চট্টগ্রামে কুকুর লেলিয়ে হত্যা পিতা-পুত্র কারাগারে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
হিমাদ্রী মজুমদার হিমু হত্যা মামলায় অভিযুক্ত পিতা-পুত্রকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মামলার প্রধান আসামি চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী শাহ সেলিম টিপু এবং তার
ছেলে জুনায়েদ আহমেদ রিয়াদ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর
হাকিম হাসানুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক
তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠান।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ফরহাদ
ম্যানশন নামের ১০১ নম্বর বাড়ির চারতলার ছাদে কৌশলে হিমুকে ডেকে নিয়ে যায়
অভিজাত পরিবারের ৫ বখাটে যুবক। ওই বহুতল ভবনের ছাদে তাকে কুকুর লেলিয়ে
নির্যাতন করে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত হিমু ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে
পাঞ্জা লড়ে গত ২৩ মে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান।
নিহত হিমু পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ইংরেজি মাধ্যমের
সামারফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের এ লেভেলের ছাত্র ছিলেন। এ ঘটনায় হিমাদ্রির
মামা অসিত দাশ শাহ সেলিম টিপুকে প্রধান করে ৫ জনের নামে মামলা করেন।
মামলায় বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন,
অভিযোপত্র দাখিলের আগে থেকে ব্যবসায়ী টিপু এবং তার ছেলে অন্তর্বর্তীকালীন
জামিনে ছিলেন।
তিনি জানান, সমপ্রতি ওই মামলায় চার্জশিট দাখিলের পর তারা নিন্ম আদালতে
আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে
কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, শাহাদাৎ হোসেন সাজু, শাওন ও ড্যানি। এরমধ্যে সাজু আগে থেকেই কারাগারে। ড্যানি ও শাওন এখনও পলাতক।
Thursday, October 11, 2012
দুর্নীতি তদন্তে বিশ্বব্যাংকের প্যানেল আসছে ১৪ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দুর্নীতি তদন্তে বিশ্বব্যাংকের প্যানেল আসছে ১৪ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পদ্মা সেতুর দুর্নীতি তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে কাজ করতে বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেল ১৪ অক্টোবর ঢাকায় আসছে।
বুধবার বিশ্বব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত বিশ্বব্যাংকের
প্যানেলটি ১৪ অক্টোবর ঢাকায় আসবে। প্যানেলটি দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে
নিবিড়ভাবে কাজ করবে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে বেশ কটি
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে এটি হবে তাদের প্রাথমিক পর্যায়ের পরিদর্শন।
প্যানেলটি বিশ্বব্যাংক, বাংলাদেশ সরকার এবং সহ-অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর কাছে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন তুলে ধরবে।
বিশ্বব্যাংক ৫ অক্টোবর তাদের তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির নাম ঘোষণা করে। এ
কমিটির প্রধান হয়েছেন লুইন মরেনো অকেম্পো। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের
প্রধান প্রসিকিউটর ছিলেন।
তার সঙ্গে কমিটিতে আছেন চীনের হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের স্বাধীন
দুর্নীতিবিরোধী কমিশনের সাবেক কমিশনার টিমোথি তং এবং যুক্তরাজ্যের গুরুতর
প্রতারণা প্রতিরোধবিষয়ক অফিসের সাবেক পরিচালক রিচার্ড অলডারম্যান।
দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি বড় বাধা: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি বড় বাধা: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি বড়
বাধা। প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতি ও জঙ্গীবাদ বিরোধী
চেতনা জাগিয়ে তুলতে হবে। সোনার বাংলা গড়তে হলে অবশ্যই সর্বস্তরে
দুর্নীতিকে না বলতে হবে।
বুধবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মিলনায়তনে ‘প্রফেসর মাহফুজা খানম-ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রফেসর মাহফুজা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এএবিএম আনোয়ারুল হক, সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী, পিপি আব্দুস সালাম, জেলা প্রশাসক মুনশি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলী মিয়া ও কাশীনাথ সরকার।
আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে কক্সবাজারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, “এই হামলার সঙ্গে জড়িত ও ইন্ধনদাতাদের সরকার অবশ্যই বিচারের আওতায় আনবে।”
আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ ও তার পত্নী প্রফেসর মাহফুজা খানমের নামে ২০০৩ সাল থেকে মানিকগঞ্জে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর ৯৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৫০ জন শিক্ষার্থীদের তিন ক্যাটাগরিতে এই বৃত্তি দেয়া হয়।
এছাড়া মন্ত্রী বিকেলে মানিকগঞ্জ আইনজীবী সমিতির ২ নম্বর ভবনের স্থানে নতুন একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
বুধবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মিলনায়তনে ‘প্রফেসর মাহফুজা খানম-ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রফেসর মাহফুজা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এএবিএম আনোয়ারুল হক, সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী, পিপি আব্দুস সালাম, জেলা প্রশাসক মুনশি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলী মিয়া ও কাশীনাথ সরকার।
আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে কক্সবাজারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, “এই হামলার সঙ্গে জড়িত ও ইন্ধনদাতাদের সরকার অবশ্যই বিচারের আওতায় আনবে।”
আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ ও তার পত্নী প্রফেসর মাহফুজা খানমের নামে ২০০৩ সাল থেকে মানিকগঞ্জে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর ৯৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৫০ জন শিক্ষার্থীদের তিন ক্যাটাগরিতে এই বৃত্তি দেয়া হয়।
এছাড়া মন্ত্রী বিকেলে মানিকগঞ্জ আইনজীবী সমিতির ২ নম্বর ভবনের স্থানে নতুন একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
শিশুসন্তান হত্যা মামলায় মায়ের ১০ বছর জেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
শিশুসন্তান হত্যা মামলায় মায়ের ১০ বছর জেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মায়ের প্রহারে সাড়ে তিন বছরের শিশু সুরাইয়ার মৃত্যর ঘটনায় মা হামিদা বেগমকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শামসুল আরেফীন এ রায় দেন।
রায়ে দণ্ডিতকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
রায়ের বিবরণে বলা হয়, গত বছরের ২৫ জুন গুলশান ১ এর ১২১ নম্বর সড়কের বি-১ নম্বর ফ্ল্যাটে নিজের মেয়েকে উত্তেজিত হয়ে খুন করেন হামিদা।
মামলায় বলা হয়, তুচ্ছ কারণে বিরক্ত হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান তিনি। হামিদা ওই বাড়ির চিকিৎসক ফাতিহা কবীর মীমের গৃহকর্মী ছিলেন।
ডা. মীম বাদি হয়ে গুলশান থানায় ওই ঘটনায় মামলা করেন। হামিদা হত্যার ঘটনা স্বীকার করে হাকিমের কাছে জবানবন্দী দেন।
বুধবার ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শামসুল আরেফীন এ রায় দেন।
রায়ে দণ্ডিতকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
রায়ের বিবরণে বলা হয়, গত বছরের ২৫ জুন গুলশান ১ এর ১২১ নম্বর সড়কের বি-১ নম্বর ফ্ল্যাটে নিজের মেয়েকে উত্তেজিত হয়ে খুন করেন হামিদা।
মামলায় বলা হয়, তুচ্ছ কারণে বিরক্ত হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান তিনি। হামিদা ওই বাড়ির চিকিৎসক ফাতিহা কবীর মীমের গৃহকর্মী ছিলেন।
ডা. মীম বাদি হয়ে গুলশান থানায় ওই ঘটনায় মামলা করেন। হামিদা হত্যার ঘটনা স্বীকার করে হাকিমের কাছে জবানবন্দী দেন।
রামুর ঘটনায় গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি ড. কামাল হোসেনের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রামুর ঘটনায় গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি ড. কামাল হোসেনের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৌদ্ধবিহারের হামলার ঘটনায়
গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
একইসঙ্গে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কাউকে দোষারোপ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
ড. কামাল হোসেন রামু পিরিদর্শন শেষে বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণফোরামের সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান।
গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি করে ড. কামাল হোসেন বলেন, এটি করা হলে তদন্তে কোনো দলীয় ভূমিকা বা গন্ধ থাকবে না। জাতীয় উদ্যোগ নিয়ে দলমত নির্বিশেষে তদন্ত হবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে থেকে রামু মাত্র ২৫ মিনিটের পথ। তাহলে তিন ঘণ্টার মধ্যে তিন পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়া আর কোনো পুলিশ সেখানে পৌঁছায়নি কেন? বিজিবি, র্যাব ও আর্মি ক্যাম্প থাকার পরেও তিন ঘণ্টা ধরে বৌদ্ধবিহার পুড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করা হলো অথচ কেউ গেল না কেন?
গণফোরাম সভাপতি বলেন, স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ঘটনা ঘটার আগেই রাত ১০টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোনে রামু ভয়াবহ হুমকির মুখে এ কথা জানান। এর পরেও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা কোন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি তাহলে ভূমিকা নেননি? সাংবাদিকেদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল বলেন, পুলিশ হয়তো তার কথা শুনেনি।
ওই দিনের ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮-৯টার দিকে চৌমুহনীতে সমবেত হওয়া মানুষকে উত্তেজিত করা হয়। এ বিষেয়ে পুলিশকে জানানো হলে তিন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বাসার ভেতরে থাকুন যা করার আমরা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, গণফোরামের মহাসচিব মোস্তফা মহসীন মন্টু, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক গোলাম রাব্বানি বাবলু ও অ্যাডভোকেট শফিকুল্লাহ।
একইসঙ্গে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কাউকে দোষারোপ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
ড. কামাল হোসেন রামু পিরিদর্শন শেষে বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণফোরামের সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান।
গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি করে ড. কামাল হোসেন বলেন, এটি করা হলে তদন্তে কোনো দলীয় ভূমিকা বা গন্ধ থাকবে না। জাতীয় উদ্যোগ নিয়ে দলমত নির্বিশেষে তদন্ত হবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে থেকে রামু মাত্র ২৫ মিনিটের পথ। তাহলে তিন ঘণ্টার মধ্যে তিন পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়া আর কোনো পুলিশ সেখানে পৌঁছায়নি কেন? বিজিবি, র্যাব ও আর্মি ক্যাম্প থাকার পরেও তিন ঘণ্টা ধরে বৌদ্ধবিহার পুড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করা হলো অথচ কেউ গেল না কেন?
গণফোরাম সভাপতি বলেন, স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ঘটনা ঘটার আগেই রাত ১০টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোনে রামু ভয়াবহ হুমকির মুখে এ কথা জানান। এর পরেও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা কোন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি তাহলে ভূমিকা নেননি? সাংবাদিকেদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল বলেন, পুলিশ হয়তো তার কথা শুনেনি।
ওই দিনের ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮-৯টার দিকে চৌমুহনীতে সমবেত হওয়া মানুষকে উত্তেজিত করা হয়। এ বিষেয়ে পুলিশকে জানানো হলে তিন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বাসার ভেতরে থাকুন যা করার আমরা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, গণফোরামের মহাসচিব মোস্তফা মহসীন মন্টু, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক গোলাম রাব্বানি বাবলু ও অ্যাডভোকেট শফিকুল্লাহ।
ডি-৮ রাষ্ট্রগুলোর শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ডি-৮ রাষ্ট্রগুলোর শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর শ্রমবাজার পরস্পরের
মধ্যে উন্মুক্ত করে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শিল্প সহযোগিতা বিষয়ক ডি-৮ মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন উদ্বোধন করে বুধবার এ কথা বলেন তিনি।
বিশ্বায়নের ফলে অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন একটি চ্যালেঞ্জ-এ কথা উল্লেখ করে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলো পরস্পরের স্বার্থরক্ষায় কাজ
করলে এ সমস্যা মোকাবেলা করে অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব।”
এজন্য ওআইসির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার ও আসিয়ানভুক্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোর সঙ্গে স্বার্থবান্ধব চুক্তি করারও প্রস্তাব দেন তিনি।
এ সময় অর্থনৈতিক উন্নয়নে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সহায়ক ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিচ্ছে: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিচ্ছে: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বুধবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌরসভার সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন টিআইবির চেয়ারপারসন এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল।
প্রধানমন্ত্রীসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, “সহিংসতার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং জনপ্রশাসনের ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হয়েছে। আর তাদের দিয়েই এই ঘটনার তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা আড়ালে থেকে যাবে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।”
কক্সবাজারের সহিংসতার এই ঘটনা শুধু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ক্ষতি হিসেবে না দেখে পুরো দেশের এবং সমগ্র জাতির ক্ষতি হিসেবে দেখার জন্য সংবাদ সম্মেলন বলা হয়।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপার্সন ড. হামিদা হোসেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও টিআইবি চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারনাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক রীনা রায়।
ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, কক্সবাজারের
রামুতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে রাজনৈতিক ফায়দা
হাসিলের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মনে আস্থা
ফিরিয়ে আসার পরিবর্তে অনাস্থা ও নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দেবে।
বুধবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌরসভার সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন টিআইবির চেয়ারপারসন এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল।
প্রধানমন্ত্রীসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, “সহিংসতার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং জনপ্রশাসনের ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হয়েছে। আর তাদের দিয়েই এই ঘটনার তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা আড়ালে থেকে যাবে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।”
কক্সবাজারের সহিংসতার এই ঘটনা শুধু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ক্ষতি হিসেবে না দেখে পুরো দেশের এবং সমগ্র জাতির ক্ষতি হিসেবে দেখার জন্য সংবাদ সম্মেলন বলা হয়।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপার্সন ড. হামিদা হোসেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও টিআইবি চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারনাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক রীনা রায়।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার রামু সফরকালে সেখানে এক জনসভায়
রামু’র সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির সংসদ সদস্যকে দায়ী করে বক্তব্য
দেন।
সবুজবাগে যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সবুজবাগে যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজধানীর সবুজবাগ থানার পূর্ব বাসাবোর একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের(১৮) গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুর ১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
সবুজবাগ থানার ডিউটি অফিসার জানান, “স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে এ লাশ
উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় জানতে লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো
হয়েছে।
আগামী সংসদ অধিবেশনে ২৬ হাজার স্কুল সরকারি হবে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
আগামী সংসদ অধিবেশনে ২৬ হাজার স্কুল সরকারি হবে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষে বর্তমান সরকার আগামী সংসদ অধিবেশনে ২৬ হাজার বেসরকারি স্কুলকে সরকারি করবে।
বুধবার বিকেলে সুমানগঞ্জের বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এ কথা বলেন।
উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সেলিম হায়দারের পরিচালনায় অনুষ্টিত সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ আলম, বড়ছড়া কয়লা আমদানীকারক সমিতির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আলকাছ উদ্দিন খন্দকার, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী, মোশারফ হোসেন, আব্দুল কদ্দুছ ও আবু বক্কর।
ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন আরো বলেন, “আওয়ামী লীগ গরীবের সরকার। সাধারণ মানুষে মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিরলসভাবে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে।”
বুধবার বিকেলে সুমানগঞ্জের বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এ কথা বলেন।
উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সেলিম হায়দারের পরিচালনায় অনুষ্টিত সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ আলম, বড়ছড়া কয়লা আমদানীকারক সমিতির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আলকাছ উদ্দিন খন্দকার, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী, মোশারফ হোসেন, আব্দুল কদ্দুছ ও আবু বক্কর।
ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন আরো বলেন, “আওয়ামী লীগ গরীবের সরকার। সাধারণ মানুষে মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিরলসভাবে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে।”
সাগর-রুনি হত্যা মামলার দুই আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সাগর-রুনি হত্যা মামলার দুই আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামির আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
রাজধানীর একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীর ও সাগর-রুনির ভাড়া বাসার নিরাপত্তা প্রহরী পলাশ রুদ্র পালকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
একই সঙ্গে চিকিত্সক নারায়ণ চন্দ্র দত্তের হত্যা মামলায় গ্রেফতার চার আসামিকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানানো হয়।
বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কেশব রায় চৌধুরী এ আদেশ দেন।
র্যাবের এসপি আবু জাফর আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
সাংবাদিক দম্পতি হত্যার প্রায় আট মাস পর মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মামলার তদন্তের বিষয়ে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।
তিনি জানান, এ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন আটজনকে সনাক্ত করে এদের সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরজন সাগর-রুনির ভাড়াবাসার নিরাপত্তা প্রহরী হুমায়ুন কবীর ওরফে এনামুলকে ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এ মামলা দায়ের করার ২৩৯ দিন পর এ আসামিদের সন্দেহমূলকভাবে গ্রেফতার করা হয়। ইতিপূর্বে ও এ আসামিদের তিন বার র্যাব অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। এখন জজ মিয়া নাটকের মতো তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করে প্রহসন করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
অন্য আসামিরা অন্য মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার থাকায় এ মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয় প্রাথমিকভাবে তারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন এবং অস্ত্র উদ্ধার এবং সহযোগীদের গ্রেফতার করার জন্য আসামিদের রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন।
রাজধানীর একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীর ও সাগর-রুনির ভাড়া বাসার নিরাপত্তা প্রহরী পলাশ রুদ্র পালকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
একই সঙ্গে চিকিত্সক নারায়ণ চন্দ্র দত্তের হত্যা মামলায় গ্রেফতার চার আসামিকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানানো হয়।
বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কেশব রায় চৌধুরী এ আদেশ দেন।
র্যাবের এসপি আবু জাফর আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
সাংবাদিক দম্পতি হত্যার প্রায় আট মাস পর মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মামলার তদন্তের বিষয়ে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।
তিনি জানান, এ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন আটজনকে সনাক্ত করে এদের সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরজন সাগর-রুনির ভাড়াবাসার নিরাপত্তা প্রহরী হুমায়ুন কবীর ওরফে এনামুলকে ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এ মামলা দায়ের করার ২৩৯ দিন পর এ আসামিদের সন্দেহমূলকভাবে গ্রেফতার করা হয়। ইতিপূর্বে ও এ আসামিদের তিন বার র্যাব অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। এখন জজ মিয়া নাটকের মতো তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করে প্রহসন করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
অন্য আসামিরা অন্য মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার থাকায় এ মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয় প্রাথমিকভাবে তারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন এবং অস্ত্র উদ্ধার এবং সহযোগীদের গ্রেফতার করার জন্য আসামিদের রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন।
গোলাম রহমানের পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
গোলাম রহমানের পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমানের নিজ পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম শিশির বুধবার বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
একইসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১০(৩) ধারা কেন সংবিধান বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, আবেদনে এই মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।
রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম রহমানের কার্যক্রম পরিচালনার ওপর অন্তর্বর্তীকালিন নিষেধাজ্ঞাও চাওয়া হয়েছে।
রিটে আইন সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব, দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ও দুদকের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আবেদনটি বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন।
আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, ‘পিয়ন -চাপরাশির বক্তব্যে বিচার চলে না’ এমন বক্তব্য দিয়ে দুদক চেয়ারম্যান তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। এ বক্তব্যের ফলে দুদকের চেয়ারম্যান ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ লংঘন করেছেন। তাই তিনি ওই পদে থাকতে পারেন না। এ বক্তব্য দিয়ে তিনি এক শ্রেণীর মানুষকে কটাক্ষ করেছেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আবুল হোসেন হলমার্কসহ বেশ কয়েকটি উদারহণ টেনে রিটকারীর আইনজীবী বলেন, “যখনই বড় কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তখনই দুদক চেয়ারম্যান তাদের পক্ষে সাফাই গেয়ে দুর্নীতিবাজদের পার পাওয়ার সুযোগ করে দেন।”
তিনি বলেন, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে রয়েছে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারী।’
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল রাতে তৎকালিন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের ব্যক্তিগত সহকারী ওমর ফারুকের গাড়িতে বিপুল অর্থ পাওয়ার যায়। এরপর ১৬ এপ্রিল ‘অর্থ কেলেঙ্কারির’ দায় নিজের কাঁধে নিয়ে রেলমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান সুরঞ্জিত।
ওই ঘটনার পর থেকে ফারুকের গাড়িচালক আজম খানের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এমনকি দুদক ও রেল কর্তৃপক্ষ পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার পরও আজম হাজির হননি।
ছয় মাস ‘নিখোঁজ’ থাকার পর গত ৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির একটি প্রতিবেদনে হাজির হন চালক আজম।
ওই প্রতিবেদনে আজম দাবি করেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সাবেক এপিএস ওমর ফারুক পিলখানায় যে অর্থসহ আটক হয়েছিলেন তার উৎস ছিল রেলের ‘নিয়োগ বাণিজ্য’। ওই টাকা সুরঞ্জিতের বাড়িতে পৌঁছানোর সময়ই ফারুক ‘আটক হন’।
এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর ৭ অক্টোবর রোববার কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের যাবতীয় অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম সাক্ষ্য আইনের আওতায় হয়ে থাকে। যেসব সাক্ষ্য-প্রমাণ সাক্ষ্য আইন বহির্ভূত বা আদালতে প্রহণযোগ্য নয়, তা দুদকেও গ্রহণযোগ্য নয়। টেলিভিশনে প্রচারিত ওই ব্যক্তির বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের আওতায় পড়ে না।’
তিনি বলেন, “মিডিয়াতে অনেক খবরই আসে, সবই কি আদালতে গ্রহণযোগ্য? মুখের কথায় যদি সব হতো তাহলে ড্রাইভার, চাপরাশির কথায় দেশের সব চলতো।”
Wednesday, October 10, 2012
রাষ্ট্রপতি হতে চান সু কি :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাষ্ট্রপতি হতে চান সু কি :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
মায়ানমারের অবিসংবাদিত বিরোধী নেত্রী আউং সান সু কি দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার
ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন। তিনি জানিযেছেন, তার দলের ইচ্ছে, এজন্য অবিলম্বে
সংবিধান সংশোধন করতে হবে।
নেত্রী জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে দেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে ভোটে লড়ার কৌশল ও পরিকল্পনা ঠিক করা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের আগেই সংবিধান সংশোধনের জন্য চাপ দেবে তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি।
কারণ চলতি সামরিক সরকার শাসিত সংবিধানের কয়েকটি ধারা এমনভাবে রাখা হয়েছে যাতে তিনি বা অন্য কেউ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হতে না পারেন। কিন্তু এই ব্যবস্থা বদলাতে হবে। প্রসঙ্গত, ১৭ দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সোমবার দেশে ফিরলেন সু কি। তারপরই জানান ওই দাবি। যদিও সামরিক সরকার ও তাদের মুখপত্র নেত্রীর নয়া দাবি নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সূত্র: ওয়েবসাইট।
নেত্রী জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে দেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে ভোটে লড়ার কৌশল ও পরিকল্পনা ঠিক করা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের আগেই সংবিধান সংশোধনের জন্য চাপ দেবে তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি।
কারণ চলতি সামরিক সরকার শাসিত সংবিধানের কয়েকটি ধারা এমনভাবে রাখা হয়েছে যাতে তিনি বা অন্য কেউ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হতে না পারেন। কিন্তু এই ব্যবস্থা বদলাতে হবে। প্রসঙ্গত, ১৭ দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সোমবার দেশে ফিরলেন সু কি। তারপরই জানান ওই দাবি। যদিও সামরিক সরকার ও তাদের মুখপত্র নেত্রীর নয়া দাবি নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সূত্র: ওয়েবসাইট।
বাকৃবিতে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রফ্রন্টের ৩০ নেতাকর্মী আহত :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
বাকৃবিতে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রফ্রন্টের ৩০ নেতাকর্মী আহত :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের প্রশাসন ভবন
অবরোধ কর্মসূচিতে হামলা করেছে ছাত্রলীগ। এতে অন্তত ৩০ নেতাকর্মী আহত
হয়েছেন। মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ওই ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিচারের দাবিতে ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার থেকে পুরো ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাকৃবির সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।
জানা যায়, সোমবার থেকে বাকৃবির অনুষদীয় করিডোর ও প্রশাসন ভবনের সামনে সব ধরণের মিছিল-মিটিং-ধর্মঘট-অবোরোধের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রশাসন। কিন্তু ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মঙ্গলবার দুপুর একটায় প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ব্যানারে বাকৃবির সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ইউনিয়ন টিএসসি থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে প্রশাসন ভবন অবরোধ করে।
এসময় তাদের অবরোধ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দিলে ছাত্র ইউনিয়ন তাৎক্ষণিকভাবে অবরোধ কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। কিন্তু তখনও ছাত্রফ্রন্ট তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার না করায় প্রথমে ছাত্রফন্ট ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদেও মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ছাত্রফন্টের নেতা-কর্মীদের বেধরক পেটায়।
এতে ওই সংগঠনের সভাপতি সেঁজুতি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কিশোর আহমেদ, সহ-সভাপতি অজিত দাস, সহ-সধারণ সম্পাদক বিপস্নব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ, দফতর সম্পাদক জয়া, অর্থ সম্পাদক এনি, প্রচার সম্পাদক মিল্টন, গ্রন্থাগার সম্পাদক অর্পিতা, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মিলনসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে আহত নারী নেতা-কর্মী রয়েছে ১২ জন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বাকৃবির হেলথ কেয়ার সেন্টার ও অধিকাংশকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মমেক হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে গুরুতর আহতরা হলেন-কিশোর, অজিত, বিপ্লব, জয়া, অর্পিতা, এনি, রাজিব ও শুভ।
ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সেঁজুতি চৌধুরী জানান, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলায় আমাদের সকল নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং ওই সময় বাকৃবির প্রক্টর আমাদের এক নেত্রীকে লাঞ্ছিত করেছে। এজন্য ওই ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের বিচার, প্রক্টরের পদত্যাগ ও অনার্স ভর্তি ফির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে আমরা বুধবার থেকে পুরো ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছি।
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মিসপি সরেন বলেন, “আমরা অবরোধ কর্মসূচিতে ছিলাম। তবে ছাত্রলীগ বাধা দিলে সংঘাত এড়াতে আমরা ওই কর্মসূচি থেকে সরে এসেছি। তবে আমরাও অনার্স ভর্তি ফির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।”
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুজ্জামান ইমন জানান, ওই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয়। তবে অবরোধ কর্মসূচির নামে ছাত্রফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা শিক্ষকদের গায়ে হাত তুললে সাধারণ ছাত্ররা তা প্রতিহত করতে গেলে ওই ঘটনা ঘটে।
বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সুলতান উদ্দিন ভূইয়া বলেন, “পুরো ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ভর্তি ফির মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে প্রশাসন এখনও আগের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
এদিকে ওই ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিচারের দাবিতে ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার থেকে পুরো ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাকৃবির সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।
জানা যায়, সোমবার থেকে বাকৃবির অনুষদীয় করিডোর ও প্রশাসন ভবনের সামনে সব ধরণের মিছিল-মিটিং-ধর্মঘট-অবোরোধের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রশাসন। কিন্তু ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মঙ্গলবার দুপুর একটায় প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ব্যানারে বাকৃবির সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ইউনিয়ন টিএসসি থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে প্রশাসন ভবন অবরোধ করে।
এসময় তাদের অবরোধ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দিলে ছাত্র ইউনিয়ন তাৎক্ষণিকভাবে অবরোধ কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। কিন্তু তখনও ছাত্রফ্রন্ট তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার না করায় প্রথমে ছাত্রফন্ট ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদেও মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ছাত্রফন্টের নেতা-কর্মীদের বেধরক পেটায়।
এতে ওই সংগঠনের সভাপতি সেঁজুতি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কিশোর আহমেদ, সহ-সভাপতি অজিত দাস, সহ-সধারণ সম্পাদক বিপস্নব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ, দফতর সম্পাদক জয়া, অর্থ সম্পাদক এনি, প্রচার সম্পাদক মিল্টন, গ্রন্থাগার সম্পাদক অর্পিতা, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মিলনসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে আহত নারী নেতা-কর্মী রয়েছে ১২ জন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বাকৃবির হেলথ কেয়ার সেন্টার ও অধিকাংশকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মমেক হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে গুরুতর আহতরা হলেন-কিশোর, অজিত, বিপ্লব, জয়া, অর্পিতা, এনি, রাজিব ও শুভ।
ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সেঁজুতি চৌধুরী জানান, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলায় আমাদের সকল নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং ওই সময় বাকৃবির প্রক্টর আমাদের এক নেত্রীকে লাঞ্ছিত করেছে। এজন্য ওই ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের বিচার, প্রক্টরের পদত্যাগ ও অনার্স ভর্তি ফির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে আমরা বুধবার থেকে পুরো ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছি।
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মিসপি সরেন বলেন, “আমরা অবরোধ কর্মসূচিতে ছিলাম। তবে ছাত্রলীগ বাধা দিলে সংঘাত এড়াতে আমরা ওই কর্মসূচি থেকে সরে এসেছি। তবে আমরাও অনার্স ভর্তি ফির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।”
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুজ্জামান ইমন জানান, ওই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয়। তবে অবরোধ কর্মসূচির নামে ছাত্রফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা শিক্ষকদের গায়ে হাত তুললে সাধারণ ছাত্ররা তা প্রতিহত করতে গেলে ওই ঘটনা ঘটে।
বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সুলতান উদ্দিন ভূইয়া বলেন, “পুরো ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ভর্তি ফির মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে প্রশাসন এখনও আগের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
ভাইরাসে ধ্বংস হচ্ছে মৌমাছি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
ভাইরাসে ধ্বংস হচ্ছে মৌমাছি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
ক্ষুদ্র প্রাণী মৌমাছি বিশাল উপকার করছে মানবজাতির। কিন্তু সেই মৌমাছি
এখন অস্তিত্বের হুমকিতে। বিশ্বব্যাপী মৌমাছি ধ্বংস হচ্ছে এর চেয়ে অতি
ক্ষুদ্র এক পরজীবীর কারণে।
ভ্যারো নামের পরজীবী ডিফর্মড উইং ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছে মৌমাছির দেহে। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গটি।
গবেষকরা বলছেন, এ পর্যন্ত বিশ্বে বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসগুলোর এটি একটি। এটি ছোট প্রাণিদেহে ছড়ানো বিভিন্ন ভাইরাসের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।
বৃটেনের ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের গবেষকরা দু'বছর ধরে এ নিয়ে কাজ করছেন। সায়েন্স সাময়িকীতে এক নিবন্ধে তারা বলেন, মৌমাছির দেহে ইনজেকশনের মতো করে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিচ্ছে ভ্যারো। সূত্র: বিবিসি
ভ্যারো নামের পরজীবী ডিফর্মড উইং ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছে মৌমাছির দেহে। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গটি।
গবেষকরা বলছেন, এ পর্যন্ত বিশ্বে বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসগুলোর এটি একটি। এটি ছোট প্রাণিদেহে ছড়ানো বিভিন্ন ভাইরাসের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।
বৃটেনের ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের গবেষকরা দু'বছর ধরে এ নিয়ে কাজ করছেন। সায়েন্স সাময়িকীতে এক নিবন্ধে তারা বলেন, মৌমাছির দেহে ইনজেকশনের মতো করে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিচ্ছে ভ্যারো। সূত্র: বিবিসি
সুনীতাদের জন্য এবার আইসক্রিমের মহাকাশযাত্রা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
সুনীতাদের জন্য এবার আইসক্রিমের মহাকাশযাত্রা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
নিজের ‘পৃথিবীর’ বাড়িতে বসে শেষ কবে তারিয়ে তারিয়ে আইসক্রিম খেয়েছিলেন,
হয়তো মনে করতে পারবেন না তিনি। অনেক দিন ধরে যে মহাকাশেই আস্তানা
গেড়েছেন। অতঃ কিম? সেই ভাবনা থেকেই বোধহয় আইসক্রিমের মহাকাশযাত্রার
পরিকল্পনা করেছিলেন তার সহকর্মীরা।
তিনি সুনীতা উইলিয়ামস। অনেক দিন যাবৎই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) বাসিন্দা সুনীতা। সম্প্রতি তার এবং তার বাকি দুই ‘প্রতিবেশীর’ জন্যই মহাকাশে আইসক্রিম পাঠানোর পরিকল্পনা করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।
কী রকম সেই পরিকল্পনা? আসলে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য নতুন করে রসদ পাঠানোর কথা ভাবছিল নাসা। মূলত এই সব জিনিসপত্র নিয়েই গত রোববার নাসার বিশেষ মালবাহী রকেট (ক্যাপসুল) পাড়ি দেয় মহাকাশে।
নাসা সূত্রে খবর, রোববার রাতেই ক্যাপসুলটিকে কক্ষপথে স্থাপন করেন বিজ্ঞানীরা। আগামী বুধবার সেটির আইএসএসে পৌঁছনোর কথা।
নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, ক্যাপসুলটিতে মহাকাশে পরীক্ষা চালানোর জন্য প্রায় ৪৫০ কেজি সরঞ্জাম তো রয়েছেই। তা ছাড়াও রয়েছে এক বিশেষ ধরনের ‘ফ্রিজ’। সেখানেই ভরা রয়েছে জিভে জল আনা চকোলেট-ভ্যানিলার মিশ্র স্বাদের আইসক্রিম। নাসার ম্যানেজার মাইকেল সাফ্রেদিনির ভাষায়, ‘বোনাস ফুড’। শনিবার ক্যাপসুলটির উৎক্ষেপণের আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে যার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন তিনি।
আইসক্রিমের কথা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন সুনীতা। বিষয়টি নিয়ে এতটাই উৎসাহী তিনি যে ভিডিওর মাধ্যমে কক্ষপথে ক্যাপসুলটিকে ঢুকতে দেখে বলেই ফেলেছেন, “ওকে ধরার জন্য মুখিয়ে আছি।” যদিও আইসক্রিম হাতে পেতে এখনো বেশ কিছুটা সময় বাকি, সে কথা বিলক্ষণ জানেন সুনীতা। তাই বুধবারের দিকে সোৎসাহে তাকিয়ে তিনি। বুধবারের অপেক্ষায় অবশ্য নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানীরাও। তবে সুনীতার উৎসাহের নিরিখে তাদের উত্তেজনা কিছুটা হলেও ফিকে।
মহাকাশে বসে চকোলেট-ভ্যানিলা আইসক্রিম খাওয়া তো আর যে সে কথা নয়। সূত্র: আনন্দবাজার
তিনি সুনীতা উইলিয়ামস। অনেক দিন যাবৎই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) বাসিন্দা সুনীতা। সম্প্রতি তার এবং তার বাকি দুই ‘প্রতিবেশীর’ জন্যই মহাকাশে আইসক্রিম পাঠানোর পরিকল্পনা করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।
কী রকম সেই পরিকল্পনা? আসলে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য নতুন করে রসদ পাঠানোর কথা ভাবছিল নাসা। মূলত এই সব জিনিসপত্র নিয়েই গত রোববার নাসার বিশেষ মালবাহী রকেট (ক্যাপসুল) পাড়ি দেয় মহাকাশে।
নাসা সূত্রে খবর, রোববার রাতেই ক্যাপসুলটিকে কক্ষপথে স্থাপন করেন বিজ্ঞানীরা। আগামী বুধবার সেটির আইএসএসে পৌঁছনোর কথা।
নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, ক্যাপসুলটিতে মহাকাশে পরীক্ষা চালানোর জন্য প্রায় ৪৫০ কেজি সরঞ্জাম তো রয়েছেই। তা ছাড়াও রয়েছে এক বিশেষ ধরনের ‘ফ্রিজ’। সেখানেই ভরা রয়েছে জিভে জল আনা চকোলেট-ভ্যানিলার মিশ্র স্বাদের আইসক্রিম। নাসার ম্যানেজার মাইকেল সাফ্রেদিনির ভাষায়, ‘বোনাস ফুড’। শনিবার ক্যাপসুলটির উৎক্ষেপণের আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে যার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন তিনি।
আইসক্রিমের কথা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন সুনীতা। বিষয়টি নিয়ে এতটাই উৎসাহী তিনি যে ভিডিওর মাধ্যমে কক্ষপথে ক্যাপসুলটিকে ঢুকতে দেখে বলেই ফেলেছেন, “ওকে ধরার জন্য মুখিয়ে আছি।” যদিও আইসক্রিম হাতে পেতে এখনো বেশ কিছুটা সময় বাকি, সে কথা বিলক্ষণ জানেন সুনীতা। তাই বুধবারের দিকে সোৎসাহে তাকিয়ে তিনি। বুধবারের অপেক্ষায় অবশ্য নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানীরাও। তবে সুনীতার উৎসাহের নিরিখে তাদের উত্তেজনা কিছুটা হলেও ফিকে।
মহাকাশে বসে চকোলেট-ভ্যানিলা আইসক্রিম খাওয়া তো আর যে সে কথা নয়। সূত্র: আনন্দবাজার
রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট: আলোচনায় বসতে যাচ্ছে মোবাইল ফোন অপারেটররা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট: আলোচনায় বসতে যাচ্ছে মোবাইল ফোন অপারেটররা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
সেলফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীদের চলমান আন্দোলন বন্ধে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে অপারেটররা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনানুষ্ঠানিকভাবে অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
দু-একদিনের মধ্যে এ বৈঠক হতে পারে। এ বিষয়ে এরই মধ্যে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে সেলফোন অপারেটররা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
রিচার্জে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআরবিএ)। সংগঠনটি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন এবং বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে এ ব্যাপারে স্মারকলিপি দেয়।
এতে ১১টি দাবি উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করা হয়। বিএমপিআরবিএ রিচার্জে কমিশনের হার ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার দাবি করেছে।
সংগঠনটি বলছে, রিচার্জ সেবা চালুর শুরু থেকে কমিশনের এ হার চালু রয়েছে। অথচ এ সময়ে কয়েক দফা বেড়েছে দ্রব্যমূল্য। এ ছাড়া সংগঠনটির মাধ্যমে নতুন সিম দেয়ার ব্যবস্থা, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরতের ব্যবস্থা করা, রিচাজের্র পদ্ধতি সহজ ও উন্নত করার দাবি করেছে বিএমপিআরবিএ।
রিচার্জ ব্যবসায়ী ও সেলফোন অপারেটরদের পাশাপাশি এর সঙ্গে দেশের বিপুলসংখ্যক সেলফোন ব্যবহারকারীও সংশ্লিষ্ট। ফলে বিষয়টির একটি কার্যকর সমাধান প্রয়োজন। আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারে।
এসব অভিযোগ সম্পর্কে বিএমপিআরবিএর সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, এখন থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেবে সংগঠন। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনটির কমিটি রয়েছে বলে জানান তিনি।
দেশের ছয় সেলফোন অপারেটরের বিভিন্ন নামে এ রিচার্জ সেবা চালু রয়েছে। গ্রামীণফোন দেশে প্রথম এ রিচার্জ ব্যবস্থা চালু করে।
প্রতিষ্ঠানটি ফ্লেক্সিলোড নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করে ২০০৫ সালে। প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা এ সুবিধা পেয়ে আসছে।
এ ছাড়া বাংলালিংক আই টপ-আপ, রবি ইজি লোড, এয়ারটেল ই-বিল, সিটিসেল ই-টপ আপ ও ই-বিল এবং টেলিটক টেলিরিচার্জ নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনানুষ্ঠানিকভাবে অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
দু-একদিনের মধ্যে এ বৈঠক হতে পারে। এ বিষয়ে এরই মধ্যে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে সেলফোন অপারেটররা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
রিচার্জে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআরবিএ)। সংগঠনটি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন এবং বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে এ ব্যাপারে স্মারকলিপি দেয়।
এতে ১১টি দাবি উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করা হয়। বিএমপিআরবিএ রিচার্জে কমিশনের হার ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার দাবি করেছে।
সংগঠনটি বলছে, রিচার্জ সেবা চালুর শুরু থেকে কমিশনের এ হার চালু রয়েছে। অথচ এ সময়ে কয়েক দফা বেড়েছে দ্রব্যমূল্য। এ ছাড়া সংগঠনটির মাধ্যমে নতুন সিম দেয়ার ব্যবস্থা, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরতের ব্যবস্থা করা, রিচাজের্র পদ্ধতি সহজ ও উন্নত করার দাবি করেছে বিএমপিআরবিএ।
রিচার্জ ব্যবসায়ী ও সেলফোন অপারেটরদের পাশাপাশি এর সঙ্গে দেশের বিপুলসংখ্যক সেলফোন ব্যবহারকারীও সংশ্লিষ্ট। ফলে বিষয়টির একটি কার্যকর সমাধান প্রয়োজন। আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারে।
এসব অভিযোগ সম্পর্কে বিএমপিআরবিএর সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, এখন থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেবে সংগঠন। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনটির কমিটি রয়েছে বলে জানান তিনি।
দেশের ছয় সেলফোন অপারেটরের বিভিন্ন নামে এ রিচার্জ সেবা চালু রয়েছে। গ্রামীণফোন দেশে প্রথম এ রিচার্জ ব্যবস্থা চালু করে।
প্রতিষ্ঠানটি ফ্লেক্সিলোড নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করে ২০০৫ সালে। প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা এ সুবিধা পেয়ে আসছে।
এ ছাড়া বাংলালিংক আই টপ-আপ, রবি ইজি লোড, এয়ারটেল ই-বিল, সিটিসেল ই-টপ আপ ও ই-বিল এবং টেলিটক টেলিরিচার্জ নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করেছে।
মরিয়ার, হিচকক, মনিরত্নম আর ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
মরিয়ার, হিচকক, মনিরত্নম আর ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
এতদিনে মনের মতন একখান চিত্রনাট্য পেয়েছিলেন নায়িকা; ক্ষণিক বিরতির পর তাই
অনেকটা নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়- এমন কাহিনি নিয়েই রুপোলি পর্দায় ফেরার
ফন্দি ভাঁজছিলেন তিনি! তাও কপালে সইল না?
আসলে নিন্দুকদের মুখে আচ্ছাসে ঝামা ঘষে আবার ছায়াছবির রুপোলি পর্দায় ফিরে আসছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন- এটা একদম পাকা খবর হয়েই ছিল। মোটের ওপর নেহাতই একখান মামুলি খবর; ঐশ্বরিয়া পেশায় অভিনেত্রী- তিনি তার তিলে তিলে তৈরি করা জায়গা খামোখা ছেড়ে দেবেনই বা কেন? মা হওয়ার সময় সব মেয়েরাই কাজেকম্মে ছুটি নেয়; ঐশ্বরিয়াও নিয়েছিলেন। কাজেই খবরটা নিয়ে ঢাকঢোল পেটানোর মতো কিছু আছে কি?
আলবাত আছে। যে ছবিতে দেখা যাবে মাদার বচ্চনকে এতদিন পর, সেই ছবির গল্পের নায়িকার পরিস্থিতির সঙ্গে ভালই মিল ছিল ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বাজার গরম করা গুজগুজ-ফুসফুসের! তা, ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বাজার কী বলে? কী বলে না- সেটা বলাই বোধহয় ভাল হবে। সবাই বলে, যোগ্যতার চেয়ে কিছু বেশিই পেয়ে গিয়েছেন ঐশ্বরিয়া; এতটাও সাফল্যের হকদার তিনি নন! এও রটে পাঁচকানে যে, বচ্চন-পরিবারের বধূ হওয়ার মতো ব্যক্তিত্বও তার নেই; ওটা নেহাতই পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা সুযোগ! পাশাপাশি, ইদানিং আরও একটা অভিযোগ আছে নায়িকার বিরুদ্ধে। এই ঐশ্বরিয়া আগের ঐশ্বরিয়ার মতো অতটাও গ্লাম্যারাস নন!
এইসব উড়ো খই আঁচল পেতে ধরাটা যে কোনও কাজের কথা নয়, তা তো সবাই জানে! লোকে কী না বলে- সে কথায় কান দিতে নেই। তা বলে কি একটু-আধটু মাথা গরম হয় না, নাকি ভাল করে ঠুকে দিতে সাধ যায় না নিন্দুকদের? অনেক দিন এসব সহ্য করেছেন ঐশ্বরিয়া; এবার মুখ খুলেছিলেন তিনি। তবে প্রেস কনফারেন্স ডেকে নয়; আগামী ছবির গল্প দিয়ে! কী সেই ছবি?
ছবির গল্পটা পরিচালকের নিজস্ব নয়; ১৯৩৮ সালের জনপ্রিয় ফরাসি লেখিকা দ্যু মরিয়ার-এর ‘রেবেকা’ থেকে অনুপ্রাণিত। আর পরিচালকের নাম মনি রত্নম। সেই গল্প বলছে, রেবেকা নামে এক মধ্যবিত্ত মেয়ে কপাল জোরে বিয়ে হয়ে উঠেছিল এক অভিজাত পরিবারে। আর সেখান থেকেই শুরু হল বিপত্তি! ম্যাক্স-এর নববিবাহিতা বউকে নিয়ে কোনো সমস্যা না থাকলেও গভর্নেস মিসেস ডেনভার্স দু’ চক্ষে দেখতে পারতেন না বধূটিকে। কথায় কথায় তিনি মনে করিয়ে দিতেন, এই মেয়েটি ম্যাক্সের আগের বউ রেবেকার মতো সুন্দরী নয়, এই মেয়েটি অভিজাত পরিবারের বধূ হওয়ার যোগ্যই নয় ইত্যাদি ইত্যাদি। রেবেকার ছায়ার তলায় থাকতে থাকতে অতিষ্ঠ হয়ে কীভাবে রেবেকা-রহস্যের সমাধান করল নববিবাহিতা, সেটাই ‘রেবেকা’ উপন্যাসের মজা! এবার বোঝা যাচ্ছে তো, কেন এই চিত্রনাট্য কিছুটা হলেও খাপ খেয়ে যায় ঐশ্বরিয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে?
অবশ্য ঐশ্বরিয়া আছেন, আর কোনো বিতর্ক নেই তার অভিনীত ছবি নিয়ে-তাও কি হতে পারে? কখনই পারে না। তা, এবারের বিতর্কটা কী? না, দু'-দুটো বিতর্ক ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে তৈরি না-হওয়া এই ছবিটাকে ঘিরে। প্রথমত, মনি রত্নম-এর এই ‘রেবেকা’ নাকি হতে চলেছে আলফ্রেড হিচকক-এর ১৯৪০ সালের ওই একই নামের ছবির টুকলি! সেই ছবিতে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ছিপছিপে সুন্দরী জোন ফন্টেন; সেই ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস মেনেই বেছে নেওয়া হয়েছে ঐশ্বরিয়াকে। অবশ্য, ছবির শেষটা মূল উপন্যাসে যা ছিল, তা প্রযোজকদের দাবি মেনে ছবিতে রাখতে পারেননি হিচকক। ম্যাক্স রেবেকাকে খুন করলেও হিচককের ছবিতে সেই মৃত্যুকে দেখানো হয়েছিল আকস্মিক এবং সুখী দাম্পত্যে ফিরে গিয়েছিল নায়ক-নায়িকা। তা, মনির ছবিতে শেষটা কেমন হবে? এই জায়গা থেকেই শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় বিতর্ক- ছবিটা আদৌ হচ্ছে কিনা!
সে কী? ছবি হচ্ছে না? গুজব যাই রটুক না কেন, মনি কিন্তু ঝেড়ে অস্বীকার করছেন আগামী এই ছবির কথা! 'এখনও কদল ছবি নিয়ে ভীষণই ব্যস্ত হয়ে আছে মনি, অন্য ছবি নিয়ে ভাবার সময় কোথায়', জানাচ্ছেন মনিজায়া সুহাসিনী! 'কদল' ছবি এখন পোস্ট-প্রোডাকশনের মুখে; সেটা শেষ হবে, তার সাফল্য উপভোগ করবেন, খানিক বিশ্রাম নেবেন- তার পরে না নতুন ছবির পরিকল্পনা! তাহলে এখন কী করবেন ঐশ্বরিয়া?
সে যাই হোক, ঐশ্বরিয়ার পক্ষে যে এই ছবি লাভজনক হতো-তাতে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। নায়িকার প্রথম ছবি ‘ইরুভর’-ও মনি রত্নমের হাত ধরেই; এবং যখনই প্রয়োজন পড়েছে, নায়িকার ডুবন্ত কেরিয়ারকে ‘গুরু’, ‘রাবণ’ প্রভৃতি একের পর এক হিট ছবি দিয়ে টেনে তুলেছেন মনি। এবারেও যে তার ব্যতিক্রম হত না- এমনটা আশা করাই যায়। কিন্তু ছবির ভবিষ্যত তো ঝুলে আছে শূন্যে! কী পরিণতি হবে নায়িকা এবং তার এই ছবির-সময়ই কেবল সেটার জবাব দেবে। সূত্র: ওয়েবসাইট।
আসলে নিন্দুকদের মুখে আচ্ছাসে ঝামা ঘষে আবার ছায়াছবির রুপোলি পর্দায় ফিরে আসছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন- এটা একদম পাকা খবর হয়েই ছিল। মোটের ওপর নেহাতই একখান মামুলি খবর; ঐশ্বরিয়া পেশায় অভিনেত্রী- তিনি তার তিলে তিলে তৈরি করা জায়গা খামোখা ছেড়ে দেবেনই বা কেন? মা হওয়ার সময় সব মেয়েরাই কাজেকম্মে ছুটি নেয়; ঐশ্বরিয়াও নিয়েছিলেন। কাজেই খবরটা নিয়ে ঢাকঢোল পেটানোর মতো কিছু আছে কি?
আলবাত আছে। যে ছবিতে দেখা যাবে মাদার বচ্চনকে এতদিন পর, সেই ছবির গল্পের নায়িকার পরিস্থিতির সঙ্গে ভালই মিল ছিল ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বাজার গরম করা গুজগুজ-ফুসফুসের! তা, ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বাজার কী বলে? কী বলে না- সেটা বলাই বোধহয় ভাল হবে। সবাই বলে, যোগ্যতার চেয়ে কিছু বেশিই পেয়ে গিয়েছেন ঐশ্বরিয়া; এতটাও সাফল্যের হকদার তিনি নন! এও রটে পাঁচকানে যে, বচ্চন-পরিবারের বধূ হওয়ার মতো ব্যক্তিত্বও তার নেই; ওটা নেহাতই পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা সুযোগ! পাশাপাশি, ইদানিং আরও একটা অভিযোগ আছে নায়িকার বিরুদ্ধে। এই ঐশ্বরিয়া আগের ঐশ্বরিয়ার মতো অতটাও গ্লাম্যারাস নন!
এইসব উড়ো খই আঁচল পেতে ধরাটা যে কোনও কাজের কথা নয়, তা তো সবাই জানে! লোকে কী না বলে- সে কথায় কান দিতে নেই। তা বলে কি একটু-আধটু মাথা গরম হয় না, নাকি ভাল করে ঠুকে দিতে সাধ যায় না নিন্দুকদের? অনেক দিন এসব সহ্য করেছেন ঐশ্বরিয়া; এবার মুখ খুলেছিলেন তিনি। তবে প্রেস কনফারেন্স ডেকে নয়; আগামী ছবির গল্প দিয়ে! কী সেই ছবি?
ছবির গল্পটা পরিচালকের নিজস্ব নয়; ১৯৩৮ সালের জনপ্রিয় ফরাসি লেখিকা দ্যু মরিয়ার-এর ‘রেবেকা’ থেকে অনুপ্রাণিত। আর পরিচালকের নাম মনি রত্নম। সেই গল্প বলছে, রেবেকা নামে এক মধ্যবিত্ত মেয়ে কপাল জোরে বিয়ে হয়ে উঠেছিল এক অভিজাত পরিবারে। আর সেখান থেকেই শুরু হল বিপত্তি! ম্যাক্স-এর নববিবাহিতা বউকে নিয়ে কোনো সমস্যা না থাকলেও গভর্নেস মিসেস ডেনভার্স দু’ চক্ষে দেখতে পারতেন না বধূটিকে। কথায় কথায় তিনি মনে করিয়ে দিতেন, এই মেয়েটি ম্যাক্সের আগের বউ রেবেকার মতো সুন্দরী নয়, এই মেয়েটি অভিজাত পরিবারের বধূ হওয়ার যোগ্যই নয় ইত্যাদি ইত্যাদি। রেবেকার ছায়ার তলায় থাকতে থাকতে অতিষ্ঠ হয়ে কীভাবে রেবেকা-রহস্যের সমাধান করল নববিবাহিতা, সেটাই ‘রেবেকা’ উপন্যাসের মজা! এবার বোঝা যাচ্ছে তো, কেন এই চিত্রনাট্য কিছুটা হলেও খাপ খেয়ে যায় ঐশ্বরিয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে?
অবশ্য ঐশ্বরিয়া আছেন, আর কোনো বিতর্ক নেই তার অভিনীত ছবি নিয়ে-তাও কি হতে পারে? কখনই পারে না। তা, এবারের বিতর্কটা কী? না, দু'-দুটো বিতর্ক ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে তৈরি না-হওয়া এই ছবিটাকে ঘিরে। প্রথমত, মনি রত্নম-এর এই ‘রেবেকা’ নাকি হতে চলেছে আলফ্রেড হিচকক-এর ১৯৪০ সালের ওই একই নামের ছবির টুকলি! সেই ছবিতে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ছিপছিপে সুন্দরী জোন ফন্টেন; সেই ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস মেনেই বেছে নেওয়া হয়েছে ঐশ্বরিয়াকে। অবশ্য, ছবির শেষটা মূল উপন্যাসে যা ছিল, তা প্রযোজকদের দাবি মেনে ছবিতে রাখতে পারেননি হিচকক। ম্যাক্স রেবেকাকে খুন করলেও হিচককের ছবিতে সেই মৃত্যুকে দেখানো হয়েছিল আকস্মিক এবং সুখী দাম্পত্যে ফিরে গিয়েছিল নায়ক-নায়িকা। তা, মনির ছবিতে শেষটা কেমন হবে? এই জায়গা থেকেই শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় বিতর্ক- ছবিটা আদৌ হচ্ছে কিনা!
সে কী? ছবি হচ্ছে না? গুজব যাই রটুক না কেন, মনি কিন্তু ঝেড়ে অস্বীকার করছেন আগামী এই ছবির কথা! 'এখনও কদল ছবি নিয়ে ভীষণই ব্যস্ত হয়ে আছে মনি, অন্য ছবি নিয়ে ভাবার সময় কোথায়', জানাচ্ছেন মনিজায়া সুহাসিনী! 'কদল' ছবি এখন পোস্ট-প্রোডাকশনের মুখে; সেটা শেষ হবে, তার সাফল্য উপভোগ করবেন, খানিক বিশ্রাম নেবেন- তার পরে না নতুন ছবির পরিকল্পনা! তাহলে এখন কী করবেন ঐশ্বরিয়া?
সে যাই হোক, ঐশ্বরিয়ার পক্ষে যে এই ছবি লাভজনক হতো-তাতে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। নায়িকার প্রথম ছবি ‘ইরুভর’-ও মনি রত্নমের হাত ধরেই; এবং যখনই প্রয়োজন পড়েছে, নায়িকার ডুবন্ত কেরিয়ারকে ‘গুরু’, ‘রাবণ’ প্রভৃতি একের পর এক হিট ছবি দিয়ে টেনে তুলেছেন মনি। এবারেও যে তার ব্যতিক্রম হত না- এমনটা আশা করাই যায়। কিন্তু ছবির ভবিষ্যত তো ঝুলে আছে শূন্যে! কী পরিণতি হবে নায়িকা এবং তার এই ছবির-সময়ই কেবল সেটার জবাব দেবে। সূত্র: ওয়েবসাইট।
এতদিন কোথায় ছিলেন :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
এতদিন কোথায় ছিলেন :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
জ্ঞান হওয়া ইস্তক সেই রূপকথার বন্দিনী আমাকে বলতেন, ইংরেজি পড়। জীবনের
দরজা খুলে যাবে। আমার মতো ভাত রান্না করতে হবে না। ছোটহাতের বি-কে উল্টে
দিলে ডি হয়, এন হলো ডিগবাজি খাওয়া ইউ। নিজে হাতে শিখিয়েছিলেন। কাঁচের
আলমারির রঙবেরঙয়ের ইয়ামোটা বইগুলো পড়তে পারার লোভ দেখিয়ে নির্ভুল বানান
লেখাতেন ধৈর্য ধরে। স্টিভ জোবসকে জানার অনেক আগেই, অ্যাপল বানানে কটা পি
লাগে, ঠিক জেনেছিলাম তারই কাছে।
তারপর কখন রেডিয়ান্ট রিডারের লক্ষ্মণরেখা পার হয়ে, বন্দিনীর আঙুলের মুঠি ছাড়িয়ে, তাকে অনেক পিছনে ফেলে ফিনিশ লাইন ছুঁয়ে ফেললাম। আলমারির ইংরেজি বই টেনে আগাপাশতলা পড়া হয়ে গেল। সাহেবি ঢংয়ে ইংরেজি বলে হাইহিল পরার ছাড়পত্র মিলে গেল। পিছন ফিরেও দেখিনি আমার রূপকথার রানি কোন দাগে আটকে রইলেন। স্বপ্নের সব রূপ-রস-নির্যাস আমাকে দিয়ে, আমার জীবনের দরজাটা খুলে দিয়ে, এখনও তিনি ধূমায়িত রান্নাঘরে প্রতিদিনের জীবন অনুশীলন করেন। করেই চলেন।
এক কখায়, ইংলিশ ভিংলিশ সেই সব রূপকথার বন্দিনীকে আবার সিংহাসনে বসাল। সেই মায়েরা, যাদের জীবনে বলার কিছুই নেই, তাদের গল্পই বললেন পরিচালক গৌরী শিন্ডে এবং শ্রীদেবী। একই সঙ্গে পরিচালক আর নায়িকার নাম বললাম। শ্রীদেবী, কামব্যাক হো তো অ্যায়সি! বিস্ময়বোধক শব্দ অভিধানে বড় কম। প্রত্যেক ফ্রেমে এই হিম্মতওয়ালি যেভাবে ‘চরিত্র’ হয়ে উঠলেন, না দেখলে কল্পনা করা অসম্ভব। এক সেকেন্ডও চোখ সরালে মিস করবেন তার অভিব্যক্তির অনুপুঙ্খ। ছবিতে ছেলের মনোরঞ্জনের জন্য মাইকেল জ্যাকসন-এর নাচ (যার আয়ু মোটে ছ সেকেন্ড) ছাড়া শ্রীদেবীর নাচ দেখতে পাবেন না। তাতে কী! যা দেখতে পাবেন, তাতেই বলবেনই, এতদিন কোথায় ছিলেন, শ্রীদেবী!
সব ‘সরস্বতী বিদ্যালয়ে’ পড়া, ইংরেজি-না-জানা ‘অসহায়’ মায়েদের সম্মিলিত চরিত্রর ঠাসবুননে তৈরি এক চরিত্রে, একা অভিনয় করে দেখালেন শ্রীদেবী। সংসারে থেকেও যারা প্রায় অদৃশ্য। যাদের মধুমালতী হাতের ছোঁয়ায় সুস্বাদু হয় ঘরের খাবার, একটা জানলা-দরজাহীন চৌখুপির মধ্যেই যাদের রাতদিনের শ্রম, তাদেরই গল্প।
শ্রীদেবীর চরিত্র শশী সকালের কাগজে বাইরের বিশ্বটুকু জানতে শুরু করলেই যার স্বামী ডেকে ওঠেন, চা চাই। ছেলের স্কুল, মেয়ের ক্লাসের স্ক্র্যাপবুক, মনের মতো খাবার, প্রাণান্ত পরিশ্রম আর অঢেল মমতা দিয়েও যে তার অক্ষমতাকে ঢাকা দিতে পারে না। তুচ্ছ হয়ে যায় ইংরেজি জানা মেয়ে ও স্বামীর কাছে। একটি ভাষা জানা-না-জানার মধ্যে দিয়েই একটি সংসারের মধ্যেও কেমন ক্ষমতার আসনগুলো ওলটপালট হয়ে যায়।।। এই শশীই অসাধারণ লাড্ডু বানায়। বাড়ি বাড়ি হোম ডেলিভারি দিয়ে খুঁজে নেয় মুক্তির স্বাদ। আয়রন চেস্টে জমিয়ে রাখে সঞ্চয়। সেখানেও স্বামীর তাচ্ছিল্য। তোমার কি এটা না করলেই নয়। লাড্ডু বানানোর জন্যই কি তোমার জন্ম হয়েছে?
তাক লাগালেন পরিচালক। কোনো গল্প ছাড়াই আড়াই ঘণ্টা সম্মোহিত করে রাখলেন দর্শককে। অথবা শুধুই দর্শকের সঙ্গে ট্রিকস খেলে চললেন? চার দেওয়ালের ভেতরের গল্পটা টেনে বের করে নিয়ে এলেন প্রথম বিশ্বে। নিউ ইয়র্কবাসী বোনের বড় মেয়ের বিয়ে, জোগাড়যন্ত্র করতে যেতে হবে তো! এক্ষেত্রে সাধারণত যা হয়, প্রায় পরিচারিকার সম্মান দিয়েই পাঠানো হয় একলা শশীকে। এবেলা তার ইংরেজি-না-জানার জোর খাটে না, স্বামী সংসার ছেড়ে একলা পাড়ি দিতে হয়, ইংরেজি-না-জানা গৃহবধূ বনাম ইংরেজি-সর্বস্ব নিউ ইয়র্ক। কেমন করে ‘সামনা’ করবে সে? এক কাপ কফি আর স্যান্ডউইচ কিনতে গিয়েই যেন সুনামির মুখোমুখি হয় শশী। এই অক্ষমতার হাতকড়া থেকে মুক্তির তাগিদ থেকেই একদিন ‘চুপিচুপি’ ফোন স্পোকেন ইংলিশ ক্লাসের স্কুলে। লজ্জার ঘোমটা খুলে। সারা জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় চারশ ডলারে ভাঙিয়ে নিয়ে ‘চুপিচুপি’ চার হপ্তার ক্লাশ শুরু করে দিলেন। চার দেওয়াল গণ্ডি থেকে ‘চুপিচুপি’ তিরের বেগে বেরিয়ে বিশ্বসংসারে শ্বাস নেওয়া। ভিংলিশ-এর গণ্ডি পেরিয়ে ইংলিশে উত্তরণ। এই ‘চুপিচুপি’-র বিশ্বে সঙ্গ দিল শশীর আমেরিকাবাসী বোনঝি।
ইংলিশ ক্লাশটা নিয়ে দুচারটে কথা বলি। এটাও একটা ভিংলিশ-এর মিনি-বিশ্ব। স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, চাইনিজ, ওয়েস্ট-ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি আর ভারতীয় ছাত্র পড়তে আসে এখানে। ইংরেজিতে কথা বলতে পারলে স্প্যানিশ গভর্নেস তার মালকিনের ছেলেকে স্প্যানিশ শিখে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারবে। দক্ষিণ ভারতীয় আইটি স্পেশালিস্ট তার সহকর্মীদের উচিত শিক্ষা দিতে পারবে। পাকিস্তানি ড্রাইভার আমেরিকান বান্ধবী পাবে। ইংরেজি শেখার তাগিদ যাদের আলাদা আলাদা। তবু ইংরেজি না-বলেও একজন ফ্রেঞ্চ নির্দ্বিধায় মনের কথা বোঝাতে পারে এক মারাঠি গৃহবধূকে। সত্যি, চমৎকার স্ক্রিপ্টের ব্যবহার! চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেন ইংরেজি ভাষার সারশূন্যতা। মেহদি নেবউ-এর অভিনয় মনে থাকবে অনেকদিন।
ক্লাইম্যাক্স শটের কথাও বলে রাখি একটু। বিয়েবাড়ির পার্টিতে টার্ন আসে শশীর, বিবাহিত দম্পতির উদ্দেশে কিছু বলার জন্য। ইংলিশ স্পিকিং কোর্স করার পর শশী নির্ভুল ইংরেজিতে কথা বলে না। কিন্তু মনের কথা প্রকাশ করতে পারে। নিজের ভেতরে গুমরে থাকা অভিমান উগরে দেয় না, বোধগম্য ভাষায় মোলায়েমভাবে নিজের উপলব্ধির কথা বলে। ক্র্যাশ কোর্সের লক্ষ্যই তাই। লজ্জায় কুঁকড়ে থাকা অভিব্যক্তির গিঁটগুলো খুলে দিয়ে ভাবপ্রকাশের রাস্তা করে দেয়া। শশীর স্পিচে উঠে আসে একটাই আবেদন। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী ‘ইকোয়াল’। সংসারে কেউ কারওর ছোট নয়। পরিচালক যেভাবে নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রলোভন থেকে দূরে থাকলেন, তাতে আরও পরিষ্কার হল তার গবেষণার পরিধিটাও।
এইখানে বলে নিই, ছবির নাম কেন ‘ইংলিশ-ভিংলিশ’। শুধু শ্রীদেবীর কল্যাণে নয়। প্লেনে সহযাত্রী হিসেবে অমিতাভ বচ্চনের সদর্প উপস্থিতিই এর কারণ। ঘাবড়াবেন না। তিনিই ছবিতে বলেছেন, ‘সময় এসেছে ইংরেজি ভাষাকে ভ্যাংচানোর! আর ভয় পেলে চলবে না।’ ছবিতে মিডাস টাচ এই বিগ বি-ই। পাশাপাশি শ্রীদেবী-অমিতাভ। অসাধারণ কমিক সিকোয়েন্স। এক শব্দে, ঐতিহাসিক!
এক নিঃশ্বাসে দেখার মতো ছবি। আধুনিক এবং প্রাচীনমনস্কদের সমানভাবে অবশ্যদ্রষ্টব্য। আর অবশ্যই, যদি এখনও খুব বেশি দূরে চলে গিয়ে না থাকেন, তাহলে ছবি দেখা শেষ করে সেই রূপকথার বন্দিনীকে একবার জড়িয়ে ধরুন। একটি ভাষা না-জানার অপরাধে, তাকে উপহার দেয়া শ্লেষ আর অপমানগুলো ফিরিয়ে নেয়ার সুযোগ না-ই বা পেলেন! সূত্র: জিনিউজ।
তারপর কখন রেডিয়ান্ট রিডারের লক্ষ্মণরেখা পার হয়ে, বন্দিনীর আঙুলের মুঠি ছাড়িয়ে, তাকে অনেক পিছনে ফেলে ফিনিশ লাইন ছুঁয়ে ফেললাম। আলমারির ইংরেজি বই টেনে আগাপাশতলা পড়া হয়ে গেল। সাহেবি ঢংয়ে ইংরেজি বলে হাইহিল পরার ছাড়পত্র মিলে গেল। পিছন ফিরেও দেখিনি আমার রূপকথার রানি কোন দাগে আটকে রইলেন। স্বপ্নের সব রূপ-রস-নির্যাস আমাকে দিয়ে, আমার জীবনের দরজাটা খুলে দিয়ে, এখনও তিনি ধূমায়িত রান্নাঘরে প্রতিদিনের জীবন অনুশীলন করেন। করেই চলেন।
এক কখায়, ইংলিশ ভিংলিশ সেই সব রূপকথার বন্দিনীকে আবার সিংহাসনে বসাল। সেই মায়েরা, যাদের জীবনে বলার কিছুই নেই, তাদের গল্পই বললেন পরিচালক গৌরী শিন্ডে এবং শ্রীদেবী। একই সঙ্গে পরিচালক আর নায়িকার নাম বললাম। শ্রীদেবী, কামব্যাক হো তো অ্যায়সি! বিস্ময়বোধক শব্দ অভিধানে বড় কম। প্রত্যেক ফ্রেমে এই হিম্মতওয়ালি যেভাবে ‘চরিত্র’ হয়ে উঠলেন, না দেখলে কল্পনা করা অসম্ভব। এক সেকেন্ডও চোখ সরালে মিস করবেন তার অভিব্যক্তির অনুপুঙ্খ। ছবিতে ছেলের মনোরঞ্জনের জন্য মাইকেল জ্যাকসন-এর নাচ (যার আয়ু মোটে ছ সেকেন্ড) ছাড়া শ্রীদেবীর নাচ দেখতে পাবেন না। তাতে কী! যা দেখতে পাবেন, তাতেই বলবেনই, এতদিন কোথায় ছিলেন, শ্রীদেবী!
সব ‘সরস্বতী বিদ্যালয়ে’ পড়া, ইংরেজি-না-জানা ‘অসহায়’ মায়েদের সম্মিলিত চরিত্রর ঠাসবুননে তৈরি এক চরিত্রে, একা অভিনয় করে দেখালেন শ্রীদেবী। সংসারে থেকেও যারা প্রায় অদৃশ্য। যাদের মধুমালতী হাতের ছোঁয়ায় সুস্বাদু হয় ঘরের খাবার, একটা জানলা-দরজাহীন চৌখুপির মধ্যেই যাদের রাতদিনের শ্রম, তাদেরই গল্প।
শ্রীদেবীর চরিত্র শশী সকালের কাগজে বাইরের বিশ্বটুকু জানতে শুরু করলেই যার স্বামী ডেকে ওঠেন, চা চাই। ছেলের স্কুল, মেয়ের ক্লাসের স্ক্র্যাপবুক, মনের মতো খাবার, প্রাণান্ত পরিশ্রম আর অঢেল মমতা দিয়েও যে তার অক্ষমতাকে ঢাকা দিতে পারে না। তুচ্ছ হয়ে যায় ইংরেজি জানা মেয়ে ও স্বামীর কাছে। একটি ভাষা জানা-না-জানার মধ্যে দিয়েই একটি সংসারের মধ্যেও কেমন ক্ষমতার আসনগুলো ওলটপালট হয়ে যায়।।। এই শশীই অসাধারণ লাড্ডু বানায়। বাড়ি বাড়ি হোম ডেলিভারি দিয়ে খুঁজে নেয় মুক্তির স্বাদ। আয়রন চেস্টে জমিয়ে রাখে সঞ্চয়। সেখানেও স্বামীর তাচ্ছিল্য। তোমার কি এটা না করলেই নয়। লাড্ডু বানানোর জন্যই কি তোমার জন্ম হয়েছে?
তাক লাগালেন পরিচালক। কোনো গল্প ছাড়াই আড়াই ঘণ্টা সম্মোহিত করে রাখলেন দর্শককে। অথবা শুধুই দর্শকের সঙ্গে ট্রিকস খেলে চললেন? চার দেওয়ালের ভেতরের গল্পটা টেনে বের করে নিয়ে এলেন প্রথম বিশ্বে। নিউ ইয়র্কবাসী বোনের বড় মেয়ের বিয়ে, জোগাড়যন্ত্র করতে যেতে হবে তো! এক্ষেত্রে সাধারণত যা হয়, প্রায় পরিচারিকার সম্মান দিয়েই পাঠানো হয় একলা শশীকে। এবেলা তার ইংরেজি-না-জানার জোর খাটে না, স্বামী সংসার ছেড়ে একলা পাড়ি দিতে হয়, ইংরেজি-না-জানা গৃহবধূ বনাম ইংরেজি-সর্বস্ব নিউ ইয়র্ক। কেমন করে ‘সামনা’ করবে সে? এক কাপ কফি আর স্যান্ডউইচ কিনতে গিয়েই যেন সুনামির মুখোমুখি হয় শশী। এই অক্ষমতার হাতকড়া থেকে মুক্তির তাগিদ থেকেই একদিন ‘চুপিচুপি’ ফোন স্পোকেন ইংলিশ ক্লাসের স্কুলে। লজ্জার ঘোমটা খুলে। সারা জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় চারশ ডলারে ভাঙিয়ে নিয়ে ‘চুপিচুপি’ চার হপ্তার ক্লাশ শুরু করে দিলেন। চার দেওয়াল গণ্ডি থেকে ‘চুপিচুপি’ তিরের বেগে বেরিয়ে বিশ্বসংসারে শ্বাস নেওয়া। ভিংলিশ-এর গণ্ডি পেরিয়ে ইংলিশে উত্তরণ। এই ‘চুপিচুপি’-র বিশ্বে সঙ্গ দিল শশীর আমেরিকাবাসী বোনঝি।
ইংলিশ ক্লাশটা নিয়ে দুচারটে কথা বলি। এটাও একটা ভিংলিশ-এর মিনি-বিশ্ব। স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, চাইনিজ, ওয়েস্ট-ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি আর ভারতীয় ছাত্র পড়তে আসে এখানে। ইংরেজিতে কথা বলতে পারলে স্প্যানিশ গভর্নেস তার মালকিনের ছেলেকে স্প্যানিশ শিখে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারবে। দক্ষিণ ভারতীয় আইটি স্পেশালিস্ট তার সহকর্মীদের উচিত শিক্ষা দিতে পারবে। পাকিস্তানি ড্রাইভার আমেরিকান বান্ধবী পাবে। ইংরেজি শেখার তাগিদ যাদের আলাদা আলাদা। তবু ইংরেজি না-বলেও একজন ফ্রেঞ্চ নির্দ্বিধায় মনের কথা বোঝাতে পারে এক মারাঠি গৃহবধূকে। সত্যি, চমৎকার স্ক্রিপ্টের ব্যবহার! চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেন ইংরেজি ভাষার সারশূন্যতা। মেহদি নেবউ-এর অভিনয় মনে থাকবে অনেকদিন।
ক্লাইম্যাক্স শটের কথাও বলে রাখি একটু। বিয়েবাড়ির পার্টিতে টার্ন আসে শশীর, বিবাহিত দম্পতির উদ্দেশে কিছু বলার জন্য। ইংলিশ স্পিকিং কোর্স করার পর শশী নির্ভুল ইংরেজিতে কথা বলে না। কিন্তু মনের কথা প্রকাশ করতে পারে। নিজের ভেতরে গুমরে থাকা অভিমান উগরে দেয় না, বোধগম্য ভাষায় মোলায়েমভাবে নিজের উপলব্ধির কথা বলে। ক্র্যাশ কোর্সের লক্ষ্যই তাই। লজ্জায় কুঁকড়ে থাকা অভিব্যক্তির গিঁটগুলো খুলে দিয়ে ভাবপ্রকাশের রাস্তা করে দেয়া। শশীর স্পিচে উঠে আসে একটাই আবেদন। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী ‘ইকোয়াল’। সংসারে কেউ কারওর ছোট নয়। পরিচালক যেভাবে নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রলোভন থেকে দূরে থাকলেন, তাতে আরও পরিষ্কার হল তার গবেষণার পরিধিটাও।
এইখানে বলে নিই, ছবির নাম কেন ‘ইংলিশ-ভিংলিশ’। শুধু শ্রীদেবীর কল্যাণে নয়। প্লেনে সহযাত্রী হিসেবে অমিতাভ বচ্চনের সদর্প উপস্থিতিই এর কারণ। ঘাবড়াবেন না। তিনিই ছবিতে বলেছেন, ‘সময় এসেছে ইংরেজি ভাষাকে ভ্যাংচানোর! আর ভয় পেলে চলবে না।’ ছবিতে মিডাস টাচ এই বিগ বি-ই। পাশাপাশি শ্রীদেবী-অমিতাভ। অসাধারণ কমিক সিকোয়েন্স। এক শব্দে, ঐতিহাসিক!
এক নিঃশ্বাসে দেখার মতো ছবি। আধুনিক এবং প্রাচীনমনস্কদের সমানভাবে অবশ্যদ্রষ্টব্য। আর অবশ্যই, যদি এখনও খুব বেশি দূরে চলে গিয়ে না থাকেন, তাহলে ছবি দেখা শেষ করে সেই রূপকথার বন্দিনীকে একবার জড়িয়ে ধরুন। একটি ভাষা না-জানার অপরাধে, তাকে উপহার দেয়া শ্লেষ আর অপমানগুলো ফিরিয়ে নেয়ার সুযোগ না-ই বা পেলেন! সূত্র: জিনিউজ।
স্ট্রোকের ক্ষতি সারাবে ওষুধ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
স্ট্রোকের ক্ষতি সারাবে ওষুধ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কে রক্ত জমে যাওয়াসহ নানা জটিলতা সারিয়ে তুলবে
ওষুধ। এ জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে না। ল্যানচেট নিউরোলজি অব মেডিকেল
জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, স্ট্রোকের জটিলতা সারিয়ে তুলতে এনএ-১ নামক একটি ওষুধ ব্যবহার করা নিরাপদ। স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন ১৮৫ জন রোগী নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে আমেরিকা ও কানাডার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এনএ-১ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত কোষ সারিয়ে তোলে।
প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ অক্সিজেনের অভাবে মরে যাওয়া কোষগুলো রক্ষা করে। কানাডা ও বৃটেনের প্রায় ১৪টি হাসপাতালে রোগীদের মাঝে সামান্য পরিমাণে এনএ-১ ব্যবহার করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে গবেষক দল। ৯২ জন রোগীর দেহে সরাসরি ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। অন্য ৯৩ জনের দেহে স্যালাইনের মাধ্যমে ওষুধ দেয়া হয়।
গবেষকরা জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ওষুধ ব্যবহারকারীদের লক্ষণীয় পরিবর্তন হয়েছে। স্ট্র্রোক অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এই ওষুধের ব্যবহার আশাব্যঞ্জক; তবে এ নিয়ে আরো গবেষণার প্রয়োজন আছে। সূত্র: বিবিসি
এতে বলা হয়েছে, স্ট্রোকের জটিলতা সারিয়ে তুলতে এনএ-১ নামক একটি ওষুধ ব্যবহার করা নিরাপদ। স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন ১৮৫ জন রোগী নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে আমেরিকা ও কানাডার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এনএ-১ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত কোষ সারিয়ে তোলে।
প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ অক্সিজেনের অভাবে মরে যাওয়া কোষগুলো রক্ষা করে। কানাডা ও বৃটেনের প্রায় ১৪টি হাসপাতালে রোগীদের মাঝে সামান্য পরিমাণে এনএ-১ ব্যবহার করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে গবেষক দল। ৯২ জন রোগীর দেহে সরাসরি ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। অন্য ৯৩ জনের দেহে স্যালাইনের মাধ্যমে ওষুধ দেয়া হয়।
গবেষকরা জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ওষুধ ব্যবহারকারীদের লক্ষণীয় পরিবর্তন হয়েছে। স্ট্র্রোক অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এই ওষুধের ব্যবহার আশাব্যঞ্জক; তবে এ নিয়ে আরো গবেষণার প্রয়োজন আছে। সূত্র: বিবিসি
‘তামাকের মাধ্যমে বছরে ৫৭ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়’ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
‘তামাকের মাধ্যমে বছরে ৫৭ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়’ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন অব. মুজিবুর রহমান
ফকির বলেছেন, ‘‘প্রতি বছর ৫৭ লাখ লোক তামাকের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বছরে
তামাকজাত পণ্যে সরাসরি আক্রান্ত হয় ৩৭ হাজার লোক। এ সংক্রান্ত চিকিৎসায়
বছরে ব্যয় হয় ৫ হাজার কোটি টাকা।’’
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় তামাকমুক্ত দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও জনস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ।
মুজিবুর রহমান ফকির বলেন, ‘‘তামাকের এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে হলে সবার আগে দরকার জনসচেতনতা। দেশের জনগণ যখন এর ক্ষতিকর দিক জানবে, তখন তারা তামাকজাত পণ্য ব্যবহার থেকে সরে আসবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আইন করলেই হবে না, আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। এ সংক্রান্ত আইনটিতে বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে, যা খুব শিগগিরই সংসদে পাস হবে।’’
তামাকমুক্ত দেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘‘তামাকের ব্যবহার শুন্যের কোঠায় আনতে হলে সবার আগে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছার। কারণ, যারাই ক্ষমতায় থাকে, তারা ভোট হারানোর ভয়ে জনগণের জন্য কার্যকর এই ক্ষেত্রটিতে কেনো উদ্যোগ নেয় না।’’
যখন যারাই রাষ্ট্রক্ষমতায় আসুক তাদের দেশের জনগণের কাছে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক আইজিপি ড. এম এনামুল হক, উবিনীগ নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার প্রমুখ।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় তামাকমুক্ত দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও জনস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ।
মুজিবুর রহমান ফকির বলেন, ‘‘তামাকের এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে হলে সবার আগে দরকার জনসচেতনতা। দেশের জনগণ যখন এর ক্ষতিকর দিক জানবে, তখন তারা তামাকজাত পণ্য ব্যবহার থেকে সরে আসবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আইন করলেই হবে না, আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। এ সংক্রান্ত আইনটিতে বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে, যা খুব শিগগিরই সংসদে পাস হবে।’’
তামাকমুক্ত দেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘‘তামাকের ব্যবহার শুন্যের কোঠায় আনতে হলে সবার আগে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছার। কারণ, যারাই ক্ষমতায় থাকে, তারা ভোট হারানোর ভয়ে জনগণের জন্য কার্যকর এই ক্ষেত্রটিতে কেনো উদ্যোগ নেয় না।’’
যখন যারাই রাষ্ট্রক্ষমতায় আসুক তাদের দেশের জনগণের কাছে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক আইজিপি ড. এম এনামুল হক, উবিনীগ নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার প্রমুখ।
Subscribe to:
Posts (Atom)