কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধ বিহার ও বসতবাড়িতে সহিংস ঘটনার পাঁচদিন পরও বৌদ্ধ
সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে আতঙ্ক কাটেনি। স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু ও বৌদ্ধ
সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের নিরাপত্তা ও সহিংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
জানিয়েছেন। তারা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে না দেখে বিচার বিভাগীয়
তদন্তের মাধ্যমে দোষিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
রামুকে বলা হয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির তীর্থস্থান। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের একই সঙ্গে পাশাপাশি বসবাসের হাজার বছরের ঐতিহ্য। কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রামুর বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধদে বাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগের পর মুসলমান এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনদের মধ্যে হাজার বছরের লালিত বিশ্বাসের মাঝে চিড় ধরেছে।
উত্তম কুমার বড়ুয়া নামে এক যুবকের ফেসবুক একাউন্টে কোরআন অবমাননার ছবি ট্যাগ করার ঘটনা নিয়ে হাজার হাজার মুসলমানদের বিক্ষোভ চলাকালে একদল উশৃঙ্খল লোক বৌদ্ধ বিহার ও তাদের বাড়িঘরে তাণ্ডব চালায়। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বৌদ্ধদের উপসনালয় ও তাদের বাড়িঘরে। এরপর থেকেই শুরু স্থানীয় বৌদ্ধদের মনে দাঁনাবাধে ভয়-শঙ্কা। সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার পর থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশপাশি বিভিন্ন ধরনের তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করলেও মনে ভর করেছে অনিশ্চয়তা।
ইতোমধ্যে এই সহিংস ঘটনার পেছনে কারা জড়িত ছিল তার তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সহিংস ঘটনার ৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘটনাস্থলে এসে দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এবং ঢাকায় গিয়ে এই ঘটনার পেছনে বিরোধী দলের জড়িত থাকার কথাও বলেন। তদন্ত শুরু না হওয়ার পূর্বেই মন্ত্রীর ওই ঘোষণায় ঘটনাস্থল রামুতে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কায় স্বয়ং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারাও শঙ্কিত হয়ে উঠেন। তাদের আশঙ্কা দেশের অন্যান্য সহিংস ঘটনার মতো এটাতেও কোনো রাজনীতিকরণ হবে কিনা! তারা এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও দাবি করেছেন।
রামু উপজেলা বৌদ্ধ ঐক্য ও কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরুণ বড়ুয়া বলেন, “রামুর সহিংস ঘটনায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন আতঙ্কিত হলেও স্থানীয় প্রশাসনের নেয়া নানা পদক্ষেপে বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত রয়েছে। দেশের মন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আতঙ্ক কাটাতে এবং সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন।”
রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন, “রামুর ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রবাহিত না করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টামত্মমূলক শাস্তি হোক এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।
রামুকে বলা হয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির তীর্থস্থান। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের একই সঙ্গে পাশাপাশি বসবাসের হাজার বছরের ঐতিহ্য। কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রামুর বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধদে বাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগের পর মুসলমান এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনদের মধ্যে হাজার বছরের লালিত বিশ্বাসের মাঝে চিড় ধরেছে।
উত্তম কুমার বড়ুয়া নামে এক যুবকের ফেসবুক একাউন্টে কোরআন অবমাননার ছবি ট্যাগ করার ঘটনা নিয়ে হাজার হাজার মুসলমানদের বিক্ষোভ চলাকালে একদল উশৃঙ্খল লোক বৌদ্ধ বিহার ও তাদের বাড়িঘরে তাণ্ডব চালায়। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বৌদ্ধদের উপসনালয় ও তাদের বাড়িঘরে। এরপর থেকেই শুরু স্থানীয় বৌদ্ধদের মনে দাঁনাবাধে ভয়-শঙ্কা। সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার পর থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশপাশি বিভিন্ন ধরনের তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করলেও মনে ভর করেছে অনিশ্চয়তা।
ইতোমধ্যে এই সহিংস ঘটনার পেছনে কারা জড়িত ছিল তার তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সহিংস ঘটনার ৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘটনাস্থলে এসে দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এবং ঢাকায় গিয়ে এই ঘটনার পেছনে বিরোধী দলের জড়িত থাকার কথাও বলেন। তদন্ত শুরু না হওয়ার পূর্বেই মন্ত্রীর ওই ঘোষণায় ঘটনাস্থল রামুতে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কায় স্বয়ং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারাও শঙ্কিত হয়ে উঠেন। তাদের আশঙ্কা দেশের অন্যান্য সহিংস ঘটনার মতো এটাতেও কোনো রাজনীতিকরণ হবে কিনা! তারা এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও দাবি করেছেন।
রামু উপজেলা বৌদ্ধ ঐক্য ও কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরুণ বড়ুয়া বলেন, “রামুর সহিংস ঘটনায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন আতঙ্কিত হলেও স্থানীয় প্রশাসনের নেয়া নানা পদক্ষেপে বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত রয়েছে। দেশের মন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আতঙ্ক কাটাতে এবং সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন।”
রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন, “রামুর ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রবাহিত না করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টামত্মমূলক শাস্তি হোক এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।
No comments:
Post a Comment