Pages

Tuesday, September 25, 2012

কুড়িগ্রামে আবার বন্যা ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

কুড়িগ্রামে আবার বন্যা ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের ৩৫ ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। জেলার নিম্নাঞ্চলসহ চর ও দ্বিপচরগুলো তলিয়ে যাওয়ায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর রোপা আমন।

এছাড়া চারণভূমিগুলো তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে পাঁচ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষের দু’দিন পর ১৪৪ ধারা তুলে নেয়া হচ্ছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

একইসঙ্গে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে একটি শান্তি মিছিল করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফা কামাল।

সোমবার জেলা প্রশাসনের অফিসে এক বৈঠকের পর পাহাড়িদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির একজন এবং বাঙালিদের একজন প্রতিনিধিকে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা বলছেন, ছোট একটি ঘটনা থেকে সংঘর্ষ গোটা শহরে ছড়িয়ে পরার পেছনে গুজব প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
 
মোস্তাফা কামাল বলেন, “পাহাড়ি এবং বাঙালিদের প্রতিনিধিরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অনুরোধ করবে যেন কেউ কোন গুজবে কান না দেন।”

রোববার রাতেও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ লাঠি-সোটা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন রাঙামাটি শহরে মাইক যোগে গুজবে কান না দিয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়।

এ ব্যাপারে হেডম্যান বিপ্লব চাকমা বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”

স্থানীয় অনেকে মনে করছেন সংঘর্ষ ‘পরিকল্পিতভাবে’ ঘটানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”

বিপ্লব চাকমা বলেন, “সংঘর্ষের দিন অনেক বাঙালি এবং পাহাড়ি একে অপরকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করেছে।”

অন্যদিকে, বাঙালি দাঙ্গাকারীদের অনেককে তিনি ‘অপরিচিত’ বলে বর্ণনা করেন।

রাঙামাটি সরকারি কলেজে একজন পাহাড়ি এবং একজন বাঙালি ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়েছিল বলে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন। পরে পুরো রাঙ্গামাটি শহরে পাহাড়ি এবং বাঙ্গালিদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি এবং সেনাবাহিনীর টহলের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী এই সহিংসতা থামাতে গিয়ে পুলিশসহ অন্তত ত্রিশজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মাসুদ-উল-হাসান বলেন, “সহিংসতা এরকম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। সহিংসতার সময় বাঙালিরা বাঙালি এলাকায় এবং পাহাড়িরা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ ঘটনার জন্য আমরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। এটা কোনভাবেই আঁচ করা যায়নি।”

তিনি বলেন, “পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন উত্তরণের’ আওতায় সেনাবাহিনী সবসময় টহলে থাকে।” সূত্র: বিবিসি

‘অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে’-মুশফিক :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে’-মুশফিক :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পাল্লেকেলের উইকেটে নামার আগে কঠিন সব প্রশ্নের জবাব দিতে হল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে।

পাল্লেকেলের উইকেটে মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আজ ছিল শেষ অনুশীলন পর্ব। দুপুরে টিম বাস পাল্লেকেলের মূল ফটকে হাজির হয়। অনুশীলনে নামার আগেই আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন মুশফিক।

অতীত, বর্তমান এবং সেই সঙ্গে আগামী দিনের প্রসঙ্গ সবই উঠে আসলো সংবাদ সম্মেলনে। আর সেসব প্রশ্নের টার্গেট মুশফিক। তবে বেশ দক্ষতার সঙ্গেই প্রশ্নগুলোর জবাব  দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

মুশফিকের বক্তব্য শুনে কেউ বলতে পারবে না বাংলাদেশ ‘চাপের উপর দাঁড়িয়ে’ জয়ের চিন্তা করছে। এক বিদেশী সাংবাদিক আত্মবিশ্বাস প্রসজ্ঞে জানতে চাইলে মুশফিক বলেন,“অবশ্যই আমাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব নেই। টি-২০ বিশেষ
ম্যাচ। এখানে কেউ ফেভারিট বা অপরাজেয় দল নয়।”

পাকিস্তান অপরাজেয় দল নয়। অথচ আপনারা ৫৯ রানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেছেন। এটা আপনাদের জন্য বড় বেশি চাপ হয়ে গেল না? জবাবে কি বলবেন? মুশফিক
বলেন,“চাপ তো সব ম্যাচেই থাকে। আমার মনে হয় যেহেতু ওরা অনেক বেশি শক্তিশালী দল। তাই চাপটা ওদের ওপরও থাকবে।
ভুল করলে হেরে যাবার সম্ভাবনা আছে। সেটা বেশ ভালোভাবেই জানে পাকিস্তান। এটাও তো একটা বিশাল চাপ। আমাদের প্রধান কাজ হবে শত ভাগ দিয়ে খেলব। এবং তিনটি বিভাগে যে ভুল গুলো করেছি সে গুলো যেন না হয়। আমার মনে হয় আমরা নিজেদের যোগ্যতার ৬০ শতাংশও খেলতে পারিনি। তা যদি আমরা পারি তাহলে কালকের ম্যাচে পজেটিভ কিছু একটা হতে পারে। আমরা ওদের বিপক্ষে খেলেছি। আমরা জানি ওদের সম্পর্কে। ওদের বোলারদের অনেক দিন ধরেই খেলছি। নির্দিষ্ট
দিনে যদি আমরা পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারি তাহলে কালকে ভাল ফলাফল হবে।”

পাকিস্তান দলের সাবেক স্পিনার সাকলাইন মোস্তাক আপনাদের স্পিন কোচ হিসাবে আছেন। তার সাহায্যে পাকিস্তানকে পর্যবেক্ষন করার ক্ষেত্রে কতটা সহায়ক হবে বলে মনে
করছেন? মুশফিক বলেন,“তিনি আমাদের অনেক সাহায্য করছেন। তিনি আমাকে পাকিস্তানী স্পিনারদের মোকাবেলা করার বিষয়টি অবহিত করছেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তান বোলাদের কিভাবে খেলা সহজ। কি করে ওদের বিপক্ষে রান করা যায়। তবে
অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে।”

২০১১ বিশ্বকাপেও আমরা সমান পয়েন্ট পেয়েও রান রেটের কারনে বাদ
পড়েগিয়ে ছিলাম। এবারও সেই পরিস্থিতি হতে পারে। দলের ক্রিকেটাররা কি আগে
থেকে এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করে? মুশফিক বলেন,“অবশ্যই। আমরা সে হিসাব কষেই পরিকল্পনা সাঁজিয়েছি। ৩৬ বা ৩৭ রানের ব্যবধানে আমাদের জয় পেতে হবে। অথবা পরে ব্যাট করলে ১৫ বা ১৭ ওভারের মধ্যে রান চেজ করে খেলা শেষ করতে হবে। সব
কিছুই নির্ভর করছে খেলা শুরু হবার পর কি হয় পরিস্থিতি তার ওপর। আমাদের জিতলেই তো হবে না। রান রেটটাও আমাদের নজর রাখতে হবে। সে দিকে নজর রেখেই একাদশ তৈরি করব।”

সাইদ আজমল এক বছর ধরে বিশ্বের সেরা স্পিনার। তার বিপক্ষে খেলতে যাবার আগে অধিনায়ক হিসাবে কতটা হুমকি বলে মনে হয় আপনার কাছে? মুশফিক জবাবে বলেন,“ওর
বিপক্ষে তো অবশ্যই পরিকল্পনা আছে। টি-২০ ম্যাচে নির্দিষ্ট সময়ে সাইদ আজমলের বলের বিপক্ষে ঝুঁকি নিতে হয়।”

দলে পরিবর্তন আছে কিনা জানতে চাইলে মুশফিক জানান
ফ্রেস উইকেটে খেলা হবে। আর যেহেতু রাতে খেলা হবে তাই সেভাবে চিন্তা করছি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দিনে খেলা শুরু ছিলো। তাই আমরা মনে করেছিলাম স্পিন ধরবে। কিন্তু হয়নি। কাল যেহেতু ম্যাচ রাতে তাই উইকেট পেস সহায়ক হবে। আমাদের কিছু সিমিং অলরাউন্ডার আর পেস বোলার আছে। কাল উইকেট দেখে হয়তো একটা বা দুটো পরিবর্তন হতে পারে।

সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ী যারা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ী যারা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আর কয়েক দিন পরই শুরু হচ্ছে নোবেল মৌসুম৷ একে একে ঘোষিত হবে নোবেল বিজয়ীদের নাম৷ এর আগে সম্ভাব্য নোবল জয়ীর নামের একটা তালিকা তৈরি করেছে থমসন রয়টার্স৷

নোবেল কে পাবেন সেটা বলাটা বেশ কঠিন এক কাজ৷ আর সেই কাজটাই ১৯৮৯ সাল থেকে করে আসছে থমসন রয়টার্স৷ তারা প্রতি বছর নোবেল কমিটি কর্তৃক বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করার আগেই সম্ভাব্যদের একটা তালিকা প্রকাশ করে থাকে৷ এখন পর্যন্ত দেখা গেছে, শুধু ১৯৯৩ আর ১৯৯৬ সাল বাদ দিয়ে অন্যান্য বছরগুলোতে রয়টার্সের তালিকা থেকে অন্তত একজন নোবেল পেয়েছেন৷ আরও একটা তথ্য এক্ষেত্রে দেয়া যেতে পারে যা এই তালিকার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেবে৷ সেটা হচ্ছে, থমসন রয়টার্সের হয়ে ডেভিড পেন্ডেলবুরি গত ১০ বছরে সম্ভাব্য নোবেল জয়ীর যে তালিকা করেছিলেন, তার থেকে মোট ২৬ জন নোবেল পেয়েছেন৷ ফলে পেন্ডেলবুরি এ বিষয়ে একটা পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন বলা যায়৷

তার হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে এবার সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ীর তালিকায় রয়েছে ‘কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন’র আবিষ্কারকদের নাম৷ এরা হলেন, আইবিএম’র গবেষক চার্লস বেনেট, মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গিলস ব্রাসার্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়ামস কলেজের উইলিয়াম উট্টারস৷

এই তিনজন ১৯৯৩ সালে কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন নিয়ে কাজ করেছিলেন৷ সেসময় বিষয়টা পদার্থবিদদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল৷ ফলে ওই বছরে প্রায় ৫,৩০০ বার এই তত্ত্বের কথা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল৷ যেটা ওই বছরে প্রকাশিত অন্যান্য গবেষণা তত্ত্বের চেয়ে প্রায় তিনশো গুণ বেশি৷ শুধু ১৯৯৩ সালেই নয় পরবর্তীতেও বিষয়টা নিয়ে কাজ করেছেন অনেক বিজ্ঞানী৷

কিন্তু কী এই কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন? আইনস্টাইন বিষয়টাকে ‘ভুতুড়ে' নামে আখ্যায়িত করেছিলেন৷ বিষয়টা হচ্ছে, কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই কোয়ান্টাম তথ্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া৷ অনেকটা বেতার তরঙ্গের মতো৷

তত্ত্বটা বাস্তবে রূপ দেয়া গেলে সুপার-ফাস্ট কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি সম্ভব হবে৷ এছাড়া কোয়ান্টাম ইন্টারনেটও আসতে পারে ভবিষ্যতে৷ যেটা বর্তমানের চেয়ে অনেক উন্নত হবে৷

পেন্ডেলবুরির তালিকায় আরো আছে ১৯৯০ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী লাই ক্যানহামের আবিষ্কার৷ রয়েছে আলোর গতি কমিয়ে দেয়া সংক্রান্ত গবেষণা প্রবন্ধের লেখক স্টিফেন হ্যারিস ও লেনে হাউ৷

বহুল আলোচিত হিগস বোসন কণার আবিষ্কারক পিটার হিগস এবার নোবেল পেতে পারেন বলে স্টিফেন হকিং মোটামুটি নিশ্চিত হলেও পেন্ডেলবুরি নন৷ তার যুক্তি, নোবেলের প্রচলনকারী আলফ্রেড নোবেল সর্বোচ্চ তিনজনের মধ্যে পুরস্কার ভাগাভাগির পক্ষে ছিলেন৷ কিন্তু পিটার হিগস যখন হিগস বোসন কণার কথা বলেছিলেন, ঠিক সে সময়েই অন্তত আরও পাঁচজন একই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন বলে জানান পেন্ডেলবুরি৷

এছাড়া কোনো একটা কিছু আবিষ্কারের প্রায় ২৫ বছর পর সাধারণত নোবেল দেয়া হয়৷ সে হিসেবেও পিটার হিগসকে আরেকটু অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে মনে করে পেন্ডেলবুরি৷ তবে তিনি এও বলেছেন, ‘‘আমার ভুলও হতে পারে।”

‘এপিজেনেটিক' বিষয়ে আশির দশকে কাজ করা মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড অ্যালিস ও মাইকেল গ্রুনস্টাইন এবার চিকিৎসায় নোবেল পেতে পারেন৷ পেন্ডেলবুরি বলছেন, তাদের আবিষ্কার চিকিৎসা ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে৷ এবং এ কারণে অনেক জীবনরক্ষাকারী ওষুধ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে৷

রসায়নের ক্ষেত্রে পেন্ডেলবুরির পছন্দ টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিরা ফুজিশিমাকে৷ তিনি এককালে শুধুমাত্র পেইন্ট’এ ব্যবহার করা টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইডকে অন্য কাজে লাগানোর উপায় বের করেছেন৷ পানি থেকে হাইড্রোজেন তৈরিতে এটা ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এছাড়া পরিবেশ দূষণ এড়াতে জাপানে রাস্তাঘাট তৈরির পাথরে প্রলেপ হিসেবে এই রাসায়নিক উপাদানটি ব্যবহৃত হচ্ছে৷

পদার্থ, রসায়ন, আর চিকিৎসাক্ষেত্র ছাড়াও নোবেলজয়ী সম্ভাব্য অর্থনীতিবিদদেরও তালিকা করে থাকে থমসন রয়টার্স৷ বিস্তারিত পেতে যেতে হবে এই ওয়েবসাইটে http://sciencewatch.com/nobel
অন্যান্য বছরের মতো এবারও এই তালিকা থেকে কেউ নোবেল পান কিনা-তা জানতে, আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আর ক'টা দিন৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

মুসলিম বিশ্বের প্রথম ‘ভালোবাসার চিঠি’ ফ্রান্সের লুভ্রতে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মুসলিম বিশ্বের প্রথম ‘ভালোবাসার চিঠি’ ফ্রান্সের লুভ্রতে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ইসলাম বিরোধী ভিডিও আর মহানবীকে সা: নিয়ে কার্টুনের প্রতিবাদে এখন মুসলিম বিশ্বে চলছে বিক্ষোভ৷ এরই মধ্যে ফ্রান্সের বিখ্যাত লুভ্র জাদুঘরে খোলা হলো ইসলামি শিল্পকলার এক সংগ্রহশালা৷

প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে তৈরি এই সংগ্রহশালাটি উদ্বোধন করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ৷ খরচের একটা অংশ ফ্রান্স সরকার দিয়েছে৷ আর বাকিটা এসেছে সৌদি আরব, মরক্কো, কুয়েত, ওমান আর আজারবাইজান থেকে৷

সপ্তম থেকে উনবিংশ শতাব্দি পর্যন্ত সময়কার বিভিন্ন মুসলিম নিদর্শন রয়েছে এই সংগ্রহশালায়৷ স্পেন, মিশর, মধ্য এশিয়া, পারস্য অঞ্চল, ভারত সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নিদর্শনগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে৷

প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে তৈরি এই সংগ্রহশালাটি উদ্বোধন করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ। সেখানে মুঘল আমলের কার্পেট যেমন রয়েছে৷ তেমনি রয়েছে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে পুরাতন ভালোবাসার চিঠিও৷

চীনা শিল্পকলার এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলছেন, মুসলমানদের সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বে যে ভুল ধারণা রয়েছে এই সংগ্রহশালা সেটা ভাঙাতে সহায়তা করবে৷ কেননা লুভ্রর এই সংগ্রহশালায় ইসলামকে একটি শান্তির ধর্ম হিসেবে দেখানো হয়েছে৷

প্যারিসের অন্য একটি জাদুঘরের ইসলামি শিল্পকলা বিভাগের প্রধান সোফি মাকারিও বলছেন, ‘ইসলাম’ শব্দটিকে তার পুরো মাহাত্ম অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে৷ কেননা ইসলাম মানেই যে শুধুই জিহাদ, সেটা ঠিক নয়৷ সূত্র: এএফপি।

ইসরায়েলে পাচার হচ্ছে ইরানের গোপন পরমাণু তথ্য! :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইসরায়েলে পাচার হচ্ছে ইরানের গোপন পরমাণু তথ্য! :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ইসরায়েলের কাছে ইরানের পরমাণু প্রকল্পের গোপন তথ্য পাচার করছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান।রোববার ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতি কমিটির সদস্য জাভেদ জাহাঙ্গিরজাদেহ প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে আইএইএ এর বিরুদ্ধে এই  অভিযোগ করেন।

জাহাঙ্গিরজাদেহ বলেন, আইএইএ এর মহাপরিচালক উকিয়া আমানো ঘন ঘন ইসরায়েল সফরে গিয়ে তেহরানের পরমাণু প্রকল্পের গোপন তথ্য ইহুদিদের হাতে তুলে দেন।

তিনি আরো বলেন, “তেলআবিবে আমানোর ঘন ঘন সফর ও ইরানের পরমাণু প্রকল্পের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গী জানতে চাওয়ার তৎপরতা ইঙ্গিত দেয়, আমাদের পরমাণু প্রকল্পের তথ্যাবলী ইসরায়েল ও ইরানের অন্যান্য শত্রুদের কাছে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে।”

আইএইএ’র এসব তৎপরতার কারণে ইরান আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা করা বন্ধ করে দিলে এর জন্য সংস্থাটির মহাপরিচালক দায়ী থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন জাহাঙ্গিরজাদেহ।

 তবে রেকর্ড বলছে আইএইএ’র প্রধান হিসেবে আমানো ২০১০ সালের অগাস্টে একবার মাত্র ইসরায়েল সফরে গিয়েছেন। আর চলতি বছরের মে মাসে তিনি ইরান সফর করেছেন।

জাহাঙ্গিজাদেহ’র অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করে আইএইএ। সূত্র: রয়টার্স

ইরানী পরমাণু কর্মসুচিতে জার্মান নাশকতা? :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইরানী পরমাণু কর্মসুচিতে জার্মান নাশকতা? :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  জার্মানির বিখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি সিমেন্স ইরানের পারমাণবিক যন্ত্রপাতি নষ্ট করে দেবার জন্য নাশকতামূলক তৎপরতা চালিয়েছিল অভিযোগ করেছে ইরান। তবে সিমেন্স এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ইরানি পার্লামেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান আলেদিন বোরুজারদি অভিযোগ করেন, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসুচির জন্য যেসব যন্ত্রপাতি কিনেছিল, সিমেন্স তার ভেতরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিস্ফোরক বসিয়ে দিয়েছিল।কিন্তু সিমেন্স বলছে, তারা কয়েক দশক ধরে ইরানের সাথে কোনো লেনদেনই করেনি।

ইরানের একজন প্রভাবশালী এমপি আলাদিন বোরুজেরদি শনিবার অভিযোগ করেন, সিমেন্সের তৈরী কিছু যন্ত্রপাতি যেগুলো দেশের পারমাণবিক প্রকল্পের জন্য কেনা হয়েছিল তাতে গোপনে বিস্ফোরক জুড়ে দেয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ইরানের বিশ্বাস এই বিস্ফোরকগুলো এমনভাব জুড়ে দেয়া হয় যাতে এগুলো কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয় এবং পুরো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বোরুজেরদি আরো বলেন, ইরানি বিশেষজ্ঞদের দক্ষতায় শত্রুর এই চক্রান্ত নস্যাৎ করা গেছে। তবে সিমেন্সের কোনো না কোনো কারখানাতেই এই বিস্ফোরকগুলো জোড়া হয়েছে এবং জার্মান এই কোম্পানিকে এর দায়দায়িত্ব নিতে হবে।

এদিকে সিমেন্স সরাসরি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মিউনিখ-ভিত্তিক এই জার্মান এই টেকনোলজি জায়ান্ট বলছে, ইরানের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারণ ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে সিমেন্সের পারমাণবিক প্রযুক্তি বিভাগ ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যবসা করছে না।

সিমেন্সের মুখপাত্র আলেক্সান্দার ম্যাকোওয়েতজ বলছেন, ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সাথে সিমেন্স’র কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন নেই।

তবে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, যদি ১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে সিমেন্সের কোনো ব্যবসা না থেকে থাকে, তাহলে ইরানের কাছ থেকে এই অভিযোগ আসছে কেন?

তবে ইরানে বিবিসি’র সংবাদদাতা বলেন, এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে ইরানের ওই এমপি হয়ত না বুঝেই এই অভিযোগ করছেন। এ প্রশ্নও উঠতে পারে যে ইরান কি তাহলে ঘুরপথে অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিমেন্সের কাছ থেকে যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি কিনছে?

বিবিসির সংবাদদাতা আরো বলছেন, আরো একটি সম্ভাবনার কথা অনেকের মনে আসবে। সেটা হলো, এই পুরো ঘটনার সঙ্গে পশ্চিমা কোন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে কিনা? তারাই যোগসাজস করে, অন্যদের দিয়ে গোপনে ইরানের কাছে সিমেন্সের এই যন্ত্রপাতি বিক্রির ব্যবস্থা করছে যাতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষতি করা যায়।

এর আগে ২০১০ সালেও ইরান তাদের পারমাণবিক প্রকল্পের কম্পিউটার ব্যবস্থায় স্টাক্সনেট নামে একটি ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ এনেছিল সিমেন্সের বিরুদ্ধে। তখনও সিমেন্স বলেছিল তারা কিছুই জানে না।

পরে এই ভাইরাস ছড়ানোর সাথে ইসরায়েল এবং মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগের কথা শোনা গিয়েছিল, যদিও সেই রহস্য কখনই উদঘাটিত হয়নি। দু বছর পরে এখন এই নতুন অভিযোগ ওঠার পর সেই রহস্য আরো গভীর হবে সন্দেহ নেই। সূত্র: বিবিসি

ইসরায়েল ধ্বংসের ঐতিহাসিক সুযোগ খুঁজছে ইরান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইসরায়েল ধ্বংসের ঐতিহাসিক সুযোগ খুঁজছে ইরান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপপ্রধান কমান্ডার হোসাইন সালামি ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেলআবিব ইরানে হামলা চালালে ইসরায়েলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার ঐতিহাসিক সুযোগ নেবে তেহরান।

রোববার তিনি এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,  “আমরা শত্রুদের প্রধান স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যগুলো সনাক্ত করেছি।” ইরানের কৌশলগত নীতি প্রতিরক্ষামূলক, কিন্তু তার রণ-কৌশলগুলো আক্রমণাত্মক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপপ্রধান বলেন, “ইরান কোনো দেশের বিরুদ্ধেই আগে যুদ্ধ শুরু করবে না।কিন্তু আক্রান্ত হলে শত্রুকে পুরোপুরি ধ্বংস করা ছাড়া ইরান কখনও যুদ্ধ থামাবে না।

তিনি আরো বলেন, “মার্কিন নেতৃত্বাধীন মিত্র বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নামা আমাদের প্রতিরক্ষা কৌশল এবং এরপর আমরা শত্রুদের  স্বার্থের প্রাণ-কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানব আমাদের আক্রমণাত্মক শক্তি-কাঠামো দিয়ে।

সালামি বলেন, “আমরা ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ  সব ধরনের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি আয়ত্ত করেছি এবং এ অঞ্চলে শত্রুদের সব ঘাঁটি আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর আওতায় রয়েছে।”

তিনি আরো জানান, ইরানের ‘পেহপদ’ নামের পাইলটবিহীন গোয়েন্দা বিমানগুলো একটানা ২৪ ঘণ্টা ধরে আকাশে উড়তে সক্ষম এবং সেগুলো হাজার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে। 

এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননের ইসরায়েল বিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ’র মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সূত্র: আইআরআইবি

আতাউস সামাদের জটিল অপারেশন দেশবাসীর দোয়া কামনা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আতাউস সামাদের জটিল অপারেশন দেশবাসীর দোয়া কামনা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রখ্যাত সাংবাদিক দৈনিক আমার দেশ-এর উপদেষ্টা সম্পাদক আতাউস সামাদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হয়েছে। গতরাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে তার জরুরি অস্ত্রোপচার চলছিল।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হার্ট, কিডনি ও পা ঠিকভাবে কাজ না করায় এবং ডায়াবেটিক থাকায় তার জটিল ভাসকুলার অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে। এটি করতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময়ও লাগবে। এদিকে আতাউস সামাদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

আতাউস সামাদকে সোমবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু চার ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছানো যাবে না বলে সিঙ্গাপুরের ডাক্তাররা অস্ত্রোপচারটি ঢাকাতেই করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে আতাউস সামাদকে রোববার সন্ধ্যায় এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রবীণ এ সাংবাদিক কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

আতাউস সামাদকে দেখতে সোমবার হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, আতাউস সামাদের ভাগ্নে ও বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, বিএফইউজে মহাসচিব শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল ও আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান প্রমুখ।

টক শোতে শীর্ষে ইন্ডিপেনডেন্ট সবার শেষে মাছরাঙা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

টক শোতে শীর্ষে ইন্ডিপেনডেন্ট সবার শেষে মাছরাঙা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
  ৩৭তম সপ্তাহে টক শো ক্যাটেগরিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন। ২৯২ শতাংশ জিপিআই (জেনরে পারফরমন্স ইনডেক্স) নিয়ে এটি উঠে এসেছে সবার উপরে। এ তথ্য জানাচ্ছে ৩৭তম সপ্তাহ (৮-১৪ সেপ্টম্বর) এর টিআরপি। রিপোর্ট অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সপ্তাহের টপ রেটেড টক শোর তালিকায় ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের দু’টি অনুষ্ঠান রয়েছে। এর একটি আজকের বাংলাদেশ, অন্যটি খাতুনগঞ্জ থেকে মতিঝিল।

টক শো ক্যাটেগরির ২ নম্বর চ্যানেল আরটিভি। এর জিপিআই ছিল ২২৫ শতাংশ।

১৭২ শতাংশ জিপিআই নিয়ে বাংলাভিশন তালিকার ৩ নম্বর চ্যানেল।

৪ নম্বরে রয়েছে একুশে টেলিভিশন। এর জিপিআই ১২৬ শতাংশ। চ্যানেল আই রয়েছে ৫ নম্বরে। এর জিপিআই ১১৭ শতাংশ। দিগন্ত টেলিভিশনের অবস্থান ৬-এ। চ্যানেলটির জিপিআই ছিল ১১৬ শতাংশ।

১০০ শতাংশ জিপিআই নিয়ে ৭ নম্বরে অবস্থান নিয়েছে বৈশাখী টেলিভিশন। ৮ নম্বরে আছে মাইটিভি। এ জিপিআই ৮৮ শতাংশ।এটিএন নিউজ রয়েছে ৯ নম্বরে। এর জিপিআই ছিল ৭৭ শতাংশ।

৬৬ শতাংশ জিপিআই নিয়ে এটিএন বাংলার অবস্থান ১০-এ।এনটিভি রয়েছে ১১ নম্বরে। এর জিপিআই ৬৪ শতাংশ।৫৯ শতাংশ জিপিআই নিয়ে একাত্তর টিভি রয়েছে ১২ নম্বরে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন রয়েছে ১৩ নম্বরে। এর জিপিআই ৪৭ শতাংশ।৪৬ শতাংশ জিপিআই নিয়ে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর রয়েছে ১৪ নম্বরে।১৫ নম্বরে রয়েছে জিটিভি। এর জিপিআই রেকর্ড করা হয়েছে ৪৬ শতাংশ।চ্যানেল নাইন রয়েছে ১৬ নম্বরে। এর জিপিআই ৩৪ শতাংশ।

১৮ শতাংশ জিপিআই নিয়ে তালিকার সর্বশেষ চ্যানেল মাছরাঙা। এর অবস্থান ১৭তম।

আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ হলো পাকিস্তানের পত্রিকা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ হলো পাকিস্তানের পত্রিকা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
সবধরনের পাকিস্তানি পত্রিকাকে নিষিদ্ধ করেছে আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই সরকার। কাবুলের অভিযোগ, পত্রিকাগুলো তালেবানদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তালেবান জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়প্রদান ছাড়াও আর্থিক মদদ জুড়িয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। পাক সরকারের মদদেই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান সত্ত্বেও তালেবানকে নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের এ পত্রিকাগুলো তালেবানের প্রচারে মুখপত্র হিসেবে কাজ করে। সব পাকিস্তানি পত্রিকার কপিকে বাজেয়াপ্ত করার জন্য ইতিমধ্যে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

এদিকে, কাবুল কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ এই পদক্ষেপে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাবর্ষণ বন্ধের জন্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। এদিকে, এই ঘোষণার পরপরই পাক সীমান্ত সংলগ্ন পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহারা, কুনার ও নুরিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান থেকে আসা সব পত্রিকাল কপি বাজেয়াপ্ত করা শুরু করেছে নিরাপত্তা কর্মীরা। সূত্র: ওয়েবসাইট

পরিবেশ দূষণ: ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

পরিবেশ দূষণ: ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রাজধানীর পরিবেশ অধিদফতর আগস্ট মাসে ঢাকাসহ চারটি জেলায় ১১টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়ে পরিবেশের ক্ষতিপূরণ বাবদ দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। পরিবেশ আইনের আওতায় দূষণের অপরাধে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাভারে বায়ুদূষণ, তুরাগ, মেঘনা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে শিল্পবর্জ্যের দূষণ, ঢাকা মহানগরীতে শব্দদূষণ, গাজীপুরে কৃষিজমি ভরাট, গুলশান ও বনানীতে অবৈধভাবে আবাসিক ভবন নির্মাণ এবং গাজীপুরে অবৈধ ইটভাটা পরিচালনার অপরাধে ১৯টি শিল্প কারখানা এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়।

পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী এসব অভিযান পরিচালনা ও সমন্বয় করেন।

এছাড়া আগস্ট মাসে পলিথিনবিরোধী বিশেষ অভিযানে মানিকগঞ্জ, রাজশাহী ও বরিশালে এক টন ১৪৪ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। স্থানীয় পরিবেশ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসন পলিথিনবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

মিরপুরের শাহ আলী প্লাজাকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিরপুরের শাহ আলী প্লাজাকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে ৩০ কাঠা জমিতে ১২তলা  বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করায় শাহ আলী প্লাজা কর্তৃপক্ষকে ২১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, পরিবেশ ছাড়পত্র গ্রহণ ছাড়া ভবন নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

শাহ আলী প্লাজা নামের বিশাল বাণিজ্যিক ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে। এটি মূলত আবাসিক প্লট হিসেবে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মালিকানায় ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সনে রাজউকের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক প্লটে রূপান্তর করা হয়।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৯৩ সালে টেন্ডারের মাধ্যমে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকায় এ ৩০ কাঠা জমি কেনা হয়। তবে কিভাবে মিরপুরের মত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের অনুমতি দেয়া হয়েছে, তা বোধগম্য নয়। এ ঘটনা নগর ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্ত করবে।

বিশাল এ বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পৃথক স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, সবুজ আচ্ছাদিত এলাকা, পার্কিং বে, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ইত্যাদি থাকা আবশ্যক। অথচ ভবনের পরিকল্পনায় এসব কিছুই নেই। তাই তাদের জরিমানা হয়েছে বলে জানানো হয়।

মিরসরাইয়ে পাহাড় কাটায় বিএসআরএম গ্রুপকে পরিবেশ অধিদফতরে তলব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিরসরাইয়ে পাহাড় কাটায় বিএসআরএম গ্রুপকে পরিবেশ অধিদফতরে তলব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে পাহাড় কাটছে চট্টগ্রামভিত্তিক বৃহৎ শিল্পগ্রুপ বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস বিএসআরএম। পাহাড় কাটার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিক পক্ষকে তলব করেছে পরিবেশ অধিদফতর।

পাহাড় কাটার সত্যতা জানতে ইতিমধ্যে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. জাফর আলম।
সোমবার দুপুরে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদফতর কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, পরিবেশ অধিদফতর কর্তৃক বিএসআরএম কে নোটিশ দেয়া হলেও তা উপেক্ষা করে এ পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে। সোমবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে পাহাড় কাটার দৃশ্য দেখা গেছে। অভিযোগ উঠেছে পরিবেশ অধিদফতর কর্তৃক প্রদানকৃত নোটিশ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

উপজেলার তিন নম্বর জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ও বারইয়ারহাট পৌরসভার সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় চারাগাছ ও সবুজ পাহাড় ধ্বংস করে শিল্পকারখানা গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিএসআরএম। নোটিশ পাঠিয়ে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চেয়েছে পরিবেশ অধিদফতর।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, পাহাড় কাটার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী মহলের কাছে ধর্না দিচ্ছে। আর নানা অজুহাতে তারা অভিযোগের শুনানি পিছিয়ে দিচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. জাফর আলম বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসেছি। প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে অফিসে তলব করা হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে সন্তোষজনক উত্তর না আসলে পরিবেশ অধিদফতর পরবর্তীতে মামলার প্রক্রিয়ায় যাবেন।”

তবে বিএসআরএম পরিবেশ অধিদফত কাছে পাহাড় কাটার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। পরিবেশ অধিদফতসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকায় প্রায় ৫০ একর এলাকা জুড়ে স্টিল মিল এবং একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে বিএসআরএম। এর মধ্যে সিংহভাগই রয়েছে পাহাড়ি ভূমি। যা কেটে সমতল করতে শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে এই কারখানা স্থাপনের জন্য মাটি ভরাটসহ অবকাঠামো উনয়নের কাজ শুরু করে বিএসআরএম। এজন্য ২০০৯ সালের ৪ জুলাই পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অবস্থানগত ছাড়পত্রও নেয় তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিবেশ অধিদফত একজন কর্মকর্তা জানান, অবস্থানগত ছাড়পত্র নেয়ার পর বিএসআরএম শর্ত লঙ্ঘন করে প্রস্তাবিত জায়গায় টিলা ও পাহাড় কেটে পুরো সমতল ভূমিতে পরিণত করেছে। অথচ পরিবেশ অধিদফতরের দেয়া অবস্থানগত ছাড়পত্রে পাহাড়ের আকৃতি ঠিক রেখে শিল্প স্থাপনের কথা বলা হয়েছিলো। বিএসআরএম’র প্রস্তাবিত ৫০ একর জায়গার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ছিল টিলা ও পাহাড়ি এলাকা।

এসব এলাকা সমতল ভূমিতে পরিণত করার পাশাপাশি বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজ গাছগাছালিও ধবংস করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে সংশোধিত পরিবেশ আইনে পাহাড়ের পাশাপাশি টিলা কাটা এবং জলাশয় ভরাট করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। বিএসআরএম এ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বিএসআরএম’র প্রস্তাবিত চিটাগাং পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের স্থান পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে কর্মকর্তারা স্টিল মিলের প্রস্তাবিত জায়গায় পাহাড় কাটার বিষয়টি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান।
বিএসআরএম’র কর্মকর্তারা পাহাড় কাটার বিষয়টি অস্বীকার করলে পরিবেশ অধিদফতর তাদের নোটিশ পাঠায়। এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর বিএসআরএম’র বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অভিযোগের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও বিভাগীয় পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক জাফর আলম ছুটিতে থাকায় শুনানি হয়নি। এর আগেও এক দফা শুনানির তারিখ পিছিয়েছিল।

বিএসআরএম’র প্রভাবেই বারবার তাদের বিরুদ্ধে শুনানির তারিখও পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠার পর থেকে বিএসআরএম’র কর্মকর্তারা পরিবেশ অধিদফতরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মিরসরাইয়ে প্রজেক্ট অফিসে ফোন করা হলে প্রজেক্ট কনস্ট্রাকশন ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ বলেন, “আমরা ঠিকাদারের অধীনে কাজ করি। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য জানতে হলে কর্পোরেট অফিসে যোগাযোগ করুন।”
পরে ফের কর্পোরেট অফিসে ফোন করলে এ বিষয়ে কথা বলা হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহম্মদ আশরাফ হোসেন বিএসআরএম কর্তৃক পাহাড় কাটার বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না বলে উল্লেখ করে বলেন, “যদি পাহাড় কেটে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।”

জোরারগঞ্জ বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি জানেন না বলে জানান।

চট্টগ্রামে গ্রামীণ ফোন সিইও সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

চট্টগ্রামে গ্রামীণ ফোন সিইও সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণ ফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টনি জনসন ও চট্টগ্রামের এরিয়া ম্যানেজার আরিফুজ্জামানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা এবং বিশ্বাস ভঙ্গের ( ব্রিচ অব ট্রাস্ট) অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন স্থানীয় এক আইনজীবি ।

চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মুনতাসির মামুনের আদালতে  সোমবার দুপুরে মামলাটি দায়ের করেন এস এইচ হাবিবুর রহমান। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হাবিবুর জানান, আমি একজন গ্রামীণ ফোনের পুরানো গ্রাহক। সম্প্রতি জিপি কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের জন্য প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা হারে ১০ টাকায় ৪০ মিনিট টক টাইমের সুবিধা দিয়ে একটি অফার ঘোষণা করে। ঘোষণা মোতাবেক আমি এই সেবা চালু করলে জিপি কর্তৃপক্ষ আমার কাছ থেকে ১১টাকা ৫০ পয়সা কেটে নিয়েও এই সুবিধা দেয়নি।  অফার ঘোষণা দিয়ে তা কার্যকর না করে জিপি মূলত আমার সঙ্গে প্রতারণা এবং বিশ্বাস ভঙ্গের কাজ করেছেন।

এ ব্যাপারে তাদের গ্রাহক সেবাকেন্দ্রে ফোনে যোগাযোগ করলে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় আইনগত প্রতিকার চাওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে মামলা দায়েরে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান এই আইনজীবি।

বাদীর পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক ও এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। এসময় অনেক আইনজীবী তার পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অনলাইনে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অনলাইনে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। সোমবার আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেসন ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রকাশিত ‘ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেসন ফর ডিজিটাল ডেভলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের ‘স্টেট অব ব্রডব্যান্ড ২০১২’ সংক্রান্ত রিপোর্টে এই তথ্য দেয়া হয়েছে। মূলত মানুষের হাতে মোবাইলফোন সেবা দ্রুত পৌঁছে যাওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারের এই হার ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমে বাড়তে থাকলেও এ নিয়ে অবশ্য এখনই স্বস্তি প্রকাশ করছে না সংস্থাটি। তারা বলছেন, মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোলের নির্ধারিত টার্গেট অর্জন করতে এখনো অনেক কিছু করার আছে।

আইটিইউ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়, বর্তমানে উন্নত দেশগুলোর ২০.৫ শতাংশ বাসা-বাড়িতে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। কিন্তু আইটিইউ বলছে, তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ২০১৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৪০ শতাংশতে উন্নীত করতে হবে।  

রিপোর্টটিতে বিশ্বের মোট ১৭০টিরও বেশি দেশের ওপর গবেষণা চালিয়ে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেশভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার তুলে ধরা হয়েছে। এরমধ্যে দেখা যায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে আইসল্যান্ডে। দেশটির প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষই ইন্টারনেট ব্যবহার করে। সেদিক থেকে তালিকার শেষ দেশটির নাম তিমুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপ দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার মাত্র ০.৯ শতাংশ। তবে আইটিইউ প্রকাশিত এই তালিকায় ইন্টারনেট ব্যবহারের দিকে থেকে আমেরিকার অবস্থান ২৩ নম্বরে।

রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার ফলে অনলাইনে বেশ কিছু ভাষার মধ্যেও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান এই ঊর্ধ্বমুখী প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে ২০১৫ সালের মধ্যে অন্য ভাষায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ইংরেজিকে ছাড়িয়ে যাবে।

রিপোর্টটিতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অংশগ্রহণের বিষয়টিরও তালিকা করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী দেখা যায়, এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এশিয়ার আরেক দেশ ইন্দোনেশিয়া। এছাড়া তালিকার শীর্ষ পাঁচের মধ্যে নাম রয়েছে মালয়েশিয়া, ব্রাজিল ও রাশিয়ার নাম। আর সারা বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহারের হার ৫৫ শতাংশ। সূত্র: এ.জে

মেলবর্নের আকাশে ইউএফও! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মেলবর্নের আকাশে ইউএফও! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাতের আকাশে অজানা অতিথি? ভিন গ্রহের আগন্তুক, না কি আলোর মায়া? আঁধার আকাশের বুকে আলোর বিন্দু৷ চেনা রঙের মিশ্রণে অচেনা মায়া৷ অস্ট্রেলিয়ার মেলবর্নের আকাশে এমনই এক রহস্যজনক উড়ন্ত চাকতি অর্থা ইউএফও (আনআইডেন্টিফাইং ফ্লাইং অবজেক্ট) দেখা গিয়েছে বলে দাবি করেছেন এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয় সেই ব্যক্তি নাকি ইউএফও’র ছবিও ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

টড নামে ওই ব্যক্তির দাবি করেন, শনিবার রাত ৯টা নাগাদ মেলবর্নের কার্লটন গার্ডেনস’র আকাশে একটি উড়ন্তচাকতি বা ইউএফও কে চক্কর মারতে দেখেন।এরপর টড প্রায় ৩ মিনিট ধরে ক্যামেরাবন্দি করেন সেই ছবি৷

শুধু টড নয়, মেলবর্নের আকাশে ইউএফও  দেখার দাবি করেছেন আরও অনেকে৷ তাদের প্রত্যেকেরই দাবি, আকাশে আলোর ওই ঝলকানি তাদের অচেনা৷ যানটি কোনো মতেই বিমান বা হেলিকপ্টার হতে পারে না বলেও দাবি করেন তারা৷

তবে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন মত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের৷ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ ভিক্টোরিয়ার এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রতিনিয়ত কড়া নজর রেখেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা৷ ফলে তাদের নজর এড়িয়ে কোনও ইউএফও’র এভাবে মেলবর্নের আকাশে চক্কর মারা কার্যত অসম্ভব৷

কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই যুক্তি চিড় ধরাতে ব্যর্থ টডদের বিশ্বাসে৷ তাহলে কি রুপালি পর্দার মতই রাতের অন্ধকারেই পৃথিবীর বুকে নামতে চেয়েছিল ভিনগ্রহী কোনো জীব। নাকি সবই চোখের ভুল, আলোর মায়া? সূত্র: জি.এন

টরোন্টো’তে সেরা অনুপম খের অভিনীত ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

টরোন্টো’তে সেরা অনুপম খের অভিনীত ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রিয়তম স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ার শোকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক শিক্ষক৷ এরপর প্রায় আটমাস মানসিক হাসপাতালে কাটিয়ে ঘরে ফেরেন মা-বাবার কাছে৷

এক সময় পরিচিত হন এক বিধবার সঙ্গে৷ যিনি  ওই শিক্ষককে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে রাজি হন৷ এই হচ্ছে গল্প৷ আর ছবির নাম ‘সিলভার লাইনিংস প্লেবুক’৷ মার্কিন পরিচালক ডেভিড রাসেল এটি পরিচালনা করেছেন৷

রোববার সমাপ্ত ‘টরোন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’এ ছবিটি শীর্ষ পুরস্কার জিতে নিয়েছে৷ ছবিতে শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ব্র্যাডলি কুপার আর বিধবা চরিত্রে রয়েছেন জেনিফার লরেন্স৷ এছাড়া এই ছবির একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা অনুপম খের৷

পরিচালক রাসেল জানিয়েছেন, এই ছবির অভিনেতা বাছাইয়ের জন্য তিনি স্কাইপের মাধ্যমে বিভিন্ন জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন৷ যেমন অনুপম খের জানিয়েছেন, তিনি ভারতের একটি গ্রামে থেকে স্কাইপের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন৷ এর ফলে ওই গ্রামের লোকজন প্রথমবারের মতো অনলাইন ভিডিও চ্যাটিং এর সঙ্গে পরিচিত হন৷

পরিচালক রাসেলের আগের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো ‘দি ফাইটার' আর ‘আই হার্ট হুক্কাবিস’৷

আগামী ২১ নভেম্বর সিলভার লাইনিংস প্লেবুক ছবিটি মুক্তি পেতে পারে৷ সংগীতাঙ্গনে একটি ব্যান্ড দলের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিয়ে তৈরি ‘আর্টিফেক্ট' চলচ্চিত্র উৎসবের সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কারটি পেয়েছে৷ আর গত শতকের সত্তরের দশকে সুইডেনে বেশ আলোচিত একটি পতিতালয়ের কাহিনি নিয়ে গড়ে ওঠা ছবি ‘কল গার্ল’ সেরা সমালোচক পুরস্কার পেয়েছে৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

‘গল্প হলেও সত্যি’ জেমস বন্ড :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘গল্প হলেও সত্যি’ জেমস বন্ড :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। বৃটিশ নৌসেনার গুপ্তচর বিভাগের অফিসারটি গল্পের ছলেই বন্ধুদের বলেছিলেন, “এমন গুপ্তচরের গল্প লিখব, যা বাকি সব গুপ্তচরের গল্পকে হার মানিয়ে দেবে।”

কথা রেখেছিলেন আয়ান ফ্লেমিং। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরে লিখে ফেলেছিলেন ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’। ১৯৫৩ সালে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই যাকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই শুরু হয়ে গিয়েছিল। উপন্যাসের নায়ক বৃটিশ গুপ্তচর জেমস বন্ডের কীর্তিকলাপ নাড়িয়ে দিয়েছিল পাঠকদের। সেই শুরু। গুপ্তচর সংস্থা এমআই৬-এর এজেন্ট ০০৭-এ রোমাঞ্চকর নানা কার্যকলাপে আজও মজে আছে বিশ্বের জনতা। এই বৃটিশ গুপ্তচরের ‘পরিচয়’ জানার জন্য উৎসুক ছিলেন অনেকেই। ফ্লেমিংয়ের নায়ক কি নেহাতই এক কাল্পনিক চরিত্র না কি সত্যিই তার অস্তিত্ব ছিল?

সম্প্রতি সামনে আসা বৃটেনের কিছু গোপন নথি বলছে, জেমস বন্ড ‘গল্প হলেও সত্যি’!
কী রকম?

পশ্চিম লন্ডনের জাতীয় মহাফেজখানা থেকে পাওয়া কিছু নথিপত্র নিয়ে বেশ ক’দিন ধরেই কাটাছেঁড়া করছিলেন ইতিহাসবিদ সোফি জ্যাকসন। সেখানেই খোঁজ পান ইয়ো-টমাস নামে এক বৃটিশ গুপ্তচরের। জানতে পারেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘হোয়াইট র্যাবিট’ ছদ্মনামে কাজ করতেন এই গুপ্তচর। এই ইয়ো-টমাসের চলন-বলন, বিভিন্ন অভিযানের সঙ্গে আশ্চর্য মিল রয়েছে জেমস বন্ডের গল্পের। সব মিলিয়ে জেমস বন্ড যেন কোনোভাবে মিশে রয়েছেন ইয়ো-টমাসের সঙ্গে।

কিন্তু তা কী করে সম্ভব? দুনিয়া জানে, জেমস বন্ড তো আসলে আয়ান ফ্লেমিংয়ের মানসসন্তান। এখানেই গল্পের আসল ‘টুইস্ট’। সোফি জানাচ্ছেন, যে সময়ে ইয়ো-টমাস বৃটিশ গুপ্তচর হিসাবে কাজ করতেন, ঠিক একই সময়ে আয়ান ফ্লেমিং-ও বৃটিশ গোয়েন্দা দফতরে কর্মরত ছিলেন। এমনকি, ইয়ো-টমাসের গতিবিধির ব্যাপারে ফ্লেমিং যথেষ্ট উৎসাহী ছিলেন বলেও জানতে পেরেছেন সোফি। অতএব দুইয়ে দুইয়ে চার। সোফির দাবি, জেমস বন্ড আসলে ইয়ো-টমাসেরই প্রতিচ্ছবি! তাদের মধ্যে সম্পর্কটা আসলে বাস্তব-কল্পনার মেলবন্ধন। নিজের মতামত নিয়ে একটা বইও লিখে ফেলেছেন সোফি। নাম, “চার্চিলস হোয়াইট র্যাবিট: দা ট্রু স্টোরি অফ আ রিয়েল-লাইফ জেমস বন্ড।” যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বন্ড-ভক্ত থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও।

তবে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির মধ্যেও সোফির দাবিকে উড়িয়ে দিতে পারছেন না কেউই। বন্ডের সঙ্গে ইয়ো-টমাসের যে অন্তহীন মিল।

যেমন বৃটিশ নথি বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অন্তত তিন তিনবার জার্মানি অধিকৃত ফ্রান্সে পাঠানো হয়েছিল ইয়ো-টমাসকে। সেই সময়ই একবার গেস্টাপোর হাতে ধরা পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে বুখেনওয়াল্ড কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয় গেস্টাপো। তবে সেখান থেকেও পালিয়ে এসেছিলেন ইয়ো-টমাস। মহাফেজখানার নথি থেকে জানা যাচ্ছে, পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন আয়ান ফ্লেমিং। এমনকি, সহকর্মীদের সেই অভিযানের গল্পও শুনিয়েছিলেন তিনি। কাকতলীয়ভাবে সেই ঘটনার সঙ্গে বন্ড-সিরিজের প্রথম গল্প ‘ক্যাসিনো রয়্যালের’ আশ্চর্য মিল রয়েছে। যেভাবে ইয়ো-টমাসের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল গেস্টাপো, ক্যাসিনো-রয়্যালে ঠিক একই রকম ভাবে নির্যাতিত হতে দেখা গিয়েছে বন্ডকে।

শুধু নির্যাতনের নিরিখেই নয়, ইয়ো-টমাসের সঙ্গে জেমস বন্ডের মিল রয়েছে তাদের প্রায় রূপকথার নায়ক সুলভ হাবভাবেও। উপন্যাসের পাতা থেকে শুরু করে রুপোলি পর্দা সর্বত্রই সুপুরুষ চেহারার বন্ডকে দেখা গিয়েছে লাস্যময়ী নারী পরিবেষ্টিত হয়ে থাকতে। সোফির তথ্য বলছে, ব্যক্তিগত জীবনে ইয়ো-টমাসও প্রায় এ রকমই ছিলেন। এবং ঠিক বন্ডের মতোই কখনও চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে, আবার কখনও বা ছদ্মবেশে শত্রুর চোখে ধুলো দিয়ে পালাতেন তিনি।

এ হেন ইয়ো-টমাসের সমসাময়িক হওয়ার সুবাদে ফ্লেমিং তার বন্ডের যাবতীয় মালমশলা পেয়েছিলেন বাস্তব থেকেই। সেই বাস্তব যেখানে এক ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ নায়ককে জানতে পেরেছিলেন ফ্লেমিং। এবং সেই দুঃসাহসিকতাকেই হয়তো কুর্নিশ জানাতে তৈরি করেছিলেন ‘শ্রেষ্ঠ’ বৃটিশ গুপ্তচরকে। যিনি স্পর্ধায় কিংবা আত্মবিশ্বাসে নিজের পরিচয় দিতে পারতেন, “বন্ড, জেমস বন্ড।” সূত্র: ওয়েবসাইট।

ব্যথানাশক ওষুধ ভয়াবহ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ব্যথানাশক ওষুধ ভয়াবহ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে মানুষের উদ্বেগের শেষ নেই। এ নিয়ে গবেষণাও চলছে নিরন্তর। তবে আমেরিকায় নতুন এক সমীক্ষা থেকে যে ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে তা যেকোনো মানুষকে আতঙ্কিত করবে এতে সন্দেহ নেই।

সমীক্ষা রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, আমেরিকায় হেরোইন ও কোকেন সেবনের কারণে যত মানুষ মারা যায় তার চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের
কারণে।

চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেই না বুঝে দেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ। ম্যাসাচুচেটস অঙ্গরাজ্যের ব্যানডিস ইউনিভার্সিটির প্রেসক্রিপশন ড্রাগ মনিটরিং প্রোগ্রামের (পিডিএমপি) বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধের অপব্যবহার রোধে কৌশল নির্ধারণ এবং মান নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে জোড়াতালি দিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পিডিএমপি কেন্দ্রের পরিচালক জনএল ইয়েডি বলেন, ব্যথানাশক অপব্যবহার রোধে সরকারি কর্তৃপক্ষকে আরো তৎপর হতে হবে।

এ ব্যাপারে আমেরিকার প্রতিনিধি পরিষদের নিরাপত্তা, জনকল্যাণ ইত্যাদির জন্য নির্ধারিত তহবিল পরিচালনাকারী কমিটির চেয়ারম্যান হল রজার্স বলেন, ওষুধের অপব্যবহারের কারণে পরিবারগুলো বিপর্যস্ত হচ্ছে। রাষ্ট্রের অর্থ, সময় ও জনশক্তির অপচয় হচ্ছে। নতুন সমীক্ষা রিপোর্ট রোডম্যাপ তৈরিতে সহায়ক হবে। সূত্র: ইন্দো-এশীয় নিউজ সার্ভিস