হলমার্ক এমডির ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা স্বীকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার
করেছেন বলে জানিয়েছে সংসদীয় উপকমিটি। পাশাপাশি হলমার্কের ঋণ গ্রহণ
প্রক্রিয়ায় সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে বলে
জানিয়েছে উপকমিটি।
মঙ্গলবার হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে সংসদীয় উপকমিটি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের বক্তব্য শোনার পর কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত সংসদীয় উপকমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবার প্রায় দু ঘণ্টা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তানভীর মাহমুদ ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ।
সংসদ ভবনে কমিটির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণদান প্রক্রিয়ায় সুনির্দিষ্ট অনিয়ম পেয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়ম যে হয়েছে তা হলমার্ক ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে সার্বিক বিষয়ে সুপারিশসহ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার পর এ ঘটনায় কারা জড়িত সে বিষয়ে জানা যাবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনবোধ করছে না। কারণ এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেনি। প্রয়োজন হলে তাকে ডাকা হবে।
তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কার্যক্রমে অসেন্তোষ প্রকাশ করে এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে এলে দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে।
হলমার্ক গ্রুপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
৩ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতার লেনদেনসহ ব্যাংকসমূহের সার্বিক কার্যক্রম এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমার্কের ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজীকে সদস্য করে গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট উপকমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তাজুল ইসলাম ওইদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর (পাঁচটি) সামগ্রিক চিত্র খতিয়ে দেখার জন্য এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘কমিটি হলমার্ক কেলেঙ্কারীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।’’
মঙ্গলবার হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে সংসদীয় উপকমিটি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের বক্তব্য শোনার পর কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত সংসদীয় উপকমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবার প্রায় দু ঘণ্টা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তানভীর মাহমুদ ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ।
সংসদ ভবনে কমিটির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণদান প্রক্রিয়ায় সুনির্দিষ্ট অনিয়ম পেয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়ম যে হয়েছে তা হলমার্ক ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে সার্বিক বিষয়ে সুপারিশসহ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার পর এ ঘটনায় কারা জড়িত সে বিষয়ে জানা যাবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনবোধ করছে না। কারণ এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেনি। প্রয়োজন হলে তাকে ডাকা হবে।
তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কার্যক্রমে অসেন্তোষ প্রকাশ করে এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে এলে দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে।
হলমার্ক গ্রুপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
৩ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতার লেনদেনসহ ব্যাংকসমূহের সার্বিক কার্যক্রম এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমার্কের ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজীকে সদস্য করে গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট উপকমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তাজুল ইসলাম ওইদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর (পাঁচটি) সামগ্রিক চিত্র খতিয়ে দেখার জন্য এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘কমিটি হলমার্ক কেলেঙ্কারীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।’’

No comments:
Post a Comment