Pages

Wednesday, October 3, 2012

দেশের তৃতীয় চিড়িয়াখানা হচ্ছে সিলেটে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

দেশের তৃতীয় চিড়িয়াখানা হচ্ছে সিলেটে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশের তৃতীয় চিড়িয়াখানা সিলেটে স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সিলেটের খাদিমনগর ‘ইকো পার্ক’-এ এই চিড়িয়াখানা করা হবে।

বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত সভাপতিত্ব করেন।

দেশে বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দু’টি চিড়িয়াখানা চালু রয়েছে। এরমধ্যে একটি ঢাকার মিরপুরে এবং অন্যটি রংপুর শহরে।

বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো জাতীয় চিড়িয়াখানা নেই। এজন্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি জাতীয় চিড়িয়াখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়াও চলছে।

ঢাকা চিড়িয়াখানার কিউরেটর এবিএম শহিদল্লাহ খাদিমনগরে চিড়িয়াখানা স্থাপনের বিস্তারিত পরিকল্পনা সভায় তুলে ধরেন।

শহিদুল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে খাদিমনগর ইকোপার্কের আট একর জমিতে এ চিড়িয়াখানা স্থাপন করা হবে। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে চিড়িয়াখানাটি ৩০ একর জমিতে সম্প্রসারিত করা হবে। এতে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অস্তিত্ব রক্ষা করে প্রাণীদের জন্য স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। যাতে করে ইকোসিস্টেম নষ্ট না হয়।

এজন্য ১০ কোটি টাকার একটি স্থাপনা নির্মাণসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সিলেটে চিড়িয়াখানা স্থাপনে অর্থমন্ত্রীর আগ্রহ থাকায় এটি দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে মনে করেন ওই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে চলতি বছরেই এ চিড়িয়াখানা তৈরির কাজ শুরু হবে। পরে পর্যায়ক্রমে আরো ২২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে।

ইউপি সচিবদের আন্দোলন সামলাতে কাল বৈঠকে বসছেন নানক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইউপি সচিবদের আন্দোলন সামলাতে কাল বৈঠকে বসছেন নানক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের চাকরি জাতীয়করণ ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিবকে নির্দেশ দেয়ার সাত মাসেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সচিবদের আন্দোলন সামলাতে বৈঠকে বসছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমরায় প্রতিমন্ত্রী।

সচিবদের আন্দোলনের হুমকির দেয়ার আগেই স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর জাহাঙ্গীর কবির নানক বৃহস্পতিবার সমিতির নেতাদের নিয়ে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের চাকরি জাতীয়করণ ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গত ২ জানুয়ারি ও ২৩ জুলাই পর পর দুটি স্মারকলিপি দেয়া হয়।

পরে ইউনিয়ন সচিবদের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়।

কিন্তু স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ না সারাদেশে চার হাজার ৫৪৫টি ইউনিয়ন পরিষদের সচিবরা আন্দোলনের হুমকি দিয়ে আসছিল।

সচিবদের বিষয় সমাধোনের জন্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবারয় প্রতিমন্ত্রীর বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ সেক্রেটারি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের মতবিনিময় করবেন।

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর দফতর থেকে সমিতির ১৪ জন নেতাকে ডাকা হয়েছে। নেতারা হলেন, সভাপতি সোহেলুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, এইচ এম রেজাউল করিম তুহিন, ফয়জুল ইসলাম, রজ গোপাল বৈষব, আতিকুর রহমান, মিজানুর রহমান ও এনায়েত হোসেন প্রমুখ।

এ ব্যাপারে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছি। আমাদের চাকরি জাতীয়করণ ও দ্বিতীয় শ্রেণীর অফিসার পদমর্যাদা চাইছি।”

তিনি বলেন, “বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী আমাদের দাবি না মানলে আমরা আন্দোলনে যাবো।”

‘রাজাকার ক্যাম্পে মুজাহিদ নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘রাজাকার ক্যাম্পে মুজাহিদ নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াত নেতা মুজাহিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের তৃতীয় সাক্ষী মাহবুব কামাল জবানবন্দিতে বলেন, ফকিরাপুলে গরম পানির গলিতে ফিরোজ মেম্বার ওরফে ফিরু মেম্বারের বাসায় অবস্থিত রাজাকার ক্যাম্পে তৎকালীন ছাত্র সংঘের নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ নিয়মিত আসা যাওয়া করতেন।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালে তিনি তার জবানবন্দি পেশ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করতে আগামী ৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

সাক্ষী তার জবানবন্দিতে বলেন, আমার নাম মাহবুব কামাল, পিতা- নাঈম উদ্দিন মন্ডল, গ্রাম-মদাতি, থানা-কালীগঞ্জ, জেলা-লালমনিরহাট।

সাক্ষী বলেন, একাত্তর সালে ২৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত আমি ঢাকার ফকিরাপুলের ২১০ নাম্বার বাসায় ভাড়া ছিলাম। ১৯ এপ্রিল আমি আমার গ্রামের বাড়ি চলে যাই। ৩০ জুন আবার ঢাকায় ফিরে এসে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই বাসায় অবস্থান করি।

তিনি বলেন, আমাদের বাসার দেড়শ থেকে দুইশ গজ দূরে গরম পানির গলিতে ফিরোজ মেম্বার ওরফে ফিরু মেম্বারের বাসায় অবস্থিত রাজাকার ক্যাম্পে তৎকালীন ছাত্র সংঘের নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ নিয়মিত আসতেন। এই ক্যাম্পটি একই সঙ্গে একটি কনভার্সন ক্যাম্প ছিল। রাজাকার বাহিনীর যে সব সদস্য কার্যক্রমে দক্ষতা দেখাতে পারতেন তাদেরকে বদর বাহিনীতে উন্নত করা হতো।

তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামীর আমির ছিলেন গোলাম আযম। ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। পরে অবশ্য তিনি ছাত্রসংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় মুজাহিদের স্বাক্ষরসহ রাজাকারদেরকে পরিচয়পত্র দেয়া হতো।

মাহবুব কামাল বলেন, আমার দুঃসম্পর্কের চাচাত ভাই মহসিন আলী (বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীর চর্চা বিভাগের নিম্নমান সহকারী হিসেবে কর্মরত) একাত্তর সালে চাকরি খোজার জন্য ঢাকায় আমাদের বাসায় উঠেছিলেন। ১৯ এপ্রিল থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত যে সময়টাতে আমি আমার গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। সে সময় তিনি আমার ঢাকার বাসা পাহারা দিতেন। এ সময়ই তিনি ফিরু মেম্বারের বাড়ি রাজাকার ক্যাম্পে গিয়ে রাজাকার হিসেবে যোগদান করেছিলেন। বিষয়টি আমরা জানতাম না। একাত্তর সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীনের পর পরই আমাদের কিছু না জানিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা তার পালিয়ে যাওয়ার কারণ বুঝতে পারিনি। পরে তার জিনিসপত্র ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে একটি আইডি কার্ড পাই। সেটি দেখে আমরা বুঝতে পারলাম তিনি রাজাকার ছিলেন। সেই আইডি কার্ডে ফিরু মেম্বারের স্বাক্ষর এবং আলী আহসান মুজাহিদের প্রতিস্বাক্ষর ছিল। বিভিন্ন সময় বাসা পরিবর্তনের কারণে সে আইডি কার্ডটি আমরা হারিয়ে ফেলেছি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে আমরা যখন ফিরু মেম্বারের বাড়ি রাজাকার ক্যাম্পের ওপর নিয়ন্ত্রণ করি। তখন এটিকে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রূপান্তর করা হয়। এ সময় আমরা রাজাকারদের ফেলে যাওয়া অনেক ডকুমেন্ট উদ্ধার করি। দীর্ঘ সময়ের বিবর্তনে উদ্ধারকৃত ডকুমেন্ট হারিয়ে গিয়েছে।

সাক্ষী বলেন, একাত্তর সালে আমি ঢাকার নটরডেম কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র একই সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের ফকিরেরপুল আঞ্চলিক শাখার সাহিত্য সম্পাদক ছিলাম। বঙ্গবন্ধু এবং ইয়াহিয়া খানের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে যে সংলাপ চলছিল সে সময় আমরা উৎকণ্ঠায় ছিলাম। ২৫ মার্চ সন্ধ্যার পর থেকেই গুঞ্জন উঠলো আজ রাতে একটি বড় ধরনের ক্রাকডাউন হতে পারে। আমরা রাত ১০টা ১১টার দিকে ছাত্রলীগের সহকর্মীদের নিয়ে বিআইটি এক্সটেনশন রোডে ব্যারিকেট সৃষ্টি করি। আনুমানিক রাত বারটার দিকে পাক আর্মি আমাদের বাসার কাছে রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ করে। প্রচণ্ড গুলাগুলির শব্দে আমরা কিংকতর্ব্যবিমুঢ় হয়ে পড়ি। সারা রাত ধরে গুলাগুলি চলে। পরদিন কারফিউ থাকার কারণে আমরা বাইরে যেতে পারিনি। এরপর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।

তিনি বলেন, আমার এলাকার বর্তমান বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, জিএম গাউস, হানিফ, মাওলা আলী ওরফে, দিলু, শফিক, নাজুসহ আরো অনেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। আমার বাসা দেখার প্রয়োজনে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি।

তিনি বলেন, উক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে নাজু নামে একজনকে ধরে রাজাকাররা হত্যা করে বলে আমি জানতে পারি। আমি মনে করি রাজাকার, আল-বদররা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সমান অপরাধী। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অপরাধের মাত্রা ছিল অনেক বেশি। আমাদের দেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং ভাষা সম্পর্কে পাক বাহিনীর ধারণা না থাকার সীমাবদ্ধতাকে জামায়াত ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য, রাজাকার ও আল-বদররা পূরণ করে তাদেরকে সব ধরনের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে।

এর আগে প্রসিকিউশনের দ্বিতীয় সাক্ষী জহির উদ্দিন জালালকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মুন্সী আহসান কবির।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সাক্ষী জালাল মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবনন্দিকালে তিনি বলেছেন, একাত্তর সালের ২৯ আগস্ট সকাল বেলা দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা পড়ে তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের স্বামী এবং দুই সন্তানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর জানতে পারেন। অথচ শহীদ জননী নিজে তার একাত্তরে ডায়েরিতে লিখেছেন ২৯ তারিখ রাত দুইটার পরে অর্থাৎ ৩০ আগস্ট ভোর বেলা তার স্বামী সন্তানদেরকে ধরে নিয়ে যায় পাক বাহিনী।

আসামিপক্ষের এ আইনজীবী উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন- কে সত্য, শহীদ জননী জাহানার ইমাম নাকি সাক্ষী জালাল?

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী শাহরিয়ার কবীর গত ২৬ আগস্ট জবানবন্দি পেশ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা শুরু করে আসামিপক্ষ।

গত ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় ৩৪টি অভিযোগে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এর আগে একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মুজাহিদকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২ আগস্ট এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিরা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিরা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রধানমন্ত্রীকে স্বারকলিপি দিতে ছয় সদস্যের একটি শিক্ষক প্রতিনিধি দল গণভবনে গেছেন।

বাংলাদেশ নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী  ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপিত অধ্যক্ষ এশারত আলীর নেতৃত্বে দুপুর সোয়া ৩টার দিকে তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছায়।

প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা হলো-ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা শরিফুজ্জামান, শহিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মশিউর রহমান, মাহমুদুল হাসান।

এর  আগে আন্দোলনরত শিক্ষককেরা সকাল ১০টায় তারা কাফনের কাপড় নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হয় । সেখানে অবস্থান শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে স্মারকলিপি দিতে যাত্রা করলে শিশু পার্কের সামনে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশি বাধায়  আন্দোলনরত শিক্ষককেরা সেখানে থেমে যায়। এবং সেখান থেমে তাদের প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যায়।

কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপিত অধ্যক্ষ এশারত আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে যাত্রা করলে পুলিশ আমাদের বাধা দেয়। এর পর আমি সহ ছয় সদস্যের দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারক লিপি দেয়ার জন্য এসেছি। এখান থেকে ফিরে আমরা আবারো আমাদের সহকর্মীরা সবাই  জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যাবো। এবং সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো।’’

এ হামলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল: তথ্যমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

এ হামলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল: তথ্যমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়, ঘর-বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ এবং মন্দিরে লুটপাটকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলেছেন, “এই হামলা দেশের গণতন্ত্র, সংবিধান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শালিম।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের সকল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘‘এই হামলার ঘটনা সুপরিকল্পিত এবং দেশের বিরুদ্ধে সুগভীর চক্রান্ত। দেশকে অস্থিতিশীল করা, সাময়িক উত্তেজনা তৈরি এবং দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এটি করা হয়েছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির  দেশ। কিন্তু আমেরিকায় রাসুলকে স. নিয়ে নির্মিত চলচিত্রকে কেন্দ্র করে যারা উস্কানি দিচ্ছে, তারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।’’

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, রাকসুর সাবেক ভিপি রাগিব হাসান মুন্না, শান্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম প্রমুখ।

উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কমিশন গঠন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কমিশন গঠন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান ও এসব প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উচ্চ শিক্ষা কমিশন নামে একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নেও একটি স্বতন্ত্র এক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠনের বিষয় সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বুধবার তার কার্যালয়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর পদক’ বিতরণকালে একথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২০১০ সালে শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৮২ শিক্ষার্থীকে এই পদক দেয়া হয়।

শেখ হাসিনা নিজস্ব আয়ের ওপর অধিকতর নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়াস চালাতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি অর্থের ওপর অধিক নির্ভরশীলতার কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসনের অধিকার খর্ব হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. আতফুল হাই শিবলী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী।

পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভূতিভূষণ সিকদার ও বুয়েটের নাজিয়া নাফসিন তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সূত্র: বাসস

জাতীয় পার্টির নেতা গোলাম রেজার বাসায় হামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জাতীয় পার্টির নেতা গোলাম রেজার বাসায় হামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসায় হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 
বুধবার ১১টা ৪৫ মিনিটে এক দল দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়।
 
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের নামে স্লোগান দিয়ে সেনপাড়া পর্বতায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ভবনের চতুর্থ তলায় গোলাম রেজা মালিকানাধীন বিএম ট্রাভেলসে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালায়।
 
ওই মিছিলকারীরাই ১৫৯/৪ সেনপাড়া পর্বতায় গোলাম রেজার বাস ভবনে হামলা চালায়। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে এক বিবৃতিতে এরশাদ পার্টির গঠনতন্ত্রের ৩৯ ধারা অনুযায়ী এইচ.এম গোলাম রেজাকে পার্টির প্রেসিডিয়াম পদ এবং সংসদীয় দলের হুইপের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। একই ধারায় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নুকে পার্টির সংসদীয় দলের হুইপের দায়িত্ব দেন।

এইচ.এম. গোলাম রেজা বিভিন্ন স্থানে আমার রাজনৈতিক সচিব এবং একান্ত সচিব (পিএস) পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন। তিনি এই ভূয়া পরিচয় সম্বলিত ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে বিতরণও করছেন, যা প্রতারণার শামিল।  তিনি কখনই আমার রাজনৈতিক সচিব ছিলেন না, এখনো নেই এবং তিনি এখন আমার পিএসও নন বলে উল্লেখ করেন এরশাদ।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে গোলাম রেজা বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেছিলেন, আগে আমি তার পিএস ছিলাম। তখন সুনীল শুভরায় আমার অধীনে কাজ করতেন। কিন্তু এখন আমি সে দায়িত্বে নেই। তাছাড়া আমিতো এখন এমপি। এরশাদের পরিচয় দিয়ে আমি কোনো দিক থেকে লাভবান হবো না- সেটি দেশের সবাই জানে। তবুও তিনি কিসের ভিত্তিতে এমন করলেন, তা আমার জানা নেই।

বর্তমানে এরশাদের রাজনৈতিক সচিব সুনীল শুভরায় এবং একান্ত সচিব হিসেবে মেজর অব. খালেদ আখতার দায়িত্ব পালন করছেন।

সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সারাদেশে অবস্থিত মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মঠসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও পটিয়া এলাকায় মন্দির, বাড়ি, দোকানসহ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।

এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ঘটনায় নিজেদের ভূমিকা এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে জানাতে আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ওই ঘটনা তদন্তে সরকারি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে দাখিল করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার দাখিল করা পৃথক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার হাইকোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এবং বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ বুধবার পৃথকভাবে আদেশ ও রুল জারি করেন।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যে এবং বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন।

স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং রামু, উখিয়া, টেকনাফ ও পটিয়া থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার সকালে চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও পটিয়া এলাকায় বৌদ্ধ বসতি ও মন্দির ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

অন্যদিকে জনস্বার্থে ইউনুস আলী আকন্দ একটি রিট আবেদন দাখিল করেন। এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আগের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে জারি করা আদেশ এবং ইউনুস আলী আকন্দের রিট আবেদন সমন্বয় করে একটি আদেশ দেন।

আদেশে বলা হয়, যেহেতু জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে, তাই স্বতঃপ্রনোদিত রুল জারির প্রয়োজন দেখছি না। এ আদালত ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন বোইনি ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

আগামী ১৪ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ঘটনায় নিজেদের ভূমিকা এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া মঙ্গলবার একটি রিট আবেদন করেন। বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানিকালে অপর একটি আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত রুলের তথ্য জানান রাষ্ট্রপক্ষ। এ পর্যায়ে আদালত শুনানি মুলতবি করেন। মধ্যাহ্ন বিরতির পর আদালত এ রিট আবদেনর ওপর শুনানি করে আদেশ দেন। এসময় আদালত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আদালত আগামী ১৭ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে এদিনের মধ্যে সরকারি তদন্তা কমিটির প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দেন।

ড. ইউনুস আলী আকন্দের রিট শুনানিতে সংশ্লিষ্ট আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান বিরোধিতা করে বলেন, সকালে আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন। তাই এ নিয়ে আলাদা রিট আবেদন প্রয়োজন নেই।

এসময় রিট আবেদনকারী বলেন, এ রিট আবেদন শুধুই চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারের ঘটনায় নয়। সারাদেশের ঘটনা নিয়ে এ রিট আবেদন। এরপর আদালত রুল জারির আদেশ দেন।

আদেশের পর ইউনুস আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, “সাংবাদিক সাগর-রুনি নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বেডরুমে নিরাপত্তা দিতে পারবেন না। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী বেডরুমসহ সকল জায়গায় নিরাপত্তা দিতে হবে।”

তিনি বলেন, “ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমিও যেকোনো সময় গুম হতে পারি। এ অবস্থায় আজ দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা হুমকির মুখে। একারণেই রিট আবেদন করা হয়েছে।”

ফেইসবুকে আল কোরআনকে অবমাননাকর ছবি প্রদশর্নের অভিযোগে ২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর চালানো হয়।

রাতভর হামলায় সাতটি বৌদ্ধ মন্দির, অন্তত ৩০টি বাড়ি ও দোকান পুড়িয়ে দেয়া হয়। পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে বৌদ্ধ বসতিতে হামলা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে এ ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ।

চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলনে যাচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলনে যাচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সিলেকশন গ্রেডসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে সরকার সমর্থিত বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতির কর্মচারীরা।

আগামী ১৪ অক্টোবর সমিতির আঞ্চলিক শাখা ও অধিদফতরের কর্মচারিদের সচিবালয় অভিমুখে মিছিল নিয়ে ঘোরাও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মগবাজারস্থ প্রধান কার্যালয়ে সমিতির নির্বাহি পরিষদের আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি নির্বাহি পরিষদের সভায় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির মহাসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, সমিতির কার্যকরী সভাপতি হিরন মিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি আমিনুর রহমান, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবু তাহের, আজিজুল হক ও শহিদুল ইসলাম, মো. নুরুল ইসলাম, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো, শাহাবুদ্দিন ভুঁইয়া, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল আলম ও আবুল ফয়েজ, দফতর সম্পাদক আবুল হোসেন শান্তি, অর্থ সম্পাদক আনিসুর রহমান যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত মহাসচিব (২) মোন্তাজ উদ্দিন এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাহেব মিয়া।

সভায় দাবি আদায়ে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণলায়ের উপদেষ্টা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে মিছিলসহ স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় আগামী ১৪ অক্টোবর সমিতির আঞ্চলিক শাখা ও অধিদফতরের কর্মচারিদের সচিবালয় অভিমুখে মিছিলে যোগ দেয়ার আহবান জানানো হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্মারকলিপি প্রদানের লক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় মৎস ভবন চত্বরে জমায়েত হতে বলা হয় কর্মচারীদের। সকাল সাড়ে ১১টায় স্মারকলিপি প্রদানের লক্ষে মিছিলসহ সচিবালয়ের অভিমুখে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

সমিতি সভাপতি মোহাম্মদ আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “দীর্ঘ দিন ধরে সিলেকশন গ্রেড দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে দিক নির্দেশনা দেয়ার থাকলেও আজ পর্যন্ত এর কোনো সাড়া মেলেনি।’’

তিনি বলেন, “জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দাবি আদায়ে মিছিলসহ স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমাদের দাবি আদায়ে প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচিও দেয়া হবে।”  

বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির অতিরিক্ত মহাসচিব এমদাদুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “সচিবালয়ের দু’টি ক্যাটাগরিতে সিলেকশন গ্রেড দেয়া হয়েছে। কিন্তু সারা দেশের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “একই দেশে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের মধ্যে দুই রকম নিয়ম থাকতে পারে না।”

সড়কে পশুর হাট বসানো যাবে না: যোগাযোগমন্ত্রী

সড়কে পশুর হাট বসানো যাবে না: যোগাযোগমন্ত্রী
  যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “পশুর হাটের কারণে সড়কে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই আসন্ন ঈদুল আযহায় সড়ক-মহাসড়কে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না।”

বুধবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে সড়ক পথে যাতায়তকারীদের যাতায়ত নির্বিঘ্ন করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করা হয়। এতে যোগাযোগমন্ত্রী সভাপতিত্ব করেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, রেলপথ মন্ত্রী মো. মজিবুল হক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গির কবীর নানক।

এছাড়া পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, “সড়কের পাশে গরুর হাট বসানোর জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো ইজারা দিয়ে থাকে। এসব হাট অধিকাংশ ক্ষেত্রে সড়কের ওপরে চলে আসে। এতে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা সড়কে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।”

এই বক্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “রাস্তায় কোনো গরুর হাট ইজারা দেয়া হয় না। ব্যবসায়ীরা একটি-দুইটি করে রাস্তায় পশু আনার ফলে একসময় রাস্তায় হাট বসে যায়।”

যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, “ঈদকে সামনে রেখে শান্তি নামক সোনার হরিণ আমাদের স্বপ্ন নয়। স্বপ্ন হলো- দুর্ভোগ কমিয়ে জনগণকে স্বস্তি দেয়া। যানজট সহনীয় করতে গত ঈদে আমরা যতোটুকু করেছি, এবার তার চেয়ে আরেকটু বেশি কাজ করতে হবে।”

ঢাকা থেকে বাহির-প্রবেশ মুখ ও মহাসড়কে যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি অপসারণে রেকারের ব্যবস্থা, মেঘনা ও মেঘনা গোমতী সেতুতে রেকার ও ক্রেন প্রস্তুত রাখা, বঙ্গবন্ধু সেতুর সব ওয়ে মেশিন ও বুথ চালু রাখা, অতিরিক্ত বাস ভাড়াসহ অন্যান্য অনিয়ম বন্ধে টার্মিনালগুলোতে ভিজিলেন্স টিম গঠন, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত, সার্বক্ষণিক সিএনজি স্টেশন চালু রাখা, মহাসড়কের বিকল্প ব্যবহার (ধান, পাট ইত্যাদি শুকানো) বন্ধ, ফেরির সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।

রামুর ঘটনা গোয়েন্দারা জানতেন: ড. মিজান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনা গোয়েন্দারা জানতেন: ড. মিজান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘‘রামুর ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা সব জানতেন। তাহলে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা কি করলো। তারা সব বিষয় জানেন, কিন্তু সব তথ্য সকলের জন্য প্রকাশ করেন না। কার স্বার্থ রক্ষায় তারা এমনটা করে এ বিষয়ে সরকারকে সচেতন হতে হবে।’’

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্যা পিপলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যক্টিস’ শীর্ষক এক
সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্য পিলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল।

তিনি বলেন, ‘‘কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাত্ব প্রতিচ্ছবি’।
খবরের কাগজে যে ভাঙা মূর্তি দেখেছি, তা আসলে বুদ্ধের মূর্তি নয়, তা সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাত্ব প্রতিচ্ছবি। যা আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রতিকিকে কালিমা লেপন করেছে।”

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনি সর্ম্পকে তিনি বলেন, “একদিকে ধর্মনিরপেক্ষ আর অপর দিকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে যে গোজামিল রাখা হয়েছে এ ধরনের ঘটনা তারই প্রতিফলন।” গোজামিল দিয়ে কোনো কাজ কোনো দিন শুভ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মানবাধিকার কমিশন আগামী শুক্রবার রামুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবে উল্লেখ করে মিজানুর রহমান বলেন, “সেখানে স্থানীয় জনসাধারণ ও প্রশাসনের

সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সুপারিশ করা হবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পর্কে মিজানুর রহমান বলেন, “এই চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না বলে অনেকে এটার পরিবর্তন ও সংশোধন করার কথা বলছেন। এমনটা

করা হলে সেটি হবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আমরা ওই চুক্তির বাস্তবায়ন দাবি করছি, ওই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে যেসব বির্তকের জন্ম হয়েছে তা অনেকটাই কমে যাবে।’’

সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডালেম চন্দ্র বর্মন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম ও মানবাধিকার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. নীরুপমা চাকমা।

গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগ মিথ্যা: রিজভী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

 মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিলের সময় গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মঙ্গলবারের অবরুদ্ধ রাত শেষে বুধবার দুপুরে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

রিজভী বলেন, “যে সময় গাড়ি পোড়ানো হয়েছে বলে আমাদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে, সে সময় এই এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এ কাজ আমাদের নয়।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।” দলের পক্ষ থেকে যথাযথ আইনি লড়াই চালানো হবে বলেও জানান রিজভী।

এদিকে দলের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জরুরি সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে।

যুবদল সভাপতি আলাল গ্রেফতার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

যুবদল সভাপতি আলাল গ্রেফতার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

যুবদল সভাপতি অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সোয়া ১২টার দিকে কাকরাইল মোড় থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

 

মঙ্গলবার পল্টন এলাকা পুলিশ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের পর বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এর মধ্যে আলালও ছিলেন।

 

বুধবার সকালে বেলা ১২টার দিকে আলাল কয়েকজন আইনজীবী নিয়ে কার্যালয় থেকে বের হন। ওই সময় পুলিশ তাকে আটকের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে কাকরাইল মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

 

ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদুর রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, মঙ্গলবারের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে কাকরাইল এলাকা থেকে আলালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে মিন্টু রোডে ডিবি অফিসে রাখা হয়েছে।


এদিকে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ডিবি অফিসে যাচ্ছেন আলালের সঙ্গে দেখা করতে। বিএনপি এ ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারে বলেও জানা গেছে।

Tuesday, October 2, 2012

হলমার্ক এমডির ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা স্বীকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হলমার্ক এমডির ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা স্বীকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে সংসদীয় উপকমিটি। পাশাপাশি হলমার্কের ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে উপকমিটি।

মঙ্গলবার হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে সংসদীয় উপকমিটি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের বক্তব্য শোনার পর কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত সংসদীয় উপকমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবার প্রায় দু ঘণ্টা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তানভীর মাহমুদ ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ।

সংসদ ভবনে কমিটির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণদান প্রক্রিয়ায় সুনির্দিষ্ট অনিয়ম পেয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়ম যে হয়েছে তা হলমার্ক ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে সার্বিক বিষয়ে সুপারিশসহ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার পর এ ঘটনায় কারা জড়িত সে বিষয়ে জানা যাবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনবোধ করছে না। কারণ এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেনি। প্রয়োজন হলে তাকে ডাকা হবে।

তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

গত ৩ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কার্যক্রমে অসেন্তোষ প্রকাশ করে এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।



সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে এলে দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে।

হলমার্ক গ্রুপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

৩ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতার লেনদেনসহ ব্যাংকসমূহের সার্বিক কার্যক্রম এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমার্কের ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজীকে সদস্য করে গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট উপকমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তাজুল ইসলাম ওইদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর (পাঁচটি) সামগ্রিক চিত্র খতিয়ে দেখার জন্য এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘‘কমিটি হলমার্ক কেলেঙ্কারীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।’’

‘ডেসটিনি কর্মকর্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ডেসটিনি কর্মকর্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেছেন,  ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক। তাদের যেখানে যেভাবে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে দুদক কার‌্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার জামিন বাতিল করে আদালত তাদের আত্মসর্মপণের কথা বলেছে । কিন্তু তারা আত্মসর্মপণ না করে আদালতের আদেশ অমান্য করেছে। আইনের চোখে তারা এখন পলাতক। তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রেফতার  করা উচিত।

গোলাম রহমান বলেন, ডেসটিনি  দেশের আট লাখ মানুষের ভাগ্য নিয়ে প্রতারণা করেছে । তারা শুধু মানুষের আর্থিক ক্ষতি করছে না, এরা দেশের শত্রু। তাই তাদের আইনের হাতে তুলে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক।

হলমার্ক কেলেংকারি বিষয়ে তিনি বলেন, সোনালী ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে নানাভাবে জড়িতদের বিরুদ্ধে যে সিরিজ মামলাগুলো হতে যাচ্ছে, তার মধ্যে বেশ কিছু মামলার সুপারিশসহ অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরির কাজ প্রায় শেষ। অনুসন্ধান পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক।  

সীতাকুণ্ডে প্রতারকচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

সীতাকুণ্ডে প্রতারকচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড জিনের বাদশা প্রতারকচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা তিনটায় সীতাকুণ্ড পৌরসদরের উত্তর বাজার বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়া পৌরসদরের কেউচিয়া মাইজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সৌদিপ্রবাসী আব্দুল গফুরের স্ত্রী খুরশিদা আক্তার গিন্নির সঙ্গে জিনের বাদশা প্রতারকদল মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে গত রমজান মাসে ভয়ভীতি দেখিয়ে নয় ভরি স্বর্ণ এবং বিকাশের মাধ্যমে ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে এ বিষয়টি সে তার চাচি মনোয়ারা বেগমকে (৩৮) জানায়।

মনোয়ারা বিষয়টি বুঝতে পেরে খুরশিদার কাছ থেকে প্রতারকচক্রের সদস্যদের মোবাইর নম্বর নিয়ে তাদের কাছে ফোন করে ফাঁদে ফেলানোর চেষ্টা করতে থাকে। জিনের বাদশারা একপর্যায়ে মনোয়ারাকে ছয়ভরি স্বর্ণের বিনিময়ে কোটি টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের মুর্তি দিবে বলে জানায় এবং এজন্য তাকে সীতাকুণ্ড আসতে বলে।

মনোয়ারার স্বামী আব্দুল মান্নান জানান, সে অনুযায়ী আমরা একটি টেক্সি নিয়ে সীতাকুন্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হই। এসময় খুরশিদা ও মনোয়ারাকে বাইপাস এলাকায় পাঠিয়ে দিয়ে আমি সীতাকুণ্ড মডেল থানায় পুলিশকে বিষয়টি জানালে পিএমআই সফিকুল ইসলাম নেতৃত্বে একদল পুলিশ বাইপাসের সামনে সাধারণ পোষাকে অবস্থান নেয়।

তখন মনোয়ারা বাইপাসের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতারক জিনের বাদশার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এর কিছুক্ষণ পর জিনের বাদশার এক সদস্য মনোয়ারার সামনে এসে তাকে একটি পিতলের মূর্তি হাতে দেয়ার সময় পুলিশ গাইবান্ধা জেলার গবিন্দগঞ্জ থানার গোফিনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফয়েজ আলীর ছেলে রেজাউল (২৪), একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মতিয়ার (৩৫) ও ভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর ছেলে মঈনুল ইসলাম প্রকাশ জলিলকে (৩০) গ্রেফতার করে।

এসময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি মাইক্রোবাসও আটক করে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জিনের বাদশা পরিচয়ে এ চক্রটি বিভিন্ন মানুষদের ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করছে। মঙ্গলবার পুলিশ কৌশলে তাদের কয়েকজনকে আটক করে।

রূপগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

রূপগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট


নারায়ণগঞ্জ, ২ অক্টোবর: বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ
উপজেলার আউখাব এলাকার হারবেস্ট রিচ (বেনেটেক্স) গার্মেন্টের শ্রমিকরা
মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।



এ সময় মহাসড়কের উভয় পশের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ
যানজটের। এ পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার
ঘটনা ঘটে।



শ্রমিকরা জানায়, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের শ্রমিকদের বেতন ভাতা দিই
দিচ্ছি করে মালিকপক্ষ টালবাহানা শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা মালিক
পক্ষের কাছ থেকে তাদের বকেয়া বেতন ভাতা দাবি করেন। এ সময় মালিক পক্ষ
বেতনভাতা পরিশোধের কোনো ধরনের আশ্বাস দেননি।



বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ভেতরে বিক্ষোভ
শুরু করেন। দুপুরে ১২ টার দিকে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা বেতনভাতা পাওয়ার আশ্বাস
না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
করেন।



দুপুর একটা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ চলে। পরে পুলিশ এসে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের
ধাওয়া করলে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা
ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশ অবরোধকারী শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে হতাহতের
খবর পাওয়া যায়নি।



রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান খান জানান, বকেয়া
বেতনভাতার দাবিতে শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। বর্তমানে
পরিস্থিতি শান্ত। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মান বাঁচানোর ম্যাচে ‘এ’ দলের বিশাল জয় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

মান বাঁচানোর ম্যাচে ‘এ’ দলের বিশাল জয় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট




হারানোর ছিল না কিছুই। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুটিতে জয় নিয়ে সিরিজ
নিজেদের করে নেয় সফরকারিরা। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) দল
নেমেছিল ফুরফুরে মেজাজে। তবে শেষ ম্যাচটা ‘এ’ দলের ক্রিকেটারদের কাছে হয়ে
পড়েছিল মান বাঁচানোর শেষ সুযোগ। আজ মিরপুরে শুধু নিজেদের সম্মান রক্ষাই নয় ৯
উইকেটের বিশাল জয় নিয়ে আগের দুই ওয়ানডে হারেরও ঝাল মিটিয়েছেন
আনামুল-মমিনুলরা। বোলারদের তান্ডবে মাত্র ৫৪ রানে গুটিয়ে যাওয়া
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জয়টা এসেছে মাত্র ৮ ওভার ৪ বলে।



চারদিনের ম্যাচে ক্যারিবীয় দলটি কোনো পাত্তা না পেলেও ওয়ানডে সিরিজে
বাঁ-হাতি স্পিনারদের কল্যাণে প্রথম দুই ম্যাচেই সহজ জয় তুলে নেয় সফরকারিরা।
এরপরই প্রশ্ন ওঠে নির্বাচকদের দল গঠন ও ‘এ’ দলের ব্যাটসম্যানদের বাঁ-হাতি
স্পিন ভীতি নিয়ে। আজ তাই একাদশে পরিবর্তনটা একরকম নিশ্চিতই ছিল। একাদশ থেকে
বাদ পড়েন আগের দুই ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেয়া রকিবুল হাসানও। সব মিলিয়ে ৬
পরিবর্তন। আসিফ আহমেদ রাতুল ও মাহমুদুল হাসান লিমনের সঙ্গে একাদশে যোগ দেন
আবুল হাসান রাজু, জিয়াউর রহমান, মমিনুল হক ও সৌম্য সরকার। তবে ম্যাচের নায়ক
কোনো ব্যাটসম্যান নন সেই বোলাররাই। তাও আবার এককভাবে কেউ নন।



মর্যাদা রক্ষার শেষ সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন আবুল হাসান, সৌম্য
সরকার, নাঈম ইসলাম ও এনামুল হক। প্রত্যেকেই দখল করেন দুটি করে উইকেট। আর
তাতে মাত্র ১৮ ওভারেই কফিনবন্দি হাইপারফরম্যান্স দল।



টস জয়ের পর ব্যাট করতে নেমেই ‘এ’ দলের বোলারদের তোপেড় মুখে ৩৫ রানেই নেই
ক্যারিবীয়দের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান। ম্যাচের প্রথম বলে ফ্লেচারের (০) রান
আউটের পর পরের চার উইকেট ভাগাভাগি করেন রাজু ও সৌম্য। এরপর হাত ঘোরাতে এসে
নাঈম, এনামুলরাও আঘাত হানেন দুবার করে। ১৮ ওভারে বাক্সবন্দি হওয়ার আগে ৫৪
রান সংগ্রহ করে এইচপি দল। জবাবে প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই হাঁটুতে চোট
নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার সৌম্য। দলীয় ৪ রানে শাহরিয়ার নাফীসও বিদায় নিলে
কিছুটা শংকা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু আনামুল (২৩)-মোমিনুল (২৫) জুটি বাকি পথটা
পাড়ি দেন নির্বিঘ্নেই। ৮.৪ ওভারে ম্যাচ জিতে মিটিয়ে নেন আগের দুই ম্যাচ
হারের ঝালটাও।
 

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির পথে পাকিস্তান :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির পথে পাকিস্তান :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট




 অস্ট্রেলিয়াকে ৩২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে
রাখলো পাকিস্তান। তবে দিনের অপর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারত হারলেই
গ্রুপ-২ থেকে সুপার ফোর নিশ্চিত হবে পাকিস্তানের।



আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দেয়া ১৫০ রানের জবাবে খেলতে নামা
অজিদের শুরু থেকেই চেপে ধরে পাকিস্তানের বোলাররা। ১৯ রানের মধ্যে প্রথম
সারির দুই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এদিন বিধ্বংসী ওয়াটসনের ব্যাটে ঝড় উঠতে
দেয়নি রাজা হাসান। ৮ রান করা ওয়াটসনকে এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন এই স্পিনার।
আরেক ওপেনার ওয়ার্নারও সুবিধে করতে পারেনি এদিন। ওয়ার্নারকে (৮) ফেরান
হাফিজ।



তবে প্রথম উইকেটে খেলতে নামা হাসি দলকে টেনে নেয়ার চেষ্টা চালান। ওয়েডকে
সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন হাসি। তবে দলকে জয়ী করে মাঠ
ছাড়তে পারেননি এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ৪৭ বলে চারটি চার এবং একটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন হাসি।



এছাড়া বেইলি ১৫ এবং ওয়েড ১৩ রান করলেও আর কোনো ব্যাটনস্যানের কাছ থেকে সম্মানজনক কোনো স্কোর আসেনি।



অজিদের ক্রিজে আসা-যাওয়ার মিছিলে সামিল করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান
সাঈদ আজমল। এই স্পিনারের বলে খুব একটা সুবিধে করতে পারছিলো না অজিরা। ৪
ওভার বল করে ১৭ রানে তিনটি উইকেট নেন আজমল। এড়াছা রাজা হাসান এবং হাফিজ
উভয়েই দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।



এর আগে, আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বোতে টস হেরে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান করে পাকিস্তান।



শুরুটা পাকিস্তানেরও ভালো ছিলো না। দলীয় ৫ রানের মাথায় ওপেনার হাফিজেকে
এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন স্টার্ক। ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আরেক
ওপেনার ইমরান নাজিরও। ১৪ রান করে ওয়াটসনের বলে বেইলির হাতে ক্যাচ তুলে দেন
নাজির।



তবে নাসির জামশেদ এবং কামরান আকমলের তৃতীয় উইকেট জুটি ঘুরে দাঁড়ালে বড়
সংগ্রহের পথেই এগুতে থাকে পাকিস্তানের ইনিংস। এই জুটির ব্যাট থেকে আসে
সর্বোচ্চ ৭৯ রান।



দলীয় ১০৮ রানের সময় তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। ডোহার্টির বলে
ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন জামশেদ। তবে আউট হওয়ার
আগে নিজের ক্যারিয়ার ফিফটি তুলে নেন। ৪৬ বলে চারটি চার এবং দুটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৫ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস খেলেন জামশেদ।



১৫.১ ওভারে জামশেদের পথ ধরেন কামরান আকমল। ৩২ রান করা আকমলকে ফেরান স্টার্ক।



১০৮ রানে তিন উইকেট হারানো পাক শিবিরকে বাকি পথটুকু পাড়ি দিতে সাহায্য
করেন উমর আকমল-আব্দুল রাজ্জাক। এই দুই জুটির ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। উমর
আকমল ৯ রানে অপরাজিত থাকলেও ২২ রান করা রাজ্জাককে ফেরান কামিন্স।



শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের লো স্কোর সংগ্রহ করে পাকিস্তান।



অজিদের হয়ে মিচেল স্টার্ক ২০ রানে তিন উইকেট নেন।

হংকংয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চডুবি, ৩৬ যাত্রীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

হংকংয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চডুবি, ৩৬ যাত্রীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট




 হংকংয়ের লাম্মা দ্বীপের কাছে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় ৩৬ যাত্রীর
মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দেড়শ যাত্রীবাহী লঞ্চটি সোমবার রাতে একটি
প্রমোদতরীর সঙ্গে ধাক্কা লেগে পানিতে তলিয়ে যায়।



হংকংয়ের ইতিহাসের অন্যতম বড় এ নৌদুর্ঘটনায় আরো শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের হংকংয়ের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।



লঞ্চটিতে করে হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানি'র কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা
চীনের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান দেখার জন্য ভিক্টোরিয়া হারবারে যাচ্ছিলেন।
বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা জানিয়েছেন, হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানির লঞ্চটি ধাক্কা
খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে পানিতে ডুবে যায়।



বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী জানিয়েছেন, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের জাহাজ
তলিয়ে যায়। কিন্তু আমাদেরকে উদ্ধার করার জন্য কমপক্ষে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন
ছিল। অন্য এক মহিলা যাত্রী বলেন, “আমরা সবাই আটকা পড়ে গিয়েছিলাম। ভাবছিলাম
মরতে যাচ্ছি।”



বেশ কিছু যাত্রী ডুবন্ত লঞ্চের জানালার কাঁচ ভেঙে বেরিয়ে আসেন এবং সাতরে তীরে পৌঁছে যান।



হংকং সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, লঞ্চডুবির ঘটনায় ঘটনাস্থলে ২৮ জন এবং
হাসপাতালে নেয়ার পর আরো আটজন মারা গেছে। এ ছাড়া, আহত আরো কমপক্ষে ১০০ জনকে
পাঁচটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।



ডুবে যাওয়া লঞ্চের কোনো যাত্রী পানির তোড়ে দূরে ভেসে গেছে কিনা তা দেখার জন্য সাগরে উদ্ধার অভিযান চলছে। সূত্র: আইআরআইবি