একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াত নেতা মুজাহিদের
বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের তৃতীয় সাক্ষী মাহবুব কামাল জবানবন্দিতে বলেন,
ফকিরাপুলে গরম পানির গলিতে ফিরোজ মেম্বার ওরফে ফিরু মেম্বারের বাসায়
অবস্থিত রাজাকার ক্যাম্পে তৎকালীন ছাত্র সংঘের নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ
মুজাহিদ নিয়মিত আসা যাওয়া করতেন।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালে তিনি তার জবানবন্দি পেশ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করতে আগামী ৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
সাক্ষী তার জবানবন্দিতে বলেন, আমার নাম মাহবুব কামাল, পিতা- নাঈম উদ্দিন মন্ডল, গ্রাম-মদাতি, থানা-কালীগঞ্জ, জেলা-লালমনিরহাট।
সাক্ষী বলেন, একাত্তর সালে ২৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত আমি ঢাকার ফকিরাপুলের ২১০ নাম্বার বাসায় ভাড়া ছিলাম। ১৯ এপ্রিল আমি আমার গ্রামের বাড়ি চলে যাই। ৩০ জুন আবার ঢাকায় ফিরে এসে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই বাসায় অবস্থান করি।
তিনি বলেন, আমাদের বাসার দেড়শ থেকে দুইশ গজ দূরে গরম পানির গলিতে ফিরোজ মেম্বার ওরফে ফিরু মেম্বারের বাসায় অবস্থিত রাজাকার ক্যাম্পে তৎকালীন ছাত্র সংঘের নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ নিয়মিত আসতেন। এই ক্যাম্পটি একই সঙ্গে একটি কনভার্সন ক্যাম্প ছিল। রাজাকার বাহিনীর যে সব সদস্য কার্যক্রমে দক্ষতা দেখাতে পারতেন তাদেরকে বদর বাহিনীতে উন্নত করা হতো।
তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামীর আমির ছিলেন গোলাম আযম। ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। পরে অবশ্য তিনি ছাত্রসংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় মুজাহিদের স্বাক্ষরসহ রাজাকারদেরকে পরিচয়পত্র দেয়া হতো।
মাহবুব কামাল বলেন, আমার দুঃসম্পর্কের চাচাত ভাই মহসিন আলী (বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীর চর্চা বিভাগের নিম্নমান সহকারী হিসেবে কর্মরত) একাত্তর সালে চাকরি খোজার জন্য ঢাকায় আমাদের বাসায় উঠেছিলেন। ১৯ এপ্রিল থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত যে সময়টাতে আমি আমার গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। সে সময় তিনি আমার ঢাকার বাসা পাহারা দিতেন। এ সময়ই তিনি ফিরু মেম্বারের বাড়ি রাজাকার ক্যাম্পে গিয়ে রাজাকার হিসেবে যোগদান করেছিলেন। বিষয়টি আমরা জানতাম না। একাত্তর সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীনের পর পরই আমাদের কিছু না জানিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা তার পালিয়ে যাওয়ার কারণ বুঝতে পারিনি। পরে তার জিনিসপত্র ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে একটি আইডি কার্ড পাই। সেটি দেখে আমরা বুঝতে পারলাম তিনি রাজাকার ছিলেন। সেই আইডি কার্ডে ফিরু মেম্বারের স্বাক্ষর এবং আলী আহসান মুজাহিদের প্রতিস্বাক্ষর ছিল। বিভিন্ন সময় বাসা পরিবর্তনের কারণে সে আইডি কার্ডটি আমরা হারিয়ে ফেলেছি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে আমরা যখন ফিরু মেম্বারের বাড়ি রাজাকার ক্যাম্পের ওপর নিয়ন্ত্রণ করি। তখন এটিকে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রূপান্তর করা হয়। এ সময় আমরা রাজাকারদের ফেলে যাওয়া অনেক ডকুমেন্ট উদ্ধার করি। দীর্ঘ সময়ের বিবর্তনে উদ্ধারকৃত ডকুমেন্ট হারিয়ে গিয়েছে।
সাক্ষী বলেন, একাত্তর সালে আমি ঢাকার নটরডেম কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র একই সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের ফকিরেরপুল আঞ্চলিক শাখার সাহিত্য সম্পাদক ছিলাম। বঙ্গবন্ধু এবং ইয়াহিয়া খানের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে যে সংলাপ চলছিল সে সময় আমরা উৎকণ্ঠায় ছিলাম। ২৫ মার্চ সন্ধ্যার পর থেকেই গুঞ্জন উঠলো আজ রাতে একটি বড় ধরনের ক্রাকডাউন হতে পারে। আমরা রাত ১০টা ১১টার দিকে ছাত্রলীগের সহকর্মীদের নিয়ে বিআইটি এক্সটেনশন রোডে ব্যারিকেট সৃষ্টি করি। আনুমানিক রাত বারটার দিকে পাক আর্মি আমাদের বাসার কাছে রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ করে। প্রচণ্ড গুলাগুলির শব্দে আমরা কিংকতর্ব্যবিমুঢ় হয়ে পড়ি। সারা রাত ধরে গুলাগুলি চলে। পরদিন কারফিউ থাকার কারণে আমরা বাইরে যেতে পারিনি। এরপর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।
তিনি বলেন, আমার এলাকার বর্তমান বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, জিএম গাউস, হানিফ, মাওলা আলী ওরফে, দিলু, শফিক, নাজুসহ আরো অনেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। আমার বাসা দেখার প্রয়োজনে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি।
তিনি বলেন, উক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে নাজু নামে একজনকে ধরে রাজাকাররা হত্যা করে বলে আমি জানতে পারি। আমি মনে করি রাজাকার, আল-বদররা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সমান অপরাধী। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অপরাধের মাত্রা ছিল অনেক বেশি। আমাদের দেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং ভাষা সম্পর্কে পাক বাহিনীর ধারণা না থাকার সীমাবদ্ধতাকে জামায়াত ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য, রাজাকার ও আল-বদররা পূরণ করে তাদেরকে সব ধরনের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে।
এর আগে প্রসিকিউশনের দ্বিতীয় সাক্ষী জহির উদ্দিন জালালকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মুন্সী আহসান কবির।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সাক্ষী জালাল মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবনন্দিকালে তিনি বলেছেন, একাত্তর সালের ২৯ আগস্ট সকাল বেলা দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা পড়ে তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের স্বামী এবং দুই সন্তানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর জানতে পারেন। অথচ শহীদ জননী নিজে তার একাত্তরে ডায়েরিতে লিখেছেন ২৯ তারিখ রাত দুইটার পরে অর্থাৎ ৩০ আগস্ট ভোর বেলা তার স্বামী সন্তানদেরকে ধরে নিয়ে যায় পাক বাহিনী।
আসামিপক্ষের এ আইনজীবী উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন- কে সত্য, শহীদ জননী জাহানার ইমাম নাকি সাক্ষী জালাল?
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী শাহরিয়ার কবীর গত ২৬ আগস্ট জবানবন্দি পেশ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা শুরু করে আসামিপক্ষ।
গত ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় ৩৪টি অভিযোগে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এর আগে একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মুজাহিদকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২ আগস্ট এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালে তিনি তার জবানবন্দি পেশ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করতে আগামী ৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
সাক্ষী তার জবানবন্দিতে বলেন, আমার নাম মাহবুব কামাল, পিতা- নাঈম উদ্দিন মন্ডল, গ্রাম-মদাতি, থানা-কালীগঞ্জ, জেলা-লালমনিরহাট।
সাক্ষী বলেন, একাত্তর সালে ২৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত আমি ঢাকার ফকিরাপুলের ২১০ নাম্বার বাসায় ভাড়া ছিলাম। ১৯ এপ্রিল আমি আমার গ্রামের বাড়ি চলে যাই। ৩০ জুন আবার ঢাকায় ফিরে এসে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই বাসায় অবস্থান করি।
তিনি বলেন, আমাদের বাসার দেড়শ থেকে দুইশ গজ দূরে গরম পানির গলিতে ফিরোজ মেম্বার ওরফে ফিরু মেম্বারের বাসায় অবস্থিত রাজাকার ক্যাম্পে তৎকালীন ছাত্র সংঘের নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ নিয়মিত আসতেন। এই ক্যাম্পটি একই সঙ্গে একটি কনভার্সন ক্যাম্প ছিল। রাজাকার বাহিনীর যে সব সদস্য কার্যক্রমে দক্ষতা দেখাতে পারতেন তাদেরকে বদর বাহিনীতে উন্নত করা হতো।
তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামীর আমির ছিলেন গোলাম আযম। ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। পরে অবশ্য তিনি ছাত্রসংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় মুজাহিদের স্বাক্ষরসহ রাজাকারদেরকে পরিচয়পত্র দেয়া হতো।
মাহবুব কামাল বলেন, আমার দুঃসম্পর্কের চাচাত ভাই মহসিন আলী (বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীর চর্চা বিভাগের নিম্নমান সহকারী হিসেবে কর্মরত) একাত্তর সালে চাকরি খোজার জন্য ঢাকায় আমাদের বাসায় উঠেছিলেন। ১৯ এপ্রিল থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত যে সময়টাতে আমি আমার গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। সে সময় তিনি আমার ঢাকার বাসা পাহারা দিতেন। এ সময়ই তিনি ফিরু মেম্বারের বাড়ি রাজাকার ক্যাম্পে গিয়ে রাজাকার হিসেবে যোগদান করেছিলেন। বিষয়টি আমরা জানতাম না। একাত্তর সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীনের পর পরই আমাদের কিছু না জানিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা তার পালিয়ে যাওয়ার কারণ বুঝতে পারিনি। পরে তার জিনিসপত্র ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে একটি আইডি কার্ড পাই। সেটি দেখে আমরা বুঝতে পারলাম তিনি রাজাকার ছিলেন। সেই আইডি কার্ডে ফিরু মেম্বারের স্বাক্ষর এবং আলী আহসান মুজাহিদের প্রতিস্বাক্ষর ছিল। বিভিন্ন সময় বাসা পরিবর্তনের কারণে সে আইডি কার্ডটি আমরা হারিয়ে ফেলেছি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে আমরা যখন ফিরু মেম্বারের বাড়ি রাজাকার ক্যাম্পের ওপর নিয়ন্ত্রণ করি। তখন এটিকে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রূপান্তর করা হয়। এ সময় আমরা রাজাকারদের ফেলে যাওয়া অনেক ডকুমেন্ট উদ্ধার করি। দীর্ঘ সময়ের বিবর্তনে উদ্ধারকৃত ডকুমেন্ট হারিয়ে গিয়েছে।
সাক্ষী বলেন, একাত্তর সালে আমি ঢাকার নটরডেম কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র একই সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের ফকিরেরপুল আঞ্চলিক শাখার সাহিত্য সম্পাদক ছিলাম। বঙ্গবন্ধু এবং ইয়াহিয়া খানের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে যে সংলাপ চলছিল সে সময় আমরা উৎকণ্ঠায় ছিলাম। ২৫ মার্চ সন্ধ্যার পর থেকেই গুঞ্জন উঠলো আজ রাতে একটি বড় ধরনের ক্রাকডাউন হতে পারে। আমরা রাত ১০টা ১১টার দিকে ছাত্রলীগের সহকর্মীদের নিয়ে বিআইটি এক্সটেনশন রোডে ব্যারিকেট সৃষ্টি করি। আনুমানিক রাত বারটার দিকে পাক আর্মি আমাদের বাসার কাছে রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ করে। প্রচণ্ড গুলাগুলির শব্দে আমরা কিংকতর্ব্যবিমুঢ় হয়ে পড়ি। সারা রাত ধরে গুলাগুলি চলে। পরদিন কারফিউ থাকার কারণে আমরা বাইরে যেতে পারিনি। এরপর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।
তিনি বলেন, আমার এলাকার বর্তমান বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, জিএম গাউস, হানিফ, মাওলা আলী ওরফে, দিলু, শফিক, নাজুসহ আরো অনেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। আমার বাসা দেখার প্রয়োজনে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি।
তিনি বলেন, উক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে নাজু নামে একজনকে ধরে রাজাকাররা হত্যা করে বলে আমি জানতে পারি। আমি মনে করি রাজাকার, আল-বদররা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সমান অপরাধী। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অপরাধের মাত্রা ছিল অনেক বেশি। আমাদের দেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং ভাষা সম্পর্কে পাক বাহিনীর ধারণা না থাকার সীমাবদ্ধতাকে জামায়াত ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য, রাজাকার ও আল-বদররা পূরণ করে তাদেরকে সব ধরনের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে।
এর আগে প্রসিকিউশনের দ্বিতীয় সাক্ষী জহির উদ্দিন জালালকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মুন্সী আহসান কবির।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সাক্ষী জালাল মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবনন্দিকালে তিনি বলেছেন, একাত্তর সালের ২৯ আগস্ট সকাল বেলা দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা পড়ে তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের স্বামী এবং দুই সন্তানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর জানতে পারেন। অথচ শহীদ জননী নিজে তার একাত্তরে ডায়েরিতে লিখেছেন ২৯ তারিখ রাত দুইটার পরে অর্থাৎ ৩০ আগস্ট ভোর বেলা তার স্বামী সন্তানদেরকে ধরে নিয়ে যায় পাক বাহিনী।
আসামিপক্ষের এ আইনজীবী উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন- কে সত্য, শহীদ জননী জাহানার ইমাম নাকি সাক্ষী জালাল?
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী শাহরিয়ার কবীর গত ২৬ আগস্ট জবানবন্দি পেশ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা শুরু করে আসামিপক্ষ।
গত ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় ৩৪টি অভিযোগে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এর আগে একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মুজাহিদকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২ আগস্ট এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।
No comments:
Post a Comment