প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময়
জনসাধারণকে রক্ষায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে সব ধরনের অবকাঠামো
নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিম্নভূমির দেশ। এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ৩৪ শতাংশ লোক বাস করে। দেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস বেড়ে যাওয়ার কারণে জনগণের আশ্রয়ের জন্য অধিকহারে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই জনসাধারণকে আশ্রয় দেয়ার জন্য উপকূলীয় এলাকায় আমাদের সব ধরণের অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।
এছাড়া তিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াতে কিশোরী ও নারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দুর্যোগ-উত্তর পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কর্মসূচীতে তাদের অংশ নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ হ্রাস দিবস উপলক্ষে উদ্বোধনী কর্মসূচিতে ভাষণকালে এ গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, বন্যা, খরা, ভূমিক্ষয় ও লবণাক্ততার কারণে এখানকার জনগণের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান ভূকম্পন এলাকায় হওয়ায় এ দেশে বড়ো ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া তীব্র জনঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ন, ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণ হতাহতের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এদেশে অগ্নিকাণ্ড, সড়ক ও লঞ্চ দুর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়, যা পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নীল ওয়াকার।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এম আসলাম আলম বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিম্নভূমির দেশ। এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ৩৪ শতাংশ লোক বাস করে। দেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস বেড়ে যাওয়ার কারণে জনগণের আশ্রয়ের জন্য অধিকহারে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই জনসাধারণকে আশ্রয় দেয়ার জন্য উপকূলীয় এলাকায় আমাদের সব ধরণের অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।
এছাড়া তিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াতে কিশোরী ও নারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দুর্যোগ-উত্তর পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কর্মসূচীতে তাদের অংশ নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ হ্রাস দিবস উপলক্ষে উদ্বোধনী কর্মসূচিতে ভাষণকালে এ গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, বন্যা, খরা, ভূমিক্ষয় ও লবণাক্ততার কারণে এখানকার জনগণের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান ভূকম্পন এলাকায় হওয়ায় এ দেশে বড়ো ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া তীব্র জনঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ন, ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণ হতাহতের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এদেশে অগ্নিকাণ্ড, সড়ক ও লঞ্চ দুর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়, যা পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নীল ওয়াকার।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এম আসলাম আলম বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস
No comments:
Post a Comment