নেত্রকোনায় বিএনপি নেতা মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে
মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে পুলিশের হামলা, অঙ্গ
সংগঠনগুলোর নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা এবং যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম
হোসেন আলালসহ প্রায় শতাধিত নেতাকর্মীর গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ
করবে বিএনপি।
৮ অক্টোবর সোমবার ঢাকাসহ সারাদেশের সকল মহানগর ও জেলা গুলোতে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ। এতে অর্ধশতাধিক নামে এবং অজ্ঞাতনামা প্রায় আড়াই হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে।
কর্মসূচির বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘৮ অক্টোবর ঢাকাসহ সারাদেশে মহানগর ও জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি। এ সময় ১০ অক্টোবর ১৮ দলের সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ১৭ অক্টোবরের গণমিছিল হবে এবং ৬ অক্টোবর হবিগঞ্জে খালেদা জিয়া জনসভাও অনুষ্ঠিত হবে। বরিশালে ৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৪ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জনসভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান ফখরুল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘মঙ্গলবার নেত্রকোনায় ১৮ দলীয় জোটের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে পুলিশের ছত্রছায়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলা করে। এর প্রতিবাদে নয়াপল্টনে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে সরকারের মদদপুষ্ঠ লোকেরা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ও ভাঙচুর চালায়।’’
কিন্তু পুলিশ অতর্কিত বিক্ষোভ মিছিলে টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করে মিছিল পণ্ড করে দেয়। এতে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয় এবং গতকালই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ ইতিমধ্যে নেতাকর্মীদের নামে তিনটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়েছে।’’
পুলিশ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহার, আটককৃতদের মুক্তি ও আহতদের সুচিকিৎসার দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংসদ সদস্য অ্যা্ডভোকেট আসিফা আশরাফি পাপিয়া, রেহেনা আক্তার রানু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারি বাবু, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল।
৮ অক্টোবর সোমবার ঢাকাসহ সারাদেশের সকল মহানগর ও জেলা গুলোতে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ। এতে অর্ধশতাধিক নামে এবং অজ্ঞাতনামা প্রায় আড়াই হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে।
কর্মসূচির বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘৮ অক্টোবর ঢাকাসহ সারাদেশে মহানগর ও জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি। এ সময় ১০ অক্টোবর ১৮ দলের সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ১৭ অক্টোবরের গণমিছিল হবে এবং ৬ অক্টোবর হবিগঞ্জে খালেদা জিয়া জনসভাও অনুষ্ঠিত হবে। বরিশালে ৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৪ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জনসভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান ফখরুল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘মঙ্গলবার নেত্রকোনায় ১৮ দলীয় জোটের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে পুলিশের ছত্রছায়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলা করে। এর প্রতিবাদে নয়াপল্টনে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে সরকারের মদদপুষ্ঠ লোকেরা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ও ভাঙচুর চালায়।’’
কিন্তু পুলিশ অতর্কিত বিক্ষোভ মিছিলে টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করে মিছিল পণ্ড করে দেয়। এতে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয় এবং গতকালই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ ইতিমধ্যে নেতাকর্মীদের নামে তিনটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়েছে।’’
পুলিশ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহার, আটককৃতদের মুক্তি ও আহতদের সুচিকিৎসার দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংসদ সদস্য অ্যা্ডভোকেট আসিফা আশরাফি পাপিয়া, রেহেনা আক্তার রানু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারি বাবু, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল।
No comments:
Post a Comment