সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ হিসেবে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে
হাই কোর্ট বিভাগে আবেদন (রিট) করার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাপরিষদের
সদস্য ও দফতবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, “কোনো উকিল যদি নাম
ফাটানোর জন্য করে থাকে তাহলে তার কাজ হয়ে গেছে। আর যদি জুডিশিয়াল ডিসপোজার
হয়, তাহলে আমি মনে করি এটা হেলদি এক্সারসাইজ। এটা নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য
নেই।”
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিষ্টিউট মিলনায়তনের হলরুমে এক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ ময়েজউদ্দিন’র সন্মণসভা উপলক্ষে ‘জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু একাডেমি।
উল্লেখ্য, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ হিসেবে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্ট বিভাগে আবেদন (রিট) করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক। তিনি ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ পদের বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করেন আবেদনে।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “হাইকোর্ট খোলা রয়েছে, যে কোনো মামলা বা রিট হতেই পারে। তবে এটা বিচারক তার সুচিন্তিত মতামত দিবেন।”
তিনি বলেন, “পত্রিকায় এসেছে, সংবিধানে মন্ত্রী লেখা আছে কিন্তু দফতর বিহীন লেখা নেই, তাহলে প্রশ্ন করি দফতরপূর্ণ লেখা আছে নাকি? পইতা পড়লেই হিন্দু হয়, নামাবলি গায়ে দিলে হয়না, আবার টুপি পড়লেই মুসলমান?” তিনি বলেন, “আইএম মুসলিম বাই ফেইথ, আইএম হিন্দু বাই ফেইথ।”
আমি বসে বসে সরকারের কোষাগারের টাকা নেই- এমন অভিযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করে দফতরবিহীন এ মন্ত্রী বলেন, “আমি এখনো নিজের বাসায় থাকি, সরকারের বাসায় উঠিনি, আমি কোবিনেট বৈঠকেও যাই না।” বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক দেশে দফরবিহীন মন্ত্রী থাকে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সংগঠনের উপদেষ্টা লায়ন মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম ও ময়েজউদ্দিনের কন্যা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিষ্টিউট মিলনায়তনের হলরুমে এক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ ময়েজউদ্দিন’র সন্মণসভা উপলক্ষে ‘জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু একাডেমি।
উল্লেখ্য, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ হিসেবে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্ট বিভাগে আবেদন (রিট) করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক। তিনি ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ পদের বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করেন আবেদনে।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “হাইকোর্ট খোলা রয়েছে, যে কোনো মামলা বা রিট হতেই পারে। তবে এটা বিচারক তার সুচিন্তিত মতামত দিবেন।”
তিনি বলেন, “পত্রিকায় এসেছে, সংবিধানে মন্ত্রী লেখা আছে কিন্তু দফতর বিহীন লেখা নেই, তাহলে প্রশ্ন করি দফতরপূর্ণ লেখা আছে নাকি? পইতা পড়লেই হিন্দু হয়, নামাবলি গায়ে দিলে হয়না, আবার টুপি পড়লেই মুসলমান?” তিনি বলেন, “আইএম মুসলিম বাই ফেইথ, আইএম হিন্দু বাই ফেইথ।”
আমি বসে বসে সরকারের কোষাগারের টাকা নেই- এমন অভিযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করে দফতরবিহীন এ মন্ত্রী বলেন, “আমি এখনো নিজের বাসায় থাকি, সরকারের বাসায় উঠিনি, আমি কোবিনেট বৈঠকেও যাই না।” বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক দেশে দফরবিহীন মন্ত্রী থাকে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সংগঠনের উপদেষ্টা লায়ন মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম ও ময়েজউদ্দিনের কন্যা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি।

No comments:
Post a Comment