Pages

Tuesday, September 25, 2012

ইরানী পরমাণু কর্মসুচিতে জার্মান নাশকতা? :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইরানী পরমাণু কর্মসুচিতে জার্মান নাশকতা? :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  জার্মানির বিখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি সিমেন্স ইরানের পারমাণবিক যন্ত্রপাতি নষ্ট করে দেবার জন্য নাশকতামূলক তৎপরতা চালিয়েছিল অভিযোগ করেছে ইরান। তবে সিমেন্স এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ইরানি পার্লামেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান আলেদিন বোরুজারদি অভিযোগ করেন, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসুচির জন্য যেসব যন্ত্রপাতি কিনেছিল, সিমেন্স তার ভেতরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিস্ফোরক বসিয়ে দিয়েছিল।কিন্তু সিমেন্স বলছে, তারা কয়েক দশক ধরে ইরানের সাথে কোনো লেনদেনই করেনি।

ইরানের একজন প্রভাবশালী এমপি আলাদিন বোরুজেরদি শনিবার অভিযোগ করেন, সিমেন্সের তৈরী কিছু যন্ত্রপাতি যেগুলো দেশের পারমাণবিক প্রকল্পের জন্য কেনা হয়েছিল তাতে গোপনে বিস্ফোরক জুড়ে দেয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ইরানের বিশ্বাস এই বিস্ফোরকগুলো এমনভাব জুড়ে দেয়া হয় যাতে এগুলো কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয় এবং পুরো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বোরুজেরদি আরো বলেন, ইরানি বিশেষজ্ঞদের দক্ষতায় শত্রুর এই চক্রান্ত নস্যাৎ করা গেছে। তবে সিমেন্সের কোনো না কোনো কারখানাতেই এই বিস্ফোরকগুলো জোড়া হয়েছে এবং জার্মান এই কোম্পানিকে এর দায়দায়িত্ব নিতে হবে।

এদিকে সিমেন্স সরাসরি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মিউনিখ-ভিত্তিক এই জার্মান এই টেকনোলজি জায়ান্ট বলছে, ইরানের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারণ ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে সিমেন্সের পারমাণবিক প্রযুক্তি বিভাগ ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যবসা করছে না।

সিমেন্সের মুখপাত্র আলেক্সান্দার ম্যাকোওয়েতজ বলছেন, ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সাথে সিমেন্স’র কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন নেই।

তবে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, যদি ১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে সিমেন্সের কোনো ব্যবসা না থেকে থাকে, তাহলে ইরানের কাছ থেকে এই অভিযোগ আসছে কেন?

তবে ইরানে বিবিসি’র সংবাদদাতা বলেন, এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে ইরানের ওই এমপি হয়ত না বুঝেই এই অভিযোগ করছেন। এ প্রশ্নও উঠতে পারে যে ইরান কি তাহলে ঘুরপথে অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিমেন্সের কাছ থেকে যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি কিনছে?

বিবিসির সংবাদদাতা আরো বলছেন, আরো একটি সম্ভাবনার কথা অনেকের মনে আসবে। সেটা হলো, এই পুরো ঘটনার সঙ্গে পশ্চিমা কোন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে কিনা? তারাই যোগসাজস করে, অন্যদের দিয়ে গোপনে ইরানের কাছে সিমেন্সের এই যন্ত্রপাতি বিক্রির ব্যবস্থা করছে যাতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষতি করা যায়।

এর আগে ২০১০ সালেও ইরান তাদের পারমাণবিক প্রকল্পের কম্পিউটার ব্যবস্থায় স্টাক্সনেট নামে একটি ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ এনেছিল সিমেন্সের বিরুদ্ধে। তখনও সিমেন্স বলেছিল তারা কিছুই জানে না।

পরে এই ভাইরাস ছড়ানোর সাথে ইসরায়েল এবং মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগের কথা শোনা গিয়েছিল, যদিও সেই রহস্য কখনই উদঘাটিত হয়নি। দু বছর পরে এখন এই নতুন অভিযোগ ওঠার পর সেই রহস্য আরো গভীর হবে সন্দেহ নেই। সূত্র: বিবিসি

ইসরায়েল ধ্বংসের ঐতিহাসিক সুযোগ খুঁজছে ইরান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইসরায়েল ধ্বংসের ঐতিহাসিক সুযোগ খুঁজছে ইরান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপপ্রধান কমান্ডার হোসাইন সালামি ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেলআবিব ইরানে হামলা চালালে ইসরায়েলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার ঐতিহাসিক সুযোগ নেবে তেহরান।

রোববার তিনি এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,  “আমরা শত্রুদের প্রধান স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যগুলো সনাক্ত করেছি।” ইরানের কৌশলগত নীতি প্রতিরক্ষামূলক, কিন্তু তার রণ-কৌশলগুলো আক্রমণাত্মক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপপ্রধান বলেন, “ইরান কোনো দেশের বিরুদ্ধেই আগে যুদ্ধ শুরু করবে না।কিন্তু আক্রান্ত হলে শত্রুকে পুরোপুরি ধ্বংস করা ছাড়া ইরান কখনও যুদ্ধ থামাবে না।

তিনি আরো বলেন, “মার্কিন নেতৃত্বাধীন মিত্র বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নামা আমাদের প্রতিরক্ষা কৌশল এবং এরপর আমরা শত্রুদের  স্বার্থের প্রাণ-কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানব আমাদের আক্রমণাত্মক শক্তি-কাঠামো দিয়ে।

সালামি বলেন, “আমরা ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ  সব ধরনের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি আয়ত্ত করেছি এবং এ অঞ্চলে শত্রুদের সব ঘাঁটি আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর আওতায় রয়েছে।”

তিনি আরো জানান, ইরানের ‘পেহপদ’ নামের পাইলটবিহীন গোয়েন্দা বিমানগুলো একটানা ২৪ ঘণ্টা ধরে আকাশে উড়তে সক্ষম এবং সেগুলো হাজার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে। 

এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননের ইসরায়েল বিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ’র মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সূত্র: আইআরআইবি

আতাউস সামাদের জটিল অপারেশন দেশবাসীর দোয়া কামনা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আতাউস সামাদের জটিল অপারেশন দেশবাসীর দোয়া কামনা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রখ্যাত সাংবাদিক দৈনিক আমার দেশ-এর উপদেষ্টা সম্পাদক আতাউস সামাদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হয়েছে। গতরাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে তার জরুরি অস্ত্রোপচার চলছিল।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হার্ট, কিডনি ও পা ঠিকভাবে কাজ না করায় এবং ডায়াবেটিক থাকায় তার জটিল ভাসকুলার অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে। এটি করতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময়ও লাগবে। এদিকে আতাউস সামাদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

আতাউস সামাদকে সোমবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু চার ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছানো যাবে না বলে সিঙ্গাপুরের ডাক্তাররা অস্ত্রোপচারটি ঢাকাতেই করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে আতাউস সামাদকে রোববার সন্ধ্যায় এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রবীণ এ সাংবাদিক কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

আতাউস সামাদকে দেখতে সোমবার হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, আতাউস সামাদের ভাগ্নে ও বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, বিএফইউজে মহাসচিব শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল ও আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান প্রমুখ।

টক শোতে শীর্ষে ইন্ডিপেনডেন্ট সবার শেষে মাছরাঙা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

টক শোতে শীর্ষে ইন্ডিপেনডেন্ট সবার শেষে মাছরাঙা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
  ৩৭তম সপ্তাহে টক শো ক্যাটেগরিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন। ২৯২ শতাংশ জিপিআই (জেনরে পারফরমন্স ইনডেক্স) নিয়ে এটি উঠে এসেছে সবার উপরে। এ তথ্য জানাচ্ছে ৩৭তম সপ্তাহ (৮-১৪ সেপ্টম্বর) এর টিআরপি। রিপোর্ট অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সপ্তাহের টপ রেটেড টক শোর তালিকায় ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের দু’টি অনুষ্ঠান রয়েছে। এর একটি আজকের বাংলাদেশ, অন্যটি খাতুনগঞ্জ থেকে মতিঝিল।

টক শো ক্যাটেগরির ২ নম্বর চ্যানেল আরটিভি। এর জিপিআই ছিল ২২৫ শতাংশ।

১৭২ শতাংশ জিপিআই নিয়ে বাংলাভিশন তালিকার ৩ নম্বর চ্যানেল।

৪ নম্বরে রয়েছে একুশে টেলিভিশন। এর জিপিআই ১২৬ শতাংশ। চ্যানেল আই রয়েছে ৫ নম্বরে। এর জিপিআই ১১৭ শতাংশ। দিগন্ত টেলিভিশনের অবস্থান ৬-এ। চ্যানেলটির জিপিআই ছিল ১১৬ শতাংশ।

১০০ শতাংশ জিপিআই নিয়ে ৭ নম্বরে অবস্থান নিয়েছে বৈশাখী টেলিভিশন। ৮ নম্বরে আছে মাইটিভি। এ জিপিআই ৮৮ শতাংশ।এটিএন নিউজ রয়েছে ৯ নম্বরে। এর জিপিআই ছিল ৭৭ শতাংশ।

৬৬ শতাংশ জিপিআই নিয়ে এটিএন বাংলার অবস্থান ১০-এ।এনটিভি রয়েছে ১১ নম্বরে। এর জিপিআই ৬৪ শতাংশ।৫৯ শতাংশ জিপিআই নিয়ে একাত্তর টিভি রয়েছে ১২ নম্বরে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন রয়েছে ১৩ নম্বরে। এর জিপিআই ৪৭ শতাংশ।৪৬ শতাংশ জিপিআই নিয়ে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর রয়েছে ১৪ নম্বরে।১৫ নম্বরে রয়েছে জিটিভি। এর জিপিআই রেকর্ড করা হয়েছে ৪৬ শতাংশ।চ্যানেল নাইন রয়েছে ১৬ নম্বরে। এর জিপিআই ৩৪ শতাংশ।

১৮ শতাংশ জিপিআই নিয়ে তালিকার সর্বশেষ চ্যানেল মাছরাঙা। এর অবস্থান ১৭তম।

আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ হলো পাকিস্তানের পত্রিকা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ হলো পাকিস্তানের পত্রিকা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
সবধরনের পাকিস্তানি পত্রিকাকে নিষিদ্ধ করেছে আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই সরকার। কাবুলের অভিযোগ, পত্রিকাগুলো তালেবানদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তালেবান জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়প্রদান ছাড়াও আর্থিক মদদ জুড়িয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। পাক সরকারের মদদেই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান সত্ত্বেও তালেবানকে নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের এ পত্রিকাগুলো তালেবানের প্রচারে মুখপত্র হিসেবে কাজ করে। সব পাকিস্তানি পত্রিকার কপিকে বাজেয়াপ্ত করার জন্য ইতিমধ্যে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

এদিকে, কাবুল কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ এই পদক্ষেপে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাবর্ষণ বন্ধের জন্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। এদিকে, এই ঘোষণার পরপরই পাক সীমান্ত সংলগ্ন পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহারা, কুনার ও নুরিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান থেকে আসা সব পত্রিকাল কপি বাজেয়াপ্ত করা শুরু করেছে নিরাপত্তা কর্মীরা। সূত্র: ওয়েবসাইট

পরিবেশ দূষণ: ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

পরিবেশ দূষণ: ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রাজধানীর পরিবেশ অধিদফতর আগস্ট মাসে ঢাকাসহ চারটি জেলায় ১১টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়ে পরিবেশের ক্ষতিপূরণ বাবদ দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। পরিবেশ আইনের আওতায় দূষণের অপরাধে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাভারে বায়ুদূষণ, তুরাগ, মেঘনা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে শিল্পবর্জ্যের দূষণ, ঢাকা মহানগরীতে শব্দদূষণ, গাজীপুরে কৃষিজমি ভরাট, গুলশান ও বনানীতে অবৈধভাবে আবাসিক ভবন নির্মাণ এবং গাজীপুরে অবৈধ ইটভাটা পরিচালনার অপরাধে ১৯টি শিল্প কারখানা এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়।

পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী এসব অভিযান পরিচালনা ও সমন্বয় করেন।

এছাড়া আগস্ট মাসে পলিথিনবিরোধী বিশেষ অভিযানে মানিকগঞ্জ, রাজশাহী ও বরিশালে এক টন ১৪৪ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। স্থানীয় পরিবেশ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসন পলিথিনবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

মিরপুরের শাহ আলী প্লাজাকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিরপুরের শাহ আলী প্লাজাকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে ৩০ কাঠা জমিতে ১২তলা  বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করায় শাহ আলী প্লাজা কর্তৃপক্ষকে ২১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, পরিবেশ ছাড়পত্র গ্রহণ ছাড়া ভবন নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

শাহ আলী প্লাজা নামের বিশাল বাণিজ্যিক ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে। এটি মূলত আবাসিক প্লট হিসেবে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মালিকানায় ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সনে রাজউকের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক প্লটে রূপান্তর করা হয়।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৯৩ সালে টেন্ডারের মাধ্যমে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকায় এ ৩০ কাঠা জমি কেনা হয়। তবে কিভাবে মিরপুরের মত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের অনুমতি দেয়া হয়েছে, তা বোধগম্য নয়। এ ঘটনা নগর ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্ত করবে।

বিশাল এ বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পৃথক স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, সবুজ আচ্ছাদিত এলাকা, পার্কিং বে, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ইত্যাদি থাকা আবশ্যক। অথচ ভবনের পরিকল্পনায় এসব কিছুই নেই। তাই তাদের জরিমানা হয়েছে বলে জানানো হয়।

মিরসরাইয়ে পাহাড় কাটায় বিএসআরএম গ্রুপকে পরিবেশ অধিদফতরে তলব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিরসরাইয়ে পাহাড় কাটায় বিএসআরএম গ্রুপকে পরিবেশ অধিদফতরে তলব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে পাহাড় কাটছে চট্টগ্রামভিত্তিক বৃহৎ শিল্পগ্রুপ বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস বিএসআরএম। পাহাড় কাটার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিক পক্ষকে তলব করেছে পরিবেশ অধিদফতর।

পাহাড় কাটার সত্যতা জানতে ইতিমধ্যে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. জাফর আলম।
সোমবার দুপুরে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদফতর কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, পরিবেশ অধিদফতর কর্তৃক বিএসআরএম কে নোটিশ দেয়া হলেও তা উপেক্ষা করে এ পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে। সোমবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে পাহাড় কাটার দৃশ্য দেখা গেছে। অভিযোগ উঠেছে পরিবেশ অধিদফতর কর্তৃক প্রদানকৃত নোটিশ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

উপজেলার তিন নম্বর জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ও বারইয়ারহাট পৌরসভার সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় চারাগাছ ও সবুজ পাহাড় ধ্বংস করে শিল্পকারখানা গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিএসআরএম। নোটিশ পাঠিয়ে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চেয়েছে পরিবেশ অধিদফতর।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, পাহাড় কাটার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী মহলের কাছে ধর্না দিচ্ছে। আর নানা অজুহাতে তারা অভিযোগের শুনানি পিছিয়ে দিচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. জাফর আলম বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসেছি। প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে অফিসে তলব করা হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে সন্তোষজনক উত্তর না আসলে পরিবেশ অধিদফতর পরবর্তীতে মামলার প্রক্রিয়ায় যাবেন।”

তবে বিএসআরএম পরিবেশ অধিদফত কাছে পাহাড় কাটার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। পরিবেশ অধিদফতসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকায় প্রায় ৫০ একর এলাকা জুড়ে স্টিল মিল এবং একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে বিএসআরএম। এর মধ্যে সিংহভাগই রয়েছে পাহাড়ি ভূমি। যা কেটে সমতল করতে শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে এই কারখানা স্থাপনের জন্য মাটি ভরাটসহ অবকাঠামো উনয়নের কাজ শুরু করে বিএসআরএম। এজন্য ২০০৯ সালের ৪ জুলাই পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অবস্থানগত ছাড়পত্রও নেয় তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিবেশ অধিদফত একজন কর্মকর্তা জানান, অবস্থানগত ছাড়পত্র নেয়ার পর বিএসআরএম শর্ত লঙ্ঘন করে প্রস্তাবিত জায়গায় টিলা ও পাহাড় কেটে পুরো সমতল ভূমিতে পরিণত করেছে। অথচ পরিবেশ অধিদফতরের দেয়া অবস্থানগত ছাড়পত্রে পাহাড়ের আকৃতি ঠিক রেখে শিল্প স্থাপনের কথা বলা হয়েছিলো। বিএসআরএম’র প্রস্তাবিত ৫০ একর জায়গার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ছিল টিলা ও পাহাড়ি এলাকা।

এসব এলাকা সমতল ভূমিতে পরিণত করার পাশাপাশি বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজ গাছগাছালিও ধবংস করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে সংশোধিত পরিবেশ আইনে পাহাড়ের পাশাপাশি টিলা কাটা এবং জলাশয় ভরাট করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। বিএসআরএম এ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বিএসআরএম’র প্রস্তাবিত চিটাগাং পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের স্থান পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে কর্মকর্তারা স্টিল মিলের প্রস্তাবিত জায়গায় পাহাড় কাটার বিষয়টি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান।
বিএসআরএম’র কর্মকর্তারা পাহাড় কাটার বিষয়টি অস্বীকার করলে পরিবেশ অধিদফতর তাদের নোটিশ পাঠায়। এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর বিএসআরএম’র বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অভিযোগের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও বিভাগীয় পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক জাফর আলম ছুটিতে থাকায় শুনানি হয়নি। এর আগেও এক দফা শুনানির তারিখ পিছিয়েছিল।

বিএসআরএম’র প্রভাবেই বারবার তাদের বিরুদ্ধে শুনানির তারিখও পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠার পর থেকে বিএসআরএম’র কর্মকর্তারা পরিবেশ অধিদফতরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মিরসরাইয়ে প্রজেক্ট অফিসে ফোন করা হলে প্রজেক্ট কনস্ট্রাকশন ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ বলেন, “আমরা ঠিকাদারের অধীনে কাজ করি। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য জানতে হলে কর্পোরেট অফিসে যোগাযোগ করুন।”
পরে ফের কর্পোরেট অফিসে ফোন করলে এ বিষয়ে কথা বলা হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহম্মদ আশরাফ হোসেন বিএসআরএম কর্তৃক পাহাড় কাটার বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না বলে উল্লেখ করে বলেন, “যদি পাহাড় কেটে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।”

জোরারগঞ্জ বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি জানেন না বলে জানান।

চট্টগ্রামে গ্রামীণ ফোন সিইও সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

চট্টগ্রামে গ্রামীণ ফোন সিইও সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণ ফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টনি জনসন ও চট্টগ্রামের এরিয়া ম্যানেজার আরিফুজ্জামানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা এবং বিশ্বাস ভঙ্গের ( ব্রিচ অব ট্রাস্ট) অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন স্থানীয় এক আইনজীবি ।

চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মুনতাসির মামুনের আদালতে  সোমবার দুপুরে মামলাটি দায়ের করেন এস এইচ হাবিবুর রহমান। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হাবিবুর জানান, আমি একজন গ্রামীণ ফোনের পুরানো গ্রাহক। সম্প্রতি জিপি কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের জন্য প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা হারে ১০ টাকায় ৪০ মিনিট টক টাইমের সুবিধা দিয়ে একটি অফার ঘোষণা করে। ঘোষণা মোতাবেক আমি এই সেবা চালু করলে জিপি কর্তৃপক্ষ আমার কাছ থেকে ১১টাকা ৫০ পয়সা কেটে নিয়েও এই সুবিধা দেয়নি।  অফার ঘোষণা দিয়ে তা কার্যকর না করে জিপি মূলত আমার সঙ্গে প্রতারণা এবং বিশ্বাস ভঙ্গের কাজ করেছেন।

এ ব্যাপারে তাদের গ্রাহক সেবাকেন্দ্রে ফোনে যোগাযোগ করলে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় আইনগত প্রতিকার চাওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে মামলা দায়েরে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান এই আইনজীবি।

বাদীর পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক ও এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। এসময় অনেক আইনজীবী তার পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অনলাইনে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অনলাইনে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। সোমবার আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেসন ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রকাশিত ‘ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেসন ফর ডিজিটাল ডেভলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের ‘স্টেট অব ব্রডব্যান্ড ২০১২’ সংক্রান্ত রিপোর্টে এই তথ্য দেয়া হয়েছে। মূলত মানুষের হাতে মোবাইলফোন সেবা দ্রুত পৌঁছে যাওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারের এই হার ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমে বাড়তে থাকলেও এ নিয়ে অবশ্য এখনই স্বস্তি প্রকাশ করছে না সংস্থাটি। তারা বলছেন, মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোলের নির্ধারিত টার্গেট অর্জন করতে এখনো অনেক কিছু করার আছে।

আইটিইউ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়, বর্তমানে উন্নত দেশগুলোর ২০.৫ শতাংশ বাসা-বাড়িতে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। কিন্তু আইটিইউ বলছে, তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ২০১৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৪০ শতাংশতে উন্নীত করতে হবে।  

রিপোর্টটিতে বিশ্বের মোট ১৭০টিরও বেশি দেশের ওপর গবেষণা চালিয়ে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেশভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার তুলে ধরা হয়েছে। এরমধ্যে দেখা যায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে আইসল্যান্ডে। দেশটির প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষই ইন্টারনেট ব্যবহার করে। সেদিক থেকে তালিকার শেষ দেশটির নাম তিমুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপ দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার মাত্র ০.৯ শতাংশ। তবে আইটিইউ প্রকাশিত এই তালিকায় ইন্টারনেট ব্যবহারের দিকে থেকে আমেরিকার অবস্থান ২৩ নম্বরে।

রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার ফলে অনলাইনে বেশ কিছু ভাষার মধ্যেও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান এই ঊর্ধ্বমুখী প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে ২০১৫ সালের মধ্যে অন্য ভাষায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ইংরেজিকে ছাড়িয়ে যাবে।

রিপোর্টটিতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অংশগ্রহণের বিষয়টিরও তালিকা করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী দেখা যায়, এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এশিয়ার আরেক দেশ ইন্দোনেশিয়া। এছাড়া তালিকার শীর্ষ পাঁচের মধ্যে নাম রয়েছে মালয়েশিয়া, ব্রাজিল ও রাশিয়ার নাম। আর সারা বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহারের হার ৫৫ শতাংশ। সূত্র: এ.জে

মেলবর্নের আকাশে ইউএফও! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মেলবর্নের আকাশে ইউএফও! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাতের আকাশে অজানা অতিথি? ভিন গ্রহের আগন্তুক, না কি আলোর মায়া? আঁধার আকাশের বুকে আলোর বিন্দু৷ চেনা রঙের মিশ্রণে অচেনা মায়া৷ অস্ট্রেলিয়ার মেলবর্নের আকাশে এমনই এক রহস্যজনক উড়ন্ত চাকতি অর্থা ইউএফও (আনআইডেন্টিফাইং ফ্লাইং অবজেক্ট) দেখা গিয়েছে বলে দাবি করেছেন এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয় সেই ব্যক্তি নাকি ইউএফও’র ছবিও ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

টড নামে ওই ব্যক্তির দাবি করেন, শনিবার রাত ৯টা নাগাদ মেলবর্নের কার্লটন গার্ডেনস’র আকাশে একটি উড়ন্তচাকতি বা ইউএফও কে চক্কর মারতে দেখেন।এরপর টড প্রায় ৩ মিনিট ধরে ক্যামেরাবন্দি করেন সেই ছবি৷

শুধু টড নয়, মেলবর্নের আকাশে ইউএফও  দেখার দাবি করেছেন আরও অনেকে৷ তাদের প্রত্যেকেরই দাবি, আকাশে আলোর ওই ঝলকানি তাদের অচেনা৷ যানটি কোনো মতেই বিমান বা হেলিকপ্টার হতে পারে না বলেও দাবি করেন তারা৷

তবে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন মত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের৷ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ ভিক্টোরিয়ার এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রতিনিয়ত কড়া নজর রেখেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা৷ ফলে তাদের নজর এড়িয়ে কোনও ইউএফও’র এভাবে মেলবর্নের আকাশে চক্কর মারা কার্যত অসম্ভব৷

কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই যুক্তি চিড় ধরাতে ব্যর্থ টডদের বিশ্বাসে৷ তাহলে কি রুপালি পর্দার মতই রাতের অন্ধকারেই পৃথিবীর বুকে নামতে চেয়েছিল ভিনগ্রহী কোনো জীব। নাকি সবই চোখের ভুল, আলোর মায়া? সূত্র: জি.এন

টরোন্টো’তে সেরা অনুপম খের অভিনীত ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

টরোন্টো’তে সেরা অনুপম খের অভিনীত ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রিয়তম স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ার শোকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক শিক্ষক৷ এরপর প্রায় আটমাস মানসিক হাসপাতালে কাটিয়ে ঘরে ফেরেন মা-বাবার কাছে৷

এক সময় পরিচিত হন এক বিধবার সঙ্গে৷ যিনি  ওই শিক্ষককে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে রাজি হন৷ এই হচ্ছে গল্প৷ আর ছবির নাম ‘সিলভার লাইনিংস প্লেবুক’৷ মার্কিন পরিচালক ডেভিড রাসেল এটি পরিচালনা করেছেন৷

রোববার সমাপ্ত ‘টরোন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’এ ছবিটি শীর্ষ পুরস্কার জিতে নিয়েছে৷ ছবিতে শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ব্র্যাডলি কুপার আর বিধবা চরিত্রে রয়েছেন জেনিফার লরেন্স৷ এছাড়া এই ছবির একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা অনুপম খের৷

পরিচালক রাসেল জানিয়েছেন, এই ছবির অভিনেতা বাছাইয়ের জন্য তিনি স্কাইপের মাধ্যমে বিভিন্ন জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন৷ যেমন অনুপম খের জানিয়েছেন, তিনি ভারতের একটি গ্রামে থেকে স্কাইপের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন৷ এর ফলে ওই গ্রামের লোকজন প্রথমবারের মতো অনলাইন ভিডিও চ্যাটিং এর সঙ্গে পরিচিত হন৷

পরিচালক রাসেলের আগের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো ‘দি ফাইটার' আর ‘আই হার্ট হুক্কাবিস’৷

আগামী ২১ নভেম্বর সিলভার লাইনিংস প্লেবুক ছবিটি মুক্তি পেতে পারে৷ সংগীতাঙ্গনে একটি ব্যান্ড দলের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিয়ে তৈরি ‘আর্টিফেক্ট' চলচ্চিত্র উৎসবের সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কারটি পেয়েছে৷ আর গত শতকের সত্তরের দশকে সুইডেনে বেশ আলোচিত একটি পতিতালয়ের কাহিনি নিয়ে গড়ে ওঠা ছবি ‘কল গার্ল’ সেরা সমালোচক পুরস্কার পেয়েছে৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

‘গল্প হলেও সত্যি’ জেমস বন্ড :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘গল্প হলেও সত্যি’ জেমস বন্ড :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। বৃটিশ নৌসেনার গুপ্তচর বিভাগের অফিসারটি গল্পের ছলেই বন্ধুদের বলেছিলেন, “এমন গুপ্তচরের গল্প লিখব, যা বাকি সব গুপ্তচরের গল্পকে হার মানিয়ে দেবে।”

কথা রেখেছিলেন আয়ান ফ্লেমিং। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরে লিখে ফেলেছিলেন ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’। ১৯৫৩ সালে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই যাকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই শুরু হয়ে গিয়েছিল। উপন্যাসের নায়ক বৃটিশ গুপ্তচর জেমস বন্ডের কীর্তিকলাপ নাড়িয়ে দিয়েছিল পাঠকদের। সেই শুরু। গুপ্তচর সংস্থা এমআই৬-এর এজেন্ট ০০৭-এ রোমাঞ্চকর নানা কার্যকলাপে আজও মজে আছে বিশ্বের জনতা। এই বৃটিশ গুপ্তচরের ‘পরিচয়’ জানার জন্য উৎসুক ছিলেন অনেকেই। ফ্লেমিংয়ের নায়ক কি নেহাতই এক কাল্পনিক চরিত্র না কি সত্যিই তার অস্তিত্ব ছিল?

সম্প্রতি সামনে আসা বৃটেনের কিছু গোপন নথি বলছে, জেমস বন্ড ‘গল্প হলেও সত্যি’!
কী রকম?

পশ্চিম লন্ডনের জাতীয় মহাফেজখানা থেকে পাওয়া কিছু নথিপত্র নিয়ে বেশ ক’দিন ধরেই কাটাছেঁড়া করছিলেন ইতিহাসবিদ সোফি জ্যাকসন। সেখানেই খোঁজ পান ইয়ো-টমাস নামে এক বৃটিশ গুপ্তচরের। জানতে পারেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘হোয়াইট র্যাবিট’ ছদ্মনামে কাজ করতেন এই গুপ্তচর। এই ইয়ো-টমাসের চলন-বলন, বিভিন্ন অভিযানের সঙ্গে আশ্চর্য মিল রয়েছে জেমস বন্ডের গল্পের। সব মিলিয়ে জেমস বন্ড যেন কোনোভাবে মিশে রয়েছেন ইয়ো-টমাসের সঙ্গে।

কিন্তু তা কী করে সম্ভব? দুনিয়া জানে, জেমস বন্ড তো আসলে আয়ান ফ্লেমিংয়ের মানসসন্তান। এখানেই গল্পের আসল ‘টুইস্ট’। সোফি জানাচ্ছেন, যে সময়ে ইয়ো-টমাস বৃটিশ গুপ্তচর হিসাবে কাজ করতেন, ঠিক একই সময়ে আয়ান ফ্লেমিং-ও বৃটিশ গোয়েন্দা দফতরে কর্মরত ছিলেন। এমনকি, ইয়ো-টমাসের গতিবিধির ব্যাপারে ফ্লেমিং যথেষ্ট উৎসাহী ছিলেন বলেও জানতে পেরেছেন সোফি। অতএব দুইয়ে দুইয়ে চার। সোফির দাবি, জেমস বন্ড আসলে ইয়ো-টমাসেরই প্রতিচ্ছবি! তাদের মধ্যে সম্পর্কটা আসলে বাস্তব-কল্পনার মেলবন্ধন। নিজের মতামত নিয়ে একটা বইও লিখে ফেলেছেন সোফি। নাম, “চার্চিলস হোয়াইট র্যাবিট: দা ট্রু স্টোরি অফ আ রিয়েল-লাইফ জেমস বন্ড।” যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বন্ড-ভক্ত থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও।

তবে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির মধ্যেও সোফির দাবিকে উড়িয়ে দিতে পারছেন না কেউই। বন্ডের সঙ্গে ইয়ো-টমাসের যে অন্তহীন মিল।

যেমন বৃটিশ নথি বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অন্তত তিন তিনবার জার্মানি অধিকৃত ফ্রান্সে পাঠানো হয়েছিল ইয়ো-টমাসকে। সেই সময়ই একবার গেস্টাপোর হাতে ধরা পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে বুখেনওয়াল্ড কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয় গেস্টাপো। তবে সেখান থেকেও পালিয়ে এসেছিলেন ইয়ো-টমাস। মহাফেজখানার নথি থেকে জানা যাচ্ছে, পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন আয়ান ফ্লেমিং। এমনকি, সহকর্মীদের সেই অভিযানের গল্পও শুনিয়েছিলেন তিনি। কাকতলীয়ভাবে সেই ঘটনার সঙ্গে বন্ড-সিরিজের প্রথম গল্প ‘ক্যাসিনো রয়্যালের’ আশ্চর্য মিল রয়েছে। যেভাবে ইয়ো-টমাসের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল গেস্টাপো, ক্যাসিনো-রয়্যালে ঠিক একই রকম ভাবে নির্যাতিত হতে দেখা গিয়েছে বন্ডকে।

শুধু নির্যাতনের নিরিখেই নয়, ইয়ো-টমাসের সঙ্গে জেমস বন্ডের মিল রয়েছে তাদের প্রায় রূপকথার নায়ক সুলভ হাবভাবেও। উপন্যাসের পাতা থেকে শুরু করে রুপোলি পর্দা সর্বত্রই সুপুরুষ চেহারার বন্ডকে দেখা গিয়েছে লাস্যময়ী নারী পরিবেষ্টিত হয়ে থাকতে। সোফির তথ্য বলছে, ব্যক্তিগত জীবনে ইয়ো-টমাসও প্রায় এ রকমই ছিলেন। এবং ঠিক বন্ডের মতোই কখনও চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে, আবার কখনও বা ছদ্মবেশে শত্রুর চোখে ধুলো দিয়ে পালাতেন তিনি।

এ হেন ইয়ো-টমাসের সমসাময়িক হওয়ার সুবাদে ফ্লেমিং তার বন্ডের যাবতীয় মালমশলা পেয়েছিলেন বাস্তব থেকেই। সেই বাস্তব যেখানে এক ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ নায়ককে জানতে পেরেছিলেন ফ্লেমিং। এবং সেই দুঃসাহসিকতাকেই হয়তো কুর্নিশ জানাতে তৈরি করেছিলেন ‘শ্রেষ্ঠ’ বৃটিশ গুপ্তচরকে। যিনি স্পর্ধায় কিংবা আত্মবিশ্বাসে নিজের পরিচয় দিতে পারতেন, “বন্ড, জেমস বন্ড।” সূত্র: ওয়েবসাইট।

ব্যথানাশক ওষুধ ভয়াবহ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ব্যথানাশক ওষুধ ভয়াবহ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে মানুষের উদ্বেগের শেষ নেই। এ নিয়ে গবেষণাও চলছে নিরন্তর। তবে আমেরিকায় নতুন এক সমীক্ষা থেকে যে ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে তা যেকোনো মানুষকে আতঙ্কিত করবে এতে সন্দেহ নেই।

সমীক্ষা রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, আমেরিকায় হেরোইন ও কোকেন সেবনের কারণে যত মানুষ মারা যায় তার চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের
কারণে।

চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেই না বুঝে দেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ। ম্যাসাচুচেটস অঙ্গরাজ্যের ব্যানডিস ইউনিভার্সিটির প্রেসক্রিপশন ড্রাগ মনিটরিং প্রোগ্রামের (পিডিএমপি) বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধের অপব্যবহার রোধে কৌশল নির্ধারণ এবং মান নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে জোড়াতালি দিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পিডিএমপি কেন্দ্রের পরিচালক জনএল ইয়েডি বলেন, ব্যথানাশক অপব্যবহার রোধে সরকারি কর্তৃপক্ষকে আরো তৎপর হতে হবে।

এ ব্যাপারে আমেরিকার প্রতিনিধি পরিষদের নিরাপত্তা, জনকল্যাণ ইত্যাদির জন্য নির্ধারিত তহবিল পরিচালনাকারী কমিটির চেয়ারম্যান হল রজার্স বলেন, ওষুধের অপব্যবহারের কারণে পরিবারগুলো বিপর্যস্ত হচ্ছে। রাষ্ট্রের অর্থ, সময় ও জনশক্তির অপচয় হচ্ছে। নতুন সমীক্ষা রিপোর্ট রোডম্যাপ তৈরিতে সহায়ক হবে। সূত্র: ইন্দো-এশীয় নিউজ সার্ভিস

চোরের মায়ের বড় গলা: খালেদাকে হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

চোরের মায়ের বড় গলা: খালেদাকে হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

 আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, ‘‘হুমকি-ধমকির রাজনীতির সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে কোনো অন্যায় দাবি আদায় করা যাবে না।’’ একইসঙ্গে আগামী নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে-এ বিষয়ে আলোচনার দ্বার খোলা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ সহকারী। সোমবার বিকেলে দলের ধানমণ্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধী দল এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে কথা বলছে। তাহলে আমাগামী নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে? এ প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, ‘‘বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চাইলে এই সরকারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। সেক্ষেত্রে আলোচনার দ্বার খোলা আছে।’’ আওয়ামী লীগ আগাম নির্বাচন করবে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আগাম নির্বাচনের কথা আওয়ামী লীগ তো কখনই বলেনি। তবে এটা নিয়ে বিএনপি আশঙ্কা করছে। আসলে আশঙ্কা আর অভিযোগ করাই বিএনপির কাজ। আমরা পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই- নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে। এর আগে নির্বাচন করার কোনো ইচ্ছা আওয়ামী লীগের নেই।’’ এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠের সময় হানিফ বলেন, ‘‘সুপ্রীম কোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অবৈধ অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে।’’ তিনি আরো বলেন, ‘‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ও গণতন্ত্র পরিপন্থী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার যে ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে, সে শংকা বাংলাদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। আবার যদি এ ব্যবস্থা কোনোদিন আসে, আর যদি তারা ক্ষমতা না ছাড়ে তাহলে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার হারাবে।’’ বিএনপি চেয়ারপারসন এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার দিনাজপুরের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং বানোয়াট হিসেবে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘‘দিনাজপুর গোর-এ শহীদ মিনার ময়দানে বেগম খালেদা জিয়া গোঁজামিলে ভরা তথাকথিত ১৮ দলের মহাসমাবেশে যে ভাষণ দিয়েছেন, তা মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ বস্তাপচা পুরনো কাহিনীর নতুন সংস্করণ মাত্র। আমরা এ ধরনের কুৎসিত, লাগামহীন, হিংসাশ্রয়ী, বিদ্বেষপ্রসূত, বেপরোয়া, ভিত্তিহীন, কল্পিত, বানোয়াট কথামালাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। একইসঙ্গে আমরা এসব বিভ্রান্তিকর আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’’ তিনি আরো বলেন, ‘‘তার বক্তব্যের ভাষা ও আচরণ দেখে আমাদের কষ্ট হয়েছে। আমাদের একটু করুণাও হয়েছে। তার চেহারায় হতাশার ছাপও দেখতে পেয়েছি। তিনি ভেবেছিলেন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিপদে পড়বে এবং তিনি পরবর্তীতে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ক্ষমতায় আসবেন।’’ মহাজোট সরকারকে মহাচোর বলার প্রতিবাদে হানিফ বলেন, ‘‘বিএনপি জামায়াত জোট রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার সময় দেশে সীমাহীন লুটপাট হয়েছিল। যিনি দুনীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থকে সাদা করেছেন। তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে দেশে এবং বিদেশে মানি লন্ডারিং কেস হয়েছে। তারা বিদেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার অভিযোগ চোরের মায়ের বড় গলার মতো।’’ হানিফ বলেন, ‘‘বেগম জিয়া জঙ্গি উত্থানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেছেন। একথা দেশবাসীর মানসপট থেকে মুছে যায়নি যে, বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিল। জঙ্গি আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাই বিএনপি-জামায়াতের সৃষ্টি।’’ তিনি বলেন, ‘‘দেশবাসীর পক্ষ থেকে আপনাদের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে বলেছেন ১০ মাস সময় নষ্ট হয়েছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ করে প্রাথমিক নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরুর পর্যায়ে রেখে গিয়েছিল। পরবর্তী ৫ বছর বেগম খালেদা জিয়া সরকার প্রধান থাকাকালীন সময়ে পদ্মা সেতুর কাজ এক বিন্দুও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি কেন? এখন বিলম্বহেতু মায়াকান্না করতে লজ্জাবোধ করে না?’’ দ্রব্যমূল্য নিয়ে খালেদার বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, ‘‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পরও আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছি। বিএনপি সরকারের আমলে চালের কেজি প্রতি মূল্য ছিল ৪০ টাকা। এখন তা কমে প্রকারভেদে ২২ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।” তিনি বলেন, এটা বোঝার জন্য মেট্রিকে শুধু অংকে পাশ করার দরকার হয় না। আমাদের সরকারের সময় মানুষের আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। মাথাপিছু আয় ৬৬০ ডলার থেকে বেডে ৮৫০ ডলারে উত্তীর্ণ হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৩ হাজার টাকা। ক্ষেতমজুররা আগে যেখানে ১০০ টাকা মজুরি পেত, তা আজ ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, দারিদ্র্যের হার কমেছে ১০ ভাগ। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৭ শতাংশ। রিজার্ভ ১১ বিলিয়নের উপরে। রেমিটেন্স বেড়েছে ১৯.৪ ভাগ। রপ্তানি বেড়েছে ৭৫০ কোটি ডলারের বেশি। ৬৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। মানুষের এই ভালো থাকা এবং দেশের অগ্রগতি উন্নয়ন বিরোধী দলীয় নেত্রীর পছন্দ হয় না বলে মন্তব্য করেন হানিফ। বিদ্যুত খাত নিয়ে খালেদার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘বেগম জিয়ার শাসনামলে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়েনি, বরং কমেছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদ্যুৎ খাতে তারা লুটপাট করেছিল। খাম্বা নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিল। সে সময় তারা ৯ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল।’’ হানিফ বলেন, ‘‘আমরা বেগম জিয়া ও তার তল্পিবাহকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, এই হুমকি, ধমক দিয়ে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রজাতন্ত্র কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা যাবে না। বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত সচেতন। তারা কোনো অবস্থাতেই বিএনপি-জামায়াত জোটের অন্ধকার যুগে দেশকে আর ফিরে যেতে দেবে না। অতএব, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেগম জিয়ার ‘দেখে নেয়ার’ আস্ফালন কোনোদিনই আলোর মুখ দেখবে না।’’ সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন, এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আবুল হোসেন ও মসিউরের দুর্নীতি প্রমাণিত: ফারুক :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

আবুল হোসেন ও মসিউরের দুর্নীতি প্রমাণিত: ফারুক :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

 বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, “সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা মসিউর রহমানের নাম ক্রয় কমিটি থেকে বাদ দেয়ায় তাদের দুর্নীতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।”  তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।


সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ আয়োজিত ‘রাঙ্গমাটি উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও রাঙ্গামাটি সরকারি বাঙলা কলেজে ছাত্রছাত্রীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে’ মানববন্ধনে ফারুক এসব কথা বলেন।

পদ্মা সেতু, হলমার্ক ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির বিচার না করায় ফারুক সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।

নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “বাঙালি হয়ে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাস করতে পারবে না, জমি কিনতে পারবে না এটা হতে পারে না। শন্তু লরমা যেভাবে পাহাড়ি বাঙালিদের ওপর নির্যাতন করেছেন এর একটা ব্যবস্থা নিন।”

সন্তু লারমার সমালোচনা করে ফারুক বলেন, “১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তির সময় সন্তু লারমা অস্ত্র জমা দিয়ে পার্বত্যাঞ্চলের চেয়ারম্যান হন।”

নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “নতুন করে শপথ নেয়ার পরও এখন পর্যন্ত আপনি সাগর-রুনি, ইলিয়াস আলীর বিষয়ে মুখ খোলেননি। পড়ন্ত বেলায় মন্ত্রী হয়েছেন, কতটুকু সফল হবেন তা দেখার বিষয়।”

জয়নুল আবদিন সরকারের উদ্দেশে বলেন, “এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়, অবিলম্বে নির্দলীয় কেয়ারটেকার সংবিধানে সংযোজন করে পদত্যাগ করুন। নইলে এমন অবস্থা হবে যার দায় দায়িত্ব আপনাদের বহন করতে হবে। দেশের মানুষ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে আপনারা কখন পদত্যাগ করবেন।”

এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর অব. সাঈদ এস্কান্দারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।

ইঞ্জিনিয়ার আলকাস আল মামুন ভূইয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এবিএম মোশারফ হোসাইন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, মিয়া মো. আনোয়ার ও সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আবু তাহের।

ঢাকায় হিযবুত নেতা ‘গুম’ পুলিশ বলছে ‘গ্রেফতার’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঢাকায় হিযবুত নেতা ‘গুম’ পুলিশ বলছে ‘গ্রেফতার’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরিরের অন্যতম একজন নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গুম করা হয়েছে বলে তার পরিবার অভিযোগ তুলেছে। তবে পুলিশ সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে গোলাম মাওলাকে সোমবার গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলার পরিবার বলেছে, একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পরও তাকে জেলগেট থেকে পুলিশের ডিট্কেটিভ ব্রাঞ্চ বা ডিবি নিয়ে যায়। এরপর পাঁচদিন ধরে তার কোনো খোঁজ তারা পাচ্ছেন না। তবে ডিবি পুলিশ বলছে, সোমবার মার্কিন দূতাবাসের কাছে হিজবুত তাহরিরের মিছিল থেকে একজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিজবুত তাহরির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করা হয় ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে। এর আগের বছর জঙ্গি তৎপরতা চালানোর অভিযোগে একবার গ্রেফতার হলেও সে সময় ছাড়া পেয়েছিলেন সৈয়দ গোলাম মাওলা। তবে সোয়া দু’বছর আগে তিনি আবার গ্রেফতার হলে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেয়া হয়েছিল। সৈয়দ গোলাম মাওলার স্ত্রী শাহিদা আহমেদ সোমবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার স্বামী সেই মামলাটিতে জামিন পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, গোলাম মাওলার পিতা জামিনের কাগজপত্র নিয়ে কাশিমপুর কারাগারের জেলগেটে গিয়েছিলেন। “কিন্তু তার পিতার সামনেই তাকে ডিবি পুলিশ খো স্টিকার লাগানো গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়’’, শাহিদা আহমেদ বলেন। “এরপর থেকে পাঁচদিন ধরে তার কোন খোজ আমরা পাইনি’’, তিনি বলেন। ডিবি পুলিশ সৈয়দ গোলাম মাওলাকে নিয়ে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। দূতাবাস অভিমুখে মিছিল গুম করার অভিযোগ অস্বীকার করে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, সোমবার একদল যুবক ঢাকার গুলশান এলাকায় মিছিল বের করে মার্কিন দূতাবাসের দিকে এগুলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। রহমান বলেন, আটক ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিছিলটি হিজবুত তাহরিরের ছিল বলে স্বীকার করেছে। “আটক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী বিকেলে ঢাকার গুলশানে আজাদ মসজিদ থেকে সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে’’, তিনি বলেন। পুলিশ বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ গোলাম মাওলা হিজবুত তাহরিরের সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। এ ব্যাপারে তার পরিবার কিছু বলেনি। তবে তার স্ত্রী শাহিদা আমেদ বলেছেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটিই মামলা ছিল। তাতে জামিন হওয়ার পরও ধরে নিয়ে এখনো কোনো আদালতে হাজির না করায় তারা উদ্বিগ্ন। ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান অবশ্য বলেছেন, এখন সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে হাজির করা হবে। পুলিশের কর্মকর্তারা আরো বলেছেন, হিজবুত তাহরির নিষিদ্ধ হলেও তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করে। সে সম্পর্ক জানতে সৈয়দ গোলাম মাওলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

বাংলাদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের এ কেমন আচরণ! :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের এ কেমন আচরণ! :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সম্প্রতি ভারত সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শিলজা বাংলাদেশের পূর্ণমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন নয়া দিল্লির একটি হোটেলের ডাইনিং হলে। সেখানকার কয়েকটি ডাইনিং টেবিল সরিয়ে একটি সোফা স্থাপন করে ওই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।

কোলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কলম পত্রিকা রোববারের সম্পাদকীয়তে এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। পাঠকদের জন্য সম্পাদকীয়টি হুবহু তুলে ধরা হলো:

“বাংলাদেশ আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জন্ম প্রক্রিয়া হইতেই ভারতের সহিত এক অচ্ছেদ্য বন্ধনে দেশটি আবদ্ধ রহিয়াছে। স্বীকার করিতে দ্বিধা নাই, বাংলাদেশ সৃষ্টির ফলে ভারতের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। কারণ, বাংলাদেশের সৃষ্টি হওয়ায় ভারতের পূর্ব প্রান্তে এক বন্ধু রাষ্ট্র স্থাপিত হইয়াছে। ফলে পাকিস্তান অবিভক্ত থাকিলে সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতকে যে চাপ বহন করিতে হইত তাহা বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। ইহা ব্যতীত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র বাংলাদেশে ভারতের পণ্যের বাজার ও বিনিয়োগকেও এক ফলপ্রসূ উপযোগিতা হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।

এই রাষ্ট্রটির সহিত আমাদের শুধু প্রতিবেশিসুলভ নহে, ভ্রাতৃত্বমূলক সম্পর্ক বজায় রাখাও যে বিশেষ জরুরি তাহা উপলব্ধি করিবার জন্য রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ না হইলেও চলে। ইতা ব্যতীত বাংলাদেশে রহিয়াছে আমাদের বন্ধু রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগ। বাংলাদেশে ক্ষমতায় কিংবা ক্ষমতার বাহিরে অবস্থানকালে আওয়ামি লিগের সহিত আমাদের হৃদ্যতা যে সমানভাবে অম্লান রহিয়াছে, ইতিহাস তাহার সাক্ষী। সৌভাগ্য বলিতে হইবে, বর্তমানেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকার শাসন ক্ষমতায় আসীন রহিয়াছে। কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য বিষয়ে বাংলাদেশের সহিত আমাদের সমঝোতা আরও জোরদার হইয়াছে।

কিন্তু কখনও কখনও দেখা যায়, আমাদের নীতি-নির্ধারকদের শালীনতাবর্জিত উপেক্ষামূলক আচরণে এই প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ এবং ক্ষেত্র বিশেষে জনগণ হতবাক হইয়া পড়িতেছেন।

সম্প্রতি ভারতে আসিয়াছিলেন বাংলাদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ বলিয়া পরিচিত। তাহার নয়া দিল্লি সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত দ্বি-পক্ষীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বৈঠক করা। বাংলাদেশের মন্ত্রী নিশ্চয় আশা করিয়াছিলেন, রাজধানী নয়া দিল্লিতে তাহাকে উপযুক্ত মর্যাদা প্রদান ও সাদর আপ্যায়ন করা হইবে। কূটনৈতিক দিক দিয়া তো বটেই, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুর নিকট এমন প্রত্যাশাই ছিল স্বাভাবিক। বিশেষত, ভারতে মনে করা হয় ‘মেহমান দেব ভবঃ’।

কিন্তু হায়! জনাব আবুল কালাম সাহেবকে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়িতে হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত তাহার বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে সমস্ত জায়গার নাম প্রস্তাব করা হয় তাহা যথেষ্ট কৌতুহলোদ্দীপক। প্রথমে বলা হয়, বাংলাদেশের মাননীয় মন্ত্রীর সহিত বৈঠকটি হইবে একটি হোটেলের লবিতে। বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা খানিকটা বিস্ময়ের সহিত প্রস্তবিত বৈঠকস্থল সম্পর্কে মৃদু আপত্তি জ্ঞাপন করেন।

ইহার পর আমাদের ভারতীয় পক্ষ হইতে দুই রাষ্ট্রের মন্ত্রী পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে স্থানটি নির্বাচন করা হয়, তাহা আরও চমকপ্রদ। বলা হয়, বৈঠকটি হইবে হোটেলের 'বার লাউঞ্জ' অর্থাৎ কিনা মোহময় শরাবখানায়। সঙ্গত কারণেই হয়তো দ্বিতীয় স্থানটিও বাংলাদেশিরা পসন্দ করিতে পারেন নাই। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এই দ্বি-পক্ষীয় মোলাকাত অনুষ্ঠিত হয় ওই হোটেলেরই একটি ডাইনিং হলে। খানাপিনা করার কয়েকটি টেবিল অপসারণ করিয়া লাগসই একটি সোফা সেইখানে স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ দূতাবাস মনঃক্ষুণ্ন হইলেও অগত্যা এইখানেই অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সহিত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আলোচনা!

স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন উঠিয়াছে, রাজধানী নয়া দিল্লিতে আন্তর্জাতিক মানের সরকারি ও বেসরকারি ক্ষুদ্র কিংবা বৃহদাকার বহু কনফারেন্স হল থাকিতে কেন হোটেলের লবি, বার এবং শেষে ডাইনিং হলকে বাছিয়া লওয়া হইল? ইহাতে কি এক বৃহৎ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের মান-মর্যাদা বৃদ্ধি পাইল? একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশই বা বিষয়টিকে কীভাবে গ্রহণ করিল? এই কথা অবশ্যই বলা যায়, চিন বা পাকিস্তানের সহিত এই ধরনের আচরণ করা হয়তো সম্ভব হইত না।”  সূত্র: রেডিও তেহরান।

এপ্রিল-মে মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

এপ্রিল-মে মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে অক্টোবরে দরপত্র আহ্বান করা হবে। আর আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করা হবে।

সোমবার সচিবালয়ে এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বিশ্বব্যাংকসহ অন্য সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছে সরকারের এই কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি যেভাবে হিসাব করেছি ফর ব্রিজ কনস্ট্রাকশন, বিশ্ব ব্যাংক ইতিমধ্যে এগ্রি করেছে। আরো কিছু টেন্ডার ডকুমেন্ট তাদের কাছে আছে। সেগুলো তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে।”

এদিকে, সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এডিবি।

গত শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক। সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রকল্পের জন্য ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি পুনর্বহালের ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। বাংলাদেশ সরকারকে দেয়া চারটি শর্ত মেনে নেয়ার পরই বিশ্বব্যাংকে পরিচালনা বোর্ডের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানায় বিশ্বব্যাংক।

৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণে প্রকল্প ব্যয় ২৯০ কোটি মার্কিন ডলার ধরা হয়েছিল। এতে বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল। এছাড়া এর মধ্যে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ৬১.৫ কোটি, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ৪১.৫ কোটি এবং ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা ছিল। আর বাকি অর্থের যোগান দেয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের।

কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছরের অক্টোবর মাসে অর্থছাড় স্থগিত করে বিশ্বব্যাংক। আর এ বছরের ২৯ জুন ঋণচুক্তি বাতিল করে দেয়। সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ বা ছুটিসহ চারটি শর্ত পূরণ না হওয়ার কথা বলে চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের ফিরিয়ে আনার অংশ হিসেবে শর্ত পূরণে পদত্যাগ করেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, ছুটিতে যান সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রকল্পের ইন্টেগ্রিটি উপদেষ্টা মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার খবরও প্রকাশ হয়। যদিও তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এরপর সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করে বিশ্বব্যাংককে দেয়া চিঠি নিয়ে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন যান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয় সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিলের পরও ঋণদাতা দুই সংস্থা এডিবি ও জাইকা গত ৩১ জুলাই তাদের চুক্তির মেয়াদ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ায়। তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ ৩১ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর আবার গত ৩০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় এডিবি আরো একমাস ও জাইকা ৩ সপ্তাহ মেয়াদ বাড়ায়। জাইকার বাড়ানো চুক্তির মেয়াদ ২১ সেপ্টেম্বর ও এডিবির মেয়াদ ৩১ সেপ্টেম্বর শেষ হবে।

ইলিয়াস কি গুম হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংশয় :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইলিয়াস কি গুম হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংশয় :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী সম্পর্কে নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, তিনি নিজেই গুম নাকি তাকে কেউ গুম করেছে তা মন্ত্রীর জানা নেই। তবে ইলিয়াস আলীর নামেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার দুপুরে র‌্যাব সদর দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর র‌্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি প্রথম মতবিনিময় করেন। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এ ধরনের হত্যার ঘটনা অনেক ঘটেছে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর তা অনেকটা কমে এসেছে। সরকার এ ধরনের হত্যার ঘটনা কমিয়ে আনতে সচেষ্ট।” অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে বিএনপির আমলে সাধারণ মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সরকার মানবাধিকার রক্ষায় অনেক সচেতন বলেও জানান এই আওয়ামী লীগ নেতা। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত একটি দুঃখজনক ঘটনা। কারো জীবনে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে আমরা সে ব্যাপারে আন্তরিক। তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।” তবে র‌্যাবের তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার যুগান্তকারী রহস্য উন্মোচিত হবে বলেও দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।