একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে
আমির মাওলানা আব্দুস সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার বিচারক নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল মাওলানা সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদনে যে যুক্তি দেখিয়ে জামিন আবেদন করেন তা ট্রাইব্যুনালের কাছে যৌক্তিক মনে হয়নি উল্লেখ করে তার এ জামিন আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার মাওলানা আব্দুস সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদনের পক্ষে-বিপক্ষে আইনজীবীরা শুনানি করেন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করে দেন।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর মাওলানা সুবহানকে মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক দেখিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে আগামী ৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া মাওলানা সুবহানকে (সাবেক সংসদ সদস্য) তার বয়সের কথা বিবেচনা করে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন (প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা) দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও তাজুল ইসলাম। অন্যদিকে জামিনের বিরোধিতা করে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা।
ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, “মাওলানা সোবহান জামায়াতের নয় নম্বর নেতা। তাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশে হেয় প্রতিপন্ন করতে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা তার বয়সের কথা উল্লেখ করে জামিন আবেদন করেছি। তাতে বলেছি তার ৮৪ বছর বয়স হয়েছে। অনেকগুলো অপারেশন করা হয়েছে। এ অবস্থায় তার জামিন দেয়া জরুরি।”
কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, “মাওলানা সুবহান একটি মামলায় জামিন নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সে আদালতে যেতে দেয়া হয়নি। উনি যাতে জামিন না পান সে জন্য এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়েছে।”
তিনি বলেন, “প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে তা মিথ্যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একাত্তর সালে হত্যার বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ৪০ বছরে কোনো মামলাও হয়নি।”
অন্যদিকে প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে ট্রাইব্যুনালে বলেন, “মুক্তিযুদ্ধকালে পাবনার ফরিদপুর থানার ডেমরা গ্রামে এক হাজার, সোজানগর থানার নাজিরগঞ্জ ও সাতবাড়িয়ায় ৪শ’ এবং কুচিয়াপাড়া সাতবাড়িয়ার আট জনসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। আসামি সুবহানের বিরুদ্ধে পাবনার সোজানগরে ৪শ লোককে হত্যার অভিযোগ আছে।”
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটতারাজ ও ধর্ষণের মতো সব মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি তার এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাকে জামিন দিলে তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন মাওলানা সুবহানকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার (শ্যোন এ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আবেদন আমলে নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আব্দুস সুবহানকে একটি মামলায় বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল গোয়োন্দা পুলিশ। পরে তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।
মঙ্গলবার বিচারক নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল মাওলানা সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদনে যে যুক্তি দেখিয়ে জামিন আবেদন করেন তা ট্রাইব্যুনালের কাছে যৌক্তিক মনে হয়নি উল্লেখ করে তার এ জামিন আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার মাওলানা আব্দুস সুবহানের পক্ষে করা জামিন আবেদনের পক্ষে-বিপক্ষে আইনজীবীরা শুনানি করেন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করে দেন।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর মাওলানা সুবহানকে মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক দেখিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে আগামী ৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া মাওলানা সুবহানকে (সাবেক সংসদ সদস্য) তার বয়সের কথা বিবেচনা করে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন (প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা) দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও তাজুল ইসলাম। অন্যদিকে জামিনের বিরোধিতা করে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা।
ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, “মাওলানা সোবহান জামায়াতের নয় নম্বর নেতা। তাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশে হেয় প্রতিপন্ন করতে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা তার বয়সের কথা উল্লেখ করে জামিন আবেদন করেছি। তাতে বলেছি তার ৮৪ বছর বয়স হয়েছে। অনেকগুলো অপারেশন করা হয়েছে। এ অবস্থায় তার জামিন দেয়া জরুরি।”
কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, “মাওলানা সুবহান একটি মামলায় জামিন নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সে আদালতে যেতে দেয়া হয়নি। উনি যাতে জামিন না পান সে জন্য এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়েছে।”
তিনি বলেন, “প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে তা মিথ্যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একাত্তর সালে হত্যার বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ৪০ বছরে কোনো মামলাও হয়নি।”
অন্যদিকে প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে ট্রাইব্যুনালে বলেন, “মুক্তিযুদ্ধকালে পাবনার ফরিদপুর থানার ডেমরা গ্রামে এক হাজার, সোজানগর থানার নাজিরগঞ্জ ও সাতবাড়িয়ায় ৪শ’ এবং কুচিয়াপাড়া সাতবাড়িয়ার আট জনসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। আসামি সুবহানের বিরুদ্ধে পাবনার সোজানগরে ৪শ লোককে হত্যার অভিযোগ আছে।”
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটতারাজ ও ধর্ষণের মতো সব মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি তার এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাকে জামিন দিলে তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন মাওলানা সুবহানকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার (শ্যোন এ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আবেদন আমলে নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আব্দুস সুবহানকে একটি মামলায় বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল গোয়োন্দা পুলিশ। পরে তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

No comments:
Post a Comment