বিরোধী দলকে আগামী অধিবেশনে আহ্বান জানিয়ে পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপ্তি
জনগণকে দেয়া বিরোধী দল বিএনপির প্রতিশ্রুতি রক্ষায় আগামী অধিবেশনে যোগ
দেয়ার আহ্বানের মধ্য দিয়ে নবম জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপ্তি
হয়েছে।
বুধবার দশম কার্যদিবসের মধ্য দিয়ে এ অধিবেশন শেষ হয়। বিকেল পৌনে পাঁচটায় শুরু হওয়া বৈঠক সমাপ্তি হয় রাত পৌনে ৮টায়।
সমাপ্তি অধিবেশনে স্পিকারের বক্তব্যে আব্দুল হামিদ বলেন, “দেশ ও জাতি সব সময়ই আপনাদের তথা জাতীয় সংসদের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের প্রত্যাশা পূরণের আশায়। সরকারি ও বিরোধীদল বা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার নৈতিক দায়িত্ব হচেছ আমাদের সাংবিধানিক মর্যাদা সমুন্নত রাখা।”
তিনি বলেন, “আমি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব ফোরামেই জাতীয় সংসদের কার্যকর ভূমিকার বিষয়ে আশাবাদ পোষণ করে থাকি। এ ব্যাপারে বিশেষ করে বিরোধী দলকে প্রধান ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়ে আসছি। আশা করছি তারা আগামী অধিবেশনে যোগ দেবেন।”
তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হচেছ এই মহান জাতীয় সংসদ। সংসদীয় কার্যক্রমকে গতিশীল ও ফলপ্রসু করার ক্ষেত্রে আপনাদের অবদান অনস্বীকার্য।”
এ অধিবেশনে কার্যদিবস ছিল ১০টি। এ অধিবেশনে ২২টি সরকারি বিলের মধ্যে ১৩টি বিল পাস হয়। এছাড়া ১টি বেসরকারি বিল উত্থাপিত হয়। আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি কার্যপ্রণালী-বিধির ৭১ বিধিতে ৩০৩টি নোটিশ পাওয়া যায়। নোটিশগুলো হতে ১৫টি গৃহীত হয় এবং গৃহীত নোটিশের মধ্যে ৬টি সংসদে আলোচিত হয়। ৭১ ক বিধিতে দুই মিনিটের আলোচিত নোটিশের সংখ্যা ৭৫ টি।
এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দানের জন্য ৮৪টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। এরমধ্যে তিনি সম্পূরকসহ ৪৩টি প্রশ্নের উত্তর দেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য প্রাপ্ত ১ হাজার ৯০১টি প্রশ্নের মধ্যে মন্ত্রীরা ৭০৩টি প্রশ্নের জবাব দেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীবর্গ সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে বিবৃতি দেন।
অধিবেশন শেষ করার আগে স্পিকার রাষ্ট্রপতির সমাপ্তির আদেশটি পাঠ করে শোনান।
বুধবার দশম কার্যদিবসের মধ্য দিয়ে এ অধিবেশন শেষ হয়। বিকেল পৌনে পাঁচটায় শুরু হওয়া বৈঠক সমাপ্তি হয় রাত পৌনে ৮টায়।
সমাপ্তি অধিবেশনে স্পিকারের বক্তব্যে আব্দুল হামিদ বলেন, “দেশ ও জাতি সব সময়ই আপনাদের তথা জাতীয় সংসদের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের প্রত্যাশা পূরণের আশায়। সরকারি ও বিরোধীদল বা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার নৈতিক দায়িত্ব হচেছ আমাদের সাংবিধানিক মর্যাদা সমুন্নত রাখা।”
তিনি বলেন, “আমি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব ফোরামেই জাতীয় সংসদের কার্যকর ভূমিকার বিষয়ে আশাবাদ পোষণ করে থাকি। এ ব্যাপারে বিশেষ করে বিরোধী দলকে প্রধান ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়ে আসছি। আশা করছি তারা আগামী অধিবেশনে যোগ দেবেন।”
তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হচেছ এই মহান জাতীয় সংসদ। সংসদীয় কার্যক্রমকে গতিশীল ও ফলপ্রসু করার ক্ষেত্রে আপনাদের অবদান অনস্বীকার্য।”
এ অধিবেশনে কার্যদিবস ছিল ১০টি। এ অধিবেশনে ২২টি সরকারি বিলের মধ্যে ১৩টি বিল পাস হয়। এছাড়া ১টি বেসরকারি বিল উত্থাপিত হয়। আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি কার্যপ্রণালী-বিধির ৭১ বিধিতে ৩০৩টি নোটিশ পাওয়া যায়। নোটিশগুলো হতে ১৫টি গৃহীত হয় এবং গৃহীত নোটিশের মধ্যে ৬টি সংসদে আলোচিত হয়। ৭১ ক বিধিতে দুই মিনিটের আলোচিত নোটিশের সংখ্যা ৭৫ টি।
এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দানের জন্য ৮৪টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। এরমধ্যে তিনি সম্পূরকসহ ৪৩টি প্রশ্নের উত্তর দেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য প্রাপ্ত ১ হাজার ৯০১টি প্রশ্নের মধ্যে মন্ত্রীরা ৭০৩টি প্রশ্নের জবাব দেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীবর্গ সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে বিবৃতি দেন।
অধিবেশন শেষ করার আগে স্পিকার রাষ্ট্রপতির সমাপ্তির আদেশটি পাঠ করে শোনান।
No comments:
Post a Comment