অনেক প্রতিশ্রুতি, অনেক সম্ভাবনা নিয়ে নয় বছর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে
অভিষেক হয়েছিল এনামুল হক জুনিয়রের। শুরুর সেই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে না
পেরে এক পর্যায়ে বাদই পড়ে যান। সাম্প্রতিক সময়ে ‘এ’ দলের হয়ে ভালো খেলায়
আবারো জাতীয় দলে ফেরানোর স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাঁহাতি এই স্পিনারকে।
রোববার মিরপুর স্টেডিয়ামের ইনডোরে অনুশীলন শুরুর আগে এনামুল হক জুনিয়র বলেন, ‘জাতীয় দলে ফিরতে যত পরিশ্রম করতে হয়, ঘাম ঝড়াতে হয় তার জন্য আমি প্রস্ত্তত। এখন দলে যারা আছে তাদের ব্যর্থতায় নয়, নিজে আরো ভালো করে দলে ফিরতে চাই।’
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ও সিরিজ জেতানোর নায়ক। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই সিরিজে ১৮ উইকেট নেন এনামুল হক। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে সাবেক কোচ রিচার্ড ম্যাকিন্সকে পেয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত এনামুল। তার অধীনে অ্যাকাডেমিতে সময়টা উপভোগ করছেন বললেন এনামুল। সাকলায়েন মুশতাকের সঙ্গে এখনো কাজ করার সুযোগ হয়নি। জাতীয় দলের বোলারদের নিয়েই তিনি ব্যস্ত ছিলেন। বিশ্বকাপ শেষে তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে আছে।’
ভারতে ‘এ’ দলের হয়ে শাফি দারাশাহ টুর্নামেন্টে ৩ ম্যাচ খেলে ১৮ উইকেট নেয়ার পর আত্মবিশ্বাস আরো বেড়েছে এনামুলের। তিনি বলেন, ‘ভারতের ব্যাটসম্যানরা স্পিন খুব ভালো খেলেন। তাদের বিপক্ষে ভালো করলে আত্মবিশ্বাস তো বাড়েই। টার্ন বেড়েছে, এখন আরো ভালো জায়গায় বল করতে পারছি।
ক্রিকেটার হিসেবে এখন আমি অনেক পরিণত। প্রতিনিয়ত পরীক্ষার মধ্য দিয়েই যেতে হচ্ছে। প্রত্যেক সিরিজে ভালো করার চাপ নিয়ে খেলছি। জাতীয় দল গত কিছু দিন ধরেই টানা টি-টোয়েন্টি খেলছে। অন্যদিকে ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররা বেশকটি চারদিনের ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন। নভেম্বরে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরের টেস্ট সিরিজে দলে ডাক পাওয়ার ক্ষেত্রে এটা তাদের এগিয়ে রাখবে। আমরা নিয়মিত চারদিনের ম্যাচ খেলছি। পরের সিরিজের টেস্ট দল ঘোষণার সময় এটা আমাদের এগিয়ে রাখতে পারে।’
‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলটিতে টেস্ট দলেরও কয়েকজন ক্রিকেটার থাকতে পারেন। তাদের বিপক্ষে ভালো করতে পারলে দলে ফেরার একটা সুযোগও থাকবেই।’ ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হাইপারফরম্যান্স দল। ঐ সিরিজের জন্য ঘোষিত ১৮ সদস্যের প্রাথমিক দলে রয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষিক্ত এই স্পিনার এ পর্যন্ত খেলেছেন ১৪ টেস্ট। এতে ৩৯.২৪ গড়ে নিয়েছেন ৪১ উইকেট। সেরা ৭/৯৫, ম্যাচ সেরা ১২/২০০। ৫ উইকেট ৩ বার, ১০ উইকেট ১ বার। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এছাড়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ২৮.৯২ গড়ে নিয়েছেন ৩০৬ উইকেট।
রোববার মিরপুর স্টেডিয়ামের ইনডোরে অনুশীলন শুরুর আগে এনামুল হক জুনিয়র বলেন, ‘জাতীয় দলে ফিরতে যত পরিশ্রম করতে হয়, ঘাম ঝড়াতে হয় তার জন্য আমি প্রস্ত্তত। এখন দলে যারা আছে তাদের ব্যর্থতায় নয়, নিজে আরো ভালো করে দলে ফিরতে চাই।’
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ও সিরিজ জেতানোর নায়ক। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই সিরিজে ১৮ উইকেট নেন এনামুল হক। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে সাবেক কোচ রিচার্ড ম্যাকিন্সকে পেয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত এনামুল। তার অধীনে অ্যাকাডেমিতে সময়টা উপভোগ করছেন বললেন এনামুল। সাকলায়েন মুশতাকের সঙ্গে এখনো কাজ করার সুযোগ হয়নি। জাতীয় দলের বোলারদের নিয়েই তিনি ব্যস্ত ছিলেন। বিশ্বকাপ শেষে তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে আছে।’
ভারতে ‘এ’ দলের হয়ে শাফি দারাশাহ টুর্নামেন্টে ৩ ম্যাচ খেলে ১৮ উইকেট নেয়ার পর আত্মবিশ্বাস আরো বেড়েছে এনামুলের। তিনি বলেন, ‘ভারতের ব্যাটসম্যানরা স্পিন খুব ভালো খেলেন। তাদের বিপক্ষে ভালো করলে আত্মবিশ্বাস তো বাড়েই। টার্ন বেড়েছে, এখন আরো ভালো জায়গায় বল করতে পারছি।
ক্রিকেটার হিসেবে এখন আমি অনেক পরিণত। প্রতিনিয়ত পরীক্ষার মধ্য দিয়েই যেতে হচ্ছে। প্রত্যেক সিরিজে ভালো করার চাপ নিয়ে খেলছি। জাতীয় দল গত কিছু দিন ধরেই টানা টি-টোয়েন্টি খেলছে। অন্যদিকে ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররা বেশকটি চারদিনের ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন। নভেম্বরে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরের টেস্ট সিরিজে দলে ডাক পাওয়ার ক্ষেত্রে এটা তাদের এগিয়ে রাখবে। আমরা নিয়মিত চারদিনের ম্যাচ খেলছি। পরের সিরিজের টেস্ট দল ঘোষণার সময় এটা আমাদের এগিয়ে রাখতে পারে।’
‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলটিতে টেস্ট দলেরও কয়েকজন ক্রিকেটার থাকতে পারেন। তাদের বিপক্ষে ভালো করতে পারলে দলে ফেরার একটা সুযোগও থাকবেই।’ ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হাইপারফরম্যান্স দল। ঐ সিরিজের জন্য ঘোষিত ১৮ সদস্যের প্রাথমিক দলে রয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষিক্ত এই স্পিনার এ পর্যন্ত খেলেছেন ১৪ টেস্ট। এতে ৩৯.২৪ গড়ে নিয়েছেন ৪১ উইকেট। সেরা ৭/৯৫, ম্যাচ সেরা ১২/২০০। ৫ উইকেট ৩ বার, ১০ উইকেট ১ বার। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এছাড়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ২৮.৯২ গড়ে নিয়েছেন ৩০৬ উইকেট।

No comments:
Post a Comment