বাংলাদেশে প্রতি বছর দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হন৷
কিন্তু তাদের মধ্য ৩৫ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসকের কাছে যায় না৷ সচেতনতার
অভাবে তারা টোটকা চিকিৎসা করায়৷
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ৷ আর এই আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মোয়ারফ হোসেন জানান, প্রতি ১,০০০ জনে ১৮১ জন ক্যানসার আক্রান্ত৷ প্রতিবছর নতুন করে আক্রান্ত হন দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ৷ কিন্তু এদের অধিকাংশই চিকিৎসকের কাছে যান না৷ ফলে প্রতিবছর দুই লাখ মানুষ বাংলাদেশে ক্যানসারে মারা যান৷
তিনি জানান, মহিলারা সবচেয়ে বেশি ভোগেন জরায়ুর ক্যানসারে৷ যেখানে উন্নত বিশ্বে ১০০ জন ক্যানসার আক্রান্ত নারীর মধ্যে তিন থেকে পাঁচ জন জরায়ুর ক্যানসারে ভোগেন, সেখানে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ২৫ জন৷ স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবেই এমন হচ্ছে বলে তার অভিমত৷
অধ্যাপক মোয়ারফ জানান, বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসা আন্তর্জাতিক মানের৷ কিন্তু সচেতনতা এবং অর্থের অভাবে অনেকেই সেই চিকিৎসা নিতে পারেন না৷ তবে তিনি ক্যানসার চিকিৎসার জন্য আরো বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন৷
তার মতে, শুধু চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করলেই হবে সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নিতে হবে৷ সচেতন হলে ক্যানসার রোগীকে প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে৷ তখন ক্যানসারে মৃত্যুর হার কমে যাবে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ৷ আর এই আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মোয়ারফ হোসেন জানান, প্রতি ১,০০০ জনে ১৮১ জন ক্যানসার আক্রান্ত৷ প্রতিবছর নতুন করে আক্রান্ত হন দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ৷ কিন্তু এদের অধিকাংশই চিকিৎসকের কাছে যান না৷ ফলে প্রতিবছর দুই লাখ মানুষ বাংলাদেশে ক্যানসারে মারা যান৷
তিনি জানান, মহিলারা সবচেয়ে বেশি ভোগেন জরায়ুর ক্যানসারে৷ যেখানে উন্নত বিশ্বে ১০০ জন ক্যানসার আক্রান্ত নারীর মধ্যে তিন থেকে পাঁচ জন জরায়ুর ক্যানসারে ভোগেন, সেখানে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ২৫ জন৷ স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবেই এমন হচ্ছে বলে তার অভিমত৷
অধ্যাপক মোয়ারফ জানান, বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসা আন্তর্জাতিক মানের৷ কিন্তু সচেতনতা এবং অর্থের অভাবে অনেকেই সেই চিকিৎসা নিতে পারেন না৷ তবে তিনি ক্যানসার চিকিৎসার জন্য আরো বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন৷
তার মতে, শুধু চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করলেই হবে সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নিতে হবে৷ সচেতন হলে ক্যানসার রোগীকে প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে৷ তখন ক্যানসারে মৃত্যুর হার কমে যাবে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
No comments:
Post a Comment