ক্যান্ডি এসে বাংলাদেশ দল মঙ্গলবার ছুটি কাটিয়েছে। পুরো দিন শুয়ে বসে
কাটালেও বিকালে হোটেলের জিমে চলেছে ব্যায়ামের পর্ব। আর সে কারণেই বাংলাদেশ
থেকে আগত সাংবাদিকরা মুশফিকদের বর্তমান আবাসস্থল মাহাউইলি রিচ হোটেলে
খোঁজ-খবর নিতে রওয়ানা হয়। স্বাভাবিক নিয়মেই দলের কাউকে না কাউকে মিডিয়া
সামনে আসতে হয়। আজ এলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
ক্যান্ডি শহর থেকেই একটু দূরেই অবস্থিত মাহাউইলি রিচ হোটেল। হোটেলের পেছনের দিকটায় বিশাল এক লেক। মনোরম পরিবেশে বসে মাশরাফির সঙ্গে কথা হয় দল আর টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে। শুরুতেই মাশরাফিকে বলতে হয় প্রস্তুতি নিয়ে।
বলেন,‘আসলে আমাদের প্রস্তুতিটা ফিফটি-ফিফটি হয়েছে। তবে সত্যি কথা বলতে প্রস্তুতি একেবারে খারাপও না। আমাদের যতটুকু নেয়ার দরকার ছিল আমরা নিয়েছি। আমাদের হাতে আরো দুইটা দিন আছে অনুশীলনের জন্য। আমরা চেষ্টা করব
আরো যত ভালো করা যায়।”
বাংলাদেশ তো অনেক দিন হল টি২০ খেলছে। বর্তমান দলটির সঙ্গে আগের দলগুলোর কিভাবে তুলনা করবেন? মাশরাফি একটু ভেবে নিয়ে বলেন, “টি২০ শুরু করার পর থেকে আমাদের দলে বেশির ভাগ তারাই আছে। আমরা কাছে মনে হয় বেশি কিছু ম্যাচ খেলতে পেরেছি। এ জন্য কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। নতুন এসে তিনটা সিরিজে জিয়া বেশ ভালো খেলেছে। আগের থেকে আমরা এখন কিছুটা ব্যালেন্সড টিম।”
টি২০ জন্য কি এটা সেরা দল বলবেন? মাশরাফি, “না আসলে দলের বাইরে যারা আছে তারা খেলার সুযোগ পায়নি। সেক্ষেত্রে এটা সেরা দল বলতে পারেন।’
আপনি তো বলেছেন নিউজিল্যান্ডের অনেক ক্রিকেটার একাধিক টুর্নামেন্টে খেলে বলে তাদের অভিজ্ঞতা বেশি। বাংলাদেশও নয় মাসে অনেক বেশি টি২০ খেলেছে। মন্তব্য করুন।
মাশরাফি বলেন, “আমরা তিনটা সিরিজ খেলেছি। আমাদের যত প্রস্তুতি এই খেলার ওপরই নির্ভর করছে। তাছাড়া নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তানের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই টি২০ খেলে অভ্যস্ত। পাকিস্তান দলে যারা টি২০ খেলতে এসেছে তাদের কেউ কিন্তু টেস্ট বা ওডিআই দলে ছিল না। আর নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা সব সময় খেলছে। আমাদের সাকিব খেলছে, তামিম খেলছে, আমরাও খেলেছি। আসলে কে কোথায় খেলেছে তা এখন আর ভাবার সময় নাই। এখন মাঠে পারফর্ম করার সময়। আমরা এমন একটা দল যে দিন আমাদের বেশির ভাগ ক্রিকেটার ভালো খেলে সেদিন আমরা জয় পাই। আমাদের মধ্যে থেকে ছয় বা সাতজন যদি ৭৫ শতাংশ মাঠে উপস্থাপন করতে পারে তাহলে প্রতিপক্ষের জন্য ম্যাচ জেতা কঠিন হবে।”
বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের চাইতে বোলিংয়ে বেশি শক্ত। আইরিশদের বিপক্ষে কিন্তু সেই বোলিং ধারটা ছিল না। কেন? মাশরাফি-“টি২০ ম্যাচে আসলে বলা কঠিন। ডেলি বেসিসে ভালো করা খুব কঠিন কাজ। ব্যালান্সড করে যতটুকু ভালো করা যায় সেটাই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আইরিশদের বিপক্ষে আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে পারিনি। আমাদের পরিকল্পনা কাজে আসেনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা একই পরিকল্পনা নিয়ে বল করব। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে পারলে তো জেতার সুযোগটাই বেশি থাকে। আমরা হেরেছি তার মানে আমাদের পরিকল্পনা কাজে লাগেনি। ২১ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচ আমাদের। আশা তো করছি ভালো করব।”
প্রায় ক্রিকেটারই বলে থাকেন টি২০ ম্যাচে ছোট দল আর বড় দল বলে কিছু নেই। কিন্তু শেষ টুর্নামেন্টগুলোতে বড় দলগুলোই শিরোপা জিতেছে। এবং বড় দলগুলো কিন্তু ধারাবাহিকভাবে খেলেই শিরোপা জিতে নিচ্ছে। আপনি কি বলবেন? মাশরাফি বলেন, “এটা আসলে একটা লেভেল পার করার জন্য। আমরা যেমন বলছি আমরা দ্বিতীয় পর্বে যাব। রিলাঙ কেউ টি২০ ম্যাচে থাকে না। টেনশন কাজ করে। ডে বাই ডে যখন সময় যায় তখন বড় দলগুলো সময় পায় নিজেদের সমস্যাগুলো ঠিক করতে। শিরোপা বড় দলগুলোই নিচ্ছে। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরুতে কিন্তু ওদের মাথায় একটা বাড়তি টেনশন কাজ করে যাতে নেগেটিভ কিছু না হয়।’
নিউজিল্যান্ড দলের দুর্বল জায়গা আপনার দৃষ্টি কোনটা? জবাবে মাশরাফি বলেন, “এটা বলা কঠিন কাজ। ওদের ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগই শক্তিশালী। ওদের মধ্যে আলাদা আলাদা করে দুর্বল জায়গা বের করতে হবে। পুরো দল হিসাব করে সম্ভব নয়।”
আপনি কি মনে করে না প্রস্তুতি ম্যাচ জিম্বাবুয়ে বা আয়ারল্যান্ড নয় বড় কোনো দলের বিপক্ষে খেলতে পারলে ভালো হতো? মাশরাফি-অবশ্যই আমিও মনে করি ভালো হতো। আমরা এখন মূল আসরে যাদের সঙ্গে খেলব তারা অবশ্যই শিরোপা জেতার জন্য খেলবে।
বিশ্বকাপ এলেই নিউজিল্যান্ড ভালো খেলে। আর পাকিস্তান তো বিশ্বকাপ এক বার জিতেছে। আমরা যাদের সঙ্গে এখন খেলব আর যাদের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি তাদের সঙ্গে তাদের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। আমাদের এখন এসব চিন্তা করে লাভ নেই। এখন আমাদের বড় দলগুলোর সঙ্গে ভালো খেলতে হবে। আমরা যে প্রস্তুতিটা নিয়েছি সেটা যেন কাজে লাগে সেই চেষ্টাই করতে হবে।’
আজকের অবসরের কথা বলুন। মাশরাফি-আজকের বিশ্রামটা দরকার ছিল। যার যেটা প্রয়োজন সে সেটা করছে। কিন্তু কাল আমাদের কঠিন অনুশীলন আছে কোচ বলে দিয়েছেন। ২১ সেপ্টেম্বরের আগে কালই আমাদের সবচেয়ে বড় অনুশীলন। পর দিন হালকা অনুশীলন হবে।’
সবাই বলছে পাল্লেকেলির উইকেটে স্লোআর বাউন্স কাজে আসবে। আপনি বলেন? মাশরাফি বলেন,‘দেখুন এখনো জানি পাল্লেকেলির উইকেট সম্পর্কে। তবে আমরা বোলিং কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। স্লোআর বাউন্স নিয়ে আমরা কাজ করছি। শুধু স্লোআর বাউন্সই নয় আরো অনেক কিছু আছে। যদি সফল হতে পারি তাহলে তো কথাই নেই।”
ক্যান্ডি শহর থেকেই একটু দূরেই অবস্থিত মাহাউইলি রিচ হোটেল। হোটেলের পেছনের দিকটায় বিশাল এক লেক। মনোরম পরিবেশে বসে মাশরাফির সঙ্গে কথা হয় দল আর টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে। শুরুতেই মাশরাফিকে বলতে হয় প্রস্তুতি নিয়ে।
বলেন,‘আসলে আমাদের প্রস্তুতিটা ফিফটি-ফিফটি হয়েছে। তবে সত্যি কথা বলতে প্রস্তুতি একেবারে খারাপও না। আমাদের যতটুকু নেয়ার দরকার ছিল আমরা নিয়েছি। আমাদের হাতে আরো দুইটা দিন আছে অনুশীলনের জন্য। আমরা চেষ্টা করব
আরো যত ভালো করা যায়।”
বাংলাদেশ তো অনেক দিন হল টি২০ খেলছে। বর্তমান দলটির সঙ্গে আগের দলগুলোর কিভাবে তুলনা করবেন? মাশরাফি একটু ভেবে নিয়ে বলেন, “টি২০ শুরু করার পর থেকে আমাদের দলে বেশির ভাগ তারাই আছে। আমরা কাছে মনে হয় বেশি কিছু ম্যাচ খেলতে পেরেছি। এ জন্য কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। নতুন এসে তিনটা সিরিজে জিয়া বেশ ভালো খেলেছে। আগের থেকে আমরা এখন কিছুটা ব্যালেন্সড টিম।”
টি২০ জন্য কি এটা সেরা দল বলবেন? মাশরাফি, “না আসলে দলের বাইরে যারা আছে তারা খেলার সুযোগ পায়নি। সেক্ষেত্রে এটা সেরা দল বলতে পারেন।’
আপনি তো বলেছেন নিউজিল্যান্ডের অনেক ক্রিকেটার একাধিক টুর্নামেন্টে খেলে বলে তাদের অভিজ্ঞতা বেশি। বাংলাদেশও নয় মাসে অনেক বেশি টি২০ খেলেছে। মন্তব্য করুন।
মাশরাফি বলেন, “আমরা তিনটা সিরিজ খেলেছি। আমাদের যত প্রস্তুতি এই খেলার ওপরই নির্ভর করছে। তাছাড়া নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তানের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই টি২০ খেলে অভ্যস্ত। পাকিস্তান দলে যারা টি২০ খেলতে এসেছে তাদের কেউ কিন্তু টেস্ট বা ওডিআই দলে ছিল না। আর নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা সব সময় খেলছে। আমাদের সাকিব খেলছে, তামিম খেলছে, আমরাও খেলেছি। আসলে কে কোথায় খেলেছে তা এখন আর ভাবার সময় নাই। এখন মাঠে পারফর্ম করার সময়। আমরা এমন একটা দল যে দিন আমাদের বেশির ভাগ ক্রিকেটার ভালো খেলে সেদিন আমরা জয় পাই। আমাদের মধ্যে থেকে ছয় বা সাতজন যদি ৭৫ শতাংশ মাঠে উপস্থাপন করতে পারে তাহলে প্রতিপক্ষের জন্য ম্যাচ জেতা কঠিন হবে।”
বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের চাইতে বোলিংয়ে বেশি শক্ত। আইরিশদের বিপক্ষে কিন্তু সেই বোলিং ধারটা ছিল না। কেন? মাশরাফি-“টি২০ ম্যাচে আসলে বলা কঠিন। ডেলি বেসিসে ভালো করা খুব কঠিন কাজ। ব্যালান্সড করে যতটুকু ভালো করা যায় সেটাই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আইরিশদের বিপক্ষে আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে পারিনি। আমাদের পরিকল্পনা কাজে আসেনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা একই পরিকল্পনা নিয়ে বল করব। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে পারলে তো জেতার সুযোগটাই বেশি থাকে। আমরা হেরেছি তার মানে আমাদের পরিকল্পনা কাজে লাগেনি। ২১ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচ আমাদের। আশা তো করছি ভালো করব।”
প্রায় ক্রিকেটারই বলে থাকেন টি২০ ম্যাচে ছোট দল আর বড় দল বলে কিছু নেই। কিন্তু শেষ টুর্নামেন্টগুলোতে বড় দলগুলোই শিরোপা জিতেছে। এবং বড় দলগুলো কিন্তু ধারাবাহিকভাবে খেলেই শিরোপা জিতে নিচ্ছে। আপনি কি বলবেন? মাশরাফি বলেন, “এটা আসলে একটা লেভেল পার করার জন্য। আমরা যেমন বলছি আমরা দ্বিতীয় পর্বে যাব। রিলাঙ কেউ টি২০ ম্যাচে থাকে না। টেনশন কাজ করে। ডে বাই ডে যখন সময় যায় তখন বড় দলগুলো সময় পায় নিজেদের সমস্যাগুলো ঠিক করতে। শিরোপা বড় দলগুলোই নিচ্ছে। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরুতে কিন্তু ওদের মাথায় একটা বাড়তি টেনশন কাজ করে যাতে নেগেটিভ কিছু না হয়।’
নিউজিল্যান্ড দলের দুর্বল জায়গা আপনার দৃষ্টি কোনটা? জবাবে মাশরাফি বলেন, “এটা বলা কঠিন কাজ। ওদের ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগই শক্তিশালী। ওদের মধ্যে আলাদা আলাদা করে দুর্বল জায়গা বের করতে হবে। পুরো দল হিসাব করে সম্ভব নয়।”
আপনি কি মনে করে না প্রস্তুতি ম্যাচ জিম্বাবুয়ে বা আয়ারল্যান্ড নয় বড় কোনো দলের বিপক্ষে খেলতে পারলে ভালো হতো? মাশরাফি-অবশ্যই আমিও মনে করি ভালো হতো। আমরা এখন মূল আসরে যাদের সঙ্গে খেলব তারা অবশ্যই শিরোপা জেতার জন্য খেলবে।
বিশ্বকাপ এলেই নিউজিল্যান্ড ভালো খেলে। আর পাকিস্তান তো বিশ্বকাপ এক বার জিতেছে। আমরা যাদের সঙ্গে এখন খেলব আর যাদের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি তাদের সঙ্গে তাদের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। আমাদের এখন এসব চিন্তা করে লাভ নেই। এখন আমাদের বড় দলগুলোর সঙ্গে ভালো খেলতে হবে। আমরা যে প্রস্তুতিটা নিয়েছি সেটা যেন কাজে লাগে সেই চেষ্টাই করতে হবে।’
আজকের অবসরের কথা বলুন। মাশরাফি-আজকের বিশ্রামটা দরকার ছিল। যার যেটা প্রয়োজন সে সেটা করছে। কিন্তু কাল আমাদের কঠিন অনুশীলন আছে কোচ বলে দিয়েছেন। ২১ সেপ্টেম্বরের আগে কালই আমাদের সবচেয়ে বড় অনুশীলন। পর দিন হালকা অনুশীলন হবে।’
সবাই বলছে পাল্লেকেলির উইকেটে স্লোআর বাউন্স কাজে আসবে। আপনি বলেন? মাশরাফি বলেন,‘দেখুন এখনো জানি পাল্লেকেলির উইকেট সম্পর্কে। তবে আমরা বোলিং কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। স্লোআর বাউন্স নিয়ে আমরা কাজ করছি। শুধু স্লোআর বাউন্সই নয় আরো অনেক কিছু আছে। যদি সফল হতে পারি তাহলে তো কথাই নেই।”
No comments:
Post a Comment