বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য দেয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে আদেশের তারিখ
আগামী ৮ অক্টোবর ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃতে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশের দিন ধার্য করে।
বৃহস্পতিবার সকালে তার আইনজীবী রোজিয়া সুলতানা (চমন) লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বরের লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে দিন ধার্য ছিল ওই দিনও তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করে দেন।
মতিয়া চৌধুরীর পক্ষে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন ও আসামিপক্ষে ব্যারিস্টার এহসান সিদ্দিক শুনানিতে অংশ নেন।
ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন মামলা নিয়ে আদালতের বাইরে বক্তব্য দেয়ায় কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের আইন ভঙ্গের অভিযোগে এনে আবেদন করেছিল কামারুজ্জামানের আইনজীবী।
গত ২৯ আগস্ট মানবতাববেরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির এ আবেদন করেন।
প্রসঙ্গত ডিফেন্সের আবেদনে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট কুষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর এলাকায় ঈদ সামগ্রী বিতরণের সময় তিনি ওই স্থানে ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বক্তব্য দেন। বক্তৃতায় তিনি বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যারা সাফাই সাক্ষী দিতে ট্রাইব্যুনালে আসবে তারা ঘরে ফিরতে পারবে কিনা। ঘরে ফেরার আগেই জনগণ পিটিয়ে তাদের বিচার করে ফেলবে।”
আবেদনে আরো বলা হয় যে, ওই স্থানে মতিয়া চৌধুরী আরো বলেন, “যারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাক্ষ্য দেবে তাদের চিহ্নিত করে এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃতে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশের দিন ধার্য করে।
বৃহস্পতিবার সকালে তার আইনজীবী রোজিয়া সুলতানা (চমন) লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বরের লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে দিন ধার্য ছিল ওই দিনও তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করে দেন।
মতিয়া চৌধুরীর পক্ষে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন ও আসামিপক্ষে ব্যারিস্টার এহসান সিদ্দিক শুনানিতে অংশ নেন।
ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন মামলা নিয়ে আদালতের বাইরে বক্তব্য দেয়ায় কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের আইন ভঙ্গের অভিযোগে এনে আবেদন করেছিল কামারুজ্জামানের আইনজীবী।
গত ২৯ আগস্ট মানবতাববেরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির এ আবেদন করেন।
প্রসঙ্গত ডিফেন্সের আবেদনে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট কুষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর এলাকায় ঈদ সামগ্রী বিতরণের সময় তিনি ওই স্থানে ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বক্তব্য দেন। বক্তৃতায় তিনি বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যারা সাফাই সাক্ষী দিতে ট্রাইব্যুনালে আসবে তারা ঘরে ফিরতে পারবে কিনা। ঘরে ফেরার আগেই জনগণ পিটিয়ে তাদের বিচার করে ফেলবে।”
আবেদনে আরো বলা হয় যে, ওই স্থানে মতিয়া চৌধুরী আরো বলেন, “যারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাক্ষ্য দেবে তাদের চিহ্নিত করে এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”
No comments:
Post a Comment