Pages

Wednesday, October 3, 2012

উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কমিশন গঠন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কমিশন গঠন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান ও এসব প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উচ্চ শিক্ষা কমিশন নামে একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নেও একটি স্বতন্ত্র এক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠনের বিষয় সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বুধবার তার কার্যালয়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর পদক’ বিতরণকালে একথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২০১০ সালে শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৮২ শিক্ষার্থীকে এই পদক দেয়া হয়।

শেখ হাসিনা নিজস্ব আয়ের ওপর অধিকতর নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়াস চালাতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি অর্থের ওপর অধিক নির্ভরশীলতার কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসনের অধিকার খর্ব হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. আতফুল হাই শিবলী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী।

পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভূতিভূষণ সিকদার ও বুয়েটের নাজিয়া নাফসিন তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সূত্র: বাসস

জাতীয় পার্টির নেতা গোলাম রেজার বাসায় হামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জাতীয় পার্টির নেতা গোলাম রেজার বাসায় হামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসায় হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 
বুধবার ১১টা ৪৫ মিনিটে এক দল দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়।
 
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের নামে স্লোগান দিয়ে সেনপাড়া পর্বতায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ভবনের চতুর্থ তলায় গোলাম রেজা মালিকানাধীন বিএম ট্রাভেলসে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালায়।
 
ওই মিছিলকারীরাই ১৫৯/৪ সেনপাড়া পর্বতায় গোলাম রেজার বাস ভবনে হামলা চালায়। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে এক বিবৃতিতে এরশাদ পার্টির গঠনতন্ত্রের ৩৯ ধারা অনুযায়ী এইচ.এম গোলাম রেজাকে পার্টির প্রেসিডিয়াম পদ এবং সংসদীয় দলের হুইপের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। একই ধারায় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নুকে পার্টির সংসদীয় দলের হুইপের দায়িত্ব দেন।

এইচ.এম. গোলাম রেজা বিভিন্ন স্থানে আমার রাজনৈতিক সচিব এবং একান্ত সচিব (পিএস) পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন। তিনি এই ভূয়া পরিচয় সম্বলিত ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে বিতরণও করছেন, যা প্রতারণার শামিল।  তিনি কখনই আমার রাজনৈতিক সচিব ছিলেন না, এখনো নেই এবং তিনি এখন আমার পিএসও নন বলে উল্লেখ করেন এরশাদ।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে গোলাম রেজা বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেছিলেন, আগে আমি তার পিএস ছিলাম। তখন সুনীল শুভরায় আমার অধীনে কাজ করতেন। কিন্তু এখন আমি সে দায়িত্বে নেই। তাছাড়া আমিতো এখন এমপি। এরশাদের পরিচয় দিয়ে আমি কোনো দিক থেকে লাভবান হবো না- সেটি দেশের সবাই জানে। তবুও তিনি কিসের ভিত্তিতে এমন করলেন, তা আমার জানা নেই।

বর্তমানে এরশাদের রাজনৈতিক সচিব সুনীল শুভরায় এবং একান্ত সচিব হিসেবে মেজর অব. খালেদ আখতার দায়িত্ব পালন করছেন।

সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সারাদেশে অবস্থিত মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মঠসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও পটিয়া এলাকায় মন্দির, বাড়ি, দোকানসহ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।

এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ঘটনায় নিজেদের ভূমিকা এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে জানাতে আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ওই ঘটনা তদন্তে সরকারি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে দাখিল করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার দাখিল করা পৃথক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার হাইকোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এবং বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ বুধবার পৃথকভাবে আদেশ ও রুল জারি করেন।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যে এবং বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন।

স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং রামু, উখিয়া, টেকনাফ ও পটিয়া থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার সকালে চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও পটিয়া এলাকায় বৌদ্ধ বসতি ও মন্দির ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

অন্যদিকে জনস্বার্থে ইউনুস আলী আকন্দ একটি রিট আবেদন দাখিল করেন। এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আগের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে জারি করা আদেশ এবং ইউনুস আলী আকন্দের রিট আবেদন সমন্বয় করে একটি আদেশ দেন।

আদেশে বলা হয়, যেহেতু জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে, তাই স্বতঃপ্রনোদিত রুল জারির প্রয়োজন দেখছি না। এ আদালত ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন বোইনি ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

আগামী ১৪ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ঘটনায় নিজেদের ভূমিকা এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া মঙ্গলবার একটি রিট আবেদন করেন। বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানিকালে অপর একটি আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত রুলের তথ্য জানান রাষ্ট্রপক্ষ। এ পর্যায়ে আদালত শুনানি মুলতবি করেন। মধ্যাহ্ন বিরতির পর আদালত এ রিট আবদেনর ওপর শুনানি করে আদেশ দেন। এসময় আদালত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আদালত আগামী ১৭ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে এদিনের মধ্যে সরকারি তদন্তা কমিটির প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দেন।

ড. ইউনুস আলী আকন্দের রিট শুনানিতে সংশ্লিষ্ট আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান বিরোধিতা করে বলেন, সকালে আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন। তাই এ নিয়ে আলাদা রিট আবেদন প্রয়োজন নেই।

এসময় রিট আবেদনকারী বলেন, এ রিট আবেদন শুধুই চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারের ঘটনায় নয়। সারাদেশের ঘটনা নিয়ে এ রিট আবেদন। এরপর আদালত রুল জারির আদেশ দেন।

আদেশের পর ইউনুস আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, “সাংবাদিক সাগর-রুনি নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বেডরুমে নিরাপত্তা দিতে পারবেন না। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী বেডরুমসহ সকল জায়গায় নিরাপত্তা দিতে হবে।”

তিনি বলেন, “ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমিও যেকোনো সময় গুম হতে পারি। এ অবস্থায় আজ দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা হুমকির মুখে। একারণেই রিট আবেদন করা হয়েছে।”

ফেইসবুকে আল কোরআনকে অবমাননাকর ছবি প্রদশর্নের অভিযোগে ২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর চালানো হয়।

রাতভর হামলায় সাতটি বৌদ্ধ মন্দির, অন্তত ৩০টি বাড়ি ও দোকান পুড়িয়ে দেয়া হয়। পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে বৌদ্ধ বসতিতে হামলা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে এ ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ।

চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলনে যাচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলনে যাচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সিলেকশন গ্রেডসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে সরকার সমর্থিত বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতির কর্মচারীরা।

আগামী ১৪ অক্টোবর সমিতির আঞ্চলিক শাখা ও অধিদফতরের কর্মচারিদের সচিবালয় অভিমুখে মিছিল নিয়ে ঘোরাও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মগবাজারস্থ প্রধান কার্যালয়ে সমিতির নির্বাহি পরিষদের আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি নির্বাহি পরিষদের সভায় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির মহাসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, সমিতির কার্যকরী সভাপতি হিরন মিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি আমিনুর রহমান, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবু তাহের, আজিজুল হক ও শহিদুল ইসলাম, মো. নুরুল ইসলাম, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো, শাহাবুদ্দিন ভুঁইয়া, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল আলম ও আবুল ফয়েজ, দফতর সম্পাদক আবুল হোসেন শান্তি, অর্থ সম্পাদক আনিসুর রহমান যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত মহাসচিব (২) মোন্তাজ উদ্দিন এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাহেব মিয়া।

সভায় দাবি আদায়ে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণলায়ের উপদেষ্টা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে মিছিলসহ স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় আগামী ১৪ অক্টোবর সমিতির আঞ্চলিক শাখা ও অধিদফতরের কর্মচারিদের সচিবালয় অভিমুখে মিছিলে যোগ দেয়ার আহবান জানানো হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্মারকলিপি প্রদানের লক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় মৎস ভবন চত্বরে জমায়েত হতে বলা হয় কর্মচারীদের। সকাল সাড়ে ১১টায় স্মারকলিপি প্রদানের লক্ষে মিছিলসহ সচিবালয়ের অভিমুখে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

সমিতি সভাপতি মোহাম্মদ আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “দীর্ঘ দিন ধরে সিলেকশন গ্রেড দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে দিক নির্দেশনা দেয়ার থাকলেও আজ পর্যন্ত এর কোনো সাড়া মেলেনি।’’

তিনি বলেন, “জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দাবি আদায়ে মিছিলসহ স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমাদের দাবি আদায়ে প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচিও দেয়া হবে।”  

বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির অতিরিক্ত মহাসচিব এমদাদুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “সচিবালয়ের দু’টি ক্যাটাগরিতে সিলেকশন গ্রেড দেয়া হয়েছে। কিন্তু সারা দেশের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “একই দেশে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের মধ্যে দুই রকম নিয়ম থাকতে পারে না।”

সড়কে পশুর হাট বসানো যাবে না: যোগাযোগমন্ত্রী

সড়কে পশুর হাট বসানো যাবে না: যোগাযোগমন্ত্রী
  যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “পশুর হাটের কারণে সড়কে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই আসন্ন ঈদুল আযহায় সড়ক-মহাসড়কে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না।”

বুধবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে সড়ক পথে যাতায়তকারীদের যাতায়ত নির্বিঘ্ন করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করা হয়। এতে যোগাযোগমন্ত্রী সভাপতিত্ব করেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, রেলপথ মন্ত্রী মো. মজিবুল হক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গির কবীর নানক।

এছাড়া পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, “সড়কের পাশে গরুর হাট বসানোর জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো ইজারা দিয়ে থাকে। এসব হাট অধিকাংশ ক্ষেত্রে সড়কের ওপরে চলে আসে। এতে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা সড়কে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।”

এই বক্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “রাস্তায় কোনো গরুর হাট ইজারা দেয়া হয় না। ব্যবসায়ীরা একটি-দুইটি করে রাস্তায় পশু আনার ফলে একসময় রাস্তায় হাট বসে যায়।”

যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, “ঈদকে সামনে রেখে শান্তি নামক সোনার হরিণ আমাদের স্বপ্ন নয়। স্বপ্ন হলো- দুর্ভোগ কমিয়ে জনগণকে স্বস্তি দেয়া। যানজট সহনীয় করতে গত ঈদে আমরা যতোটুকু করেছি, এবার তার চেয়ে আরেকটু বেশি কাজ করতে হবে।”

ঢাকা থেকে বাহির-প্রবেশ মুখ ও মহাসড়কে যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি অপসারণে রেকারের ব্যবস্থা, মেঘনা ও মেঘনা গোমতী সেতুতে রেকার ও ক্রেন প্রস্তুত রাখা, বঙ্গবন্ধু সেতুর সব ওয়ে মেশিন ও বুথ চালু রাখা, অতিরিক্ত বাস ভাড়াসহ অন্যান্য অনিয়ম বন্ধে টার্মিনালগুলোতে ভিজিলেন্স টিম গঠন, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত, সার্বক্ষণিক সিএনজি স্টেশন চালু রাখা, মহাসড়কের বিকল্প ব্যবহার (ধান, পাট ইত্যাদি শুকানো) বন্ধ, ফেরির সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।

রামুর ঘটনা গোয়েন্দারা জানতেন: ড. মিজান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনা গোয়েন্দারা জানতেন: ড. মিজান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘‘রামুর ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা সব জানতেন। তাহলে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা কি করলো। তারা সব বিষয় জানেন, কিন্তু সব তথ্য সকলের জন্য প্রকাশ করেন না। কার স্বার্থ রক্ষায় তারা এমনটা করে এ বিষয়ে সরকারকে সচেতন হতে হবে।’’

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্যা পিপলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যক্টিস’ শীর্ষক এক
সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্য পিলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল।

তিনি বলেন, ‘‘কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাত্ব প্রতিচ্ছবি’।
খবরের কাগজে যে ভাঙা মূর্তি দেখেছি, তা আসলে বুদ্ধের মূর্তি নয়, তা সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাত্ব প্রতিচ্ছবি। যা আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রতিকিকে কালিমা লেপন করেছে।”

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনি সর্ম্পকে তিনি বলেন, “একদিকে ধর্মনিরপেক্ষ আর অপর দিকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে যে গোজামিল রাখা হয়েছে এ ধরনের ঘটনা তারই প্রতিফলন।” গোজামিল দিয়ে কোনো কাজ কোনো দিন শুভ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মানবাধিকার কমিশন আগামী শুক্রবার রামুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবে উল্লেখ করে মিজানুর রহমান বলেন, “সেখানে স্থানীয় জনসাধারণ ও প্রশাসনের

সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সুপারিশ করা হবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পর্কে মিজানুর রহমান বলেন, “এই চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না বলে অনেকে এটার পরিবর্তন ও সংশোধন করার কথা বলছেন। এমনটা

করা হলে সেটি হবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আমরা ওই চুক্তির বাস্তবায়ন দাবি করছি, ওই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে যেসব বির্তকের জন্ম হয়েছে তা অনেকটাই কমে যাবে।’’

সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডালেম চন্দ্র বর্মন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম ও মানবাধিকার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. নীরুপমা চাকমা।

গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগ মিথ্যা: রিজভী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

 মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিলের সময় গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মঙ্গলবারের অবরুদ্ধ রাত শেষে বুধবার দুপুরে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

রিজভী বলেন, “যে সময় গাড়ি পোড়ানো হয়েছে বলে আমাদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে, সে সময় এই এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এ কাজ আমাদের নয়।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।” দলের পক্ষ থেকে যথাযথ আইনি লড়াই চালানো হবে বলেও জানান রিজভী।

এদিকে দলের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জরুরি সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে।

যুবদল সভাপতি আলাল গ্রেফতার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

যুবদল সভাপতি আলাল গ্রেফতার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

যুবদল সভাপতি অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সোয়া ১২টার দিকে কাকরাইল মোড় থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

 

মঙ্গলবার পল্টন এলাকা পুলিশ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের পর বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এর মধ্যে আলালও ছিলেন।

 

বুধবার সকালে বেলা ১২টার দিকে আলাল কয়েকজন আইনজীবী নিয়ে কার্যালয় থেকে বের হন। ওই সময় পুলিশ তাকে আটকের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে কাকরাইল মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

 

ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদুর রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, মঙ্গলবারের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে কাকরাইল এলাকা থেকে আলালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে মিন্টু রোডে ডিবি অফিসে রাখা হয়েছে।


এদিকে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ডিবি অফিসে যাচ্ছেন আলালের সঙ্গে দেখা করতে। বিএনপি এ ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারে বলেও জানা গেছে।

Tuesday, October 2, 2012

হলমার্ক এমডির ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা স্বীকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হলমার্ক এমডির ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা স্বীকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে সংসদীয় উপকমিটি। পাশাপাশি হলমার্কের ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে উপকমিটি।

মঙ্গলবার হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে সংসদীয় উপকমিটি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের বক্তব্য শোনার পর কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত সংসদীয় উপকমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবার প্রায় দু ঘণ্টা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তানভীর মাহমুদ ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ।

সংসদ ভবনে কমিটির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণদান প্রক্রিয়ায় সুনির্দিষ্ট অনিয়ম পেয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়ম যে হয়েছে তা হলমার্ক ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে সার্বিক বিষয়ে সুপারিশসহ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার পর এ ঘটনায় কারা জড়িত সে বিষয়ে জানা যাবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনবোধ করছে না। কারণ এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেনি। প্রয়োজন হলে তাকে ডাকা হবে।

তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

গত ৩ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কার্যক্রমে অসেন্তোষ প্রকাশ করে এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।



সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে এলে দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে।

হলমার্ক গ্রুপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

৩ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতার লেনদেনসহ ব্যাংকসমূহের সার্বিক কার্যক্রম এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমার্কের ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজীকে সদস্য করে গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট উপকমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তাজুল ইসলাম ওইদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর (পাঁচটি) সামগ্রিক চিত্র খতিয়ে দেখার জন্য এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘‘কমিটি হলমার্ক কেলেঙ্কারীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।’’

‘ডেসটিনি কর্মকর্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ডেসটিনি কর্মকর্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেছেন,  ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক। তাদের যেখানে যেভাবে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে দুদক কার‌্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার জামিন বাতিল করে আদালত তাদের আত্মসর্মপণের কথা বলেছে । কিন্তু তারা আত্মসর্মপণ না করে আদালতের আদেশ অমান্য করেছে। আইনের চোখে তারা এখন পলাতক। তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রেফতার  করা উচিত।

গোলাম রহমান বলেন, ডেসটিনি  দেশের আট লাখ মানুষের ভাগ্য নিয়ে প্রতারণা করেছে । তারা শুধু মানুষের আর্থিক ক্ষতি করছে না, এরা দেশের শত্রু। তাই তাদের আইনের হাতে তুলে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক।

হলমার্ক কেলেংকারি বিষয়ে তিনি বলেন, সোনালী ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে নানাভাবে জড়িতদের বিরুদ্ধে যে সিরিজ মামলাগুলো হতে যাচ্ছে, তার মধ্যে বেশ কিছু মামলার সুপারিশসহ অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরির কাজ প্রায় শেষ। অনুসন্ধান পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক।  

সীতাকুণ্ডে প্রতারকচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

সীতাকুণ্ডে প্রতারকচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড জিনের বাদশা প্রতারকচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা তিনটায় সীতাকুণ্ড পৌরসদরের উত্তর বাজার বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়া পৌরসদরের কেউচিয়া মাইজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সৌদিপ্রবাসী আব্দুল গফুরের স্ত্রী খুরশিদা আক্তার গিন্নির সঙ্গে জিনের বাদশা প্রতারকদল মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে গত রমজান মাসে ভয়ভীতি দেখিয়ে নয় ভরি স্বর্ণ এবং বিকাশের মাধ্যমে ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে এ বিষয়টি সে তার চাচি মনোয়ারা বেগমকে (৩৮) জানায়।

মনোয়ারা বিষয়টি বুঝতে পেরে খুরশিদার কাছ থেকে প্রতারকচক্রের সদস্যদের মোবাইর নম্বর নিয়ে তাদের কাছে ফোন করে ফাঁদে ফেলানোর চেষ্টা করতে থাকে। জিনের বাদশারা একপর্যায়ে মনোয়ারাকে ছয়ভরি স্বর্ণের বিনিময়ে কোটি টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের মুর্তি দিবে বলে জানায় এবং এজন্য তাকে সীতাকুণ্ড আসতে বলে।

মনোয়ারার স্বামী আব্দুল মান্নান জানান, সে অনুযায়ী আমরা একটি টেক্সি নিয়ে সীতাকুন্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হই। এসময় খুরশিদা ও মনোয়ারাকে বাইপাস এলাকায় পাঠিয়ে দিয়ে আমি সীতাকুণ্ড মডেল থানায় পুলিশকে বিষয়টি জানালে পিএমআই সফিকুল ইসলাম নেতৃত্বে একদল পুলিশ বাইপাসের সামনে সাধারণ পোষাকে অবস্থান নেয়।

তখন মনোয়ারা বাইপাসের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতারক জিনের বাদশার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এর কিছুক্ষণ পর জিনের বাদশার এক সদস্য মনোয়ারার সামনে এসে তাকে একটি পিতলের মূর্তি হাতে দেয়ার সময় পুলিশ গাইবান্ধা জেলার গবিন্দগঞ্জ থানার গোফিনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফয়েজ আলীর ছেলে রেজাউল (২৪), একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মতিয়ার (৩৫) ও ভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর ছেলে মঈনুল ইসলাম প্রকাশ জলিলকে (৩০) গ্রেফতার করে।

এসময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি মাইক্রোবাসও আটক করে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জিনের বাদশা পরিচয়ে এ চক্রটি বিভিন্ন মানুষদের ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করছে। মঙ্গলবার পুলিশ কৌশলে তাদের কয়েকজনকে আটক করে।

রূপগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

রূপগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট


নারায়ণগঞ্জ, ২ অক্টোবর: বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ
উপজেলার আউখাব এলাকার হারবেস্ট রিচ (বেনেটেক্স) গার্মেন্টের শ্রমিকরা
মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।



এ সময় মহাসড়কের উভয় পশের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ
যানজটের। এ পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার
ঘটনা ঘটে।



শ্রমিকরা জানায়, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের শ্রমিকদের বেতন ভাতা দিই
দিচ্ছি করে মালিকপক্ষ টালবাহানা শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা মালিক
পক্ষের কাছ থেকে তাদের বকেয়া বেতন ভাতা দাবি করেন। এ সময় মালিক পক্ষ
বেতনভাতা পরিশোধের কোনো ধরনের আশ্বাস দেননি।



বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ভেতরে বিক্ষোভ
শুরু করেন। দুপুরে ১২ টার দিকে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা বেতনভাতা পাওয়ার আশ্বাস
না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
করেন।



দুপুর একটা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ চলে। পরে পুলিশ এসে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের
ধাওয়া করলে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা
ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশ অবরোধকারী শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে হতাহতের
খবর পাওয়া যায়নি।



রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান খান জানান, বকেয়া
বেতনভাতার দাবিতে শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। বর্তমানে
পরিস্থিতি শান্ত। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মান বাঁচানোর ম্যাচে ‘এ’ দলের বিশাল জয় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

মান বাঁচানোর ম্যাচে ‘এ’ দলের বিশাল জয় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট




হারানোর ছিল না কিছুই। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুটিতে জয় নিয়ে সিরিজ
নিজেদের করে নেয় সফরকারিরা। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) দল
নেমেছিল ফুরফুরে মেজাজে। তবে শেষ ম্যাচটা ‘এ’ দলের ক্রিকেটারদের কাছে হয়ে
পড়েছিল মান বাঁচানোর শেষ সুযোগ। আজ মিরপুরে শুধু নিজেদের সম্মান রক্ষাই নয় ৯
উইকেটের বিশাল জয় নিয়ে আগের দুই ওয়ানডে হারেরও ঝাল মিটিয়েছেন
আনামুল-মমিনুলরা। বোলারদের তান্ডবে মাত্র ৫৪ রানে গুটিয়ে যাওয়া
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জয়টা এসেছে মাত্র ৮ ওভার ৪ বলে।



চারদিনের ম্যাচে ক্যারিবীয় দলটি কোনো পাত্তা না পেলেও ওয়ানডে সিরিজে
বাঁ-হাতি স্পিনারদের কল্যাণে প্রথম দুই ম্যাচেই সহজ জয় তুলে নেয় সফরকারিরা।
এরপরই প্রশ্ন ওঠে নির্বাচকদের দল গঠন ও ‘এ’ দলের ব্যাটসম্যানদের বাঁ-হাতি
স্পিন ভীতি নিয়ে। আজ তাই একাদশে পরিবর্তনটা একরকম নিশ্চিতই ছিল। একাদশ থেকে
বাদ পড়েন আগের দুই ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেয়া রকিবুল হাসানও। সব মিলিয়ে ৬
পরিবর্তন। আসিফ আহমেদ রাতুল ও মাহমুদুল হাসান লিমনের সঙ্গে একাদশে যোগ দেন
আবুল হাসান রাজু, জিয়াউর রহমান, মমিনুল হক ও সৌম্য সরকার। তবে ম্যাচের নায়ক
কোনো ব্যাটসম্যান নন সেই বোলাররাই। তাও আবার এককভাবে কেউ নন।



মর্যাদা রক্ষার শেষ সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন আবুল হাসান, সৌম্য
সরকার, নাঈম ইসলাম ও এনামুল হক। প্রত্যেকেই দখল করেন দুটি করে উইকেট। আর
তাতে মাত্র ১৮ ওভারেই কফিনবন্দি হাইপারফরম্যান্স দল।



টস জয়ের পর ব্যাট করতে নেমেই ‘এ’ দলের বোলারদের তোপেড় মুখে ৩৫ রানেই নেই
ক্যারিবীয়দের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান। ম্যাচের প্রথম বলে ফ্লেচারের (০) রান
আউটের পর পরের চার উইকেট ভাগাভাগি করেন রাজু ও সৌম্য। এরপর হাত ঘোরাতে এসে
নাঈম, এনামুলরাও আঘাত হানেন দুবার করে। ১৮ ওভারে বাক্সবন্দি হওয়ার আগে ৫৪
রান সংগ্রহ করে এইচপি দল। জবাবে প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই হাঁটুতে চোট
নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার সৌম্য। দলীয় ৪ রানে শাহরিয়ার নাফীসও বিদায় নিলে
কিছুটা শংকা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু আনামুল (২৩)-মোমিনুল (২৫) জুটি বাকি পথটা
পাড়ি দেন নির্বিঘ্নেই। ৮.৪ ওভারে ম্যাচ জিতে মিটিয়ে নেন আগের দুই ম্যাচ
হারের ঝালটাও।
 

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির পথে পাকিস্তান :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির পথে পাকিস্তান :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট




 অস্ট্রেলিয়াকে ৩২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে
রাখলো পাকিস্তান। তবে দিনের অপর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারত হারলেই
গ্রুপ-২ থেকে সুপার ফোর নিশ্চিত হবে পাকিস্তানের।



আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দেয়া ১৫০ রানের জবাবে খেলতে নামা
অজিদের শুরু থেকেই চেপে ধরে পাকিস্তানের বোলাররা। ১৯ রানের মধ্যে প্রথম
সারির দুই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এদিন বিধ্বংসী ওয়াটসনের ব্যাটে ঝড় উঠতে
দেয়নি রাজা হাসান। ৮ রান করা ওয়াটসনকে এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন এই স্পিনার।
আরেক ওপেনার ওয়ার্নারও সুবিধে করতে পারেনি এদিন। ওয়ার্নারকে (৮) ফেরান
হাফিজ।



তবে প্রথম উইকেটে খেলতে নামা হাসি দলকে টেনে নেয়ার চেষ্টা চালান। ওয়েডকে
সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন হাসি। তবে দলকে জয়ী করে মাঠ
ছাড়তে পারেননি এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ৪৭ বলে চারটি চার এবং একটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন হাসি।



এছাড়া বেইলি ১৫ এবং ওয়েড ১৩ রান করলেও আর কোনো ব্যাটনস্যানের কাছ থেকে সম্মানজনক কোনো স্কোর আসেনি।



অজিদের ক্রিজে আসা-যাওয়ার মিছিলে সামিল করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান
সাঈদ আজমল। এই স্পিনারের বলে খুব একটা সুবিধে করতে পারছিলো না অজিরা। ৪
ওভার বল করে ১৭ রানে তিনটি উইকেট নেন আজমল। এড়াছা রাজা হাসান এবং হাফিজ
উভয়েই দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।



এর আগে, আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বোতে টস হেরে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান করে পাকিস্তান।



শুরুটা পাকিস্তানেরও ভালো ছিলো না। দলীয় ৫ রানের মাথায় ওপেনার হাফিজেকে
এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন স্টার্ক। ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আরেক
ওপেনার ইমরান নাজিরও। ১৪ রান করে ওয়াটসনের বলে বেইলির হাতে ক্যাচ তুলে দেন
নাজির।



তবে নাসির জামশেদ এবং কামরান আকমলের তৃতীয় উইকেট জুটি ঘুরে দাঁড়ালে বড়
সংগ্রহের পথেই এগুতে থাকে পাকিস্তানের ইনিংস। এই জুটির ব্যাট থেকে আসে
সর্বোচ্চ ৭৯ রান।



দলীয় ১০৮ রানের সময় তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। ডোহার্টির বলে
ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন জামশেদ। তবে আউট হওয়ার
আগে নিজের ক্যারিয়ার ফিফটি তুলে নেন। ৪৬ বলে চারটি চার এবং দুটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৫ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস খেলেন জামশেদ।



১৫.১ ওভারে জামশেদের পথ ধরেন কামরান আকমল। ৩২ রান করা আকমলকে ফেরান স্টার্ক।



১০৮ রানে তিন উইকেট হারানো পাক শিবিরকে বাকি পথটুকু পাড়ি দিতে সাহায্য
করেন উমর আকমল-আব্দুল রাজ্জাক। এই দুই জুটির ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। উমর
আকমল ৯ রানে অপরাজিত থাকলেও ২২ রান করা রাজ্জাককে ফেরান কামিন্স।



শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের লো স্কোর সংগ্রহ করে পাকিস্তান।



অজিদের হয়ে মিচেল স্টার্ক ২০ রানে তিন উইকেট নেন।

হংকংয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চডুবি, ৩৬ যাত্রীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

হংকংয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চডুবি, ৩৬ যাত্রীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট




 হংকংয়ের লাম্মা দ্বীপের কাছে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় ৩৬ যাত্রীর
মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দেড়শ যাত্রীবাহী লঞ্চটি সোমবার রাতে একটি
প্রমোদতরীর সঙ্গে ধাক্কা লেগে পানিতে তলিয়ে যায়।



হংকংয়ের ইতিহাসের অন্যতম বড় এ নৌদুর্ঘটনায় আরো শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের হংকংয়ের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।



লঞ্চটিতে করে হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানি'র কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা
চীনের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান দেখার জন্য ভিক্টোরিয়া হারবারে যাচ্ছিলেন।
বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা জানিয়েছেন, হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানির লঞ্চটি ধাক্কা
খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে পানিতে ডুবে যায়।



বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী জানিয়েছেন, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের জাহাজ
তলিয়ে যায়। কিন্তু আমাদেরকে উদ্ধার করার জন্য কমপক্ষে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন
ছিল। অন্য এক মহিলা যাত্রী বলেন, “আমরা সবাই আটকা পড়ে গিয়েছিলাম। ভাবছিলাম
মরতে যাচ্ছি।”



বেশ কিছু যাত্রী ডুবন্ত লঞ্চের জানালার কাঁচ ভেঙে বেরিয়ে আসেন এবং সাতরে তীরে পৌঁছে যান।



হংকং সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, লঞ্চডুবির ঘটনায় ঘটনাস্থলে ২৮ জন এবং
হাসপাতালে নেয়ার পর আরো আটজন মারা গেছে। এ ছাড়া, আহত আরো কমপক্ষে ১০০ জনকে
পাঁচটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।



ডুবে যাওয়া লঞ্চের কোনো যাত্রী পানির তোড়ে দূরে ভেসে গেছে কিনা তা দেখার জন্য সাগরে উদ্ধার অভিযান চলছে। সূত্র: আইআরআইবি


১০ বছর পর ইসরাইল নামে কিছু থাকবে না: কিসিঞ্জার :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

১০ বছর পর ইসরাইল নামে কিছু থাকবে না: কিসিঞ্জার :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট




 সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার বলেছেন, এটা বলতে দ্বিধা নেই যে, আগামী ১০ বছর পর ইসরাইল নামে আর কিছু থাকবে না।



এ সম্পর্কে মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার কেভিন ব্যারেট এক প্রবন্ধে বলেছেন,
“কিসিঞ্জারের এ মন্তব্য সোজাসাপ্টা ও নিষ্ঠুর। তিনি বলছেন না যে, ইসরাইল
বিপদের মধ্যে আছে, তবে এটা বলছেন যে, তাকে রক্ষা করা সম্ভব হতো আরো কয়েক
ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিলে এবং আমাদের সামরিক বাহিনী দিয়ে এর শত্রুদেরকে
গুঁড়িয়ে দিলে।”



কেভিন ব্যারেট আরো লিখেছেন, “তিনি সমাধানের কোনো উপায় বলছেন না বরং তিনি শধু বলছেন: আগামী ২০২২ সালের পর ইসরাইল আর টিকে থাকবে না।”



ব্যারেটের এ প্রবন্ধ ইরানের ইংরেজি ভাষার নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভির
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন ১৬টি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত
স্টাডি কমিশনের তৈরি করা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনিও কিসিঞ্জারের
বক্তব্যকে সমর্থন করেন। ‘প্রিপেয়ারিং ফর এ পোস্ট-ইসরাইল মিডল ইস্ট’ নামে
গোয়েন্দা কমিশনের এ প্রতিবেদন চলতি বছরের প্রথম দিকে প্রণয়ন করা হয়েছে।



ব্যারেট বলেন, আরব অঞ্চলে ইসলোমি জাগরণের ফলে ফিলিস্তিনিদের আত্মাহুতি এবং
ইসলামি ইরানের জেগে ওঠার ফলে ভবিষ্যত দিনগুলোতে ইসরাইল টিকতে পারবে না।



মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- একশ' কোটির বেশি
মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে ইসরাইলকে অব্যাহত সমর্থন দেয়ার মতো সামরিক ও
অর্থনৈতিক শক্তি আমেরিকার নেই। এর বিপরীতে মার্কিন সরকারকে তার নিজ স্বার্থ
দেখতে হবে এবং ইসরাইলের লাগাম টেনে ধরা উচিত।



যেসব কারণে ইসরাইলের পতন হবে তার মধ্যে আমেরিকায় বসবাসকারী ইহুদিদের
মধ্যে ইসরাইল ইস্যুতে দিন দিন বেড়ে চলা অনৈক্য, ১/১১'র ঘটনায় ইসরাইল
জড়িত বলে মানুষের মাঝে ধারণা বদ্ধমূল হওয়া এবং ইসরাইলের গোড়াবাদী নীতির
প্রতি মার্কিন জনগণের বিরূপ ধারণা উল্লেখযোগ্য বলে ব্যারেট তার প্রবন্ধে
উল্লেখ করেছেন।



প্রবন্ধের শেষ দিকে তিনি বলেছেন, মার্কিন নীতি-নির্ধারকদের জন্য সহজ পথ
হচ্ছে কিসিঞ্জারের বক্তব্য মেনে নেয়া- ‘ইসরাইল তার আয়ুর শেষ পর্যায়ে
পৌঁছেছে।’ সূত্র: আইআরআইবি

ইসলামাবাদে পরকীয়া রামুতে সহিংসতা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইসলামাবাদে পরকীয়া রামুতে সহিংসতা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট




 নিউজপেপার রিভিউ সপ্তাহ শুরুর দিন অর্থাৎ গত বুধবার ২৬ সেপ্টেম্বর একটি
পরকীয়ার খবর ছাপিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে যায় ইত্তেফাক। এই কথিত পরকীয়ার
পাত্রপাত্রী গ্ল্যামার জগতের কেউ নন, ফলে খবরটি সহজেই ইত্তেফাকে দ্বিতীয়
শীর্ষ সংবাদের স্থান দখল করে। সংবাদটির শিরোনাম: ‘হিনা-বিলাওয়াল প্রেমের
গুজবে জারদারির সিংহাসনে কাঁপন!’ হিনা অর্থাৎ হিনা রব্বানী খার হচ্ছেন
পাকিস্তানের অপেক্ষাকৃত কমবয়সী, সুন্দরী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর বিলাওয়াল
হচ্ছেন সেদেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেনজির ভুট্টোর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং একই সঙ্গে শাসকদল
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান। অসমবয়সী দুই রাজনীতিকের এই
কথিত প্রেমের খবরটি স্বভাবতই পাঠকের তীব্র কৌতূহলের বিষয় হতে পারে- বিষয়টি
যথার্থভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে ইত্তেফাক এবং পপুলার কাভারেজ দিয়েছে। অন্য
পত্রিকাগুলো এক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে।



সপ্তাহশেষে এই কথিত পরকীয়ার কেচ্ছা মিইয়ে আসে। তবে উল্লেখযোগ্য হলো, এই
কেচ্ছাটির সাথে বাংলাদেশের ‘ব্লিৎস’ নামের একটি অদৃশ্য সাময়িকীর নাম উঠে
এসেছে বার বার। তারাই এই ‘খবর’টি সর্বপ্রথম ফাঁস করে।



একই দিন ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় ডাবল কলাম বক্স করে ছাপানো “ধনাঢ্য
‘ভালোমানুষটি’ যখন ডাকাত!” শীর্ষক সংবাদটিও ছিল শিউরে ওঠার মতো। আবদুল ওহাব
নামে ঢাকার ধামরাই উপজেলার এই ব্যক্তি কোটিপতি ব্যবসায়ী। এলাকার সবচাইতে
বড় চাতালের মালিক। যখন যেই দল ক্ষমতায় যায় সেই দলের নেতা বনে যায় সে। পুলিশ
পর্যন্ত সমীহ করে তাকে। অথচ তলে তলে সে একজন ডাকাত! আমাদের সমাজ কতটা পচে
গেলে গেছে, পিনাকি দাসগুপ্তের এই রিপোর্টটি তারই একটি জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে
থাকলো।



পচাগলা সমাজের আরো একই নমুনা মেলে ওই দিনেরই আমার দেশ-এর শীর্ষ সংবাদে।
আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান হাই কোর্টের বিচারপতি
শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে ২৯টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মানি
লন্ডারিং বা অর্থ পাচার, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় আইন ভঙ্গ, সম্পদের হিসাব
গোপন করতে মিথ্যা তথ্য প্রদান, বিচারপতিদের আচরণবিধি ভঙ্গ ইত্যাদি। একজন
বিচারপতির বিরুদ্ধেই যদি এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তাহলে সমাজের কী
অবস্থা, তা কি আর খুলে বলার অপেক্ষা রাখে? কিন্তু সমাজ না হয় পচে গেছে,
মিডিয়ার কী হাল! প্রথম আলো, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ প্রভৃতি প্রথম সারির
দৈনিক কেন খবরটিকে গুরুত্ব দিল না?- এ প্রশ্ন পাঠক করতেই পারে।



২৭ সেপ্টেম্বরের পত্রপত্রিকা আসে একটি দুঃসংবাদ নিয়ে- বিবিসিখ্যাত বরেণ্য
সাংবাদিক আতাউস সামাদ আর নেই। সব পত্রিকা প্রথম পৃষ্ঠায় খবরটি ছাপায়, তবে
সিঙ্গল কলামে। শুধু আমার দেশ দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ হিসাবে তিন কলাম বক্স করে
খবরটিকে। এদিন সৈয়দ আবদাল আহমদের রিপোর্ট ‘আতাউস সামাদের শেষ উক্তি: আমি
একজন সুখী মানুষ...’ ছিল ব্যতিক্রমী ও মর্মস্পর্শী।



এছাড়া ওই দিন সব পত্রিকার শীর্ষ সংবাদ ছিল পদ্মা সেতু বিতর্ক। বোঝাই
যাচ্ছিল, পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংক ‘ফিরে আসছে’ বলা হলেও
বিষয়টি এতো সোজা নয়, বরং বড়ই জটপাকানো। যেমন জটপাকানো হলমার্ক-সোনালী
ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারিও। এদিন পত্রপত্রিকায় সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের
কয়েকজন সাবেক সদস্যের দুদকে দেয়া বক্তব্য ছাপা হয়। তারা দুদককে সাফ বলে
দিয়েছেন, সব দোষ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের। আগের দিন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে,
হলমার্কের বিরুদ্ধে মামলা করবে না সোনালী ব্যাংক। মামলা করতে হলে করবে
দুদক।



২৭ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাকে জামিউল আহসান সিপু রিপোর্ট করেছেন ‘সপ্তাহের
ছুটির দিনেই হত্যাযজ্ঞ’। এই রিপোর্টে জানা যায়, ঢাকায় সিরিয়াল কিলারের
আবির্ভাব ঘটেছে। তার হাতেই খুনের শিকার হচ্ছে পুলিশের সোর্স, ডিশ লাইনের
কর্মচারি অথবা নিম্ন আয়ের অন্য কোনো মানুষ। এক্ষেত্রে সন্দেহভাজন হিসাবে
নাম উঠে এসেছে জনৈক সালাউদ্দিনের। যাত্রাবাড়ি থানার ওসি বলেছেন,
‘সালাউদ্দিন থানার তালিকার এক নম্বর সন্ত্রাসী’। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো,
এক নম্বর সন্ত্রাসীটির কোনো ছবিই নাকি যাত্রাবাড়ি থানায় নেই। অথচ ওসি
বলেছেন, ‘সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করতে সোর্স লাগানো হয়েছে’।



২৮ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাক শীর্ষ সংবাদ করে ‘আন্দোলনের প্রস্তুতি থাকলেও
সমঝোতায় আগ্রহী ১৮ দল’। রিপোর্টের উপশিরোনাম ‘ফের ওয়ান-ইলেভেন চায় না কেউ,
আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের অপেক্ষায় বিএনপি’। রিপোর্টটি করেছেন শামছুদ্দীন
আহমেদ। একই দিন বিপরীত বক্তব্য পাওয়া যায় কালের কণ্ঠের এক রিপোর্টে।
মোশাররফ বাবলুর করা ওই রিপোর্টের শিরোনাম ‘আন্দোলনেই জোর দিচ্ছে বিএনপি’।
অবশ্য বিএনপি নেতারা সমঝোতা ও সংলাপের চিন্তাও মাথায় রেখেছেন, সেকথাও বলা
হয় রিপোর্টে।



একই দিন আমার দেশ-এ কাদের গনি চৌধুরীর রিপোর্ট ‘সরকারের শেষ বছরে
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিক্রির হিড়িক’ ছিল উদ্বেগজনক। এতে বলা হয়, পানির দামে
এসব সম্পত্তি তুলে দেয়া হচ্ছে সরকারি দলের নেতা ও ব্যবসায়ীদের হাতে।
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিক্রিতে এগিয়ে আছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।



ওই দিন বিভিন্ন পত্রিকায় চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের দুই
পক্ষের হানাহানির খবর ও ছবি ছাপায় বিভিন্ন পত্রিকা। এক্ষেত্রে সবচাইতে
ভালো কাভারেজটি ছিল প্রথম আলোর। তারা পাঁচ কলাম ছবি ও দুই কলাম খবর ছাড়াও
এর নেপথ্য কাহিনী ছাপায় সিঙ্গল কলামে। ‘নেপথ্যে নৌ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ’
শীর্ষক রিপোর্টটি করেছেন চট্টগ্রাম থেকে মাসুদ মিলাদ।



২৯ সেপ্টেম্বর আমার দেশ শীর্ষ সংবাদ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে। শিরোনাম: ‘বিশ্বব্যাংকের সংস্কার
চাইলেন শেখ হাসিনা’। নিঃসন্দেহে সাহসী চাওয়া। কিন্তু এধরনের সাহসী
বক্তব্যকে প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ সিঙ্গল কলামে ছাপালো কেন, সে প্রশ্ন পাঠক
করতেই পারে। একই খবরের সাথে পার্শ্বসংবাদ হিসেবে আরেকটি খবর
‘প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত আসনে বসে ভাষণ শুনলেন জয়’ দিয়েছে আমার দেশ। তারা
প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে থাকা তার পুত্রের ছবিও ছেপেছে। সরকারের কেউ
না-হয়েও সরকারপ্রধানের আসনে বসে পড়াও নিঃসন্দেহে সাহসী কাজ। আর সেই কাজের
খবর ও ছবি ছাপানোও কম দুঃসাহসের কাজ নয়। এজন্য ধন্যবাদ পেতে পারে আমার দেশ।



আগের দিন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন ও লতিফ গ্রুপের ছবি ছাপিয়েছিল
সব পত্রিকা। পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর ফলোআপে বাজিমাত করে কালের কণ্ঠ। তারা ২০১০
সালের ১৩ জুন মহিউদ্দিন-লতিফ আলিঙ্গন ও চুম্বন এবং আগের দিনের হানাহানির
ছবি পাশাপাশি ছাপায়। সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে রফিকুল বাহারের তিন কলাম রিপোর্ট
‘ওর মাথায় সিট আছে: মহিউদ্দিন, তার আসল রূপ বেরিয়েছে: লতিফ’ ভালো ফলোআপ,
তবে শিরোনামে ‘সিট’ শব্দটি দেখে পাঠক মজা পেয়ে প্রশ্ন করতে পারেন, মাথায়
‘ছিট’ থাকে, ‘সিট’ (আসন) এলো কোত্থেকে?



একই দিন ইত্তেফাকের শীর্ষ সংবাদে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল
আহমদের বক্তব্যটি পড়েও ‘মজা’ পেতে পারেন পাঠক। তোফায়েল আহমদ বলেছেন ‘আফসার
বিএনপিরই এজেন্ট’। উল্লেখ্য, এই আফসার হচ্ছেন আওয়ামী লীগেরই মরহুম নেতা,
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের
ভাই। তাকেই যদি বিএনপি ‘এজেন্ট’ বানিয়ে ফেলতে পারে, তাহলে তো বলতে হয়,
রাজনীতির খেলায় আওয়ামী লীগকে পেছনে ফেলে বিএনপি অনেক এগিয়ে গেছে।



একই দিন ইত্তেফাক-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ ‘কমে যাচ্ছে নদীনির্ভর জীবিকা’ ছিল সুন্দর। রিপোর্টটি করেছেন রফিকুল বাসার ও লিটন বাশার।



এ দিন সবচাইতে তাৎপর্যপূর্ণ রিপোর্টটি ছিল নয়া দিগন্তে। আশরাফুল ইসলামের
করা রিপোর্টটির শিরোনাম ‘নিজের কূপ উচ্চমূল্যে গ্যাজপ্রমকে দিয়ে অন্যের
কাজে ব্যস্ত বাপেক্স’। এতে বলা হয়, নিজেদের পাঁচটি গ্যাসকূপ খননের কাজ
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রমকে ছেড়ে দিয়ে ‘ঠিকাদারিতে’ ব্যস্ত
হয়ে পড়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স। এ পাঁচ কূপ খননের জন্য রুশ
প্রতিষ্ঠানটিকে বাপেক্সের দিতে হবে ৮০০ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণ, রাস্তাঘাট
নির্মাণ ইত্যাদিতে ব্যয় হবে আরো ২০০ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে ব্যয় ১০০০ কোটি
টাকা। একই সময়ে অন্যের কূপ খনন করে বাপেক্সের আয় হবে ২০০ কোটি টাকা।



৩০ সেপ্টেম্বর আরো একজন বিশিষ্ট সাংবাদিকের মৃত্যুসংবাদ ছাপা হয়
পত্রপত্রিকায়। তিনি ফাজলে রশীদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি। দীর্ঘ
দিন যাবৎ নিউ ইয়র্ক প্রবাসী ছিলেন তিনি। নিউ এজ, আমার দেশ ও নয়া দিগন্ত তার
ইন্তেকালের খবরটি প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপলেও ‘শীর্ষস্থানীয়’ কয়েকটি পত্রিকা
ছেপেছে ভেতরের পাতায়; হেলাফেলা করে। এ কী অসচেতনতা নাকি অজ্ঞতা- কে বলবে?



০১ অক্টোবরের সংবাদপত্রগুলো আসে একটি বড় দুঃসংবাদ নিয়ে। ইত্তেফাক লিখেছে,
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় উত্তম কুমার বড়ুয়া নামে এক যুবক তার ফেসবুক
অ্যাকাউন্টে পবিত্র কোরআনের অবমাননাকর ১৭টি ছবি পোস্ট করলে উত্তেজনার
সূত্রপাত হয়। একটি পোস্টে নিজের ছবি ও মোবাইল ফোন নম্বরও দেয় উত্তম। বিষয়টি
নজরে এলে স্থানীয় কয়েকজন যুবক উত্তমকে ফোন করেন। জবাবে উত্তম অশ্রাব্য
ভাষায় গালিগালাজ করে। এদিকে মোবাইল ফোনে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা
রামু উপজেলা সদরে সমবেত হতে থাকে এবং এর পরবর্তী ঘটনাগুলো (বৌদ্ধপল্লীতে
হামলা, বৌদ্ধবিহারে আগুন ইত্যাদি) ঘটতে থাকে।



বিভিন্ন পত্রিকা খবরটিকে শীর্ষ সংবাদ করলেও এর সূত্রপাতের কারণটি সবাচইতে
স্পষ্ট ও বিস্তারিতভাবে লিখতে পেরেছে ইত্তেফাক। অন্য পত্রিকাগুলো
এক-দু’লাইনে কারণ বর্ণনা করে দায় সেরেছে। কালের কণ্ঠের রিপোর্টটি ছিল এদিক
থেকে সবচাইতে অসম্পূর্ণ। ঘটনার জন্য দায়ী উত্তমের ছবি ছেপেছে নয়া দিগন্ত।
আমার দেশ-এর শিরোনাম ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা’
ছিল যথার্থ। ইত্তেফাক-এর আরেকটি শিরোনাম ছিল উল্লেখযোগ্য- ‘হামলায় বিএনপি
এমপি জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’। পরদিন অর্থাৎ আজ
মঙ্গলবার প্রথম আলোর শীর্ষ সংবাদের শিরোনাম: ‘বৌদ্ধপল্লীতে হামলা: সন্দেহে
রোহিঙ্গাজঙ্গিরা’। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দাবি করছেন বিএনপি এমপি জড়িত
থাকার প্রমাণ তার কাছে আছে এবং প্রথম আলো যখন সন্দেহের তীর ছুঁড়ছে
‘রোহিঙ্গা জঙ্গিদের’ দিকে, ঠিক তখনই একটি ছবি ছেপে টেক্কা দিয়েছে আমার দেশ।
আজ ০২ সেপ্টেম্বর প্রথম পৃষ্ঠায় দুই কলামে ছাপা ছবিটির ক্যাপশনে (ছবি
পরিচিতি) বলা হয়: ‘২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় এই মিছিলটি বের করেন আওয়ামী
মৎস্যজীবী লীগের রামু উপজেলা সভাপতি আনছারুল হক ভূট্টো। পরে ওই মিছিলই হয়ে
ওঠে সহিংসতার কারণ। মিছিলটির শুরুতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা ছাত্রলীগের নেতা
সাদ্দাম হোসেন (বাঁ থেকে চতুর্থ, গেঞ্জি পরা), তার বাঁ পাশে যুবলীগ নেতার
ভাই হাফেজ মুহাম্মদ (কালো পাঞ্জাবি)। ওই সমাবেশ থেকে হরতালের মতো কর্মসূচিও
ঘোষণা দেয়া হয়েছিল’।



০১ সেপ্টেম্বর কাপাসিয়া উপনির্বাচনের ফলও ছাপায় বিভিন্ন পত্রিকা। এতে জয়ী
হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি। সব পত্রিকা রিমি অথবা আওয়ামী
লীগ প্রার্থী জয়ী শিরোনাম করলেও প্রথম আলো লিখেছে, ‘তাজউদ্দীন-কন্যার
বিজয়’। ‘ভোটারবিহীন নির্বাচন’ শব্দ ব্যবহার করেছে কালের কণ্ঠ ও আমার দেশ।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম ‘ভোটারবিহীন নির্বাচনে রিমির জয়, চাচার
প্রত্যাখ্যান’ এবং আমার দেশ শিরোনাম দিয়েছে ‘ভোটারবিহীন তামাশার নির্বাচন,
প্রথম পরীক্ষায় ইসি ফেল’। প্রথম আলো ‘ভোটারবিহীন’ শব্দটি ব্যবহার না করলেও
সিঙ্গল কলামে রিপোর্ট করেছে ‘ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার যত কারণ’।


নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় শাবান মাহমুদ যা বলেছিলেন :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় শাবান মাহমুদ যা বলেছিলেন :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট




  সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের
সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদকে নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় তার
একটি বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।



জাতিসংঘের ৬৭তম অধিবেশনের খবর কভার করতে সম্প্রতি তিনি ইয়র্ক সফরে যান।



ওই সময় নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় শাবান মাহমুদ এক প্রশ্নের
জবাবে বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারে ধারাবাহিকতার স্বার্থে  আগামী জাতীয়
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে র্নিদলীয় নিরোপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
অধীনে। কিন্তু অনলাইন নিউজপেপার বার্তা টুয়েন্টিফোর ডটনেট পরিবেশিত নিউ
ইয়র্ক প্রতিনিধির পাঠানো খবরে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের’ পরিবর্তে
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পাঠকমহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি
হওয়ায় নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরে এসে শাবান মাহমুদ তার দেয়া ব্যাখ্যায় বলেছেন,
“বার্তা২৪ ডটনেট’র প্রতিনিধির মিস কোট’র কারণে পাঠকমহলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি
হলেও কার্যত আমি সেদিন ‘তত্ত্বাবধায়ক’ নয়, “অন্তর্বর্তীকালীন’ সরকারের কথা
বলেছি।


রাবি’র ঘটনায় জামায়াত-শিবির জড়িত: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাবি’র ঘটনায় জামায়াত-শিবির জড়িত: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট




 স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেছেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংর্ঘষের সঙ্গে জামায়াত-শিবির জড়িত।”



মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।



তিনি বলেন, “আগামী ৬ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ও
বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”



প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক।”



তিনি বলেন, “এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে
দেখা হচ্ছে। এছাড়া রামুর সঙ্গে এ ঘটনার কোনো সম্পৃক্তা আছে কিনা তাও দেখা
হবে।”



ওই ঘটনার তদন্তে কোনো গাফলাতি পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।



এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা এমন প্রশ্নে নিরুত্তর থাকেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৩০ :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৩০ :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট




 আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রলীগ ও
ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচজন
গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ উভয় সংগঠনের কমপক্ষে ৩০
নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়
মেডিকেল সেন্টার এবং নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।



গুলিবিদ্ধ শিবির নেতাকর্মীরা হলেন, শিবিরের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন
ইয়াহিয়া, ফোকলোর ৩য় বর্ষের জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামিক স্টাডিজের শরীফ এবং
ব্যবস্থাপনা বিভাগের আরিফ। গুলিবিদ্ধ আরেকজনের নাম একনো পাওয়া যায়নি।



আহত শিবিরের অন্য কর্মীরা হলেন, আমির হুসাইন, ওয়াহিদ, ইব্রাহীম হোসাইন,
জহির, আল-আমিন, মামুন এবং ছাত্রলীগের আখেরুজ্জামান তাকিম (বহিষ্কৃত), তৌহিদ
আল তুহিন (বহিষ্কৃত) ও পাঁচজন সাধারণ শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ৩০ জন।



প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কয়েকজন শিবিরকর্মী
বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্র ভবনের সামনে অবস্থান করছিল। এ সময় ছাত্রলীগ
কর্মীরা অস্ত্রশস্ত্রসহ শিবিরকর্মীদের ধাওয়া করলে তারা শহীদুল্লাহ কলা
ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। এরপর দুই শতাধিক শিবিরকর্মী সেখানে জড়ো হলে
ছাত্রলীগকর্মীরা পিস্তল, হাসুয়া, রামদা, কিরিস, চাইনিজ কুড়াল, রড, হকিস্টিক
ও লাঠিসোঠাসহ শিবিরকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। শিবিরকর্মীরাও
পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা প্রায় ৫০ রাউন্ড
গুলি ছোড়ে। ছাত্রলীগের অস্ত্রের মুখে টিকে থাকলে না পেরে শিবিরকর্মীরা
পিছু হটে বিশ্ববিদ্যালয় মূল ফটক দিয়ে বেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর
এলাকায় অবস্থান নেয়।



পরে ছাত্রলীগকর্মীরা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন ভবনে অবস্থানরত
কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে শিবির সন্দেহে মারধর করে। তারা প্রশাসনিক ভবন-১
এ হামলা চালিয়ে জনসংযোগ দফতরে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি বাস ভাঙচুর করে। এ
সময় তাদের শান্ত করতে গেলে ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সহকারী
প্রক্টরকে লাঞ্ছিত করে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ছাত্রলীগ হলে হলে অবস্থান নিয়েছে।



বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর জুলফিকার আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন,
“আমরা ছাত্রলীগকে বাধা দিতে গেলে তারা উল্টো আমাদের ছয় সদস্যকে লাঞ্ছিত
করে।”



এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হোসাইন দিপু বলেন,
“শিবিরকর্মীরা পুলিশের উপস্থিতে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে। বর্তমান
প্রশাসন ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।”



এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি আশরাফুল আলম ইমন বার্তা২৪
ডটনেটকে বলেন, “ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা শিবিরকর্মীদের ওপর অতর্কিত সশস্ত্র
হামলা চালিয়েছে।”  তিনি হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করেন।



ছাত্র উপদেষ্টা গোলাম সাত্তার তাপু বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমরা
পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাম্পাসে
অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।”