সেলফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীদের চলমান আন্দোলন বন্ধে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে অপারেটররা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনানুষ্ঠানিকভাবে অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
দু-একদিনের মধ্যে এ বৈঠক হতে পারে। এ বিষয়ে এরই মধ্যে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে সেলফোন অপারেটররা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
রিচার্জে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআরবিএ)। সংগঠনটি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন এবং বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে এ ব্যাপারে স্মারকলিপি দেয়।
এতে ১১টি দাবি উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করা হয়। বিএমপিআরবিএ রিচার্জে কমিশনের হার ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার দাবি করেছে।
সংগঠনটি বলছে, রিচার্জ সেবা চালুর শুরু থেকে কমিশনের এ হার চালু রয়েছে। অথচ এ সময়ে কয়েক দফা বেড়েছে দ্রব্যমূল্য। এ ছাড়া সংগঠনটির মাধ্যমে নতুন সিম দেয়ার ব্যবস্থা, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরতের ব্যবস্থা করা, রিচাজের্র পদ্ধতি সহজ ও উন্নত করার দাবি করেছে বিএমপিআরবিএ।
রিচার্জ ব্যবসায়ী ও সেলফোন অপারেটরদের পাশাপাশি এর সঙ্গে দেশের বিপুলসংখ্যক সেলফোন ব্যবহারকারীও সংশ্লিষ্ট। ফলে বিষয়টির একটি কার্যকর সমাধান প্রয়োজন। আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারে।
এসব অভিযোগ সম্পর্কে বিএমপিআরবিএর সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, এখন থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেবে সংগঠন। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনটির কমিটি রয়েছে বলে জানান তিনি।
দেশের ছয় সেলফোন অপারেটরের বিভিন্ন নামে এ রিচার্জ সেবা চালু রয়েছে। গ্রামীণফোন দেশে প্রথম এ রিচার্জ ব্যবস্থা চালু করে।
প্রতিষ্ঠানটি ফ্লেক্সিলোড নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করে ২০০৫ সালে। প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা এ সুবিধা পেয়ে আসছে।
এ ছাড়া বাংলালিংক আই টপ-আপ, রবি ইজি লোড, এয়ারটেল ই-বিল, সিটিসেল ই-টপ আপ ও ই-বিল এবং টেলিটক টেলিরিচার্জ নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনানুষ্ঠানিকভাবে অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
দু-একদিনের মধ্যে এ বৈঠক হতে পারে। এ বিষয়ে এরই মধ্যে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে সেলফোন অপারেটররা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
রিচার্জে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআরবিএ)। সংগঠনটি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন এবং বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে এ ব্যাপারে স্মারকলিপি দেয়।
এতে ১১টি দাবি উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করা হয়। বিএমপিআরবিএ রিচার্জে কমিশনের হার ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার দাবি করেছে।
সংগঠনটি বলছে, রিচার্জ সেবা চালুর শুরু থেকে কমিশনের এ হার চালু রয়েছে। অথচ এ সময়ে কয়েক দফা বেড়েছে দ্রব্যমূল্য। এ ছাড়া সংগঠনটির মাধ্যমে নতুন সিম দেয়ার ব্যবস্থা, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরতের ব্যবস্থা করা, রিচাজের্র পদ্ধতি সহজ ও উন্নত করার দাবি করেছে বিএমপিআরবিএ।
রিচার্জ ব্যবসায়ী ও সেলফোন অপারেটরদের পাশাপাশি এর সঙ্গে দেশের বিপুলসংখ্যক সেলফোন ব্যবহারকারীও সংশ্লিষ্ট। ফলে বিষয়টির একটি কার্যকর সমাধান প্রয়োজন। আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারে।
এসব অভিযোগ সম্পর্কে বিএমপিআরবিএর সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, এখন থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেবে সংগঠন। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনটির কমিটি রয়েছে বলে জানান তিনি।
দেশের ছয় সেলফোন অপারেটরের বিভিন্ন নামে এ রিচার্জ সেবা চালু রয়েছে। গ্রামীণফোন দেশে প্রথম এ রিচার্জ ব্যবস্থা চালু করে।
প্রতিষ্ঠানটি ফ্লেক্সিলোড নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করে ২০০৫ সালে। প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা এ সুবিধা পেয়ে আসছে।
এ ছাড়া বাংলালিংক আই টপ-আপ, রবি ইজি লোড, এয়ারটেল ই-বিল, সিটিসেল ই-টপ আপ ও ই-বিল এবং টেলিটক টেলিরিচার্জ নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করেছে।
No comments:
Post a Comment