Pages

Tuesday, October 16, 2012

বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে আইনের খসড়া অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে আইনের খসড়া অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তালিকাভুক্তিতে বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করে নতুন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।
 
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১২ এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।
 
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, “সংশোধিত আইন কার্যকর হলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জজ পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তাকে বার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে। বিদ্যমান আইনে এ বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। তাই নতুন করে এ আইনে সংশোধন করা হচ্ছে।”
 
সচিব বলেন, “এছাড়া আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি এনরোলমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে, যার চেয়ারম্যান হবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক।”
 
এছাড়া হাই কোর্টের দুইজন বিচারক, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের একজন সদস্য এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
 
তিনি বলেন, “এরমধ্যে হাই কোর্টের দুই বিচারককেও প্রধান বিচারপতি মনোনীত করবেন। বার কাউন্সিলের সভাপতি হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে এই কমিটিতে আসবেন। এছাড়া বার কাউন্সিল অন্য একজন সদস্যকে এনরোলমেন্ট কমিটির জন্য মনোনীত করবেন।”
 
তিনি বলেন,বার কাউন্সিলে এনরোলমেন্ট কমিটিতে ছিলেন মাত্র তিনজন সদস্য। এদের মধ্যে একজন বিচারক এবং বাকিরা বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে মনোনীত।
 
এনরোলমেন্ট কমিটিকে আরো শক্তিশালী করতেই সরকার এ সংশোধন করেছে বলে জানান সচিব। আইনে বার কাউন্সিলকে নিজস্ব প্রয়োজনে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে। তবে এজন্য তাদের আগেই সরকারের অনুমোদন নিতে হবে। আইন পেশার গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকার এ আইনের সংশোধন করছে।
 
সচিব বলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২’-এর খসড়া উপস্থাপন হলেও তা আরো সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজন সংশোধন করে ধর্ম মন্ত্রণালয় এটিকে আবারো মন্ত্রিসভায় তুলবে।”
 
তিনি জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতি বছর ২৬ এপ্রিল বিশ্বে মেধা সম্পদ দিবস পালনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ব মেধা সম্পদ দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কোনো ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হয়নি। এখন এটিকে ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হলো। এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবেই দিবসটি পালন করা হবে।
 
তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভা নাবিকদের সনদ দেয়াসংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অনুসমর্থন দেয়ার প্রস্তাবেও অনুমোদন দেয়া হয়। ১৯৭৮ সালে নেয়া এবং ৮৪ সাল থেকে কার্যকর এ কনভেনশনটি গত ২০১০ সালে সংশোধন হালনাগাদ (রেটিফাই) করা হয়। এ কারণে এ কনভেনশনটিতে আবারো বাংলাদেশের অনুসমর্থনের প্রয়োজন দেখা দেয়।”
 
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “এ কনভেনশনটি অনুসমর্থন নাবিক প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন দেশের জাহাজে বাংলাদেশী নাবিকদের কর্মসংস্থানে সহায়ক হবে।”

নির্বাচনে হেরে কাউন্সিলকে পঙ্গু করা হচ্ছে: বার কাউন্সিল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নির্বাচনে হেরে কাউন্সিলকে পঙ্গু করা হচ্ছে: বার কাউন্সিল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আইনজীবী তালিকাভুক্তিতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের এখতিয়ার খর্ব করে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১২ এর খসড়া অনুমোদন বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন কাউন্সিলের নব নির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এর তালিকাভুক্তকরণ (এনরোলমেন্ট) কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, বার কাউন্সিলকে পঙ্গু করতেই সরকার এই সংশোধনী আনছে। সারা বাংলাদেশে এ জন্য প্রতিবাদের ঝড় উঠবে।

তিনি বলেন, বার কাউন্সিল যদি পঙ্গু করার এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবীদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এটা সরকারের একটা ষড়যন্ত্রের ফসল। সরকার বার কাউন্সিলের নির্বাচনে হেরে গিয়ে এখন ভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১২ এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রস্তাবিত আইনে আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির জন্য কার্যরত এই এনরোলমেন্ট কমিটির গঠনে পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। এই আইনটি জারি হলে সদস্য হিসেবে হাই কোর্ট বিভাগে এখনকার মতো একজন নয়- দুইজন বিচারক থাকবেন, এবং বার কাউন্সিলের দুইজন নয়- একজন সদস্য থাকবেন, যাকে আবার বাছাই করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এতে করে নির্বাচিত বার কাউন্সিলের কোনো এখতিয়ার থাকছে না আইনজীবী তালিকাভুক্তকরণে।

এছাড়া বার কাউন্সিলের সচিব নিয়োগে কাউন্সিলের ক্ষমতাও রদ করা হয়েছে। সংশোধনী প্রস্তাব অনুসারে, একজন জেলা জজ পদমর্যাদার বিচারককে সরকার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

স্বার্থের কিছু নেই, পরীক্ষা কঠিন করা হচ্ছে: অ্যাটর্নি জেনারেল

তবে আইনে এই সংশোধনীর অনুমোদনের বিষয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এর জন্য সরকারকে দোষারোপ করে যারা কথা বলছেন তারা নেহাত অনর্থক বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করছেন।

বার কাউন্সিলের সর্বশেষ নির্বাচনে সরকারপন্থি আইনজীবীরা শোচনীয়ভাবে হারায় আইনজীবী তালিকাভুক্তকরণে কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে; বার কাউন্সিল সদস্যদের এমন  অভিযোগের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, এখানে স্বার্থের কিছু না। পেশাগত মান ঠিক রাখার জন্য এটা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে এখন অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়েছে। অনেকেই এলএলবি (ব্যাচেলর অব ল’) সাটিফিকেট নিয়ে আসছেন। ফলে পরীক্ষা কঠিন করা হচ্ছে যাতে শুধু পয়সা অর্জনের জন্য কেউ এ পেশায় আসতে না পারে।

Monday, October 15, 2012

দুই লাখ ইয়াবার কাঁচামালসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

দুই লাখ ইয়াবার কাঁচামালসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামে ইয়াবা তৈরির  বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল, তৈরী ইয়াবা, ইয়াবা তৈরীর মেশিন, বিপুল পরিমান বিদেশি মুদ্রা, গুলি সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর বাকলিয়া থানার রসুলবাগ আবাসিক এলাকায় শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে  এসব আটক করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী শ্যামল মজুমদার নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার তারেক আহমেদ জানান  অভিযানে উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে  ৫ হাজার ভারতীয় রুপি, এক লাখ ৪০ হাজার টাকার মিয়ানমারের মুদ্রা, ৫টি নাইন এম এম পিস্তলের বুলেট,  প্রায় ৫ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ছাড়াও বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল, ইয়াবা তৈরির মেশিন রয়েছে।

তিনি জানান আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জানান কারখানায় যে পরিমাণ কাচঁমাল  পাওয়া গেছে তা দিয়ে কমপক্ষে  দুই লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরি করা যেত। দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় ইয়াবা তৈরি করে তা চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছিল বলে আটক মাদক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন।

মোবাইল টাওয়ার-বিকিরণে বিপন্ন মৌমাছি ও চড়াই :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মোবাইল টাওয়ার-বিকিরণে বিপন্ন মৌমাছি ও চড়াই :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাড়ির ঘুলঘুলিতে চড়াই আর বাসা বাঁধে না। বাগানে-বাগানে মৌমাছির চাক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ভরা বর্ষায় ব্যাঙের গ্যাঙরগ্যাং ডাক তো প্রায় স্মৃতিকথা। আর সন্ধের মুখে যাদের আনাগোনা দেখতে চোখ অভ্যস্ত ছিল, সেই বাদুড়-চামচিকেরাই বা গেল কোথায়?

এত কাল দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকা এই দৃশ্য ও শব্দগুলো হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা চিহ্নিত করেছেন মোবাইল ফোনের টাওয়ার থেকে বিচ্ছুরিত তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণকে। যার প্রভাবে জীবজগৎ জেরবার হয়ে উঠছে বলে ওদের অভিযোগ। বিশেষত পাখি-পতঙ্গের প্রাণ ওষ্ঠাগত।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, ওই বিকিরণের জেরে পশু-পাখি-পতঙ্গকূলের আচরণ যেমন বদলে যাচ্ছে, তেমন প্রভাব পড়ছে প্রজননে। জীবনশৈলীর সঙ্গে দ্রুত কমছে তাদের সংখ্যা।

সম্প্রতি ভারতে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়, মনুষ্যসৃষ্ট (ম্যানমেড) তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণকে নবতম দূষণ বলা যেতে পারে। স্বল্প মেয়াদে এর তেমন কুপ্রভাব না-থাকলেও দীর্ঘ দিন এর সংস্পর্শে থাকলে খারাপ প্রভাব পড়তে বাধ্য। শুধু মোবাইল ফোনের টাওয়ার নয়, যেকোনো যোগাযোগ (কমিউনিকেশন্স) টাওয়ার থেকে নির্গত রেডিও-তরঙ্গ ও মাইক্রোওয়েভ একত্রিত হয়ে বায়ুমণ্ডলে একটি তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্র (ফিল্ড) তৈরি করে। শীতের সন্ধ্যায় শহরাঞ্চলে কুয়াশার সঙ্গে ধোঁয়া-ধুলো মিশে যে চোখ জ্বালানো দূষণ-চাদরের সৃষ্টি হয়, সেই ধোঁয়াশা বা স্মগের মতো এই ‘ইলেকট্রো-স্মগ’ও এক ধরণের দূষণ বিকিরণের দূষণ। পশু-পাখি-পতঙ্গের জীবনধারণের পক্ষে যা ক্রমশই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে রিপোর্টের দাবি।

পরিস্থিতির আদর্শ উদাহরণ হিসেবে গবেষকেরা বলেছেন চড়াই পাখির কথা। দেশের বিভিন্ন শহর-মফস্বল-গ্রাম-বনাঞ্চলে পক্ষীকূলের উপরে তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের প্রভাব যাচাই করতে গৃহস্থের এই অতি পরিচিত পাখিটি নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিলেন তারা। দেখা যাচ্ছে, মোবাইল টাওয়ার যত বেড়েছে, তত কমেছে চড়াইয়ের সংখ্যা।

উন্নত পশ্চিমী দুনিয়াতেও তা-ই। ইউরোপের অনেক তাবড় শহরে ইদানীং চড়াইয়ের দেখা মেলা ভার। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমীক্ষা উদ্ধৃত করে রহমানি-রিপোর্ট জানাচ্ছে, ১৯৯৪-এ খাস লন্ডন শহরে যত চড়াই ছিল, সেলফোন টাওয়ারের দাপটে এখন তার ৭৫% উধাও! কেন?

রিপোর্টের ব্যাখ্যা, মোবাইল টাওয়ার নির্গত বিকিরণের কবলে পড়ে চড়াই প্রজনন ক্ষমতা হারাচ্ছে। অনেক সময়ে তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে চড়াইয়ের ডিমও ফুটছে না। গবেষকেরা ৫০টি চড়াইয়ের ডিম পরীক্ষামূলক ভাবে ৩০ মিনিট ধরে তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের মধ্যে রেখে দেখেছেন, সব ক’টাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে!

শুধু চড়াই নয়। রিপোর্ট বলছে, যে সব জায়গায় জিএসএম মোবাইল টাওয়ারের সংখ্যা প্রভূত, সেখানে চোখে পড়ার মতো কমছে শালিক, টুনটুনি, বুলবুলি, ময়না, টিয়াও। যেমন স্পেনের ভালাডোলিড শহরে মোবাইল ফোন বেস স্টেশনের কাছাকাছি তললাটে একটা সময়ে অগুন্তি সারস পাখি দেখা যেত। পরবর্তীকালে গবেষকেরা দেখেছেন, বিকিরণের প্রভাবে তাদের প্রজনন বাধা পাচ্ছে। ফলে এখন সারসেও টান।

মোবাইল টাওয়ার বেড়ে যাওয়ায় পতঙ্গকুলের অবস্থাও শোচনীয়। গবেষকরা মৌমাছির উপরে সমীক্ষা চালিয়ে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। বিকিরণের প্রভাবে মৌমাছির মধ্যে একটা অদ্ভুত আচরণ ধরা পড়েছে, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘কলোনি কোল্পাস ডিসঅর্ডার (সিসিসি)।’ সেটা কী?

গবেষকেরা জানিয়েছেন, টাওয়ারের আশপাশের মৌচাক থেকে হঠাৎ কোনো এক দিন কর্মী মৌমাছির দল উধাও হয়ে যাচ্ছে। কারণ, খাবার জোগাড় করতে গিয়ে তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়ছে, মৌচাকে ফেরার পথ চিনতে পারছে না। এবং মাঝপথেই মারা যাচ্ছে।

রিপোর্ট মোতাবেক, গত বছর আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে মৌমাছি প্রতিপালকদের ৬০ শতাংশ মৌচাকে এবং পূর্ব উপকূলের ৭০ শতাংশে এমন ঘটনা ঘটেছে। ভারতেও একইঅবস্থা বলে কমিটির দাবি। তাদের হিসেবে, আগে যেখানে একটি রানি মৌমাছি দিনে গড়ে সাড়ে তিনশো ডিম পাড়ত, এখন তা কমে একশোয় দাঁড়িয়েছে। পরিণামে দ্রুত কমছে মৌমাছির সংখ্যা।

মৌমাছি একটা দৃষ্টান্ত মাত্র। কমিটির মতে, মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের মুখে অন্যান্য পতঙ্গও অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। যার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ, পতঙ্গের সংখ্যা কমলে ফুলের পরাগমিলন ব্যাহত হবে, যার জেরে ফসলের উৎপাদনশীলতা কমতে বাধ্য।

কিন্তু মোবাইল টাওয়ার বাড়লেও মশা-মাছির দাপট তো কমছে না!

ডেঙ্গি-রাজের শিকার নগরবাসীর মনে এই মুহূর্তে প্রশ্নটি জাগা স্বাভাবিক। যার ব্যাখ্যা হিসেবে বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, যোগাযোগ টাওয়ারের বিকিরণের জেরে তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্র যে উচ্চতা তৈরি হয়, মশা বা মাছি সেই উচ্চতায় উড়তে পারে না। সুতরাং বিকিরণের আঁচ তাদের গায়ে লাগছে না। তবে পাখি-পতঙ্গের মতো ইঁদুর, বাদুড়, চামচিকে, বাঙের জীবনযাপনেও যে এই বিকিরণ-দূষণের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সূত্র: ওয়েবসাইট

থ্রিজি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

থ্রিজি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে দেশে প্রথমবারের মতো তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইলফোন নেটওয়ার্ক সেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ভিডিও কলের মাধ্যমে রাষ্ট্রয়াত্ব মোবাইলফোন টেলিটক গ্রাহকদের জন্য ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ থ্রিজি’র এই বাণিজ্যিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় টেলিটক’র থ্রিজি সিম ব্যবহার করে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা।
 
সোমবার থেকে টেলিটক গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্যরা এবং কয়েকদিন পর থেকে সাধারণ গ্রাহকরা প্যাকেজ সেবা গ্রহণের মাধ্যমে এই সেবা পাবেন বলে বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন টেলিটক এর বিপণন পরিচালক হাবিবুর রহমান।
 
তিনি জানিয়েছেন, প্রথম দফায় ঢাকা এবং ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ এলাকায় অত্যাধুনিক এই সেবা পাওয়া যাবে। আর এ সংক্রান্ত তথ্য সোমবার গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হবে।
 
তাহলে কি টেলিটক বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সেবা দেয়ার সব প্রস্তুতি এখনো সম্পন্ন করতে পারেনি এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টেলিটক এর এই কর্মকর্তা বলেন, “রাজধানীর টেলিটক গ্রাহকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে থ্রিজি সেবা উপভোগ করতে পারেন তার জন্যে সব রকম প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঢাকায় বিটিএস সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।” এর ফলে কল ড্রপ বা নেটওয়ার্কসংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা কমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
 
টেলিটক এর সাধারণ গ্রাহকরা কীভাবে এই সেবা পেতে পারেন প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রহমান বলেন, “সাধারণ গ্রাহকরা কোড এসএমএস এর মাধ্যমে এই সেবার আওতায় আসেতে পারবেন। আর যদি গ্রাহকের সিমটি ১২৮কেবি না হয় তবে সেবা পেতে নতুন করে সিম ওঠাতে হবে।” এছাড়া খুব শিগগিরই রাজধানীতে টেলিটকের তিন হাজার রিটেইলার পয়েন্ট ও আটটি কাস্টমার সেন্টার থেকে থ্রিজি সিম বিক্রি শুরু হবে বলে তিনি জানান।
 
তিনি বলেন, “আমরা আপতত ২০ লাখ গ্রাহককে থ্রিজি সেবা প্রদানের পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছি। তবে প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের চার লাখ গ্রাহক এই সুবিধা পাবেন।”
 
থ্রিজি চালুর কারণে কলরেটে কনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে হাবিবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে টেলিটক যে কলের যে হার নির্ধারণ করেছে তাতে ভয়েস কলের (শুধু কথা বলা) রেট এখন যা আছে থ্রি-জি’তেও তাই থাকবে। অন্যান্য সুবিধার জন্য যে বিল ঠিক করা হচ্ছে তা পাশবর্তী দেশ ভারত ও শ্রীলংকার চেয়ে কম হবে।”
 
সাধারণ গ্রাহকদের চেয়ে থ্রি জি সেবা গ্রহিতার চেয়ে অতিরিক্ত সুবিধা পাবে এমন প্রশ্নের জবাবে টেলিটক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান বার্তা২৪ডটনেট-কে জানান, থ্রিজি চালু হলে থ্রিজি’তে কোনো কল ড্রাপ থাকবে না। মোবাইল হ্যান্ডসেটে ইন্টারনেটের গতি অন্তত দশগুন বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অর্থাৎ এখন যে কাজ করতে দশ মিনিট লাগে থ্রিজি সেবা চুলুর কারণে এক মিনিটেই সেই কাজ শেষ করা যাবে।
 
তিনি আরো বলেন, একইভাবে গতি বেড়ে যাওয়ার কারণে মুঠোফোনেই টেলিভিশন দেখা যাবে। আর এ জন্য গ্রাহকদের প্রতি মিনিটে দুই টাকা খরচ হবে। এছাড়াও থ্রিজি নেটওয়ার্ক থাকার কারণে মোবাইলে যিনি কল করবেন তার ছবি দেখা যাওয়ার পাশাপাশি অবস্থান সম্পর্কেও জানা যাবে। ভিডিও কলের ক্ষেত্রে মিনিটে দুই টাকারও কম খরচ পড়বে। টেলিটকের থ্রি-জির সব সার্ভিসেই ১০ সেকেন্ড পালস সুবিধা থাকবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই ঘরে বসেই সন্তানদের নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
 
এই থ্রিজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেই আগামীতে পুলিশ শহরের সব সড়কের গাড়ির গতিবিধি দেখে অনাকাঙ্ক্ষিত জ্যাম নিয়ন্ত্রণও করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন টেলিটক এর এই শীর্ষ কর্মকর্তা।
 
থ্রিজি’ চালুর সঙ্গে সঙ্গে যেহেতু মোবাইলে টিভি দেখার সুযোগ বাড়বে সে সুযোগ কাজে লাগাতে টেলিটক কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে জানতে চাইলে মুজিবর রহমান বলেন, “বিষয়টি টেলিটক মাথায় রেখেছে। এজন্য উদ্বোধনের পরদিন থেকে মুঠোফেন টিভিলিংক শেয়ার স্থাপনে বিটিভি’র বাইরেও সময় টিভি, জিটিভি, আরটিভি ও মাইটিভি’ দেখার সুযোগ তৈরির আয়োজন করা হয়েছে।”
 
অপর এক প্রশ্নের জবাবে এসময় মুজিবুর রহমান আরো বলেন, “ভিডিও কল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। থ্রি জি মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ গতিতে তথ্য পরিবহণ সম্ভব বলে জিপিএসের মাধ্যমে পথ নির্দেশনা পাওয়া, উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেয়া বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।” সে জন্য ইতিমধ্যেই কেবল রাজধানীতেই ৪০টি বিটিএস ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

সাইফের বিয়ের পোশাকে কোনো এমব্রয়ডারি নেই :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাইফের বিয়ের পোশাকে কোনো এমব্রয়ডারি নেই :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
  ব্যাপারটাকে ‘কে কানেকশন’ বললেও চলে। করিনা আর কোয়েলের কথা হচ্ছে।

দু’জনেরই জন্ম ফিল্ম পরিবারে। দু’জনেই দুই ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির তারকা। দুই কন্যাই জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নিয়েছেন যাদের, তারাও ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। অভিনেতার পাশাপাশি সাইফ আলি খান প্রযোজকও বটে। সেখানেও কোয়েলের হবু স্বামী নিসপাল রানের সঙ্গে তার দারুণ মিল।
 
কোয়েলের বাবা, রঞ্জিত মল্লিক আর করিনার হবু শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুর একসঙ্গে বেশ ক’টি বাংলা ছবিও করেছেন! করিনা বিয়ের পরে ‘দবাং ২’ ছবিতে একটি আইটেম নম্বর শু্যট করবেন বলে ঠিক করেছেন। কোয়েল ঋতুপর্ণ ঘোষের পরের ছবিতে মুখ্য ভূমিকায়। ছবির শু্যটিং আগে শুরু হলেও, শেষ হবে না ফেব্রুয়ারি মাসের আগে। তাই কোয়েল ছবিটা বিয়ের পরেই শেষ করবেন।

একজন অভিনেত্রীর পক্ষে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়াটা কোনো দিনই সহজ নয়। ঠিক কোন সময়টা বিয়ে এবং ক্যারিয়ারের জন্য সঠিক? ক্যারিয়ারের শীর্ষে থেকে বিয়ে করা মানেই কি ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়া? নাকি আরো অপেক্ষা করা উচিত? কোয়েল বলছিলেন, “আমার মনে আছে, করিনাকে অনেক বার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ও কখন বিয়ে করছে। আর ওকে প্রত্যেক বারই বলতে শুনেছি, ‘ইট উইল হ্যাপেন’।
 
আসলে বিয়ের তাগিদটা ভেতর থেকে আসা উচিত। এটাই আমার বিশ্বাস। কাজ আছে আর থাকবেও। তবে শুধু কাজের জন্য অন্য সব কিছু থমকে যাবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না।
 
করিনার বিয়ের খবর শুনে ভীষণ খুশি কোয়েল। “খুব ভালো লাগছে। ওরা দু’জনেই দু’জনকে বহু বছর ধরে চেনে। বিয়ে অনেকটাই ভাগ্যের ব্যাপার। আশা করব দু’জনেই যেন ভালো বন্ধু হয়ে থাকতে পারে।”
 
করিনা যেভাবে বিয়ের পরে আইটেম নম্বর শ্যুটিং করবেন, সেটা কি কোনোভাবে কোয়েলকে প্রভাবিত করছে নিজের ক্যারিয়ার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে? “করিনা ভীষণ বুদ্ধিমতী আর আমার বিশ্বাস ও ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। তবে ওর সিদ্ধান্তটা সম্পূর্ণ ওর নিজের। আমি এটুকু জানি যে, রানে ভীষণ সাপোর্টিভ আমার ক্যারিয়ার নিয়ে।”
 
তা হলে বিয়ের পরেও কাজ চালিয়ে যাবেন? “বিয়ে হওয়া মানে এই নয়, যে আমি একটা ছবির শু্যটিং মাঝপথে ছেড়ে দেব। আমি শু্যটিং নিশ্চয়ই শেষ করব। ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবি ছাড়াও অন্যান্য ইন্টারেস্টিং অফার আছে। সেগুলো নিশ্চয়ই গুরুত্ব দিয়ে ভাবব।”

এখন কোয়েলের বিয়ের বাজার চলছে। “মা বিয়ের বাজারটা দেখছেন। আমি পুজোর বাজারটা। এই দু’টো ক্ল্যাশ করছে না,” কোয়েল বললেন। “আমার ঠাকুমার কিছু জরির ব্লাউজ আমার কাছে আছে। ভীষণ সুন্দর দেখতে। সিল্কটা কেমন পিঁজে গেছে। যদি ওটা কোনও ভাবে ঠিক করা যায়, তা হলে খুব ভালো লাগবে আমার।”

করিনার বিয়ের পোশাক নিয়ে আবার সামান্য জলঘোলা শুরু হয়েছে দুই ডিজাইনারের মধ্যে। এক দিকে ডিজাইনার রিতু কুমার বলছেন যে, তার কারিগরেরা নাকি শর্মিলা ঠাকুরের লেহেঙ্গাটা মেরামত করেছেন বেবোর জন্য। অন্য দিকে মণীশ মলহোত্র বলছেন যে, বেবোর বিয়ের সব পোশাক ওর করা।

আর সাইফ? ডিজাইনার রাঘবেন্দ্র রাঠৌর বলছেন, “আমরা প্রায় দেড় বছর ধরে সাইফের জন্য ডিজাইন করছি। তিন-চার মাস আগে সাইফ আমাকে ডেকে বলে ওর বিয়ের জন্য ডিজাইন করতে।” বেশির ভাগই হ্যান্ডলুম আর ব্রোকেড ফ্যাব্রিক ব্যবহার করেছি। তার সঙ্গে সাদা জোধপুরি ব্রোচ।
বুতামগুলো পটৌডি পরিবারের। “সাতখানা বোতামের মধ্যে রয়েছে জ্যুয়েলস। সাইফের কুর্তার কাটগুলো ভীষণ স্লিক। কোনো পোশাকেই কোনো এমব্রয়ডারি নেই।” সাইফের প্রথম পক্ষের ছেলেমেয়ে, ইব্রাহিম আর সারাও বিয়েতে আসবে। ইব্রাহিমের জন্যও একটি আচকান তৈরি করেছেন রাঘবেন্দ্র, ঠিক পটেডি ঘরানার স্টাইলে।

সব মিলিয়ে আট-ন’টা লুক তৈরি হয়েছে। একটা যেমন বেসিক রাজস্থানি ক্লাসিক লুক। এ ছাড়া আছে ভেলভেট সাদা-কালো বন্ধগলা। বেশ কয়েকটা ওয়েস্ট কোটও রয়েছে। “আমরা ইন্টারেস্টিং পকেট স্কার্ভসও ডিজাইন করেছি। লাল রংয়ের স্কার্ফগুলো ভীষণ ক্লাসিক। একটা মেরুন রংয়ের বন্ধগলা বানিয়েছি। পাগড়ি রয়েছে সঙ্গে।”

আর ধুতি? “না, স্কেচের সময় কোনো ধুতি ছিল না,” রাঘবেন্দ্র বলেন। সূত্র: আনন্দবাজার

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনেই তরুণদের স্ট্রোক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনেই তরুণদের স্ট্রোক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে তরুণদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়েছে। গবেষণা শেষে নিউরোলজি ফাউন্ড নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত নিবন্ধে বিজ্ঞানীরা একথা জানিয়েছেন।
 
১৯৯৩-৯৪ সাল পর্যন্ত একজনের যেখানে গড়ে ৭১ বছর বয়সের মধ্যে একবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটত, ২০০৫ সাল পর্যন্ত তা এসে ঠেকেছে ৬৯ বছর বয়সে। আরো দেখা গেছে, ১৯৯৩-৯৪ সালে ৭১ বছর বয়সের মধ্যে যেখানে ১৩ শতাংশ মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হতো, ২০০৫ সালে তা ১৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
 
প্রধান গবেষক জাপানের ওহিও’র সিনসিন্যাট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন কলেজের আমেরিকান একাডেমি অব নিউরোলজি বিভাগের ফেলো ড. ব্রেট কিসেলা জানান, তরুণদের মধ্যে স্ট্রোকের পাশাপাশি ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও উচ্চ কোলেস্টেরল সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে তিনি একটু আশার কথাও জানিয়েছেন। নিয়মিত ব্যয়াম ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস মানলে তরুণরা এ ধরনের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্ত থাকতে পারেন। সূত্র: ডেইলি মেইল

যোগ দেয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামের ডিসি প্রত্যাহার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

যোগ দেয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামের ডিসি প্রত্যাহার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জয়নুল বারীকে প্রত্যাহার করে সেখানে নতুন ডিসি নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ প্রত্যাহার এবং নিয়োগ করা হয়। প্রত্যাহারের পর জয়নুল বারীকে পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে নতুন ডিসি হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসি আব্দুল মান্নান। তাকে চট্টগ্রামে বদলি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক নূর মোহাম্মদ মজুমদারকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ডিসি করা হয়েছে।

কক্সবাজারের ডিসি জয়নুল বারীকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের ডিসি হিসেবে বদলি করা হয়। চলতি অক্টোবর মাসে প্রথম দিকে তিনি চট্টগ্রামে যোগ দেন। কাজে যোগ দেয়ার মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে তাকে প্রত্যাহার করা হলো।

এদিকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব পদে বদলির আদেশ পাওয়া ঢাকার ডিসি মুহিবুল হক রোববার পর্যন্ত তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

ডিসি থাকা অবস্থাতেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে মুহিবুল হক যুগ্ম-সচিব পদোন্নতি পান।

নিয়ম অনুযায়ী, উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারাই জেলা প্রশাসক পদে নিয়োগ পেয়ে থাকেন।

বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেল দুদকে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেল দুদকে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে গঠিত বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেলের সদস্যরা বৈঠকের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে গেছেন। রোববার বেলা সোয়া তিনটার দিকে তাদের বহনকারী গাড়ি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে পৌঁছায়। সোমবারও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবে এই বিশেষজ্ঞ প্যানেল।
 
এর আগে শনিবার গভীর রাতে ঢাকায় এসে পৌঁছান বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেলের সদস্যরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক প্রধান আইনজীবী লুই গ্যাবরিয়েল মোরেনো ওকাম্পো প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

৫ অক্টেবার আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তিন সদস্যের প্যানেল গঠনের ঘোষণা দেয় বিশ্বব্যাংক। এই বিশেষজ্ঞ দলের অন্য দুই সদস্য হলেন হংকংয়ের দুর্নীতিবিরোধী স্বাধীন কমিশনের সাবেক কমিশনার টিমোথি টং ও আমেরিকার সিরিয়াস ফ্রড অফিসের সাবেক পরিচালক রিচার্ড অল্ডারম্যান।
 
গত বুধবার বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই প্রতিনিধিদলের সফর মূলত প্রাথমিক ও পরিচয়মূলক, যা নিয়মিত ও ধারাবাহিক বেশ কয়েকটি সফরের মধ্যে প্রথম। বিশেষজ্ঞ দলটি এবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি তদন্তের পর্যাপ্ততা পর্যালোচনা করবে। এরপর বিশ্বব্যাংকের কাছে পর্যালোচনা প্রতিবেদন পেশ করবে দলটি। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার ও প্রকল্পের অন্য উন্নয়ন সহযোগীদেরও প্রতিবেদনের তথ্য জানানো হবে।

গত ২৯ জুন দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগে পদ্মা সেতুর ঋণচুক্তি বাতিল করেছিল বিশ্বব্যাংক। এরপর বিশ্বব্যাংকের দেয়া চারটি শর্ত পূরণ করায় নতুন করে পদ্মা সেতুতে ফিরে আসার ঘোষণা দেয় দাতা সংস্থাটি।

এখন বিশ্বব্যাংকের দেয়া চার শর্ত বাস্তবায়নের পাশাপাশি এই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দলের প্রতিবেদনের ওপরই পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ-সহায়তা নির্ভর করছে। এর বাইরে সেতু নির্মাণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করতে আরেকটি দল চলতি মাসেই ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।

একটি মহল উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

একটি মহল উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির ধারাবাহিকতা একটি মহল বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন।
 
রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নতুন প্রজন্মের থ্রিজি প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ অভিযোগ করেন।
 
জনগণকে সচেতন হয়ে উন্নয়ন ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
 
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, নতুন প্রজন্মের থ্রিজি প্রযুক্তির সেবা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।
 
দেশে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে এলো নতুন প্রজন্মের থ্রিজি প্রযুক্তি। ছবিসহ কথা বলা ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধার মোবাইল ফোন সেবা নিয়ে টেলিটক এ সুবিধা দেবে।
 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন। অন্যদের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জু, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্য প্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত ছিলেন।

রামুর ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের আবেদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের আবেদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফসহ কয়েকটি স্থানে বৌদ্ধ মন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়েছে হাই কোর্টে।
 
রোববার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি করা হয়।
 
ওই ঘটনায় সংঘটিত সহিংসতা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করে সরকার ও বিরোধীদলীয় নেতাদের দেয়া বক্তব্যে ১৬১ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণেরও আবেদন জানানো হয়েছে। আদালত শুনানি শেষে সোমবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
 
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ অক্টোবর হাই কোর্ট রুল জারি করেন এবং অন্তর্বতীকালীন নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত শুনানির জন্য ১৪ অক্টোবর পরবর্তী দিন ধার্য রেখেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় রোববার ইউনুস আলী সম্পূরক আবেদনটি করেন। আবেদনে ওই সব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ারও নির্দেশনা চাওয়া হয়।
 
আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা গণমাধ্যমে বলছেন, বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য ওই অপরাধ ঘটিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগের নেতারা এটি ঘটিয়েছেন। এ অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যেতে পারে।
 
পরে ইউনুস আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, “আজ আবেদনটি আদালতে দাখিল করা হয়েছে ও শুনানি হয়েছে।” আদালত আগামীকাল এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেছেন বলেও জানান তিনি।
 
গত ৩ অক্টোবর বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এক আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সারা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শকে নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ মন্দির ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার তদন্তে সরকার গঠিত কমিটির প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবর আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
 
একইসঙ্গে চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও পটিয়া এলাকায় মন্দির, বাড়ি, দোকানসহ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
একইসঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
 
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনূস আলী আকন্দ ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার দাখিল করা পৃথক রিট আবেদনে বুধবার হাই কোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

৫৩.৫ ভাগ এমপি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

৫৩.৫ ভাগ এমপি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় সংসদের ৫৩.৫ ভাগ সদস্যই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। ২৪.১ ভাগ সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এছাড়া প্রায় সব ক্ষেত্রেই দলীয় নেতা-কর্মীদের অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে হত্যা, সরকারি নদী, খাল, পুকুর দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণা ইত্যাদি।

রোববার দুপুর ১২টায় ব্রাক সেন্টারে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিআইবি’র (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) এক সংবাদ সম্মেলনে ‘নবম জাতীয় সংসদের সদস্যদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ভূমিকা পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রতিবেদন পাঠ করেন।

তিনি বলেন, “২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড ও অনিয়মের ওপর প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “সংসদ সদস্যরা প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব সৃষ্টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তার, উন্নয়ন বরাদ্দের অপব্যবহারসহ বিভিন্ন নেতিবাচক কাজে জড়িত, এমন তথ্য আছে।”

তবে এসব নেতিবাচক কাজ থেকে তাদের দূরে রাথতে টিআইবি কিছু সুপারিশও দিয়েছে।

টিআইবি’র সুপারিশগুলো হলো: সমস্যার কারণ বিশ্লেষণ, নেতিবাচক কাজ থেকে তাদের বিরত থাকার পরামর্শ, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘আচরণ বিধি’ বিল আইনে পরিণত করা, নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া, সংসদ সদস্যদের আর্থিক তথ্য প্রকাশ, তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ‘জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান’ আয়োজন। এসব সুপারিশ সংসদ সদস্যদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

Sunday, October 14, 2012

বেপরোয়া বিএসএফ, কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশীর প্রাণ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেপরোয়া বিএসএফ, কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশীর প্রাণ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী মণ্ডুমালা সীমান্তে তারা কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশী যুবকের প্রাণ। আব্দুল খালেক চোখা (৩০) নামের ওই যুবককে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। নিহত খালেক বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার রত্নাই মারাধার গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মন্ডুমালা সীমান্তের ৩৮৩/১ এস পিলার এলাকায় ভারত ভূখণ্ডে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ১৪ বিএসএফের সোনামতি ক্যাম্পের সদস্যরা আব্দুল খালেকসহ কয়েকজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীকে লক্ষ করে গুলি বর্ষণ করে। এতে পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই খালেক মারা যান।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া থেকে ১০০ গজ ভেতরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে বিএসএফ’র কাছে চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে বলেও জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফ’র সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করলেও আগের তুলনা সীমান্ত হত্যাকাণ্ড আরো বেড়ে গেছে। বিএসএসএফ মহাপরিচালকের ঘোষণার পর ঝরে গেছে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিকের প্রাণ। বিশিষ্ট নাগরিকরা সীমান্তের এই হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অক্সিজেনের অভাবে ছোট হয়ে যাচ্ছে মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

অক্সিজেনের অভাবে ছোট হয়ে যাচ্ছে মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সমুদ্রের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এ কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ মাছের গড় আকার ছোট হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সমুদ্র থেকে আহরিত কড, প্লেইস, হ্যালিবাট, ফ্লাউন্ডারসহ প্রায় ৬শ’ প্রজাতির মাছের আকার ২০৫০ সালের মধ্যে ১৪ থেকে ২৪ শতাংশ কমে যাবে।

গবেষণা প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক ও কানাডার ইউনিভার্সিটি অব বৃটিশ কলাম্বিয়ার গবেষক উইলিয়াম চেয়ং বলেন, এর ফলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র এবং সারা বিশ্বে প্রোটিনের জোগানে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাছের আকার যত বড় হয়, তাদের তত বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। আবার মাছের বৃদ্ধির জন্যও পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রয়োজন। অক্সিজেনের অভাবে এক পর্যায়ে মাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ক্রমেই উষ্ণতর হতে থাকায় এতে মাছেদের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলে এ প্রজাতিটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর শীতল সমুদ্রে সরে যাবে।

এতে বলা হয়, ভারত মহাসাগরের মাছের আকার প্রায় ২৪, আটলান্টিক মহাসাগরে ২০ এবং প্রশান্ত মহাসাগরে ১৪ শতাংশ হ্রাস পাবে। এ তিনটির মধ্যে ভারত মহাসাগরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।  সূত্র: রয়টার্স

বাংলাদেশে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন আড়াই লাখ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন আড়াই লাখ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে প্রতি বছর দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হন৷ কিন্তু তাদের মধ্য ৩৫ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসকের কাছে যায় না৷ সচেতনতার অভাবে তারা টোটকা চিকিৎসা করায়৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ৷ আর এই আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মোয়ারফ হোসেন জানান, প্রতি ১,০০০ জনে ১৮১ জন ক্যানসার আক্রান্ত৷ প্রতিবছর নতুন করে আক্রান্ত হন দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ৷ কিন্তু এদের অধিকাংশই চিকিৎসকের কাছে যান না৷ ফলে প্রতিবছর দুই লাখ মানুষ বাংলাদেশে ক্যানসারে মারা যান৷

তিনি জানান, মহিলারা সবচেয়ে বেশি ভোগেন জরায়ুর ক্যানসারে৷ যেখানে উন্নত বিশ্বে ১০০ জন ক্যানসার আক্রান্ত নারীর মধ্যে তিন থেকে পাঁচ জন জরায়ুর ক্যানসারে ভোগেন, সেখানে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ২৫ জন৷ স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবেই এমন হচ্ছে বলে তার অভিমত৷

অধ্যাপক মোয়ারফ জানান, বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসা আন্তর্জাতিক মানের৷ কিন্তু সচেতনতা এবং অর্থের অভাবে অনেকেই সেই চিকিৎসা নিতে পারেন না৷ তবে তিনি ক্যানসার চিকিৎসার জন্য আরো বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন৷

তার মতে, শুধু চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করলেই হবে সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নিতে হবে৷ সচেতন হলে ক্যানসার রোগীকে প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে৷ তখন ক্যানসারে মৃত্যুর হার কমে যাবে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বয়স্ক মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে জাতীয় ও তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ অ্যান্ড সাপোর্টিভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা.  রুমানা দৌলা।

শনিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বিশ্ব হসপিস ও প্রশমন সেবা দিবস-২০১২’ উপলক্ষে বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ অ্যান্ড সাপোর্টিভ কেয়ার ফাউন্ডেশন ও রোটারি ক্লাব ঢাকা মহানগর যৌথ মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. রুমানা বলেন, “পাঁচ বছর পরে পাঁচের কম বয়সি শিশুদের চেয়ে ৬৫ বা তার বেশি বয়েসের মানুষদের সংখ্যা হবে বেশি। এ বয়স্ক লোকেরা বার্ধক্যে উপনীত হলে ক্যানসার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগে থাকেন। তাদের অনেকেই ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা পান না।”

মানববন্ধনে বক্তারা বয়স্ক মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ঝিলেন, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার ডা. অরুনাংশু দাস, ডানকান ব্রাদার্সের পরিচালক নূরুল আলম, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খলিল আল জায়ার এবং ক্যাটালিস্টের বিজনেস কনসালটেন্টের প্রিন্সিপাল শ্রাবণী সরকার।

স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে ফিজিওখেরাপি পেশার বয়স ৫২ বছর হলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো নীতিমালা হয় নাই এবং নেই কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। তাই ফিজিওথেরাপি পেশা ও পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে দ্রুততার সঙ্গে স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠন করে এই পেশাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা উচিত।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ম্যানুয়েল থেরাপি অ্যাসোসিয়েটস ও আইকন ফিজিও আয়োজিত দেশে ফিজিওথেরাপি শিক্ষা ও শারীরিক প্রতিবন্ধি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইউবিএটি এর ভিসি প্রফেসর এম আলিমুল্লাহ মিয়া বলেন, “নীতিমালা না থাকায় কিছু অশিক্ষিত সুবিধাবাদি গোষ্ঠি যন্ত্রপাতি কিনে ফিজিওথেরাপির নামে প্রতারণা করছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়া বিভিন্ন অপেশাদার লোকজনকে দিয়ে রোগীদের সর্বনাশ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ফিজিওথেরাপির প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে এবং এক পর্যায় এ পেশার বিলুপ্তি ঘটতে পারে।”

তিনি আরো বলেন, “পর্যাপ্ত সংখ্যাক দক্ষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক তৈরিতে নতুন ফিজিওথেরাপি কলেজের দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিষ্ট নিয়োগ দেয়া খুবই জরুরি।

সেমিনারে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজেস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, বাত ব্যথা ও বিভিন্ন কারণে শারীরিক প্রতিবন্ধী, বিকলাঙ্গ এবং চলাচলে অক্ষম রোগীদের সংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১০% লোক এ সব কারণে প্রতিবন্ধী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তাই ফিজিওথেরাপি পেশাটি সরকারের গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। কারণ স্বাস্থ্য সেবার প্রকৃত উন্নয়নে ফিজিওথেরাপির বিকল্প নেই।

ঢাকা মেডিকেলের সাবেক ফিজিওথেরাপিস্ট প্রফেসর আবুল হোসেইন এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কুয়েত ইউনিভার্সিটির সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর আব্দুল মজিদ মোল্লা, এনআইটিওআর এর ফিজিওথেরাপির সাবেক প্রফেসর এমএন আলম ও আইইউবিএটি এর পরিচালক ডা.এ এস এ মাসুদ।

উপকূলে এখনো নিখোঁজ বহু মানুষ, নেই উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপকূলে এখনো নিখোঁজ বহু মানুষ, নেই উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোয় বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঝড়ের আঘাতের পর এলাকায় এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যদিও সেখানকার প্রশাসন বলছে, গভীর সমুদ্রে থাকার কারণে মাছ ধরার ট্রলারগুলো ফিরে আসতে সময় লাগছে।

তবে স্থানীয়দের মধ্যে তাতে আশংকা কাটেনি। স্থানীয়রা সরকারি তৎপরতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, সেখানে এর মধ্যেই ত্রাণ তৎপরতা শুরু করা হয়েছে, যদিও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সাহায্য পৌঁছতে কিছুটা সময় লাগছে।

উপকূলীয় জেলাগুলোয় বাসিন্দাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ের পর থেকে চট্টগ্রাম, ভোলা আর নোয়াখালী মিলে তিনশ'র বেশি জেলে নৌকা এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

সেই হিসাবে এখনো কোনোরকম খোঁজ পাওয়া যায়নি, এরকম জীবিত বা মৃত মানুষের সংখ্যা কয়েক হাজার।

ভোলায় মনপুরার সখিনা খাতুন টেলিফোনে বলেন, তার স্বামী, একটি জেলে নৌকার কর্মী, মোতাহার হোসেন ঝড়ের পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।

“হঠাৎ আসা ঝড়ে তাদের নৌকা উল্টে গেলে অন্য কর্মীরা সাঁতরে উপকূলে ফিরে আসতে পেরেছে, কিন্তু আমার স্বামীর এখনো কেো খোঁজ নেই।” বলছেন সখিনা।

মনপুরার একজন মাছ ব্যবসায়ী ফারুক উদ্দিন জানান, বুধবার ছিল সেখানে সাপ্তাহিক হাটের দিন। সে কারণে সেখানে আশেপাশের এলাকাগুলো থেকে নৌকা নিয়ে অনেক মানুষ এসেছিলেন। তাদের অনেকের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

সরকারি হিসাবে, ঝড়ের পর এই তিনটি জেলায় মৃতের সংখ্যা আরো চারজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭।

কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে এই সংখ্যা আরো বেশি। কারণ দুর্গম এলাকায় যোগাযোগের সমস্যার কারণে অনেক জায়গায় স্থানীয়ভাবে মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে।

তারা অভিযোগ করছেন, নিখোঁজদের সন্ধানে সরকারিভাবে কোনো উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়নি।

তবে এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, নিখোঁজ বলে যেসব জেলে নৌকার কথা বলা হচ্ছে, এসব নৌকা খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে বলেই তারা আশা করছেন। কারণ গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কারণে এসব নৌকার ফিরে আসতে সময় লাগছে।

এই ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম বলেন, নৌকা বা মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, এরকম অভিযোগ এখনো তাদের কাছে নেই।”

তিনি বলেন, “'মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলা হলেও, আমাদের কাছে বা পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি যে তাদের কোনো আত্মীয়কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”

সরকারিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম বা নিখোঁজদের উদ্ধারে তৎপরতার অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলছেন, গাছপালা পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে, এমনকি যাদের ত্রাণ দেয়া হবে, তারাও নিজেদের ভেঙে যাওয়া ঘরবাড়ি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে প্রথমদিন ত্রাণ বিতরণে সেভাবে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।

তবে শুক্রবার থেকে সরকারি তরফে সেখানে ত্রাণ কার্যক্রম পুরোমাত্রায় শুরু করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেখানে এখন ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে চাল, টিন আর নগদ টাকা বিতরণ শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রত্যন্ত এসব জেলায় নৌপথে চলাচল করা গেলেও, রাস্তায় রাস্তায় বড় আকারের গাছ পড়ে থাকার কারণে এখনো সড়কপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। সূত্র: বিবিসি

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় জনসাধারণকে রক্ষায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে সব ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিম্নভূমির দেশ। এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ৩৪ শতাংশ লোক বাস করে। দেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস বেড়ে যাওয়ার কারণে জনগণের আশ্রয়ের জন্য অধিকহারে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই জনসাধারণকে আশ্রয় দেয়ার জন্য উপকূলীয় এলাকায় আমাদের সব ধরণের অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।

এছাড়া তিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াতে কিশোরী ও নারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দুর্যোগ-উত্তর পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কর্মসূচীতে তাদের অংশ নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ হ্রাস দিবস উপলক্ষে উদ্বোধনী কর্মসূচিতে ভাষণকালে এ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, বন্যা, খরা, ভূমিক্ষয় ও লবণাক্ততার কারণে এখানকার জনগণের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান ভূকম্পন এলাকায় হওয়ায় এ দেশে বড়ো ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া তীব্র জনঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ন, ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণ হতাহতের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এদেশে অগ্নিকাণ্ড, সড়ক ও লঞ্চ দুর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়, যা পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নীল ওয়াকার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এম আসলাম আলম বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস

হালনাগাদে সারাদেশে লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ ভোটার নিবন্ধিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হালনাগাদে সারাদেশে লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ ভোটার নিবন্ধিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদে এ পর্যমত্ম ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ভোটার নিবন্ধন করতে সক্ষম হয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যা লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ। ৭০ লাখ ভোটার নিবন্ধনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ থেকে প্রকাশিত হাল নাগাদ কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এ হিসাব ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২ পর্যমত্ম।

পরিকল্পনা অনুযায়ী এখন পর্যমত্ম নিবন্ধন অবশিষ্ট থাকছে ২২ লাখ ৪১ হাজার ভোটার। প্রাক্কলিত ৪৩ হাজার ৮০০ জন করে প্রতিদিন নিবন্ধনের আওতায় এলে অবশিষ্টদের তালিকাভুক্ত করতে কমিশনের আরো ৫২ দিন সময় লাগবে।

এর মাঝখানে সম্ভাব্য ছুটির পরিমাণ ১০ দিন। সারাদেশে নিবন্ধন শেষ করার সম্ভাব্য সময় ২০১২ সালের ১৫ ডিসেম্বর। এ পর্যমত্ম মোট ৩৫২টি উপজেলায় নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সম্পন্নকৃত এলাকাগুলোতে নতুন করে ভোটার নিবন্ধনের হার সাত দশমিক সাত শতাংশ। বর্তমানে আরো ৮১টি উপজেলায় হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে।

নিবন্ধনের জন্য বাকি উপজেলার সংখ্যা ১৬৪টি। চলতি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে আরো ৪৪টি উপজেলার কাজ শেষ হবে। এতে অমত্মত আরো সাড়ে তের লাখ ভোটার নিবন্ধিত হবে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘‘কাজ ভালভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী হালনাগাদ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো আমরা।’’

যারা এখনো ভোটার হতে পারেনি তাদের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়নি। তারাও ভোটার হতে পারবে বলে মত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলী।

এদিকে নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘‘সারাদেশে ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি আমরা লক্ষ্যমাত্রায় পৌছতে পারবো।’’