Pages

Tuesday, October 2, 2012

খালাফ হত্যা তদন্তে সৌদি আরব সন্তুষ্ট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

খালাফ হত্যা তদন্তে সৌদি আরব সন্তুষ্ট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সৌদি দুতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ মোহাম্মদ আল আলী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তে সৌদি আরব সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “খালাফ হত্যা মামলায় আমরা চারজনকে গ্রেফতার করেছি, এর মধ্যে একজন আসামি পালাতক রয়েছে। সে আসামি পালাতক থাকা অবস্থায় বিচারকাজ সম্পন্ন করা হবে।”

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ নাসের কুসাইরির সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ মার্চ রাতে ঢাকার গুলশানে নিজ বাসার কাছে সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন। ঘটনা তদন্তে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মারুফ হাসানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সৌদি সরকার তার দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিটি ঘরে ঘরে চিঠিপত্র আদান প্রদান করতে চায় এবং যাতায়াতের জন্য রেল বিভাগ চালু করতে চায়। এ ক্ষেত্রে সৌদি সরকার সহযোগিতা চাইলে আমরা তা করতে প্রস্তুত। সৌদি হাইকমিশনার এ ব্যাপারে আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন। সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, আমরা সৌদিতে যাবো।”

এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর মামলা ও নিযার্তনের সঙ্গে জড়িত সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে ১৮ মামলা করা হবে।

শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের মহাসমাবেশ ১৭ নভেম্বর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের মহাসমাবেশ ১৭ নভেম্বর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণসহ ১৭ দফা দাবি আদায়ে আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা রিটোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ  সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের আহবায়ক আতিয়ার রহমান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপিত ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার, সংগঠনের আহবায়ক ও কারিগরি শিক্ষক সমিতির সভাপিত অধ্যক্ষ শাজাহান আলম সাজু, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত কুমার সাহা, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর, কারিগরি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোখছেদুর রহমান, কর্মচারী নেতা শাহজাহান খান ও ফখরুদ্দিন জিগার।

শিক্ষদের অন্যান্য দাবি গুলোর মধ্য রয়েছে- শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ, শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন, সরকারি শিক্ষকদের অনুরুপ বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতাসহ সকল ভাতা বৃদ্ধি, চাকরির বয়সসীমা ৬৫ বছর করাসহ ১৭ দফা দাবি।

দাবি আদায়ে ও মহাসমাবেশ সফর করতে শিক্ষকেরা তাদের নতুন আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১৭ দফা দাবির সমর্থনে মিটিং মিছল ও সেমিনার। ১৭ অক্টোবর শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ দিবস পালন এবং এর পক্ষে যুক্তি তুলে সারা দেশে সমাবেশ ও মিছিল, ৪ নভেম্বর থেকে জে এস সি পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষক কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নবীনদের এগিয়ে আসার আহ্বান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নবীনদের এগিয়ে আসার আহ্বান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেছেন, “বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নবীনদের সবচেয়ে বেশি কাজ করতে হবে। তাই বিপিএটিসি’র প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে এর বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।”
 
মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি)র অডিটোরিয়ামে ৫২তম বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।
 
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বিপিএটিসির প্রশিক্ষণ কোর্সে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা এবং একই সঙ্গে খাদ্য সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো কোর্স কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করায় তাদের প্রশংসা করেন।
 
বিপিএটিসি কেন্দ্রের রেক্টর এ জেড এম শফিকুল আলমের সভাপতিত্বে এ সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবদুস সোবহান সিকদার, কোর্স পরিচালক আফজাল হোসেন ছাড়াও এ সময় কেন্দ্রের সকল এমডিএস, পরিচালক, প্রশিক্ষাণার্থী ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, “বর্তমানে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল আর্থ-সামাজিক কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে একটি উন্নয়নশীল দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে প্রশাসনিক যোগ্যতা প্রয়োজন তার একটি মজবুদ বুনিয়াদ স্থাপনের মহৎ উদ্দেশেই এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।”
 
এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনাদের সার্বিক কাজে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠবে। দেশ ও দেশের মানুষকে সেবা করার মানসিকতা সৃষ্টি হবে। এছাড়া দীর্ঘ চার মাস এক সঙ্গে অবস্থানের ফলে আপনাদের অনেকের মধ্যে যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠবে তা চাকরি জীবনে বিভিন্ন দাফতরিক কাজের সমন্বয় সাধনে একটি ইতিবাচক মানসিকতার ভিত্তি স্থাপন করবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবদুস সোবহান সিকদার তার বক্তব্যে বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনাদের ওপর সরকারের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হবে। তাই দেশপ্রেমে উজ্জিবিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সব বিষয়ে আপনাদের নজর রেখে দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।
 
চার মাস মেয়াদি এবারের এ বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৭টি ক্যাডার ও জুডিশিয়াল সার্ভিসের ২২৩ জন মাঠ পর্যায়ে নবীন কর্মকর্তা অংশ নেন যাদের মধ্যে ৪৭ জন মহিলা কর্মকর্তা রয়েছে।

ঢাবিতে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মিছিল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঢাবিতে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মিছিল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধপলস্নীতে হামলার প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাসিত্মর দাবিতে মিছিল ও সমাবেশ করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
 
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুরক্যান্টিন থেকে একটি মিছিল বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সমাবেশে করে সংগঠনটি।
 
সমাবেশে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহাম্মদ তফসীর, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তানভীর রুসমতসহ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতাকর্মীরা।
 
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের  মাধ্যমেই বৌদ্ধ পল্লীতে হামলা জালিয়েছে একটি গোষ্ঠী। সাম্প্রদায়িকতার মাধ্যমে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য জামায়াত-শিবির এই কাজ করছে। তাই এই কাজের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’’
 
এদিকে রামুর বৌদ্ধ পল্লীতে হামলা ও শতবছরের পুরানো বৌদ্ধবিহার ও মন্দির ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে রামু স্টুডেন্স অ্যাসোসিয়েশন।
 
অপরদিকে একই দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ছাত্র পরিষদ হামলার চিত্র তুলে ধরে আলোকচিত্র প্রদর্শনী করেছে ডাসকুর সামনে।

জামায়াত নেতা সুবহানের জামিন আবেদন খারিজ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জামায়াত নেতা সুবহানের জামিন আবেদন খারিজ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুস সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার বিচারক নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল মাওলানা সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদনে যে যুক্তি দেখিয়ে জামিন আবেদন করেন তা ট্রাইব্যুনালের কাছে যৌক্তিক মনে হয়নি উল্লেখ করে তার এ জামিন আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার মাওলানা আব্দুস সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদনের পক্ষে-বিপক্ষে আইনজীবীরা শুনানি করেন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করে দেন।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর মাওলানা সুবহানকে মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক দেখিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে আগামী ৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এছাড়া মাওলানা সুবহানকে (সাবেক সংসদ সদস্য) তার বয়সের কথা বিবেচনা করে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন (প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা) দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও তাজুল ইসলাম। অন্যদিকে জামিনের বিরোধিতা করে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, “মাওলানা সোবহান জামায়াতের নয় নম্বর নেতা। তাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশে হেয় প্রতিপন্ন করতে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা তার বয়সের কথা উল্লেখ করে জামিন আবেদন করেছি। তাতে বলেছি তার ৮৪ বছর বয়স হয়েছে। অনেকগুলো অপারেশন করা হয়েছে। এ অবস্থায় তার জামিন দেয়া জরুরি।”

কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, “মাওলানা সুবহান একটি মামলায় জামিন নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সে আদালতে যেতে দেয়া হয়নি। উনি যাতে জামিন না পান সে জন্য এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়েছে।”

তিনি বলেন, “প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে তা মিথ্যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একাত্তর সালে হত্যার বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ৪০ বছরে কোনো মামলাও হয়নি।”

অন্যদিকে প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে ট্রাইব্যুনালে বলেন, “মুক্তিযুদ্ধকালে পাবনার ফরিদপুর থানার ডেমরা গ্রামে এক হাজার, সোজানগর থানার নাজিরগঞ্জ ও সাতবাড়িয়ায় ৪শ’ এবং কুচিয়াপাড়া সাতবাড়িয়ার আট জনসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। আসামি সুবহানের বিরুদ্ধে পাবনার সোজানগরে ৪শ লোককে হত্যার অভিযোগ আছে।”

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটতারাজ ও ধর্ষণের মতো সব মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি তার এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাকে জামিন দিলে তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন মাওলানা সুবহানকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার (শ্যোন এ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আবেদন আমলে নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আব্দুস সুবহানকে একটি মামলায় বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল গোয়োন্দা পুলিশ। পরে তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

রামু’র ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধমন্দির নির্মাণ ও ক্ষতিপূরণের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামু’র ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধমন্দির নির্মাণ ও ক্ষতিপূরণের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধবিহারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধমন্দিরগুলো নির্মাণ ও সংশ্লিষ্টদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবির।

মঙ্গলবার ১২ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নাগরিক সমাজ আয়োজিত ‘রামু-পটিয়ার বৌদ্ধবসতি ও মন্দিরে হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের সংঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে’ মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান।

রোকেয়া কবির বলেন, “রামু-পটিয়া ও টেকনাফের মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। বেঁচে থাকার সম্বল হারিয়ে ফেলেছে তারা, তাই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং তাদের উপসনার জন্য বৌদ্ধ মন্দির তৈরি করে দিতে হবে।”

তিনি বলেন, “এই হামলায় যারা জড়িত গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে করে ভবিষ্যতে এ ধরনের সাম্প্রদায়িক হামলা করার সাহস না পায়।”

মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন কোস্ট’র পরিচালক কামাল আহমেদ, হিবের সদস্য জহিরুল ইসলাম এবং মানবাধিকার সংগঠনের সদস্য মোস্তফা কামাল।
 

‘কিছু এনজিও মানুষের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য করছে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘কিছু এনজিও মানুষের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য করছে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  কিছু এনজিও মানুষের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য করছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘জাতীয় নিরাপত্তা বেষ্টনী নীতির প্রস্তাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, “এনজিও অবহেলিত, দরিদ্র, অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে। কিন্তু এর মধ্যেও কিছু এনজিও আছে যারা মানুষের নিরাপত্তার অন্তরালে অসহায় মানুষের দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য করছে।”

মোস্তফা শহীদ বলেন, “বাংলাদেশের এই পরিবেশে সামাজিক নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। কারণ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় যখন দরিদ্র মানুষের পুনর্বাসনের জন্য কাজ শুরু করলো এবং অসহায়, দরিদ্র মানুষ বেছে নেয়ার জন্য তদন্ত সেল গঠন করে চিহ্নিত লোকদের কাছে যায় তখন তারা বলে আমরা ভালো আছি। গ্রামাঞ্চলে এখন আর অভাব অনটন নেই, খেয়েপরে ভালো আছি।”

তিনি আরো বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রশাসনে বিকেন্দ্রীকরণ ঘটাতে হবে। সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি বলেন, “সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের সবার দায়িত্ব। তবে উপযুক্ত ও কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে। আর এ উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে।”

পুরান ঢাকায় ধসে পড়েছে পাঁচ তলা ভবন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পুরান ঢাকায় ধসে পড়েছে পাঁচ তলা ভবন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রাজধানীর পুরান ঢাকায় পাঁচ তলা একটি ভবন ধসে পড়েছে। মঙ্গলবার সকালে শাখাঁরিবাজারের ২০নং কৈলাশ লেনের ওই ভবনটি পাশের তিনতলা একটি ভবনের ওপর ধসে পড়ে। তিন তলা ভবন থেকে আটকে পড়া কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে এনেছেন ফায়ার সর্ভিসের কর্মীরা।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে হঠাৎ করেই কৈশাল লেনের জজ কোর্টের পেছনে পাঁচ তলা ওই পরিত্যক্ত ভবনটি পাশের তিন তলা একটি ভবনের ওপর হেলে পড়ে।

জানা গেছে, ধসে পড়া বাড়িটির মালিক ফজলে এলাহী চৌধুরী মোহন। বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯৮২-৮৩ সালের দিকে। ভবনটির ফাউন্ডেশন দুর্বল থাকায় এটি বেশকিছুদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। দুদিন আগে ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। শ্রমিকরা মঙ্গলবার সকালে কাজ শুরু করার পর হঠাৎ ভবনটি দুলে ওঠে এবং ১৮ ও ১৯ নম্বর বাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে।
 
দুটি ভবনের মধ্যে ১৯ নম্বর বাড়িটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই ভবনের সিঁড়ি আটকে গেছে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তুপে।  ১৯ নম্বর বাড়ির পেছনের জানালা ভেঙে সিঁড়ি দিয়ে ৩০ জনকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ১৮ নম্বর ভবনের বাসিন্দারা পাশের গলি দিয়ে নিরাপদে ভবন থেকে সরে আসেন।

পাবলিক প্লেসে ধূমপানের স্থান বরাদ্দের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পাবলিক প্লেসে ধূমপানের স্থান বরাদ্দের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অধূমপায়ীদের পরোক্ষ ধূমপানের হাত থেকে রক্ষা ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ তৈরির লক্ষে মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদিত পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্যে স্থান বরাদ্দ রাখার বিষয়টি বাতিলের দাবি জানিয়েছে তামাকবিরোধী কয়েকটি সংগঠন।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস’র সহযোগিতায় ঢাকা আহসানিয়া মিশন, প্রজ্ঞা এবং এন্টি টোবাকো মিডিয়া এরায়েন্স (আত্মা) এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ দাবি জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পরোক্ষভাবে শতকরা ৪৫ ভাগ মানুষ ধূমপানের শিকার হয়। যার ফলে দেশের চার কোটি ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদিত পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্যে স্থান বরাদ্দ রাখার বিষয়টি বাতিল করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা আহসানিয়া মিশনের সভাপিত কাজী রফিকুল আলম, মানসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. অরুপ রতন চৌধুরী, ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডসের মিডিয়া ও এ্যাভোকেসি কো-অর্ডিনেটর তাইফুর রহমান, এন্টি টোবাকো মিডিয়া এরায়েন্সের (আত্মা) সমন্বয়কারী রুহুল আমিন রুশদ।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন আইন ২০১২’র খসড়া উত্থাপনের পর তাতে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। খসড়ায় ধূমপান বা তামাকজাতীয় দ্রব্য ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট জায়গা সংরক্ষণের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

তবে খসড়ায় পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ করে পাবলিক প্লেসের সঙ্গে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এর আওতায় রয়েছে- বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ, খেলার মাঠ, বিভিন্ন অফিস, বিপণী বিতান, বাজার, জনসমাবেশ, মেলা, বাসস্ট্যান্ড এবং বাসযাত্রীদের দাঁড়ানোর লাইন ও পাবলিক টয়লেট।

রাজপথ ছেড়ে শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজপথ ছেড়ে শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত মাধ্যমিক শিক্ষকদের রাজপথ ছেড়ে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

মঙ্গলবার দুপুরে অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী কিছু বলেননি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে পাঁচ লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন, যাদের বেতন-ভাতা বাবদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটের প্রায় ৬০ ভাগই ব্যয় হয়। জোট সরকারের সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো। বর্তমান সরকারের সময়ে তা উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ সরকার ১৬২৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছে। বর্তমানে ২৬ হাজার চারশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপি ভুক্ত করা হয়েছে, তারা সময় মতো বেতনভাতা তুলতে পারছে।”

তিনি বলেন, “আমাদের মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ৬০ ভাগ এই শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য ব্যয় হয়ে যাওয়ায় উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এমন কিছু বিষয় নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে।”

‘বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়ে অর্থমন্ত্রী কী বলেছেন’ এ প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “তা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে জেনে নিন।”

কিছু এনজিও’র কারণেই পাহাড়ে অশান্তি: সাজেদা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কিছু এনজিও’র কারণেই পাহাড়ে অশান্তি: সাজেদা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কিছু বিদেশী এনজিও’র কারণেই পাহাড়ে শান্তি ফিরছে না বলে ইঙ্গিত দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, “কিছু বিদেশী ব্যক্তিরা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করেন। তারা পাহাড়িদের জন্য চরম ব্যথিত, তারা পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টির জন্য পাহাড় ছেড়ে সমতলে কাজ করেন না।”

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজি (বীজ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাজেদা এ কথা বলেন। সংগঠনের হলরুমে সভায় বীজের ডিজি মেজর ইমরুল কায়েস বক্তব্য রাখেন। কীটনোট উপস্থাপন করেন মেজর জেনারেল আসাব উদ্দিন।

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, “ওই এনজিওদের আমি বলেছি, আপনারা পাহাড় ছাড়ুন, সমতলে আসুন, আমার বাড়ি ছেড়ে দিচ্ছি, অফিস বানিয়ে কিছু করুন।’ কিন্তু তারা আসছে না।”

পাহাড়ে অশান্তির সৃষ্টি করতেই এ সব আয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাজেদা চৌধুরী বলেন, “আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে কেউ দেশ নিয়ে যেতে পারবে না। যত টাকা পয়সাই ঢালুক কেন কাজ হবে না।”

রামুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধবিহারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা তদন্তে বিএনপির বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, “এখনো বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজন নেই। বিচার বিভাগ আসে ময়না তদন্ত করতে। আমরা চাই না তারা এটা করুক।”

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রামুর ঘটনা প্রশাসন জানতো সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে  মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। প্রতিটি ঘরে ঘরে নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশ পুলিশি রাষ্ট্র নয়, এটা আমরা করতে চাই না।”

মন্ত্রী জানান, এ হামলার ঘটনায় নতুন করে ৮৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে।

তিনি বলেন, “২০০১ সালে সংখ্যালঘু নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতরা ‘রামু ঘটনায় সরকার জড়িত’ এ জাতীয় বক্তব্য দিয়ে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে।”

মহীউদ্দীন খান বলেন, “২০০১ সালে নির্বাচনের পরর্বতী সারাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি- জামায়াত জোট সরকারে মন্ত্রী ও সাবেক এমপিরদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।”

তবে কারা কারা আসামি হচ্ছেন এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মামলা হলে দেখতে পাবেন।”

আদালতকে কিভাবে সম্মান করতে হয় শিখে আসুন, প্রসিকিউশনকে ট্রাইব্যুনাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আদালতকে কিভাবে সম্মান করতে হয় শিখে আসুন, প্রসিকিউশনকে ট্রাইব্যুনাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান এটিএম ফজলে কবীর প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “আদালতকে কিভাবে সম্মান করতে হয় তা আগে শিখে আসুন। প্র্যাকটিসতো করেন, আগে ব্যবহার শিখেন।”

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ১১ তম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ নিয়ে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর ক্ষোভ প্রকাশ করে এ কথা বলেন।

প্রসিকিউশনের দশম সাক্ষী জালাল উদ্দিনকে দুপুর একটা পর্যন্ত জেরা করেন আসামিপক্ষ। তার জেরা শেষ হলে ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনকে বলেন, আপনাদের পরবর্তী সাক্ষী আছে? প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম বলেন, হ্যাঁ। পরবর্তী ১৩ তম সাক্ষী আছে। এরপর কোর্ট মধ্যাহ্ন বিরতি দেয়।

বিরতির পর দুপুর ২টায় ট্রাইব্যুনাল বসেন। কিন্তু তখন প্রসিকিউশনের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ট্রাইব্যুনাল বসার সাত আট মিনিট পরে প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। এ সময় ট্রাইব্যুনাল তাকে জিজ্ঞেস করেন, “কয়টা বাজে, কয়টার সময় আসছেন, আপনার সাক্ষী কোথায়?” তখন প্রসিকিউটর বলেন, আমি অনুতপ্ত।

প্রসিকিউটর বলেন, সাক্ষী অসুস্থ, তাই আসতে পারেননি।

এ সময় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রাকটিসতো করেন আদালতের সঙ্গে কী ব্যবহার করতে হয় তা আগে শিখেন।”

এ সময় প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা ও ডিফেন্স টিমের আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

এরপর আবার ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চান, কবে তারা পরবর্তী সাক্ষী হাজির করতে পারবে। তখন প্রসিকিউটর ৭ অক্টোবর সাক্ষী হাজির করতে পারবে বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান।

এ সময় ট্রাইব্যুনাল আগামী ৮ অক্টোবর সাক্ষী হাজিরের দিন ধার্য করে এ মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন।

গতকাল জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দশম সাক্ষী জালালউদ্দিন তার জবানবন্দি পেশ করেন। আজ তাকে দুপুর পর্যন্ত জেরা করা হয়।

গত ১৫ জুলাই কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এর আগে নয়জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেন-হামিদুল হক, মনোয়ার হোসেন, খান মোহন, জহিরুল হক মুন্সী বীরপ্রতীক, ফকির আব্দুল মান্নান, মোশাররফ হোসেন তালুকদার, ডাক্তার হাসানুজ্জামান, লিয়াকত আলী ও জিয়াউল ইসলাম। পরে তাদেরকে জেরা করে আসামিপক্ষ।

গত ৪ জুন তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দেয়া হয়। কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গত ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।

একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুলাই তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২ আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

মোহাম্মদপুরে নালা থেকে দুই স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মোহাম্মদপুরে নালা থেকে দুই স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা রোডের একটি নালা থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের নাম সোমা ও ঊর্মি। দুজনের বয়সই নয় বছরের মতো। তারা নূরজাহান রোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ত।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানান, সোমবার স্কুলে যেতে দেরি হওয়ায় ওই দুই শিশু বছিলা রোডের খ্রিস্টান হাউজিংয়ের পাশে পানিনিষ্কাশনের নালার ওপর কালভার্টে খেলা করে। কিন্তু স্কুলের সময় শেষ হওয়ার পরও তারা বাড়িতে না ফিরলে তাদের পরিবার বিষয়টি পুলিশকে জানায়। এলাকায় মাইকিংও করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কয়েকটি শিশু ওই নালায় নামে। এ সময় তারা একটি লাশ দেখতে পায় এবং পানির নিচে আরেকটি লাশ তাদের পায়ে আটকায়। পরে খবর দেয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশের ধারণা, শিশু দুটি খেলতে গিয়ে নালায় পড়ে ডুবে যায়। নালা দুটি গভীর এবং কচুরিপানায় ঢাকা। তাই কেউ লাশ দেখতে পায়নি। মঙ্গলবার বাতাসে কচুরিপানা সরে যাওয়ায় অন্য শিশুরা লাশটি দেখতে পায়।

জানা গেছে, সোমার বাবার নাম আলাউদ্দিন এবং ঊর্মির বাবার নাম সিরাজুল। তাদের একজন অটোরিকশাচালক, অন্যজন দিনমজুর। তারা মোহাম্মদপুরের কাদিরাবাদ হাউজিংয়ের বাসিন্দা।

নাম ফাটাতে চাইলে হয়ে গেছে: রিট প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নাম ফাটাতে চাইলে হয়ে গেছে: রিট প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ হিসেবে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্ট বিভাগে আবেদন (রিট) করার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাপরিষদের সদস্য ও দফতবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, “কোনো উকিল যদি নাম ফাটানোর জন্য করে থাকে তাহলে তার কাজ হয়ে গেছে। আর যদি জুডিশিয়াল ডিসপোজার হয়, তাহলে আমি মনে করি এটা হেলদি এক্সারসাইজ। এটা নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।”

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিষ্টিউট মিলনায়তনের হলরুমে এক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ ময়েজউদ্দিন’র সন্মণসভা উপলক্ষে ‘জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু একাডেমি।
উল্লেখ্য, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ হিসেবে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্ট বিভাগে আবেদন (রিট) করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক। তিনি ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ পদের বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করেন আবেদনে।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “হাইকোর্ট খোলা রয়েছে, যে কোনো মামলা বা রিট হতেই পারে। তবে এটা বিচারক তার সুচিন্তিত মতামত দিবেন।”

তিনি বলেন, “পত্রিকায় এসেছে, সংবিধানে মন্ত্রী লেখা আছে কিন্তু দফতর বিহীন লেখা নেই, তাহলে প্রশ্ন করি দফতরপূর্ণ লেখা আছে নাকি? পইতা পড়লেই হিন্দু হয়, নামাবলি গায়ে দিলে হয়না, আবার টুপি পড়লেই মুসলমান?” তিনি বলেন, “আইএম মুসলিম বাই ফেইথ, আইএম হিন্দু বাই ফেইথ।”

আমি বসে বসে সরকারের কোষাগারের টাকা নেই- এমন অভিযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করে দফতরবিহীন এ মন্ত্রী বলেন, “আমি এখনো নিজের বাসায় থাকি, সরকারের বাসায় উঠিনি, আমি কোবিনেট বৈঠকেও যাই না।” বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক দেশে দফরবিহীন মন্ত্রী থাকে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংগঠনের উপদেষ্টা লায়ন মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম ও ময়েজউদ্দিনের কন্যা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি।

‘হ্যাঁ- না’ ভোট ছাড়া আইন প্রণয়নে বেশিরভাগ এমপির ভূমিকা নেই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘হ্যাঁ- না’ ভোট ছাড়া আইন প্রণয়নে বেশিরভাগ এমপির ভূমিকা নেই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় সংসদে আইন পাস বা সংশোধনীর ক্ষেত্রে ‘হ্যা-না’ ভোটদান ছাড়া এককভাবে তেমন অবদান রাখেন না অধিকাংশ সংসদ সদস্য। বর্তমান সংসদে আইন প্রণয়নে তাদের আগ্রহ বা ভূমিকা কম।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বর্তমান সংসদে ৩৫০ জন সদস্যর মধ্যে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ জন আইন প্রণয়ন বিলের বিষয়ের ওপর নোটিশ দেন। অনেকেরই এ ব্যাপারে কোনো উৎসাহ নেই। তারা শুধু বিল পাসের সময় ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলে দায়িত্ব শেষ করেন।

বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন জাতীয় সংসদের বর্তমান ও সাবেক স্পিকার, হুইপসহ বিশেষজ্ঞরা।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় সংসদে মহাজোট সরকারের তিন বছর নয় মাসে ১৪টি অধিবেশনের ৩২৭ কার্যদিবসে ১৯৬টি আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বিরোধী দলসহ অন্যরা প্রায় ২ হাজার ৫০০টি নোটিশ ও  সংশোধনী প্রস্তাব দিলেও তা আলোচিত হয়নি।কারণ বিরোধীদলীয় সদস্যরা নোটিশ দিলেও তাঁরা সংসদে উপস্থিত থাকেন কম। তাই তাদের নোটিশও উত্থাপিত হয় না।

অন্যদিকে সরকারি দলের নির্দেশনার বাইরে সদস্যদের নোটিশ দেওয়াকে নিরুৎসাহিত করা হয়। ফলে  কোনো বিতর্ক ছাড়াই শুধু সরকারি দলের সদস্যদের ‘হ্যাঁ’ শব্দ উচ্চারণের মধ্য দিয়ে বর্তমান সংসদে ১৯৬টি বিল পাস হয়েছে। এসব বিল পাস হতে গড়ে সময় লেগেছে ২ থেকে ৫ মিনিট।

জাতীয় সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘আসলেই আইন প্রণয়নের বিষয়ে অধিকাংশ সংসদ সদস্যর আগ্রহ কম। তারা বিল পড়েও দেখেন না। এ বিষয়ে তাদের জানার আগ্রহও কম। তারা সবসময় স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে বেশি ভাবেন। দেশের জনগণও তা-ই চায়। আমি নিজেও যখন শুধুই সংসদ সদস্য ছিলাম, বিল নিয়ে ভাবতাম না।’

তিনি আরো বলেন, “একটি বিল মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং সংসদীয় কমিটি দেখার পর এতে সাধারণত করণিক ভুল ছাড়া অন্য কোনো ভুল থাকে না,  যে কারণে সরকারি বা বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের কোনো নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী মন্ত্রীরা সংসদে বিল উত্থাপন করেন। এরপর মন্ত্রী ইচ্ছা করলে সেই বিল জনমত যাচাই বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করতে পারেন। সাধারণত মন্ত্রী জনমত যাচাই বা বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন না, কিন্তু সংসদীয় কমিটিতে পাঠিয়ে থাকেন।  সেখান থেকে সংসদে ফিরে আসার পর এমপিরা বিলটির ব্যাপারে জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাব আনতে পারেন। কিন্তু বর্তমান সংসদে এমপিরা তা করেন না।”

সংসদের কার্যপ্রবাহ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বর্তমান সংসদে এ পর্যন্ত মোট ১৯৬টি বিল পাস হয়েছে। প্রথম অধিবেশনে ৩২টি, দ্বিতীয় অধিবেশনে ২৩, তৃতীয় অধিবেশনে ১১টি, চতুর্থ অধিবেশনে ২৩টি, পঞ্চম অধিবেশনে ২৪টি, ষষ্ঠ অধিবেশনে ১৩টি, সপ্তম অধিবেশনে ৪টি, অষ্টম অধিবেশনে ৬টি, নবম অধিবেশনে ৮টি, দশম অধিবেশনে ২টি, ১১তম অধিবেশনে ৭টি, ১২তম অধিবেশনে ১৫টি, ১৩তম অধিবেশনে ১৫টি ও ১৪তম অধিবেশনে ১৩টি।

এসব বিলের ব্যাপারে বিরোধী দলের সদস্যরা প্রায় ২ হাজার ৫০০ নোটিশ দিয়েছেন। স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিম একাই দিয়েছেন ৫ শতাধিক নোটিশ। বিপরীতে সরকারি দলের সদস্যদের নোটিশের সংখ্যা ২০ থেকে ২৫। তবে মাঝেমধ্যে সরকারি ও বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকসহ অনেকেই বিলের ওপর অনির্ধারিত আলোচনা করেছেন।

তবে সরকারি ও বিরোধীদলের যথাযথ বিতর্ক ছাড়াই বেশির ভাগ বিল পাস হয়েছে। এর কারণ বিরোধী দলের অনুপস্থিতি।

সংসদের বুলেটিনে দেখা গেছে, বর্তমান সংসদের ৩২৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিরোধী দল উপস্থিত ছিল ৭৪ দিন। এ সময়ের মধ্যে ১৯৬টি বিল পাস হলেও বিরোধী দল ৩৯টি বিল পাস হওয়ার সময় সংসদে উপস্থিত ছিল। অন্য সব বিল পাস হয়েছে সরকারি দল ও একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিমের উত্থাপিত নোটিশের ভিত্তিতে। অনুপস্থিত থাকায় এসব বিলের ক্ষেত্রে বিএনপির নোটিশ থাকলেও উত্থাপিত হয়নি। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, দল সংসদে থাকলেও নোটিশদাতা অনুপস্থিত। এর ফলে বিরোধী দলের জমা দেওয়া নোটিশের ৯০ শতাংশই উত্থাপিত হয়নি।

 জানা গেছে, নবম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০০৯-এর ৮ জুলাই মাত্র ২২ মিনিটে সাতটি বিল পাস হয়েছে। বিলগুলো হলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সংক্রান্ত। এর মধ্যে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিলটি পাস হয়েছে মাত্র দেড় মিনিটে। পঞ্চম অধিবেশনে স্ট্যাম্প (সংশোধন), ইনকাম ট্যাক্স (সংশোধন) ও ক্যাডার-বহির্ভূত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা (শুল্ক, আবগারি ও ভ্যাট) নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলি (সংশোধন) এই তিনটি বিল পাস হতে সময় লেগেছে মাত্র ১০ মিনিট।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, আরো বেশ কয়েকটি বিল দেড়-দুই মিনিটে পাস হয়েছে।  প্রধান বিরোধী দল না থাকলেও ওই সময় ৬০টির মতো বিলে একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিমের নোটিশ উত্থাপিত হয়েছে। তা না হলে এসব বিলও তিন-চার মিনিটে পাস হয়ে যেত।

আইন মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফজলে রাব্বি মিয়া বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিরোধী দল সংসদে না থাকলে প্রকৃত অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সরকারি দল। এতে সরকারি দল খেয়াল-খুশিমতো কাজ করার সুযোগ পায়। ফলে আইনগুলো খুবই দুর্বলভাবে পাস হয়। বিরোধী দল থাকলে ত্রুটিপূর্ণভাবে বিল পাস হওয়ার সুযোগ কম থাকে।”

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিলের ব্যাপারে নোটিশ দেওয়া বড় ধরনের কোনো কঠিন কাজ নয়। তা সত্ত্বেও এ বিষয়ে  নোটিশ দেওয়ার সংস্কৃতি আমাদের এখানে তৈরি হয়নি। সুযোগ থাকলেও সরকারি দলের এমপিরা সচরাচর সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে নোটিশ দেন না। আর বিরোধী  দল শত শত নোটিশ দিলেও আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয় না। এ কারণে অধিকাংশ বিল খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে পাস হয়ে যায়।”

বিল পাসের ক্ষেত্রে উল্টো চিত্রও আছে। বিরোধী দলের উপস্থিতিতে বিল পাসের সময় তুমুল বিতর্কের কারণে সংসদ ছিল প্রাণবন্ত। এ ক্ষেত্রে অনেক বিল পাস হতে সময়  লেগেছে ৩০ মিনিট, আবার কখনো এক ঘণ্টারও বেশি। এসব বিলে বিরোধী দলের সদস্যদের সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণের নজিরও রয়েছে। সবচেয়ে  বেশি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে ফজলুল আজিমের। এর বাইরে বিএনপির জাফরুল ইসলাম  চৌধুরী, নিলুফার চৌধুরী মনি, রাশেদা বেগম হিরা ও জামায়াতের হামিদুর রহমান আযাদের সংশোধনী প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

সংসদ সচিবারয় সূত্রে জানা গেছে, দল থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নোটিশ দেওয়াকে নিরুৎসাহিত করা হয়। কেউ দলীয় নির্দেশনা বা চিফ হুইপের পরামর্শ ছাড়া নোটিশ দিলে অনেক ক্ষেত্রেই আমলে নেওয়া হয় না। তারপরও মহাজোটের বেশ কজন এমপি দলীয় নির্দেশনার বাইরে সংবিধান সংশোধনীতে উত্থাপিত বিলের ওপর সংশোধনী প্রস্তাব দেন, যা পরে তুলে নেওয়া হয়। সরকারি বিলে বড় ধরনের  কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলে শুধু তখনই বোঝাপড়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কয়েকজন দলীয় সদস্যকে দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়, যে কারণে ফজলে রাব্বি মিয়া, আ ক ম মোজাম্মেল হক, আবদুল মতিন খসরুসহ আরও দু-একজনকে  বেশি নোটিশ দিতে দেখা যায়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলের বিপক্ষে ভোট দিলে সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু এর সঙ্গে বিলসংক্রান্ত নোটিশের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও অনেকেই মনে করেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিলের ব্যাপারে নোটিশ দিলে তা  যে কোনো সময় দলের বিপক্ষে ভোট হিসেবে গণ্য হতে পারে। এ আশঙ্কায় সদস্যরা সচরাচর দলীয় নির্দেশনার বাইরে নোটিশ দেন না।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিম বার্তা ২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি প্রতিটি আইন পাস হওয়ার আগে পড়ি। তারপর কোনো কোনো ক্ষেত্রে সংশোধনী দেওয়া যাবে সেগুলো ঠিক করি। এরপর স্পিকারের কাছে আবেদন করি। আমার অনেক নোটিশের উপর আলোচনা করতে দেয়া হয়, আবার অনেক নোটিশ গ্রহণ করা হয় না।”

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বর্তমান সংসদের মেয়াদ সাড়ে তিন বছর পার হয়েছে। এখনো বেশির ভাগ নতুন এমপির নোটিশ দেবার বিষয়ে ধারণা কম। তাদের দক্ষ করে তোলার জন্য সংসদ থেকে কোনো প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়নি। এ কারণে নতুনেরা নোটিশের ব্যাপারে আগ্রহী নন।”


এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “নতুন আইন পাস ও পুরনো আইন সংশোধনীর বিষয়টি  আমাদের পুরনো সমস্যা । জাতীয় সংসদে আইনগুলো যখন আসে তখন ব্যাপকভাবে আলোচনা করা হয় না। আইনের খসড়া আসার পরে জনমত নেওয়া দরকার।”

তিনি বলেন, “আইন পাসের ক্ষেত্রে সরকারি দলের চেয়ে বিরোধী দলের ভূমিকা অনেক বেশি থাকে। বর্তমান বিরোধী দল সংসদ বর্জন করার কারণে সরকারি দল সুযোগ গ্রহণ করছে। কারণ ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের আইন পাসের ক্ষেত্রে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট ছাড়া তেমন ভূমিকা থাকে না।”

তিনি আরে বলেন, “নতুন নতুন আইন পাস হওয়ার ক্ষেত্রে সংসদে বিতর্ক ও জনমত যাচাই প্রয়োজন। সংসদে যদি এ ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় তাহলে গণতন্ত্রের প্রতিফলন ঘটবে।”

Facebook and us: রামু’র ঘটনায় পুলিশের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ চ্যালেঞ্জ করে র...

 রামু’র ঘটনায় পুলিশের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ চ্যালেঞ্জ করে র...

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধমন্দির রক্ষায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ‘নিষ্ক্রিয়তা’কে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রামু উপজেলার বাসিন্দা ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এই রিটটি করেন।

বুধবার মির্জা হোসেইন হায়দার ও কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে বলে বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন আবেদনকারীর আইনজীবী বি এম মো. ইলিয়াস।

এই রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং রামুর ওসিকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও ঘটনার সময় রামু থানায় দায়িত্বরত ওসিকে আদালতে তলবের আবেদন করা হয়েছে।

একইসঙ্গে বৌদ্ধ মন্দির ও স্থানীয় জনগণকে রক্ষা এবং হামলা ও অগ্নিসংযোগে জড়িতদের গ্রেফতারে প্রশাসনের ‘নিষ্ক্রিয়তাকে’ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং অবশিষ্ট মন্দির ও ঘর-বাড়ি রক্ষায় কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না এ মর্মে রুল দেয়ার আবেদন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ফেসবুকে কোরআন অবমাননার অভিযোগে শনিবার রাতে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধমন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় কিছু উগ্রপন্থী। রাতভর হামলায় সাতটি বৌদ্ধ মন্দির, ৩০টি বাড়ি ও দোকান পুড়িয়ে দেয়া হয়।

ডেসটিনি কর্মকর্তাদের ৫৩৩ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ডেসটিনি কর্মকর্তাদের ৫৩৩ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মুদ্রা পাচারের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুদকের দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জহুরুল হক এ আদেশ দেন।

সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ও দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার পৃথকভাবে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দসহ রেকর্ডপত্র অবরুদ্ধ করার আবেদন জানান। ওই দিন মূল আদালত বিডিআর’র মামলায় ব্যস্ত থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক আখতারুজ্জামান মঙ্গলবার এ ব্যাপারে শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন।

দুদকের দায়ের করা আবেদনে বলা হয়, ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার তিনশ কোটি ৮৭ লাখ টাকা থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ১৫ কোটি ২৪ টাকা। মামলার তদন্তের স্বার্থে ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ টাকা জব্দ করা প্রয়োজন।

ডেসটিনির ওই ২২ পরিচালকরা হলেন- ডেসটিনি ২০০০ এর সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুন-অর-রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল আমীন, মো. হোসেন, মো. গোফরানুল হক, মো. সাইদ উর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, ডেসটিনির পরিচালক ইরফান আহমেদ সানি, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সাজ্জাদ হোসেন, ফারাহ দিবা, জামশেদ আরা চৌধুরী,  শেখ তৈয়বুর রহমান, মজিবুর রহমান,  নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকবর হোসেন সুমন, শিরিন আক্তার, রকিবুল ইসলাম সরকার, সুমন আলী খান, সাইদুর ইসলাম খান ও অবসরপ্রাপ্ত  লেফটেনেন্ট কর্নেল দিদরুল আলম।

এর আগে ডেসটিনির বিরুদ্ধে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় জামিন বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। যে কারণে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২২ আসামির জামিন বাতিল হয়ে যায়।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেশন (এমএলএম) ও ট্রি-প্লানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ  থেকে সংগৃহীত অর্থ স্থানান্তরের ‘প্রমাণ’ পেয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন।

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্প থেকে দুই হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা এবং এমএলএম অ্যাকাউন্ট থেকে এক হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা সরানোর অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজিব উল্লাহ হিরু এবং এহসানুল হক সামাজী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মোশারফ হোসেন কাজল।

পল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ চলছে, গাড়িতে আগুন, আটক ১০ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ চলছে, গাড়িতে আগুন, আটক ১০ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজধানীর পল্টনে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে বিএনপি নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা একটি মাইক্রোবাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় পল্টন থানা পুলিশ ১০ জনকে আটক করে। বিকেল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল। সর্বশেষ বিজয়নগর হোটেল একাত্তরের সামনে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার রাতে নেত্রকোনা জেলায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও মঙ্গলবারের সেখানে বিএনপির কর্মী সমাবেশ পণ্ড হওয়ার ঘটনার জের ধরে পল্টনের এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের মতিঝিল জোনের এডিসি মেহেদী হাসান বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা বলে বিএনপি গাড়িতে আগুন দেয় ও ভাঙচুর চালায়। এ কারণে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানে পুলিশ থাকবে বলে তিনি জানান।  

কক্সবাজারের ঘটনায় সরকারের মদদ রয়েছে, অভিযোগ ফখরুলের :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

কক্সবাজারের ঘটনায় সরকারের মদদ রয়েছে, অভিযোগ ফখরুলের :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “তদন্তের আগেই কক্সবাজারের রামুর ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগ বাড়িয়ে বিএনপির সংসদ সদস্যকে জড়িয়ে যে কথা বলেছেন এতেই মনে হয় এ ঘটনায় সরকারের মদদ রয়েছে। তারা বিরোধী দলকে সব সময় যেভাবে দায়ী করেন এ ঘটনায় সেভাবেই দায়ী করেছেন।”
 
সোমবার সকালে নয়াপল্টনের হোটেল ভিক্টরিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল এসব কথা বলেন।
 
মির্জা ফখরুল বলেন, “দেশ ও জাতি আজ এক মহাসংকটের সম্মুখীন। দেশের অস্তিত্ব ও গণতন্ত্রের সংকট দেখা দিয়েছে। গত ৪১ বছরে আর কখনো এ ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়নি।”
 
সরকার নিজেদের গণতান্ত্রিক সরকার দাবি করে তারা পুরোপুরি ফ্যাসিবাদী দলে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
 
ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই দেখেছি ছাত্র রাজনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তারা রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সফল হয়েছিলেন। ৬৯ গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানি শাসকদের সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রদের ভূমিকা অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল।”
 
বর্তমান স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের নতুন কমিটির নেতাদের কাছে দেশবাসী অনেক প্রত্যাশা করছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আলমগীর।
 
ফখরুল বলেন, “বিশ্বব্যাংকের অগ্রবর্তী দল আসার কথা ছিল পদ্মা সেতুর ঋণ নিয়ে আলোচনা করতে। তারা আসছে না। কারণ তারা দশ মাস আগে চিহ্নিত ব্যক্তিদের নাম দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা নেয়নি। এছাড়া এ বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নেতারা এমনভাবে কথা বলেছেন যে, বিশ্ব ব্যাংক তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।”
 
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের এমন আচরণের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “একটি সরকার কিভাবে এ ধরনের কার্যকলাপে লিপ্ত হতে পারে তা আমার জানা নেই।”
 
তিনি দেশের মানুষকে নিয়ে এ ধরনের ছেলে খেলা থেকে বিরত থাকতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
 
ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, সিনিয়র সহসভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব আহসান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এসএম ওবায়দুল হক নাসির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মহিদুল হাসান হিরু, মহানগর উত্তরের সভাপতি আবুল মনছুর খান দীপক, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসহাক সরকার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সজল প্রমুখ।