আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান এটিএম ফজলে কবীর
প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “আদালতকে কিভাবে
সম্মান করতে হয় তা আগে শিখে আসুন। প্র্যাকটিসতো করেন, আগে ব্যবহার শিখেন।”
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ১১ তম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ নিয়ে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর ক্ষোভ প্রকাশ করে এ কথা বলেন।
প্রসিকিউশনের দশম সাক্ষী জালাল উদ্দিনকে দুপুর একটা পর্যন্ত জেরা করেন আসামিপক্ষ। তার জেরা শেষ হলে ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনকে বলেন, আপনাদের পরবর্তী সাক্ষী আছে? প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম বলেন, হ্যাঁ। পরবর্তী ১৩ তম সাক্ষী আছে। এরপর কোর্ট মধ্যাহ্ন বিরতি দেয়।
বিরতির পর দুপুর ২টায় ট্রাইব্যুনাল বসেন। কিন্তু তখন প্রসিকিউশনের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ট্রাইব্যুনাল বসার সাত আট মিনিট পরে প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। এ সময় ট্রাইব্যুনাল তাকে জিজ্ঞেস করেন, “কয়টা বাজে, কয়টার সময় আসছেন, আপনার সাক্ষী কোথায়?” তখন প্রসিকিউটর বলেন, আমি অনুতপ্ত।
প্রসিকিউটর বলেন, সাক্ষী অসুস্থ, তাই আসতে পারেননি।
এ সময় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রাকটিসতো করেন আদালতের সঙ্গে কী ব্যবহার করতে হয় তা আগে শিখেন।”
এ সময় প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা ও ডিফেন্স টিমের আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
এরপর আবার ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চান, কবে তারা পরবর্তী সাক্ষী হাজির করতে পারবে। তখন প্রসিকিউটর ৭ অক্টোবর সাক্ষী হাজির করতে পারবে বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান।
এ সময় ট্রাইব্যুনাল আগামী ৮ অক্টোবর সাক্ষী হাজিরের দিন ধার্য করে এ মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন।
গতকাল জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দশম সাক্ষী জালালউদ্দিন তার জবানবন্দি পেশ করেন। আজ তাকে দুপুর পর্যন্ত জেরা করা হয়।
গত ১৫ জুলাই কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এর আগে নয়জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেন-হামিদুল হক, মনোয়ার হোসেন, খান মোহন, জহিরুল হক মুন্সী বীরপ্রতীক, ফকির আব্দুল মান্নান, মোশাররফ হোসেন তালুকদার, ডাক্তার হাসানুজ্জামান, লিয়াকত আলী ও জিয়াউল ইসলাম। পরে তাদেরকে জেরা করে আসামিপক্ষ।
গত ৪ জুন তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দেয়া হয়। কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গত ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুলাই তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২ আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ১১ তম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ নিয়ে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর ক্ষোভ প্রকাশ করে এ কথা বলেন।
প্রসিকিউশনের দশম সাক্ষী জালাল উদ্দিনকে দুপুর একটা পর্যন্ত জেরা করেন আসামিপক্ষ। তার জেরা শেষ হলে ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনকে বলেন, আপনাদের পরবর্তী সাক্ষী আছে? প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম বলেন, হ্যাঁ। পরবর্তী ১৩ তম সাক্ষী আছে। এরপর কোর্ট মধ্যাহ্ন বিরতি দেয়।
বিরতির পর দুপুর ২টায় ট্রাইব্যুনাল বসেন। কিন্তু তখন প্রসিকিউশনের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ট্রাইব্যুনাল বসার সাত আট মিনিট পরে প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। এ সময় ট্রাইব্যুনাল তাকে জিজ্ঞেস করেন, “কয়টা বাজে, কয়টার সময় আসছেন, আপনার সাক্ষী কোথায়?” তখন প্রসিকিউটর বলেন, আমি অনুতপ্ত।
প্রসিকিউটর বলেন, সাক্ষী অসুস্থ, তাই আসতে পারেননি।
এ সময় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রাকটিসতো করেন আদালতের সঙ্গে কী ব্যবহার করতে হয় তা আগে শিখেন।”
এ সময় প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা ও ডিফেন্স টিমের আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
এরপর আবার ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চান, কবে তারা পরবর্তী সাক্ষী হাজির করতে পারবে। তখন প্রসিকিউটর ৭ অক্টোবর সাক্ষী হাজির করতে পারবে বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান।
এ সময় ট্রাইব্যুনাল আগামী ৮ অক্টোবর সাক্ষী হাজিরের দিন ধার্য করে এ মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন।
গতকাল জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দশম সাক্ষী জালালউদ্দিন তার জবানবন্দি পেশ করেন। আজ তাকে দুপুর পর্যন্ত জেরা করা হয়।
গত ১৫ জুলাই কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এর আগে নয়জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেন-হামিদুল হক, মনোয়ার হোসেন, খান মোহন, জহিরুল হক মুন্সী বীরপ্রতীক, ফকির আব্দুল মান্নান, মোশাররফ হোসেন তালুকদার, ডাক্তার হাসানুজ্জামান, লিয়াকত আলী ও জিয়াউল ইসলাম। পরে তাদেরকে জেরা করে আসামিপক্ষ।
গত ৪ জুন তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দেয়া হয়। কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গত ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুলাই তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২ আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

No comments:
Post a Comment