্থানে স্বাভাবিকভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না, যা হার্টস্ট্রোকের অন্যতম কারণ।

দুই হাজার ১৭০ জনের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হার্টস্ট্রোকে হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হৃদযন্ত্রে সমস্যা হলেও তা নিজে নিজে ঠিক হয়ে যায়। সূত্র: এএনআই

মোদাচ্ছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না সংসদীয় উপকমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মোদাচ্ছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না সংসদীয় উপকমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারি তদন্তে গঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না। এমন সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে কমিটি বলছে, এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেননি।
 
মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন উপকমিটির আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম। সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তদন্ত চালাতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে জানান আহ্বায়ক।
 
অবৈধভাবে হলমার্ককে দুই হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার ঘটনা তদন্ত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ দেয়ার অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত এই সংসদীয় উপকমিটি মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন করে।
 
তদন্ত দলে উপকমিটির আহ্বায়ক ছাড়াও ছিলেন সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী। তারা ব্যাংকটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন।

‘নারী নির্যাতনের আর্থিক মূল্য দিতে হয় বছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘নারী নির্যাতনের আর্থিক মূল্য দিতে হয় বছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে শুধুমাত্র নারী নির্যাতনের কারণে প্রতিবছর ১৪ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা খরচ হয়। যা বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় দুই শতাংশ।

নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা, বিচার প্রক্রিয়া সম্পাদন, বিচার প্রার্থী, আসামির যাতায়াত, খাবার, প্যানালটি এবং সালিশ আয়োজনে এই টাকা খরচ হয়।

কেয়ার বাংলাদেশের গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে ‘কস্ট অফ ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট ইউম্যান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হামিদা হোসেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, “নারী নির্যাতনের কারণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে অনেক মূল্য দিতে হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্যতিত নারীর শিশুরা। যার মূল্য তাদের সারা জীবন দিতে হয়। নির্যাতনের সামাজিক মূল্যগুলো হলো, যৌতুক, মানসিক সমস্যা, অপমান, স্কুল থেকে ঝরে পড়া ইত্যাদি। তবে নারী নির্যাতনের কারণে যারা মারা যাচ্ছে তার মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেন,  “নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। নারীর প্রতি ব্যক্তিগত, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দারিদ্র্যের কারণে নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না।”

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের একটি আইনি ভিত্তি হলো- পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১০ । আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গবেষক ড. কানিজ সিদ্দিকী, ইউএসএইড’র বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর রিচার্ড গ্রিনে ও মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম।

সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাদের জিঙ্গাসাবাদ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।

ইতোমধ্যে উল্লিখিতদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দুদকের অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়,  বুধবার সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পাঁচজন সদস্যকে জিঙ্গাসাবাদ করা হবে। এরা হলেন, শহিদুল্লাহ মিয়া, কাশেম হুমায়ুন, জান্নাত আরা হেনরী, সুভাষ সিংহ রায় ও সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ।

এছাড়াও পরিচালনা পর্ষদের অন্যদের ধারাবাহিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদকের অনুসন্ধান দল।

অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়,  সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম, পরিচালক শহিদুল্লাহ মিঞা, সুভাষ সিংহ রায়, জান্নাত আরা হেনরী, কাশেম হুমায়ূন, শহিদুল্লাহ মিয়া, আনওয়ার শহীদ, এএসএম নাঈম, কেএম জামান রোমেল, সাইমুম সরওয়ার কামাল, সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ও প্রদীপ কুমার দত্তকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে।

দুদকের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

রাজনৈতিক বিদ্বেষেই বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজনৈতিক বিদ্বেষেই বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রাজনৈতিক বিদ্বেষের কারণে বিচারক শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে মাহমুদুর রহমানের দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শফিক আহমদ বলেন, “মাহমুদুর রহমান সাহেব যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যথাযথ ফোরামে এ অভিযোগ দায়ের করেননি বলেই আমার কাছে মনে হচ্ছে। কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ থাকলে সংবিধানের আলোকেই রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা নিতে পারেন।”

আইনমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানেই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের গঠনের কথা বলা হয়েছে। সেটা প্রধান বিচারপতির অনুরোধে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন। এ জন্য কোনো নাগরিকের অভিযোগ দায়েরের প্রয়োজন নেই। তাছাড়া বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর মানিকের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা এখনো প্রমাণিত নয়।”

বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির কাছে একটি আবেদন জমা দেন। প্রধান বিচারপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি জমা দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে। আর রাষ্ট্রপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব।

এ আবেদনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইনমন্ত্রী এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। ব্রিফিংকালে তিনি বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

বিচারক শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়ের করা অভিযোগে যে ২৯টি অপরাধের কথা বলা হয়েছে- এগুলো সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ অভিযোগ করলেই তার ভিত্তিতে কাউকে অভিযুক্ত বলা যায় না। এটা প্রমাণসাপেক্ষ বিষয়। বিচারক শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত নয়।”

আপনি বলেছেন, বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমানের উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ নিয়মে হয়নি। তাহলে যথাযথ নিয়ম কোনটি? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সঠিক নিয়মের বিষয়ে সংবিধানেই সুস্পষ্ট করে বলা হয়েছে। তাছাড়া বিচারপতির বিরুদ্ধে যে কেউ অভিযোগ করলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। আমাদের সবাইকে এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

একজন বিচারকের অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে কোন নাগরিকের অভিযোগ দায়ের যদি বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে তাহলে রাষ্ট্র কেন পদক্ষেপ নিচ্ছে না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিচারক শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তার কোনোটাই এখন পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। রাষ্ট্রপতি তখনই উদ্যোগ নেবেন, যখন কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ আসবে। আর সেটা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আসতে হবে।”

একজন বিচারক যদি আইন ভঙ্গ করেন কিংবা কোনো নাগরিকের অধিকার হরণ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে দেশের একজন সচেতন নাগরিকের আইনের আশ্রয় নিতে বাধা কোথায়? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ ফৌজদারি অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনেই ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।”

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে এর আগেও সুপ্রিম কোর্টের সরকার দলীয় একজন আইনজীবী অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাষ্ট্রপতি ওই অভিযোগ তদন্তের জন্য আইনমন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দিয়েছে। ওই অভিযোগটি এখন কি অবস্থায় রয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “ওই অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো এখতিয়ার নেই একজন বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার। তাই ওই অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে।”

জনতা ব্যাংকের ৩৫০ কোটি টাকা আত্মসাত তদন্তে দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জনতা ব্যাংকের ৩৫০ কোটি টাকা আত্মসাত তদন্তে দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব জনতা ব্যাংকের ৩৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি অনুসন্ধান দল গঠন করেছে। জনতা ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখা, ভবন শাখা ও লোকাল অফিসে এ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পাওয়া অভিযোগটিতে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ৩৫০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি জনতা ব্যাংকের বোর্ড অফ ডিরেক্টর অডিট কমিটির ২৯তম সভায় জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হলেও  পরে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের জন্য তানভীর চৌধুরীর  নাম ব্যবহার করে দুটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা তুলে নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠান দুটির নাম হলো মেসার্স চৌধুরী নিটওয়্যারস লিমিটেড এবং মেসার্স চৌধুরী টাওয়েল। জনতা ব্যাংকে ২০০৭-০৯ সাল এই তিন বছরের ৩৬ মাসের মধ্যে ২৪ মাসে চৌধুরী নিটওয়্যারস লিমিটেড আত্মসাত করে ৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। নির্ধারিত সময়ে কোনো মামালামাল না এনে এই টাকা লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। আবার একই প্রতিষ্ঠান ২০০৭ সালের মে মাস থেকে ২০০৯ মাসের এপ্রিল মাস পর্যন্ত  ৩১ লাখ ৯৯ হাজার ১৮০ মার্কিন ডলার ( প্রায় ২৩ কোটি টাকা) ভূয়া এলসির মাধ্যমে আত্মসাত করে। প্রতিষ্ঠানটি মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে প্রায় ৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে। লোকাল বিল পার্চেজ শিটে জামানত আছে এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে এই টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে (এরএফডি সার্কুলার লেটার নম্বর ৮)। আবার একই গ্রাহক মেসার্স সাইনথেটিক ইয়ার্ন এর এল ডিবিবি (বিল নম্বর-২৬৫/০৮ ও ৮৮/০৯) এর অনুমোদন নেয়ার সময় মিথ্য তথ্য দিয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। একইভাবে মেসার্স এমআরএসআর ইন্টারন্যাশনালের চারটি বিল পার্চেজ করে ৫২ লাখ এবং মীর এন্টারপ্রাইজের বিল পার্চেজ করে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ২০০০-০১ অর্থ বছরে ঘটনাটি ঘটে। দীর্ঘ কয়েক বছরে এই টাকা আত্মসাত করা হয়। ২০০৭ সালে চৌধুরী নিটওয়্যারস ১৬টি ভূয়া রফতানী কালেকশন বিল দেখিয়ে (বিল নম্বর-৫৬, ৫৭, ৫৮, ৫৯, ৬২, ৬৯, ৭০, ৭৬, ৭৯, ৮০, ৮২, ৮৩, ৮৪, ৮৫, ৮৬ ও ১৩১/ ২০০৮) তার বিপরীতে একই শাখা থেকে লোকাল ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খুলে ১৭ লাখ ৭ হাজার ২০০ মার্কিন ডলারের (প্রায় পৌনে ১২ কোটি টাকা) মালামাল ফ্যাক্টরিতে না এনে এমনকি রফতানি না করে এর বিল শাখা থেকে তুলে নেয়। এখানে জালিয়াতির মাধ্যমে সব টাকা  আত্মসাত করার অভিযোগ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের বিল পার্সেজের সময় ৭০ লাখ টাকা সান্ড্রি ডিপোজিট একাউন্ট সান্ড্রি ক্রিডিটরস্ হিসাবে দেখানো হয়। এখানে গ্রাহকের ১৫০ কোটি টাকা দায় থাকা সত্ত্বেও অসৎ কর্মকর্তাদের সহয়তায় একাজ করা হয়। ২০০৮ সালে ৯টি লোকাল সাপ্লাইয়ারের কাছ থেকে ভূয়া বিল করে ব্যাংকের মাধ্যমে ৪১ কোটি টাকা গ্রুপটি হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়। এখানে ১৪৪টি ভুয়া বিল ব্যবহার করা হয়। অভিযোগে আরো বলা হয় এ সময় গ্রুপটির রমনা শাখার কাছে ১৬০ কোটি টাকার পিএডি দায় ছিল। ২০টি ভুয়া রফতানি বিলের কুশন দেখিয়ে (এফডিবিসি নং-৬৮/২০০৭, বিল নম্বর-৯, ১২, ১৪, ১৬, ১৭, ১৮, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৫০, ৬৪, ৬৫, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৫, ১১০/২০০৮) ব্যাক টু ব্যাক এলসির কথা বলে মালামাল রফতানি না করে প্রায় ৯ কোটি টাকা মেসার্স চৌধুরী টাওয়েল ইন্ডাস্ট্রির নামে আত্মসাত করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। দুদকের সহ-পরিচালক মাহমুদ হাসানের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের টিমের অন্য সদস্যরা হলেন, এস.এম সাজ্জাদ হোসেন, সুচিত্রা সেন, মেহতাউল্লাহ জান্নাত।

Tuesday, September 25, 2012

কুড়িগ্রামে আবার বন্যা ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

কুড়িগ্রামে আবার বন্যা ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের ৩৫ ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। জেলার নিম্নাঞ্চলসহ চর ও দ্বিপচরগুলো তলিয়ে যাওয়ায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর রোপা আমন।

এছাড়া চারণভূমিগুলো তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে পাঁচ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষের দু’দিন পর ১৪৪ ধারা তুলে নেয়া হচ্ছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

একইসঙ্গে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে একটি শান্তি মিছিল করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফা কামাল।

সোমবার জেলা প্রশাসনের অফিসে এক বৈঠকের পর পাহাড়িদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির একজন এবং বাঙালিদের একজন প্রতিনিধিকে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা বলছেন, ছোট একটি ঘটনা থেকে সংঘর্ষ গোটা শহরে ছড়িয়ে পরার পেছনে গুজব প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
 
মোস্তাফা কামাল বলেন, “পাহাড়ি এবং বাঙালিদের প্রতিনিধিরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অনুরোধ করবে যেন কেউ কোন গুজবে কান না দেন।”

রোববার রাতেও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ লাঠি-সোটা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন রাঙামাটি শহরে মাইক যোগে গুজবে কান না দিয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়।

এ ব্যাপারে হেডম্যান বিপ্লব চাকমা বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”

স্থানীয় অনেকে মনে করছেন সংঘর্ষ ‘পরিকল্পিতভাবে’ ঘটানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”

বিপ্লব চাকমা বলেন, “সংঘর্ষের দিন অনেক বাঙালি এবং পাহাড়ি একে অপরকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করেছে।”

অন্যদিকে, বাঙালি দাঙ্গাকারীদের অনেককে তিনি ‘অপরিচিত’ বলে বর্ণনা করেন।

রাঙামাটি সরকারি কলেজে একজন পাহাড়ি এবং একজন বাঙালি ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়েছিল বলে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন। পরে পুরো রাঙ্গামাটি শহরে পাহাড়ি এবং বাঙ্গালিদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি এবং সেনাবাহিনীর টহলের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী এই সহিংসতা থামাতে গিয়ে পুলিশসহ অন্তত ত্রিশজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মাসুদ-উল-হাসান বলেন, “সহিংসতা এরকম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। সহিংসতার সময় বাঙালিরা বাঙালি এলাকায় এবং পাহাড়িরা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ ঘটনার জন্য আমরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। এটা কোনভাবেই আঁচ করা যায়নি।”

তিনি বলেন, “পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন উত্তরণের’ আওতায় সেনাবাহিনী সবসময় টহলে থাকে।” সূত্র: বিবিসি

‘অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে’-মুশফিক :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে’-মুশফিক :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পাল্লেকেলের উইকেটে নামার আগে কঠিন সব প্রশ্নের জবাব দিতে হল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে।

পাল্লেকেলের উইকেটে মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আজ ছিল শেষ অনুশীলন পর্ব। দুপুরে টিম বাস পাল্লেকেলের মূল ফটকে হাজির হয়। অনুশীলনে নামার আগেই আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন মুশফিক।

অতীত, বর্তমান এবং সেই সঙ্গে আগামী দিনের প্রসঙ্গ সবই উঠে আসলো সংবাদ সম্মেলনে। আর সেসব প্রশ্নের টার্গেট মুশফিক। তবে বেশ দক্ষতার সঙ্গেই প্রশ্নগুলোর জবাব  দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

মুশফিকের বক্তব্য শুনে কেউ বলতে পারবে না বাংলাদেশ ‘চাপের উপর দাঁড়িয়ে’ জয়ের চিন্তা করছে। এক বিদেশী সাংবাদিক আত্মবিশ্বাস প্রসজ্ঞে জানতে চাইলে মুশফিক বলেন,“অবশ্যই আমাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব নেই। টি-২০ বিশেষ
ম্যাচ। এখানে কেউ ফেভারিট বা অপরাজেয় দল নয়।”

পাকিস্তান অপরাজেয় দল নয়। অথচ আপনারা ৫৯ রানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেছেন। এটা আপনাদের জন্য বড় বেশি চাপ হয়ে গেল না? জবাবে কি বলবেন? মুশফিক
বলেন,“চাপ তো সব ম্যাচেই থাকে। আমার মনে হয় যেহেতু ওরা অনেক বেশি শক্তিশালী দল। তাই চাপটা ওদের ওপরও থাকবে।
ভুল করলে হেরে যাবার সম্ভাবনা আছে। সেটা বেশ ভালোভাবেই জানে পাকিস্তান। এটাও তো একটা বিশাল চাপ। আমাদের প্রধান কাজ হবে শত ভাগ দিয়ে খেলব। এবং তিনটি বিভাগে যে ভুল গুলো করেছি সে গুলো যেন না হয়। আমার মনে হয় আমরা নিজেদের যোগ্যতার ৬০ শতাংশও খেলতে পারিনি। তা যদি আমরা পারি তাহলে কালকের ম্যাচে পজেটিভ কিছু একটা হতে পারে। আমরা ওদের বিপক্ষে খেলেছি। আমরা জানি ওদের সম্পর্কে। ওদের বোলারদের অনেক দিন ধরেই খেলছি। নির্দিষ্ট
দিনে যদি আমরা পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারি তাহলে কালকে ভাল ফলাফল হবে।”

পাকিস্তান দলের সাবেক স্পিনার সাকলাইন মোস্তাক আপনাদের স্পিন কোচ হিসাবে আছেন। তার সাহায্যে পাকিস্তানকে পর্যবেক্ষন করার ক্ষেত্রে কতটা সহায়ক হবে বলে মনে
করছেন? মুশফিক বলেন,“তিনি আমাদের অনেক সাহায্য করছেন। তিনি আমাকে পাকিস্তানী স্পিনারদের মোকাবেলা করার বিষয়টি অবহিত করছেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তান বোলাদের কিভাবে খেলা সহজ। কি করে ওদের বিপক্ষে রান করা যায়। তবে
অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে।”

২০১১ বিশ্বকাপেও আমরা সমান পয়েন্ট পেয়েও রান রেটের কারনে বাদ
পড়েগিয়ে ছিলাম। এবারও সেই পরিস্থিতি হতে পারে। দলের ক্রিকেটাররা কি আগে
থেকে এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করে? মুশফিক বলেন,“অবশ্যই। আমরা সে হিসাব কষেই পরিকল্পনা সাঁজিয়েছি। ৩৬ বা ৩৭ রানের ব্যবধানে আমাদের জয় পেতে হবে। অথবা পরে ব্যাট করলে ১৫ বা ১৭ ওভারের মধ্যে রান চেজ করে খেলা শেষ করতে হবে। সব
কিছুই নির্ভর করছে খেলা শুরু হবার পর কি হয় পরিস্থিতি তার ওপর। আমাদের জিতলেই তো হবে না। রান রেটটাও আমাদের নজর রাখতে হবে। সে দিকে নজর রেখেই একাদশ তৈরি করব।”

সাইদ আজমল এক বছর ধরে বিশ্বের সেরা স্পিনার। তার বিপক্ষে খেলতে যাবার আগে অধিনায়ক হিসাবে কতটা হুমকি বলে মনে হয় আপনার কাছে? মুশফিক জবাবে বলেন,“ওর
বিপক্ষে তো অবশ্যই পরিকল্পনা আছে। টি-২০ ম্যাচে নির্দিষ্ট সময়ে সাইদ আজমলের বলের বিপক্ষে ঝুঁকি নিতে হয়।”

দলে পরিবর্তন আছে কিনা জানতে চাইলে মুশফিক জানান
ফ্রেস উইকেটে খেলা হবে। আর যেহেতু রাতে খেলা হবে তাই সেভাবে চিন্তা করছি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দিনে খেলা শুরু ছিলো। তাই আমরা মনে করেছিলাম স্পিন ধরবে। কিন্তু হয়নি। কাল যেহেতু ম্যাচ রাতে তাই উইকেট পেস সহায়ক হবে। আমাদের কিছু সিমিং অলরাউন্ডার আর পেস বোলার আছে। কাল উইকেট দেখে হয়তো একটা বা দুটো পরিবর্তন হতে পারে।

সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ী যারা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ী যারা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আর কয়েক দিন পরই শুরু হচ্ছে নোবেল মৌসুম৷ একে একে ঘোষিত হবে নোবেল বিজয়ীদের নাম৷ এর আগে সম্ভাব্য নোবল জয়ীর নামের একটা তালিকা তৈরি করেছে থমসন রয়টার্স৷

নোবেল কে পাবেন সেটা বলাটা বেশ কঠিন এক কাজ৷ আর সেই কাজটাই ১৯৮৯ সাল থেকে করে আসছে থমসন রয়টার্স৷ তারা প্রতি বছর নোবেল কমিটি কর্তৃক বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করার আগেই সম্ভাব্যদের একটা তালিকা প্রকাশ করে থাকে৷ এখন পর্যন্ত দেখা গেছে, শুধু ১৯৯৩ আর ১৯৯৬ সাল বাদ দিয়ে অন্যান্য বছরগুলোতে রয়টার্সের তালিকা থেকে অন্তত একজন নোবেল পেয়েছেন৷ আরও একটা তথ্য এক্ষেত্রে দেয়া যেতে পারে যা এই তালিকার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেবে৷ সেটা হচ্ছে, থমসন রয়টার্সের হয়ে ডেভিড পেন্ডেলবুরি গত ১০ বছরে সম্ভাব্য নোবেল জয়ীর যে তালিকা করেছিলেন, তার থেকে মোট ২৬ জন নোবেল পেয়েছেন৷ ফলে পেন্ডেলবুরি এ বিষয়ে একটা পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন বলা যায়৷

তার হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে এবার সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ীর তালিকায় রয়েছে ‘কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন’র আবিষ্কারকদের নাম৷ এরা হলেন, আইবিএম’র গবেষক চার্লস বেনেট, মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গিলস ব্রাসার্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়ামস কলেজের উইলিয়াম উট্টারস৷

এই তিনজন ১৯৯৩ সালে কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন নিয়ে কাজ করেছিলেন৷ সেসময় বিষয়টা পদার্থবিদদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল৷ ফলে ওই বছরে প্রায় ৫,৩০০ বার এই তত্ত্বের কথা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল৷ যেটা ওই বছরে প্রকাশিত অন্যান্য গবেষণা তত্ত্বের চেয়ে প্রায় তিনশো গুণ বেশি৷ শুধু ১৯৯৩ সালেই নয় পরবর্তীতেও বিষয়টা নিয়ে কাজ করেছেন অনেক বিজ্ঞানী৷

কিন্তু কী এই কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন? আইনস্টাইন বিষয়টাকে ‘ভুতুড়ে' নামে আখ্যায়িত করেছিলেন৷ বিষয়টা হচ্ছে, কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই কোয়ান্টাম তথ্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া৷ অনেকটা বেতার তরঙ্গের মতো৷

তত্ত্বটা বাস্তবে রূপ দেয়া গেলে সুপার-ফাস্ট কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি সম্ভব হবে৷ এছাড়া কোয়ান্টাম ইন্টারনেটও আসতে পারে ভবিষ্যতে৷ যেটা বর্তমানের চেয়ে অনেক উন্নত হবে৷

পেন্ডেলবুরির তালিকায় আরো আছে ১৯৯০ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী লাই ক্যানহামের আবিষ্কার৷ রয়েছে আলোর গতি কমিয়ে দেয়া সংক্রান্ত গবেষণা প্রবন্ধের লেখক স্টিফেন হ্যারিস ও লেনে হাউ৷

বহুল আলোচিত হিগস বোসন কণার আবিষ্কারক পিটার হিগস এবার নোবেল পেতে পারেন বলে স্টিফেন হকিং মোটামুটি নিশ্চিত হলেও পেন্ডেলবুরি নন৷ তার যুক্তি, নোবেলের প্রচলনকারী আলফ্রেড নোবেল সর্বোচ্চ তিনজনের মধ্যে পুরস্কার ভাগাভাগির পক্ষে ছিলেন৷ কিন্তু পিটার হিগস যখন হিগস বোসন কণার কথা বলেছিলেন, ঠিক সে সময়েই অন্তত আরও পাঁচজন একই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন বলে জানান পেন্ডেলবুরি৷

এছাড়া কোনো একটা কিছু আবিষ্কারের প্রায় ২৫ বছর পর সাধারণত নোবেল দেয়া হয়৷ সে হিসেবেও পিটার হিগসকে আরেকটু অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে মনে করে পেন্ডেলবুরি৷ তবে তিনি এও বলেছেন, ‘‘আমার ভুলও হতে পারে।”

‘এপিজেনেটিক' বিষয়ে আশির দশকে কাজ করা মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড অ্যালিস ও মাইকেল গ্রুনস্টাইন এবার চিকিৎসায় নোবেল পেতে পারেন৷ পেন্ডেলবুরি বলছেন, তাদের আবিষ্কার চিকিৎসা ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে৷ এবং এ কারণে অনেক জীবনরক্ষাকারী ওষুধ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে৷

রসায়নের ক্ষেত্রে পেন্ডেলবুরির পছন্দ টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিরা ফুজিশিমাকে৷ তিনি এককালে শুধুমাত্র পেইন্ট’এ ব্যবহার করা টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইডকে অন্য কাজে লাগানোর উপায় বের করেছেন৷ পানি থেকে হাইড্রোজেন তৈরিতে এটা ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এছাড়া পরিবেশ দূষণ এড়াতে জাপানে রাস্তাঘাট তৈরির পাথরে প্রলেপ হিসেবে এই রাসায়নিক উপাদানটি ব্যবহৃত হচ্ছে৷

পদার্থ, রসায়ন, আর চিকিৎসাক্ষেত্র ছাড়াও নোবেলজয়ী সম্ভাব্য অর্থনীতিবিদদেরও তালিকা করে থাকে থমসন রয়টার্স৷ বিস্তারিত পেতে যেতে হবে এই ওয়েবসাইটে http://sciencewatch.com/nobel
অন্যান্য বছরের মতো এবারও এই তালিকা থেকে কেউ নোবেল পান কিনা-তা জানতে, আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আর ক'টা দিন৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

মুসলিম বিশ্বের প্রথম ‘ভালোবাসার চিঠি’ ফ্রান্সের লুভ্রতে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মুসলিম বিশ্বের প্রথম ‘ভালোবাসার চিঠি’ ফ্রান্সের লুভ্রতে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ইসলাম বিরোধী ভিডিও আর মহানবীকে সা: নিয়ে কার্টুনের প্রতিবাদে এখন মুসলিম বিশ্বে চলছে বিক্ষোভ৷ এরই মধ্যে ফ্রান্সের বিখ্যাত লুভ্র জাদুঘরে খোলা হলো ইসলামি শিল্পকলার এক সংগ্রহশালা৷

প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে তৈরি এই সংগ্রহশালাটি উদ্বোধন করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ৷ খরচের একটা অংশ ফ্রান্স সরকার দিয়েছে৷ আর বাকিটা এসেছে সৌদি আরব, মরক্কো, কুয়েত, ওমান আর আজারবাইজান থেকে৷

সপ্তম থেকে উনবিংশ শতাব্দি পর্যন্ত সময়কার বিভিন্ন মুসলিম নিদর্শন রয়েছে এই সংগ্রহশালায়৷ স্পেন, মিশর, মধ্য এশিয়া, পারস্য অঞ্চল, ভারত সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নিদর্শনগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে৷

প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে তৈরি এই সংগ্রহশালাটি উদ্বোধন করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ। সেখানে মুঘল আমলের কার্পেট যেমন রয়েছে৷ তেমনি রয়েছে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে পুরাতন ভালোবাসার চিঠিও৷

চীনা শিল্পকলার এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলছেন, মুসলমানদের সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বে যে ভুল ধারণা রয়েছে এই সংগ্রহশালা সেটা ভাঙাতে সহায়তা করবে৷ কেননা লুভ্রর এই সংগ্রহশালায় ইসলামকে একটি শান্তির ধর্ম হিসেবে দেখানো হয়েছে৷

প্যারিসের অন্য একটি জাদুঘরের ইসলামি শিল্পকলা বিভাগের প্রধান সোফি মাকারিও বলছেন, ‘ইসলাম’ শব্দটিকে তার পুরো মাহাত্ম অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে৷ কেননা ইসলাম মানেই যে শুধুই জিহাদ, সেটা ঠিক নয়৷ সূত্র: এএফপি।

ইসরায়েলে পাচার হচ্ছে ইরানের গোপন পরমাণু তথ্য! :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইসরায়েলে পাচার হচ্ছে ইরানের গোপন পরমাণু তথ্য! :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ইসরায়েলের কাছে ইরানের পরমাণু প্রকল্পের গোপন তথ্য পাচার করছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান।রোববার ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতি কমিটির সদস্য জাভেদ জাহাঙ্গিরজাদেহ প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে আইএইএ এর বিরুদ্ধে এই  অভিযোগ করেন।

জাহাঙ্গিরজাদেহ বলেন, আইএইএ এর মহাপরিচালক উকিয়া আমানো ঘন ঘন ইসরায়েল সফরে গিয়ে তেহরানের পরমাণু প্রকল্পের গোপন তথ্য ইহুদিদের হাতে তুলে দেন।

তিনি আরো বলেন, “তেলআবিবে আমানোর ঘন ঘন সফর ও ইরানের পরমাণু প্রকল্পের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গী জানতে চাওয়ার তৎপরতা ইঙ্গিত দেয়, আমাদের পরমাণু প্রকল্পের তথ্যাবলী ইসরায়েল ও ইরানের অন্যান্য শত্রুদের কাছে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে।”

আইএইএ’র এসব তৎপরতার কারণে ইরান আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা করা বন্ধ করে দিলে এর জন্য সংস্থাটির মহাপরিচালক দায়ী থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন জাহাঙ্গিরজাদেহ।

 তবে রেকর্ড বলছে আইএইএ’র প্রধান হিসেবে আমানো ২০১০ সালের অগাস্টে একবার মাত্র ইসরায়েল সফরে গিয়েছেন। আর চলতি বছরের মে মাসে তিনি ইরান সফর করেছেন।

জাহাঙ্গিজাদেহ’র অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করে আইএইএ। সূত্র: রয়টার্স