Pages

Friday, November 9, 2012

সোনারগাঁয়ে হত্যার মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

সোনারগাঁয়ে হত্যার মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যাবসায়ী রিপন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লার দলের লোক পরিচয়ে বাদীকে হত্যার হুমকি দিচ্চে।

গত ৭ জুন সকালে ড্রেজার ব্যবসায়ী রিপন চাঁদা  না দেয়ায় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লার লোক বলে পরিচয় দানকারী জাকির হোসেনসহ ১৫/২০ জনের সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে।

হত্যার পর নিহতের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাফর আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামিরা মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে। আসামিদের হুমকিতে বাদীর পরিবার আতংকিত।

এ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে সোনারগাঁও থানার ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

কর্মসূচি জামায়াতের, চাঙ্গা আওয়ামী লীগ



কর্মসূচি জামায়াতের, চাঙ্গা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই অনেকটাই দিবস ভিত্তিক কর্মসূচি পালন করে আসছিল। একাধিক বার দল গোছানো এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও বিরোধী দলের অপ্রচার জনগণের সামনে তুলে ধরতে কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হলে তা আতুর ঘর পার হতে পারেনি।

মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবিতে জামায়াতের কর্মসূচি ঘোষণা এবং গত সোম ও মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারাদেশে জামায়াত তাণ্ডব চালায়। জামায়াতের এ তাণ্ডব ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের এ কর্মসূচি চলবে বলে দলীয় সূত্র জানায়।

আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, ঘুমিয়ে থাকা আওয়ামী লীগকে জাগিয়ে দিয়েছে জামায়াত। জামায়াত-বিএনপি কে কোনো ভাবেই রাজনৈতিক মাঠ দখলে নিতে দিবে না। তাছাড়া যেখানেই জামায়াত-শিবির সেখানেই প্রতিরোধের ঘোষণাও দিয়েছে সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বন্ধ এবং দলের নয় শীর্ষ নেতার মুক্তি দাবিতে সোম ও মঙ্গলবার ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভরত জামায়াতকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। মহাজোট সরকার গঠনের পর এটাই জামায়াতের প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে রাজপথে নামা।

মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারনমন্ডীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি ওই বৈঠক শেষে তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা দেন। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বুধবার ছাত্রলীগের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ। এছাড়াও ১০ নভেম্বর রাজধানীতের বিক্ষোভ সমাবেশ ও ১১ নভেম্বর বর্ধিত সভায় আগামীর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। শুক্রবার ও শনিবার বিকেলে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে যুবলীগ, শুক্রবার ও সোমবার জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ছাত্রলীগ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জামায়াত-শিবির প্রতিরোধে সজাগ থাকবে, সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচি। অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলোও জামায়াত-শিবিরের নাশকতা ঠেকাতে মাঠে নামার ঘোষণা দিবে দু-একদিনের মধ্যেই।

ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোকে এত সক্রিয় হতে দেখা যায়নি। অনেকটাই দিবস ভিত্তিক ছিল দলীয় কর্মসূচি। মাঝে মধ্যে বিশেষ বর্ধিত সভা, কার্যকরি কমিটি ঘরোয়া সভার আয়োজন এবং হঠাৎ করে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন। তাছাড়া দলীয় ভাবে ধারাবাহিক বা সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও পালন করতে তেমনটা দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগ নেতাদের মতেই, ঘুমন্ত আওয়ামী লীগ এখন জেগে উঠেছে। আগের অনেক সক্রিয় ও সজাগ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কোনোভাবেই জামায়াত-শিবিরকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দিবে না। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজপথে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। যেখানেই জামায়াত শিবির সেখানেই প্রতিরোধ করা হবে জানান ছাত্রলীগ নেতারা।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই স্বাধীনতা বিরোধী চক্র জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য কর্মকাণ্ড বরদাসত করবে না। তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ মাঠে থাকবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, আওয়ামী লীগ গণ মানুষের রাজনীতি করে। দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনকে সহায়তা করতে সরকারি দল হিসেবে আমাদের কর্তব্য রয়েছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তি এবং বিচার বন্ধের হুমকিতে তারা (জামায়াত) মড়ন কামড় দিয়ে মাঠে নেমেছে। তারা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে হবে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও এক কেন্দ্রীয় নেতা বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, গত বছরের ডিসেম্বরে জামায়াত শিবির হঠাৎ তাণ্ডব চালিয়ে গর্তে চলে যায়। আবার তারা দুইদিন দেশব্যাপী তাণ্ডবলীলা চালিয়ে ঘুমন্ত আওয়ামী লীগকে জাগিয়ে দিয়েছে।

তারা বলেন, যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধে প্রকাশ্যে যুদ্ধ ঘোষণা এবং তাণ্ডবলীলা চালানোর পর সরকারি দল হিসেবে আওয়ামী লীগ আর ঘরে বসে থাকতে পারে না। রাজপথে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করা হবে।

যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা দিতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির পাশাপাশি আমাদের নিয়মিত কর্মসূচিও থাকবে। রাজপথে জামায়াত-শিবির ও তাদের দোসরদের ছাড় দেয়া হবে না।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং যুদ্ধাপরাধীদের রার যে কোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মসূচি থাকবে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বলেন, গত কয়েকদিনে জামায়াত-শিবির যে তান্ডব দেখিয়েছে, তা দেখে বোঝা যায় একাত্তরে তারা কেমন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিলো। আমি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছাত্রলীগের প থেকে সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের যেখানেই জামায়াত-শিবির সেখানেই গণধোলাইয়ের নির্দেশ দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, সামনে আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এ স্বাধীনতার মাসে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে গোখরা সাপের মতো ফনা তুলতে পারে। যে কারণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যেখানেই জামায়াত-শিবিরকে দেখবে সেখানেই প্রতিরোধ করতে।
জামায়াত-শিবিরে তানণ্ডবের পর আওয়ামী লীগের এবং সহযোগী সংগঠনের এ রকম ধারাবাহিক কর্মসূচি এটাই প্রথম বলে জানিয়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা। এতদিন নিজ নিজ আখের খোছাতে ব্যস্ত থাকলেও এখন রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে তারা।

ফরমালিন আমদানিতে সরকারের কড়াকড়ি, বিজ্ঞপ্তি জারি


মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ফরমালিন আমদানির বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করে এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সরকার।

মাছ বা ফলের মতো পচনশীল খাদ্যদ্রব্য বেশিদিন তাজা রাখার জন্য বিক্রেতারা এতে ফরমালিন মেশায় - এমন অভিযোগ রয়েছে বহুদিন ধরেই।

অনেকেই এখন নিশ্চিত যে বাজার থেকে যেসব ফল, মাছ, কিংবা শাকসব্জিসহ কিনে আনা হচ্ছে তাতে ফরমালিন মেশানো থাকবে এবং এটা অনেকটা স্বাভাবিক।

রাজধানীর ইন্দিরা রোডের বাসিন্দা মাজেদা খানম বীথি বলছিলেন, সব ফল আর মাছেই ফরমালিন পাবেন। এটাই স্বাভাবিক। আমি আপেল কিনে ফ্রিজে রেখেছিলাম, যা দু'মাস পরেও নষ্ট হয় নি - ফরমালিন ছাড়া এটা কিভাবে হয়?

এ ধরণের অবৈধ ব্যবহার ঠেকানোর জন্যই ফরমালিন আমদানির ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার এই চেষ্টা বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

ফরমালিন মূলত বিভিন্ন ল্যাবরেটরি ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়। স্কুল-কলেজ ছাড়াও ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও এর বহুল ব্যবহার রয়েছে মূলত নানা জিনিস সংরক্ষণের জন্য। তাছাড়া চামড়া, টেক্সটাইল, মেলামাইন এবং হ্যাচারি শিল্পেও এর বহুল ব্যবহার যৌক্তিক কারণেই।

কিন্তু জনস্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর ব্যবহার ঠেকানোর জন্যেই এখন সরকার ফরমালিন আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

ফরমালিন আমদানি করতে হলে এখন থেকে সরকারের অনুমতি নিতে হবে এবং বিক্রেতাদের এই রাসায়নিক বিক্রির হিসেব রাখতে হবে।

বৃটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে সরকারের পক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রী জি এম কাদের বলেছেন - ফল, মাছ, শাকসব্জিসহ বিভিন্ন খাদ্যে ফরমালিনের অপব্যবহার ঠেকানোর জন্যই অননুমোদিত আমদানি বন্ধ এবং বাজার পর্যবেক্ষণ ও জোরদার করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে রাসায়নিক পদার্থ আমদানীকারকদের অনেকেই বলছেন, যেসব শিল্পে এই ফরমালিন প্রয়োজন শুধু তাদেরই লাইসেন্স দিলে এর নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

রাসায়নিক আমদানীকারক পদ্মা ট্রেডিং এজেন্সির প্রধান মামুনুর রশীদ বলেন, যেসব শিল্প ফরমালিন ছাড়া চলবে না, মন্ত্রণালয়ের উচিৎ এই অনুমতি শুধু তাদেরই দেয়া ।

তিনি বলেন, আমদানীর অনুমতি বাণিজ্যিাক প্রতিষ্ঠানকে দিলে তারা যে কোন জায়গায় বিক্রি করতে পারে।

বিবিসির ঢাকাস্থ প্রতিবেদক ফরিদ আহমেদকে বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের জানান, সরকার পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা শক্ত করছে আর আমদানীকারকদের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক করা হয়েছে। তাদের দিক থেকেও এই সিদ্ধান্তে কোন আপত্তি আসেনি।

হিনার সফর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা আশা করছে ঢাকা


পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খারের সফরকালে বিদ্যমান ইস্যুসমূহসহ ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা আশা করছে বাংলাদেশ। এ খবর দিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা- বাসস।

হিনা রব্বানি খার একদিনের সফরে আগামীকাল ঢাকা আসছেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসস’কে বলেন, ঢাকায তার (হিনা) সফর সংক্ষিপ্ত হবে এবং যদি বিমানে সিডিউল অপরিবর্তিত থাকে তাহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির তার বৈঠক সর্বোচ্চ ৪৫ মিনিট স্থায়ী হতে পারে।

তিনি বলেন, দীপু মনির সঙ্গে হিনার নির্ধারিত বৈঠকে বিদ্যমান ইস্যুগুলোসহ দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে পর্যালোচনা আশা করা হচ্ছে। বিদ্যমান বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- ১৯৭১ পূর্ব সম্পদের ভাগ প্রদান, আটককেপড়া পাকিস্তানীদের প্রত্যার্পণ এবং ১৯৭১ সালের নৃশংসতার জন্য ইসলামাবাদের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা ও বর্তমান নিরাপত্তা ইস্যু।

তিনি বলেন, বর্তমানে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক চাঙ্গা হয়ে উঠছে, পাশাপাশি পাকিস্তানের বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১শ’ কোটি ডলার। এতে প্রায় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈরি একটি জাহাজ কিনেছে পাকিস্তান এবং আরও জাহাজ নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

দীপু মনির সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হিনা রব্বানি খারের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। হিনা এসময় ইসলামাবাদে ডি-৮ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাবেন।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিনার এই সফরই হবে পাকিস্তানী কোন শীর্ষ কর্মকর্তার প্রথম ঢাকা সফর। বাংলাদেশের শিক্ষা ও বাণিজ্যমন্ত্রীদ্বয় ওই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছেন।

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর হিনা রব্বানির ঢাকা সফর করার কথা ছিল। কর্মকর্তারা জানান, ‘অনিবার্য কারণে’ ওই সফরসূচি বাতিল করা হয়।

Thursday, November 8, 2012

ফের ওবামা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফের ওবামা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

 

দ্বিতীয় মেয়াদেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ওবামা ২৯০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মিট রমনি পেয়েছেন ২০১টি ভোট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন। সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ২৭৪টি ভোট পেয়ে বেশ সহজেই জয়লাভ করলেন ওবামা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে শুরু হয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। ১৯৪৮ সাল থেকে চলা ঐতিহ্য অনুযায়ী নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের দুই ছোট গ্রামের বাসিন্দারা প্রথম ভোট দেন। নির্বাচনের আগে প্রকাশিত বিভিন্ন জনমত জরিপের ফলাফলে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দেয়া হয়েছিল। তবে সব ভবিষ্যদ্বাণী ও অনুমান উড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ের হাসি হাসলেন ওবামা।

বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গা ট্রলার ডুবি, শতাধিক নিখোঁজ


অন্তত ১০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে আরেকটি ট্রলার ডুবে গেছে বঙ্গোপসাগরে। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বুধবার সকালে এ ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে।



বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড- বিজিবি'র কমান্ডার লে. কর্নের জাহিদ হাসান জানিয়েছেন, কক্সবাজার উপকূলে ডুবে যাওয়ার সময় মালয়েশিয়াগামী ট্রলারটিতে ১১০ জনের বেশি যাত্রী ছিল। স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় ১১ যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে বলে হাসান জানান। তিনি বলেন, ট্রলারটি অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিল। উদ্ধারকৃত সবাইকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে অন্তত দু'জন রোহিঙ্গা মুসলমান।



কোস্টগার্ডের অপর কর্মকর্তা লে. বদরুদ্দোজা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহযোগিতায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে।



মিয়ানমারের উগ্র বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী ও নিরাপত্তা বাহিনীর পাশবিক হামলার মুখে দেশটি থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন রোহিঙ্গা মুসলমানরা। গত ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৩৫ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আরেকটি ট্রলার ডুবে গিয়েছিল। সে ট্রলারের মাত্র ছয় জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং বাকিদের সলিল সমাধি হয়েছে।



প্রাণ বাঁচাতে নৌকা ও ট্রলারে করে বাংলাদেশ উপকূলে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ঢাকা। জাতিসংঘ বাংলাদেশ সরকারের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করলেও ঢাকা বলেছে, এসব শরণার্থী বাংলাদেশের নাগরিক নয় বলে তাদেরকে গ্রহণ করতে পারবে না দেশটি। এ ছাড়া, আগে থেকেই বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ বরং রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ও লাওসের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের যাত্রা শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ ও লাওসের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের যাত্রা শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও লাওসের প্রধানমন্ত্রী থংসিঙ থামাভংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও লাওসের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়েছে।
আজ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, বৈঠককালে দুই প্রধানমন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য দুরীকরণ, শিক্ষা, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানে পরস্পরকে সহযোগিতা করতে সম্মত হন।
শেখ হাসিনা লাওস সফরে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য থামাভংকে এবং মনোরম ভিয়েনতিয়েন নগরীতে তাঁকে ও তাঁর সফরসঙ্গীদের লাওস সরকার ও দেশটির জনগণের উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
লাওসে বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধানের এই প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এ সফর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত থাকবে। শেখ হাসিনা বলেন, লাওসে তাঁর সফর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে লাওস ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অপর দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ সম্প্রসারণে তাঁর সরকারের লক্ষ্য পূরণ করবে। লাওসের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক শৃংখলার ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। এছাড়া তিনি নারী ও যুব সমাজের উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্রঋণ খাতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
থামাভং বলেন, লাওস সরকার এ দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করবে। লাওস প্রধানমন্ত্রী যতদ্রুত সম্ভব ঢাকা সফরে শেখ হাসিনার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস ও লাওসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমা এখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
পরে দু’দেশের কর্মকর্তারা দু’দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের ভিসার প্রয়োজনীয়তা উঠিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। দু’দেশের কর্মকর্তারা পারস্পরিক স্বার্থে ভবিষ্যতে দু’দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে সম্মত হন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং লাওসের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী থংলুন সিসুলিথ দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লাওসের প্রেসিডেন্ট চুম্মালি সেয়াসোনের সঙ্গে তার বাসভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। শেখ হাসিনা লাওসের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তারা দু’দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী লাওসের প্রেসিডেন্টকে বলেন, লাওস বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষক, আইটি বিশেষজ্ঞ, অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কৃষি ও নির্মাণ শিল্পের জন্য জনবল নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৪ নভেম্বর নবম এশিয়া-ইউরোপ মিটিং সামিট (এএসইএম৯)-এ যোগ দিতে এখানে পৌঁছেন। সূত্র: বাসস

Wednesday, November 7, 2012

কানাডায় বাংলাদেশের অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে: কানাডার রাষ্ট্রদূত

কানাডায় বাংলাদেশের অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে: কানাডার রাষ্ট্রদূত

ঢাকায় নিযুক্ত কানাডিয়ান রাষ্ট্রদূত এইচ হিদার ক্রডেন বলেছেন, ‘‘কানাডার বাজারে বাংলাদেশের জন্য অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আগ্রহী। বর্তমানে দু’দেশের মধ্যে এক দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলারের মতো বাণিজ্য রয়েছে।’’

মঙ্গলবার দুপুরে আশুলিয়ার ইফাদ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ইফাদের কারখানা পরিদর্শন শেষে মি. ক্রডেন বলেন, ‘‘এখানে গম থেকে গুণগত মানের আটা, ময়দা ও সুজি তৈরি হচ্ছে এবং পরবর্তীতে এগুলো থেকে বিস্কুট ও নুডুলস তৈরি হচ্ছে। এ দেখে আমি সত্যিই অভিভুত। ’’


কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশ কানাডার বাজারে অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা ভোগ করে আসছে। ’’


ইফাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ টিপু বলেন, ‘‘দেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে হলে অর্থনীতির চাকা সুদৃঢ় করতে হবে। আমরা অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং দেশের মানুষের ভাল মানের খাবারের চাহিদা মেটাতেই এই প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি।’’


ইফাদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভির আহম্মেদ বলেন, ‘‘বাংলাদেশে তৈরী পোশাক শিল্প সারা বিশ্বে একটি অবস্থান তৈরি করেছে। তেমনি বিশ্বের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি খাদ্যদ্রব্য স্থান করে নিতে চায়। আমরা উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারে ইতিমধ্যে রফতানি শুরু করেছি। অচিরেই আমরা বিশ্ব বাজারের খাদ্য তালিকায় বাংলাদেশকে ব্রান্ড হিসেবে উপস্থাপন করবো।’’


উল্লেখ্য, ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেড এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে। এখানে প্রতিদিন ১৬০ টন আটা, ময়দা ও সুজি উৎপাদন হয়ে থাকে। মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনকারী আমাদের প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ ময়দাজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে(আড়াইহাজার) ফেনসিডিল কারখানা আবিষ্কার



নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার বালিয়াপাড়া এলাকায় নকল ফেনসিডিল তৈরির কারখানা আবিষ্কার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি বসত বাড়িতে ওই কারখানা আবিষ্কার করা হয়। এ সময় ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় এক নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, মাদক ব্যবসায়ী সোনা মিয়া, হাবু মিয়া ও সোনা মিয়ার পুত্রবধূ ফাহিমা।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলার ব্রাক্ষ্মন্দী ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া এলাকার সোনা আক্তার ও হাবুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিল তৈরির কারখানা আবিষ্কার করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল, ইয়াবা ও ফেনসিডিল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া মাদকের মধ্যে দেড়শ বোতল ফেনসিডিল, তিনশ’ পিস ইয়াবা, তিন লিটার লুজ ফেনসিডিল, ৪৫ কেজি ফেনসিডিল তৈরির ক্যামিকেলের (চিনির মতো দানাদার পদার্থ) বস্তা এবং ২০/২৫টি ফেনসিডিলের খালি বোতল বোতল।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সোনা মিয়া ও হাবুর ঘরে দানাদার পদার্থ দিয়ে নকল ফেননিডিল তৈরি করে বাজারজাত করা হতো।

তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বালু ব্যবসা বন্ধের নির্দেশ


তিন দিনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর কাঁচপুর ও মিরপুরের তুরাগ নদীর তীরে বালু ব্যবসা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে আদালত আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নদীর তীরের বালু অপসারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এসব আদেশ বাস্তবায়ন করে চার সপ্তাহের মধ্যে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিষয়টির পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ ডিসেম্বর কার্যতালিকায় থাকবে।

এছাড়াও শীতলক্ষ্যা নদী দখল করে কাঁচপুর সেতু এলাকায় এবং তুরাগ নদী দখল করে মিরপুরের সিন্নিরটেকে সব ধরনের বালু ব্যবসা বন্ধে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। একইসঙ্গে নদী তীরের বালু অপসারণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

নৌ-পরিবহন সচিব, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদফতরের ডিজি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের ডিসি, বিআইডব্লিউটিএ-র পরিচালক (পরিকল্পনা), পরিচালক (বন্দর ও ট্রাফিক), প্রধান প্রকৌশলী ও উপ-পরিচালক (নারায়ণগঞ্জ), ঢাকা নদী বন্দরের জ্যেষ্ঠ উপ-পরিচালক, নারায়ণগঞ্জের এসপি, মিরপুর জোনের পুলিশের উপ-কমিশনার, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

সোমবার হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ এবং সোসাইটি অব জাস্টিসের পক্ষে এ রিট আবেদনটি করা হয়।

একটি জাতীয় পত্রিকায় ৩১ আগস্ট প্রকাশিত ‘কাঁচপুর সেতু এলাকায় নতুন করে ১৭ বিঘা জায়গা দখল’ শীর্ষক প্রতিবেদন রিট আবেদনে যুক্ত করা হয়।

ওই প্রতিবেদেন বলা হয়, ‘‘আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে দখল চলছেই। গত প্রায় দুই মাসে কাঁচপুর সেতুসংলগ্ন এলাকায় নদীর অন্তত ১৭ বিঘা জায়গা বাঁধ তৈরি করে দখল করা হয়েছে। সেখানে বালু-পাথর-মাটির অবৈধ ব্যবসাও অব্যাহত রয়েছে।’’

বিপজ্জনক তারকা সানি লিওন

বিপজ্জনক তারকা সানি লিওন

 পর্নো তারকা থেকে বলিউড অভিনেত্রী বনে যাওয়া সানি লিওন এবার শীর্ষস্থান পেয়েছেন একটি ক্ষেত্রে। তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সাইবার জগতের ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক তারকা’ হিসেবে।

কারণ, তাকে নিয়ে ইন্টারনেটে এত বেশি খোঁজ করা হয় যে, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারের জন্য তা হতে পারে বিপজ্জনক। কাটরিনা কাইফ ও কারিনা কাপুরকে পেছনে ফেলে ‘ম্যাকাফি’ অ্যান্টি-ভাইরাস কোম্পানির জরিপে এ বছরের সবচেয়ে ‘বিপজ্জনক’ তারকার খেতাবটি অর্জন করেছেন সানি লিওন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অনলাইনে তাকে বেশি খোঁজ করেন। ফলে তাদের কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশের সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুণ। অন্যান্য তারকার তুলনায় তার জন্য ঝুঁকির পরিমাণ শতকরা ৯ দশমিক ৯৫ ভাগ।

এদিকে ২০১১-এর ওই তালিকার এক নম্বর কাটরিনা এবারে শতকরা ৮ দশমিক ২৫ ভাগ ঝুঁকি নিয়ে রয়েছেন দ্বিতীয় নম্বরে। তালিকায় কাটরিনার ঠিক পেছনেই রয়েছেন কারিনা কাপুর; ইন্টারনেটে যাকে খোঁজ করলে ঝুঁকির পরিমাণ হবে শতকরা ৬ দশমিক ৬৭ ভাগ।

তালিকায় সেরা পাঁচ তারকার মধ্যে রয়েছেন যথাক্রমে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও বিপাশা বসু। তাদের নিয়ে ঝুঁকির পরিমাণ শতকরা ৬ দশমিক ৫ এবং ৫ দশমিক ৫৮ ভাগ। সেরা দশের মধ্যে আরও রয়েছেন বিদ্যা বালান, দীপিকা পাড়–কোন, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং পুনম পাণ্ডে। অষ্টম অবস্থানে রয়েছেন সালমান খান। সেরা দশের তালিকায় স্থান পাওয়া একমাত্র পুরুষ তারকা তিনি।

অঙ্কভীতি থেকে শরীরে ব্যথার অনুভূতি

অঙ্কভীতি থেকে শরীরে ব্যথার অনুভূতি

শারীরিকভাবে আঘাত পেলে মস্তিষ্ক যেভাবে সাড়া দেয়, অঙ্ক কষার কথা ভাবলেও ঠিক একই অবস্থা হয়। আর এটা হয় অঙ্কভীতি থেকে। নতুন এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এমনটাই আবিষ্কার করেছেন।

ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর বিজ্ঞানীরা অঙ্কের সঙ্গে শারীরিক ব্যথার এ সম্পর্ক খুঁজে বের করেন ব্রেন স্ক্যান করে। শরীরে চিমটি কাটলে, মাথার চুল ধরে টানলে বা মুখে কেউ ঘুষি মারলে মস্তিষ্ক যেভাবে সাড়া দেয়, ঠিক একইভাবে সাড়া দেয় অঙ্ক কষার কথা ভাবলেই। আর এ থেকে রেহাই পেতে অঙ্ক কষতে বসার আগে নিজের ভয়টা যদি কাগজে লিখে ফেলা যায় তবে কিছুটা হলেও ভালো অনুভব করা সম্ভব।

ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি হয় মস্তিষ্কের গভীরে পোস্টেরিয়র ইনসুলা নামক গ্রন্থে। এখান থেকেই শুরু সব শারীরিক ব্যথার অনুভূতি। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব অন্টারিও পোস্টগ্র্যাজুয়েট গবেষক আয়ান লায়নস এ ব্যাপারে বলেন, ঠিক অঙ্ক করার সময় মস্তিষ্ক ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করে না, বরং অঙ্ক কষার ভাবনাটাই পীড়াদায়ক। ইন্টারনেট।

প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন দিন: মেনন

প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন দিন: মেনন

যুবকের মতো প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন বোনাস ভাতা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত সরকারি উদ্যেগে কর্মচারীদের বেতন বোনাস ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “চুরির দায়ে তানভীর জেলে খাটছে। সেই চুরির টাকা জনগণের।” অতএব সরকার প্রশাসক নিয়োগ করে ওই কর্মচারীদের বেতন বোনাস দেয়ার পরামর্শ দেন।

তিনি আরো বলেন, “তিন বছর ধরে টাকা নিয়ে গেলো কিন্তু সরকারের কোনো খবর নাই। অর্থমন্ত্রী বলেন সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা কোনো টাকা নয়, তাহলে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন দেয় হচ্ছেনা কেন?”
সাত দিনের মধ্যে বেতন বোনাস ভাতা না দিলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনায় শুধুমাত্র তানভীর ছাড়া অন্য কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এতে বুঝা যায় এর সরকারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এর শুষ্ঠু সমাধান করতে হলে সরকারের নিজেকে উদ্যোগ নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন মেনন।

সংগঠনের সভাপতি আমিরুল হকের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ ও জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা শিরিন আক্তার।

জামায়াতসহ ৮ দলকে গঠনতন্ত্র সংশোধনে ইসির চিঠি

জামায়াতসহ ৮ দলকে গঠনতন্ত্র সংশোধনে ইসির চিঠি

 ডিসেম্বরের ৫ তারিখের মধ্যে জামায়াত ইসলামীসহ মোট আটটি দলকে তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য অনুরোধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

জামায়াতসহ আটটি দলকে পৃথক পৃথক চিঠি দিয়ে এ অনুরোধ জানায় ইসি। এ দলগুলো হলো- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি, একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়ত-ই-উলামা বাংলাদেশ, গণফোরাম, গণফ্রন্ট ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।

ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মাহফুজা আকতার স্বাক্ষরিত চিঠিতে জামায়াতকে তাদের গঠনতন্ত্রের ২ এর (৩), ৫ এর (৩), ৬ এর (৪), ৭ এর (১-৪), ১১ এর (২), এবং ১৮ এর (৪ এর ছ) ধারাগুলো সংশোধনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী জামায়াতের গণতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় দলটিতে তাদের গঠনতন্ত্রের প্রস্তাবনাও সংশোধনের আহবান জানায় ইসি।

এর আগেও তিনবার জামায়াতকে তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য ইসির পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়। ইসির আহবানে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দলটির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় কমিশনের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয় একই চিঠিতে।

দেশে বর্তমানে ৩৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে নতুন দলের নিবন্ধন পাওয়ার জন্য ডিসেম্বরের ৩১ তারিখের মধ্যে আবেদন জানাতে কমিশনের পক্ষ থেকে আগ্রহীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার মো. জাবেদ আলী বলেছেন, নিবন্ধন প্রাপ্তির শর্ত অনুযায়ী প্রতিটি দলকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করে দল পরিচালনা করা উচিৎ।

Tuesday, November 6, 2012

২২ সদস্যের প্রাথমিক দলে নেই আশরাফুল, মাশরাফি ও ইমরুল

২২ সদস্যের প্রাথমিক দলে নেই আশরাফুল, মাশরাফি ও ইমরুল 

 বিসিবি নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই হোম সিরিজে ১ম টেস্টের জন্য প্রাথমিক দলের তালিকা আজ ঘোষণা করেছে। ২২ সদস্যের এই দলে সাবেক দুই অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল, মাশরাফি এবং ওপেনার ইমরুল কায়েসের নাম নেই।

জানা গেছে, জাতীয় লীগের দ্বিতীয় ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচক প্রাথমিক তালিকা বিসিবি অপারেশন্স কমিটিতে জমা দেবে। সে অনুযায়ী কাল প্রাথমিক দলের ঘোষণা আসার কথা ছিল।

কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল ঢাকা আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিসিবি যে তালিকা ঘোষণা করা হলো। তবে এই দলে নেই সাবেক দুই অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল, মাশরাফি আর ওপেনার ইমরুল কায়েস।

এছাড়া ২২ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় আছেন বাদ পড়া নাইম ইসলাম, আর দলে নতুন করে প্রবেশ করলেন তাসকিন আহমেদ ও মমিনুল হক। এবং অনেক দিন পর জাতীয় দলের প্রাথমিক তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র।

আগামী ৮ নভেম্বর সকাল ৯ টায় টিম ম্যানেজার তানজিব আহসানের কাছে প্রাথমিক দলের ২২ ক্রিকেটারকে রিপোর্ট করতে বলেছে বিসিবি।

২২ সদস্যের দলে যে মাশরাফি থাকবেন না এটাতো পুরাতন খবর। কারণ মাশরাফি ইনজুরি থেকে ফিরে ঘোষণা দিয়ে ছিলেন টানা এক বছর দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে (টেস্ট) তিনি অংশ নেবেন না। কিন্তু আশরাফুল আর ইমরুল বাদ পড়লেন জাতীয় লিগে বাজে পারফর্মেন্সের কারণে। আর এতে প্রাথমিক দলের তালিকায় উঠে এসেছেন বেশ কিছু উদীয়মান ক্রিকেটার।

পাশাপাশি বিসিবি অতিথি দলের বিপক্ষে বিকেএসপিতে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বিসিবি একাদশ নামে দল ঘোষণা করে চমক সৃস্টি করেছে। কারণ তাতে আছেন ১২ ক্রিকেটার।

মজার বিষয় হচ্ছে সাধারণত বিসিবি সিরিজের প্রস্তুতির ম্যাচে জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্যরে বিসিবি একাদশ থেকে দূরে রাখেন। যদিও দুই এক জন বিসিবির ঘোষিত প্রাথমকি দলে থাকার পরও বিসিবি একাদশে ঠাঁই পান, সেটার মুল কারণ ক্রিকেটারের পারফর্মেন্স নিয়ে নির্বাচকদের সন্দিহান দৃস্টিভঙ্গি।

তাহলে কি বিসিবির তিন নির্বাচক মুশফিক, রিয়াদ আর শাহরিয়ার নাফীরের প্রতি টেস্টে আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন! কারণ বিসিবি একাদশে মুশফিক অধিনায়ক আর আছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আর জেসন সুইফটকে বিসিবি একাদশের প্রধান কোচ করে বিসিবি একাদশের ১২ ক্রিকেটারকে ৭ নভেম্বর বিকাল তিনটায় মিরপুরে রিপোর্ট করতে অনুরোধ করেছে। কারণ পর দিন ৮ নভেম্বর থেকে ১০ পর্যন্ত বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ।

বিসিবি ঘোষিত ২২ সদস্যের প্রাথমিক দল
তামিম ইকবাল, শাহরিয়ার নাফীস, জুনায়েদ সিদ্দিকী, জহুরুল ইসলাম, সাকিব আল হাসান, মুশফিক রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নাইম ইসলাম, নাসির হোসেন, নাজিমউদ্দিন, এনামুল হক জুনিয়র, মোহাম্মদ সানী, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, শাহদাত হোসেন, আনামুল হক, মমিনুল হক, তাসকিন আহমেদ, সোহাগ গাজী, আবুল হাসান ও আল আমিন।

বিসিবি একাদশের ১২ ক্রিকেটার
মুশফিক রহিম (অধিনায়ক), শাহরিয়ার নাফীস, জুনায়েদ সিদ্দিকী, জহুরুল ইসলাম, আনামুল হক, মমিনুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নাজিম উদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, এনামুল হক জুনিয়র, শফিউল ইসলাম, ও আল আমিন।

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের স্বপ্ন ধুলিসাৎ: মওদুদ

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের স্বপ্ন ধুলিসাৎ: মওদুদ

 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘‘ খালেদা জিয়ার ভারত সফরের মধ্য দিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার আওয়ামী লীগের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেছে।’’
 
এ সফরের ফলে বিশ্বে সরকার আরো বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করে তিনি।
 
সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) আয়োজিত ‘৭ নভেম্বর পূণরায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হোক-বিপ্লবের মহানায়ক শহীদ জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
 
মওদুদ বলেন, “চাওয়ার আগেই ভারতকে সবকিছু দিয়ে দেয়ার পরও কোনো কাজে আসছে না দেখে আওয়ামী লীগ ঈর্ষাম্বিত হয়ে পড়েছে। কারণ ভারত সরকার খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ অভ্যর্থনা দিয়েছে।’’
 
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘নিজ উদ্যোগে নয়, ভারতের নিন্ত্রণে খালেদা জিয়া সে দেশ সফর করেছেন। তাই চক্রান্ত করে কোনো লাভ নেই। কারণ ভারত একটি দলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। তারা এখন বাংলাদশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায়।”
 
নীতি পরিবর্তনের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ দেন মওদুদ।
 
তিনি আরো বলেন, ‘‘দেশের মধ্যে ভারত বিরোধী চিন্তার জন্য আওয়ামী লীগই দায়ী। কিন্তু বিএনপি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে দলের ঘোষণাপত্রে এবং নির্বাচনী ইশতেহারে ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্ক রাখার পক্ষে। কারণ ভারত পার্শ্ববর্তী বৃহৎ রাষ্ট্র এবং অনেকগুলো অমীমাংসিত ইস্যু রয়েছে।’’
 
মওদুদ বলেন, ‘‘৭ নভেম্বরের সিপাহী বিল্পবের উত্থান ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে টার্নিং পয়েন্ট। যারা তখনকার অবস্থা দেখেনি তারা দিনটির তাৎপর্য সম্পর্কে কিছুই জানে না। জিয়াউর রহমান কারো কাছ থেকে জোর করে ক্ষমতায় আসেননি। জনগণ তাকে জেল থেকে বের করে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বিরল।’’
 
সরকার প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
 
দলীয় সরকার নয়, আগামী দিনে নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে বলেও জানান মওদুদ।
 
সংগঠনের সভাপতি আবুল হাসেম রানার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, সহ-দফতর বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবীদ শামিমুর রহমান শামিম প্রমুখ।

রিয়েল থেকে রিল লাইফের তরজায় সোনাক্ষি-আনুশকা

রিয়েল থেকে রিল লাইফের তরজায় সোনাক্ষি-আনুশকা

 বহুদিন ধরেই মুখ দেখাদেখি বন্ধ দুই কন্যের। ইন্ডাস্ট্রিতে এখনও পাঁচ বছরও না কাটলেও ইতিমধ্যেই নিজেদের জোরালো ফ্যান ক্লাবও তৈরি করে ফেলেছেন দুজনেই। তবে এবার বোধহয় সত্যিই পর্দায় এসপার-ওসপার করে নেয়ার পালা দুজনের।

সোনাক্ষি সিনহা আর আনুশকা শর্মা। রণবীর সিংয়ের বাহুলগ্না হওয়ার কারণে পূর্বে শিরোনামে এসেছেন দুজনেই। সেই কারণেই দুজনের বাক্যালাপ বন্ধ দীর্ঘদিন। তবে এই দীপাবলিতে একেবারে সমুখ সমরে নামতে চলেছেন তারা। ওইদিনই একসঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে সোনাক্ষির জব তক হ্যায় জান আর অনুষ্কার সন অফ সর্দার। জব তক জান-এ শাহরুখের বিপরীতে রয়েছেন আনুশকা । আর সোনাক্ষির হিরো হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে অজয় দেবগনের।

ব্যক্তিগত জীবনের তরজায় সুবিধা করতে পারেননি দুজনের কেউই। তবে বক্স অফিসে কার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে সেটা জানতে গেলে এখনও অপেক্ষা করতে হবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। সূত্র: ওয়েবসাইট।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ গুরুতর অসুস্থ

সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ গুরুতর অসুস্থ

 সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় তাকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হচ্ছে বলে জানান তার ছেলে জানিয়েছেন।

ইয়াজউদ্দিনের ছেলে ইমতিয়াজ আহম্মেদ বাবু টেলিফোনে সাংবাদিকদের জানান, গত ২৮ অক্টোবর তার বাবার একটি অস্ত্রোপাচার হয়। এরপর কিডনিতেও জটিলতা দেখা দিলে রোববার তার অবস্থার আরো অবনতি হয়। এ অবস্থায় তাকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হচ্ছে। তার স্ত্রী অধ্যাপিকা আনোয়ারা বেগম ও ছেলে ইমতিয়াজ তার সঙ্গে রয়েছেন।


৮১ বছর বয়সী সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ গত বছরের আগস্ট মাসে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সেই বছর সেপ্টেম্বরে তাকে থাইল্যান্ড নেয়া হয়। চিৎকিসা শেষে দেশে ফিরলেও অসুস্থবোধ করলে চার মাস আগে তাকে পুনরায় থাইল্যান্ডে নেয়া হয়। এর আগে ২০০৬ সালে সিঙ্গাপুরের মাউথ এলিজাবেথ হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি হয়।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইয়াজউদ্দিন আহমেদ বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার আমলে রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন। বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের সঙ্গেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন

মতিঝিলে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ

মতিঝিলে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ
 পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে সোমবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, ফকিরাপুল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিকেলে সাড়ে চারটায় পূর্ব ঘোষিত ৯ দিনের কর্মসূচি পা্লনের প্রথম দিনেই বেকায়দায় পড়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক নেতাদের মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা  জানান, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে জমায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শুরু করলে পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল ছোড়ে।

এ সময় নেতা-কর্মীরা আত্মরক্ষার জন্য আশপাশের গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশের ওপর এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ছোড়েন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের ছয় থেকে সাত জন ও জামায়াত শিবিরের অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। অন্যদিকে সংঘর্ষে চলাকালে জামায়াত শিবিরের ১৮ জন নেতাকর্মীকে গ্রফতার হয়।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হায়াতুজ্জামান, নায়েক আব্দুল লতিফ,  কনস্টেবল সোহরাব, আরিফ, নাজমুল, খাদেমুল, মোহাম্মদ দোলন এবং জালাল ।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার নূরুল ইসলাম কমিশনার বলেন, পুলিশকে বেকায়দায় ফেলতে অনুমতি ছাড়াই জামায়াত-শিবির হঠাৎ করে মিছিলের চেষ্টা করে। নিষেধ করলে জামায়াত-শিবিরের নেতা কর্মীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।

অন্যদিকে এই সংঘর্ষের জন্য পুলিশকে দায়ী করেছে জামায়াতে ইসলামী। ঢাকা মহানগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জানান, তাদের মিছিলে পুলিশ বিনা উস্কানিতে হামলা চালায়।

তিনি আরো বলেন, পুলিশ তাদের অন্তত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং পুলিশের লাঠিপেটায় প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছে।

এছাড়াও একই দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশসহ অন্তত ৩৫৩ জন আহত হয়েছে। সাতক্ষিরায় ৬৩ জন, নোয়াখালীতে পাঁচজন বরগুনায় চারজন বগুড়া ও ফেনীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ১১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

Monday, November 5, 2012

কাল ঢাকায় আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

কাল ঢাকায় আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

 ৩৩ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় কোনো আসরে আবারো শিরোপা জয়। আশির দশকের সেই স্বর্ণসময়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে আজকের ক্রিস গেইল, ড্যারেন স্যামি, স্যামুয়েলস, ব্রাভোরা। তবে সেই সময়ের মতো ভয়ঙ্কর প্রত্যাবর্তন করতে না পারলেও ফিরে পেতে পারে হারানো মুকুট গুলো। হয়ে উঠতে পারে বর্তমান ক্রিকেটের বড় শক্তির দল।
 
সদ্য সমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট
ইন্ডিজ ক্রিকেট দল কাল সকাল ৮টায় ঢাকায় আসবে।

সীমিত পরিসরের ক্রিকেটের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল বিশ্বকাপ জয়ের মুকুট মাথায় নিয়ে এই প্রথম কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসছেন। উভয় দলের মধ্যকার সর্বশেষ হোম সিরিজে বাংলাদেশ একমাত্র টি-২০ ম্যাচে
জয় আর শেষ ও তৃতীয় একদিনের ম্যাচে বড় জয় পেয়ে সিরিজ শেষ করলেও প্রথম দুটি টেস্ট ও একদিনের ম্যাচে হেরে যায়।

এবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল দুটি টেস্ট, পঁvচটি একদিনের ও একটি টি-২০ ম্যাচের সিডিউল নিয়ে বাংলাদেশে আসছে। এছাড়া বিসিবি একাদশের বিপক্ষে একটি তিন দিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচ ও একটি একদিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচ খেলবে। তবে এবারের ম্যাচ গুলো মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ও সদ্য টেস্ট ভেন্যুর স্বীকৃতি পাওয়া খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। ৮ নভেম্বর বিসিবি একাদশের বিপক্ষে বিকেএসপিতে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের মধ্য দিয়ে সফর শুরু করবে ক্যারিবীয়রা।
 
মূল সিরিজ শুরু হবে ১৩ নভেম্বর টেস্ট খেলার মধ্য দিয়ে। ১৩-১৭ নভেম্বর পর্যমত্ম প্রথম টেস্ট ম্যাচ শেষ করে খুলনায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ ২১ নভেম্বর শুরম্ন হবে। ২৮ নভেম্বর বোর্ড একাদশের বিপক্ষে একটি মাত্র একদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে রঙ্গিন পোশাকে খেলা। এরপর ৩০ নভেম্বর ও ২ ডিসেম্বর খুলনায় একদিনের খেলা শেষে ৫,৭,৮ ডিসেম্বর শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মোট তিনটি একদিনের খেলা হবে।
মিরপুরে একদিনের খেলাগুলো দিবারাত্রি হবে। ১০ ডিসেম্বর একমাত্র টি-২০ ম্যাচ দিয়ে ৩৭ দিনের সফর শেষ করবে ক্যারিবীয়রা। একদিনের ক্রিকেটে সকল দলকে হারানোর বৃত্ত ভরাট হয়েছে বহু আগেই। তবে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ
লাভের পর একযুগ পেরিয়ে গেল। কিন্তুু একমাত্র জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ধারাবাহিক জয়
ছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট পরাশক্তি গুলোর প্রতিপক্ষ হিসেবে টেস্ট, ওয়ানডে বা কিংবা টি-২০ তে তেমন একটা সফল হয়নি। তবে এক্ষেত্রে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টাইগারদের কিছু সুখ স্মৃতি রয়েছে। বিদেশের মাটিতে একবারই তাদের বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডেতে
সিরিজ জিতে এসেছিল টিম বাংলাদেশ। শেষ বাংলাদেশ সফরে সেই শোধ খুব ভালোভাবেই নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই দলের নতুন এই দৈরত্ব কিছু দিন আগে শুরম্ন
হলেও এই সিরিজে খুব ভালোভাবেই প্রভাব ফেলবে। লড়াই জমে উঠবে মুশফিক,রিয়াদ,সাকিব বিপক্ষে থাকবে গেইল,স্যামুয়েলস আর স্যামি।
সফর সূচি
৮-১০ নভেম্বর - প্রস্ত্ততি ম্যাচ প্রতিপক্ষ বিসিবি একাদশ- বিকেএসপি,সাভার।
 
১৩-১৭ নভেম্বর- প্রথম টেস্ট ম্যাচ -শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।
 
২১-২৫ নভেম্বর- দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ-শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।
 
২৮ নভেম্বর- একদিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচ প্রতিপক্ষ বিসিবি একাদশ -শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।

৩০ নভেম্বর- প্রথম একদিনের ম্যাচ-শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।

২ ডিসেম্বর- দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ-শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।

৫ ডিসেম্বর- তৃতীয় একদিনের ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।
 
৭ ডিসেম্বর- চতুর্থ একদিনের ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।
 
৮ডিসেম্বর- চতুর্থ একদিনের ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।

১০ ডিসেম্বর- একমাত্র টি-২০ ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।