Pages

Friday, October 5, 2012

সাংবাদিক হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া কিছু স্মৃতি কিছু কথা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাংবাদিক হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া কিছু স্মৃতি কিছু কথা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আবু দারদা যোবায়ের বিন হাবীব
ঢাকা, ৪ অক্টোবর: আমার আব্বা মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান ভূঁইয়ার আজ (৪ অক্টোবর ) চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী । চার বছর আগে দুই হাজার আট সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন । ভারত বিভাগের আগে কলকাতায় তিনি কাজ করেছেন ইত্তেহাদ ও মাওলানা আকরাম খাঁ সম্পাদিত আজাদ পত্রিকায়। পরে বাংলাদেশে তিনি দৈনিক আখবার, সাপ্তাহিক আরাফাত এবং  দৈনিক আজাদ পত্রিকায় কাজ করেছেন ’৮৬ সালে দৈনিক ইনকিলাব প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত।

সর্বশেষ  দৈনিক আজাদ পত্রিকা লালবাগের ঢাকেশ্বরী রোড থেকে প্রকাশিত হতো। আব্বার সাথে আরো অনেক সাংবাদিক আজাদ ছেড়ে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় যোগ দিয়েছিলেন। আর ইনকিলাবের শুরুটা ছিল দেশের প্রথম কম্পিটারাইজড পত্রিকা যা পুরোটাই ছিল আধুনিক ছাপার  যাবতীয় প্রযুক্তি সম্পন্ন। ’৮৬ সালের জুন মাসে প্রকাশিত দৈনিক ইনকিলাবের শুরুতে আব্বা মফস্বল ডেস্কের বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। পদোন্নতি পেয়ে  সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে ২০০৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত কাজ করেন তিনি। তখন সংবাদপত্রে ইন্টারনেট, ই-মেইলের ব্যবহার খুব একটা ছিল বলে আমার মনে পড়ে না। ডাক বিভাগের খামে, ফ্যাক্স আর টেলিফোনে দেশের নানা প্রান্তের সংবাদ পাঠাতেন জেলা প্রতিনিধিরা। তখন জেলা-উপজেলা থেকে এক বা একাধিক সংবাদদাতা প্রতিনিধি হবার প্রতিযোগিতায় নামেন। কখনো কখনো এসব বিষয় নিয়ে বাসায় আব্বা কথা বলতেন।

সাংবাদিকতা পেশায় জড়িয়ে বুঝতে পারি নিজস্ব সংবাদদাতা হতে কত কৌশলই না নেন অনেকেই। তখন দুই একজন প্রতিনিধি আমাদের বাসায়ও এসেছেন। কখনো আব্বা তাদের হাসি মুখে, সাধ্য মতো আপ্যায়ন করে বিদায় দিয়েছেন আবার কখনো করতে পারেনি। এতে কেউ কেউ খুশি কিংবা কষ্ট পেলেও আব্বার করার কিছুই ছিল না।

যতদূর মনে পড়ে আমার বড় বোনের শ্বশুরবাড়ি যে জেলায়, সেই জেলার প্রতিনিধি হতে ইচ্ছুক এক সাংবাদিক আমাদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে এসেছিলেন। আব্বা মিষ্টি রাখতে রাজি হননি। কেননা তখনো ওই সাংবাদিক ভদ্রলোক জেলা প্রতিনিধি হবার জন্য ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন সাহেবের হাতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হননি।

বেচারা  নাছোড়বান্দা, বললেন, “আমার জেলায় আপনার মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন, আমি তো সে হিসেবে আপনার বাসায় আসতে পারি, আপনি আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখুন।”

তখন আব্বা বললেন, “আপনি কত কেজি মিষ্টি এনেছেন, বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছি আপনাদের জেলায়, মিষ্টির দাম কত, আমি একটি শর্তে মিষ্টি নিতে পারি আপনাকে অবশ্যই টাকা নিতে হবে।”

অবশেষে টাকার বিনিময়ে আব্বা ওই মিষ্টি রাখেন। পরে আব্বার কাছে শুনেছি -সাংবাদিক পরিচয়ে অনেকই -হয়তো আব্বার সাথে সম্পর্ক গড়ে স্থানীয় কারো পক্ষে কিংবা বিপক্ষে সংবাদ ছাপিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে পারেন। এমন আশংকায় আব্বা সবসময়ই সতর্ক থাকতেন।

আরেকটি ঘটনা, সম্ভবত ’৮৭ সালের।  ফরিদপুরের এক  সাংবাদিক রাতে আমাদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে হাজির। বৃহত্তর ফরিদপুরের একটি জেলার ইনকিলাবের জেলা সংবাদদাতা হতে চান তিনি। আগেই বলেছি সে সময় এক জেলা থেকে একাধিক প্রতিনিধি খবর পাঠাতেন। তাই ইনকিলাব পত্রিকার মতো জনপ্রিয় ও বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রের নিজস্ব সংবাদদাতা হতে কারো কারো চেষ্টা তদবিরের শেষ ছিল না । একদিন রাতে হঠাৎ বাসার গেটে শব্দ শুনে আমি এগিয়ে যাই । এক ভদ্রলোক বাসায় এসে হাজির সাথে মিষ্টি, পরিচয় দিলেন অমুক জেলার অধিবাসী ।

আব্বা ওনাকে প্রশ্ন করলেন, “আপনি আমার বাসায় এসেছেন কেন ? আপনার তো আমার বাসায়  আসার দরকার নেই, আবার মিষ্টি নিয়ে এসেছেন কেন?”

জবাবে তিনি জানান, তার জেলা সদরে নিজস্ব চারতলা বাড়ি আছে, আছে ঠিকাদারি ব্যবসা - শখে সাংবাদিকতা করতে চান ইত্যাদি। আমি তখন আব্বার পাশে দাঁড়ানো। আব্বা বললেন, “এই মিষ্টি আমিও খাই না, আমার ছেলেমেয়েরাও খায় না ।”

সাংবাদিক ভদ্রলোক জানান, তিনি ঢাকায় একটি  বোর্ডিং এ উঠেছেন। তখন আব্বা বললেন মিষ্টি  বোর্ডিংয়ে নিয়ে যান।  সাংবাদিক হতাশ হয়ে আমাদের বাসা থেকে বিদায় নেন। পররর্তীতে আর জানি না তিনি ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদদাতা হতে পেরেছিলেন কিনা। আরেকটি ঘটনা আববার কাছে শুনেছি । একজন সাংবাদিক জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন সাহেব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করার আগেই সম্পাদকের স্বাক্ষর করা পরিচয়পত্র নিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় নিজের পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। একদিন হঠাৎ সম্পাদক সাহেব আব্বাকে হাবিবুর রহমান সাহেব সম্বোধন করে ওই সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেয়া নিয়ে জানতে চান । আব্বা সম্পাদক সাহেবকে বলেছিলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। সম্পাদক বাহাউদ্দিন সাহেব পরে ওই সাংবাদিককে ডেকে পাঠান। ওই সাংবাদিক জানান, তিনি, দৈনিক ইকিলাবের জনৈক সাংবাদিক (নামটা সঙ্গত কারণেই প্রকাশ করা   হলো না) যিনি একটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতাও ছিলেন, তিনি সম্পাদক সাহেবের স্বাক্ষর জাল করে ওই সাংবাদিককে ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধির পরিচয়পত্র বানিয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনার পর ওই সাংবাদিক নেতার ইনকিলাব থেকে চাকরি চলে যায়।

এই ঘটনার পর আব্বার ওপর সম্পাদক সাহেবের আস্থা আরো বেড়ে যায়। এমন আরো অনেক ঘটনা রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে না।

এ ঘটনাগুলো বলার কারণ হচ্ছে আব্বা কখনোই মিথ্যার সাথে আপস করেননি। যারা উনার সাথে সাংবাদিকতা করেছেন তারা তা ভালো করে জানেন। আর আমাদের উনি শিখিয়েছেন মিথ্যাকে পূঁজি করে কোনো কিছু না করার । বর্তমানে দেশে অসংখ্য দৈনিক সংবাদপত্র, দুই ডজনের মতো বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আর অনলাইন পত্রিকা চালু হয়েছে। কিন্তু সৎ ও বস্ত্তনিষ্ঠ পেশাদারি সাংবাদিকতার বিকাশ তেমন ঘটেনি বলে আমার ধারনা। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায়ই কতিপয় সাংবাদিকের আচরণ দেখে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে।

আব্বার মৃত্যুবার্ষিকীর এই দিনে আমার কামনা আমরা যাতে সততা ও ন্যায় নিষ্টার সাথে আমাদের পেশাগত মর্যাদা ও নিজেদের আত্নসম্মানবোধ বজায় রাখতে পারি। আল্লাহ আব্বাকে জান্নাত নসিব করুন। আমিন।

আবু দারদা যোবায়ের বিন হাবীব: বিশেষ প্রতিনিধি, এটিএন বাংলা
                                                        abudarda.aribah@gmail.com

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে এবং তা আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

প্রথম দিন এ১, এ২, ও এ৩ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং এ৪ ও এ৫ ইউনিটের পরীক্ষা ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এ৬, এ৭ ও বি ইউনিটের পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। ডি ও ই ইউনিটের পরীক্ষা ৭ অক্টোবর, সি১, সি২ ও জি ইউনিটের পরীক্ষা ৮ অক্টোবর ও এইচ, এফ১ ও এফ২ ইউনিটের পরীক্ষা ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিদিন পরীক্ষা সকাল ৯টায় শুরু হবে এবং ৫টা পর্যন্ত চলবে। তবে প্রত্যক পরীক্ষার মাঝখানে এক ঘণ্টা করে বিরতি থাকবে।

শেরপুরের ব্রজেন্দ্র মাস্টার বাড়ি এখন ‘বক বাড়ি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

শেরপুরের ব্রজেন্দ্র মাস্টার বাড়ি এখন ‘বক বাড়ি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দূর থেকে বাঁশ ঝাড়টির দিকে তাকালে মনে হয় যেন সাদা সাদা ফুলের কোনো বাঁশ বাগান। কাছাকাছি আসতেই শোনা যায় কক কক আর কিচির মিচির শব্দ। চারদিক মুখরিত হয় সেই শব্দে।
 
প্রতিদিন সকালে ঝাঁকে ঝাঁকে ওই বাঁশ বাগান থেকে সাদা সাদা বক বের হয়ে যায় খাদ্যের সন্ধানে। সারাদিন নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় গিয়ে খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে সন্ধ্যায় সারি বেঁধে নিড়ে ফেরে। এমনি এক দৃশ্য দেখা যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার বাঘবের গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ব্রজেন্দ্র বর্মনের বাড়িতে।
 
এলাকাবাসী তাই ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়িটির নাম দিয়েছে ‘বক বাড়ি’। ওই গ্রামের বাইরে থেকে কেউ বেড়াতে আসলে অনেকটা হকচকিত হয়ে কিছুক্ষণের জন্য হলেও থমকে দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন ওই বাড়ির দিকে।
 
শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার ওই গ্রামের ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়িটি এলাকায় এক সময় ‘মাস্টার বাড়ি’ নামে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে ‘বক বাড়ি’ নামে চেনেন সবাই। বাড়িটির পেছনে বিশাল একটি বাঁশ ঝাড়। এই বাঁশ ঝাড়টিতেই প্রায় এক যুগ ধরে বাসা করে আছে  কয়েক হাজার বক।
 
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ব্রজেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ জানান, প্রতিদিন ভোরে বকের কলকাকলীতে ঘুম ভাঙে বাড়ির লোকজনের। সারাদিন বিভিন্ন স্থান থেকে খাদ্য গ্রহণ করে সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসার আগেই পাখিগুলো বাসায় ফিরে আসে।
 
তিনি জানান, বেশ কয়েক বছর আগে দুই থেকে তিন হাজার বকের বাস ছিলো এখানে। প্রতিকুল আবহাওয়া আর খাদ্য সংকটের কারণে বর্তমানে এর সংখ্যা দাড়িয়েছে প্রায় এক হাজারে। বছরের প্রায় চার মাস বকগুলো এখানে থাকে। বিশেষ করে, বর্ষাকালে এদের আগমন ঘটে। ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়ে যখন উড়তে পারে তখন তাদের যাওয়ার সময় হয়ে যায়।
 
বকের ডিম, ছানা, পরিত্যক্ত মাছ খাওয়ার লোভে বাঁশ ঝাড়ের নিচে জড়ো হয় সাপ, গুইসাপ, বেজীসহ বিভিন্ন প্রকারের পশু ও জীব জন্তু।
 
ব্রজেন্দ্র মাস্টার বকগুলোকে খুব পছন্দ করেন। নিজের সন্তানের মত ভালবাসেন। রাত-দিন নজরে রাখেন, কেউ যেন এদের কোনো প্রকার ক্ষতি না করতে পারে।
 
তিনি জানান, ইদানিং বকের সঙ্গে ওইসব বাশঁ ঝাড়ে পানকৌড়িও সহাবস্থান বা আস্তানা করতে শুরু করেছে। বক ও পানকৌড়ি পরস্পর ভিন্ন প্রজাতির পাখি হলেও তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয় না কখনো।
 
ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক সময় বকের ছানা মাটিতে পড়ে গেলে ব্রজেন্দ্র মাস্টার এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যরা আবার সে ছানাগুলোকে বকের বাসায় রেখে আসে। ওদের নিরাপদ আশ্রয়ের কথা ভেবে কখনো বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটেন না তিনি।
 
ইতিমধ্যে বকদের দখলের কারণে বাঁশগুলো দিনদিন মরে যাচ্ছে। বকের বিষ্ঠা খুব দুগন্ধযুক্ত হলেও সে গন্ধ ব্রজেন্দ্র মাস্টারের পরিবারের সদস্যদের সহ্য হয়ে গেছে। সন্ধ্যার আগে গ্রামের মানুষ ওই বক বাড়ির দিকে আপন মনে চেয়ে থাকে ঝাকে ঝাকে বকগুলোর ঘরে ফেরার দৃশ্য দেখতে।
 
তাই গ্রামবাসীও ব্রজেন্দ্র মাস্টারের মতোই বকগুলোকে খুবই ভালবাসেন। কেউ শিকারে এলে গ্রামবাসীই প্রতিরোধ করেন। ভোরে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে যাওয়া বকের দৃশ্য আর সন্ধ্যায় ফের বাসায় ফেরার প্রতিযোগিতা দেখলে মন জুড়িয়ে যায়।
 
জেলার আর কোথাও এক সঙ্গে এতগুলো বক দেখা যায় না। ওই গ্রাম এবং আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কৌতুহলী মানুষ ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়ির পাশে এই মনমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য দেখতে ছুটে আসে প্রতিদিন।
 
ব্রজেন্দ্র মাস্টার বর্তমানে ওই বাঁশ ঝাড়ের নিচে একটি পুকুর খনন করে মাছ চাষ করেছেন। বৃষ্টির সময় বকের বিষ্ঠা পানিতে মিশে পুকুরে মাছের খাদ্য তৈরি হয়। মাছের জন্য পুকুরে আলাদা কোনো খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। ফলে মাছ চাষেও বেশ লাভলান হচ্ছেন তিনি।

মঙ্গল ভ্রমণের সুযোগ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মঙ্গল ভ্রমণের সুযোগ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ঘরের কম্পিউটারের সামনে বসে, অথবা স্মার্টফোনে মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রের যে কোনো প্রান্তে ‘ভারচুয়াল' টহল দেওয়া আর কোনো বিস্ময়ের ঘটনা নয়৷ এবার মঙ্গলগ্রহেও পৌঁছানোর সুবিধা করে দিচ্ছে নাসা৷

বার্লিন, ৫ অক্টোবর: ঘরের কম্পিউটারের সামনে বসে, অথবা স্মার্টফোনে মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রের যে কোনো প্রান্তে ‘ভারচুয়াল' টহল দেওয়া আর কোনো বিস্ময়ের ঘটনা নয়৷ এবার মঙ্গলগ্রহেও পৌঁছানোর সুবিধা করে দিচ্ছে নাসা৷
 
‘গুগল আর্থ', বিং ম্যাপস থেকে শুরু করে ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় যে কোনো প্রান্ত চষে বেড়ানো যায়৷ চাই শুধু ইন্টারনেট সংযোগ৷ আর স্মার্টফোনের জিপিএস সেন্সরের নাগাল পেলে তো আরও ভালো৷ আশেপাশের দোকান-বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ সহ কত প্রয়োজনীয় পণ্য ও পরিষেবারই যে খোঁজ পাওয়া যায়৷ আছে ‘অগমেন্টেড রিয়্যালিটি' অ্যাপ, যার সাহায্যে স্মার্টফোনের ক্যামেরা কাজে লাগিয়ে এ সবের খোঁজ পাওয়া যায়৷
 
এবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর সঙ্গে জোট বেঁধে এমনই সুযোগ করে দিচ্ছে মঙ্গলগ্রহ চষে বেড়ানোর৷ না, মঙ্গলগ্রহে হ্যামবার্গারের দোকান বা ইন্টারনেট কাফে নেই৷ কিন্তু মার্স রোভার'এর অত্যাধুনিক ক্যামেরার চোখে যে অপরূপ দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, সাধারণ মানুষও যদি তার স্বাদ পায়, তাহলে মন্দ কী! মঙ্গলগ্রহের মাটি, খানা-খন্দ, খাল-বিলের মধ্যে হয়তো লুকিয়ে রয়েছে কত রহস্য৷ এতকাল শুধু বিজ্ঞানীরাই সেই সেই ছবি দেখতে পেতেন৷ এবার সাধারণ মানুষও বিপুল উৎসাহে মঙ্গল অভিযানে অংশ নিতে পারছেন৷ ফলে প্রকল্পকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ও সমর্থনও বাড়বে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ ব্যয় সংকোচের এই যুগে আরও বেশি মানুষকে মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলতে পারলে ক্ষতি কী? নাসা বা ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর ওয়েবসাইটেই পেয়ে যাবেন এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার উপায় সম্পর্কে তথ্য৷
 
‘ফোরস্ক্যায়ার' আসলে ইন্টারনেট সংযোগ ও জিপিএস ব্যবহার করে একাধিক পরিষেবার মেলবন্ধন ঘটায়৷ একদিকে ফেসবুক'এর মতো সোশাল মিডিয়া, অন্যদিকে গুগল'এর মতো মানচিত্রের সমন্বয়ে যে কোনো ব্যবহারকারী নিজেদের ও বন্ধুদের অবস্থান, আশেপাশের আকর্ষণীয় গন্তব্য জেনে নিতে পারেন৷ বাকিটা তাদের মর্জি৷
 
গত ৬ই অগাস্ট মার্স রোভার মঙ্গলগ্রহের গেল ক্রেটার এলাকায় অবতরণ করেছে৷ দুই বছর ধরে এই যান মঙ্গলগ্রহ অন্বেষণ করবে৷ গেল ক্রেটারে নেমেই রোভার সেখানে জলের চিহ্ন পেয়েছে৷ অতএব এককালে মঙ্গলগ্রহে প্রাণ ছিল, এই তত্ত্বের সমর্থনকারীরা উৎসাহিত হয়ে পড়েছেন৷ এই অভিযানে যা জানা যাবে, সেই তথ্য পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও আগাম পূর্বাভাষ দিতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী আশা করছেন৷ অতএব অপেক্ষা কেন, আমরাও যোগ দিতে পারি ঐতিহাসিক এই অভিযানে৷
 

তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের দোড়গোড়ায়: শিল্পমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের দোড়গোড়ায়: শিল্পমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেছেন, মহাজোট সরকার শিল্পসমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দেয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের প্রত্যেকের দোরগোড়ায়।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর পান্থপথে এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এসএমই’জ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এফসিএমএ, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলামসহ এসএমই ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
এ সময় শিল্পমন্ত্রী বলেন, “গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘরে ঘরে এখন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ঘটেছে। ফলে ঘরে বসেই আমরা সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ, বিশ্বব্যাপী ব্যবসা, কেনাকাটা ও হিসাব করছি।”

তবে মাইক্রোলেভেলে এখনো কম্পিউটার বেইজড একাউন্টিং সিস্টেম পুরোমাত্রায় চালু হয়নি বলে মন্ত্রী মনে করেন।
তিনি আরো বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা ম্যানুয়ালি খাতা-কলমে লিখে এবং ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করে থাকি। প্রযুক্তির অভাবনীয় প্রসারের ফলে হিসাববিজ্ঞান অনেক আধুনিক ও সহজ হয়েছে। একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেমে আমাদের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বা শিল্প কারখানার হিসাব রাখলে ব্যবসা পরিচালনা খুব সহজ হবে।
কম্পিউটার বেইজড একাউন্টিং সিস্টেম এসএমই খাতে নতুন ধারণার প্রবর্তনে সহায়ক হবে বলেও তিনি মনে করেন।
বার্তা ২৪ ডটনেট/এসএমএকে/এসএইচ

৮ ডিসেম্বর এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

৮ ডিসেম্বর এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর এসিএম-আইসিপিসি (অ্যাসোসিয়েশন অব কম্পিউটিং মেশিনারিজ-ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট) এশীয় অঞ্চলের ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতা।

দেশের সবগুলো পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মুল প্রতিযোগিতার আগে আগাসী ১০ নভেম্বর অনলাইনে প্রাথমিক পর্বের আয়োজন করছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)।

এজন্য ৭ অক্টোবর নিবন্ধন শুরু হয়ে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এখান থেকে ঢাকা পর্বের জন্য সর্বোচ্চ ১৫০টি দল নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত দল ছাড়াও ঢাকা পর্বে আরো অংশ্রগ্রহণ করবে ভারত, চীন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং মালয়েশিয়া থেকে আসা দল।
এটি হবে এশিয়ার মধ্যে এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার আসর। এ  পর্বের বিজয়ীরা আগামী বছর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে মূলপর্বে অংশগ্রহণ করবেন।

রাজধানীর রিপোটার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। এসময় এসিএম কাউন্সিল বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক আবুল এল হক, ডিআইইউ-এর অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন, প্রোগ্রামিং  প্রতিযোগিতার পরিচালক (বিচারক) শাহরিয়ার মনজুর সুমিতস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 

উপন্যাসের নায়িকা হয়ে ফিরছেন ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপন্যাসের নায়িকা হয়ে ফিরছেন ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অবেশেষে ঐশ্বরিয়াভক্তদের সব অপেক্ষা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটতে চলেছে। দীর্ঘ দেড় বছর পর অভিনয়ে ফিরছেন ঐশ্বরিয়া। মাতৃত্বজনিত কারণে এই অভিনয়-বিরতিতে ছিলেন তিনি।
 
এবারও তিনি ফিরছেন তার প্রিয় পরিচালক  মনিরত্নমের হাত ধরেই। তার চরিত্রটিও অন্যরকম। এবার একটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাসের নায়িকা হিসেবে পর্দায় আসবেন তিনি।

১৯৩৮ সালে লেখা ডাফনে ডু মুরিয়ের উপন্যাস `রেবেকা` নিয়ে ছবি করছেন মনিরত্নম। এই ছবিতে প্রধান চরিত্র মিসেস দি উইন্টারের ভূমিকায় অভিনয় করবেন ঐশ্বরিয়া।
 
ভিক্টোরীয় প্রেক্ষাপটে সদ্যবিবাহিত এক নারীর জীবনকাহিনী রেবেকা। হাউসমেডের কাছ থেকে ক্রমাগত স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তুলনা শুনতে শুনতেই মিসেস উইন্টার একদিন আবিষ্কার করেন স্বামীর ভালোবাসা। এ কাহিনিকেই একুশ শতকের ভারতীয় প্রেক্ষাপটে চিত্রনাট্য তৈরির কাজে ব্যস্ত মনিরত্নম।

মনিরত্নমের ছবি `ইরুভার` দিয়েই ১৯৯৭ সালে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ঐশ্বরিয়া। মাতৃত্বকালীন বিরতিতে যাওয়ার আগে তার শেষ ছবি `রাবণ`ও ছিল মনির পরিচালনায়।

স্পিলবার্গের ছবিতে অ্যান হ্যাথওয়ে? :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্পিলবার্গের ছবিতে অ্যান হ্যাথওয়ে? :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 স্টিভেন স্পিলবার্গের আগামী ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থের সঙ্গে অভিনয় করতে চলেছেন অ্যান হ্যাথওয়ে। হলিউডে গুঞ্জন ‘থর’-খ্যাত অভিনেতার পাশাপাশি স্পিলবার্গের বহু প্রতিক্ষীত সায়েন্স ফিকশন ‘রোবোপোক্যালিপ্স’-এ শীর্ষ মহিলা চরিত্রে অভিনয় করবেন বছর তিরিশের এই মার্কিন অভিনেত্রী।

তবে সূত্রে খবর, হ্যাথওয়ের সঙ্গে আলোচনা একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়। হেমসওয়ার্থ অবশ্য চলতি বছরের জুলাই থেকেই এই প্রজেক্টে কাজ শুরু করেছেন। ছবিটি প্রযোজনা করছেন টম রথম্যান। স্পিলবার্গ ইতিমধ্যেই রথম্যানের উচ্ছ্বসিত প্রসংশা করেছেন।

ড্যান্যুয়েল এইচ উইলসনের লেখা রোবোপোক্যালিপ্স বইটি আর্কোস নামের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ওয়েব দুনিয়া আক্রমণের গল্প। রোবট দুনিয়ার সঙ্গে মানবজাতির লড়াই নিয়েই এই ছবি।

আগামী ডিসেম্বরেই অ্যান হ্যাথওয়ে অভিনীত অস্কারজয়ী পরিচালক টম হুপারের পরবর্তী ছবি ‘লে মিসারেব্ল’ মুক্তি পাচ্ছে। এই ছবিতে অ্যানের নতুন লুকের এক্সপেরিমেন্টেশন ইতিমধ্যেই দর্শক মহলে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ধূমপান স্ট্রোকের বড় কারণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ধূমপান স্ট্রোকের বড় কারণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এত দিন ক্যানসারের বড় কারণ হিসেবে ধূমপানকে দায়ী করা হতো। হার্ট অ্যাটাকেও এর ভূমিকা কম নয়। এবার জানা গেল, স্ট্রোকের পেছনেও ধূমপানের বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর সমীক্ষায় এই তথ্য ধরা পড়েছে।

জানা গেছে, ভারতে যত মানুষ স্ট্রোকের শিকার হয়, এর মধ্যে অন্তত ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রেই দায়ী ধূমপান। এ তথ্যকে সমর্থন করেছে আমেরিকার ন্যাশনাল স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশনের মুখপত্র ‘স্ট্রোক অ্যান্ড সেরিব্রোভাস্কুলার ডিজিজেজ’। তাদের মতে, বিশ্বে স্ট্রোকের অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে ধূমপান। ভারতের মতো দেশে এই হার ক্রমশ বাড়ছে।

আইসিএমআর চার বছর ধরে এক লাখ মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে যে রিপোর্টটি তৈরি করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, রোগের চেনা ধাঁচ বদলে যাচ্ছে। সমীক্ষাদলের সদস্য, স্নায়ুচিকিৎসক শ্যামল দাস বলেন, “এত দিন মনে করা হতো ডায়াবেটিস এবং হাইপার টেনশনই স্ট্রোকের জন্য দায়ী। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ধূমপানও ক্ষতি করছে খুব বেশি মাত্রায়।”

বিশেষজ্ঞরা জানান, কয়েক বছর আগেও ৫৫ থেকে ৭০ বছরের বয়সীদের স্ট্রোক বেশি হতো। ইদানীং এটা চল্লিশের আশপাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এর জন্য ধূমপানই মূল কারণ বলে চিকিৎসকদের অভিমত। এর সঙ্গে নারীদের মধ্যেও স্ট্রোকের প্রবণতা বাড়ছে। একই সঙ্গে ধূমপান এবং বছরের পর বছর গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে স্ট্রোক বেশি হয় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র গবেষণায় জানা গিয়েছে। সূত্র: আ.বা.

মানুষিক রোগীকে ‘পাগল’ না বলাই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

মানুষিক রোগীকে ‘পাগল’ না বলাই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
মানুষিক কোনো রোগীকে ‘পাগল’ না বলাই হতে পারে তার জন্য শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা। মানুষিক রোগীদের প্রতি অবহেলা বা তাচ্ছিল্য না করে তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করা, সঠিক চিকিৎসা প্রদান এবং পারিবারিক সহায়তার মাধ্যমে সুস্থ্য করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিকে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘মানসিক রোগীদের প্রতি মনোভাব ও আচরণ’ শীর্ষক কর্মশালার কার্যকরী সেশনে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব মেন্টাল হেলথ’র সহকারী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকা এ কর্মশালার আয়োজন করে।

ডা. হেলাল উদ্দিন আরো জানান, বাংলাদেশে মানুষিক রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে দেশে মানুষিক স্বাস্থ্য সেবায় ১৮৯ জন সাইকোলজিস্ট ও ১০ জন সাইকো থেরাপিস্ট রয়েছেন।  এছাড়া ৭০০ জন সাধারণ চিকিৎসককে এ ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগে একমাত্র খুলনা মেজিকেল কলেজ হাসপাতালে এ চিকিৎসা সেবার সুযোগ রয়েছে। সারদেশে বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে মানুষিক রোগীদের চিকিৎসার জন্য মাত্র ৮২৮টি শয্যা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, দেশের জনসংখ্যার ১৬ দশমিক একভাগ লোক কোনো না কোনোভাবে মানসিক রোগী। এর মধ্যে নারীদের সংখ্যা বেশি। শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগের হার ১৮ দশমিক চার শতাংশ।

সকালে কর্মশালার উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ও এই কর্মসূচির লাইন ডাইরেক্টর ডা. দীন মোহাম্মদ। সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মোর্ত্তুজা শিকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন এবং খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. গৌর প্রিয় মজুমদার।

কর্মশালায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অংশ নেন।

Thursday, October 4, 2012

রামুতে আতঙ্ক কাটেনি: বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুতে আতঙ্ক কাটেনি: বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধ বিহার ও বসতবাড়িতে সহিংস ঘটনার পাঁচদিন পরও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে আতঙ্ক কাটেনি। স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের নিরাপত্তা ও সহিংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে না দেখে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রামুকে বলা হয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির তীর্থস্থান। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের একই সঙ্গে পাশাপাশি বসবাসের হাজার বছরের ঐতিহ্য। কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রামুর বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধদে বাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগের পর মুসলমান এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনদের মধ্যে হাজার বছরের লালিত বিশ্বাসের মাঝে চিড় ধরেছে।

উত্তম কুমার বড়ুয়া নামে এক যুবকের ফেসবুক একাউন্টে কোরআন অবমাননার ছবি ট্যাগ করার ঘটনা নিয়ে হাজার হাজার মুসলমানদের বিক্ষোভ চলাকালে একদল উশৃঙ্খল লোক বৌদ্ধ বিহার ও তাদের বাড়িঘরে তাণ্ডব চালায়। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বৌদ্ধদের উপসনালয় ও তাদের বাড়িঘরে। এরপর থেকেই শুরু স্থানীয় বৌদ্ধদের মনে দাঁনাবাধে ভয়-শঙ্কা। সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার পর থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশপাশি বিভিন্ন ধরনের তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করলেও মনে ভর করেছে অনিশ্চয়তা।

ইতোমধ্যে এই সহিংস ঘটনার পেছনে কারা জড়িত ছিল তার তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সহিংস ঘটনার ৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘটনাস্থলে এসে দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এবং ঢাকায় গিয়ে এই ঘটনার পেছনে বিরোধী দলের জড়িত থাকার কথাও বলেন। তদন্ত শুরু না হওয়ার পূর্বেই মন্ত্রীর ওই ঘোষণায় ঘটনাস্থল রামুতে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কায় স্বয়ং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারাও শঙ্কিত হয়ে উঠেন। তাদের আশঙ্কা দেশের অন্যান্য সহিংস ঘটনার মতো এটাতেও কোনো রাজনীতিকরণ হবে কিনা! তারা এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও দাবি করেছেন।

রামু উপজেলা বৌদ্ধ ঐক্য ও কল্যাণ পরিষদের  সাধারণ সম্পাদক তরুণ বড়ুয়া বলেন, “রামুর সহিংস ঘটনায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন আতঙ্কিত হলেও স্থানীয় প্রশাসনের নেয়া নানা পদক্ষেপে বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত রয়েছে। দেশের মন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আতঙ্ক কাটাতে এবং সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন।”

রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন, “রামুর ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রবাহিত না করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টামত্মমূলক শাস্তি হোক এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।

বৌদ্ধ মন্দির ও বসতবাড়িতে হামলার নিন্দা এফবিসিসিআই’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বৌদ্ধ মন্দির ও বসতবাড়িতে হামলার নিন্দা এফবিসিসিআই’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সম্প্রতি কক্সবাজার জেলার রামু এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার বৌদ্ধ মন্দির¬ ও বসতবাড়িতে অনাকাঙ্ক্ষিত নগ্ন হামলায় ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে।

বৃহস্পতিবার সংগঠনটির মহাসচিব মীর শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নজিরবিহীন এ হামলায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বুদ্ধের মূর্তিসহ বহু মূল্যবান ঐতিহাসিক দ্রব্যাদি ও সম্পদ বিনষ্ট হওয়ায় সারা দেশবাসীর সঙ্গে এদেশের ব্যবসায়ী সমাজ ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত। এ সম্পদহানীর জন্য বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরদের প্রতি এফবিসিসিআই গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে। এ ঘৃণ্য ঘটনায় বাংলাদেশে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর এক বড় আঘাত যা কখনই কাম্য নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বার্থান্বেষী মহলের উস্কানি ও ইন্ধন ব্যতীত এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয় বলে এফবিসিসিআই মনে করে। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ ঘৃণ্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি এফবিসিসিআই আহবান জানাচ্ছে।

এছাড়াও সংঘটিত এলাকায় দ্রুত শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন যাতে নাগরিক জীবন স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরে আসতে পারে এবং স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হতে পারে।

এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে পুনরায় না ঘটে সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এফবিসিসিআই অনুরোধ জানাচ্ছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেশের ভাবমূর্তি, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। বিশেষ করে এ ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যকার ‘বর্ডার ট্রেড’-এর ক্ষেত্রে যাতে প্রভাব ফেলতে না পারে সে জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জররি।

দেশে ঐতিহ্যগতভাবে বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সহমর্মিতা, সৌহার্দ্য এবং সহনশীলতা রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য সমগ্র ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে এফবিসিসিআই সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতীকী অনশন কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতীকী অনশন কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
এমপিওভুক্তির দাবিতে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে চলমান অবস্থান ধর্মঘটের পাশাপাশি প্রতীকী অনশন করবে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারি ঐক্যজোট।

শিক্ষক-পুলিশ সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া তিনটায় সংগঠনের সভাপতি এশারত আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে এতথ্য জানান।

তিনি বলেন, “আমাদের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

দীর্ঘদিন ধরে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষক-কর্মচারিরা।

গত সোমবার থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাওয়ার পথে শিশু পার্কের সামনে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন শিক্ষকরা। সেখানেই আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে পড়েন। পরে এশারত আলীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিতে ছয় সদস্যের শিক্ষক প্রতিনিধি দল গণভবনে যান। বিকেল পাঁচটায় আন্দোলনকারীরা সাংবাদিকদের জানান পরদিন সচিবালয় ঘেরাও করা হবে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন শিক্ষকরা। বেলা ১২টার দিকে সচিবালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে কদমফোয়ারা থেকে পুলিশি বেরিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে সচিবালয় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এ সময় পুলিশের টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে অর্ধশতাধিক শিক্ষক আহত হন বলে অভিযোগ করেন সংগঠনের সভাপতি। আহতদের মধ্যে ছয় জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।

আহতদের ক’জন হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের নিতাই চন্দ্র ও ফারুক হোসেন, ময়মনসিংহের সুরুজ্জামান, খুলনার কাহারুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের বুলবুল আহমেদ, টাঙাইলের শাহিব উদ্দিন ও শেখ রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের মাকসুদুর রহমান এবং নোয়াখালীর শহীদুল ইসলাম।

দুপুরে এশারত আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “সরকারের নির্দেশেই শিক্ষকদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে। আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

পুলিশের রমনা জোনের এসি শিবলী নোমান বলেন, “সচিবালয়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ব্যারিকেড দিয়েছে। শিক্ষকরা নিয়ম ভেঙে তা সরাতে গেলে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়। কারো ওপর হামলার কোনো প্রশ্নই আসে না।”
 

মতিয়ার চৌধুরীর বিষয়ে আদেশ ৮ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মতিয়ার চৌধুরীর বিষয়ে আদেশ ৮ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য দেয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে আদেশের তারিখ আগামী ৮ অক্টোবর ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃতে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশের দিন ধার্য করে।

বৃহস্পতিবার সকালে তার আইনজীবী রোজিয়া সুলতানা (চমন) লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বরের লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে দিন ধার্য ছিল ওই দিনও তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করে দেন।

মতিয়া চৌধুরীর পক্ষে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন ও আসামিপক্ষে ব্যারিস্টার এহসান সিদ্দিক শুনানিতে অংশ নেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন মামলা নিয়ে আদালতের বাইরে বক্তব্য দেয়ায় কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের আইন ভঙ্গের অভিযোগে এনে আবেদন করেছিল কামারুজ্জামানের আইনজীবী।

গত ২৯ আগস্ট মানবতাববেরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির এ আবেদন করেন।

প্রসঙ্গত ডিফেন্সের আবেদনে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট কুষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর এলাকায় ঈদ সামগ্রী বিতরণের সময় তিনি ওই স্থানে ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বক্তব্য দেন। বক্তৃতায় তিনি বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যারা সাফাই সাক্ষী দিতে ট্রাইব্যুনালে আসবে তারা ঘরে ফিরতে পারবে কিনা। ঘরে ফেরার আগেই জনগণ পিটিয়ে তাদের বিচার করে ফেলবে।”

আবেদনে আরো বলা হয় যে, ওই স্থানে মতিয়া চৌধুরী আরো বলেন, “যারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাক্ষ্য দেবে তাদের চিহ্নিত করে এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”

বৌদ্ধদের ওপর হামলা বিচার দাবি অ্যামনেস্টির :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বৌদ্ধদের ওপর হামলা বিচার দাবি অ্যামনেস্টির :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে বৌদ্ধদের ওপর হামলাকারীদের বিচার এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে বলেছে, যে মাত্রায় সংখ্যালঘুদের ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের মুসলিম এবং অমুসলিম সবাই স্তম্ভিত। বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে এরকম ঘটনা যেন আর না ঘটে।

এরকম ঘটনা ঘটতে পারে বলে আগাম খবর পেয়েও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে যে কথা বলা হচ্ছে, তাও তদন্তের দাবি জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

চট্টগ্রামে পুলিশের একজন ডিআইজি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে জানিয়েছেন, রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তব্যে অবহেলা করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া সেখানে এ পর্যন্ত তিনশ লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে চিহ্নিত হবে, তাদের অবশ্যই ন্যায় বিচারের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

এছাড়া যারা এই হামলার শিকার হয়েছেন, তাদের আশ্রয় এবং ঘরবাড়ি পুনঃর্নিমাণে সহায়তা দেয়ারও দাবি জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।

রামুতে বিএনপির প্রতিনিধিদল
এদিকে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল বৃহস্পতিবার রামু গেছে। দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন মওদুদ আহমেদ।

বিএনপি নেতারা সেখান ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধগ্রামগুলো পরিদর্শন করবেন। সূত্র: বিবিসি

আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে সোমবার বসবেন প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে সোমবার বসবেন প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সাথে সোমবার আলোচনায় বসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর বৃহস্পতিবার বিকেলে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার কুণ্ডুকে ফোন করে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার কুন্ডু বার্তা২৪ ডটনেটনেকে বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আমাকে ফোন করে জানানো হয়েছে, সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বসতে চেয়েছেন।’’
 
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে তারা আপাতত সব ধরনের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন বলেও জানান তিনি।

এর আগে সকালে শিক্ষকরা সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করতে মিছিল নিয়ে জাতীয় ঈদগাহ মাঠের সামনের কদম ফোয়ারার কাছে পৌঁছালে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড  ভেঙ্গে শিক্ষকরা সামনের দিকে যেতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার কুন্ডুসহ বেশ কজন শিক্ষক আহত হন।

প্রসঙ্গত, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির দাবিতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষকরা।  এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাসচিবের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসেও কোনো আশ্বাস মেলেনি। সর্বশেষ ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষকরা শিক্ষাসচিবের সঙ্গে বসলে তিনিও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি। তাই শিক্ষকরা তাদের দাবি বাস্তবায়নে এবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির অপেক্ষায় রয়েছেন। বুধবার শিক্ষক নেতাদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর কাছে  স্মারকলিপিও দিয়েছিলেন।

হলমার্ক এমডিসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হলমার্ক এমডিসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক  তানভীর আহমেদসহ ছয়জন এবং সোনালী ব্যাংক রূপসী বাংলা শাখার ২১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

দুদকের জ্যেষ্ঠ উপ পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে দুদকের ৬ কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনা থানায় মামলাগুলো দায়ের করেন।

১১টি মামলার মধ্যে শিবলী একটি মামলার বাদী। এছাড়া দুদকের উপ পরিচালক আক্তার হামিদ, সহকারী পরিচালক মুজিবুর রহমান, সহকারী পরিচালক মশিউর রহমান, সহকারী পরিচালক নাজমুস সাদাত ও উপ সহকারী পরিচালক জয়নাল আবেদীন দুটি করে মামলা দায়ের করেন।

হলমার্ক গ্রুপের নেয়া দুই হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকার মধ্যে (ফান্ডেড) প্রায় দেড় হাজার  কোটি টাকা জালজালিয়াতির মাধ্যমে  আত্মসাতের অভিযোগে এসব মামলা করেছে দুদক।

দুদকের মামলায় আসামিরা হলেন-

হলমার্ক গ্রুপের ছয়জন
হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তানভীর মাহমুদ, চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার, জি এম (কমার্শিয়াল) তুষার  আহমেদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বতাধিকারী আনোয়ারা স্পিনিং মিলস, মীর জাকারিয়া, স্বাতবাধীকারী ম্যাক্র্ স্পিনিং মিলস, মো. জিয়াউর রহমান, স্বত্বাধিকার সেঞ্চুরী ইন্টারন্যাশনাল, মো. শহীদুল ইসলাম স্বত্বাধীকারী এ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজ।

সোনালী ব্যাংকের  ২১ কর্মকর্তা হলেন-
সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক (সাময়িক বরখাস্ত) এ কে এম আজিজুর রহমান, এজিএম মো. সাইফুল হাসান (সাময়িক বরখাস্ত), এক্সিকিউটিভ অফিসার, মো আব্দুল মতিন (সাময়িক বরখাস্ত), ধানমন্ডি শাখার এসইও মেহেরুন নেসা মেরি, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার মো. ওয়াহেদু জামান।

জিএম অফিস, প্রধান কার্যালয়ের আইটিএফডি, অডিট ও ইন্সপেকশন-২, সিএডি, টিএমডি বিভাগের কর্মকর্তারা হলেন, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. হুমায়ন কবির, ডিএমডি (সাময়িক বরখাস্ত) মো. মইনুল হক, ডিএমডি (সাময়িক বরখাস্ত) মো. আতিকুর রহমান, জিএম আ.ন.ম. মো. মাসরুরুল হুদা, জিএম (সাময়িক বরখাস্ত) ননী গোপাল নাথ, জিএম (সাময়িক বরখাস্ত) মীর মহিদুল রহমান, ডিজিএম (সাময়িক বরখাস্ত) শেখ আলতাফ হোসেন, ডিজিএম (সাময়িক বরখাস্ত) ভগবতী মজুমদার, সাবেক জিএম সবিতা সিরাজ, ডিজিএম (সাময়িক বরখাস্ত) মো. সফিজউদ্দিন আহম্মেদ, ডিজিএম কানিজ ফাতেমা, এজিএম (সাময়িক বরখাস্ত) মো. কামরুল হোসেন খান, এজিএম (সাময়িক বরখাস্ত) আশরাফ আলী পাটোয়ারী, এজিএম মো. আবুল হাসান, এজিএম, মো. খুরশিদ আলম।

কুড়িগ্রামে পৃথক বজ্রপাতে নিহত ২, আহত ৬ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

কুড়িগ্রামে পৃথক বজ্রপাতে নিহত ২, আহত ৬ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ছয়জন। বুধবার রাত আটটার দিকে এ বজ্রপাতের ঘটনা দুটি ঘটে।

রাতে উপজেলার পশ্চিম রায়গঞ্জ গ্রামে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে রিকসাচালক নজরুল ইসলাম (৩০) এবং আমজাদ হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন (১০) গুরুতর আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মারা যায়।

প্রায় একই সময়ে উপজেলার চরবেরুবাড়ি গ্রামের বজ্রপাত হয়। এতে রোজিনা (১০), সাপখাওয়া চৌধুরীটারী গ্রামের ছাকিনা বেগম (৬০), কুটি নাওডাঙ্গা গ্রামের কহিনুর (১৮), গোপালপুর গ্রামের সাবানা (১৩), নেওয়াশী গ্রামের হাসানুল (১৫) বল্লভপুর গ্রামের ছামিনা বেগম (৪৫) আহত হয়। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

৮ অক্টোবর সারাদেশে বিক্ষোভ করবে বিএনপি :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

৮ অক্টোবর সারাদেশে বিক্ষোভ করবে বিএনপি :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
  নেত্রকোনায় বিএনপি নেতা মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে পুলিশের হামলা, অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা এবং যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ প্রায় শতাধিত নেতাকর্মীর গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি।

৮ অক্টোবর সোমবার ঢাকাসহ সারাদেশের সকল মহানগর ও জেলা গুলোতে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ। এতে অর্ধশতাধিক নামে এবং অজ্ঞাতনামা প্রায় আড়াই হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে।

কর্মসূচির বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘৮ অক্টোবর ঢাকাসহ সারাদেশে মহানগর ও জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি। এ সময় ১০ অক্টোবর ১৮ দলের সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ১৭ অক্টোবরের গণমিছিল হবে এবং ৬ অক্টোবর হবিগঞ্জে খালেদা জিয়া জনসভাও অনুষ্ঠিত হবে। বরিশালে ৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৪ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জনসভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান ফখরুল।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘মঙ্গলবার নেত্রকোনায় ১৮ দলীয় জোটের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে পুলিশের ছত্রছায়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলা করে। এর প্রতিবাদে নয়াপল্টনে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে সরকারের মদদপুষ্ঠ লোকেরা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ও ভাঙচুর চালায়।’’

কিন্তু পুলিশ অতর্কিত বিক্ষোভ মিছিলে টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করে মিছিল  পণ্ড করে দেয়। এতে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয় এবং গতকালই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ ইতিমধ্যে নেতাকর্মীদের নামে তিনটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়েছে।’’

পুলিশ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহার, আটককৃতদের মুক্তি ও আহতদের সুচিকিৎসার দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংসদ সদস্য অ্যা্ডভোকেট আসিফা আশরাফি পাপিয়া, রেহেনা আক্তার রানু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারি বাবু, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল।

Wednesday, October 3, 2012

কার্যালয়ে অবরুদ্ধ নির্ঘুম রাত কাটালেন বিএনপি নেতারা :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

কার্যালয়ে অবরুদ্ধ নির্ঘুম রাত কাটালেন বিএনপি নেতারা :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ নির্ঘুম রাত কাটালেন বিএনপিও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের দুই শতাধিক নেতাকর্মী নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে।

আগে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্ট-ধাওয়ার পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আটকে পড়া নেতাকর্মীরা বের হতে পারলেও মঙ্গলবার সংঘর্ষের পরে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে গ্রেফতার আতঙ্কে বের হতে পারেন নি তারা। যারা বের হয়েছেন তাদের সবাইকেই গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

কার্যালয়ের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী (দফতরের দায়িত্ব প্রাপ্ত) বার্তা২৪ ডটনেটকে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, ‘‘কি করব ভাই। কালকে বিকেলে পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে যে কার্যালয়ে ঢুকেছি, এখনো এখানেই আছি। রাতে যারাই বের হয়েছে পুলিশ তাদেরই আটক করেছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘সারারাত অবরুদ্ধ অবস্থায় সবাই নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। সকাল থেকেই দুইস্তর বিশিষ্ট পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে পুলিশ কার্যালয় ঘিরে রেখেছে।’’

মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে বলেও জানান রিজভী।

রুহুল কবির রিজভী ছাড়া বিএনপির সিনিয়র কোনো নেতা কার্যালয়ে অবরুদ্ধ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারি বাবু, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েলসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী রয়েছেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশে যাওয়ার পথে  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আববাসের  গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় দুটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ২০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।’’