Pages

Friday, September 21, 2012

পদ্মা সেতু নিয়ে বেশি কথা নয়: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা সেতু নিয়ে বেশি কথা নয়: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, “পদ্মা সেতু নিয়ে বেশি কথা বলা উচিত নয়, বেশি বললে বিষয়টা ঘোলাটে হয়ে যায়। তবে আমরা বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আশা করছি।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

‘বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন: জাতীয় বাজেট ২০১২-১৩’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিডব্লিউসিসিআই)। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সঙ্গীতা আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সেলিমা আহমাদ।

পরে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে বদনাম তুলে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তি বাতিল করা হয়। এখন এই ‘বাতিল’কে পরিবর্তন এবং প্রেস্টিজ সমুন্নত রাখা আমাদের করণীয়। বিশ্বব্যাংক তাদের পদ্ধতিমতো এই প্রকল্পে ঋণ চুক্তি বাতিল করেছে। সুতরাং এটি রিভিউ করা এতটা সহজ নয়।”

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, “অভিযোগে বিশ্বব্যাংক বলেছে দুর্নীতির ‘সম্ভাবনা’ আছে। কিন্তু সেটি প্রমাণিত নয়। আমরা এমন ব্যবস্থা নেব, যেন অভিযোগটি কার্যকর না হয়।”

“পদ্মা সেতু প্রশ্নে বিশ্বব্যাংক এবং বাংলাদেশ উভয় পক্ষ  থেকেই ছাড় দেয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত কিছু হলে আমি আপনাদের জানাবো” যোগ করেন তিনি।

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বিডব্লিউসিসিআইর  জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মুনমুন রহমান এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা নারী উদ্যোক্তারা।

তারা চলতি অর্থবছরে (২০১২-১৩) নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০০ কোটি টাকার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিতে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বিষয়টি পুরোপুরি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের। সেখানেই নারী উদ্যোক্তারা তাদের প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করতে পারেন।

একই সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলেও তিনি দেবেন বলে জানান।

গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি নিয়োগে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি নিয়োগে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ড. সামসুল বারীকে এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে। তিনি  জাতিসংঘের সোমালিয়ার মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ।

বৃহস্পতিবার মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক বাকী খলিলী, সাবেক আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট শিরিন আকতার মইনুদ্দিন, বেসরকারি ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শাহ আলম সরওয়ার এবং গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য তাহসিনা খাতুন।

চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, “আগামী সপ্তাহে সিলেকশন কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে কমিটির কার্যপরিধি চূড়ান্ত করা হবে।”

গ্রাহক পর্যায়ে ১৫ শতাংশ বাড়লো বিদ্যুতের দাম :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

গ্রাহক পর্যায়ে ১৫ শতাংশ বাড়লো বিদ্যুতের দাম :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আরেক দফা বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। খুচরা পর্যায়ে এই দাম ১৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে ১৬ দশমিক ৯২ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাম নির্ধারণ করেছে। কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ হোসেন নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করেন।

মহাজোট সরকারের আমালে সপ্তমবারের মতো বৃদ্ধি পাওয়া এই মূল্যে পাইকারি পর্যায়ে গণশুনানি নেয়া হলেও খুচরা পর্যায়ে কোনো শুনানি নেয়া হয়নি।

এদিকে বিদ্যুতের মূল্য তালিকার ক্রম (স্লাব) তিনটি থেকে বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের ভর্তুকি কমাতে ‘এনার্জি সাপোর্ট ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে।

নতুন স্লাবগুলো হচ্ছে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট। ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট, ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট, ৬০১ থেকে উর্ধ্বে।

সর্বশেষ চলতি বছর ২৯ মার্চ পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এ সময় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ গড়ে ২৮ পয়সা ও ৩০ পয়সা করে বাড়ানো হয়। যা ১ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।

বিইআরসি’র ঘোষিত মূল্য তালিকা চলতি মাস থেকে কার্যকর হবে।

অবশেষে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

অবশেষে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অনেক চড়াই-উতরাই পেরোনোর পরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে ঋণ দেয়ায় বিষয়ে বিশ্বব্যাংককে রাজি করাতে পেরেছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, “বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাইকা এডিবিসহ অন্য দাতাদের সবাইকে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে তারা। আশা করছি, আজ রাতেই বিশ্ব ব্যাংক এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।” এদিকে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ফিরে আসার ব্যাপারে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বর্তমানে ওয়াশিংটনে আছেন। সেখানেই আজ বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে বলে জানা গেছে। এর আগে রাজধানীতে সকালে এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আশা প্রকাশ করে বলেন, “পদ্মা সেতুর ব্যাপারে যেকোনো মুহূর্তে বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত জানতে পারব। এই সেতুর ব্যাপারে বিশ্বব্যাংক ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ঘোষণা দিলেই আনুষ্ঠানিকভাবে জনগণকে বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।” অর্থমন্ত্রী বলেছেন, পদ্মা সেতুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমানের কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। বিশ্বব্যাংকের দেয়া চার শর্তের শেষ শর্ত নিয়ে (অর্থ উপদেষ্টার পদত্যাগ) ওয়াশিংটনে আলোচনা হওয়ার পর পদ্মা সেতু প্রকল্পে বহুজাতিক দাতা সংস্থাটির ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছে বলে ঢাকায় জল্পনা চলছিল। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত সেপ্টেম্বরে বিশ্বব্যাংক ২৯১ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার চুক্তি স্থগিত করে। এরপর চারটি শর্ত দিয়ে তা পালিত হয়নি জানিয়ে গত ২৯ জুন ঋণচুক্তি বাতিল করে সংস্থাটি। এর ফলে এ প্রকল্পের অপর ঋণদাতা এডিবির ৬১ কোটি ৫০ লাখ, জাইকার ৪০ কোটি এবং আইডিবি ১৪ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতিও আটকে যায়। তবে সরকারের অনুরোধে এডিবি ও জাইকা তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ দুই দফা বাড়ায়। এরই মধ্যে বিশ্বব্যাংককে পদ্মা সেতুতে ফেরাতে সরকারের নানা উদ্যোগ চলতে থাকে। বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে তাদের উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগ করেন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসাইন ভূঞা যান ছুটিতে। শর্ত মেনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা এবং পদ্মা প্রকল্পের ইন্টিগ্রিটি অ্যাডভাইজার মসিউর রহমানও ছুটিতে গেছেন বলে সরকারের একাধিক সূত্র গত মঙ্গলবার জানালেও তিনি তা অস্বীকার করে আসছেন। গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলীয় নেতাদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, মসিউর সরে গেলে বিশ্বব্যাংক আগের সিদ্ধান্তে ফিরে আসে।

Thursday, September 20, 2012

সংসদে না এলেও তাকে ধন্যবাদ: খালেদার প্রতি হাসিনা

সংসদে না এলেও তাকে ধন্যবাদ: খালেদার প্রতি হাসিনা
বিরোধী দলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “সংসদে তিনি না এলেও তাকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি ৯০ দিন পর আবার অধিবেশন হলে তিনি আসবেন।”

বুধবাবার নবম জাতীয় সংসদের বৈঠকে সংসদ নেতার সমাপ্তি বক্তব্যে তিনি এ  ধন্যবাদ জানান।

অধিবেশন সফলভাবে শেষ করার জন্য স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, উপনেতা ও সংসদের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনকালে তিনি বিরোধী দলীয় নেতাকেও ধন্যবাদ জানান।

‘হলমার্কের কর ফাঁকির তদন্ত নিয়ম রক্ষার জন্য’

‘হলমার্কের কর ফাঁকির তদন্ত নিয়ম রক্ষার জন্য’

“হলমার্কের কর ফাঁকির তদন্ত নিয়ম রক্ষার জন্য করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল মামলা করবে। কিন্তু কর ফাঁকির মামলা করে কোনো লাভ নেই। এরা দুর্বৃত্ত। এরা সরকারের আড়াই হাজার কোটি টাকা নিয়েছে। ভবিষ্যতে আরো নেবে। তাদের নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করতে ভয় করছে। যে কোনো সময় টার্গেটে পরিণত হতে পারি।” বললেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অডিট ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন মেম্বার মো. আলাউদ্দিন।

হলমার্কের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলা কবে নাগাদ করা হবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বার্তা২৪ ডটনেট-কে বুধবার বিকেলে এ মন্তব্য করেন।

হলমার্কের তদন্তে কী পাওয়া গেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যারা নিয়মনীতি মেনে ব্যবসা করে তারা কর দেয়। আবার অনেকে কর সঠিকভাবে না দিয়ে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে। সন্দেহ হলে এনবিআর তদন্ত করে। কিন্তু দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, হলমার্ক গ্রুপ একটি প্রতারক প্রতিষ্ঠান। তারা আবার কিসের কর দেবে? সুযোগ পেলে তারা রাষ্ট্রের আরো অর্থ হাতিয়ে নেবে।”

এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টিলিজেন্স সেল (সিআইসি) সূত্রে জানা গেছে, হলমার্ক তাদের মালিকানাধীন ৮০টি প্রতিষ্ঠান দাবি করলেও গোয়েন্দা দল ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব শুধু কাগজে-কলমেই। বাস্তব অস্তিত্ব খুঁজে পাননি কর কর্মকর্তারা। এর মধ্যে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের টিআইএন নম্বর রয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত তারা কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেনি।


যদিও হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ গত সপ্তাহে বলেছেন, সোনালী ব্যাংক থেকে দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকা নিলেও এর তুলনায় ২০ গুণ বেশি সম্পদ তার আছে।


জানা গেছে, কয়েক বছরে হলমার্ক গ্রুপের নামে বস্ত্রখাতের ১৪টি প্রতিষ্ঠান কর অঞ্চল-৭-এর কোম্পানি সার্কেল থেকে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নিয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠান কোনো বছরই বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দেয়নি। এই কোম্পানি সার্কেলে ‘এইচ’ আদ্যক্ষর দিয়ে নামের শুরু যেসব কোম্পানি, সেসব প্রতিষ্ঠানের টিআইএন দেওয়া হয়।


আয়কর অধ্যাদেশের ৭৫(১বি) ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক কোম্পানির অবশ্যই আয়কর বিবরণী দাখিল করতে হবে। এর মানে হলো, কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে যদি টিআইএন নেওয়া হয়, প্রতিষ্ঠানটি চালু না হলেও প্রতি বছর আয়কর বিবরণী জমা দিতে হবে। আয় না হলেও খরচ দেখিয়ে আয়কর বিবরণী জমা দিতে হবে।
সম্প্রতি হলমার্ক গ্রুপের অর্থ কেলেঙ্কারির কথা আলোচনায় এলে এনবিআর থেকে এর প্রতিষ্ঠান ও মালিকদের আয়-ব্যয়ের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই হলমার্কের কাগুজে ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের খোঁজ পায় এনবিআর।


হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের ব্যক্তিগত আয়কর ফাঁকিও খতিয়ে দেখছে এনবিআর। ইতিমধ্যে কর অঞ্চল-৭-এর সার্কেল-১৩৪ থেকে এই দুজনের বিগত তিন বছরের বার্ষিক আয়কর বিবরণীর ফাইল তলব করে এনেছে এনবিআরের নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগ।

আয়কর বিবরণী জমা না দেওয়ায় হলমার্ক গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়-ব্যয়, সম্পদের পরিমাণ জানতে পারেননি এনবিআরের কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, এর ফলে হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকৃত অর্থে কী পরিমাণ লভ্যাংশ নিয়েছেন, তা-ও নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।


সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বিগত তিন বছরে হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ আয়ের বিপরীতে তিন কোটি নয় লাখ টাকা কর দিয়েছেন। আর তার স্ত্রী হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম আলোচ্য সময়ে সেই আয়ের বিপরীতে তিন কোটি ৫৯ লাখ টাকা কর দেন। তাদের দুজনের আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে বিপুল অঙ্কের স্থায়ী আমানত (এফডিআর) থেকে প্রাপ্ত সুদের টাকা।

এনবিআরের এক পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, “এটি আসলেই আশ্চ
র্যের বিষয় যে কীভাবে এত টাকা সোনালী ব্যাংক থেকে হাতিয়ে নিল হলমার্ক। ঋণ নিতে হলে হালনগাদ আয়কর দেয়ার তথ্য জানাতে হয় ব্যাংককে। অথচ ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখেনি ব্যাংক।”

বিরোধী দলকে আগামী অধিবেশনে আহ্বান জানিয়ে পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপ্তি

বিরোধী দলকে আগামী অধিবেশনে আহ্বান জানিয়ে পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপ্তি

জনগণকে দেয়া বিরোধী দল বিএনপির প্রতিশ্রুতি রক্ষায় আগামী অধিবেশনে যোগ দেয়ার আহ্বানের মধ্য দিয়ে নবম জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপ্তি হয়েছে।

বুধবার দশম কার্যদিবসের মধ্য দিয়ে এ অধিবেশন শেষ হয়। বিকেল পৌনে পাঁচটায় শুরু হওয়া বৈঠক সমাপ্তি হয় রাত পৌনে ৮টায়।

সমাপ্তি অধিবেশনে স্পিকারের বক্তব্যে আব্দুল হামিদ বলেন, “দেশ ও জাতি সব সময়ই আপনাদের তথা জাতীয় সংসদের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের প্রত্যাশা পূরণের আশায়। সরকারি ও বিরোধীদল বা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার নৈতিক দায়িত্ব হচেছ আমাদের সাংবিধানিক মর্যাদা সমুন্নত রাখা।”

তিনি বলেন, “আমি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব ফোরামেই জাতীয় সংসদের কার্যকর ভূমিকার বিষয়ে আশাবাদ পোষণ করে থাকি। এ ব্যাপারে বিশেষ করে বিরোধী দলকে প্রধান ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়ে আসছি। আশা করছি তারা আগামী অধিবেশনে যোগ দেবেন।”


তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হচেছ এই মহান জাতীয় সংসদ। সংসদীয় কার্যক্রমকে গতিশীল ও ফলপ্রসু করার ক্ষেত্রে আপনাদের অবদান অনস্বীকার্য।”

এ অধিবেশনে কার্যদিবস ছিল ১০টি। এ অধিবেশনে ২২টি সরকারি বিলের মধ্যে ১৩টি বিল পাস হয়। এছাড়া ১টি বেসরকারি বিল উত্থাপিত হয়। আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি কার্যপ্রণালী-বিধির ৭১ বিধিতে ৩০৩টি নোটিশ পাওয়া যায়। নোটিশগুলো হতে ১৫টি গৃহীত হয় এবং গৃহীত নোটিশের মধ্যে ৬টি সংসদে আলোচিত হয়। ৭১ ক বিধিতে দুই মিনিটের আলোচিত নোটিশের সংখ্যা ৭৫  টি।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দানের জন্য ৮৪টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। এরমধ্যে তিনি সম্পূরকসহ ৪৩টি প্রশ্নের উত্তর দেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য প্রাপ্ত ১ হাজার ৯০১টি প্রশ্নের মধ্যে মন্ত্রীরা ৭০৩টি প্রশ্নের জবাব দেন।

এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীবর্গ সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে বিবৃতি দেন।
  
অধিবেশন শেষ করার আগে স্পিকার রাষ্ট্রপতির সমাপ্তির আদেশটি পাঠ করে শোনান।

উপদেষ্টাদের মা-বাপ নেই: মেনন

উপদেষ্টাদের মা-বাপ নেই: মেনন
 ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, ‘‘উপদেষ্টাদের কোনো মা-বাপ নেই। তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না। ফলে জনগণের কাছে তাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই।’’

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সাত দল’ আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন গণআজাদী লীগের সভাপতি আবদুস সামাদ।

মেনন বলেন, ‘‘হলমার্কের অর্থ লোপাটের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। এমনকি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়নি। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেছে, এই কেলেঙ্কারিতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের জোগসাজশ আছে। সে কারণেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না।’’

কুইক রেন্টালের মাধ্যমে অর্থ লোপাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার আইন করেছে তাদের দায় মুক্তির সুযোগ করে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মহাজোট সরকারের এই শরিক নেতা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কেন্দ্রীয় ক্ষমতাসীন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার উদাহরণ টেনে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘‘আমরা এখনো মহাজোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিইনি। আমাদের সমর্থন অব্যাহত রেখেছি।’’

সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এখনো সময় আছে ভুলগুলো সংশোধন করুন। সামনেই নির্বাচন। ভোটের রাজনীতির মাধ্যমে জনগণ এর জবাব দিবে।’’

সামবেশে গণঐক্যের আহবায়ক পংকজ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতায় বলে শেখ হাসিনা কোনো গণবিরোধী কাজ করলে তা মেনে নেয়া যায় না। অন্য দিকে রাজাকারদের রাজত্ব আসছে। আমরা তা আসতে দিতে পারি না।’’

তিনি বলেন, ‘‘মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের নামে যে নাটক হয়েছে মেনন তাতে যোগ না দিয়ে প্রশংসাযোগ্য কাজ করেছেন। তিনি মন্ত্রী হলে রাতের ঘুম হারাম হতো এবং জনগণের পক্ষে আজ কথা বলতে পারতেন না।’’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘‘হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের গ্রেফতার করে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। একজন শ্রমিক মাসে বেতন পান তিন হাজার টাকা, আর জনগণের এত টাকা কেউ লুট করে নিবে, তার বিচার হবে না, তা হতে পারে না।’’

জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে মহাজোটের বাইরে আলাদা একটি জোট গঠনের জন্য সমমনা দলগুলোর প্রতি আহবান জানান তিনি।

হলমার্কসহ সকল আর্থিক খাতের অনিয়ম-দুর্নীতি, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, পাহাড়ি ও আদিবাসীদের ওপর হামলা-মামলা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ এনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

আরো বক্তব্য রাখেন, সাম্যবাদী দলের পলিটব্যুরো’র সদস্য আবু আমের শাহাবুদ্দিন, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, শাহাদৎ হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনসংহতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শক্তিধর ত্রিপুরা, আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিব দ্রং, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ড. অশিত বরণ প্রমুখ।

Wednesday, September 19, 2012

আমরা এখন কিছুটা ব্যালেন্সড টিম: মাশরাফি :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

আমরা এখন কিছুটা ব্যালেন্সড টিম: মাশরাফি :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
ক্যান্ডি এসে বাংলাদেশ দল মঙ্গলবার ছুটি কাটিয়েছে। পুরো দিন শুয়ে বসে কাটালেও বিকালে হোটেলের জিমে চলেছে ব্যায়ামের পর্ব। আর সে কারণেই বাংলাদেশ থেকে আগত সাংবাদিকরা মুশফিকদের বর্তমান আবাসস্থল মাহাউইলি রিচ হোটেলে খোঁজ-খবর নিতে রওয়ানা হয়। স্বাভাবিক নিয়মেই দলের কাউকে না কাউকে মিডিয়া সামনে আসতে হয়। আজ এলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

ক্যান্ডি শহর থেকেই একটু দূরেই অবস্থিত মাহাউইলি রিচ হোটেল। হোটেলের পেছনের দিকটায় বিশাল এক লেক। মনোরম পরিবেশে বসে মাশরাফির সঙ্গে কথা হয় দল আর টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে। শুরুতেই মাশরাফিকে বলতে হয় প্রস্তুতি নিয়ে।

বলেন,‘আসলে আমাদের প্রস্তুতিটা ফিফটি-ফিফটি হয়েছে। তবে সত্যি কথা বলতে প্রস্তুতি একেবারে খারাপও না। আমাদের যতটুকু নেয়ার দরকার ছিল আমরা নিয়েছি। আমাদের হাতে আরো দুইটা দিন আছে অনুশীলনের জন্য। আমরা চেষ্টা করব
আরো যত ভালো করা যায়।”

বাংলাদেশ তো অনেক দিন হল টি২০ খেলছে। বর্তমান দলটির সঙ্গে আগের দলগুলোর কিভাবে তুলনা করবেন? মাশরাফি একটু ভেবে নিয়ে বলেন, “টি২০ শুরু করার পর থেকে আমাদের দলে বেশির ভাগ তারাই আছে। আমরা কাছে মনে হয় বেশি কিছু ম্যাচ খেলতে পেরেছি। এ জন্য কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। নতুন এসে তিনটা সিরিজে জিয়া বেশ ভালো খেলেছে। আগের থেকে আমরা এখন কিছুটা ব্যালেন্সড টিম।”

টি২০ জন্য কি এটা সেরা দল বলবেন? মাশরাফি, “না আসলে দলের বাইরে যারা আছে তারা খেলার সুযোগ পায়নি। সেক্ষেত্রে এটা সেরা দল বলতে পারেন।’

আপনি তো বলেছেন নিউজিল্যান্ডের অনেক ক্রিকেটার একাধিক টুর্নামেন্টে খেলে বলে তাদের অভিজ্ঞতা বেশি। বাংলাদেশও নয় মাসে অনেক বেশি টি২০ খেলেছে। মন্তব্য করুন।

মাশরাফি বলেন, “আমরা তিনটা সিরিজ খেলেছি। আমাদের যত প্রস্তুতি এই খেলার ওপরই নির্ভর করছে। তাছাড়া নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তানের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই টি২০ খেলে অভ্যস্ত। পাকিস্তান দলে যারা টি২০ খেলতে এসেছে তাদের কেউ কিন্তু টেস্ট বা ওডিআই দলে ছিল না। আর নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা সব সময় খেলছে। আমাদের সাকিব খেলছে, তামিম খেলছে, আমরাও খেলেছি। আসলে কে কোথায় খেলেছে তা এখন আর ভাবার সময় নাই। এখন মাঠে পারফর্ম করার সময়। আমরা এমন একটা দল যে দিন আমাদের বেশির ভাগ ক্রিকেটার ভালো খেলে সেদিন আমরা জয় পাই। আমাদের মধ্যে থেকে ছয় বা সাতজন যদি ৭৫ শতাংশ মাঠে উপস্থাপন করতে পারে তাহলে প্রতিপক্ষের জন্য ম্যাচ জেতা কঠিন হবে।”

বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের চাইতে বোলিংয়ে বেশি শক্ত। আইরিশদের বিপক্ষে কিন্তু সেই বোলিং ধারটা ছিল না। কেন? মাশরাফি-“টি২০ ম্যাচে আসলে বলা কঠিন। ডেলি বেসিসে ভালো করা খুব কঠিন কাজ। ব্যালান্সড করে যতটুকু ভালো করা যায় সেটাই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আইরিশদের বিপক্ষে আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে পারিনি। আমাদের পরিকল্পনা কাজে আসেনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা একই পরিকল্পনা নিয়ে বল করব। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে পারলে তো জেতার সুযোগটাই বেশি থাকে। আমরা হেরেছি তার মানে আমাদের পরিকল্পনা কাজে লাগেনি। ২১ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচ আমাদের। আশা তো করছি ভালো করব।”

প্রায় ক্রিকেটারই বলে থাকেন টি২০ ম্যাচে ছোট দল আর বড় দল বলে কিছু নেই। কিন্তু শেষ টুর্নামেন্টগুলোতে বড় দলগুলোই শিরোপা জিতেছে। এবং বড় দলগুলো কিন্তু ধারাবাহিকভাবে খেলেই শিরোপা জিতে নিচ্ছে। আপনি কি বলবেন? মাশরাফি বলেন, “এটা আসলে একটা লেভেল পার করার জন্য। আমরা যেমন বলছি আমরা দ্বিতীয় পর্বে যাব। রিলাঙ কেউ টি২০ ম্যাচে থাকে না। টেনশন কাজ করে। ডে বাই ডে যখন সময় যায় তখন বড় দলগুলো সময় পায় নিজেদের সমস্যাগুলো ঠিক করতে। শিরোপা বড় দলগুলোই নিচ্ছে। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরুতে কিন্তু ওদের মাথায় একটা বাড়তি টেনশন কাজ করে যাতে নেগেটিভ কিছু না হয়।’

নিউজিল্যান্ড দলের দুর্বল জায়গা আপনার দৃষ্টি কোনটা? জবাবে মাশরাফি বলেন, “এটা বলা কঠিন কাজ। ওদের ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগই শক্তিশালী। ওদের মধ্যে আলাদা আলাদা করে দুর্বল জায়গা বের করতে হবে। পুরো দল হিসাব করে সম্ভব নয়।”

আপনি কি মনে করে না প্রস্তুতি ম্যাচ জিম্বাবুয়ে বা আয়ারল্যান্ড নয় বড় কোনো দলের বিপক্ষে খেলতে পারলে ভালো হতো? মাশরাফি-অবশ্যই আমিও মনে করি ভালো হতো। আমরা এখন মূল আসরে যাদের সঙ্গে খেলব তারা অবশ্যই শিরোপা জেতার জন্য খেলবে।

বিশ্বকাপ এলেই নিউজিল্যান্ড ভালো খেলে। আর পাকিস্তান তো বিশ্বকাপ এক বার জিতেছে। আমরা যাদের সঙ্গে এখন খেলব আর যাদের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি তাদের সঙ্গে তাদের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। আমাদের এখন এসব চিন্তা করে লাভ নেই। এখন আমাদের বড় দলগুলোর সঙ্গে ভালো খেলতে হবে। আমরা যে প্রস্তুতিটা নিয়েছি সেটা যেন কাজে লাগে সেই চেষ্টাই করতে হবে।’

আজকের অবসরের কথা বলুন। মাশরাফি-আজকের বিশ্রামটা দরকার ছিল। যার যেটা প্রয়োজন সে সেটা করছে। কিন্তু কাল আমাদের কঠিন অনুশীলন আছে কোচ বলে দিয়েছেন। ২১ সেপ্টেম্বরের আগে কালই আমাদের সবচেয়ে বড় অনুশীলন। পর দিন হালকা অনুশীলন হবে।’

সবাই বলছে পাল্লেকেলির উইকেটে স্লোআর বাউন্স কাজে আসবে। আপনি বলেন? মাশরাফি বলেন,‘দেখুন এখনো জানি পাল্লেকেলির উইকেট সম্পর্কে। তবে আমরা বোলিং কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। স্লোআর বাউন্স নিয়ে আমরা কাজ করছি। শুধু স্লোআর বাউন্সই নয় আরো অনেক কিছু আছে। যদি সফল হতে পারি তাহলে তো কথাই নেই।”

পূজায় কলকাতার বিপণীতে নামছে সুন্দরী পুলিশ :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

পূজায় কলকাতার বিপণীতে নামছে সুন্দরী পুলিশ :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কলকাতার পূজার বাজারে ছিনতাই, চুরি, ইভ টিজিং প্রায় নিয়মিত ঘটনা। তবে এবার পূজায় এসব অযাচিত ঝামেলা এড়াতে এক অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ। চুরি, ছিনতাই, ইভ টিজিং এড়াতে এবার কলকাতার বিপণী বিতানগুলোতে সতর্ক নজর রাখবে সুন্দরী পুলিশ অফিসাররা।

অবশ্য এর আগে ভারতের বারাসাতেও পূজায় অপরাধীদের ধরতে সুন্দরী পুলিশ অফিসারদের দিয়ে ফাঁদ পাতা হয়েছিল। এবার বারাসাতের সেই সাফল্য অনুসরণ করতে যাচ্ছে কলকাতাও।

জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মতোই এবার দারুণ সেজেগুজে সুন্দরী পুলিশ অফিসাররা ঘুরে বেড়াবেন কলকাতার বিপণীগুলোতে। তাদের গলার দামি হার বা কানের দুল দেখে লুটেরার দল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলেই হাতেনাতে ধরবেন আশপাশে লুকিয়ে থাকা পুলিশ সদস্যরা। একই রকম পরিণতি ঘটবে মেয়েদের দেখে হঠাৎ প্রেম উথলে ওঠা নব্য রোমিওদের বেলায়ও। অর্থাৎ ইভ টিজিংয়ের চেষ্টা করলেই সোজা থানায়। 

ইতিমধ্যেই নাকি সুন্দরী পুলিশদের দিয়ে বিভিন্ন বিপণীতে মহড়াও সেরে ফেলেছে কলকাতা পুলিশ বিভাগ। এবার শুধু বাস্তবায়নের পালা।

দুঃসংবাদের চাপে উপেক্ষিত সুখবর :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

দুঃসংবাদের চাপে উপেক্ষিত সুখবর :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কালের কণ্ঠে ১২ সেপ্টেম্বর প্রথম পৃষ্ঠায় তৌফিক মারুফের একটি রিপোর্ট ছাপা হয়। শিরোনাম: ‘কাজে আসছে না টাইফয়েডের ওষুধ, উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা’। উদ্বেগজনক ব্যাপার নিঃসন্দেহে। তবে এর চাইতেও উদ্বেগজনক ছবি ও খবর ছাপায় ওই দিন সব পত্রিকা। আগের দিনের পত্রিকায় ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার ‘অপরাধে’ ছাত্রদলকর্মীদেরকে ছাত্রলীগের বেধড়ক পিটুনির খবর ও ছবি। পরদিনের সব পত্রিকায় খবর ও ছবি ছাপা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলকর্মীদেরকে ছাত্রলীগের বেধড়ক পিটুনি। টাইফয়েডের ক্ষেত্রে ওষুধ প্রয়োগ করেও তা কাজে আসছে না, আর ছাত্রলীগের ক্ষেত্রে কোনো ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছে, এমন খবরও দিতে পারছে না পত্রপত্রিকা। বরং পরদিন কালের কণ্ঠের শীর্ষ সংবাদটি ছিল আরো ভীতিকর: ‘ছাত্রলীগ টেনশন ভিসিদের।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা একদল ছাত্রনামধারীর ভয়ে কম্পমান। কী সুন্দর দেশ!

তবে ছাত্রলীগকে ‘ওষুধ’ না দিলেও সরকার নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে এমনটি ভাবার যে আদৌ অবকাশ নেই, তা জানা যায় ১২ সেপ্টেম্বর নয়া দিগন্তে তৌহিদুল ইসলামের রিপোর্ট ‘নির্বাচন সামনে রেখে ঢেলে সাজানো হচ্ছে পুলিশ’। উপশিরোনাম: ‘দলীয় পরিচয়ে ৩২ হাজার নিয়োগ’। একই দিন নয়া দিগন্তের শীর্ষ সংবাদ ছিল ‘শেয়ারবাজারে খেলোয়াড়দের আনাগোনা’। এছাড়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর ‘এলসি জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত থেকে শত কোটি টাকা লোপাট’। এছাড়া এদিন আমার দেশ-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ ছিল ‘স্বাস্থ্যখাতে হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি’। সব মিলিয়ে বলা চলে, অপশক্তি বসে নেই। তারা সতত আগুয়ান।

১৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভায় রদবদল সংক্রান্ত খবরটি সব পত্রিকায় গুরুত্ব পায়। প্রথম আলো এটিকে শীর্ষ সংবাদ করে। তবে এদিন তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ খবর ছিল লিবিয়ার বেনগাজিতে আমেরিকান দূতাবাসে জনতার হামলায় রাষ্ট্রদূতসহ চার জন নিহত এবং পাকিস্তানে অগ্নিকাণ্ডে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি। দুয়ের মধ্যে হামলার খবরটিকে পত্রিকাগুলো কিছুটা গুরুত্ব দিলেও পাকিস্তানের খবরটি অর্থাৎ তিন শ’র বেশি মানুষের পুড়ে মারা যাওয়ার খবরটিকে অনেক পত্রিকা গুরুত্ব দেয়নি। ব্যতিক্রম ছিল ইত্তেফাক ও নিউ এজ। তারা উভয় খবরকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে ছেপেছে।

একই দিন ইত্তেফাক প্রথম পৃষ্ঠায় ডাবল কলাম বক্স করে ছাপায় আরেকটি চাঞ্চল্যকর খবর ‘হাসিনা-খালেদাকে হত্যার ষড়যন্ত্র?’ বিদেশী নিউজ পোর্টাল সালেম-নিউজ ডটকমের বরাত দিয়ে প্রকাশিত খবরটিতে বলা হয়, ‘একটি বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে’। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে জঙ্গিরা।

বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্মদিন ছিল ১৩ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সংবাদপত্রগুলো দেখে তা’ বোঝার উপায় ছিল না। ব্যতিক্রম ছিল ঐতিহ্যবাহী দৈনিক সংবাদ। তারা সম্পাদকীয় পৃষ্ঠায় তাঁকে স্মরণ করে প্রশংসনীয় কাজটি করে।

একই দিন সংবাদের শীর্ষ সংবাদ ছিল ‘অস্থিতিশীল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়’। এর উপশিরোনাম ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, অভ্যন্তরীণ কোন্দল: সুযোগ নিচ্ছে ছাত্রদল-শিবির’। রাকিব উদ্দিন ও আলী আজমের করা রিপোর্টটির উপশিরোনামের যৌক্তিকতা সারা রিপোর্টের কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না। এতে বলা হয়েছে, ‘ঢাকা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের কাছে মার খেয়েছে ছাত্রদলের কিছু অছাত্র নেতা। এ সুযোগে সক্রিয় হচ্ছে মৌলবাদী ছাত্রসংগঠনগুলো। তারা যেকোনো মূল্যে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া’। এ-ই হচ্ছে খবরটির উপশিরোনামের (সুযোগ নিচ্ছে ছাত্রদল-শিবির) যৌক্তিকতার ‘প্রমাণ’। এছাড়া আর কোথাও ‘সুযোগ নেয়ার’ বিষয়ে একটি লাইনও নেই খবরটিতে। পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন, ছাত্রদলের নেতারা যদি ‘অছাত্র’ হয়েও থাকেন, তাদেরকে মারপিট করার অধিকার ছাত্রলীগকে কে দিয়েছে? মৌলবাদী ছাত্রসংগঠনগুলো বলতে কী বোঝানো হয়েছে, ছাত্রদল কি মৌলবাদী সংগঠন? আর কোনো ছাত্রসংগঠন যদি সন্ত্রাস ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে লিপ্ত হয়, তবে প্রতিপক্ষ তার সুযোগ নেবে না? যেকোনো বৈধ ছাত্রসংগঠন বৈধ পন্থায় ক্যাম্পাসে প্রাধান্য বিস্তার করতে চাওয়া কী অপরাধ? -এসব প্রশ্নের কোনো জবাব নেই রিপোর্টটিতে। সংবাদ-এর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা, যার বয়স এখন ৬২, তার শীর্ষ সংবাদ হতে পারলো এটি! বিস্ময়করই বটে।

তবে বাংলাদেশে কি কিছুতেই বিস্মিত হতে আছে? না, নেই। একেবারেই নেই। তার প্রমাণ ১৩ সেপ্টেম্বর আমার দেশ-এর শীর্ষ সংবাদ। আবদুল্লাহিল গালিবের করা রিপোর্টটি থেকে জানা যায়, কুখ্যাত হলমার্ক কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা হচ্ছে সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি মইনুল হক। সদ্য ওএসডি হওয়া এই হক সায়েব আবার বিতর্কিত সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের ভাই। রিপোর্ট পড়ে জানা যায়, ডিএমডি মহোদয়ের বিরুদ্ধে রূপালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির একাধিক মামলা হয়েছে। ১/১১ সময়ে গঠিত ট্রুথ কমিশনে তিনি নিজের দুর্নীতির কথা স্বীকারও করেছিলেন। তারপরও পরবর্তী মহাজোট সরকার তাকে সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি বানায়।

পর দিন ১৪ সেপ্টেম্বর জানা যায় আরো ‘মজার’ এক খবর। আমার দেশ এদিন দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ করে এম. আবদুল্লাহর রিপোর্ট ‘আবুল হোসেনেরই জয় হলো: পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারিতে জড়িত সাকোর এমডি হলেন মন্ত্রী’। এই এমডি মহোদয়ের নাম মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ। পরদিন আমার দেশ নবনিযুক্তি দুই মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও আবদুল হাইকে নিয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ করে। অলিউল্লাহ নোমান ও আহসান কবীরের রিপোর্টে বলা হয়, মখা আলমগীর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এমপি হিসেবে অযোগ্য আর আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে রয়েছে পাসপোর্ট কেলেঙ্কারিসহ নানা অভিযোগ।

এত অভিযোগ সত্ত্বেও তাদের ঠেকানো যায়নি ‘সব সম্ভবের’ এই দেশে। তবে মাঝে-মধ্যে সব সম্ভবও সম্ভব হয় না। যেমন, সম্ভব হয়নি আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমদ ও মহাজোটের বামপন্থী নেতা রাশেদ খান মেননকে মন্ত্রিসভায় টানা। মন্ত্রিসভায় যোগদানে তাদের অস্বীকৃতির খবরটি পরদিন এবং তারও পরদিন নানাভাবে ছাপায় পত্রিকাগুলো। বিশেষ করে মেননের মন্তব্য ‘কোনো সভ্য দেশে কাউকে এভাবে মন্ত্রী করা হয় না’ ফলাও প্রচার পায়। তবে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের খবরটির সবচাইতে চমকপ্রদ শিরোনামটি দিয়েছে আমার দেশ ‘শেষ বেলায় ৭ মন্ত্রী’। অবশ্য তাদের উপশিরোনাম ‘মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যান করে ইতিহাস সৃষ্টি তোফায়েল-মেননের’ পড়ে পাঠক প্রশ্ন করতেই পারেন, মন্ত্রিত্ব গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানে কী এমন ‘ইতিহাস’ সৃষ্টি হয়!

বরং ওই দিন ‘ইতিহাস’ সৃষ্টি করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক। আমার দেশ সিঙ্গল কলামে খবরটি পরিবেশন করে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু: দ্বিতীয় বারের মতেহা রায় লিখে জমা দিলেন বিচারপতি খায়রুল হক’ শিরোনামে। এতে বলা হয়, ‘রায় ঘোষণার ১৩ মাস পর সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে জানিয়েছিলেন, তিনি রায় লিখে জমা দিয়েছেন। জমা দেয়ার পর কেন রায়টি প্রকাশ হচ্ছে না- এ নিয়ে তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। তখন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছিল বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক রায় লিখে জমা দিয়েছেন বলে। এখন আবার তিনি রায়ে গতকাল স্বাক্ষর করে সুপ্রিম কোর্টে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বেলা আড়াইটার দিকে তার স্বাক্ষরিত রায়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠান বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। গতকাল রায় জমা দেয়ার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রার সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন।’

একই দিন অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ নিয়ে আশরাফুল হক রাজীব রিপোর্ট করেন ‘আরো নাটকীয়তার অপেক্ষা! পরে ১৬ সেপ্টেম্বর সেই নাটকীয়তার খবর ছাপায় সবগুলো পত্রিকা। স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হারান সাহারা খাতুন, তথ্য হাতছাড়া হয় আবুল কালাম আজাদের, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব চলে যায় ড. আবদুর রাজ্জাকের কাছ থেকে, রেল নিয়ে তৎপর ওবায়দুল কাদেরের হাতে থাকে না রেলপথ মন্ত্রণালয়। কালের কণ্ঠ এদিন শীর্ষ সংবাদের শিরোনাম দেয় ‘পাঁচ মন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব’। এছাড়াও নাটকীয়তা বা চমকের খবর আগেভাগে দিতে পেরে এগিয়ে গেছে কালের কণ্ঠ।

একই দিন ‘লিবিয়ার পথে মার্কিন রণতরী’ খবরটিকে যথাযথ গুরুত্বসহকারে পরিবেশন করে এগিয়ে যায় নয়া দিগন্ত ও ইত্তেফাকও। ব্যাপারটি শুধু লিবিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং গ্লোবাল ভিলেজ যুগে আমরা কেউ এই বাস্তবতার বাইরে নই। কাজেই এ খবরটি বাংলাদেশের জন্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ- এ সত্যটি পত্রিকাগুলো বোঝেনি বা বুঝতে চায়নি।

১৫ সেপ্টেম্বরে একই বিষয় নিয়ে শীর্ষ সংবাদ করে দু’টি পত্রিকা- প্রথম আলো ও নয়া দিগন্ত। প্রথম আলোর শিরোনাম ছিল ‘সরকার ও জোটে অস্বস্তি’ এবং নয়া দিগন্ত শিরোনাম করে ‘সরকারে অস্থিরতা’।

একই দিন কালের কণ্ঠ লিখে ‘মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য ভেস্তে গেছে!’ রিপোর্টটি করেছেন পাভেল হায়দার চৌধুরী। ওই দিন প্রথম আলোতে আনোয়ার হোসেনের রিপোর্ট ছিল ‘একের পর এক কেলেঙ্কারিতে সরকার’।

১৬ সেপ্টেম্বর একটি উদ্বেগজনক এবং আরেকটি হাস্যোদ্দীপক খবর ছাপায় আমার দেশ। উদ্বেগজনক হলো ড. কামালের একটি বক্তব্য। তিনি বলেছেন, ‘আমি গুম হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছি’। হাস্যকর খবরটি হলো, চার হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির হোতা হলমার্ক পাঁচ লাখ টাকা ফেরৎ দিয়েছে সোনালী ব্যাংককে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ঘোষণা (১৫ দিনের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা ফেরৎ দেবে হলমার্ক গ্রুপ) অনুযায়ী সোনালী ব্যাংক ওই পরিমাণ অর্থ ফেরৎ দেয়ার জন্য হলমার্ককে সময় বেঁধে দেয়। নির্ধারিত সময় শেষ হবার দু’দিন আগে তাই পাঁচ লাখ টাকা ফেরৎ দিয়ে অর্থমন্ত্রী ও সোনালী ব্যাংকের ইজ্জত বাঁচালো হলমার্ক। সংবাদটি প্রকাশ করে ধন্যবাদাই হয়েছে আমার দেশ।

‘নতুন’ পত্রিকা মানবকণ্ঠ বাজারে আসে ১৬ সেপ্টেম্বর। এদিনের সংখ্যাটি ছিল পত্রিকার ১২ বর্ষ ১৯৩ সংখ্যা। সম্পাদক শাহজাহান সরদার। প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হয় বিশেষ সম্পাদকীয় ‘সুস্থ ধারার সাংবাদিকতা আমাদের অঙ্গীকার’। তবে প্রথম দিনেই ‘হোঁচট’ খায় মানবকণ্ঠ। পঞ্চম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত তিনটি লেখার দু’টিরই শেষ কোথায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় দিন ‘খেলা’ বিভাগের শীর্ষ সংবাদের প্রথম লাইনেই লেখা হয় ‘ঈশা খাঁর আমলে বাংলায় আট মণ ধান পাওয়া যেত’। আসলে ঈশা খাঁ নন, হবে শায়েস্তা খাঁ। ধান নয়, টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত। একই দিন পত্রিকাটির প্রথম পৃষ্ঠায় একটি ডাবল কলাম রিপোর্টের শিরোনাম ‘নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনগুলোর সুযোগ নেয়ার অপেক্ষা’। পাঠক প্রশ্ন করতে পারে, সরকার তো কোনো ছাত্রসংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেনি। তাহলে কে করলো? সরকার ছাড়া কারো কি এই এখতিয়ার আছে? রিপোর্টটি প্রকাশের জন্য ছাড়ার আগে এসব সম্ভাব্য প্রশ্নের জবাব আছে কি না, দেখে নেয়াই কাম্য ছিল। যাহোক, আগামী দিনগুলোতে মানবকণ্ঠ এসব ব্যাপারে আরো সতর্ক হবে, এ কামনা রেখেই তাদের নবযাত্রায় অভিনন্দন রইল।

ইত্তেফাক ১৭ সেপ্টেম্বর একটি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট রিপোর্ট ছাপা হয়। আবুল খায়েরের করা রিপোর্টটির শিরোনাম ‘ফল-সবজি কেমিক্যালমুক্ত হবে সহজেই’ এবং উপশিরোনাম ‘নতুন রাসায়নিক উদ্ভাবন করলেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা’। দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত অসাধারণ উদ্ভাবনার এই রিপোর্টটি যেকোনো বিচারেই শীর্ষ সংবাদ হওয়ার দবি রাখে। ইত্তেফাক কেন এটিকে শেষ পৃষ্ঠায় দুই কলাম শিরোনামে ছাপল, বোঝা দুষ্কর। পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন, সুখবর কি তাহলে ‘খবর’ না?

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয় ১৬ সেপ্টেম্বর। পর দিন ১৭ সেপ্টেম্বর সব দৈনিকই একে শীর্ষ সংবাদ করে। তবে শিরোনামে ব্যতিক্রম ছিল নিউ এজ ও ইত্তেফাক। নিউ এজ শিরোনাম করে: ‘কেয়ারটেকার গবর্নমেন্ট মে বি এন প্লেস ইন নিউ ফর্ম ফর নেক্সট টু পৌল্স্’ এবং ইত্তেফাক লিখে ‘ছোট মন্ত্রিসভা, ৪২ দিন আগে সংসদ বাতিল’।

রায়টি এবং এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত নিয়ে মুখর হয়ে ওঠে আজ ১৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবারের পত্রপত্রিকা। বিশিষ্ট আইনজীবীদের অভিমত ছাপায় নয়া দিগন্ত; ‘গায়ের জোরে রায়, এর কার্যকারিতা নেই’ শিরোনামে। ইত্তেফাক লেখে ‘পূর্ণাঙ্গ রায়ে পাল্টে গেছে সংক্ষিপ্ত রায়’। আমার দেশ-এর শিরোনাম ‘ওপেন কোর্টে ঘোষিত রায়ের সঙ্গে মিল না থাকা মিসকন্ডাক্ট’। নিউ এজ-এর আগের দিনের শিরোনামের সঙ্গে খানিকটা মিলে যায় এদিন প্রথম আলোর শিরোনাম ‘দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের অধীনে হতে বাধা নেই’। রায়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ১/১১ সরকারকে বৈধতা দেয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আমার দেশ-এ এদিন রিপোর্ট করেছেন অলিউল্লাহ নোমান। এছাড়া রায় প্রসঙ্গে বিএনপির প্রতিক্রিয়া ‘প্রধানমন্ত্রীর কথার সাথে রায়ের যোগসূত্র রয়েছে’ ছাপিয়েছে নয়া দিগন্ত।

আগের দিনের মতো আজ মঙ্গলবারও একটি সুখবর ছাপিয়েছে ইত্তেফাক। পিনাকি দাস গুপ্তের রিপোর্টটির শিরোনাম ‘২২ বছর পর ভাগ্য ফিরলো থানা হাজতিদের!’ এতে বলা হয়েছে, থানা হাজতিদের দৈনিক খাবার বরাদ্দ ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করা হয়েছে। প্রশংসনীয় পদক্ষেপ এবং ভালো রিপোর্ট, সন্দেহ নেই। তবে শিরোনামে আশ্চর্যবোধক চিহ্নটি দেখে কেউ অবাক হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে কী?

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি ১ম পর্বে ভর্তি শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি ১ম পর্বে ভর্তি শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে এল এলবি ১ম পর্বের ভর্তি অনলাইনে ১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে। বিলম্ব ফি ছাড়া আগামী ৯ অক্টোবর এবং বিলম্ব ফিসহ ৬ নভেম্বর পর্যন্ত ভর্তি চলবে।

এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd ও সংশ্লিষ্ট কলেজসমূহ থেকে জানা যাবে।

মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই তথ্য জানিয়েছেন।

এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অনুকূলে বিভিন্ন ক্যাটাগরীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ও স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd থেকে জানা যাবে। সকল আবেদনকারীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দেখার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

দিল্লিতে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার করলেই জেল :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

দিল্লিতে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার করলেই জেল :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার সার্বিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল দিল্লি সরকার। যদিও বাস্তবে এর প্রভাব কতটা পড়বে তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে প্রশাসনও।

শুধু রাজধানী দিল্লি নয়, ভারত তথা সমগ্র বিশ্বে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। প্লাস্টিকের কারণে ছড়াতে থাকা পরিবেশ দূষণ নিয়ে সরব নানা সংগঠন। কিন্তু কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না এর ব্যবহার। উপায় খুঁজতে গিয়ে নাকাল প্রায় সব দেশ। বিশেষজ্ঞদের আশা, সাধারণ মানুষের সচেতনতাই একমাত্র পারে প্লাস্টিক-দূষণ থেকে মুক্তি দিতে।

অতি সাধারণ দেখতে এই প্লাস্টিকের ব্যাগই দিনদিন ধ্বংসের পথে এগিয়ে নিয়ে চলেছে এই পৃথিবীকে। যেদিকে তাকানো যায় সেদিকেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এই প্লাস্টিক। জীবনের প্রতিক্ষেত্রে কার্যত অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে এটি।

অথচ প্লাস্টিকের ব্যবহার যে এখনই বন্ধ হওয়া উচিত তা নিয়ে বহুবার সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। পরিবেশকে প্লাস্টিকের ভয়ঙ্কর দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে উদ্যোগী বহু সংগঠন। ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশ প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু তাতে কোনো ফল হয়নি।

১১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানী দিল্লিতে সার্বিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহারের ওপর। এর আগেও দিল্লি সরকার তিন বছরের জন্য প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু তাতে একচুলও রোখা যায়নি এর ব্যবহার। অগত্যা এবার আরো কড়াভাবে জারি করা হল নিষেধাজ্ঞা। এনভায়ারম্যান্ট প্রোটেকশন অ্যাক্ট, ১৯৮৬ এর নিয়ম মেনে লাগু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গকারীর জন্য কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে আইনে। অভিযুক্তের পাঁচ বছর পর্যন্ত হাজতবাস হতে পারে। জরিমানা দিতে হতে পারে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত। অথবা এই দুটি শাস্তিই মিলতে পারে নিষেধাজ্ঞা ভাঙলে।

এতকিছুর পরও কি সত্যিই আটকানো যাবে প্লাস্টিককে? কয়েক যুগ ধরে ধীরে ধীরে মানুষের প্রতিদিনের জীবনে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে গেছে এই প্লাস্টিক। কিন্তু এখন যখন এর অপকারী দিকগুলি একে একে সামনে উঠে আসছে, তখন প্রশাসনের হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও এটিকে জীবন থেকে ঝেড়ে ফেলা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্লাস্টিকের ব্যাগের ব্যবহার মাত্র কিছুক্ষণের। কিন্তু ব্যবহার ফুরোলেই প্লাস্টিক ফুরিয়ে যায় না। এটি এমন এক জিনিস যা জলে ডোবানো হোক, বা আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হোক-তার কুফল ভুগবে পরিবেশ।

দিল্লির পাশাপাশি মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ, গোয়া এবং পশ্চিমবঙ্গ প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। গোটা বিশ্বের দিকে চোখ ফেরালে, উন্নত থেকে উন্নয়নশীল, যেমন বৃটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া, চীন, কেনিয়া সহ বহু দেশ প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছে নাগরিকদের।

কিন্তু শুধু সরকারি উদ্যোগ এক্ষেত্রে যথেষ্ট নয় বলে মত বিশেষজ্ঞদের। বিভিন্ন জায়গায় সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ এখনও প্লাস্টিক ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে। একে বন্ধ করতে হলে সবার আগে মানুষকে সচেতন করা প্রয়োজন বলে মত বিজ্ঞানীদের। তাই তাদের বিধান, যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা-শাস্তির খাঁড়া এসবের আগে মানুষের সচেতন হয়ে এগিয়ে আসাই প্লাস্টিক-রোধের সফল দাওয়াই হয়ে উঠতে পারে।  সূত্র: জিনিউজ।

টেকনাফের খুরশিদা পাচ্ছেন জাতিসংঘের ওয়াংগারি মাথাই পুরস্কার :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

টেকনাফের খুরশিদা পাচ্ছেন জাতিসংঘের ওয়াংগারি মাথাই পুরস্কার :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  বন ও প্রকৃতি রক্ষায় অবদানের জন্য বিশ্বসেরা নারী হিসেবে ওয়াংগারি মাথাই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন টেকনাফের নারী ইউপি সদস্য খুরশিদা বেগম। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ইতালির রাজধানী রোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি পুরস্কার গ্রহণ করবেন।

পুরস্কার বাবদ তাকে ২০ হাজার ডলার (বাংলাদেশের প্রায় ১৭ লাখ টাকা), সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট, যাতায়াতসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) বিপুল কৃষ্ণ দাশ জানান, খুরশিদা বেগমের এ অর্জন শুধু কক্সবাজার জেলার নয়, পুরো বাংলাদেশের। এ পুরস্কার জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে বাংলাদেশ যে এগিয়ে  আছে তা বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে।

পুরস্কার কর্তৃপক্ষের তথ্য বিবরণী সূত্রে জানা যায়, সারা বিশ্বে যেসব নারী বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখছেন তাদের উৎসাহিত করার জন্য ২০১২ সাল থেকে ‘ওয়াংগারি মাথাই’ পুরস্কার চালু করা হয়।

এর আয়োজক হিসেবে আছে জাতিসংঘের কয়েকটি অঙ্গসংস্থাসহ আন্তর্জাতিক ১০টি সংগঠন।

তিন মাস আগে থেকে যারা অবদান রেখেছেন তাদের আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং বিশ্বের পাঁচ শতাধিক নারীর আবেদন জমা পড়ে। আয়োজক কমিটি যাচাই-বাছাই এবং সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের টেকনাফ উপজেলার কেরুনতরী গ্রামের লোকমান হাকিমের মেয়ে খুরশিদা বেগমকে মনোনীত করে। খুরশিদা টেকনাফের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত নারী সদস্য।

বন ও পরিবেশ এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বন অধিদপ্তরের নিসর্গ আইপ্যাক প্রকল্পের টেকনাফ সহব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মহিলা বন পাহারা দল কমিটির সভাপতি খুরশিদা বেগম ২০০৬ সাল থেকে বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ শুরু করেন।

এরপর থেকে ২৮ জন সদস্য নিয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রথম মহিলা বন পাহারা দলের দলনেতা হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রছাত্রী, জনপ্রতিনিধি, উঠান বৈঠকসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি, নিয়মিত বন পাহারা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে প্রকৃতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সাড়া জাগিয়েছেন তিনি।

আইপ্যাক দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার) যোগাযোগ কর্মকর্তা বিশ্বজিত সেন জানান, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নিসর্গ আইপ্যাক   প্রকল্পের পাঁচটি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি হচ্ছে টেকনাফ সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি। সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যতম একটি অংশ হচ্ছে মহিলা বন পাহারাদার দল। এই দলের সভাপতি খুরশিদার অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক কর্মকাণ্ডের ফসল হচ্ছে এই পুরস্কার।

এ ব্যাপারে খুরশিদা বেগম জানান, পুরুষশাসিত সমাজে আমাদের মা-দাদিরা আজন্ম গুটিয়েই ছিলেন। সমাজে আজ বড় দুঃসময়। নারীদের এখন পুরুষের সমানতালে এগোতে হবে। এ প্রোগ্রামের সব নারী পরিবারের সঙ্গে সমাজের অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রাখছেন।

তিনি পুরস্কারের টাকা দলীয় সদস্যাদের মাঝে বণ্টনসহ পরিবেশের জন্য ব্যয় করবেন বলে জানান।

নীলফামারীতে গোবর থেকে মিথেন গ্যাস উৎপাদন :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

নীলফামারীতে গোবর থেকে মিথেন গ্যাস উৎপাদন :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নীলফামারীতে গবাদি পশুর গোবর থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। আর এ বায়োগ্যাসকে ফিল্টার করে সহজে পাওয়া যাচ্ছে মিথেন গ্যাস। যা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চলছে যান্ত্রিক কার। প্রতি কিউবিক মিটার গ্যাস উৎপাদনে ব্যয় হচ্ছে মাত্র ১০ টাকা। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বায়োগ্যাস থেকে রূপান্তরিত মিথেন গ্যাস দিয়ে এ অঞ্চলের জ্বালানি সমস্যা দূর করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা।
 
নীলফামারীর প্রত্যন্ত এলাকা ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়িতে আবু সুফিয়ান নামের এক যুবক নিজ উদ্যোগে স্থাপন করেছেন এ গ্যাস প্লান্ট। তিনি মাত্র পাঁচফুট ডায়ার একটি কূপ থেকে পাওয়া বায়োগ্যাস ফিল্টার করে প্রতিদিন পাচ্ছেন ১০ কিউবিক মিটার মিথেন গ্যাস। এতে প্রয়োজন হয় মাত্র ১০০ কেজি গোবর। এ গ্যাস দিয়ে চালানো হচ্ছে প্রাইভেট কার।
 
আবু সুফিয়ান জানান, ১৫ফুট ডায়ার দু’টি কূপ করা যায় তাহলে প্রতিদিন পাওয়া যাবে ১৫০ কিউবিক মিটার মিথেন গ্যাস। যা দিয়ে চালানো যাবে ২৫টি থ্রি হুইলার সিএনজি। কাঁচামাল হিসেবে এতে প্রয়োজন হবে এক হাজার ৫০০ কেজি গোবর, মুরগির বিষ্ঠা, খড়কুটো, শাক-সব্জির উচ্ছিষ্ট কিংবা কচুরিপানা।
 
আবু সুফিয়ান বলেন, “প্রতিবেশী দেশ ভারতে এরকম সহস্রাধিক গ্যাস প্লান্ট রয়েছে। যা সরকারি সহায়তায় সহজভাবে প্লান্টগুলো পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের আর্থিক সহযোগিতা পেলে এদেশেও এ ধরণের গ্যাস প্লান্ট বাড়ানো সম্ভব। এতে দেশে জ্বালানির ওপর চাপ কমবে। সবার সহযোগিতা পেলে আগামিতে বাণিজ্যিকভাবে এ গ্যাস উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।”
 
গয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবনে ফয়সাল মুন জানান, অর্থের অভাবে আবু সুফিয়ান তার গ্যাস উৎপাদনের প্লান্টের পরিধি বাড়াতে পাড়ছে না। তার মতো অন্যরা এ কাজে এগিয়ে এলে এ অঞ্চলের পেট্রোলের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
 
নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক বলেন, আবু সুফিয়ানের উৎপাদিত মিথেন গ্যাস দিয়ে প্রাইভেট কার চালানো হচ্ছে। তাকে যদি সহযোগিতা করা হয় তাহলে তার উৎপাদিত গ্যাস দিয়ে এ অঞ্চলের জ্বালানি সমস্যার অনেকটা সমাধান হবে।
দেশের জ্বালানি সঙ্কট নিরসনে বায়োগ্যাস থেকে মিথেন গ্যাস প্লান্টের বিকল্প নেই।”
 
এ রকম প্লান্ট স্থাপনে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন এলকাবাসী।

বিক্রিতে রেকর্ডের পথে নতুন আই-ফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিক্রিতে রেকর্ডের পথে নতুন আই-ফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেল আই-ফোন ৫। আগাম বুকিংয়ের হিসাবে পূর্বসূরি আই-ফোন ৪ এসকে অনেক পিছনে ফেলে রেকর্ড গড়তে চলেছে অ্যাপ্লের এই নতুন ফোন।

সোমবারই অ্যাপ্ল জানিয়ে দিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় আই-ফোন ৫-এর জন্য ২০ লক্ষ বরাত পেয়েছে তারা। চাহিদা জোগানকে ছাপিয়ে গিয়েছে। তাই আগাম বরাত দিলেও আই-ফোন ৫ হাতে পেতে অক্টোবর মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে কিছু ক্রেতাকে।
শুক্রবার অ্যাপ্ল স্টোর, ওয়ালমার্টের মতো বিপণি থেকে শুরু হবে আই-ফোন ৫-এর বিক্রি। ম্যানহাটানে অ্যাপ্লের স্টোরের সামনে ইতিমধ্যেই ঘাঁটি গেড়েছেন কিছু উৎসাহী। বিক্রি শুরু হলেই নতুন ফোন হাতে পেতে চান তারা।

“শুধু ফোন কিনতে চাইলে তো অনলাইনে অর্ডার দিতে পারতাম”, বলছেন ২৭ বছরের জেসিকা মেলো। তার বক্তব্য, স্টোরের সামনে ঘাঁটি গেড়ে থাকার মজাই আলাদা। অনেক নতুন অ্যাপল ভক্তের সঙ্গে আলাপ হয়। আই-ফোন ৪ এস-এর জন্যও ঘাঁটি গেড়েছিলেন তিনি।

সানফ্রান্সিসকোর ইয়েরবা বুয়েনা সেন্টারে আই-ফোন ৫-এর উদ্বোধনের সময়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন সিইও টিমোথি কুক। তবে ক্রেতাদের উৎসাহের মাত্রা তারা বুঝতে পারেননি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন অ্যাপ্লের মুখপাত্র নাটালি কেরিস। ২০০৭ সালে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেছিল আই-ফোন। শুক্রবার সেই সময়ের মতোই উন্মাদনা দেখা যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ডোহার্টির বক্তব্য, উন্মাদনার মাত্রা আগে কল্পনা করতে পারেনি অ্যাপ্ল। তারা এক দিনে যে আগাম বরাত পাবে ভেবেছিল তা পেয়ে গিয়েছে এক ঘণ্টায়।

রোববারের পরেই আই-ফোন ৫ পাওয়া কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আরও জোগান আসতে সময় লাগবে।

আমেরিকার বাইরেও আই-ফোন-৫-এর চাহিদা প্রচণ্ড। ডোহার্টির মতে, আমেরিকায় প্রথম দিকে যারা কিনছেন তারা অনেকেই বিদেশি ক্রেতাদের আই ফোন সরবরাহ করবেন। ১৯৯ ডলার থেকে শুরু আই ফোন ৫-এর দাম।

নতুন উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত গোপনীয়তা রক্ষাই রীতি অ্যাপলের। স্যামসাং-এর সঙ্গে মামলার সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল প্রথম আই-ফোন তৈরির কিছু তথ্য। জানা গিয়েছিল, কিভাবে গোটা বিশ্বের ক্রেতা তথা ভক্তদের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করে অ্যাপল। আই-ফোন ৫ নিয়েও জল্পনা-কল্পনা চলেছে বহুদিন ধরে। নতুন ফোন ভক্তদের প্রত্যাশা মেটাবে বলেই আশায় বুক বাঁধছে অ্যাপল। সূত্র: ওয়েবসাইট।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ইউটিউব বন্ধ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ইউটিউব বন্ধ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
  বাংলাদেশে এবং পাকিস্তানে তাদের ইন্টারনেট ব্যবস্থা থেকে ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব বন্ধ করে দিয়েছে।

আমেরিকায় তৈরি একটি অপেশাদার চলচ্চিত্রে ইসলাম ধর্মের নবী মোহাম্মদ সা.কে অবমাননা করা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ওই ভিডিও চিত্র সরিয়ে ফেলার অনুরোধ জানানো হয় ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছে।

সর্বশেষ জানা যাচ্ছে, সেটি প্রত্যাখ্যান করায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফ ইউটিউব ওয়েবসাইট বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে আমেরিকাও গুগলকে ওই ভিডিও সরিয়ে ফেলার অনুরোধ জানায়, গুগল সেটিও প্রত্যাখ্যান করে।

এখন পর্যন্ত গুগল কর্তৃপক্ষ ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মিশর ও লিবিয়ায় ওিই ভিডিও-চিত্রটির প্রচার বন্ধ রেখেছে।

তারা জানিয়েছে, ওই সব দেশের স্থানীয় আইন অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশেও বন্ধ ইউটিউব
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা বিটিআরসি সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে বাংলাদেশে ইউটিউবের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয় বলে সংস্থাটির কর্মকর্তারা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন।

তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কিংবা বিটিআরসির তরফ থেকে কোনো বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়নি।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউটিউব’র ওয়েবসাইট বন্ধ করতে সরকারের নির্দেশ আসার পর পরই তারা ইউটিউবের ওয়েবসাইট বন্ধের ব্যবস্থা নিয়েছেন।

এর আগে গত ১৬ ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ইসলাম ধর্মের নবী মোহাম্মদ সা.কে অবমাননা করে তৈরি করা চলচ্চিত্রের অংশবিশেষ, যেটি ইউটিউব ওয়েবসাইটে ছিল, তা সরিয়ে ফেলার জন্য ওয়েবসাইটটির মালিক পক্ষ গুগলকে ইমেইল, ফ্যাক্সসহ বিভিন্নভাবে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা জানান, ১৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা গুগল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ওই চিঠির কোনো জবাব পাননি।
 
নবী মোহাম্মদ সা.কে অবমাননা করে তৈরি যে ভিডিও ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার গত ১৪ তারিখেই তার তীব্র নিন্দা জানায়।

এ বিষয়ে সরকারের পররাষ্ট্র দফতরের দেয়া বিবৃতিতে বলা হয় মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে এমন ঘৃণা ছড়ানো কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

তাছাড়া গত রোববার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ইউটিউবে বিতর্কিত ওই চলচ্চিত্র প্রদর্শনের বিষয়ে তীব্র প্রত্রিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

প্রতিবাদ অব্যাহত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
ওই ব্যাঙ্গ চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের এক প্রতিবাদ সমাবেশে লেবাননে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নসরুল্লাহ চলচ্চিত্রের বিষয়টি নিয়ে আমেরিকাকে সতর্ক করে দেন। মি. নসরুল্লাহ তার ভাষণে বিতর্কিত ওই চলচ্চিত্রটি প্রচার বন্ধ করার আহ্বান জানান আমেরিকার প্রতি।

তিনি বলেন, “আমেরিকাকে বুঝতে হবে, ওই চলচ্চিত্রটি সম্পূর্ণ প্রচার করা হলে বিশ্বের জন্য সেটি ভয়ঙ্কর খারাপ একটি পরিণতি ডেকে আনবে। প্রতিটি দেশের সরকারের উচিত ওই চলচ্চিত্র আছে এমন যেকোনো ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া।’

এছাড়া ফিলিপিন্স, ইয়েমেন, পশ্চিম তীর, ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গায় মানুষ ওই চলচ্চিত্রের প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে গত মঙ্গলবার থেকে বিভিন্ন সহিংসতায় একডজনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

এদিকে ইউটিউবের পক্ষ থেকে বিবিসিকে জানানো হয়েছে, তাদের নীতিমালা ভঙ্গ না করায়, তারা ভিডিওটি সরিয়ে দেয়ার পক্ষপাতী নয়।

তবে এধরনের ভিডিও যেসব দেশে অবৈধ শুধু সেসব দেশেই তারা এর প্রচার বন্ধ রেখেছেন।

এছাড়া ভারত, ইন্দোনেশিয়া লিবিয়া ইত্যাদি দেশে ওই নির্দিষ্ট ভিডিওটির প্রচার ইউটিউব নিজেরাই বন্ধ রেখেছে। সূত্র: বিবিসি

হটসিটে শ্রীদেবী :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

হটসিটে শ্রীদেবী :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রায় ২২ বছর ধরে বলিউডের প্রথম সারিতে পাকাপাকিভাবে রাজত্ব করে অভিনয় ছেড়েছিলেন শ্রীদেবী। হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে এত দীর্ঘ সময় ধরে রাজত্ব করার রেকর্ড আর কোনোত্রীর নেই। আর তাই ১৫ বছর পর তার ক্যামব্যাক নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনার পারদ চরমে। কিন্তু শ্রীদেবীর ক্যামব্যাক বলে কথা! দর্শকদের প্রত্যাশাও গগণচুম্বী। তাই প্রোমোশনের জন্য কেবিসির মঞ্চকেই বেছে নিলেন চাঁদনি। `কওন বনেগা ক্রোড়পতি সিজন ৬`-এর হটসিটে বসতে চলেছেন শ্রীদেবী।

নবাগত পরিচালক গৌরী শিন্ডের `ইংলিশ ভিংলিশ` ছবি দিয়ে বলিউডে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন ৪৯ বছরের শ্রীদেবী। প্রসঙ্গত, এই ছবিতে ক্যামিও রোলে রয়েছেন বিগ বি। ১৯৯২ সালে মুক্তি পাওয়া `খুদা গাওয়া`র ২০ বছর পর শ্রীদেবীর সঙ্গে অভিনয় করে অভিভূত অমিতাভ টুইট করেছিলেন, “বী এখনও একইরকম...উচ্ছ্বল, স্বতস্ফূর্ত, প্রাণবন্ত।”`খুদা গাওয়া` ছাড়াও `আখরি রিস্তা` এবং `ইনকিলাব` ছবিতেও শ্রীদেবীর সঙ্গে অভিনয় করেছেন অমিতাভ।

আগামী ৫ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে `ইংলিশ ভিংলিশ`। সূত্র: জিনিউজ।

অভিনেতা দীলিপ চক্রবর্তীর প্রয়াণ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

অভিনেতা দীলিপ চক্রবর্তীর প্রয়াণ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মারা গেছেন বিশিষ্ট মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা দীলিপ চক্রবর্তী। সোমবার তিনি তার নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঘুমের মধ্যে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৩৫ বছর।
 
তার মরদেহ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালা চত্বরে নিয়ে এলে এক বেদনাবিধুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
 
এ সময় বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন থিয়েটার দলের নাট্যকর্মী এবং বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
 
দীলিপ চক্রবর্তী ১৯৮৯ সালে ঢাকার দেশ নাটকের সাথে যুক্ত হন। টানা চার বছর মঞ্চে কাজ করার পর টিভি নাটকে অভিনয় শুরু করেন।তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে দীপংকর দীপনের ‘টেম্পু’, মেজবাউর রহমান সুমনের ‘দখিনের জানালার খোলা আলো আসে ফিরে যায়’, শিহাব শাহিনের ‘মামুলি একটা মানুষ’সহ আরো বেশ কিছু খন্ড ও ধারাবাহিক নাটক।এছাড়া তিনি নোমান রবিনের ‘কমন জেন্ডার’, বেলাল আহমেদের ‘অনিশ্চিত যাত্রা’ নামে দুটি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন।
 
শিল্পকলা একাডেমী ভবনে সবার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।

ম্যালেরিয়া নির্মূলের পদ্ধতি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ম্যালেরিয়া নির্মূলের পদ্ধতি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সাম্প্রতিককালে অনেক কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েই মানুষ মৃত্যুবরণ করছেন। তেমনই এক প্রাণনাশকারী ভয়ঙ্কর রোগ হলো ম্যালেরিয়া। এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মল করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন ডেনমার্ক এবং আমেরিকার গবেষকরা।

সম্প্রতি প্রকাশিত তাদের গবেষণ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মশার মধ্যে সেই জিন পাওয়া গিয়েছে যা ‘ওচিস্ট’ নামের ডিমের মতো আকৃতি গড়ে তোলে। ওই ওচিস্টই আবার নতুন করে পরজীবী সৃষ্টিতে সাহায্য করে।

গবেষক দলটি তাদের নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স-এ প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

প্রত্যেক বছরই ৩০ থেকে ৫০ কোটি মানুষ এই ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হন। তাদের বেশির ভাগই আফ্রিকা মহাদেশের।

ম্যালেরিয়ায় প্রতি বছরই এক কোটি লোকের মৃত্যু ঘটে। তা ছাড়া এই ভয়াবহ রোগ প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একজন শিশুর প্রাণ কেড়ে নেয়। ম্যালেরিয়ার জটিল জীবনচক্রের জন্য পরজীবীগুলোকে ওষুধ এবং ইনজেকশন দিয়ে ধ্বংস করা খুবই কঠিন। মশার মধ্যে পরজীবীগুলোর জন্ম ও বৃদ্ধি হয়। মশার কামড়ের ফলে এগুলো মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যালেরিয়া রোধের জন্য মশার ভেতর পরজীবী সৃষ্টিতে বাধা দেয়ার ব্যাপারেই গবেষকরা গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ এটা সম্ভব হলেই মশাগুলো মানুষের দেহে আর কোনো ধরনের জীবাণু ছড়াতে পারবে না।

সাম্প্রতিককালে ম্যালেরিয়া যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে তার অন্যতম কারণ হলো জীবাণুগুলোর মধ্যে ওষুধ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠেছে, ইনজেকশনও অনেক দেরিতে কাজ করছে।