বাংলাদেশে ফিজিওখেরাপি পেশার বয়স ৫২ বছর হলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো
নীতিমালা হয় নাই এবং নেই কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। তাই ফিজিওথেরাপি পেশা ও
পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে দ্রুততার সঙ্গে
স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠন করে এই পেশাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা
উচিত।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ম্যানুয়েল থেরাপি অ্যাসোসিয়েটস ও আইকন ফিজিও আয়োজিত দেশে ফিজিওথেরাপি শিক্ষা ও শারীরিক প্রতিবন্ধি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইউবিএটি এর ভিসি প্রফেসর এম আলিমুল্লাহ মিয়া বলেন, “নীতিমালা না থাকায় কিছু অশিক্ষিত সুবিধাবাদি গোষ্ঠি যন্ত্রপাতি কিনে ফিজিওথেরাপির নামে প্রতারণা করছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়া বিভিন্ন অপেশাদার লোকজনকে দিয়ে রোগীদের সর্বনাশ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ফিজিওথেরাপির প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে এবং এক পর্যায় এ পেশার বিলুপ্তি ঘটতে পারে।”
তিনি আরো বলেন, “পর্যাপ্ত সংখ্যাক দক্ষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক তৈরিতে নতুন ফিজিওথেরাপি কলেজের দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিষ্ট নিয়োগ দেয়া খুবই জরুরি।
সেমিনারে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজেস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, বাত ব্যথা ও বিভিন্ন কারণে শারীরিক প্রতিবন্ধী, বিকলাঙ্গ এবং চলাচলে অক্ষম রোগীদের সংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১০% লোক এ সব কারণে প্রতিবন্ধী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তাই ফিজিওথেরাপি পেশাটি সরকারের গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। কারণ স্বাস্থ্য সেবার প্রকৃত উন্নয়নে ফিজিওথেরাপির বিকল্প নেই।
ঢাকা মেডিকেলের সাবেক ফিজিওথেরাপিস্ট প্রফেসর আবুল হোসেইন এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কুয়েত ইউনিভার্সিটির সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর আব্দুল মজিদ মোল্লা, এনআইটিওআর এর ফিজিওথেরাপির সাবেক প্রফেসর এমএন আলম ও আইইউবিএটি এর পরিচালক ডা.এ এস এ মাসুদ।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ম্যানুয়েল থেরাপি অ্যাসোসিয়েটস ও আইকন ফিজিও আয়োজিত দেশে ফিজিওথেরাপি শিক্ষা ও শারীরিক প্রতিবন্ধি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইউবিএটি এর ভিসি প্রফেসর এম আলিমুল্লাহ মিয়া বলেন, “নীতিমালা না থাকায় কিছু অশিক্ষিত সুবিধাবাদি গোষ্ঠি যন্ত্রপাতি কিনে ফিজিওথেরাপির নামে প্রতারণা করছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়া বিভিন্ন অপেশাদার লোকজনকে দিয়ে রোগীদের সর্বনাশ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ফিজিওথেরাপির প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে এবং এক পর্যায় এ পেশার বিলুপ্তি ঘটতে পারে।”
তিনি আরো বলেন, “পর্যাপ্ত সংখ্যাক দক্ষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক তৈরিতে নতুন ফিজিওথেরাপি কলেজের দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিষ্ট নিয়োগ দেয়া খুবই জরুরি।
সেমিনারে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজেস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, বাত ব্যথা ও বিভিন্ন কারণে শারীরিক প্রতিবন্ধী, বিকলাঙ্গ এবং চলাচলে অক্ষম রোগীদের সংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১০% লোক এ সব কারণে প্রতিবন্ধী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তাই ফিজিওথেরাপি পেশাটি সরকারের গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। কারণ স্বাস্থ্য সেবার প্রকৃত উন্নয়নে ফিজিওথেরাপির বিকল্প নেই।
ঢাকা মেডিকেলের সাবেক ফিজিওথেরাপিস্ট প্রফেসর আবুল হোসেইন এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কুয়েত ইউনিভার্সিটির সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর আব্দুল মজিদ মোল্লা, এনআইটিওআর এর ফিজিওথেরাপির সাবেক প্রফেসর এমএন আলম ও আইইউবিএটি এর পরিচালক ডা.এ এস এ মাসুদ।
No comments:
Post a Comment