রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাল্টিরহাটের ফুলচকি এলাকায় একটি নির্মাণাধীন
ভবনের ছাদ ধসে পড়েছে। এতে ৪০ শ্রমিক আহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে তিনজন। রোববার
দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, নিম্নমানের কাজের কারণে রোববার দুপুরে রংপুরের মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ি এশিয়ান হাইওয়ের পাশে শাল্টিরহাটে অংকুর স্পেশালাইজড কোল্ডস্টোরেজের ছাদ ধসে পড়ে। এতে প্রায় ৪০ শ্রমিক আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পারভীন, আয়াকুব,শাহীন, মোরশেদের অবস্থা আংশকাজনক। তিন শ্রমিক চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করছেন শ্রমিকরা।
মাহমুদ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকরা ছোটাছুটি করতে থাকে। স্থানীয়রা ৩০ থেকে ৪০ জনকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে পাঠায়। নিচে তিন শ্রমিক আটকা পড়ে আছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী আজিজুল ইসলাম জানান, নিম্নমানের কাজের কারণেই ছাদটি ধসে পড়েছে। ঈদগাহ মাঠ অবৈধভাবে দখল করে কোল্ডস্টোরটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার পরপরই কোল্ডস্টোরের ম্যানেজার দিলীপ ও তত্ত্বাবধায়ক হামিদুল পালিয়ে যান। নীলফামারীর সেলিম নামে এক ব্যবসায়ী এই কোল্ডস্টোরেজটি নির্মাণ করছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
রংপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান, উদ্ধার কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। রাত আটটায় প্রথম দিনের মতো উদ্ধারকাজ শেষ করা হয়েছে। সোমবার আবার উদ্ধার কাজ শুরু হবে। উদ্ধারকাজ চূড়ান্তভাবে শেষ হওয়ার পরেই বোঝা যাবে কেউ মারা গেছে কিনা।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, নিম্নমানের কাজের কারণে রোববার দুপুরে রংপুরের মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ি এশিয়ান হাইওয়ের পাশে শাল্টিরহাটে অংকুর স্পেশালাইজড কোল্ডস্টোরেজের ছাদ ধসে পড়ে। এতে প্রায় ৪০ শ্রমিক আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পারভীন, আয়াকুব,শাহীন, মোরশেদের অবস্থা আংশকাজনক। তিন শ্রমিক চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করছেন শ্রমিকরা।
মাহমুদ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকরা ছোটাছুটি করতে থাকে। স্থানীয়রা ৩০ থেকে ৪০ জনকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে পাঠায়। নিচে তিন শ্রমিক আটকা পড়ে আছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী আজিজুল ইসলাম জানান, নিম্নমানের কাজের কারণেই ছাদটি ধসে পড়েছে। ঈদগাহ মাঠ অবৈধভাবে দখল করে কোল্ডস্টোরটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার পরপরই কোল্ডস্টোরের ম্যানেজার দিলীপ ও তত্ত্বাবধায়ক হামিদুল পালিয়ে যান। নীলফামারীর সেলিম নামে এক ব্যবসায়ী এই কোল্ডস্টোরেজটি নির্মাণ করছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
রংপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান, উদ্ধার কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। রাত আটটায় প্রথম দিনের মতো উদ্ধারকাজ শেষ করা হয়েছে। সোমবার আবার উদ্ধার কাজ শুরু হবে। উদ্ধারকাজ চূড়ান্তভাবে শেষ হওয়ার পরেই বোঝা যাবে কেউ মারা গেছে কিনা।

















