কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৌদ্ধবিহারের হামলার ঘটনায়
গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
একইসঙ্গে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কাউকে দোষারোপ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
ড. কামাল হোসেন রামু পিরিদর্শন শেষে বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণফোরামের সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান।
গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি করে ড. কামাল হোসেন বলেন, এটি করা হলে তদন্তে কোনো দলীয় ভূমিকা বা গন্ধ থাকবে না। জাতীয় উদ্যোগ নিয়ে দলমত নির্বিশেষে তদন্ত হবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে থেকে রামু মাত্র ২৫ মিনিটের পথ। তাহলে তিন ঘণ্টার মধ্যে তিন পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়া আর কোনো পুলিশ সেখানে পৌঁছায়নি কেন? বিজিবি, র্যাব ও আর্মি ক্যাম্প থাকার পরেও তিন ঘণ্টা ধরে বৌদ্ধবিহার পুড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করা হলো অথচ কেউ গেল না কেন?
গণফোরাম সভাপতি বলেন, স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ঘটনা ঘটার আগেই রাত ১০টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোনে রামু ভয়াবহ হুমকির মুখে এ কথা জানান। এর পরেও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা কোন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি তাহলে ভূমিকা নেননি? সাংবাদিকেদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল বলেন, পুলিশ হয়তো তার কথা শুনেনি।
ওই দিনের ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮-৯টার দিকে চৌমুহনীতে সমবেত হওয়া মানুষকে উত্তেজিত করা হয়। এ বিষেয়ে পুলিশকে জানানো হলে তিন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বাসার ভেতরে থাকুন যা করার আমরা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, গণফোরামের মহাসচিব মোস্তফা মহসীন মন্টু, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক গোলাম রাব্বানি বাবলু ও অ্যাডভোকেট শফিকুল্লাহ।
একইসঙ্গে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কাউকে দোষারোপ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
ড. কামাল হোসেন রামু পিরিদর্শন শেষে বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণফোরামের সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান।
গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি করে ড. কামাল হোসেন বলেন, এটি করা হলে তদন্তে কোনো দলীয় ভূমিকা বা গন্ধ থাকবে না। জাতীয় উদ্যোগ নিয়ে দলমত নির্বিশেষে তদন্ত হবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে থেকে রামু মাত্র ২৫ মিনিটের পথ। তাহলে তিন ঘণ্টার মধ্যে তিন পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়া আর কোনো পুলিশ সেখানে পৌঁছায়নি কেন? বিজিবি, র্যাব ও আর্মি ক্যাম্প থাকার পরেও তিন ঘণ্টা ধরে বৌদ্ধবিহার পুড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করা হলো অথচ কেউ গেল না কেন?
গণফোরাম সভাপতি বলেন, স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ঘটনা ঘটার আগেই রাত ১০টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোনে রামু ভয়াবহ হুমকির মুখে এ কথা জানান। এর পরেও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা কোন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি তাহলে ভূমিকা নেননি? সাংবাদিকেদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল বলেন, পুলিশ হয়তো তার কথা শুনেনি।
ওই দিনের ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮-৯টার দিকে চৌমুহনীতে সমবেত হওয়া মানুষকে উত্তেজিত করা হয়। এ বিষেয়ে পুলিশকে জানানো হলে তিন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বাসার ভেতরে থাকুন যা করার আমরা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, গণফোরামের মহাসচিব মোস্তফা মহসীন মন্টু, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক গোলাম রাব্বানি বাবলু ও অ্যাডভোকেট শফিকুল্লাহ।
No comments:
Post a Comment