ব্রিটিশ সরকার ২০২০ সালের মধ্যে সে দেশের আকাশে চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন
মোতায়েনের কথা ভাবছে। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম এ কথা জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ সরকার দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে আরো কার্যকর ও সুচারুভাবে গোয়েন্দাবৃত্তি চালানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় ড্রোন মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা হচ্ছে।
অন্যান্য পশ্চিমা দেশের তুলনায় ব্রিটিশ জনগণ বরাবরই বেশি মাত্রায় গোয়েন্দাবৃত্তির শিকার হচ্ছে।
আমেরিকা ও তার মিত্ররা সামরিক হামলা চালানোর জন্য অনেক আগে থেকেই পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক ও সোমালিয়ায় ড্রোন ব্যবহার করছে। ব্রিটেনের আকাশে ২০২০ সালের মধ্যে ড্রোন মোতায়েনের লক্ষ্যে এখন এ বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে দেশটির পুলিশ।
ড্রোন দিয়ে গোয়েন্দাবৃত্তি চালানো হলে তাতে সাধারণ নাগরিকদের জীবন-যাপনের প্রতিটি বিষয়ের ওপর নজরদারি করা যাবে। এতে জনগণের নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মারাত্মকভাবে লঙ্ঘিত হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ড্রোন ব্যবহারের কথা প্রথমদিকে চিন্তা-ভাবনা করা হলেও সাশ্রয়ী না হওয়ায় সে পরিকল্পনা বাদ দিতে হয়। ব্রিটেনের কোনো কোনো সংস্থা এরই মধ্যে ‘আকাশ গোয়েন্দা’ নামে পরিচিত একটি ড্রোন ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। কিন্তু সফলভাবে উড্ডয়নের পর ১৩ হাজার পাউন্ড-স্টারলিং দামের ড্রোনটি মার্সি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। এ দুর্ঘটনার পর ড্রোন ব্যবহারের এ ধরণের প্রচেষ্টা বাদ দেয়া হয়। সূত্র: আইআরআইবি।
খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ সরকার দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে আরো কার্যকর ও সুচারুভাবে গোয়েন্দাবৃত্তি চালানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় ড্রোন মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা হচ্ছে।
অন্যান্য পশ্চিমা দেশের তুলনায় ব্রিটিশ জনগণ বরাবরই বেশি মাত্রায় গোয়েন্দাবৃত্তির শিকার হচ্ছে।
আমেরিকা ও তার মিত্ররা সামরিক হামলা চালানোর জন্য অনেক আগে থেকেই পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক ও সোমালিয়ায় ড্রোন ব্যবহার করছে। ব্রিটেনের আকাশে ২০২০ সালের মধ্যে ড্রোন মোতায়েনের লক্ষ্যে এখন এ বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে দেশটির পুলিশ।
ড্রোন দিয়ে গোয়েন্দাবৃত্তি চালানো হলে তাতে সাধারণ নাগরিকদের জীবন-যাপনের প্রতিটি বিষয়ের ওপর নজরদারি করা যাবে। এতে জনগণের নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মারাত্মকভাবে লঙ্ঘিত হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ড্রোন ব্যবহারের কথা প্রথমদিকে চিন্তা-ভাবনা করা হলেও সাশ্রয়ী না হওয়ায় সে পরিকল্পনা বাদ দিতে হয়। ব্রিটেনের কোনো কোনো সংস্থা এরই মধ্যে ‘আকাশ গোয়েন্দা’ নামে পরিচিত একটি ড্রোন ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। কিন্তু সফলভাবে উড্ডয়নের পর ১৩ হাজার পাউন্ড-স্টারলিং দামের ড্রোনটি মার্সি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। এ দুর্ঘটনার পর ড্রোন ব্যবহারের এ ধরণের প্রচেষ্টা বাদ দেয়া হয়। সূত্র: আইআরআইবি।

No comments:
Post a Comment