বন ও প্রকৃতি রক্ষায় অবদানের জন্য বিশ্বসেরা নারী হিসেবে ওয়াংগারি মাথাই
পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন টেকনাফের নারী ইউপি সদস্য খুরশিদা বেগম। চলতি মাসের
শেষ সপ্তাহে ইতালির রাজধানী রোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি পুরস্কার গ্রহণ
করবেন।
পুরস্কার বাবদ তাকে ২০ হাজার ডলার (বাংলাদেশের প্রায় ১৭ লাখ টাকা), সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট, যাতায়াতসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।
কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) বিপুল কৃষ্ণ দাশ জানান, খুরশিদা বেগমের এ অর্জন শুধু কক্সবাজার জেলার নয়, পুরো বাংলাদেশের। এ পুরস্কার জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে বাংলাদেশ যে এগিয়ে আছে তা বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে।
পুরস্কার কর্তৃপক্ষের তথ্য বিবরণী সূত্রে জানা যায়, সারা বিশ্বে যেসব নারী বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখছেন তাদের উৎসাহিত করার জন্য ২০১২ সাল থেকে ‘ওয়াংগারি মাথাই’ পুরস্কার চালু করা হয়।
এর আয়োজক হিসেবে আছে জাতিসংঘের কয়েকটি অঙ্গসংস্থাসহ আন্তর্জাতিক ১০টি সংগঠন।
তিন মাস আগে থেকে যারা অবদান রেখেছেন তাদের আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং বিশ্বের পাঁচ শতাধিক নারীর আবেদন জমা পড়ে। আয়োজক কমিটি যাচাই-বাছাই এবং সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের টেকনাফ উপজেলার কেরুনতরী গ্রামের লোকমান হাকিমের মেয়ে খুরশিদা বেগমকে মনোনীত করে। খুরশিদা টেকনাফের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত নারী সদস্য।
বন ও পরিবেশ এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বন অধিদপ্তরের নিসর্গ আইপ্যাক প্রকল্পের টেকনাফ সহব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মহিলা বন পাহারা দল কমিটির সভাপতি খুরশিদা বেগম ২০০৬ সাল থেকে বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ শুরু করেন।
এরপর থেকে ২৮ জন সদস্য নিয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রথম মহিলা বন পাহারা দলের দলনেতা হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রছাত্রী, জনপ্রতিনিধি, উঠান বৈঠকসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি, নিয়মিত বন পাহারা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে প্রকৃতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সাড়া জাগিয়েছেন তিনি।
আইপ্যাক দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার) যোগাযোগ কর্মকর্তা বিশ্বজিত সেন জানান, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নিসর্গ আইপ্যাক প্রকল্পের পাঁচটি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি হচ্ছে টেকনাফ সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি। সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যতম একটি অংশ হচ্ছে মহিলা বন পাহারাদার দল। এই দলের সভাপতি খুরশিদার অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক কর্মকাণ্ডের ফসল হচ্ছে এই পুরস্কার।
এ ব্যাপারে খুরশিদা বেগম জানান, পুরুষশাসিত সমাজে আমাদের মা-দাদিরা আজন্ম গুটিয়েই ছিলেন। সমাজে আজ বড় দুঃসময়। নারীদের এখন পুরুষের সমানতালে এগোতে হবে। এ প্রোগ্রামের সব নারী পরিবারের সঙ্গে সমাজের অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রাখছেন।
তিনি পুরস্কারের টাকা দলীয় সদস্যাদের মাঝে বণ্টনসহ পরিবেশের জন্য ব্যয় করবেন বলে জানান।
পুরস্কার বাবদ তাকে ২০ হাজার ডলার (বাংলাদেশের প্রায় ১৭ লাখ টাকা), সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট, যাতায়াতসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।
কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) বিপুল কৃষ্ণ দাশ জানান, খুরশিদা বেগমের এ অর্জন শুধু কক্সবাজার জেলার নয়, পুরো বাংলাদেশের। এ পুরস্কার জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে বাংলাদেশ যে এগিয়ে আছে তা বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে।
পুরস্কার কর্তৃপক্ষের তথ্য বিবরণী সূত্রে জানা যায়, সারা বিশ্বে যেসব নারী বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখছেন তাদের উৎসাহিত করার জন্য ২০১২ সাল থেকে ‘ওয়াংগারি মাথাই’ পুরস্কার চালু করা হয়।
এর আয়োজক হিসেবে আছে জাতিসংঘের কয়েকটি অঙ্গসংস্থাসহ আন্তর্জাতিক ১০টি সংগঠন।
তিন মাস আগে থেকে যারা অবদান রেখেছেন তাদের আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং বিশ্বের পাঁচ শতাধিক নারীর আবেদন জমা পড়ে। আয়োজক কমিটি যাচাই-বাছাই এবং সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের টেকনাফ উপজেলার কেরুনতরী গ্রামের লোকমান হাকিমের মেয়ে খুরশিদা বেগমকে মনোনীত করে। খুরশিদা টেকনাফের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত নারী সদস্য।
বন ও পরিবেশ এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বন অধিদপ্তরের নিসর্গ আইপ্যাক প্রকল্পের টেকনাফ সহব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মহিলা বন পাহারা দল কমিটির সভাপতি খুরশিদা বেগম ২০০৬ সাল থেকে বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ শুরু করেন।
এরপর থেকে ২৮ জন সদস্য নিয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রথম মহিলা বন পাহারা দলের দলনেতা হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রছাত্রী, জনপ্রতিনিধি, উঠান বৈঠকসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি, নিয়মিত বন পাহারা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে প্রকৃতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সাড়া জাগিয়েছেন তিনি।
আইপ্যাক দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার) যোগাযোগ কর্মকর্তা বিশ্বজিত সেন জানান, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নিসর্গ আইপ্যাক প্রকল্পের পাঁচটি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি হচ্ছে টেকনাফ সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি। সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যতম একটি অংশ হচ্ছে মহিলা বন পাহারাদার দল। এই দলের সভাপতি খুরশিদার অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক কর্মকাণ্ডের ফসল হচ্ছে এই পুরস্কার।
এ ব্যাপারে খুরশিদা বেগম জানান, পুরুষশাসিত সমাজে আমাদের মা-দাদিরা আজন্ম গুটিয়েই ছিলেন। সমাজে আজ বড় দুঃসময়। নারীদের এখন পুরুষের সমানতালে এগোতে হবে। এ প্রোগ্রামের সব নারী পরিবারের সঙ্গে সমাজের অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রাখছেন।
তিনি পুরস্কারের টাকা দলীয় সদস্যাদের মাঝে বণ্টনসহ পরিবেশের জন্য ব্যয় করবেন বলে জানান।
No comments:
Post a Comment